মশা তাড়াতে গিয়ে রোগ ডেকে আনছেন না তো? সতর্ক হোন এখনই

শীতের রাত কিংবা বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া—মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে আমাদের অনেকেরই প্রথম পছন্দ মশার কয়েল কিংবা ইলেকট্রিক লিকুইড রিফিল। বিশেষ করে ঠান্ডার সময় যখন দরজা-জানালা বন্ধ করে এবং ফ্যান বন্ধ রেখে আমরা শান্তির ঘুমের খোঁজ করি, তখন মশা তাড়ানোর এই উপকরণগুলোই যেন হয়ে ওঠে একমাত্র ভরসা। কিন্তু এই শান্তির ঘুমের আড়ালে আপনি আপনার শরীরে কতটা বিষ গ্রহণ করছেন, তা নিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞান এখন বড় ধরণের সতর্কবার্তা দিচ্ছে।
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ এবং গবেষকদের মতে, বদ্ধ ঘরে মশার কয়েল বা তেলের ধোঁয়া আদতে কোনো শান্তির সমাধান নয়, বরং এটি স্বাস্থ্যের জন্য এক মারাত্মক নীরব ঘাতক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ মশা নিধনকারী পণ্যে পাইরেথ্রয়েড নামক এক ধরণের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। যদিও একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় এটি ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে, তবে দীর্ঘ সময় ধরে বদ্ধ ঘরে এই ধোঁয়ার সংস্পর্শে থাকা মানবদেহের জন্য মোটেও নিরাপদ নয়।
মশার কয়েল বা তেলের ধোঁয়া যখন আপনার শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে প্রবেশ করে, তখন তা তাৎক্ষণিকভাবে কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং বুক ধড়ফড় করার মতো সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হাঁপানি বা অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলছেন যে, দীর্ঘদিন এই রাসায়নিক বাষ্পের সংস্পর্শে থাকলে ফুসফুসে স্থায়ীভাবে জ্বালা এবং জটিল শ্বাসজনিত রোগ দেখা দিতে পারে।
শিশুদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বহুগুণ বেশি, কারণ তাদের ফুসফুস এবং স্নায়ুতন্ত্র বড়দের মতো পুরোপুরি গঠিত হয় না। এর ফলে শিশুদের মধ্যে মাথা ঘোরা, বমিভাব এবং চোখ জ্বালাপোড়া করার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রাসায়নিক শ্বাসের মাধ্যমে ভেতরে গেলে তা ভ্রূণের স্বাভাবিক বিকাশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে গবেষকরা স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছেন।
পাইরেথ্রয়েড নামক এই রাসায়নিকটি মশাকে নিস্তেজ বা মৃত করতে পারলেও মানুষের স্নায়ুতন্ত্রের ওপর এটি দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলে। গবেষকদের মতে, রাতের বেলা দীর্ঘক্ষণ এই বাষ্প শ্বাসের সঙ্গে ভেতরে গেলে তীব্র মাথাব্যথা, মনোযোগের অভাব এবং স্নায়বিক দুর্বলতা তৈরি হতে পারে।
এমনকি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, একটি বদ্ধ ঘরে দীর্ঘক্ষণ মশা নিধনকারী কয়েল জ্বালিয়ে রাখা ঘরের ভেতরের বায়ুদূষণকে এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে তা সরাসরি ধূমপানের ধোঁয়ার মতোই ক্ষতিকর। নিয়মিতভাবে এই ধোঁয়ার ভেতরে ঘুমানো আপনার শরীরে দীর্ঘমেয়াদী বিষক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে, যা ত্বকে চুলকানি বা চোখ লাল হওয়ার মতো সমস্যারও অন্যতম প্রধান কারণ।
তাহলে মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে সাধারণ মানুষ কী করবে? এই প্রশ্নের উত্তরে বিশেষজ্ঞরা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং নিরাপদ কিছু উপায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তারা বলছেন, ঘরে মশার কয়েল বা তেল ব্যবহার করার সময় জানালা পুরোপুরি বন্ধ না রেখে অন্তত কিছুটা অংশ খোলা রাখা উচিত যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে। শিশু এবং বয়স্কদের ঘরে এ ধরণের রাসায়নিকের ব্যবহার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
বিকল্প হিসেবে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করা কিংবা জানালায় নেট বা জাল লাগানো সবচেয়ে কার্যকর ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়। গবেষকদের পরামর্শ হলো, যদি কয়েল ব্যবহার করতেই হয় তবে ঘুমানোর কিছুক্ষণ আগে তা জ্বালিয়ে ঘর থেকে মশা তাড়িয়ে দিতে হবে এবং ঘুমানোর সময় কয়েলটি নিভিয়ে দিতে হবে। নিজের ও পরিবারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে রাসায়নিক ধোঁয়ার মোহ ত্যাগ করে প্রাকৃতিক সুরক্ষা ব্যবস্থার দিকে ফিরে আসাই এখন সময়ের দাবি।
সূত্র : টিভি৯ বাংলা
কম বয়সেই বাড়ছে নীরব ঘাতক রোগ: জেনে নিন সুরক্ষার উপায়
আধুনিক ব্যস্ত জীবনধারা, কায়িক শ্রমের অভাব এবং প্রক্রিয়াজাত জাঙ্কফুড খাওয়ার প্রবণতায় মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ লিভারের ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে ১৫ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মধ্যেও এখন ফ্যাটি লিভার বা যকৃতে ক্ষতিকর চর্বি জমার সমস্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মানবদেহে বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ, পুষ্টি শোষণ ও ক্ষতিকর টক্সিন অপসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো লিভারের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় সঠিক সময়ে যত্ন না নিলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য দ্রুত ঝুঁকির মুখে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্যতালিকায় সচেতনতা এবং বিশেষ করে রান্নায় সঠিক ভোজ্যতেল নির্বাচনের মাধ্যমে এই রোগ বহুলাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
আল্-হায়াত হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কনসালটেন্ট ডায়টেসিয়ান ও পুষ্টিবিদ মোহাম্মদ আরিফ ইকবালের মতে, ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য রান্নায় সবচেয়ে উপকারী উপাদান হলো অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল। এই তেলে থাকা স্বাস্থ্যকর মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভারে নতুন চর্বি জমতে বাধা দেয় এবং অঙ্গটির অভ্যন্তরীণ প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
পাশাপাশি সয়াবিন তেল ও ক্যানোলা তেলও পরিমিত মাত্রায় ব্যবহার করাকে নিরাপদ বলে উল্লেখ করেছেন এই পুষ্টিবিদ। কারণ এগুলোতে ক্ষতিকর স্যাচুরেটেড ফ্যাট কম থাকায় লিভারের কোষে প্রদাহের ঝুঁকি হ্রাস পায়।
তবে সরিষার তেল, নারিকেল তেল কিংবা পাম তেলের মতো অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত তেল পরিহার করার জোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি, যা যকৃতে চর্বির সঞ্চয় বাড়িয়ে বিদ্যমান ফ্যাটি লিভারের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। খাদ্যতালিকায় তেলের সঠিক নির্বাচনের পাশাপাশি অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার বর্জন, নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম ও পর্যাপ্ত পানি পানের মাধ্যমে লিভার সুস্থ রাখা সম্ভব।
/আশিক
চোখের নিচে কালো দাগ কেন, কমানোর সহজ কিছু উপায়
চোখের নিচে কালচে দাগ বা ডার্ক সার্কেল অনেকের জন্যই নিয়মিত সৌন্দর্য-সংক্রান্ত দুশ্চিন্তার কারণ। অনিয়মিত ঘুম, দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহার, মানসিক চাপ, বয়স বাড়ার মতো বিভিন্ন কারণে চোখের নিচের ত্বকে কালচে ভাব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। অনেকে প্রসাধনী ব্যবহার করে সাময়িকভাবে এটি ঢেকে রাখেন। তবে দীর্ঘমেয়াদে ডার্ক সার্কেল কমাতে জীবনযাপনের কিছু অভ্যাসে পরিবর্তন আনা গুরুত্বপূর্ণ।
ডার্ক সার্কেল কমানোর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুমকে গুরুত্ব দিতে হবে। ঘুমের ঘাটতি হলে চোখের নিচের ত্বক কিছুটা ফ্যাকাশে দেখাতে পারে এবং ত্বকের নিচের রক্তনালিগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি দৃশ্যমান হয়ে কালচে ভাব তৈরি করতে পারে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার অভ্যাস করা ভালো। ঘুমানোর আগে মোবাইল, ল্যাপটপ বা টেলিভিশন ব্যবহারের সময় কমিয়ে আনলেও ঘুমের মান ভালো হতে পারে।
শুধু কম ঘুম নয়, নিয়মিত রাত জাগার অভ্যাসও চোখের ক্লান্তি বাড়াতে পারে। রাত জেগে কাজ করা, দীর্ঘ সময় ওয়েব সিরিজ দেখা কিংবা ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ফোন ব্যবহার করলে চোখ পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না। এর প্রভাব সময়ের সঙ্গে চোখের ক্লান্তি ও চোখের নিচের কালচে ভাবের ওপর পড়তে পারে। তাই সম্ভব হলে প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার চেষ্টা করা উচিত।
দীর্ঘ সময় কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলেও চোখ ক্লান্ত ও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। কাজের প্রয়োজনে দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহার করতে হলে মাঝেমধ্যে চোখকে বিশ্রাম দেওয়া দরকার। কাজের ফাঁকে কিছুক্ষণ দূরের কোনো বস্তুর দিকে তাকানো, চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমিয়ে রাখা চোখের ওপর চাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে।
মানসিক চাপও চোখের নিচের কালচে ভাবকে আরও স্পষ্ট করে তুলতে পারে। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এবং দীর্ঘদিনের মানসিক চাপের সঙ্গে ক্লান্তি ও ঘুমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই ব্যস্ততার মধ্যেও পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া, হাঁটাহাঁটি করা, পছন্দের কাজে সময় দেওয়া বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যকর উপায়ে মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করা ভালো।
শরীরে পানির ঘাটতি হলে ত্বক শুষ্ক ও ক্লান্ত দেখাতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারে শাকসবজি, ফল, প্রোটিনসহ প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি। আয়রন বা কিছু ভিটামিনের ঘাটতি থাকলেও ত্বক ফ্যাকাশে বা ক্লান্ত দেখাতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে ডার্ক সার্কেল থাকলে তাই শুধু বাহ্যিক পরিচর্যার দিকে নজর না দিয়ে খাবারের পুষ্টিমানেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
চোখের নিচে ফোলাভাব বা ক্লান্তি থাকলে ঠান্ডা সেঁক সাময়িকভাবে আরাম দিতে পারে। পরিষ্কার কাপড়ে মোড়ানো ঠান্ডা প্যাক কয়েক মিনিট চোখের নিচে রাখা যেতে পারে। এতে চোখের চারপাশের ফোলাভাব কিছুটা কমে ত্বক সতেজ দেখাতে পারে। তবে বরফ সরাসরি চোখের নিচের ত্বকে লাগানো উচিত নয়।
চোখের ওপর ঠান্ডা শসার টুকরো রাখার প্রচলনও দীর্ঘদিনের। শসায় পানির পরিমাণ বেশি থাকায় ঠান্ডা শসা চোখের চারপাশে সাময়িক প্রশান্তি দিতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে ফোলাভাব কমাতে সহায়তা করতে পারে। পরিষ্কার শসার কয়েকটি টুকরো অল্প সময় চোখের ওপর রেখে পরে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নেওয়া যায়।
চোখের নিচের ত্বক মুখের অন্যান্য অংশের তুলনায় পাতলা ও সংবেদনশীল। তাই এই অংশে জোরে ঘষাঘষি বা বারবার টানাটানি করা উচিত নয়। মেকআপ তোলার সময়ও আলতোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। চোখের চারপাশের সংবেদনশীল ত্বকের জন্য উপযোগী ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। বাইরে বের হওয়ার সময় সূর্যের ক্ষতিকর আলো থেকে চোখের চারপাশের ত্বক সুরক্ষিত রাখার বিষয়েও নজর দেওয়া প্রয়োজন।
তবে সব ডার্ক সার্কেলের কারণ এক নয়। ঘুমের ঘাটতি বা ক্লান্তির পাশাপাশি বংশগত বৈশিষ্ট্য, বয়স, অ্যালার্জি, চোখ ঘষার অভ্যাস, ত্বকের রঙের পরিবর্তন কিংবা চোখের নিচের ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়ার কারণেও কালচে ভাব দেখা দিতে পারে। তাই নিয়মিত যত্ন নেওয়ার পরও যদি দীর্ঘদিন ডার্ক সার্কেল একই রকম থাকে, তাহলে এর প্রকৃত কারণ জানতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
চোখের নিচের কালচে দাগ সাধারণত একদিনে তৈরি হয় না। তাই এক-দুই দিন কোনো ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করলেই এটি পুরোপুরি দূর হয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশা করা ঠিক নয়। পর্যাপ্ত ঘুম, স্ক্রিন ব্যবহারে বিরতি, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, সুষম খাবার, পর্যাপ্ত পানি পান এবং নিয়মিত ত্বকের যত্ন—সব মিলিয়েই ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনা সম্ভব। আর ডার্ক সার্কেল হঠাৎ বেড়ে গেলে, এক চোখে বেশি দেখা দিলে কিংবা ফোলা, ব্যথা বা অন্য কোনো অস্বাভাবিক উপসর্গের সঙ্গে দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
/আশিক
স্মার্টফোন চার্জে দেওয়ার সময় যেসব সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলবেন
বর্তমান সময়ে যোগাযোগ, দাপ্তরিক কাজকর্ম, বিনোদন কিংবা আর্থিক লেনদেনের মতো দৈনন্দিন প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। আর এই অপরিহার্য ডিভাইসটি সচল রাখতে ব্যাটারির কার্যক্ষমতা ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি। তবে স্মার্টফোন চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকেরই এমন কিছু অসচেতন অভ্যাস থাকে, যা ডিভাইসের নিরাপত্তা এবং ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদি আয়ু ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট’-এর এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ফোন চার্জিংয়ের সময় সচরাচর করা কয়েকটি ভুল ও সেগুলোর ক্ষতিকর দিক নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা প্রথম ভুলটি হলো ডিভাইস দীর্ঘ সময় ধরে চার্জে লাগিয়ে রাখা। সাধারণত অনেকেই রাতে ঘুমানোর আগে ফোন চার্জে দিয়ে সারারাত রেখে দেন। যদিও আধুনিক প্রযুক্তির স্মার্টফোনগুলোতে ব্যাটারি পূর্ণ হওয়ার পর চার্জিং নিয়ন্ত্রণের নিজস্ব ব্যবস্থা থাকে, তবুও দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ চার্জ অবস্থায় ফোন ফেলে রাখা এবং এর ফলে উৎপন্ন তাপ ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদি ধারণক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। তাই প্রয়োজনমাফিক চার্জ দেওয়া এবং ডিভাইস অতিরিক্ত গরম হলে সাময়িকভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাই সঠিক পদ্ধতি।
এছাড়া বিছানা, বালিশ বা তোশকের মতো নরম স্থানে রেখে ফোন চার্জ দেওয়া আরেকটি ঝুঁকিপূর্ণ অভ্যাস। চার্জিং চলাকালীন ফোন প্রাকৃতিকভাবেই কিছুটা উষ্ণ হয়। এমন অবস্থায় ডিভাইসটি যদি বালিশের নিচে বা কাপড়ের ওপর থাকে, তবে ভেতরের তাপ বাইরে নির্গত হওয়ার পথ পায় না, যা অতিরিক্ত গরম হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এ ঝুঁকি এড়াতে চার্জ দেওয়ার সময় সবসময় সমতল, শক্ত এবং উন্মুক্ত স্থান বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মূল চার্জার নষ্ট বা হারিয়ে গেলে কম দামের অচেনা ব্র্যান্ডের চার্জার ও কেবল ব্যবহার করাও ব্যাটারির জন্য বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। নিম্নমানের এসব সামগ্রী ফোনে সঠিক মাত্রায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে ফোনের অভ্যন্তরীণ চার্জিং ব্যবস্থা ও ব্যাটারির ওপর। ফলে ডিভাইস অস্বাভাবিক উত্তপ্ত হয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এজন্য সর্বদা ফোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত অথবা নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ডের সার্টিফায়েড অ্যাডাপ্টার ও কেবল ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
অনেকেই আবার ব্যাটারির আয়ু বাড়ানোর আশায় বিভিন্ন থার্ড-পার্টি ‘ব্যাটারি-সেভিং’ অ্যাপ নামিয়ে নেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব অ্যাপ কার্যক্ষেত্রে খুব একটা সুফল তো দেয়ই না, বরং অচেনা ও অনির্ভরযোগ্য অ্যাপগুলো নানা ধরনের সংবেদনশীল অনুমতির মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বাড়তি কোনো অ্যাপের সাহায্য না নিয়ে ডিভাইসে থাকা নিজস্ব ‘ব্যাটারি সেভার’ বা ‘লো পাওয়ার মোড’ ব্যবহার করাই নিরাপদ ও কার্যকর।
চার্জে থাকা অবস্থায় ফোনে ভারী কাজকর্ম করাও ব্যাটারির কার্যক্ষমতা দ্রুত নষ্ট করে। চার্জিং চলাকালীন উচ্চমানের ভিডিও দেখা কিংবা ভারী গেম খেললে প্রসেসরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে, যার কারণে ডিভাইস দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই অতিরিক্ত তাপ দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারির স্বাস্থ্যের স্থায়ী ক্ষতি করে। তাই চার্জ দেওয়ার সময় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কাজ থেকে বিরত থাকা এবং ডিভাইস গরম হলে ব্যবহার থামিয়ে তা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরতে দেওয়াই যুক্তিযুক্ত।
/আশিক
কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে যেসব অভ্যাস বর্জনীয়
শরীরে কোনো স্পষ্ট উপসর্গ ছাড়াই নীরব ঘাতক হিসেবে বাসা বাঁধতে পারে উচ্চ কোলেস্টেরল। রক্তে অতিরিক্ত এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল জমতে থাকলে রক্তনালীর পথ সরু হয়ে যায়, যা পরবর্তীতে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। বয়স কিংবা জিনগত কারণের বাইরে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের কিছু সাধারণ ভুল অভ্যাসও কোলেস্টেরলের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়িয়ে তোলে।
সকালের নাশতায় পরোটা, মাখন, প্রক্রিয়াজাত মাংস বা অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকলে এলডিএল কোলেস্টেরল দ্রুত বাড়ে। মাখন, ঘি, পনির, ক্রিম ও প্যাকেটজাত খাবারে থাকা ক্ষতিকর স্যাচুরেটেড ফ্যাট মোট দৈনিক ক্যালরির সর্বোচ্চ ১০ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি বাদাম বা বীজের মতো স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকসও একবারে অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়; প্রক্রিয়াজাত খাবার ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত স্ন্যাকস বর্জন করে ফলমূল, শাকসবজি ও হোলগ্রেন জাতীয় খাবার খাওয়া হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী।
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার নিষ্ক্রিয় জীবনযাপনও কোলেস্টেরলের ভারসাম্য নষ্ট করে। দৈনিক কাজের ফাঁকে সচল থাকা, সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি ব্যায়াম করা এবং একটানা বসে না থেকে হাঁটাচলার অভ্যাস ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) বাড়াতে ও খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া সফট ড্রিঙ্কস বা মিষ্টি পানীয় গ্রহণের ফলে ওজন বৃদ্ধি পেয়ে হৃদযন্ত্রে চাপ তৈরি হয়। সর্বোপরি, ধূমপান রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং ভালো কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়, যা অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে।
/আশিক
সাধারণ পিঠে ব্যথা ও ক্যানসারের উপসর্গের পার্থক্য চেনার উপায়
কাজের অত্যধিক চাপ বা ভুল ভঙ্গিতে ঘুমানোর কারণে পিঠে ব্যথা হওয়া অত্যন্ত সাধারণ ঘটনা। তবে চিকিৎসকেরা সতর্ক করে জানিয়েছেন যে, পিঠের দীর্ঘস্থায়ী বা অস্বাভাবিক ব্যথার সঙ্গে শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ফুসফুসের সরাসরি সম্পর্ক থাকতে পারে, যা অনেক সময় ফুসফুসের ক্যানসারের পূর্বলক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়।
চিকিৎসকদের মতে, ফুসফুসের নিজস্ব কোনো অনুভূতিগ্রাহক স্নায়ু না থাকায় এতে সরাসরি ব্যথা অনুভব করা যায় না। তবে ফুসফুসে কোনো জটিলতা তৈরি হলে বা টিউমার বাড়তে থাকলে তা আশপাশের স্নায়ু, হাড় ও টিস্যুতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। ফলে বুকের তীব্র যন্ত্রণা অনেক সময় পিঠ কিংবা কাঁধের অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং এর তীব্রতায় রাতে ঘুম ভেঙে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।
বিশেষ করে ফুসফুসের ওপরের অংশে 'প্যানকোস্ট টিউমার' নামের এক বিশেষ ধরনের টিউমার তৈরি হলে তা কাঁধ ও হাতের দিকে যাওয়া স্নায়ুর ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে কাঁধে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয় এবং হাতের আঙুল বা তালু অবশ হয়ে আসতে পারে। উপযুক্ত পরীক্ষার অভাবে রোগীরা প্রায়শই এটিকে সাধারণ ‘ফ্রোজেন শোল্ডার’ বা স্পন্ডিলোসিস ভেবে মাসের পর মাস ভুল চিকিৎসা করিয়ে থাকেন। চিকিৎসকেরা এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে অনতিবিলম্বে বুকের এক্স-রে করানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
সাধারণ পেশির টান থেকে হওয়া ব্যথা বিশ্রামে কমে গেলেও কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এর মধ্যে রয়েছে ব্যথা দীর্ঘদিন ধরে থাকা ও ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়া, বিশ্রাম বা মলম ব্যবহারে উপশম না হওয়া, রাতের বেলায় ব্যথার তীব্রতায় ঘুম ভেঙে যাওয়া, পিঠে ব্যথার সাথে অকারণে ওজন হ্রাস ও চরম ক্লান্তি এবং দীর্ঘদিনের কাশি, শ্বাসকষ্ট বা কাশির সঙ্গে রক্ত আসার মতো উপসর্গ। বিশেষজ্ঞদের মতে, পিঠে ব্যথা মানেই ক্যানসার ভেবে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে ব্যথার সঙ্গে এসব শারীরিক পরিবর্তন যুক্ত হলে দ্রুত পরীক্ষা করানোই শ্রেয়।
সূত্র : আনন্দবাজার
ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখতে ভাইরাল হওয়া ঘরোয়া টোটকার কার্যকারিতা
উজ্জ্বল ও লাবণ্যময় ত্বকের আশায় অনেকেই বাজারের দামি প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকেন। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে 'অ্যালোভেরা কোলাজেন জেল' নামের একটি ঘরোয়া রূপচর্চার পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ব্যবহারকারীদের দাবি, এই জেলের নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক আর্দ্র ও টানটান থাকার পাশাপাশি এর স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসে।
সামাজিক মাধ্যমে এটিকে 'কোলাজেন জেল' বলা হলেও বাস্তবে এতে সরাসরি কোনো কোলাজেন থাকে না। মূলত অ্যালোভেরা ও তিসির বীজে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা ত্বককে আর্দ্র রাখার পাশাপাশি প্রাকৃতিকভাবে কোলাজেন তৈরির প্রক্রিয়াকে দ্রুত করতে সাহায্য করে। তাই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি কোলাজেনের কোনো সরাসরি বিকল্প নয়, বরং ত্বকের সুরক্ষায় একটি কার্যকর ঘরোয়া মিশ্রণ হিসেবে কাজ করে।
এই জেলের অন্যতম উপাদান অ্যালোভেরায় প্রচুর পরিমাণে পানি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং প্রদাহনাশক প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে। এগুলো ত্বককে ঠান্ডা রাখতে এবং শুষ্কতা ও সাময়িক জ্বালা ভাব দূর করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, মিশ্রণটির আরেক উপাদান তিসির বীজে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের সুরক্ষায় দারুণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
এই মিশ্রণটি তৈরি করতে টাটকা অ্যালোভেরার রসের সঙ্গে পানিতে ফোটানো তিসির বীজের ঘন ও পিচ্ছিল জেল ব্যবহার করা হয়। তিসির বীজ ফুটিয়ে তৈরি করা জেল ছেঁকে ঠান্ডা করে অ্যালোভেরার সঙ্গে ভালোভাবে মেশাতে হয়। মিশ্রণটি দীর্ঘদিন ভালো রাখতে এবং ত্বকের আর্দ্রতা আরও বাড়াতে অনেকেই এর সঙ্গে ভিটামিন-ই তেল যুক্ত করে থাকেন।
তবে ঘরোয়া উপাদান মানেই যে তা সবার ত্বকের জন্য পুরোপুরি নিরাপদ হবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। বিশেষ করে যাঁদের ত্বক সংবেদনশীল বা অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তাঁদের এটি সরাসরি ব্যবহারের আগে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। নতুন এই জেল পুরো মুখে ব্যবহারের আগে হাত বা কানের পেছনে সামান্য লাগিয়ে পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত। ব্যবহারের স্থানে কোনো রকম চুলকানি, লালচে দাগ বা জ্বালা ভাব দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে এর ব্যবহার বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
সালমানের অবয়ব পরিবর্তনের আসল কারণ ও ষাটোর্ধ্বদের ওজন কমানোর সঠিক নিয়ম
বলিউডের জনপ্রিয় সুপারস্টার সালমান খানকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। হঠাৎ করেই টুপি পরা তাঁর একটি ভিডিও এবং কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়লে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে ভক্তদের মনে নানান দুশ্চিন্তার জন্ম হয়। অনেকেরই মনে হয়েছিল তারকা হয়তো জটিল কোনো শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন, কারণ ছবিগুলোতে তাঁকে অতীতের তুলনায় কিছুটা শীর্ণকায়, পরিশ্রান্ত ও অবসন্ন দেখাচ্ছিল।
তবে পরবর্তীতে এই সমস্ত আলোচনার বাস্তব চিত্র সামনে আসে। সালমান খান নিজেই বিষয়টি স্পষ্ট করে জানান যে, এটি কোনো শারীরিক অসুস্থতা নয়, বরং নতুন চলচ্চিত্রের চরিত্রের প্রস্তুতি ও নিজস্ব ফিটনেস লক্ষ্য অর্জনের অংশ হিসেবেই তিনি স্বউদ্যোগে প্রায় ১৬ কেজি ওজন কমিয়েছেন। এর মাধ্যমেই তাঁর অবয়ব পরিবর্তন কেন্দ্র করে চলা যাবতীয় জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটে।
তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে ভিন্ন সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তাঁদের মতে, ষাটোর্ধ্ব বয়সে ওজন কমানোর প্রক্রিয়াটি তরুণ বয়সের মতো সহজ বা স্বাভাবিক নয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের বিপাকক্রিয়া ধীরগতির হয়ে পড়ে এবং প্রাকৃতিকভাবেই পেশির পরিমাণ হ্রাস পেতে থাকে। তদুপরি এই বয়সে হঠাৎ বেশি ওজন কমাতে গেলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ কিংবা হৃদরোগের মতো শারীরিক ঝুঁকিগুলো নতুন করে দেখা দিতে পারে। তাই কোনো তাড়াহুড়ো না করে এই বয়সে চিকিৎসকের পরামর্শে ধীরগতিতে ওজন নিয়ন্ত্রণ করাই সবচেয়ে যৌক্তিক ও নিরাপদ।
খাদ্যাভ্যাসে প্রোটিনকে প্রাধান্য
নিজের দৈনন্দিন খাবারের তালিকা নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে সালমান খান জানিয়েছিলেন, তিনি মূলত উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার পছন্দ করেন। তাঁর খাদ্যতালিকায় শর্করার পরিমাণ রাখা হয় একেবারেই নগণ্য। তিনি বেশ রসিকতা করেই বলেন যে, খাবার যতই সুস্বাদু হোক না কেন, তিনি দিনে মাত্র এক চামচের বেশি ভাত খান না। ভাতের শর্করা এড়িয়ে তিনি প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে মাছ, মুরগির মাংস ও ডিমের ওপর নির্ভর করেন। যদিও মাঝে মাঝে প্রিয় খাবার খাওয়া তিনি পুরোপুরি বাদ দেন না, তবে অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ করলে তা ঝরিয়ে ফেলতে পরবর্তীতে বেশ পরিশ্রম করেন।
পছন্দের খাবার খেলেও অনুশীলনে কঠোরতা
সালমান খান এক রসাত্মক মন্তব্যে বলেছিলেন, তাঁর জন্য প্রায় প্রতিটি দিনই কিছুটা ‘চিট ডে’। পছন্দের খাবারের প্রতি অনুরাগ থাকলেও তার সমপরিমাণ শারীরিক কসরত তিনি সুনিশ্চিত করেন। খাবারের মাধ্যমে শরীরে অতিরিক্ত যে ক্যালরি প্রবেশ করে, তা নিয়মিত জিম বা শরীরচর্চার মাধ্যমে পুড়িয়ে ফেলাকেই তিনি নিজের মূল নীতি বানিয়ে নিয়েছেন।
নিয়মিত শরীরচর্চায় ফিটনেস ধরে রাখা
এই তারকার ফিটনেস ট্রেইনারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সালমান সপ্তাহে টানা ছয় দিন শরীরচর্চা করেন এবং একদিন বিশ্রামে থাকেন। তাঁর দৈনন্দিন ফিটনেস রুটিনে থাকে ইনক্লাইন এক্সারসাইজ, পুশ-আপ, ফ্লাই, কার্ডিও, ওয়েট ট্রেনিং এবং হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভাল ট্রেনিংয়ের মতো কঠিন সব ব্যায়াম। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই কার্ডিও করেন তিনি। শুটিংয়ের চরম ব্যস্ততার মধ্যেও সকালে বা রাতে নিয়মিত জিমে সময় দেওয়া তাঁর দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।
ষাটোর্ধ্ব বয়সে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে করণীয়
বিশেষজ্ঞরা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, একজন সাধারণ মানুষের সঙ্গে সালমান খানের মতো তারকার জীবনযাত্রার তুলনার সুযোগ নেই। কারণ এসব তারকার পেছনে সার্বক্ষণিক পুষ্টিবিদ, ব্যক্তিগত প্রশিক্ষক এবং চিকিৎসকদের নজরদারি থাকে। ষাট বছর বয়সের পর নিরাপদ উপায়ে আট থেকে দশ কেজি ওজন কমাতে অন্তত ছয় মাস বা তার বেশি সময়ের প্রয়োজন হওয়া স্বাভাবিক। কঠোর ডায়েট বা না খেয়ে থাকার ফলে শারীরিক দুর্বলতা, পেশি ক্ষয় এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। তাই পর্যাপ্ত প্রোটিন, ফাইবার, পরিমিত শর্করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম করার মাধ্যমেই বয়স্কদের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
সালমান খানের ফিটনেস বজায় রাখার চর্চাটি প্রমাণ করে যে, সঠিক শৃঙ্খলা এবং অনুশীলনের মাধ্যমে বয়সকালেও কর্মক্ষম থাকা সম্ভব। তবে কোনো অলৌকিক বা দ্রুত ফল পাওয়ার আশায় না গিয়ে দীর্ঘমেয়াদে ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা গড়ে তোলাই একমাত্র স্থায়ী সমাধান।
সূত্র: এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া
সমকামিতা কি মানসিক ব্যাধি? আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতামত
সমকামিতা ও সমলিঙ্গের মানুষের প্রতি আকর্ষণ নিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান ও আধুনিক সমাজবিজ্ঞানে দীর্ঘকাল ধরে গবেষণা পরিচালিত হয়ে আসছে। বিশ্বজুড়ে বিষয়টি নিয়ে নানা রূপ কুসংস্কার বা ভুল ধারণা প্রচলিত থাকলেও চিকিৎসা বিজ্ঞান ও গবেষণা সংস্থাগুলো এ নিয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, সমকামিতা কোনো মানসিক রোগ, শারীরিক ব্যাধি বা মানসিক বিকৃতি নয়; বরং এটি মানবীয় যৌন অভিমুখিতার এক স্বাভাবিক বৈচিত্র্য। ১৯৭৩ সালে আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (এপিএ) তাদের মনস্তাত্ত্বিক তালিকার মানসিক ব্যাধির অংশ থেকে এটিকে বাদ দেয়। পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (ডব্লিউএইচও) আন্তর্জাতিক রোগ শ্রেণীকরণ (আইসিডি) তালিকা থেকে এটি অপসারণ করে সাধারণ বিষমকামিতার মতোই একটি জৈবিক ও মানসিক বৈচিত্র্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
কোনো ব্যক্তি সমকামী হওয়ার নির্দিষ্ট কোনো একক কারণ বিজ্ঞান নিশ্চিত করতে না পারলেও জিনগত গঠন, গর্ভকালীন হরমোনের প্রভাব এবং স্নায়বিক ও পরিবেশগত উপাদান যৌথভাবে কাজ করে বলে গবেষণায় দেখা গেছে। ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘সায়েন্স’-এ প্রকাশিত প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের ডিএনএ বিশ্লেষণের এক গবেষণায় স্পষ্ট করা হয় যে, সমকামিতার পেছনে কোনো সুনির্দিষ্ট 'গে জিন' বা একক উপাদান কাজ করে না। এছাড়া এটি কোনো সংক্রামক ব্যাধি নয় এবং কারোর সাথে চলাফেরা বা সান্নিধ্যের মাধ্যমে তা অর্জিত হয় না। অধিকাংশ মানুষ বয়ঃসন্ধি বা প্রাপ্তবয়স্ক পর্যায়ে তাদের প্রাকৃতিক যৌন অভিমুখিতা বুঝতে পারেন।
চিকিৎসাবিজ্ঞান ও বৈশ্বিক মানসিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো জোরপূর্বক অভিমুখিতা বদলের তথাকথিত 'কনভার্সন থেরাপি'কে সম্পূর্ণ অকার্যকর ও বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যা ব্যক্তির মাঝে চরম বিষণ্নতা, মানসিক উদ্বেগ ও আত্মহত্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। অনেক দেশে এটি সামাজিক বা আইনি জটিলতার সৃষ্টি করলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক চাপ কাটাতে পরিবার ও সমাজের সংবেদনশীল আচরণ জরুরি। অননুমেয় ও অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পরিহার করে যেকোনো মানসিক জটিলতায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং তথ্যভিত্তিক মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়।
/আশিক
কীভাবে এলো এই বিশেষ দিন: বন্ধু দিবসের অজানা কথা
জন্মের সময় থেকে মানুষ তার রক্ত ও পারিবারিক পরিচয়ের এক নির্দিষ্ট ভূগোলে বেড়ে ওঠে। তবে জীবনের চলার পথে এমন কিছু মানুষের পদচারণা ঘটে, যাদের সঙ্গে রক্তের কোনো বাঁধন না থাকলেও জীবনবোধ ও আবেগের সর্বাপেক্ষা গভীর আদান-প্রদান ঘটে। সমাজ স্বীকৃত কোনো বাধ্যবাধকতা বা আইনি দলিল ব্যতিরেকে গড়ে ওঠা এই স্বাধীন ও আন্তরিক সম্পর্কের নামই বন্ধুত্ব।
আজ আগস্ট মাসের প্রথম রবিবার, যা বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ‘বন্ধু দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। যদিও প্রকৃত বন্ধুত্বকে কোনো সুনির্দিষ্ট দিনের ফ্রেমে সীমাবদ্ধ করা কঠিন, তবুও এই বিশেষ দিনটি পুরোনো বন্ধন সতেজ করা ও স্মৃতিরোমন্থনের একটি মাধ্যম হিসেবে গণ্য হয়। ইতিহাসের পাতায় মনীষীরা বন্ধুত্বকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন। গল্পকার মারিও পুজো এটিকে পরিবারের সমতুল্য বলেছেন এবং আলবার্ট আইন্সটাইনের মতে খাঁটি বন্ধুত্ব ভালোবাসার চেয়েও বিরল। অন্যদিকে এরিস্টটল বন্ধুকে নিজেরই প্রতিচ্ছবি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং রবার্ট লুইস স্টিভেনসন বা আলবেয়ার কামুর দৃষ্টিতে কোনো শর্ত বা নেতৃত্ব ছাড়া পাশাপাশি চলাই আসল বন্ধুত্ব।
বন্ধু দিবস উদযাপনের গোড়াপত্তন নিয়ে নানা মত রয়েছে। ১৯৩০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে হলমার্ক কার্ডের প্রতিষ্ঠাতা হাওয়ার্ড হল আগস্টের শুরুতেই শুভেচ্ছা বিনিময়ের বাণিজ্যিক উদ্যোগ নিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে ১৯৩৫ সালে মার্কিন কংগ্রেস কর্তৃক আগস্টের প্রথম রবিবারকে ‘জাতীয় বন্ধু দিবস’ হিসেবে ঘোষণার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় রূপ পায়। একটি প্রচলিত মতামত অনুযায়ী, ১৯৩৫ সালে মার্কিন সরকারের নীতিতে ক্ষুব্ধ এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার বন্ধুর আত্মহত্যার স্মৃতি রক্ষা করতেই এই দিনের সূচনা। এছাড়া ১৯৫৮ সালে প্যারাগুয়েতে প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে দিনটি উদযাপন করা হয়, যার ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালের ২৭ জুলাই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৩০ জুলাইকে ‘আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবস’ ঘোষণা করে। তবে ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশসহ বেশ কিছু দেশে আগস্টের প্রথম রবিবারেই দিনটি পালিত হয়ে আসছে।
সময়ের আবর্তে এই দিন উদযাপনের রূপ পরিবর্তিত হয়েছে; পূর্বে কার্ড বা উপহার আদান-প্রদান হলেও বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ও বার্তা শেয়ারের মাধ্যমে আড্ডা ও স্মৃতিচারণ বেশি দেখা যায়। মনোবিদদের মতে, একাকীত্ব দূর করতে ও মানসিক ভারসাম্য রক্ষায় নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব অত্যন্ত জরুরি। মনোরোগ বিশেষজ্ঞ তাজুল ইসলাম উল্লেখ করেন, মানসিক চাপমুক্ত থাকতে এবং নির্দ্বিধায় আবেগের প্রকাশ ঘটাতে জীবনে একজন বিশ্বাসযোগ্য বন্ধুর উপস্থিতি আবশ্যক, যা পরিবার ও বিবাহিত জীবনের সম্পর্কের ভিত্তিকেও দৃঢ় করে।
বন্ধুত্ব ধরে রাখতে হলে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা, বন্ধুর বিশেষ দিনগুলো স্মরণে রাখা এবং কঠিন সময়ে পাশে থাকা প্রয়োজন। ছোট ছোট ভালোবাসার প্রকাশ, একে অপরের মতভিন্নতাকে সম্মান জানানো এবং কেবল সামাজিক মাধ্যমে সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি সময় কাটানো এই সম্পর্ককে সুদৃঢ় করে। সেই সাথে বন্ধুর গোপনীয়তা ও বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষা করা একটি সার্থক বন্ধুত্বের প্রধান শর্ত। প্রতিদিনের ছোট পরিচর্যা ও সম্মানের মাধ্যমেই বন্ধুত্বের এই অমলিন বন্ধন আজীবন টিকিয়ে রাখা সম্ভব।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- আন্তর্জাতিক বাজারে বড় দরপতন: ধাক্কা খেল মূল্যবান ধাতুর বাজার
- বিদ্যুৎ সংকট অব্যাহত: সন্ধ্যার পিক আওয়ার নিয়ে নতুন পূর্বাভাস
- আত্মত্যাগীদের পরিবারের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
- নেপালে বিপর্যয়: শত শত মৃত্যু, নিখোঁজ ১৪০০
- দুদকের দুই মামলায় খালাস পেলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
- বিশ্ববাজারে বিনিয়োগকারীদের চাহিদায় পরিবর্তন: ধাতুর বাজারে দরপতন
- সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাব: ১০ দিনের নতুন আবহাওয়া বার্তা
- অর্থসংকটে অনিশ্চিত মেডিকেল ভবিষ্যৎ: শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী
- সংসদের অধিবেশন ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা
- কম বয়সেই বাড়ছে নীরব ঘাতক রোগ: জেনে নিন সুরক্ষার উপায়
- বাঁধ ভাঙার অভিযোগ নাকচ চীনের: নেপালকে হিমবাহ ধসের তথ্য দিল ইউএসজিএস
- ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা ঘিরে নতুন জটিলতা: বড় তারকার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা
- নেপালে আরও একটি কৃত্রিম লেক ফেটে বন্যার শঙ্কা: চীনের সতর্কতা
- এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে বাংলাদেশ: চূড়ান্ত হলো গ্রুপ ও প্রতিপক্ষ
- বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানালেন বিশ্বনেতা
- স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত: দ্রুত আসছে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা
- বিদ্যুৎ-গ্যাস এখন ‘টুকু আসে, টুকু যায়: রুমিন ফারহানা
- ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পুনর্নির্মাণের প্রমাণ মেলেনি: আইএইএ প্রধান
- মক্কা চুক্তি মুসলিমদের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা, উদ্বেগের কারণ নেই: খলিলুর রহমান
- এটা প্রশ্ন না পল্টনের বক্তৃতা: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ২০১০ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ধ্বংসস্তূপে চলছে সন্ধান: প্রাণহানি ছাড়াল তিন শতাধিক
- মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সারা দেশে আবহাওয়ার নতুন পূর্বাভাস
- বাংলাদেশ একদিন জামায়াতের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে: হামিদুর রহমান আযাদ
- ১০০ মিটারের স্প্রিন্টে অভাবনীয় কীর্তি: রোবটের দৌড়ে বিশ্ব তোলপাড়
- চার বছরের বিরতি ভেঙে বড় পর্দায় ফিরে বক্স অফিসে ঝড়
- স্বামীকে প্রবাসে রেখে দেশে ফিরেই নতুন বিয়ে, চার সন্তানের জননীর
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি রক্ষায় জোটবদ্ধ হওয়ার ডাক দিলেন শীর্ষ কূটনীতিকরা
- নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে প্রবল বন্যা: ৫৫ জনের প্রাণহানি ও শতাধিক নিখোঁজ
- সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় খবর: চূড়ান্ত হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত প্রজ্ঞাপন
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের সীমা: যেসব বিষয়ে নির্ভরতা বিপজ্জনক
- স্বর্ণের দামে নতুন মোড়, সামনে গুরুত্বপূর্ণ সময়
- চার বছর পর আবারও ঢাকায় আসছেন জনপ্রিয় বিদেশি সংগীতশিল্পী
- রাতের আকাশে দেখা যাবে রক্তিম রূপ: প্রস্তুত হচ্ছে বিশ্ব
- খরচ ছাড়াই ১০ হাজার কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়: মন্ত্রী
- বিদ্যুৎ খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার বকেয়া বড় চাপ: প্রতিমন্ত্রী
- গ্রিন কার্ডের জন্য অপেক্ষমাণদের জন্য এলো বড় সুখবর
- ট্রাম্পের ছেলে ব্যারনকে হত্যার হুমকি দিয়ে ইরানে ভিডিও প্রকাশ
- দেশজুড়ে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে বড় সুখবর দিল সরকার
- যুক্তরাষ্ট্রের হামলা রুখতে আক্রমণাত্মক কৌশলে যাচ্ছে ইরান
- লাফিয়ে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, নতুন রেকর্ডের পথে ভরি
- দুবার প্রস্তুতি, তারেক রহমানের দিল্লি সফর বারবার বাতিল, নেপথ্যে কী
- ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য, ৪ ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
- হরমুজ প্রণালির সব মাইন সরিয়ে ফেলেছে মার্কিন নৌবাহিনী: ট্রাম্প
- ব্রাজিলকে আনতে সরকারের টাকা খরচের মানসিকতা নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
- ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে নজরুল আজও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক: রিজভী
- জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে বোর্ডের নতুন নীতিমালা প্রকাশ
- সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার
- ইরানকে বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ ঘোষণা
- নরসিংদীতে ইটবোঝাই লরির ধাক্কায় শ্রমিক নিহত
- ক্ষমতার পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়, বদলাতে হবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি: AMRA গোলটেবিলে বক্তারা
- চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যে নতুন চাপ, নজর সিঙ্গাপুরেও
- ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য, ৪ ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
- বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ঢলের ৯ বছর: প্রত্যাবাসন কেন এখনো অনিশ্চিত
- লাফিয়ে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, নতুন রেকর্ডের পথে ভরি
- দুবার প্রস্তুতি, তারেক রহমানের দিল্লি সফর বারবার বাতিল, নেপথ্যে কী
- এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌপ্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম
- বঙ্গোপসাগরে ২৪ নাবিক নিয়ে ডুবল জাহাজ, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২২
- দুই দিনেই ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না বহু এলাকায়
- নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে টিসিবির বড় পরিকল্পনা
- আজকের নামাজের সময়সূচি, জেনে নিন একনজরে
- আজ বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম
- গার্ড অব অনারে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল








