শেয়ারবাজারে আজকের শীর্ষ লাভবান ১০ কোম্পানি

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১৪:৫৮:০৬
শেয়ারবাজারে আজকের শীর্ষ লাভবান ১০ কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বুধবার লেনদেন শেষে নির্বাচিত কিছু শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের দর তুলনায় বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংকিং ও শিল্প খাতের কয়েকটি কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রে উঠে এসেছে, যার ফলে এসব শেয়ারের দামে শক্তিশালী উত্থান ঘটে।

দিনের শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারের তালিকায় প্রথম অবস্থানে রয়েছে এনআরবিসি ব্যাংক। কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের দিনের ৫ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বেড়ে ৫ টাকা ৭০ পয়সায় দাঁড়ায়, যা শতকরা প্রায় ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। ব্যাংক খাতে বিনিয়োগকারীদের নতুন করে আগ্রহ বৃদ্ধির প্রতিফলন হিসেবে এই উত্থানকে দেখছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা আনোয়ার গ্যালভানাইজিং–এর শেয়ারদর ৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯১ টাকা ৫০ পয়সায় বন্ধ হয়। দিনভর শেয়ারটির লেনদেন পরিসরে ওঠানামা থাকলেও শেষ পর্যন্ত শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়।

তালিকার তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে এসবিএসি ব্যাংক এবং এবি ব্যাংক। এসবিএসি ব্যাংকের শেয়ার প্রায় ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং এবি ব্যাংকের শেয়ার প্রায় ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে দিন শেষ করে, যা ব্যাংকিং খাতে সাম্প্রতিক ইতিবাচক সেন্টিমেন্টের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ব্যাংক খাতের আরেকটি শেয়ার রূপালী ব্যাংক পঞ্চম স্থানে উঠে আসে। শেয়ারটির দর ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়ে ২০ টাকা ২০ পয়সায় পৌঁছায়, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি।

শিল্প খাত থেকে রাক সিরামিক এবং লাভেলো–এর শেয়ারও শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারীদের তালিকায় জায়গা করে নেয়। রাক সিরামিকের শেয়ার ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং লাভেলোর শেয়ার ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পায়, যা শিল্প খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ পুনরুজ্জীবনের ইঙ্গিত দেয়।

এদিকে, উচ্চ দামের শেয়ার হিসেবে পরিচিত জিকিউ বলপেন–এর শেয়ারদরও ৪ শতাংশ বেড়ে ৫০৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে সমতা লেদার এবং মার্কেন্টাইল ব্যাংক যথাক্রমে প্রায় ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ ও ৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে শীর্ষ দশে অবস্থান নিশ্চিত করেছে।

সার্বিকভাবে, আজকের শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারের তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংকিং খাতের শেয়ারগুলোর আধিপত্য বজায় থাকলেও শিল্প ও ভোগ্যপণ্য খাতের কিছু কোম্পানিও শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমেয়াদে ইতিবাচক সেন্টিমেন্ট অব্যাহত থাকলে এসব শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ আরও বাড়তে পারে।

-রফিক


৮ জানুয়ারি ডিএসই মেইন বোর্ডের লেনদেন চিত্র

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১৫:১৬:০৩
৮ জানুয়ারি ডিএসই মেইন বোর্ডের লেনদেন চিত্র
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মেইন বোর্ডে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের পরিসংখ্যানে উল্লেখযোগ্য সক্রিয়তা লক্ষ্য করা গেছে। দিনের লেনদেন শেষে প্রকাশিত তথ্যমতে, মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ৯২১টি ট্রেডের মাধ্যমে হাতবদল হয়েছে প্রায় ১৩ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার, যার বিপরীতে মোট লেনদেন মূল্য বা টার্নওভার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪২৯ কোটি ১১ লাখ টাকা। এই চিত্র বাজারে তারল্যের উপস্থিতি নির্দেশ করলেও সামগ্রিক দিকনির্দেশনায় এখনো অনিশ্চয়তা স্পষ্ট।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এক দিনে এত সংখ্যক ট্রেড সম্পন্ন হওয়া বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। তবে একই সঙ্গে তারা উল্লেখ করছেন যে, লেনদেনের গতি থাকা সত্ত্বেও সূচকের গতিপথ ও দরপতনকারী শেয়ারের আধিক্য বাজারে আস্থার সংকট কাটেনি বলেই ধারণা করা যায়। অর্থাৎ, বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় থাকলেও সিদ্ধান্তে এখনো সতর্কতা বজায় রাখছেন।

লেনদেনের পরিমাণ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মেইন বোর্ডে বিভিন্ন খাতের শেয়ারে কেনাবেচা হয়েছে, যা বাজারের বহুমুখী অংশগ্রহণের প্রতিফলন। তবে লেনদেনের এই পরিসংখ্যানকে পুরোপুরি ইতিবাচক হিসেবে দেখার আগে বাজারের সূচক, দরবৃদ্ধি ও দরপতনের অনুপাত এবং খাতভিত্তিক প্রবণতা বিবেচনায় নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

-রাফসান


ডিএসইর আজকের বাজার সারসংক্ষেপ কী বলছে

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১৫:১১:৫১
ডিএসইর আজকের বাজার সারসংক্ষেপ কী বলছে
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত শেয়ারবাজারে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের শেষ পর্যন্ত নেতিবাচক প্রবণতা প্রাধান্য পেয়েছে। বাজারসারাংশ অনুযায়ী, মোট লেনদেন হওয়া ৩৯১টি সিকিউরিটিজের মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ১২৬টির, বিপরীতে দর কমেছে ১৮৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮২টি শেয়ারের। এই চিত্র বাজারে বিক্রির চাপ ও বিনিয়োগকারীদের সতর্ক মনোভাবের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ক্যাটাগরি ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর মধ্যে দরবৃদ্ধি পেয়েছে ৬২টি, তবে দরপতন হয়েছে ১০২টির, যা বাজারের মূলধারার শেয়ারেও চাপের ইঙ্গিত দেয়। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে তুলনামূলক ভারসাম্যপূর্ণ চিত্র দেখা গেলেও এখানেও দরপতনকারী শেয়ারের সংখ্যা দরবৃদ্ধিকারীদের চেয়ে বেশি। ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে দরপতন ও অপরিবর্তিত শেয়ারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহ স্পষ্ট হয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও নেতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। এই খাতে লেনদেন হওয়া ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে মাত্র ৫টির দর বেড়েছে, যেখানে দর কমেছে ১০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি ফান্ড। অন্যদিকে করপোরেট বন্ড ও সরকারি সিকিউরিটিজ খাতে সীমিত লেনদেনের মধ্যে সমানসংখ্যক দরবৃদ্ধি ও দরপতনের চিত্র পাওয়া গেছে, যা এই খাতগুলোর স্থিতিশীল কিন্তু কম সক্রিয় অবস্থান নির্দেশ করে।

দিনের মোট লেনদেনে অংশ নিয়েছে এক লাখ ২৭ হাজার ৯২১টি ট্রেড, যার মাধ্যমে হাতবদল হয়েছে প্রায় ১৩ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার। লেনদেনের মোট আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪২৯ কোটি ১১ লাখ টাকায়। বিশ্লেষকদের মতে, লেনদেনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে সন্তোষজনক হলেও দরপতনকারী শেয়ারের আধিক্য বাজারে আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়।

বাজার মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, ইক্যুইটি, মিউচুয়াল ফান্ড ও ঋণপত্র মিলিয়ে মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ইক্যুইটি খাতের অংশ উল্লেখযোগ্য হলেও ঋণপত্র খাতের বাজার মূলধন তুলনামূলকভাবে বেশি, যা বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগের প্রতি আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

দিনের ব্লক ট্রানজাকশনেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। খাদ্য, ব্যাংক, বীমা ও শিল্প খাতের একাধিক শেয়ারে বড় অঙ্কের ব্লক ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে। ফাইন ফুডস, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, গ্রামীণফোন, জিকিউ বলপেন এবং ডমিনেজ স্টিলের মতো শেয়ারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ লেনদেন হয়েছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নির্বাচিত শেয়ারে আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।

-রাফসান


ডিএসইতে দরপতনে শীর্ষে আর্থিক খাতের শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১৫:০৮:৫১
ডিএসইতে দরপতনে শীর্ষে আর্থিক খাতের শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের মধ্যভাগে শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ক্লোজ প্রাইস ও আগের দিনের ক্লোজ মূল্য বিবেচনায় প্রকাশিত শীর্ষ দরপতনকারী শেয়ারের তালিকায় দেখা গেছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও স্বল্পমূল্যের শেয়ারগুলোতেই সবচেয়ে বেশি বিক্রির চাপ পড়েছে, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দরপতনের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে PLFSL। কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১০ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪২ পয়সায়। দিনের লেনদেনে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দাম ছিল ৪৬ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ৪২ পয়সা, যা শক্তিশালী বিক্রির চাপের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এর পরের অবস্থানগুলোতে রয়েছে FASFIN, PREMIERLEA, FAREASTFIN এবং ILFSL। এসব কোম্পানির শেয়ারের দর ৯ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে কমেছে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক খাতের মৌলিক দুর্বলতা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতি এই পতনের প্রধান কারণ।

তালিকার মাঝামাঝি অবস্থানে থাকা FIRSTFIN ও PRIMEFIN–এর শেয়ারদর প্রায় ৯ শতাংশের বেশি কমেছে। একই সঙ্গে FAMILYTEX–এর শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য দরপতন দেখা গেছে, যা টেক্সটাইল খাতেও স্বল্পমেয়াদি চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দরপতনকারী তালিকার শেষ দিকে রয়েছে BIFC এবং GSPFINANCE। এই দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর প্রায় ৭ শতাংশের বেশি কমেছে, যা আর্থিক খাতে সামগ্রিক নেতিবাচক সেন্টিমেন্টের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

-রাফসান


আজকের শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারগুলোর চিত্র

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১৫:০৪:২৮
আজকের শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারগুলোর চিত্র
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের মধ্যভাগে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। ক্লোজ প্রাইস ও আগের দিনের ক্লোজ মূল্য বিবেচনায় প্রকাশিত শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারের তালিকায় খাদ্য, শিল্প এবং মিউচুয়াল ফান্ড খাতের একাধিক কোম্পানি জায়গা করে নিয়েছে, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এই সময়ের দরবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছে ফাইন ফুডস, যার শেয়ারদর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০১ টাকা ৯০ পয়সায়। আগের দিনের তুলনায় শেয়ারটির দাম বেড়েছে প্রায় ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ। দিনের লেনদেনে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দাম ছিল ৪০৪ টাকা ৫০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ৩৮০ টাকা, যা সক্রিয় ক্রয়চাপের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সোনারগাঁও কোম্পানির শেয়ারদর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৩০ পয়সায়, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৫ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি। একইভাবে কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স (CLICL)–এর শেয়ারদরও ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে ৫৯ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছেছে, যা বীমা খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তালিকার পরবর্তী অবস্থানগুলোতে রয়েছে ওয়াটার কেমিক্যাল, কুয়াসেম ইন্ডাস্ট্রিজ, জিকিউ বলপেন এবং মনো ফেব্রিকস। এসব শেয়ারের দর ৩ থেকে সাড়ে ৪ শতাংশের মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে জিকিউ বলপেনের মতো উচ্চমূল্যের শেয়ারের তালিকায় উপস্থিতি বাজারে শক্তিশালী ক্রয়চাপের বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এছাড়া আইএসএন লিমিটেড–এর শেয়ারদর প্রায় ৩ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ৭৭ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। তালিকার শেষ দিকে থাকা দুটি মিউচুয়াল ফান্ড এক্সিম ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ও ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড প্রায় ৩ শতাংশের বেশি দরবৃদ্ধি দেখিয়েছে, যা মিউচুয়াল ফান্ড খাতে স্বল্পমেয়াদি আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

-রাফসান


বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্ক সংকেত: মিউচুয়াল ফান্ড বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১৩:০৮:৩০
বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্ক সংকেত: মিউচুয়াল ফান্ড বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত একাধিক মিউচুয়াল ফান্ড ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তাদের দৈনিক নিট সম্পদ মূল্য (Net Asset Value–NAV) প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত এই তথ্য বিশ্লেষণ করলে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, দেশের মিউচুয়াল ফান্ড খাত এখনো দীর্ঘদিনের বাজার মন্দা, আস্থাহীনতা এবং তারল্য সংকটের চাপ থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে পারেনি। অধিকাংশ ফান্ডের বাজারদরভিত্তিক NAV এখনো ফেস ভ্যালু ১০ টাকার নিচে অবস্থান করছে, যা বিনিয়োগকারীদের মনস্তত্ত্ব ও বাজারের সামগ্রিক দুর্বলতার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

CAPITECGBF, GLDNJMF, NCCBLMF1, ICBAGRANI1, LRGLOBMF1, MBL1STMF, ICBSONALI1, AIBL1STIMF, GREENDELMF, TRUSTB1MF, POPULAR1MF, PHPMF, FBFIF, EBL1STMF, 1JANATAMFসহ অধিকাংশ মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারদরভিত্তিক NAV ৬ থেকে ৯ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। অথচ একই ফান্ডগুলোর কস্ট প্রাইস ভিত্তিক NAV প্রায় সব ক্ষেত্রেই ফেস ভ্যালুর ওপরে অবস্থান করছে। এই ব্যবধান স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, ফান্ডগুলোর অন্তর্নিহিত সম্পদমূল্য বাজারে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না।

বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, অনেক বড় আকারের মিউচুয়াল ফান্ডেও এই দুর্বলতা বিদ্যমান। উদাহরণ হিসেবে TRUSTB1MF, POPULAR1MF, PHPMF, FBFIF এবং 1JANATAMF–এর মতো ফান্ডগুলোর মোট নিট সম্পদের পরিমাণ হাজার কোটি টাকার ঘরে থাকলেও বাজারদরের NAV তুলনামূলকভাবে অত্যন্ত নিচে অবস্থান করছে। এতে বোঝা যায়, শুধুমাত্র তহবিলের আকার বড় হওয়াই বাজারে আস্থা ফেরানোর জন্য যথেষ্ট নয়; বরং বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকটই এখানে প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে।

অন্যদিকে, সামগ্রিক দুর্বলতার মধ্যেও কিছু ব্যতিক্রমী চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। RELIANCE1 এবং GRAMEENS2 মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারদরভিত্তিক NAV তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে GRAMEENS2–এর বাজারদরের NAV ফেস ভ্যালুর ওপরে অবস্থান করছে, যা বর্তমান বাজার বাস্তবতায় একটি বিরল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই ফান্ডগুলোর পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা, সম্পদ নির্বাচন এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা তুলনামূলকভাবে ভালো হওয়ায় তারা এই চাপের মধ্যেও ইতিবাচক অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে।

পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাজারদরভিত্তিক NAV এবং কস্ট প্রাইস ভিত্তিক NAV–এর মধ্যে এই বড় ব্যবধান মূলত শেয়ারবাজারের দীর্ঘস্থায়ী মন্দাভাব, বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি মনোভাব এবং ইউনিটের প্রতি চাহিদার ঘাটতির ফল। তাদের মতে, এটি মৌলিকভাবে সব ফান্ডের দুর্বলতা নির্দেশ করে না; বরং বাজারচক্র ও মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব এখানে বড় ভূমিকা রাখছে।

-রফিক


রেকর্ড ডেটের আগে ও দিনে বন্ধ যে বন্ড

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১৩:০০:০৭
রেকর্ড ডেটের আগে ও দিনে বন্ধ যে বন্ড
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি একটি ট্রেজারি বন্ডে রেকর্ড ডেট উপলক্ষে সাময়িকভাবে লেনদেন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রকাশিত তথ্যমতে, ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড ১৩/০৭/২০২৭, যার ট্রেডিং কোড TB5Y0727, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্দিষ্ট দুই দিন লেনদেনের বাইরে থাকবে।

ঘোষণা অনুযায়ী, রেকর্ড ডেটের আগের দিন ১১ জানুয়ারি ২০২৬ এবং রেকর্ড ডেটের দিন ১২ জানুয়ারি ২০২৬—এই দুই দিনে উক্ত সরকারি বন্ডে কোনো ধরনের লেনদেন কার্যক্রম পরিচালিত হবে না। রেকর্ড ডেট সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে বন্ডটির লেনদেন পুনরায় স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে।

পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি ট্রেজারি বন্ডের ক্ষেত্রে এ ধরনের সাময়িক স্থগিতাদেশ একটি নিয়মিত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ। রেকর্ড ডেট মূলত কুপন বা সুদ প্রাপ্য বিনিয়োগকারীদের তালিকা নির্ধারণের জন্য নির্ধারিত হয়। এই সময়কালে লেনদেন বন্ধ রাখার উদ্দেশ্য হলো, বিনিয়োগকারীদের অধিকার সুরক্ষা এবং হিসাব সংক্রান্ত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

-রফিক


রেকর্ড ডেট শেষে ফের লেনদেনে ফিরছে দুই সরকারি বন্ড

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১২:৫৬:০৫
রেকর্ড ডেট শেষে ফের লেনদেনে ফিরছে দুই সরকারি বন্ড
ছবি: সংগৃহীত

রেকর্ড ডেট সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকারের দুটি ট্রেজারি বন্ডে পুনরায় লেনদেন শুরু হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রকাশিত তথ্যমতে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ১১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এই বন্ডগুলোতে আবারও নিয়মিত লেনদেন চালু হবে।

পুনরায় লেনদেনে ফিরছে ০২ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড ০৯/০৭/২০২৭, যার ট্রেডিং কোড TB2Y0727। একই তারিখে বাজারে লেনদেন শুরু হবে ০৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড ১১/০১/২০২৮, যার ট্রেডিং কোড TB5Y0128।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, রেকর্ড ডেট শেষে সরকারি বন্ডে লেনদেন পুনরারম্ভ একটি নিয়মিত ও প্রত্যাশিত প্রক্রিয়া। রেকর্ড ডেট মূলত সুদ বা কুপন প্রাপ্য বিনিয়োগকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করার জন্য নির্ধারিত হয়। এই সময়কালে সাময়িকভাবে লেনদেন বন্ধ থাকলেও পরবর্তীতে বন্ডগুলো আবারও বাজারে সক্রিয় হয়ে ওঠে।

-রফিক


সমতা লেদারের বার্ষিক নিরীক্ষায় উদ্বেগের বিষয়গুলো

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১২:৪৮:৩৭
সমতা লেদারের বার্ষিক নিরীক্ষায় উদ্বেগের বিষয়গুলো
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সমতা লেদার (SAMATALETH)–এর সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন নিরীক্ষক। ৩০ জুন ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য প্রকাশিত অডিট রিপোর্টে Qualified Opinion, Emphasis of Matter এবং Other Matter শীর্ষক আলাদা অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।

নিরীক্ষকের দেওয়া Qualified Opinion সাধারণত নির্দেশ করে যে, আর্থিক বিবরণীর কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নিরীক্ষক পর্যাপ্ত ও উপযুক্ত প্রমাণ পাননি অথবা কিছু সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান। যদিও সামগ্রিকভাবে হিসাব বাতিল করা হয়নি, তবুও এই মতামত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনসংক্রান্ত কিছু দুর্বলতা বা অনিশ্চয়তার দিকে ইঙ্গিত দেয়।

অডিট রিপোর্টে থাকা Emphasis of Matter অনুচ্ছেদে এমন কিছু বিষয়ের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে, যেগুলো আর্থিক বিবরণীতে উল্লেখ থাকলেও বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে আলাদাভাবে বিবেচনা প্রয়োজন। এসব বিষয় সাধারণত চলমান ঝুঁকি, গুরুত্বপূর্ণ হিসাব নীতি বা ভবিষ্যৎ আর্থিক অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

এছাড়া Other Matter অনুচ্ছেদে নিরীক্ষা প্রক্রিয়া বা রিপোর্ট বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক কিছু প্রসঙ্গ যুক্ত করা হয়েছে, যা সরাসরি অংকের সঙ্গে সম্পর্কিত না হলেও কর্পোরেট গভর্ন্যান্স ও রিপোর্টিং কাঠামোর প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, একাধিক পর্যবেক্ষণসহ অডিট মতামত পাওয়া মানে সমতা লেদার–এ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন জরুরি। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য কোম্পানির ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং ভবিষ্যৎ নগদ প্রবাহ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, নিরীক্ষকের পূর্ণাঙ্গ মতামত ও বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নথিতে পাওয়া যাবে।

-রফিক


৭ জানুয়ারি ডিএসইর পূর্ণাঙ্গ বাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১৫:০৪:১৬
৭ জানুয়ারি ডিএসইর পূর্ণাঙ্গ বাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বুধবারের লেনদেন শেষ হয়েছে মিশ্র প্রবণতার মধ্য দিয়ে। মোট ৩৮৮টি শেয়ার ও সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়, যার মধ্যে ১৯৩টির দর বেড়েছে, ১৩১টির দর কমেছে এবং ৬৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একইসঙ্গে আশাবাদ ও সতর্কতার মনোভাব কাজ করেছে।

ক্যাটাগরি ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ২০৫টি শেয়ারের মধ্যে ১০৬টির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, বিপরীতে ৬৫টির দর কমেছে। এটি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ও শক্তিশালী কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার ইঙ্গিত দেয়। বি ক্যাটাগরিতে ৮০টি শেয়ারের মধ্যে ৪১টি বেড়েছে এবং ২৬টি কমেছে, যা মাঝারি মানের কোম্পানিগুলোতেও আগ্রহ অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত বহন করে।

অন্যদিকে, জেড ক্যাটাগরিতে ১০৩টি শেয়ার লেনদেন হলেও সেখানে উত্থান ও পতনের সংখ্যা প্রায় কাছাকাছি ছিল। ৪৬টি শেয়ারের দর বাড়লেও ৪০টির দর কমেছে, যা আর্থিকভাবে দুর্বল বা অনিয়মিত কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের দ্বিধাগ্রস্ত মনোভাবকে তুলে ধরে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে আজ কিছুটা চাপ লক্ষ্য করা গেছে। মোট ৩৪টি ফান্ড লেনদেনে অংশ নিলেও এর মধ্যে মাত্র ৫টির দর বেড়েছে, বিপরীতে ৯টির দর কমেছে এবং ২০টি অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমেয়াদি মুনাফা নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং ইউনিট দামের স্থবিরতা এ খাতে প্রভাব ফেলেছে।

লেনদেন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আজ মোট ১ লাখ ৩৫ হাজারের বেশি ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে। মোট শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ কোটি ৭০ লাখ, আর আর্থিক মূল্যে লেনদেন হয়েছে প্রায় ৪৬৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এই পরিসংখ্যান সাম্প্রতিক দিনের তুলনায় বাজারে সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।

বাজার মূলধনের দিক থেকে ডিএসইতে সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। ইকুইটি সেগমেন্টে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩২ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ডে প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা, এবং ডেট সিকিউরিটিজে প্রায় ৩৫ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা। সব মিলিয়ে মোট বাজার মূলধন অতিক্রম করেছে ৬৮ লাখ কোটি টাকা, যা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য আস্থার জায়গা তৈরি করে।

আজকের ব্লক মার্কেট লেনদেনে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি শেয়ারে বড় অঙ্কের লেনদেন হয়েছে। বিশেষ করে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ওরিয়ন ইনফিউশন, গ্রামীণফোন এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংকের শেয়ার ব্লক ট্রানজ্যাকশনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। মোট ২৪টি সিকিউরিটিজে ৬৯টি ব্লক ট্রেড সম্পন্ন হয়ে প্রায় ২৫৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, আজকের ডিএসই বাজারচিত্রে স্পষ্ট হয় যে বাজারে গতি থাকলেও বিনিয়োগকারীরা এখনো পুরোপুরি ঝুঁকি নিতে আগ্রহী নন। শক্তিশালী কোম্পানি ও ব্লক মার্কেটের শেয়ারে আগ্রহ বাড়লেও দুর্বল খাতগুলোতে সতর্কতা বজায় রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আগামী দিনগুলোতে নীতিগত স্থিতিশীলতা ও কর্পোরেট পারফরম্যান্স বাজারের দিকনির্দেশনা নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রাখবে।

-রফিক

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত