দুই ১০ বছর মেয়াদি বন্ডে কুপন রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১৪:২৬:৫৪
দুই ১০ বছর মেয়াদি বন্ডে কুপন রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সরকারি ট্রেজারি বন্ডগুলোর কুপন পরিশোধ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট বন্ডগুলোর রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ভিত্তিতে কুপন পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারিত হবে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, ১০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড (২০ জুলাই ২০২৬ মেয়াদী)–এর কুপন পরিশোধের জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৯ জানুয়ারি ২০২৬। নির্ধারিত এই তারিখে যেসব বিনিয়োগকারীর নামে বন্ড নিবন্ধিত থাকবে, তারাই কুপন পাওয়ার অধিকারী হবেন।

অন্যদিকে, ১০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড (২০ জানুয়ারি ২০২৬ মেয়াদী)–এর ক্ষেত্রেও কুপন পরিশোধের জন্য একই রেকর্ড তারিখ, অর্থাৎ ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে উক্ত তারিখে বন্ডধারীরা কুপন সুবিধা ভোগ করবেন।

তবে এই বন্ডটির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথাও জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি ট্রেজারি বন্ডটির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় এটি ২০ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ডিএসই থেকে ডিলিস্ট করা হবে। অর্থাৎ মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বন্ডটি আর শেয়ারবাজারে লেনদেনযোগ্য থাকবে না।

-রফিক


ডিভিডেন্ড পরিশোধে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তিন প্রতিষ্ঠানের

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১৪:১৯:৫৫
ডিভিডেন্ড পরিশোধে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তিন প্রতিষ্ঠানের
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কয়েকটি কোম্পানি ৩০ জুন ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ঘোষিত ডিভিডেন্ড শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে সফলভাবে বিতরণ করেছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত রেকর্ড তারিখ অনুযায়ী যোগ্য বিনিয়োগকারীরা ইতোমধ্যে তাদের প্রাপ্য সুবিধা পেয়েছেন।

বিডি ল্যাম্পস লিমিটেড (ট্রেডিং কোড: BDLAMPS) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোম্পানিটি ২০২৫ অর্থবছরের জন্য ঘোষিত নগদ ডিভিডেন্ড সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে পরিশোধ সম্পন্ন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে এই ডিভিডেন্ড বিতরণ করা হয়েছে।

একইভাবে লিগ্যাসি ফুটওয়্যার লিমিটেড (ট্রেডিং কোড: LEGACYFOOT) তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ঘোষিত নগদ ডিভিডেন্ড যথাসময়ে বিতরণ করেছে। কোম্পানির ভাষ্য অনুযায়ী, এটি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সম্পর্ক বজায় রাখার অংশ।

অন্যদিকে লাভেলো আইসক্রিম পিএলসি (ট্রেডিং কোড: LOVELLO) শেয়ারহোল্ডারদের জন্য নগদ ও বোনাস—দুই ধরনের ডিভিডেন্ডই প্রদান করেছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, ঘোষিত বোনাস শেয়ার সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের বিও (BO) হিসাবে জমা দেওয়া হয়েছে এবং একই সঙ্গে নগদ ডিভিডেন্ডও পরিশোধ করা হয়েছে।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, সময়মতো ডিভিডেন্ড বিতরণ কোনো কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা, নগদ প্রবাহ ব্যবস্থাপনা এবং করপোরেট গভর্ন্যান্সের ইতিবাচক দিক তুলে ধরে। চলমান বাজার পরিস্থিতিতে এ ধরনের ঘোষণাকে বিনিয়োগকারীদের জন্য আশাব্যঞ্জক হিসেবে দেখছেন তারা।

তাদের মতে, নিয়মিত ডিভিডেন্ড প্রদানকারী কোম্পানিগুলো সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হয়, যা ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট শেয়ারের প্রতি বাজার আগ্রহ বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

-রফিক


আগের দিনের উত্থান মুছে দিল আজকের দরপতন

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১৪:১৬:৫২
আগের দিনের উত্থান মুছে দিল আজকের দরপতন
ছবি: সংগৃহীত

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ (ডিএসই) বিনিয়োগকারীদের বিক্রিচাপ স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা গেছে। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর ২টা ১৪ মিনিটে বাজারের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, প্রধান সূচকসহ সব সূচকই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে।

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স (DSEX) এদিন ৫৬.৫৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪,৯৪১.৯৫ পয়েন্টে, যা শতাংশের হিসাবে প্রায় ১.১৩ শতাংশ পতন নির্দেশ করে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আগের কার্যদিবসের উত্থানের পর মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ায় সূচকে এই বড় ধাক্কা লেগেছে।

শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস (DSES) কমেছে ১০.৩২ পয়েন্ট বা প্রায় ১.০২ শতাংশ। একই সঙ্গে ব্লু-চিপ শেয়ার নিয়ে গঠিত ডিএস৩০ সূচকও ১৭.৩৬ পয়েন্ট হারিয়ে ১,৮৯৭.৫৮ পয়েন্টে নেমে এসেছে, যা বাজারের বড় মূলধনী শেয়ারগুলোর দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।

লেনদেনচিত্রেও দিনটির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, এদিন মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার বার। লেনদেন হওয়া শেয়ারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ কোটি ৪৮ লাখ ইউনিটে এবং মোট লেনদেন মূল্য ছিল প্রায় ৩ হাজার ৭৬১ কোটি ৮২ লাখ টাকা।

বাজারের প্রস্থচিত্র (মার্কেট ব্রেডথ) বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দর বৃদ্ধির তালিকায় ছিল মাত্র ৪২টি কোম্পানি, বিপরীতে দর কমেছে ৩০৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪৭টি শেয়ারের দাম। এই পরিসংখ্যান বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্ক মনোভাবের প্রতিফলন বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

বড় মূলধনী ও ভোক্তা পণ্য খাতের কিছু শেয়ারে এদিন বিক্রির চাপ বেশি ছিল। ডেট বোর্ডে লেনদেন হওয়া বেশ কয়েকটি পরিচিত কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে, যদিও কিছু শেয়ারে সীমিত উত্থানও লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে আংশিক ভারসাম্যের ইঙ্গিত দেয়।

এর আগের কার্যদিবস, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬), ডিএসইতে তুলনামূলক ইতিবাচক চিত্র দেখা গিয়েছিল। সেদিন ডিএসইএক্স সূচক ছিল প্রায় ৪,৯৯৮ পয়েন্টে এবং মোট লেনদেন মূল্য ছাড়িয়েছিল ৪ হাজার ২৯১ কোটি টাকা। মাত্র এক কার্যদিবসের ব্যবধানে বাজারের এই বিপরীতমুখী গতিপথ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

-রাফসান


ডিএসইতে সরকারি বন্ড সংক্রান্ত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১০:১৭:৩৯
ডিএসইতে সরকারি বন্ড সংক্রান্ত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত সরকারি ট্রেজারি বন্ডের লেনদেন ও কুপন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) ডিএসই সূত্রে জানানো হয়, রেকর্ড ডেট সম্পন্ন হওয়ার পর দুইটি সরকারি বন্ডে পুনরায় লেনদেন শুরু হতে যাচ্ছে, পাশাপাশি আরেকটি দীর্ঘমেয়াদি বন্ডের কুপন প্রাপ্তির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড (BGTB) ১১/০১/২০২৮–এর লেনদেন আগামী ১১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে পুনরায় চালু হবে। একই তারিখে ২ বছর মেয়াদি BGTB ০৯/০৭/২০২৭–এর লেনদেনও রেকর্ড ডেট পরবর্তী সময়ে আবার শুরু হবে। রেকর্ড ডেট উপলক্ষে সাময়িক স্থগিত থাকা এই বন্ডগুলোর লেনদেন পুনরায় চালু হওয়ায় বাজারে তারল্য ও কার্যক্রম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, ১০ বছর মেয়াদি BGTB ১৯/০১/২০৩২–এর কুপন প্রাপ্তির জন্য ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখকে রেকর্ড ডেট হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত এই তারিখে যেসব বিনিয়োগকারী বন্ডটির মালিক থাকবেন, তারাই আসন্ন কুপন পেমেন্ট পাওয়ার অধিকারী হবেন।

-রাফসান


অডিট আপত্তি ও গুরুত্বের বিষয়, তিন প্রতিষ্ঠানের হিসাব

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১০:০৯:০০
অডিট আপত্তি ও গুরুত্বের বিষয়, তিন প্রতিষ্ঠানের হিসাব
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত তিনটি কোম্পানির ২০২৪–২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে কোয়ালিফায়েড ওপিনিয়ন ও সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করেছেন নিরীক্ষকরা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) ডিএসই সূত্রে প্রকাশিত পৃথক ঘোষণায় এ তথ্য জানানো হয়।

ডিএসইর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (ALLTEX)–এর নিরীক্ষকরা ৩০ জুন ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক বিবরণীতে Qualified Opinion–এর পাশাপাশি Emphasis of Matters অনুচ্ছেদ সংযুক্ত করেছেন। এতে নির্দিষ্ট কিছু হিসাবসংক্রান্ত বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য অতিরিক্ত মনোযোগ দাবি করে।

অন্যদিকে, ম্যাকসন স্পিনিং মিলস লিমিটেড (MAKSONSPIN)–এর নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে নিরীক্ষকরা শুধুমাত্র Qualified Opinion প্রদান করেছেন। এর অর্থ হলো প্রতিষ্ঠানের আর্থিক প্রতিবেদনের কিছু অংশে নিরীক্ষকদের সন্তুষ্টির ঘাটতি রয়েছে, যদিও সামগ্রিক হিসাব পুরোপুরি বাতিলযোগ্য নয়।

এ ছাড়া সামাটা লেদার কমপ্লেক্স লিমিটেড (SAMATALETH)–এর ক্ষেত্রে নিরীক্ষকরা আরও বিস্তৃত মন্তব্য করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক বিবরণীতে Qualified Opinion, Emphasis of Matters এবং Other Matters এই তিনটি অনুচ্ছেদই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, হিসাব সংরক্ষণ, আর্থিক উপস্থাপন বা নির্দিষ্ট নীতিগত বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ রয়েছে।

-রাফসান


ডিএসইতে মির সিকিউরিটিজের গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১০:০৫:৫৩
ডিএসইতে মির সিকিউরিটিজের গুরুত্বপূর্ণ আপডেট
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সর্বশেষ ঘোষণায় জানানো হয়েছে যে, মির সিকিউরিটিজ লিমিটেড তাদের একজন অনুমোদিত প্রতিনিধি প্রত্যাহার করেছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) প্রকাশিত ডিএসইর নোটিস অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি তাদের অনুমোদিত প্রতিনিধি সাকিব আরাফাত–এর দায়িত্ব প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।

ডিএসই সূত্র জানায়, মির সিকিউরিটিজ লিমিটেড ডিএসইর নিবন্ধিত ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (TREC) নম্বর ২৬৪–এর অধীনে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। অনুমোদিত প্রতিনিধি প্রত্যাহারের বিষয়টি ডিএসইর নিয়ম অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে এবং তা সংশ্লিষ্ট রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রশাসনিক বা কাঠামোগত পরিবর্তন সাধারণত প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা পুনর্বিন্যাস বা নীতিগত সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে হয়ে থাকে। তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রাহক লেনদেন বা মির সিকিউরিটিজের স্বাভাবিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের ব্যাঘাত ঘটবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

-রাফসান


সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৪২৯ কোটি টাকার লেনদেন

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১০:০৩:২৯
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৪২৯ কোটি টাকার লেনদেন
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল বোর্ডে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) লেনদেন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য গতি লক্ষ্য করা গেছে। বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দিনটিতে মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ৯২১টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।

দিনব্যাপী লেনদেনে মোট ১৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৭৪টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়। এর বিপরীতে বাজারে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ হাজার ২৯১ কোটি ১৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় একটি শক্তিশালী অবস্থান নির্দেশ করে।

বিশ্লেষকদের মতে, মূল বোর্ডে ট্রেড ও ভলিউম বৃদ্ধির পেছনে নির্বাচনী বছরের অর্থনৈতিক প্রত্যাশা, ব্যাংক ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে আগ্রহ, এবং স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের বাজারে ফের সক্রিয় হওয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে কিছু বড় মূলধনী শেয়ারে বিনিয়োগ বাড়ায় বাজারের সামগ্রিক লেনদেন চিত্র ইতিবাচক হয়েছে।

-রাফসান


 ডিএসইর সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৯ ১২:০৫:২৫
 ডিএসইর সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৮ জানুয়ারি ২০২৬ সমাপ্ত সপ্তাহে সূচক, লেনদেন ও ভলিউম—সব সূচকেই স্পষ্ট ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। সপ্তাহজুড়ে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ায় বাজারে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় একটি শক্তিশালী পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সপ্তাহ শেষে ডিএসইএক্স সূচক দাঁড়িয়েছে ৪,৯৯৮.৫৫ পয়েন্টে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৮৭.৯৪ পয়েন্ট বা ১.৭৯ শতাংশ বেশি। বছরের শুরু থেকে (YTD) এই সূচকের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২.৭৪ শতাংশে। একই সময়ে ডিএস৩০ সূচক বেড়ে হয়েছে ১,৯১৪.৯৪ পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক উন্নীত হয়েছে ১,০১০.৮০ পয়েন্টে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে ডিএসই এসএমই সূচকে, যা এক সপ্তাহে ৯.২১ শতাংশ বেড়ে ৯৫৭.৩৭ পয়েন্টে পৌঁছেছে। বছরের শুরু থেকে এই সূচকের প্রবৃদ্ধি প্রায় ১২ শতাংশ, যা ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনি শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

লেনদেনের পরিসংখ্যানেও ছিল শক্তিশালী অগ্রগতি। সপ্তাহজুড়ে দৈনিক গড় লেনদেন দাঁড়িয়েছে ৪,৭৪৫ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ৩৪ শতাংশ বেশি। মোট পাঁচ কার্যদিবসে বাজারে লেনদেন হয়েছে প্রায় ২৩,৭২৭ কোটি টাকা, যেখানে আগের সপ্তাহে এই অঙ্ক ছিল ১৪,১৭২ কোটি টাকা। একইসঙ্গে মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮১০ মিলিয়ন ইউনিটে।

বাজার মূলধনও সামান্য হলেও ঊর্ধ্বমুখী ছিল। সপ্তাহ শেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮.৩২ লাখ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ০.৩৫ শতাংশ বেশি। ডলারে হিসাব করলে বাজার মূলধন প্রায় ৫৫.৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংকিং খাত লেনদেন ও ভলিউমে শীর্ষে ছিল। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেন ৯০০ কোটি টাকার বেশি, যা মোট লেনদেনের প্রায় ১৯ শতাংশ। ব্যাংকের পাশাপাশি ফার্মাসিউটিক্যালস ও কেমিক্যালস, টেক্সটাইল, ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড এবং জেনারেল ইন্স্যুরেন্স খাতেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন লক্ষ্য করা গেছে।

সপ্তাহের শীর্ষ লেনদেন হওয়া শেয়ারগুলোর মধ্যে ছিল ওরিয়ন ইনফিউশন, স্কয়ার ফার্মা, সিটি ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক ও ফাইন ফুডস। ব্লক মার্কেটেও বড় বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা চোখে পড়েছে, বিশেষ করে স্কয়ার ফার্মা, ফাইন ফুডস ও গ্রামীণফোনে।

মূল্য বৃদ্ধির দিক থেকে সপ্তাহের সেরা পারফর্মার ছিল টাল্লু স্পিনিং, জিকিউ বল পেন, পাবালি ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক। বিপরীতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও জেড ক্যাটাগরির একাধিক শেয়ারে বড় দরপতন দেখা গেছে, যেখানে কিছু শেয়ারের মূল্য ২০ শতাংশের বেশি কমেছে।

সপ্তাহ শেষে বাজারের সামগ্রিক প্রাইস টু আর্নিং (P/E) অনুপাত দাঁড়িয়েছে ৮.৮২, যা ঐতিহাসিক গড়ের তুলনায় এখনো তুলনামূলকভাবে কম। বিশ্লেষকদের মতে, এই মূল্যায়ন দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যদিও খাত ও কোম্পানি নির্বাচনে সতর্কতা জরুরি।

-রফিক


৮ জানুয়ারি ডিএসই মেইন বোর্ডের লেনদেন চিত্র

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১৫:১৬:০৩
৮ জানুয়ারি ডিএসই মেইন বোর্ডের লেনদেন চিত্র
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মেইন বোর্ডে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের পরিসংখ্যানে উল্লেখযোগ্য সক্রিয়তা লক্ষ্য করা গেছে। দিনের লেনদেন শেষে প্রকাশিত তথ্যমতে, মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ৯২১টি ট্রেডের মাধ্যমে হাতবদল হয়েছে প্রায় ১৩ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার, যার বিপরীতে মোট লেনদেন মূল্য বা টার্নওভার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪২৯ কোটি ১১ লাখ টাকা। এই চিত্র বাজারে তারল্যের উপস্থিতি নির্দেশ করলেও সামগ্রিক দিকনির্দেশনায় এখনো অনিশ্চয়তা স্পষ্ট।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এক দিনে এত সংখ্যক ট্রেড সম্পন্ন হওয়া বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। তবে একই সঙ্গে তারা উল্লেখ করছেন যে, লেনদেনের গতি থাকা সত্ত্বেও সূচকের গতিপথ ও দরপতনকারী শেয়ারের আধিক্য বাজারে আস্থার সংকট কাটেনি বলেই ধারণা করা যায়। অর্থাৎ, বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় থাকলেও সিদ্ধান্তে এখনো সতর্কতা বজায় রাখছেন।

লেনদেনের পরিমাণ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মেইন বোর্ডে বিভিন্ন খাতের শেয়ারে কেনাবেচা হয়েছে, যা বাজারের বহুমুখী অংশগ্রহণের প্রতিফলন। তবে লেনদেনের এই পরিসংখ্যানকে পুরোপুরি ইতিবাচক হিসেবে দেখার আগে বাজারের সূচক, দরবৃদ্ধি ও দরপতনের অনুপাত এবং খাতভিত্তিক প্রবণতা বিবেচনায় নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

-রাফসান


ডিএসইর আজকের বাজার সারসংক্ষেপ কী বলছে

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১৫:১১:৫১
ডিএসইর আজকের বাজার সারসংক্ষেপ কী বলছে
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত শেয়ারবাজারে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের শেষ পর্যন্ত নেতিবাচক প্রবণতা প্রাধান্য পেয়েছে। বাজারসারাংশ অনুযায়ী, মোট লেনদেন হওয়া ৩৯১টি সিকিউরিটিজের মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ১২৬টির, বিপরীতে দর কমেছে ১৮৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮২টি শেয়ারের। এই চিত্র বাজারে বিক্রির চাপ ও বিনিয়োগকারীদের সতর্ক মনোভাবের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ক্যাটাগরি ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর মধ্যে দরবৃদ্ধি পেয়েছে ৬২টি, তবে দরপতন হয়েছে ১০২টির, যা বাজারের মূলধারার শেয়ারেও চাপের ইঙ্গিত দেয়। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে তুলনামূলক ভারসাম্যপূর্ণ চিত্র দেখা গেলেও এখানেও দরপতনকারী শেয়ারের সংখ্যা দরবৃদ্ধিকারীদের চেয়ে বেশি। ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে দরপতন ও অপরিবর্তিত শেয়ারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহ স্পষ্ট হয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও নেতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। এই খাতে লেনদেন হওয়া ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে মাত্র ৫টির দর বেড়েছে, যেখানে দর কমেছে ১০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি ফান্ড। অন্যদিকে করপোরেট বন্ড ও সরকারি সিকিউরিটিজ খাতে সীমিত লেনদেনের মধ্যে সমানসংখ্যক দরবৃদ্ধি ও দরপতনের চিত্র পাওয়া গেছে, যা এই খাতগুলোর স্থিতিশীল কিন্তু কম সক্রিয় অবস্থান নির্দেশ করে।

দিনের মোট লেনদেনে অংশ নিয়েছে এক লাখ ২৭ হাজার ৯২১টি ট্রেড, যার মাধ্যমে হাতবদল হয়েছে প্রায় ১৩ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার। লেনদেনের মোট আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪২৯ কোটি ১১ লাখ টাকায়। বিশ্লেষকদের মতে, লেনদেনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে সন্তোষজনক হলেও দরপতনকারী শেয়ারের আধিক্য বাজারে আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়।

বাজার মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, ইক্যুইটি, মিউচুয়াল ফান্ড ও ঋণপত্র মিলিয়ে মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ইক্যুইটি খাতের অংশ উল্লেখযোগ্য হলেও ঋণপত্র খাতের বাজার মূলধন তুলনামূলকভাবে বেশি, যা বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগের প্রতি আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

দিনের ব্লক ট্রানজাকশনেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। খাদ্য, ব্যাংক, বীমা ও শিল্প খাতের একাধিক শেয়ারে বড় অঙ্কের ব্লক ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে। ফাইন ফুডস, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, গ্রামীণফোন, জিকিউ বলপেন এবং ডমিনেজ স্টিলের মতো শেয়ারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ লেনদেন হয়েছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নির্বাচিত শেয়ারে আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।

-রাফসান

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত