আখেরি যামানার ভয়াবহ বার্তা: দাব্বাতুল আরদের আগমন

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১৮:৫৯:৫৮
আখেরি যামানার ভয়াবহ বার্তা: দাব্বাতুল আরদের আগমন
ছবি: সংগৃহীত

কিয়ামতের সময় যত ঘনিয়ে আসবে, ততই একের পর এক ভয়াবহ আলামত মানবজাতির সামনে প্রকাশ পেতে থাকবে। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, এসব আলামতের মধ্যে কিছু হবে ছোট পরিসরের এবং কিছু হবে বৃহৎ ও চূড়ান্ত পর্যায়ের। শেষ যুগের বড় আলামতগুলোর অন্যতম হলো দাব্বাতুল আরদ নামক এক অদ্ভুত প্রাণীর আবির্ভাব, যা মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবে এবং মুমিন ও কাফেরকে আলাদা করে চিহ্নিত করবে।

ইসলামি আকিদা অনুযায়ী, দাব্বাতুল আরদের আবির্ভাব ঘটবে এমন এক সময়ে, যখন তাওবার দরজা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। পশ্চিম আকাশে সূর্যোদয়ের ঘটনার পর মানুষ আর ঈমান গ্রহণ বা তাওবা করার সুযোগ পাবে না। এই বাস্তবতাকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণ করার জন্যই আল্লাহ তায়ালা পৃথিবী থেকে এই প্রাণীকে বের করবেন বলে সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।

পবিত্র কুরআনে দাব্বাতুল আরদের বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে। সূরা নামলের ৮২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেন, যখন কিয়ামতের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সময় আসবে, তখন ভূমি থেকে এমন এক প্রাণী বের করা হবে, যে মানুষের সঙ্গে কথা বলবে এবং তাদের জানিয়ে দেবে যে তারা আল্লাহর নিদর্শনে দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করেনি। আলেমদের মতে, এই আয়াত ভবিষ্যতে সংঘটিত একটি বাস্তব ঘটনাকেই নির্দেশ করে।

বিশিষ্ট মুফাসসির ইবনে কাছীর (রহ.) তাঁর তাফসিরে উল্লেখ করেন, শেষ যুগে মানুষ যখন প্রকাশ্যে পাপাচারে লিপ্ত হবে, আল্লাহর আদেশ অমান্য করবে এবং দ্বীনের মৌলিক কাঠামো বিকৃত করার চেষ্টা করবে, তখন আল্লাহ তায়ালা মানবজাতির জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে এই প্রাণীকে প্রকাশ করবেন। এটি হবে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক অলৌকিক নিদর্শন।

সহীহ মুসলিমে বর্ণিত এক দীর্ঘ হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিয়ামতের দশটি বড় আলামতের কথা উল্লেখ করেন। সেখানে ধোঁয়া, দাজ্জাল, ঈসা ইবনে মারইয়ামের অবতরণ, ইয়াজুজ-মাজুজের আবির্ভাবের সঙ্গে দাব্বাতুল আরদের কথাও সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। এ থেকেই বোঝা যায়, এই প্রাণীর আবির্ভাব কিয়ামতের একেবারে শেষ পর্যায়ের ঘটনাগুলোর অন্তর্ভুক্ত।

হাদীস অনুযায়ী, দাব্বাতুল আরদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে মানুষকে চিহ্নিত করা। মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত হাদীসে বলা হয়েছে, এই প্রাণীর সঙ্গে থাকবে মূসা (আ.)-এর লাঠি এবং সুলাইমান (আ.)-এর আংটি। সে মুমিনদের চেহারা উজ্জ্বল করে দেবে এবং কাফেরদের নাকে বা কপালে বিশেষ চিহ্ন এঁকে দেবে, যাতে মানুষ পরস্পরকে দেখেই চিনে ফেলতে পারে কে মুমিন আর কে কাফের।

আরেকটি হাদীসে এসেছে, দাব্বাতুল আরদের চিহ্ন এতটাই স্পষ্ট হবে যে দৈনন্দিন লেনদেনের মধ্যেও মানুষ তা উল্লেখ করবে। এমনকি কেউ যদি জিজ্ঞেস করে, কোনো পশু বা সম্পদ কার কাছ থেকে কেনা হয়েছে, উত্তরে বলা হবে—নাকে চিহ্নধারী একজন ব্যক্তির কাছ থেকে। এতে বোঝা যায়, ওই সময় মানুষের সামাজিক জীবনেও এই আলামতের প্রভাব সুস্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হবে।

দাব্বাতুল আরদের প্রকৃতি কেমন হবে, তা নিয়ে আলেমদের মধ্যে নানা মত থাকলেও সহীহ দলিলভিত্তিক কোনো নির্দিষ্ট বর্ণনা নেই। কেউ কেউ সালেহ (আ.)-এর উটনীর বাছুরের কথা উল্লেখ করেছেন, কেউ দাজ্জালের হাদীসে বর্ণিত জাস্সাসার সঙ্গে তুলনা করেছেন। তবে অধিকাংশ মুহাদ্দিস ও মুফাসসির এসব মতকে দুর্বল বলেছেন, কারণ এগুলোর পক্ষে সহীহ সনদে প্রমাণ পাওয়া যায় না।

প্রখ্যাত মুহাদ্দিস শায়খ আহমাদ শাকের বলেন, কুরআন যেহেতু স্পষ্টভাবে একে দাব্বাতুল আরদ বলে উল্লেখ করেছে, তাই এর প্রকৃতি নিয়ে অতিরিক্ত কল্পনা বা ব্যাখ্যায় যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কুরআন ও সহীহ হাদীসে যা বলা হয়েছে, তা বিশ্বাস করাই ঈমানের দাবি।

এই প্রাণী কোথা থেকে বের হবে এ বিষয়েও বিভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়। ইবনে উমার (রা.) থেকে বর্ণিত এক বর্ণনায় বলা হয়েছে, সাফা পাহাড় ফেটে দাব্বাতুল আরদ বের হবে। অন্য কিছু বর্ণনায় বলা হয়েছে, প্রথমে এটি দূরবর্তী স্থান থেকে বের হবে, পরে কিছু সময় লুকিয়ে থাকবে এবং শেষপর্যায়ে কাবা শরিফের আশপাশ থেকে প্রকাশ পাবে। আলেমদের সমন্বিত মত হলো, এর আবির্ভাব হবে মক্কা শরিফ থেকেই।

দাব্বাতুল আরদের মূল উদ্দেশ্য হবে মানুষের সামনে চূড়ান্ত সত্য উন্মোচন করা। এটি মানুষকে জানিয়ে দেবে যে আল্লাহর নিদর্শন অস্বীকার করার সময় শেষ হয়ে গেছে। ঈমান ও কুফরের পার্থক্য তখন আর গোপন থাকবে না, বরং প্রকাশ্যভাবে দৃশ্যমান হয়ে উঠবে।

ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, দাব্বাতুল আরদ নিয়ে আলোচনার আসল শিক্ষা হলো ভয় সৃষ্টি নয়, বরং সতর্কতা। যতদিন তাওবার দরজা খোলা রয়েছে, ততদিনই মানুষের উচিত আল্লাহর দিকে ফিরে আসা, ঈমান দৃঢ় করা এবং আমলের মাধ্যমে নিজের জীবন সংশোধন করা।

কিয়ামতের বড় আলামতগুলোর আলোচনা মুসলমানদের জন্য একটি আত্মসমালোচনার সুযোগ তৈরি করে। কারণ এসব আলামত আমাদের মনে করিয়ে দেয়, এই পৃথিবী চিরস্থায়ী নয় এবং মানুষের প্রতিটি কাজের হিসাব একদিন আল্লাহর দরবারে উপস্থাপন করা হবে।

সূত্রঃ হাদিসবিডি


বুধবার ৮ এপ্রিল ২০২৬: জেনে নিন আপনার জেলার নামাজের সঠিক সময়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৮ ১০:২৪:২৩
বুধবার ৮ এপ্রিল ২০২৬: জেনে নিন আপনার জেলার নামাজের সঠিক সময়
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর নির্দেশ অনুযায়ী, ‘তোমরা ঠিক সেইভাবে নামাজ আদায় করো, যেভাবে আমাকে নামাজ আদায় করতে দেখেছ।’ (সহিহ বুখারি)। তাই সহিহ ও শুদ্ধভাবে ইবাদত সম্পন্ন করতে নামাজের সঠিক সময় জেনে নেওয়া প্রতিটি মুমিনের জন্য আবশ্যক।

আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্ধারিত সময়সূচি দেওয়া হলো

ফজর: ভোর ৪টা ২৮ মিনিট

জোহর: দুপুর ১২টা ০৫ মিনিট

আসর: বিকেল ৪টা ২৯ মিনিট

মাগরিব: সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিট

এশা: রাত ৭টা ৩৫ মিনিট

ঢাকার সময়ের সঙ্গে অন্যান্য জেলার সময় সমন্বয়

সময় বিয়োগ করতে হবে

সিলেট: ৬ মিনিট

চট্টগ্রাম: ৫ মিনিট

সময় যোগ করতে হবে

রংপুর: ৮ মিনিট

রাজশাহী: ৭ মিনিট

খুলনা: ৩ মিনিট

বরিশাল: ১ মিনিট

পবিত্র নামাজ যথাসময়ে আদায় করা ঈমানি দায়িত্ব। আল্লাহ আমাদের সবাইকে জামাতের সাথে নামাজ আদায়ের তৌফিক দান করুন।

তথ্যসূত্র : ইসলামিক ফাউন্ডেশন


নামাজের সময়সূচি প্রকাশ, সময় মেনে ইবাদত করুন

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ০৮:১৮:৫৪
নামাজের সময়সূচি প্রকাশ, সময় মেনে ইবাদত করুন
ছবি: সংগৃহীত

আজ মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬। বাংলা তারিখ অনুযায়ী ২৪ চৈত্র ১৪৩২ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ১৮ শাওয়াল ১৪৪৭। রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার মুসল্লিদের জন্য দিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্ধারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

দিনের শুরুতে ফজরের নামাজ আদায়ের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে। এটি দিনের প্রথম ইবাদত, যা সূর্যোদয়ের আগে সম্পন্ন করা হয় এবং ইসলামে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

মধ্যাহ্নে জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে ১২টা ৫ মিনিটে। দুপুরের পরবর্তী সময়ে আসরের নামাজের সময় নির্ধারিত হয়েছে বিকেল ৪টা ২৯ মিনিটে, যা দিনের শেষ ভাগের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত।

সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ২১ মিনিটে। এরপর রাতের ইশার নামাজ আদায়ের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটে।

আজ ঢাকায় সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ৪৪ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ১৮ মিনিটে।


৬ এপ্রিল ২০২৬: সোমবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ১০:১৮:৪০
৬ এপ্রিল ২০২৬: সোমবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের প্রতিটি বিধান ও আমলের মাঝেই লুকিয়ে আছে গভীর যৌক্তিকতা ও সৌন্দর্য। মহান রাব্বুল আলামিন মানুষের জন্য এমন কোনো আমল নির্ধারণ করেননি, যা পালন করা অসম্ভব বা অত্যন্ত কষ্টকর। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ ও রোজা ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্যই ফরজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নতের পাশাপাশি ইসলামে কিছু নফল নামাজের বিধানও রয়েছে, যা মুমিনের আত্মিক প্রশান্তি বাড়ায়। তবে জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজটুকু আদায় করে নেওয়া প্রত্যেক মুসলমানের নৈতিক দায়িত্ব।

আজ সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বাংলা এবং ১৭ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি। রাজধানী ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি দেওয়া হলো

আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)

আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২:০৬ মিনিটে।

আসরের নামাজ শুরু হবে বিকেল ৪:৩০ মিনিটে।

মাগরিবের আজান ও নামাজের সময় সন্ধ্যা ৬:১৪ মিনিটে।

ইশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৭:৩০ মিনিটে।

আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৪:২৯ মিনিটে।

বিভাগীয় শহর অনুযায়ী সময় পরিবর্তন

ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

যারা চট্টগ্রামের বাসিন্দা, তাদের ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।

সিলেটের ক্ষেত্রে ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে, ঢাকার সময়ের সঙ্গে খুলনার বাসিন্দাদের ৩ মিনিট, রাজশাহীর বাসিন্দাদের ৭ মিনিট, রংপুরের বাসিন্দাদের ৮ মিনিট এবং বরিশালের বাসিন্দাদের ১ মিনিট যোগ করে নিজ নিজ এলাকার সঠিক সময় জেনে নিতে হবে।

/আশিক


আজকের নামাজের সময়, মুসল্লিদের জন্য জরুরি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ০৮:৪৭:৫০
আজকের নামাজের সময়, মুসল্লিদের জন্য জরুরি
ছবি: সংগৃহীত

রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, যা বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ২২ চৈত্র ১৪৩২ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ১৬ শাওয়াল ১৪৪৭ এই দিনে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার মুসল্লিদের জন্য নির্ধারিত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

ধর্মীয় অনুশীলনের সুবিধার্থে নির্ভুল সময় জেনে নামাজ আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিবেচনায় দিনের বিভিন্ন ওয়াক্তের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে নির্দিষ্ট সূর্যগত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে।

আজকের সময়সূচি অনুযায়ী, জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১২টা ০২ মিনিটে। বিকেলের আসরের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে। সূর্যাস্তের পরপরই মাগরিবের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যা ৬টা ১৭ মিনিটে এবং রাতের শেষ ফরজ নামাজ এশা শুরু হবে রাত ৭টা ৩২ মিনিটে।

এছাড়া আগামী সোমবারের (৬ এপ্রিল) ফজরের নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৪টা ২৯ মিনিটে, যা আগাম প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


জেনে নিন আজকের নামাজের সঠিক সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৪ ০৯:৪৬:২৯
জেনে নিন আজকের নামাজের সঠিক সময়সূচি

ইসলামের প্রতিটি বিধানের মাঝেই আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও শৃঙ্খলা নিহিত রয়েছে। দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝেও সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। আজ শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি (১৫ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি) তারিখের জন্য ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি হলো

আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)

জোহর: ১২:০৬ মিনিট

আসর: ৪:২৯ মিনিট

মাগরিব: ৬:১৯ মিনিট

এশা: ৭:৩৪ মিনিট

ফজর (আগামীকাল ৫ এপ্রিল): ৪:৩০ মিনিট

বিভাগীয় শহর অনুযায়ী সময়ের পার্থক্য

সময় বিয়োগ করতে হবে

চট্টগ্রাম: -০৫ মিনিট

সিলেট: -০৬ মিনিট

সময় যোগ করতে হবে

খুলনা: +০৩ মিনিট

রাজশাহী: +০৭ মিনিট

রংপুর: +০৮ মিনিট

বরিশাল: +০১ মিনিট

/আশিক


৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৩ ০৯:১৪:৩৮
৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি
ছবি: সংগৃহীত

আজ শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী ২০ চৈত্র ১৪৩২ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ১৪ শাওয়াল ১৪৪৭। এই দিনে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় নামাজের সময়সূচি মুসল্লিদের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, বিশেষ করে জুমার দিনের কারণে।

আজ জুমার নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৬ মিনিটে। জুমার দিন হওয়ায় মুসল্লিদের জন্য এটি সপ্তাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জামাত, যেখানে মসজিদগুলোতে ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

এরপর বিকাল ৪টা ২৯ মিনিটে শুরু হবে আসরের নামাজের সময়। দিনের শেষভাগে এই নামাজ আদায় করা হয়, যা ইসলামের দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সন্ধ্যা ৬টা ১৯ মিনিটে মাগরিবের সময় শুরু হবে, যা সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গেই আদায় করতে হয়। একই সময়ে আজ ঢাকায় সূর্যাস্তও সংঘটিত হবে, যা নামাজের সময় নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সূচক।

এরপর রাত ৭টা ৩৪ মিনিটে এশার নামাজের সময় শুরু হবে। দিনের শেষ ওয়াক্ত নামাজ হিসেবে এটি মুসলমানদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

আগামী দিনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জানা গেছে, শনিবার ভোরে ফজরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ৩৪ মিনিটে। ফজরের সময়সূচি নির্ধারণে ভোরের প্রথম আলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়।

এছাড়া আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ৫৪ মিনিটে, যা দিনের সূচনা নির্দেশ করে এবং নামাজের সময়সূচির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নামাজ আদায় করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই প্রতিদিনের সঠিক সময়সূচি জানা এবং তা অনুসরণ করা মুসল্লিদের জন্য অপরিহার্য।

-সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।


মুমিনের সেরা হাতিয়ার! এই এক শব্দেই ভেঙে পড়ে শয়তানের সব ষড়যন্ত্র

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১২:১৮:১০
মুমিনের সেরা হাতিয়ার! এই এক শব্দেই ভেঙে পড়ে শয়তানের সব ষড়যন্ত্র
ছবি : সংগৃহীত

‘আল্লাহু আকবার’—অত্যন্ত বরকতপূর্ণ ও শক্তিশালী এই ধ্বনি মুমিনের হৃদয়ে ঈমানি শক্তির সঞ্চার করে। মহান আল্লাহর বড়ত্ব ও মহিমা ঘোষণার এই অমিয় বাণী কেবল একটি বাক্য নয়, বরং আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভের অন্যতম মাধ্যম। পবিত্র কোরআনের সুরা বনি ইসরাঈলের ১১১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে তাঁর বড়ত্ব ঘোষণা করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই ‘তাকবির’ মুমিনের অন্তরে তাকওয়া, সাহস ও প্রশান্তি জাগ্রত করে এবং যাবতীয় ভয় ও হতাশা দূর করে দেয়।

‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনির একটি বিশেষ প্রভাব হলো এটি শয়তানকে অত্যন্ত দুর্বল ও অসহায় করে তোলে। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, যখন মুয়াজ্জিন আজান দিতে শুরু করেন, তখন শয়তান সেই পবিত্র ধ্বনি সহ্য করতে না পেরে দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পালিয়ে যায়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত বুখারি শরিফের একটি হাদিসে বলা হয়েছে, আজানের শব্দ যাতে কানে না যায়, সেজন্য শয়তান বায়ু ত্যাগ করতে করতে বহুদূরে পালিয়ে যায়। আজান শেষ হলে সে আবার ফিরে আসে, কিন্তু ইকামতের সময় আবারও দূরে সরে যায়। মানুষের ইবাদতে বিঘ্ন ঘটানো এবং কুমন্ত্রণা দেওয়াই যার কাজ, আল্লাহর এই মহিমান্বিত ধ্বনির সামনে সে চূড়ান্ত লাঞ্ছনা ও পরাজয় বরণ করে।

আজানের এই ধ্বনি কেবল শয়তানকেই বিতাড়িত করে না, বরং পুরো পরিবেশকে পবিত্র করে এবং গাফেল হৃদয়কে আল্লাহর স্মরণে জাগিয়ে তোলে। যে সমাজে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত আজান ধ্বনিত হয়, সেখানে শয়তানের কুপ্রভাব তুলনামূলক অনেক কম থাকে। ‘আল্লাহু আকবার’ মুমিনকে মনে করিয়ে দেয় যে, এই মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও মহিমান্বিত সত্তা একমাত্র আল্লাহ। ফলে মানুষের অন্তর আল্লাহমুখী হয় এবং শয়তানের সব ষড়যন্ত্র ও কুমন্ত্রণা বালুর বাঁধের মতো ভেঙে পড়ে। এটি যেন মুমিনের জীবনের এমন এক আধ্যাত্মিক বর্ম, যার সামনে অন্ধকার ও অশুভ শক্তি সর্বদা পরাজিত।

/আশিক


আজকের নামাজের সময়সূচি: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আপডেট

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ০৯:২৩:৪৬
আজকের নামাজের সময়সূচি: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আপডেট

ইসলামের প্রতিটি বিধান ও আমলের মাঝেই লুকিয়ে আছে গভীর যৌক্তিকতা এবং অনন্য সৌন্দর্য। মহান আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের জন্য এমন কোনো আমল দেননি যা পালন করা অসম্ভব বা অত্যন্ত কষ্টকর। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ ও রোজা ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্যই ফরজ ইবাদত। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নত নামাজের বাইরেও নফল ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ রয়েছে। তবে জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজটুকু আদায় করে নেওয়া প্রত্যেক মুমিনের একান্ত কর্তব্য।

আজ বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বাংলা, ১৩ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি হলো

আজকের নামাজের সময়সূচি

জোহর: ১২.০৬ মিনিট

আসর: ৪.২৯ মিনিট

মাগরিব: ৬.১৭ মিনিট

এশা: ৭.৩২ মিনিট

ফজর (৩ এপ্রিল): ৪.৩৫ মিনিট

ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। নিচের জেলাগুলোর সময়ের সাথে ঢাকার সময় যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিন

বিয়োগ করতে হবে

চট্টগ্রাম ৫ মিনিট এবং সিলেট ৬ মিনিট।

যোগ করতে হবে

খুলনা ৩ মিনিট, রাজশাহী ৭ মিনিট, রংপুর ৮ মিনিট এবং বরিশাল ১ মিনিট।

/আশিক


স্পেনে মুসলিম বিরোধী স্লোগান! সমর্থকদের কড়া জবাব দিলেন ১৮ বছরের ইয়ামাল

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০১ ২২:০৪:৫০
স্পেনে মুসলিম বিরোধী স্লোগান! সমর্থকদের কড়া জবাব দিলেন ১৮ বছরের ইয়ামাল
ছবি : সংগৃহীত

বার্সেলোনার আরসিডিই স্টেডিয়ামে স্পেন ও মিসরের মধ্যকার প্রীতি ম্যাচে স্প্যানিশ সমর্থকদের ইসলামবিদ্বেষী স্লোগান ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। মঙ্গলবার রাতের এই গোলশূন্য ড্র হওয়া ম্যাচে গ্যালারি থেকে একাধিকবার মুসলিম বিরোধী শোরগোল তোলা হয়।

বিশেষ করে প্রথমার্ধে ‘যে লাফাবে না, সে মুসলিম’—এমন আপত্তিকর স্লোগান দিতে শোনা যায় উগ্র সমর্থকদের। স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ জায়ান্ট স্ক্রিনে সতর্কবার্তা দিয়ে এবং দ্য রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কঠোর নিন্দা জানিয়েও দর্শকদের দমাতে পারেনি।

এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে এবার মুখ খুলেছেন স্পেনের ১৮ বছর বয়সী মুসলিম তারকা ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। বার্সেলোনার এই তরুণ প্রতিভা ইনস্টাগ্রামে এক বার্তায় সমর্থকদের নিজের ধর্মের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

ইয়ামাল লিখেছেন, যদিও এই স্লোগানগুলো প্রতিপক্ষ মিসরকে উদ্দেশ্য করে বলা হচ্ছিল, তবুও একজন মুসলিম হিসেবে এটি তাঁর কাছে অত্যন্ত অসম্মানজনক এবং একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যারা ধর্মকে উপহাস করে তারা আসলে নিজেদের অজ্ঞতা ও বর্ণবাদী মানসিকতাই প্রকাশ করে। ফুটবলকে ঐক্যের প্রতীক উল্লেখ করে তিনি এই ধরনের ঘৃণা ছড়ানো থেকে সমর্থকদের বিরত থাকার অনুরোধ জানান।

ম্যাচটিতে ৮৪ মিনিটে মিসরের হামদি ফাতহি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেও ১০ জনের দলের বিপক্ষে গোল করতে ব্যর্থ হয় লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। তবে মাঠের ফলের চেয়ে গ্যালারির এই বিদ্বেষী আচরণই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই ইসলামবিদ্বেষী স্লোগান নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। লামিনে ইয়ামাল তাঁর বার্তার শেষাংশে সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছেন, ‘বিশ্বকাপে দেখা হবে।’

/আশিক

পাঠকের মতামত: