সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় বাধা নিয়ে ইসির শঙ্কা প্রকাশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১৭:০৪:১০
সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় বাধা নিয়ে ইসির শঙ্কা প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৫ শতাংশ অস্ত্র এবং ৩০ শতাংশ গুলি এখনো নিখোঁজ রয়েছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এসব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা না গেলে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেলের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন।

নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ জানান, নির্বাচনের সময় দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ব্যবহার করে যাতে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী অস্ত্রের ঝনঝনানি সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো সম্পূর্ণ ‘সিল’ করে দেওয়া হবে। একই সাথে সীমান্ত এলাকাগুলোতেও কড়া নজরদারি ও সিল করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে দেশজুড়ে চেকপোস্টের সংখ্যা বাড়ানো হবে এবং সাড়াঁশি অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সভায় নির্বাচন কমিশনার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে একটি বিশেষ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, “এক এলাকার সন্ত্রাসীরা যাতে অন্য এলাকায় গিয়ে নিরাপদ আশ্রয় নিতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে।” সন্ত্রাসীদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে কোনো ধরনের অবৈধ অস্ত্রের উপস্থিতি বরদাশত করা হবে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রশাসনকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়।


তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কবলে ৩ বিভাগ, তাপমাত্রা নামতে পারে ৪-৬ ডিগ্রিতে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১৮:৫৯:৫৫
তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কবলে ৩ বিভাগ, তাপমাত্রা নামতে পারে ৪-৬ ডিগ্রিতে
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ৪৪ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহ আগামী কয়েক দিনে আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন, আগামী শনিবার (১০ জানুয়ারি) ও রোববার (১১ জানুয়ারি) দেশে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এই দুই দিন চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা জনজীবনে বড় ধরনের ভোগান্তি তৈরি করতে পারে।

গবেষক পলাশ তাঁর পূর্বাভাসে উল্লেখ করেছেন, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকেই শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করবে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। বুধবার সকালেই রাজশাহীতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা ও গোপালগঞ্জে ৭ ডিগ্রি এবং রাজধানী ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ইতিমধ্যে দেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে ৫টির ওপর দিয়েই শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের এই প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালেও রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রির ঘরে থাকতে পারে। তীব্র শীতের পাশাপাশি ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যাতায়াত ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষ এবং ছিন্নমূল জনগণের জন্য এই আবহাওয়া চরম বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


চার জোনে বিভক্ত হচ্ছে সেন্ট মার্টিন 

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ০৯:২১:৪৩
চার জোনে বিভক্ত হচ্ছে সেন্ট মার্টিন 
ছবি : সংগৃহীত

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বিপন্ন জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার এবং দ্বীপটিকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে চার স্তরের একটি মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সরকার। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, এখন থেকে সেন্ট মার্টিনে পর্যটন হবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক এবং তা অবশ্যই কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে। তিনি বলেন, “দ্বীপ সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনাই এখন আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”

সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) এই মহাপরিকল্পনায় সেন্ট মার্টিনকে চারটি জোনে ভাগ করার প্রস্তাব দিয়েছে।

জোনগুলো হলো

১. জেনারেল ইউজ জোন (যেখানে পর্যটন ও হোটেল-রিসোর্ট থাকবে),

২. ম্যানেজড রিসোর্স জোন (কচ্ছপের প্রজনন কেন্দ্র, যেখানে রাতে থাকা নিষিদ্ধ),

৩. সাসটেইনেবল ইউজ জোন (স্থানীয়রা টেকসই সম্পদ ব্যবহার করবেন, পর্যটকরা রাতে থাকতে পারবেন না) এবং

৪. রেস্ট্রিক্টেড জোন (যেখানে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ)।

উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান আরও জানান, মাত্র ৮ হাজার মানুষের এই ক্ষুদ্র দ্বীপে প্রতিদিন ১০ হাজার পর্যটকের সমাগম স্থানীয়দের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। তাই পর্যটনকে সীমিত করে দ্বীপবাসীর জন্য মৎস্য, হস্তশিল্প ও কৃষিভিত্তিক বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। পরিবেশ সচিব ফারহিনা আহমেদ এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামানও দ্বীপে প্রকৃতিবান্ধব স্থাপনা নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কারিগরি সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সেন্ট মার্টিন তার হারিয়ে যাওয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পুনরায় ফিরে পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


যে ১০ জেলায় আজও শৈত্যপ্রবাহের রেড অ্যালার্ট 

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ০৯:১২:৫৮
যে ১০ জেলায় আজও শৈত্যপ্রবাহের রেড অ্যালার্ট 
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে উত্তরের জেলাগুলোতে শীতের কামড় এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের বুধবারের (৭ জানুয়ারি ২০২৬) পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের ১০টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। জেলাগুলো হলো— রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া। মঙ্গলবার রাজশাহীতে তাপমাত্রা নেমেছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন। আর রাজধানীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পূর্ব নিরক্ষীয় ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তবে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের কারণে সারা দেশে মাঝরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, নৌ-পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, কেবল তাপমাত্রার পতন নয়, বরং বায়ু দূষণের কারণে বাতাসে ভাসমান বস্তুকণা বেড়ে যাওয়ায় কুয়াশা কাটছে না। ফলে সূর্যের আলো ঠিকমতো পৌঁছাতে পারছে না এবং সারা দিন শীতের তীব্র অনুভূতি বজায় থাকছে। তীব্র ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ায় হাসপাতালগুলোতেও বাড়ছে রোগীর ভিড়। আবহাওয়া অফিস বলছে, এই পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।


নবম পে স্কেলে আকাশছোঁয়া বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ: কার পকেটে ঢুকবে বাড়তি টাকা?

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ০৯:০৫:১৫
নবম পে স্কেলে আকাশছোঁয়া বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ: কার পকেটে ঢুকবে বাড়তি টাকা?
ছবি : সংগৃহীত

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত 'নবম পে স্কেল' এর সুপারিশমালা চূড়ান্ত করেছে জাতীয় বেতন কমিশন। নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যানুযায়ী, বিদ্যমান ১৬টি গ্রেড অপরিবর্তিত রেখেই বেতন কাঠামোতে বড় ধরণের পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। কমিশনের নতুন এই সুপারিশে সরকারি চাকুরেদের মূল বেতন গ্রেডভেদে প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহেই এই চূড়ান্ত পাণ্ডুলিপি অর্থ উপদেষ্টার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নবম পে স্কেল প্রণয়নের শুরুতে গ্রেড সংখ্যা কমানোর জোর দাবি উঠলেও দীর্ঘ পর্যালোচনার পর বর্তমান ১৬টি গ্রেড কাঠামোই বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই নতুন স্কেলে সবচেয়ে বেশি সুফল পাবেন নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি এই সুপারিশে শিক্ষকদের জন্য দীর্ঘদিনের দাবি— 'পৃথক বেতন কাঠামো'র বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষা ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাগুলোও বর্তমান বাজারদরের সাথে সংগতি রেখে পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থ উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর তা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেখানে যাচাই-বাছাই শেষে উপদেষ্টা পরিষদের চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই নতুন পে স্কেলের বাস্তবায়ন শুরু হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রস্তাব অনুমোদিত হলে কয়েক দশকের মধ্যে সরকারি খাতে এটিই হবে সবচেয়ে বড় এবং বৈপ্লবিক বেতন কাঠামো পরিবর্তন। এতে সরকারি চাকুরেদের জীবনযাত্রার মান যেমন বাড়বে, তেমনি সরকারি কাজে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।


নির্বাচন নিয়ে যারা সংশয় ছড়াচ্ছেন তারা কড়া নজরদারিতে: শফিকুল আলম

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ২০:৫১:৩৭
নির্বাচন নিয়ে যারা সংশয় ছড়াচ্ছেন তারা কড়া নজরদারিতে: শফিকুল আলম
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন নিয়ে যারা এখনো সন্দেহ ও সংশয় ছড়াচ্ছেন, তাঁদের ওপর সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তীক্ষ্ণ নজরদারি রাখছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “যারা গুজব ছড়াচ্ছেন তাদের প্রোফাইল আমাদের কাছে একদম পরিষ্কার। অতীতে তাদের ভূমিকা কী ছিল এবং কেন তারা এখন সংশয় ছড়াচ্ছেন, সরকার তা খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।”

প্রেসসচিব জানান, নির্বাচনের বাকি আর মাত্র ৩৭ দিন এবং সরকার প্রতিটি পদক্ষেপে শতভাগ প্রস্তুত রয়েছে। তিনি দাবি করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মনোবল এখন অনেক উঁচুতে, কারণ তারা ইতিমধ্যে পরপর তিনটি বড় জাতীয় ইভেন্ট অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এবারের নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য রেকর্ড ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৩৩ জন নিবন্ধন করেছেন, যা বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। তবে নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকার কারণে অন্তত ৭ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সরাসরি কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন না, তাদের ভোট দিতে হবে পোস্টাল বা বিশেষ ব্যবস্থায়।

রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, “নেতাদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে ‘টপ প্রায়োরিটি’। ইতিমধ্যে অনেক নেতাকে গানম্যান দেওয়া হয়েছে এবং পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) এ নিয়ে সার্বক্ষণিক কাজ করছে।” তিনি আরও জানান, জনগণের মধ্যে নির্বাচনী আমেজ ছড়িয়ে দিতে ‘ভোটের গাড়ি’ ক্যারাভানে গাড়ির সংখ্যা ১০টি থেকে বাড়িয়ে ৩০টি করা হচ্ছে। আগামী ৯ জানুয়ারি থেকে অতিরিক্ত ২০টি গাড়ি সারা দেশে টিভিসি প্রদর্শন এবং কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নিয়ে প্রচার কাজ চালাবে, যা চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


যেসব এলাকায় তাপমাত্রা নামতে পারে ৭ ডিগ্রিতে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৫ ১৮:১১:৩৬
যেসব এলাকায় তাপমাত্রা নামতে পারে ৭ ডিগ্রিতে
ছবি : সংগৃহীত

চলতি শীত মৌসুমের সবচেয়ে তীব্র শীতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল নাগাদ দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলসহ ৫টি বিভাগে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার শঙ্কা রয়েছে। কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক পূর্বাভাসে জানিয়েছেন, শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে দেশের জনজীবনে স্থবিরতা নেমে আসতে পারে।

গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ তাঁর পূর্বাভাসে উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে সকাল ৬টার দিকে তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করবে। এর ফলে কনকনে ঠান্ডার সঙ্গে হিমেল বাতাসের প্রকোপ বাড়তে পারে। এছাড়া ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় ঘন কুয়াশার কারণে দুপুর ১২টার আগে সূর্যের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে বরিশাল ও খুলনা বিভাগে সকাল ১০টার পর রোদের কিছুটা ঝলক দেখা যেতে পারে।

এদিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি জানুয়ারি মাসেই দেশের ওপর দিয়ে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, সোমবার রাত থেকেই তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে কমতে শুরু করবে। এই মাসে ১ থেকে ২টি তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে কোনো কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। আজ সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পাবনার ঈশ্বরদীতে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস আরও সতর্ক করেছে যে, ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। বিশেষ করে নদী অববাহিকা ও উত্তরাঞ্চলে দৃশ্যমানতা কমে আসায় যানবাহন চলাচলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষ এবং ভাসমান জনগোষ্ঠীর জন্য এই শৈত্যপ্রবাহ বড় ধরণের সংকট তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


রাস্তা বন্ধ করলেই অ্যাকশন: জনদুর্ভোগ নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কড়া হুঁশিয়ারি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৫ ১৬:৫৯:৫৬
রাস্তা বন্ধ করলেই অ্যাকশন: জনদুর্ভোগ নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কড়া হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর রাস্তাঘাট বা জনপদ অবরোধ করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করা হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ বিষয়ে কাউকে কোনো ধরণের ছাড় না দেওয়ার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি ২০২৬) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৯তম সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অন্তর্বর্তী সরকার বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে জনজীবন বিপর্যস্ত করার অপচেষ্টাকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, “রাস্তাঘাট বন্ধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেবে। যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো কার্পণ্য করা হবে না।”

আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, প্রতিটি বাহিনীর গোয়েন্দা তথ্য-উপাত্তের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হবে। তিনি আরও জানান, নির্বাচনের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভোটকেন্দ্রসহ যেকোনো স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যেকোনো সময় প্রবেশ করতে পারবেন। নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে মাঠপর্যায়ে আরও অধিক সক্রিয় ও তৎপর হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সরকারের নির্বাচনকালীন প্রস্তুতি সম্পর্কে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, নির্বাচন–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্রুত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার বিষয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বর্তমান সরকার যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানে অটল এবং যারা এই প্রক্রিয়া বানচালের চেষ্টা করবেন, তারা ব্যর্থ হবেন। রাজনৈতিক দল ও সাধারণ নাগরিকদের প্রতি নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার এবং একটি সুন্দর নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সহযোগিতার অনুরোধ জানান তিনি।


সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর! কোন স্কিমে কত মুনাফা 

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৫ ১৫:২৭:১১
সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর! কোন স্কিমে কত মুনাফা 
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি খাতের সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত আপাতত ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছে সরকার। সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারী সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও অবসরপ্রাপ্ত শ্রেণির স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী জুন মাস পর্যন্ত বিনিয়োগকারীরা আগের নির্ধারিত সুদহারেই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে পারবেন।

এর আগে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার গড়ে প্রায় দেড় শতাংশ কমানো হয়েছিল। সে সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে বহু ক্ষুদ্র ও নির্ভরশীল বিনিয়োগকারীর আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারত। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় এনে সুদ কমানোর সিদ্ধান্ত সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবে রোববার বিকেলে স্বাক্ষর করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো সুপারিশ পর্যালোচনার পর প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর এই সিদ্ধান্তে সম্মতি দেয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় সরকারি খাতের সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার কমানোর ঘোষণা দিয়েছিল, যা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। নতুন নীতিমালায় প্রতি ছয় মাস অন্তর সঞ্চয়পত্রের সুদহার পুনর্মূল্যায়নের কথা বলা হয়। এর অংশ হিসেবেই গত বছরের জুলাইয়ে এক দফা সুদ কমানো হয় এবং জানুয়ারিতে দ্বিতীয় দফা কমানো হয়েছিল।

এই দফায় পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র এবং পোস্ট অফিস ফিক্সড ডিপোজিট স্কিমের সুদহার হ্রাস করা হয়েছিল। তবে ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাব, ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড এবং ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডের সুদহার অপরিবর্তিত রাখা হয়।

বর্তমানে সঞ্চয়পত্রের সব স্কিমেই বিনিয়োগকারীদের দুইটি ধাপে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে রয়েছেন ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচে বিনিয়োগকারীরা এবং দ্বিতীয় ধাপে রয়েছেন এর বেশি বিনিয়োগকারীরা। এই শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী সুদহারে সামান্য তারতম্য রাখা হয়েছে।

সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্রে প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে প্রায় ৯ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে পঞ্চম বছরে প্রায় ১২ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা পাবেন। দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে এই হার কিছুটা কম হলেও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পায়।

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র ও পেনশনার সঞ্চয়পত্রেও একই কাঠামোয় সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে মেয়াদ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মুনাফার হারও ধাপে ধাপে বৃদ্ধি পায়। তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে নিয়মিত আয়প্রত্যাশী বিনিয়োগকারীদের জন্য তুলনামূলক বেশি সুদ নিশ্চিত করা হয়েছে।

-রফিক


বদলে যাচ্ছে তথ্য সুরক্ষা: জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরকারের নতুন পথচলা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৪ ২১:৩৪:০১
বদলে যাচ্ছে তথ্য সুরক্ষা: জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরকারের নতুন পথচলা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ভবিষ্যতের তথ্য অবকাঠামোকে নিশ্ছিদ্র করার লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জাপানভিত্তিক বিশ্ববিখ্যাত তথ্য-নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সাইফার কোর লিমিটেডের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) আয়োজিত এই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন জাপানের প্রখ্যাত তথ্য-নিরাপত্তা বিজ্ঞানী এবং এমআইটি-ভিত্তিক গবেষক প্রফেসর তাকাতোশি নাকামুরা। আলোচনায় গুরুত্ব পায় জাতীয় তথ্য-নিরাপত্তা কাঠামো জোরদারকরণ এবং সরকারি ডিজিটাল সিস্টেমের সুরক্ষায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।

বৈঠকের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ছিল ‘কোয়ান্টাম-প্রতিরোধী’ প্রযুক্তির প্রয়োগ। প্রফেসর নাকামুরা এবং প্রধান উপদেষ্টা বর্তমান বিশ্বের সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় সাধারণ এনক্রিপশনের সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যৎ কোয়ান্টাম চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা একটি নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। এছাড়া কমিউনিটি পর্যায়ে ‘ডিজিটাল ক্যাশ’ ব্যবস্থার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়, যা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের আর্থিক লেনদেনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে।

তথ্য প্রযুক্তির পাশাপাশি বৈঠকে চামড়া শিল্পে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিনির্ভর সম্ভাবনা এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন নিয়েও কার্যকর মতবিনিময় হয়। জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যে দক্ষ জনশক্তি বিনিময়ের মাধ্যমে এক নতুন ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার বিষয়ে উভয়পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে জাপানের সাবেক অর্থ প্রতিমন্ত্রী মোতোইউকি ওদাচি এবং জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সাইফার কোর লিমিটেডের চেয়ারম্যান আপেল মাহমুদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মাহী ইসলাম। সাইফার কোর লিমিটেড মূলত তাদের উদ্ভাবনী তথ্য সুরক্ষা প্রযুক্তির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জাপানের এই শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের এই সমন্বয় দেশের সাইবার স্পেসকে যেমন নিরাপদ করবে, তেমনি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের আইটি খাতের বিশ্বাসযোগ্যতা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত