ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন

ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদের (অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস) সদস্য আহমাদ আলামুলহোদা নিশ্চিত করেছেন যে, দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, নতুন নেতাকে ইতিমধ্যে ভোটদানের মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয়েছে এবং এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা। আলামুলহোদা আরও জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার দায়িত্ব এখন বিশেষজ্ঞ পরিষদের সচিবালয়ের প্রধান আয়াতুল্লাহ হাশেম হোসাইনি বুশেহরির ওপর ন্যস্ত।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই তাঁর উত্তরসূরি নিয়ে দেশটিতে চরম উত্তেজনা ও গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়েছিল। ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতার অনুপস্থিতিতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব কাউন্সিল রাষ্ট্র পরিচালনা করছিল, যার মধ্যে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তবে সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘যত দ্রুত সম্ভব’ স্থায়ী নেতা নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা থাকায় বিশেষজ্ঞ পরিষদ জরুরি বৈঠকে বসে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করে।
যদিও নবনির্বাচিত নেতার নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে আলেমদের বক্তব্য এবং আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির মেজো ছেলে মোজতবা খামেনি এই দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। পরিষদের অন্য এক সদস্য আয়াতুল্লাহ মহসিন হায়দারি আলেকাসি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এমন একজনকে নির্বাচন করা হয়েছে যাকে ‘বড় শয়তান’ বা যুক্তরাষ্ট্র ঘৃণা করে। যেহেতু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি মোজতবা খামেনির নাম উল্লেখ করে তাঁকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলেছেন, তাই ধারণা করা হচ্ছে আলেমদের পছন্দের তালিকায় মোজতবা খামেনিই শীর্ষস্থানে রয়েছেন। বুশেহরির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমেই খুব শীঘ্রই ইরানের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে।
/আশিক
যুদ্ধ কি অনিবার্য? মাইন স্থাপনকারী জাহাজের ওপর সরাসরি হামলার ডাক ট্রাম্পের
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে এবার সরাসরি ‘গুলি করে ধ্বংস করার’ চরম হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান বা অন্য যেকোনো দেশের জাহাজ যদি মাইন স্থাপন করতে আসে, তবে সেই জাহাজকে তাৎক্ষণিকভাবে ডুবিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে ট্রাম্প এই মারমুখী ঘোষণা দেন।
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে অত্যন্ত কড়া ভাষায় জানান, তিনি মার্কিন নৌবাহিনীকে পরিষ্কার নির্দেশনা দিয়েছেন যেন হরমুজ প্রণালিতে মাইন পাততে আসা যেকোনো জাহাজ—তা আকারে যতই ছোট হোক না কেন—দেখামাত্রই গুলি করে ধ্বংস করা হয়। এই নির্দেশ কার্যকর করতে মার্কিন নৌবাহিনীকে কোনো ধরনের দ্বিধা বা কালক্ষেপণ করতে হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের মাইন স্থাপন এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ট্রাম্পের এই সরাসরি হুমকি পুরো অঞ্চলে যুদ্ধের দামামা আরও বাড়িয়ে দিল।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ‘শুটিং অর্ডার’ বা গুলি করার নির্দেশ আন্তর্জাতিক নৌ-রাজনীতিতে এক চরম অস্থিরতা তৈরি করবে। এর আগে পেন্টাগন জানিয়েছিল যে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পেতে রাখা মাইনগুলো সরাতে অন্তত ছয় মাস সময় লাগতে পারে। সেই পরিস্থিতির মাঝেই ট্রাম্পের এই আক্রমণাত্মক অবস্থান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
/আশিক
ট্রাম্পের বিস্ফোরক পোস্ট: ভারত ও চীনকে ‘জাহান্নাম’ আখ্যা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও তাঁর বিতর্কিত অভিবাসন নীতি এবং উস্কানিমূলক মন্তব্যের কারণে বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন। জনপ্রিয় রেডিও উপস্থাপক মাইকেল স্যাভেজের একটি পডকাস্ট নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে ট্রাম্প নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন, যেখানে ভারত ও চীনকে ‘জাহান্নাম’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
‘স্যাভেজ নেশন’ নামক ওই পডকাস্টে মাইকেল স্যাভেজ দাবি করেন, ভারত ও চীন থেকে আসা গর্ভবতী নারীরা কেবল মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে গর্ভাবস্থার শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। তিনি অভিযোগ করেন, এই প্রক্রিয়ায় জন্ম নেওয়া শিশুদের মাধ্যমে তারা তাদের পুরো পরিবারকে ‘ভারত ও চীনের মতো জাহান্নাম’ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসেন।
স্যাভেজ আরও দাবি করেন যে, ক্যালিফোর্নিয়ার হাই-টেক কোম্পানিগুলোতে ভারতীয় ও চীনাদের একচ্ছত্র আধিপত্যের কারণে শ্বেতাঙ্গ মার্কিনিদের চাকরির সুযোগ ‘শূন্য’ হয়ে পড়েছে। তিনি এই অভিবাসীদের ‘ল্যাপটপধারী গ্যাংস্টার’ বলে আখ্যা দেন এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে মার্কিন সংবিধানকে ‘পুরোনো’ বলে অভিহিত করেন।
ট্রাম্প এই পডকাস্টটি শেয়ার করার একদিন আগেই সিএনবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া বিশ্বের আর কোথাও জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেওয়ার নিয়ম নেই। তবে তাঁর এই তথ্যটি সম্পূর্ণ ভুল। বাস্তবে বিশ্বের প্রায় ৩০টিরও বেশি দেশে (যেমন: কানাডা, মেক্সিকো, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা) জন্মসূত্রে স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্বের বিধান রয়েছে। ট্রাম্পের এমন ভুল তথ্য এবং উস্কানিমূলক পোস্ট ভারত ও চীনের মতো মিত্র এবং প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোতে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে কট্টরপন্থী ভোটারদের নিজের দিকে টানতেই ট্রাম্প পুনরায় কঠোর অভিবাসন বিরোধী অবস্থান নিচ্ছেন। তবে সরাসরি ভারত ও চীনের নাগরিকদের আক্রমণ করে এমন পোস্ট শেয়ার করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্পের সমালোচনা বইছে এবং এর ফলে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সূত্র- এনডিটিভি
জ্বালানি নয়, এবার লক্ষ্যবস্তু ইন্টারনেট কেবল! ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনায় নতুন মোড়
পারস্য উপসাগরের তলদেশে থাকা সাবমেরিন ইন্টারনেট কেবল এবং ক্লাউড অবকাঠামো এখন ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের নতুন যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হতে যাচ্ছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ সম্প্রতি একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে, যাকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা সরাসরি একটি ‘গোপন হুমকি’ হিসেবে দেখছেন। বুধবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, ইরানের হাতে এখন এই অঞ্চলের ডিজিটাল লাইফলাইন বিচ্ছিন্ন করার ক্ষমতা রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কেবল জ্বালানি বা তেল পরিবহনের পথ নয়, এটি বৈশ্বিক ইন্টারনেট যোগাযোগের অন্যতম প্রধান করিডর। এই জলপথ দিয়েই সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং সৌদি আরবের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোর প্রধান ইন্টারনেট সংযোগগুলো পরিচালিত হয়। তাসনিম নিউজের দাবি অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরের দক্ষিণের দেশগুলো ইন্টারনেটের জন্য পুরোপুরি সমুদ্রের তলদেশের কেবলের ওপর নির্ভরশীল, যা তাদের যেকোনো সময় বড় ধরনের বিপদে ফেলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই মানচিত্র প্রকাশ করার মূল উদ্দেশ্য হলো আরব দেশগুলো ও তাদের পশ্চিমা মিত্রদের একটি কৌশলগত বার্তা দেওয়া। এতে সাবমেরিন কেবল, ল্যান্ডিং স্টেশন এবং ডেটা সেন্টারগুলোকে স্পষ্ট লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে আমিরাত ও বাহরাইনের ক্লাউড অবকাঠামোর ওপর কোনো হামলা হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে মুহূর্তেই পঙ্গু করে দিতে পারে।
ইতোমধ্যেই ডিজিটাল পরিকাঠামোর ওপর হামলার কিছু খবর সামনে আসতে শুরু করেছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, আমিরাত ও বাহরাইনে অবস্থিত আমাজন ওয়েব সার্ভিসের (AWS) স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের চলমান উত্তেজনার মাঝে এই ঘটনা বাণিজ্যিক ক্লাউড অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সামরিক শক্তি বা সমুদ্রপথের পাশাপাশি এখন ‘ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট’ এই সংঘাতের নতুন ও ভয়ংকর হাতিয়ার হয়ে উঠছে।
/আশিক
বড় সংঘাতের দোরগোড়ায় বিশ্ব? ২৬ এপ্রিল শেষ হতে যাচ্ছে ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমা
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সাময়িক শান্তির বাতাস কি তবে ফুরিয়ে আসছে? ইসরায়েলি পাবলিক ব্রডকাস্টার ‘কান’ (KAN)-এর এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান বর্ধিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী রোববার (২৬ এপ্রিল ২০২৬) শেষ হতে যাচ্ছে। ওয়াশিংটন ইতিমধ্যে ইসরায়েলকে এই সময়সীমার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে।
ইস্তাম্বুল থেকে পাঠানো ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কোনো অনির্দিষ্টকালের আলোচনায় রাজি নন। তিনি দ্রুত একটি চূড়ান্ত বোঝাপড়ায় পৌঁছাতে চান। তবে কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী রোববারের মধ্যে বড় ধরনের কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
বর্তমান এই অনিশ্চিত পরিস্থিতি নিয়ে খোদ ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মধ্যেই তীব্র ‘বিভ্রান্তি’ দেখা দিয়েছে। তাঁদের দাবি, ট্রাম্পের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে তাঁরা আগে থেকে কিছু জানতে পারছেন না; বরং গণমাধ্যম বা ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট দেখেই তাঁদের তথ্য নিতে হচ্ছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার পাকিস্তানের অনুরোধে ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়েছিলেন ঠিকই, তবে শর্ত ছিল তেহরানকে একটি ‘একীভূত প্রস্তাব’ পেশ করতে হবে। বুধবার সকালে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা ফক্স নিউজকে জানিয়েছিলেন, এই বিরতি ৩ থেকে ৫ দিন স্থায়ী হতে পারে। এখন ইসরায়েলি সূত্রগুলো বলছে, পুরো বিষয়টি ট্রাম্পের ব্যক্তিগত মেজাজ ও সিদ্ধান্তের ওপর ঝুলে আছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল প্রথম যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এরপর ১১-১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে প্রথম দফার সংলাপ চললেও তা খুব একটা ফলপ্রসূ হয়নি। বর্তমানে দ্বিতীয় দফার আলোচনার প্রস্তুতি চললেও আস্থার সংকট প্রকট।
বিশ্লেষকদের মতে, রোববারের মধ্যে যদি ইরান ট্রাম্পের মনমতো কোনো প্রস্তাব না দেয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় ধরনের সামরিক সংঘাত বা বিমান হামলা শুরু হয়ে যেতে পারে। এখন পুরো বিশ্বের নজর রোববারের সেই অন্তিম সময়সীমার দিকে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
রেকর্ড নেই কোথায় আছে মাইন! ইরানের চালে চরম সংকটে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথ হরমুজ প্রণালি এখন এক ভয়াবহ আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। পেন্টাগন মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সতর্ক করে জানিয়েছে যে, এই প্রণালিতে ইরানের পেতে রাখা মাইনগুলো অপসারণ করতে অন্তত ছয় মাস সময় লাগতে পারে। মার্কিন বার্তাসংস্থা 'এপি'-র বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির এক গোপন বৈঠকে প্রতিরক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তারা এই আশঙ্কার কথা জানান। বৈঠকে আইনপ্রণেতারা ইরান যুদ্ধের ব্যয়, রণকৌশল এবং লক্ষ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান। বিশেষ করে যুদ্ধের শুরুর দিকে একটি স্কুল প্রাঙ্গণে হামলার বিষয়ে পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের তীব্র প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়, যদিও এসব প্রশ্নের কোনো সদুত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালিতে জলমাইন পাতে ইরানের অভিজাত বাহিনী আইআরজিসি। ধারণা করা হচ্ছে, বিভিন্ন স্থানে এক ডজনেরও বেশি মাইন ছড়ানো আছে। সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, আইআরজিসি এসব মাইন ঠিক কোথায় কোথায় পেতেছে, তার কোনো সঠিক রেকর্ড রাখেনি। ফলে ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি শুরু হলেও এখন মাইন শনাক্ত ও অপসারণ করা যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলোর জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দীর্ঘ সময় প্রণালিটি কার্যত অচল থাকলে বিশ্ব অর্থনীতি ও তেল সরবরাহে চরম অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।
/আশিক
ভারত মহাসাগরে মার্কিন হানা! তেলসহ ইরানের ৩টি জাহাজ জব্দ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মাঝে ভারত মহাসাগরে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)। বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইরানের পতাকাবাহী তিনটি বিশাল তেলবাহী ট্যাংকার জাহাজ জব্দ করে সেগুলোকে অন্য পথে ঘুরিয়ে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী। রয়টার্স ও আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা 'মেরিন ট্রাফিক'-এর তথ্যে এই চাঞ্চল্যকর খবর সামনে এসেছে।
জব্দকৃত ৩টি জাহাজের বিস্তারিত
১. ডিপ সি (Deep Sea): এটি ইরানের একটি সুপারট্যাংকার। জব্দ করার সময় এটি আংশিকভাবে তেলপূর্ণ ছিল। গত সপ্তাহে এটিকে মালয়েশিয়ার উপকূলে দেখা গিয়েছিল।
২. সেভিন (Sevin): এই জাহাজটির ধারণক্ষমতা ১০ লাখ ব্যারেল হলেও জব্দের সময় এতে ৬৫ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল তেল ছিল। এক মাস আগে এটিকে মালয়েশিয়ার জলসীমায় দেখা গেছে।
৩. দোরেনা (Dorena): এটি একটি বিশাল সুপারট্যাংকার যা ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিয়ে সম্পূর্ণ লোডেড অবস্থায় ছিল। তিন দিন আগে ভারতীয় উপকূলের কাছাকাছি থাকা অবস্থায় এটিকে মার্কিন ডেস্ট্রয়ার জাহাজের পাহাড়ায় জব্দ করা হয়।
অবরোধের বর্তমান পরিস্থিতি
গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ১২ এপ্রিল থেকে ইরানি বন্দরে অবরোধ জারি করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেন্টকোম-এর বিবৃতি অনুযায়ী, এই অবরোধ কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ইরানি বন্দর থেকে ছেড়ে আসা ২৯টি জাহাজ ও নৌযানকে জোরপূর্বক বন্দরে ফেরত পাঠাতে বাধ্য করেছে মার্কিন নৌবাহিনী।
বর্তমানে জব্দকৃত 'দোরেনা' জাহাজটি ভারত মহাসাগরে একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারের পাহারায় রয়েছে। অন্যদিকে, এর পাল্টা জবাবে ইরানও হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজ জব্দ করার দাবি করেছে, যা পুরো পরিস্থিতিকে আরও সংঘাতময় করে তুলেছে।
/আশিক
আল্টিমেটাম শুধুই নাটকে সীমাবদ্ধ! ট্রাম্পের ‘রেড লাইন’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে হাসাহাসি
ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুঙ্কার আর বারবার সময়সীমা (Deadline) বেঁধে দেওয়ার কৌশল এখন খোদ মার্কিন সংবাদমাধ্যমেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে। সিএনএন-এর এক বিশেষ বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে, ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প একের পর এক ‘রেড লাইন’ টানলেও বাস্তবে তা কার্যকর না হওয়ায় তাঁর ‘ফাঁকা হুমকি’র বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠছে। যদিও হোয়াইট হাউস দাবি করছে ট্রাম্প ফাঁকা হুমকি দেন না, কিন্তু গত পাঁচ সপ্তাহের চিত্র বলছে ভিন্ন কথা।
ইরান যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ট্রাম্প অন্তত পাঁচবার শর্ত মানার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। কখনও ৪৮ ঘণ্টা, কখনও ৫ দিন, আবার কখনও ‘সব ধ্বংস করে দেওয়ার’ হুমকি দিলেও প্রতিবারই কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি ছাড়াই সেই মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ২১ মার্চ তিনি প্রথম ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেছিলেন হরমুজ প্রণালি না খুললে বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হবে।
কিন্তু ২৩ মার্চ আসার আগেই সেই মেয়াদ বাড়িয়ে ২৮ মার্চ করা হয়। এরপর ২৬ মার্চ আবারও সময় বাড়িয়ে ৬ এপ্রিল করা হয় এবং সবশেষে ৭ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। মজার ব্যাপার হলো, এর মধ্যে ইরান কোনো শর্তই পূরণ করেনি।
সর্বশেষ ২১ এপ্রিল তিনি অনির্দিষ্টকালের জন্য সময় বাড়িয়েছেন এই যুক্তি দিয়ে যে, ইরানের সরকার ‘অভ্যন্তরীণভাবে দুর্বল’। তবে সিএনএন মনে করিয়ে দিচ্ছে, ট্রাম্প নিজেই এক সময় বারাক ওবামার ‘রেড লাইন’ নীতিকে ‘লজ্জাজনক’ বলেছিলেন কারণ ওবামা হুমকি দিয়েও সিরিয়া ইস্যুতে তা কার্যকর করেননি।
২০১৭ সালে ট্রাম্প বলেছিলেন, “হুমকি দিয়ে তা কার্যকর না করলে দেশের ক্ষতি হয়।” এখন বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের এই বারবার পিছিয়ে আসা ইরানকে এমন একটি বার্তা দিচ্ছে যে—ট্রাম্প আসলে বড় কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিতে অনিচ্ছুক।
/আশিক
আগামী ৭২ ঘণ্টা বিশ্ব রাজনীতির জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ! ট্রাম্পের কথায় কিসের ইঙ্গিত?
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনা প্রশমনে এক বড় ধরনের কূটনৈতিক আশার আলো দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, আগামী ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এই বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠক হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'নিউইয়র্ক পোস্ট'-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই সম্ভাবনার কথা জানান।
তবে আলোচনার এই প্রস্তুতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে রণংদেহী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক জলসীমায় অনুমোদন ছাড়া প্রবেশের অভিযোগে তিনটি কার্গো জাহাজে গুলিবর্ষণের পর দুটি জাহাজ জব্দ করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত আইআরজিসি-র বিবৃতিতে জানানো হয়, জব্দকৃত জাহাজ দুটির নাম ‘এমএসসি ফ্রান্সেসকা’ এবং ‘এপামিনোন্ডাস’। এর মধ্যে ‘এমএসসি ফ্রান্সেসকা’ জাহাজটি সরাসরি ইসরায়েলি সরকারের মালিকানাধীন বলে দাবি করেছে তেহরান।
আইআরজিসি-র নৌবাহিনী জানিয়েছে, জাহাজ দুটি বারবার নৌ-চলাচলের নিয়ম লঙ্ঘন করছিল এবং গোপনে প্রণালি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টার মাধ্যমে সামুদ্রিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছিল। বিবৃতিতে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে যে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের আইন ভঙ্গ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। একদিকে ইসলামাবাদে শান্তির আলোচনা, অন্যদিকে সাগরে যুদ্ধংদেহী মনোভাব—সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন এক জটিল সমীকরণে দাঁড়িয়ে আছে।
/আশিক
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির কাণ্ডারি পাকিস্তান? ট্রাম্পের সাথে সুসম্পর্ক কাজে লাগিয়ে বড় চমক
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিরসনে এক বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য অর্জন করেছে পাকিস্তান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাদের সুসম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই সমঝোতা নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।
মূলত ইসলামাবাদের অব্যাহত অনুরোধ ও কার্যকর মধ্যস্থতার কারণেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেবল যুদ্ধবিরতির মেয়াদই বাড়াননি, বরং একে অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্যকর রাখার সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
কূটনীতির জন্য বাড়তি সময় দিতে এবং রক্তক্ষয়ী সংঘাত এড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এটি কোনো আকস্মিক চেষ্টা ছিল না; বরং শাহবাজ শরিফ ও আসিম মুনির শুরু থেকেই দুই পক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন।
সেই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বর্তমানেও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তান এখানে মূল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া একটি খসড়া রূপরেখা তারা ইরানের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়িয়ে আলোচনার দরজা পুরোপুরি খোলা রেখেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বল এখন অনেকটাই ইরানের কোর্টে। পাকিস্তান যে দীর্ঘস্থায়ী চুক্তির লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে, তাতে তেহরান সাড়া দিলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সম্ভাবনা তৈরি হবে। তবে ইরান যদি এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কোনো কার্যকর সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
পাঠকের মতামত:
- ওয়াসিম আকরাম ও ট্রেন্ট বোল্টকে ছুঁয়ে ফেললেন মোস্তাফিজ! সাগরিকায় ইতিহাস
- শাহবাগে টানটান উত্তেজনা: ছাত্রদল-শিবির মুখোমুখি
- পর্দার আড়াল থেকে নির্দেশনা: মোজতবা খামেনির ক্ষমতা নিয়ে বিবিসির চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট
- ট্রেলারেই বাজিমাত! মুক্তির পর কি সব রেকর্ড ভাঙবে বায়োপিক ‘মাইকেল’?
- সূচকের সুবাতাস ও লেনদেনের জোয়ার: ডিএসইতে কি তবে বড় কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত?
- সংসদ থেকেও বিদ্যুৎ কাটুন! সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার অভাবনীয় প্রস্তাব
- কুমিল্লার লালমাইয়ে মাদকাসক্ত ছেলেকে হত্যা করলো বাবা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাক্ষী কুমিল্লায়! ইতিহাসের পাতায় ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি
- যুদ্ধ কি অনিবার্য? মাইন স্থাপনকারী জাহাজের ওপর সরাসরি হামলার ডাক ট্রাম্পের
- চোট কাটিয়ে ফিরেই ফিজের তাণ্ডব! নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল টাইগাররা
- আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে বাসের নতুন ভাড়া! কোন রুটে কত টাকা বাড়ল?
- জ্বালানি সংকট রুখতে ১০ সদস্যের মহাপরিকল্পনা! প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের ঐক্য
- ট্রাম্পের চাপ উপেক্ষা করে টোল আদায় শুরু: সাগরে ইরানের নয়া আধিপত্য
- ট্রাম্পের বিস্ফোরক পোস্ট: ভারত ও চীনকে ‘জাহান্নাম’ আখ্যা
- ডলারের দাপটে কোণঠাসা স্বর্ণ! বিশ্ববাজারে কেন কমছে দামী এই ধাতুর দাম?
- ছাত্রলীগের বদলে এখন হামলা করছে শিবির: রাশেদ খাঁন
- ২৩ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২৩ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৩ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- বাসভাড়া বৃদ্ধির ঘোষণা দিল সরকার
- ফুটবলে ট্রাম্পের নগ্ন হস্তক্ষেপ? ইরানের বিশ্বকাপ ভাগ্য নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা
- রূপপুরে ফুয়েল লোডিং শুরু: পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশ
- প্রিয় বন্ধুর বিয়েতে একি করলেন আরিয়ান? ভাইরাল ভিডিওতে ধরা পড়ল মজার এক দৃশ্য
- খালি পেটে এক কোয়া রসুন: মহৌষধ নাকি কুসংস্কার? জেনে নিন আসল সত্য
- জ্বালানি নয়, এবার লক্ষ্যবস্তু ইন্টারনেট কেবল! ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনায় নতুন মোড়
- বড় সংঘাতের দোরগোড়ায় বিশ্ব? ২৬ এপ্রিল শেষ হতে যাচ্ছে ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমা
- রেকর্ড নেই কোথায় আছে মাইন! ইরানের চালে চরম সংকটে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল
- তপ্ত রোদের মাঝে বৃষ্টির সুখবর! দেশের যে দুই অঞ্চলে হতে পারে বজ্রবৃষ্টি
- শুক্রবার থেকে টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- ভারত মহাসাগরে মার্কিন হানা! তেলসহ ইরানের ৩টি জাহাজ জব্দ
- আপনার ফোনে কি এই অ্যাপগুলো আছে? মুহূর্তেই খালি হতে পারে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট!
- রেকর্ড দামের পর অবশেষে স্বস্তি: সোনার ভরিতে বড় ছাড় দিল বাজুস
- আজ বৃহস্পতিবার: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সঠিক সময় জানুন
- আজ বৃহস্পতিবার: ঢাকার কোন কোন এলাকার মার্কেট বন্ধ? জেনে নিন তালিকা
- আল্টিমেটাম শুধুই নাটকে সীমাবদ্ধ! ট্রাম্পের ‘রেড লাইন’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে হাসাহাসি
- আগামী ৭২ ঘণ্টা বিশ্ব রাজনীতির জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ! ট্রাম্পের কথায় কিসের ইঙ্গিত?
- পৃথিবীর বাইরে কি তবে প্রাণ ছিল? মঙ্গলের প্রাচীন পাথরে বিরল অণুর সন্ধান
- তরুণদের মাঝে বাড়ছে কোলন ক্যানসার: নিয়ন্ত্রণে রাখার ৫টি কার্যকরী উপায়
- ফুটবল ইতিহাসে বিরল রেকর্ড! একসঙ্গে খেলবেন বাবা-ছেলে
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির কাণ্ডারি পাকিস্তান? ট্রাম্পের সাথে সুসম্পর্ক কাজে লাগিয়ে বড় চমক
- আসছে শ্বেতপত্র! আওয়ামী লীগ আমলের দুর্নীতির স্বরূপ উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী
- কোনো ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলবে না: নাছির
- কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার সাবেক সেনাসদস্য: তনু হত্যার ১০ বছর পর খুলছে জট
- পুরো সংসদ একমত, ডিলারদের সরানো হবেই: সংসদে তারেক রহমানের কড়া বার্তা
- ইরানি জাহাজে চীনের ‘উপহার’! ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবিতে উত্তাল বিশ্বরাজনীতি
- ন্যাটোতে ট্রাম্পের ‘ব্ল্যাকলিস্ট’! অবাধ্য মিত্রদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে হোয়াইট হাউস
- ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও প্লট চাই না! সংসদে কুমিল্লা-৪ এর এমপির নজিরবিহীন প্রস্তাব
- তরুণদের জন্য সুখবর! এআই ও পেপ্যাল নিয়ে সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ
- ইরানের উপকূলে বন্দি দুই জাহাজ! হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধের চরম উত্তেজনা
- কালিগঞ্জ ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়! আদালতের নির্দেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি
- সব রেকর্ড চুরমার: স্বর্ণের দাম বাড়াল বাজুস, আজকের রেট জেনে নিন
- রেকর্ড গড়ল স্বর্ণ: স্বর্ণের বাজারে চরম অস্থিরতা
- দেশে স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ: নতুন উচ্চতায় মূল্যবান এই ধাতু
- ডলার শক্তিশালী হওয়ায় বিপাকে স্বর্ণের বাজার! বাড়ছে দুশ্চিন্তা
- কালিগঞ্জ ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়! আদালতের নির্দেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি
- স্বপ্ন না কি দুঃস্বপ্ন? সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে এক ভরি স্বর্ণ
- সোনার সাথে রুপার দামেও আগুন! আজ থেকে কার্যকর নতুন দর
- ২১ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- রেকর্ড দামের পর অবশেষে স্বস্তি: সোনার ভরিতে বড় ছাড় দিল বাজুস
- পৃথিবী: প্রাণ, পানি আর রহস্যের গল্প
- তেলের দামে বড় পতন
- বুধ গ্রহ: ছোট হলেও বিস্ময়ে ভরা এক জগৎ
- ২০ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- দুপুরের মধ্যেই আসছে ঝড়-বৃষ্টি! চার অঞ্চলের জন্য আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কবার্তা
- ২১ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ








