রোজা ভেঙে কাফফারা আদায়ে অক্ষম? জেনে নিন ইসলামের সহজ সমাধান

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১৯:৪৫:২৯
রোজা ভেঙে কাফফারা আদায়ে অক্ষম? জেনে নিন ইসলামের সহজ সমাধান
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে রমজানের রোজা ভেঙে ফেলেন, তবে তার ওপর কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হয়। কাফফারা হিসেবে টানা ৬০টি রোজা রাখা অথবা ৬০ জন মিসকিনকে দুই বেলা পেট ভরে খাওয়ানো বাধ্যতামূলক। তবে কোনো ব্যক্তি যদি শারীরিক অসুস্থতা বা চরম দারিদ্র্যের কারণে এই দুইটির কোনোটিই পালনে সক্ষম না হন, তবে তার করণীয় কী—তা নিয়ে ফিকহশাস্ত্রের নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শরিয়তের বিধান মতে, যদি কোনো ব্যক্তি বাস্তবেই কাফফারা আদায়ে অক্ষম হয়ে থাকেন, তবে তাকে মহান আল্লাহর দরবারে বেশি বেশি ইস্তেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। তওবার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা তাকে এই দায় থেকে মুক্তি দিতে পারেন। তবে ভবিষ্যতে সক্ষমতা ফিরে পেলে কাফফারা আদায়ের চেষ্টা করা উত্তম।

কাফফারা আদায়ে অক্ষম ব্যক্তির করণীয়: যা বলছে ইসলামি শরিয়ত

ইচ্ছাকৃত আল্লাহর আইন লঙ্ঘন করা নাজায়েজ ও গুনাহের কাজ। তবে কেউ যদি রোজা ভেঙে ফেলার পর কাফফারা (৬০টি রোজা বা ৬০ জন মিসকিনকে খাওয়ানো) আদায়ে পুরোপুরি অক্ষম হন, তবে তাঁর জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়াই একমাত্র পথ। এ বিষয়ে ফিকহশাস্ত্রের প্রামাণ্য গ্রন্থসমূহের উদ্ধৃতি নিচে দেওয়া হলো:

১. البحر الرائق شرح كنز الدقائق (আল-বাহরুর রায়িক শরহু কানযুদ দাকায়িক):

এই গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফিদিয়া কেবল সেই রোজার পরিবর্তে দেওয়া যায় যা মূল রোজা, অন্য কোনো বদলি রোজা নয়।

البحر الرائق شرح كنز الدقائق – (2 / 308):"ولأن الفدية لاتجوز إلا عن صوم هو أصل بنفسه لا بدل عن غيره فجازت عن رمضان وقضائه والنذر، حتى لو نذر صوم الأبد فضعف عن الصوم لاشتغاله بالمعيشة له أن يطعم ويفطر، لأنه استيقن أن لايقدر على قضائه وإن لم يقدر على الإطعام لعسرته يستغفر الله تعالی"।"

অর্থাৎ, কেউ যদি অভাবের কারণে ফিদিয়া দিতেও না পারেন, তবে তিনি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন।

২. الدر المختار شرح تنوير الأبصار (আদ-দুররুল মুখতার শরহ তানওীরুল আবসার):

অত্যন্ত বৃদ্ধ ব্যক্তি বা যারা স্থায়ীভাবে সক্ষমতা হারিয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।

الدر المختار شرح تنوير الأبصار – (2 / 427):"• (وللشيخ الفاني العاجز عن الصوم الفطر ويفدي) وجوبًا ولو في أول الشهر وبلا تعدد فقير كالفطرة لو موسرًا و إلا فيستغفر الله"।"

সারসংক্ষেপ হলো, ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী সামর্থ্যহীন ব্যক্তির ক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলা সহজতা দান করেছেন। যদি কেউ রোজা রাখতে বা খাদ্য দান করতে—উভয় ক্ষেত্রেই অক্ষম হন, তবে কায়মনোবাক্যে আল্লাহর কাছে তওবা ও ইস্তেগফার করাই তাঁর জন্য চূড়ান্ত আমল।

/আশিক


বৃষ্টি নামলেই কেন দোয়া করবেন? জানুন হাদিসের নির্দেশনা

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৯ ১৪:১৪:৫১
বৃষ্টি নামলেই কেন দোয়া করবেন? জানুন হাদিসের নির্দেশনা
ছবি: সংগৃহীত

বৃষ্টি মানুষের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা এক অনন্য নিয়ামত। কৃষি, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং মানবজীবনের টিকে থাকার জন্য বৃষ্টির গুরুত্ব অপরিসীম। তবে ইসলামের দৃষ্টিতে বৃষ্টি কেবল একটি প্রাকৃতিক ঘটনা নয়; এটি মহান আল্লাহর অসীম রহমত, ক্ষমতা ও কুদরতের এক উজ্জ্বল নিদর্শন।

পবিত্র কুরআনের বহু আয়াতে বৃষ্টিকে বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোথাও এটি আল্লাহর দয়া হিসেবে বর্ণিত হয়েছে, কোথাও মৃত জমিনকে পুনর্জীবিত করার উপমা হিসেবে, আবার কোথাও মানুষের জন্য চিন্তা ও উপলব্ধির বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বৃষ্টির মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা মানুষকে তাঁর সৃষ্টিশক্তি, প্রজ্ঞা এবং অনুগ্রহের কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

কুরআনে বৃষ্টির তাৎপর্য

ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, কুরআনে বৃষ্টির আলোচনা শুধু আবহাওয়াগত বিষয় নয়; বরং এটি আল্লাহর একত্ববাদ, পুনরুত্থান এবং রহমতের বার্তার সঙ্গেও সম্পর্কিত। শুষ্ক ও মৃত ভূমিতে বৃষ্টির পানি নেমে এসে যেমন নতুন প্রাণের সঞ্চার করে, তেমনি এটি মানুষের হৃদয়েও ঈমান, কৃতজ্ঞতা ও বিনয়ের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে।

বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা আল্লাহর নিয়ন্ত্রণে অবতীর্ণ হয়। তাই মুসলমানদের জন্য বৃষ্টি শুধু উপভোগের বিষয় নয়, বরং চিন্তা, কৃতজ্ঞতা এবং ইবাদতেরও একটি বিশেষ উপলক্ষ।

বৃষ্টি দেখলে যে দোয়া পড়তেন রাসুল (সা.)

সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, বৃষ্টি শুরু হলে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর কাছে কল্যাণকর বৃষ্টির জন্য দোয়া করতেন।

তিনি বলতেন:

اللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাইয়্যেবান নাফিআ।

অর্থ: “হে আল্লাহ! এই বৃষ্টিকে আমাদের জন্য উপকারী করুন।”

সহিহ বুখারির বর্ণনা অনুযায়ী, এটি বৃষ্টি দেখার সময় পাঠ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত।

ইসলামে বৃষ্টির সময়কে দোয়া কবুলের অন্যতম উত্তম মুহূর্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাসুল (সা.)-এর হাদিসে উল্লেখ আছে যে, কিছু সময় এমন রয়েছে যখন দোয়া সাধারণত প্রত্যাখ্যান করা হয় না। বৃষ্টির সময় সেই বিশেষ মুহূর্তগুলোর একটি।

আলেমরা বলেন, আকাশ থেকে যখন আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়, তখন বান্দার উচিত নিজের প্রয়োজন, ক্ষমা, হেদায়েত, রিজিক, সুস্বাস্থ্য এবং দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করা।

ইসলাম মানুষকে শিক্ষা দেয়, বৃষ্টিকে কোনো নক্ষত্র, গ্রহ কিংবা কুসংস্কারের ফল হিসেবে নয়, বরং সরাসরি আল্লাহর রহমত হিসেবে দেখতে। রাসুলুল্লাহ (সা.) সতর্ক করেছেন যে, বৃষ্টিকে অন্য কোনো শক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা ঈমানের দৃষ্টিকোণ থেকে ভুল ধারণা সৃষ্টি করতে পারে।

তাই একজন মুমিনের উচিত বৃষ্টির জন্য আল্লাহর প্রশংসা করা এবং তাঁর অনুগ্রহের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।

অতিবৃষ্টির সময়ও রয়েছে বিশেষ দোয়া

কখনো কখনো অতিবৃষ্টি মানুষের জন্য কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এমন পরিস্থিতিতেও রাসুল (সা.) মুসলমানদের একটি বিশেষ দোয়া শিখিয়েছেন।

তিনি দোয়া করতেন:

اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلاَ عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ عَلَى الآكَامِ وَالْجِبَالِ وَالآجَامِ وَالظِّرَابِ وَالأَوْدِيَةِ وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়া লা আলাইনা; আল্লাহুম্মা আলাল আকামি ওয়াল ঝিবালি ওয়াল আঝামি ওয়াজ জিরাবি ওয়াল আওদিয়াতি ওয়া মানাবিতিশ শাজার।

অর্থ: “হে আল্লাহ! আমাদের চারপাশে বৃষ্টি বর্ষণ করুন, আমাদের ওপর নয়। পাহাড়, টিলা, উপত্যকা, বনভূমি ও বৃক্ষরাজির ওপর বৃষ্টি বর্ষণ করুন।”

এই দোয়া ইসলামের ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরে, যেখানে মানুষ আল্লাহর রহমত কামনা করে, আবার ক্ষতি থেকে রক্ষাও প্রার্থনা করে।

বৃষ্টির সময় মুসলমানের করণীয়

ইসলামী শিক্ষার আলোকে বৃষ্টির সময় কয়েকটি আমল বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়। এর মধ্যে রয়েছে আল্লাহর প্রশংসা করা, সুন্নত দোয়া পাঠ করা, বেশি বেশি ইস্তিগফার করা, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কল্যাণের জন্য দোয়া করা এবং আল্লাহর নিয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা।

ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক জীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও বৃষ্টির মুহূর্তগুলো মানুষকে আল্লাহর দিকে ফিরে আসার একটি মূল্যবান সুযোগ এনে দেয়।

বৃষ্টি মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে পৃথিবীর প্রতিটি নিয়ামত মহান আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। আকাশ থেকে নেমে আসা প্রতিটি বৃষ্টিধারা আমাদের জীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে, ফসল ফলায়, নদী-নালা পূর্ণ করে এবং প্রকৃতিকে নতুন প্রাণ দেয়।

তাই বৃষ্টির সময় শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করাই নয়, বরং আল্লাহর রহমতের কথা স্মরণ করা, দোয়া করা এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাও একজন মুসলমানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।


আজকের নামাজের সময়সূচি, কখন কোন ওয়াক্ত?

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৯ ০৮:০৭:১৮
আজকের নামাজের সময়সূচি, কখন কোন ওয়াক্ত?
ছবি: সংগৃহীত

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য প্রতিদিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্ধারিত সময়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার (৯ জুন ২০২৬) ঢাকা ও আশপাশের এলাকার নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভাগীয় শহরগুলোর জন্য সময়ের পার্থক্যও জানানো হয়েছে।

আজ ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ২২ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি। দিনের শুরুতে ফজরের আজান হবে ভোর ৩টা ৪৪ মিনিটে। এরপর সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১০ মিনিটে। মধ্যাহ্নের জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১ মিনিটে।

বিকেলে আসরের নামাজের সময় শুরু হবে ৪টা ৩৭ মিনিটে। সূর্যাস্তের পর মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৯ মিনিটে। আর রাতের ইশার নামাজ আদায়ের সময় শুরু হবে রাত ৮টা ১৫ মিনিটে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৬ মিনিটে। অন্যদিকে আগামীকাল বুধবার (১০ জুন) ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৪ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১০ মিনিটে।

দেশের বিভিন্ন বিভাগের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে নামাজের সময়েও কিছুটা পার্থক্য দেখা যায়। সে কারণে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঢাকার সময়ের সঙ্গে নির্দিষ্ট সময় যোগ বা বিয়োগ করে বিভাগীয় শহরগুলোর সময় নির্ধারণের নির্দেশনা দিয়েছে।

চট্টগ্রামের মুসল্লিদের জন্য ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অর্থাৎ এই দুই অঞ্চলে নামাজের সময় ঢাকার তুলনায় কিছুটা আগে শুরু হবে।

অন্যদিকে খুলনার ক্ষেত্রে ৩ মিনিট, বরিশালের ক্ষেত্রে ১ মিনিট, রাজশাহীর ক্ষেত্রে ৭ মিনিট এবং রংপুরের ক্ষেত্রে ৮ মিনিট যোগ করতে হবে। ফলে এসব অঞ্চলে নামাজের সময় ঢাকার তুলনায় কিছুটা পরে হবে।

ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায় করা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনার অংশ। তাই প্রতিদিনের নামাজের সময়সূচি সম্পর্কে অবগত থাকা এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া প্রত্যেক মুসল্লির জন্য প্রয়োজনীয়।

সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন


ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৮ ১০:২৫:৩১
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

আজ ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২১ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি, সোমবার (৮ জুন ২০২৬)। ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার সম্মানিত সুন্নি ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক নির্ধারিত আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সর্বশেষ ও সঠিক সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্যানুযায়ী, আজ সোমবার ঢাকায় জোহরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০১ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে। আজ সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ৬টা ৪৮ মিনিটে এবং পবিত্র এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ১৪ মিনিটে। অপরদিকে, আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোর ৩টা ৪৬ মিনিটে পবিত্র ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে।

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে এবং আগামীকাল মঙ্গলবার ঢাকায় সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১১ মিনিটে। উল্লেখ্য, ভৌগোলিক অবস্থান ও দূরত্বভেদে ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার সময়ের সাথে দেশের বিভিন্ন জেলার সময় ১ থেকে সর্বোচ্চ ১০ মিনিট পর্যন্ত কম-বেশি হতে পারে।

/আশিক


জেনে নিন আজকের ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৭ ১০:৩৪:০৫
জেনে নিন আজকের ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

আজ রবিবার, ৭ জুন ২০২৬ (২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ/২০ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি)। ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি এবং সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সময় প্রকাশ করা হয়েছে। সময়সূচি অনুযায়ী, আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০১ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে।

আজ সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৬টা ৪৮ মিনিটে এবং এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ১৪ মিনিটে।

পবিত্র রমজান ও অন্যান্য ইবাদতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফজরের নামাজের সময় আগামীকাল সোমবার (৮ জুন) ভোর ৩টা ৪৬ মিনিটে শুরু হবে।

এ ছাড়া আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে এবং আগামীকাল সোমবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১০ মিনিটে।

নির্ভরযোগ্য এবং নিয়মতান্ত্রিকভাবে দৈনন্দিন ইবাদত সম্পন্ন করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক নির্ধারিত এই সময়সূচি অনুসরণের অনুরোধ করা হয়েছে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।


ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৬ ১০:২৪:৪২
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

আজ শনিবার (৬ জুন) ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০১ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটে।

সন্ধ্যায় মাগরিবের আজান ও নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৬টা ৪৭ মিনিটে। এরপর রাতের প্রধান জামাত অর্থাৎ এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ১৩ মিনিটে। অন্যদিকে, আগামী রোববার (৭ জুন) পবিত্র ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৬ মিনিটে।

আবহাওয়া ও জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত তথ্যানুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে এবং আগামীকাল ভোরে সূর্যোদয় হবে ৫টা ১১ মিনিটে। দূরত্বের তারতম্যের কারণে ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতে এই সময়ের সাথে কয়েক মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে নামাজ আদায় করতে হবে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।


জেনে নিন আজ বৃহস্পতিবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৪ ১০:১০:৪৩
জেনে নিন আজ বৃহস্পতিবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়
ছবি : সংগৃহীত

আজ বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ (২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৭ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি)। ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার জন্য আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি এবং সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সময় আবহাওয়া ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ আদায় করার সুবিধার্থে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য এই সময়সূচি প্রযোজ্য হবে।

পবিত্র জোহরের নামাজের সময় আজ দুপুর ১২টা ০০ মিনিটে শুরু হচ্ছে।

এরপর বিকেলে পবিত্র আসরের নামাজের সময় শুরু হবে ৪টা ৩৬ মিনিটে।

আজ সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৬টা ৪৭ মিনিটে।

রাতের শেষ ওয়াক্ত অর্থাৎ পবিত্র এশার নামাজের সময় শুরু হবে রাত ৮টা ১২ মিনিটে।

অন্যদিকে, আগামীকাল শুক্রবার ভোর ৫টা ১০ মিনিটে সূর্যোদয়ের আগে ফজর নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৭ মিনিটে।

আজকের দিনে রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় সূর্যাস্তের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে। একই সাথে আগামীকাল শুক্রবার ভোরের সূর্যোদয় হবে ৫টা ১০ মিনিটে। উল্লেখ্য, স্থান ও দূরত্ব ভেদে ঢাকার সময়ের সাথে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার নামাজের সময় ১ থেকে সর্বোচ্চ ১১ মিনিট পর্যন্ত কম-বেশি হতে পারে। তাই ঢাকার সময়ের সাথে নিজ নিজ এলাকার সময় মিলিয়ে নামাজ আদায়ের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।


জেনে নিন আজকের ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ১০:০৭:৫৩
জেনে নিন আজকের ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

আজ বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬ (২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৬ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি)। ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক নির্ধারিত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

সময়সূচি অনুযায়ী আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০০ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটে। আজ সন্ধ্যায় মাগরিবের আজান ও ওয়াক্ত শুরু হবে ৬টা ৪৬ মিনিটে এবং এরপর রাতের এশা নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ৮টা ১২ মিনিটে।

পরদিন অর্থাৎ আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ফজর নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৭ মিনিটে। এছাড়া আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫:১১ মিনিটে। তবে স্থান পরিবর্তনের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন জেলায় এই সময়ের সাথে কয়েক মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণ করে নিতে হবে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।


বৃদ্ধ মায়ের অবহেলা, ইসলাম কী শিক্ষা দেয়?

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ০৯:৩০:৫৯
বৃদ্ধ মায়ের অবহেলা, ইসলাম কী শিক্ষা দেয়?
ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীর সব ভাষা, সংস্কৃতি ও সভ্যতার মানুষ একটি বিষয়ে একমত। সেটি হলো, ‘মা’ শব্দের মতো মধুর, আবেগময় ও হৃদয়স্পর্শী আর কোনো শব্দ নেই। মানুষ জীবনের প্রথম ভালোবাসা, প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক এবং নিঃস্বার্থ স্নেহের উৎস হিসেবে মাকেই খুঁজে পায়। ইসলামও মায়ের এই অনন্য মর্যাদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে এবং তাঁর অধিকারকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছে।

মা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের জন্য এক অসামান্য নিয়ামত। একজন সন্তান পৃথিবীতে আসার আগেই মা তাকে নিজের শরীরের অংশ হিসেবে ধারণ করেন। গর্ভধারণের দীর্ঘ কষ্ট, সন্তান জন্মদানের যন্ত্রণা, নির্ঘুম রাত এবং জীবনের অসংখ্য ত্যাগের মাধ্যমে তিনি সন্তানকে বড় করে তোলেন। তাই ইসলামে মায়ের মর্যাদা শুধু পারিবারিক সম্পর্কের কারণে নয়, বরং তাঁর ত্যাগ, কষ্ট এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কারণেও অতুলনীয়।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা নিজের ইবাদতের নির্দেশের পাশাপাশি মা-বাবার প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, তোমরা তাঁর ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করো না এবং মা-বাবার সঙ্গে উত্তম আচরণ করো। এমনকি তারা বার্ধক্যে উপনীত হলেও তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করা বা ‘উফ’ শব্দটুকু উচ্চারণ করতেও নিষেধ করা হয়েছে। (সুরা বনি ইসরাঈল: ২৩)

এটি ইসলামে মা-বাবার মর্যাদার সর্বোচ্চ স্বীকৃতির অন্যতম উদাহরণ। কারণ আল্লাহর ইবাদতের পরপরই মানুষের প্রতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে মা-বাবার প্রতি সদ্ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

কোরআনের আরেক স্থানে আল্লাহ বিশেষভাবে মায়ের কষ্টের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। সুরা লুকমানে বলা হয়েছে, মা কষ্টের পর কষ্ট সহ্য করে সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাকে লালন-পালন করেন। তাই আল্লাহর কৃতজ্ঞতার পাশাপাশি মা-বাবার প্রতিও কৃতজ্ঞ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (সুরা লুকমান: ১৪)

ইসলামের ইতিহাসে মায়ের মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বহু হাদিস রয়েছে। সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হাদিসগুলোর একটি হলো সেই ঘটনা, যখন এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, তার উত্তম আচরণের সবচেয়ে বেশি হকদার কে?

রাসুল (সা.) প্রথমবার বললেন, ‘তোমার মা।’

লোকটি আবার জিজ্ঞেস করল, এরপর কে?

তিনি আবার বললেন, ‘তোমার মা।’

তৃতীয়বারও একই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন, ‘তোমার মা।’

চতুর্থবারে তিনি বললেন, ‘তোমার বাবা।’ (সহিহ বুখারি)

এই হাদিস থেকে স্পষ্ট হয় যে, সন্তানের ওপর মায়ের অধিকার কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং ইসলাম মায়ের সেবাকে কত উঁচু মর্যাদা দিয়েছে।

মায়ের খিদমতের গুরুত্ব শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ইতিহাসেও এর অসংখ্য দৃষ্টান্ত রয়েছে। ইসলামের অন্যতম প্রসিদ্ধ তাবেঈ উওয়াইস আল-কারনী (রহ.)-এর জীবন তার অন্যতম উদাহরণ। তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে জীবিত ছিলেন, কিন্তু অসুস্থ মায়ের সেবায় নিয়োজিত থাকায় মদিনায় গিয়ে মহানবীর সাক্ষাৎ লাভ করতে পারেননি। তবুও তাঁর মাতৃসেবার কারণে তিনি এমন মর্যাদা লাভ করেন যে, রাসুল (সা.) সাহাবিদের তাঁর কাছে দোয়া চাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। (সহিহ মুসলিম)

এ ঘটনা প্রমাণ করে, মায়ের সেবা এমন একটি আমল যা একজন মানুষকে আল্লাহর কাছে অত্যন্ত মর্যাদাবান করে তুলতে পারে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, ‘মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।’ (নাসাঈ)

এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর অর্থবহ হাদিসটি মুসলিম সমাজে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মায়ের মর্যাদার প্রতীক হয়ে রয়েছে। এর অর্থ হলো, মায়ের সন্তুষ্টি অর্জনের মধ্য দিয়েই একজন মানুষ জান্নাতের পথে অগ্রসর হতে পারে।

মায়ের খিদমতের আরেকটি বড় ফজিলত হলো তাঁর দোয়া। ইসলামী শিক্ষায় মা-বাবার দোয়াকে অত্যন্ত মূল্যবান মনে করা হয়। একজন সন্তানের জন্য মায়ের আন্তরিক দোয়া জীবনের বহু বিপদ দূর করতে পারে এবং আল্লাহর রহমত লাভের মাধ্যম হতে পারে।

অন্যদিকে মাকে কষ্ট দেওয়া, তাঁর অবাধ্য হওয়া কিংবা তাঁর অধিকার নষ্ট করা ইসলামে গুরুতর গুনাহ হিসেবে বিবেচিত। বহু হাদিসে মা-বাবার অবাধ্যতাকে কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত বলা হয়েছে।

দুঃখজনকভাবে আধুনিক ব্যস্ত জীবন, ভোগবাদী মানসিকতা এবং পারিবারিক বন্ধনের দুর্বলতার কারণে অনেক বৃদ্ধ মা আজ অবহেলা ও একাকীত্বের শিকার হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে সন্তানরা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে মায়ের পাশে থাকেন না। এমনকি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এমন ঘটনাও ঘটেছে, যেখানে একাকী বসবাসরত বৃদ্ধা মায়ের মৃত্যুর খবর দীর্ঘদিন পর্যন্ত কেউ জানতে পারেনি। এসব ঘটনা মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে।

ইসলামের দৃষ্টিতে মায়ের খিদমত কেবল সামাজিক দায়িত্ব নয়; এটি একটি মহান ইবাদত। মায়ের সঙ্গে বিনয়ী আচরণ করা, তাঁর প্রয়োজন পূরণ করা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, তাঁর মানসিক প্রশান্তির খেয়াল রাখা এবং সম্মানের সঙ্গে তাঁর পাশে থাকা সবই নেক আমল হিসেবে গণ্য হয়।

মায়ের মৃত্যুর পরও সন্তানের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। তাঁর জন্য দোয়া করা, সদকা করা, তাঁর অসম্পূর্ণ নেক কাজগুলো সম্পন্ন করা এবং তাঁর আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা ইসলামে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ।

তাই একজন মুমিনের জন্য মায়ের খিদমত শুধু একটি পারিবারিক কর্তব্য নয়; এটি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। যে ব্যক্তি মায়ের সেবা করে, আল্লাহ তার জীবনে বরকত দান করেন, মানুষের অন্তরে তার জন্য সম্মান সৃষ্টি করেন এবং আখিরাতে তার জন্য জান্নাতের সুসংবাদ রাখেন। সেই কারণেই ইসলাম বারবার আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, পৃথিবীতে যদি কোনো মানুষের প্রতি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও দায়িত্ব থাকে, তবে তিনি হলেন মা।


২ জুন ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০২ ১০:২৬:৩৮
২ জুন ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যার প্রতিটি বিধান মানুষের ইহকালীন কল্যাণ, সামাজিক শৃঙ্খলা ও আত্মিক প্রশান্তি নিশ্চিত করার জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কর্তৃক প্রণীত হয়েছে। ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে নামাজ ও রোজা ধনী-গরিব, স্বাধীন-দাস নির্বিশেষে সামর্থ্যবান সবার জন্য দৈনন্দিন ও বাৎসরিক ফরজ ইবাদত। তাই জীবনের কর্মব্যস্ততা বা জটিলতা যতই থাকুক না কেন, পবিত্র কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর আবশ্যিক কর্তব্য।

আজ মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ ইংরেজি (২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বাংলা, ১৫ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি)। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের অফিশিয়াল সময়সূচি দেওয়া হলো

জোহর: ১২টা ০০ মিনিট

আসর: ৪টা ৩৬ মিনিট

মাগরিব: ৬টা ৪৬ মিনিট

এশা: ৮টা ১০ মিনিট

ফজর (আগামীকাল বুধবার, ৩ জুন): ৩টা ৪৭ মিনিট

সূর্যোদয় (আগামীকাল বুধবার): ৫টা ২৭ মিনিট

বিভাগীয় শহরের জন্য সময় পরিবর্তন

বিয়োগ করতে হবে

সিলেট: -৬ মিনিট

চট্টগ্রাম: -৫ মিনিট

যোগ করতে হবে

রংপুর: +৮ মিনিট

রাজশাহী: +৭ মিনিট

খুলনা: +৩ মিনিট

বরিশাল: +১ মিনিট

/আশিক

পাঠকের মতামত: