৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন?

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট একই দিনে আয়োজনের সিদ্ধান্ত এখন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। নির্বাচন কমিশন তিনটি সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনায় রেখেছে ৫, ৮ এবং ১২ ফেব্রুয়ারি। এর মধ্যে ৮ ফেব্রুয়ারিকেই কমিশন প্রাধান্য দিচ্ছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ওই দিনই সারাদেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবার তফসিল ঘোষণার সময় থেকে ভোটগ্রহণের সময়সীমা কিছুটা বাড়িয়ে প্রায় দুই মাস রাখা হচ্ছে। কমিশন সূত্র বলছে, ৭ অথবা ৮ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে তফসিল ঘোষণা করবেন।
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের প্রথমার্ধেই সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করা হবে। আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলও নিশ্চিত করেন যে নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল একইদিনে প্রকাশ করা হবে। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষণা করেছিলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকেই একসঙ্গে নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন করা হবে। এদিকে উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদিত ‘গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫’ জারির পর গণভোট আয়োজনের পূর্ণাঙ্গ আইনগত কাঠামো এখন নির্বাচন কমিশনের হাতে রয়েছে।
এবারের গণভোটে ভোটারদের ‘জুলাই চার্টার’ নামে পরিচিত সাংবিধানিক সংস্কার ইস্যুতে একটি প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে হবে। সংসদ নির্বাচনে ব্যবহৃত ব্যালট হবে সাদা এবং গণভোটে রঙিন ব্যালট ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে দেশের মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ১ হাজার ২৩৪ জন। এবার প্রবাসী ভোটাররা অ্যাপের মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালটে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে অংশ নিতে পারবেন। পাঁচ কোটির বেশি তরুণ এবার প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন এবং তারা নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
ভোটগ্রহণের জন্য ইসি ইতোমধ্যে সারাদেশে ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্র এবং ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৩৯টি ভোটকক্ষ চূড়ান্ত করেছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে গড়ে প্রায় তিন হাজার ভোটারের জন্য ভোট প্রদানের ব্যবস্থা থাকবে। এদিকে নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আট লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর এক লাখ সদস্য নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিজিবির ১ হাজার ২১০ প্লাটুন মাঠে থাকবে। সারা দেশকে লাল, হলুদ এবং সবুজ জোনে ভাগ করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে এবং ভোটের আগে-পরে ১০ দিন সেনা মোতায়েন করা হবে।
নির্বাচন কমিশন একই দিনে ভোট ও গণভোট পরিচালনার সক্ষমতা যাচাই করতে আগামী শনিবার শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ মক ভোটিংয়ের আয়োজন করছে। এতে বুথ ও ভোটকক্ষের সংখ্যা বৃদ্ধি, ভোটার ব্যবস্থাপনা এবং ব্যালট ব্যবস্থাপনা কতটা সময়সাপেক্ষ হবে, তা মূল্যায়ন করা হবে। কমিশনের লক্ষ্য হচ্ছে এমন একটি নির্বিঘ্ন নির্বাচন আয়োজন করা, যাতে ভোটারদের কোনো ধরনের ভোগান্তি না হয়।
ইসির আইনগত কাঠামোয় বেশকিছু নতুন বিধান সংযোজন করা হয়েছে। আদালত ঘোষিত পলাতক কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। প্রার্থীর হলফনামায় বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে দিতে হবে। আচরণবিধি ভঙ্গের ক্ষেত্রে জরিমানা বাড়িয়ে দেড় লাখ টাকা এবং সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। একক প্রার্থী থাকলে ‘না’ ভোটের বিকল্প চালু করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন পরিবেশবান্ধব প্রচারণার ওপর গুরুত্ব দিয়ে পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে, তবে ছোট আকারের প্রচারপত্র ব্যবহার করা যাবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহারকে নির্বাচনি অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য একটি বিশেষ মনিটরিং ডেস্কও গঠন করা হবে।
নির্বাচনের সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখতে ইসি অনেক আগেই ২৭ ধরনের সামগ্রী সংগ্রহ করেছে। ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালি, সিল, প্যাডসহ প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম ইতোমধ্যে গুদামে মজুত রয়েছে। সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য তিন লাখের বেশি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স প্রয়োজন হবে, যার বড় অংশই আগে থেকেই প্রস্তুত। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত ব্যালট বাক্সও তৈরি করা হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তুতি নিয়েও সরব আলোচনা চলছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত কর্মকাণ্ডের কারণে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণ নিয়েও কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। এদিকে বিএনপি ২৩৭টি সম্ভাব্য আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। জামায়াতে ইসলামী ৩০০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও ১৫০ আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করতে পারে। বেশকিছু ইসলামি এবং বামপন্থী দল বিএনপির সঙ্গে সমন্বয় করছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি আজ চার দলকে নিয়ে একটি নতুন জোট ঘোষণার পরিকল্পনা করছে।
সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হবে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন শুরু থেকেই মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিল। মক ভোটিংয়ের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের সব বাস্তবতা যাচাই করে চূড়ান্ত সমন্বয় করা হবে। এদিকে নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ জানিয়েছেন, ভোটের তারিখ নির্বাচন করতে আলোচনা চলছে এবং কমিশনের সভা শেষে তারিখ চূড়ান্ত করে জানানো হবে।
সবশেষে কমিশনের আরেক সদস্য আবদুল রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই নির্বাচন ও গণভোটের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হবে। নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য এ বছর একটি স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ এবং সর্বোপরি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া।
সূত্রঃ আমার দেশ পত্রিকা
শিশুর প্রশ্ন-আংকেল রোজা রাখেন? প্রধানমন্ত্রীর উত্তর-জ্বি সবগুলো রেখেছি
রাজধানীর নৌবাহিনী সদরদপ্তর মসজিদে শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করতে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক প্রটোকলের বাহুল্য ছাড়াই সাধারণ পোশাকে মসজিদে প্রবেশ করেন। নামাজ শেষে বেরিয়ে আসার সময় মসজিদ চত্বরে উপস্থিত একদল শিশু-কিশোর তাকে ঘিরে ধরে। মুহূর্তটি দ্রুতই একটি উষ্ণ ও মানবিক আবহ তৈরি করে, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
জুমা শেষে নেভি হেডকোয়ার্টার মসজিদের সামনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটির একটি ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে শিশুদের চোখেমুখে কৌতূহল ও আনন্দের ছাপ। তাদের একজন সরাসরি প্রশ্ন করে বসে, তিনি রোজা রেখেছেন কি না। শিশুর সরল প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী হাসিমুখে জবাব দেন যে তিনি সবগুলো রোজা পালন করছেন।
এরপর শিশুদের মধ্যেও শুরু হয় নিজেদের রোজা রাখার গল্প। কেউ বলে সে কয়েকটি রোজা রেখেছে, কেউ আবার গর্ব করে জানায় সবগুলোই পালন করেছে। এ সময় এক শিশুকে তার বন্ধুরা মজা করে বলে ফেলে যে সে সেদিন সকালে খেয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামান্য হাস্যরসের পরিবেশ তৈরি হলেও প্রধানমন্ত্রী শিশুটিকে স্নেহভরে কাছে টেনে নেন। তিনি কোমল কণ্ঠে জানতে চান, আসলে সে কয়টি রোজা পালন করেছে। শিশুটি কিছুটা লজ্জিত ভঙ্গিতে স্বীকার করে যে আজকের একটি বাদে বাকিগুলো রেখেছে।
শিশুদের ধর্মীয় অনুরাগ ও আন্তরিকতায় প্রধানমন্ত্রী দৃশ্যতই আনন্দিত হন। তিনি উপস্থিত প্রতিটি শিশুর সঙ্গে কথা বলেন, তাদের মাথায় হাত রেখে দোয়া করেন এবং পড়াশোনায় মনোযোগী থাকার পরামর্শ দেন। সেখানে উপস্থিত অনেক অভিভাবক ও দর্শনার্থী এ দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে ভিডিও ধারণ করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি প্রকাশের পর নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শিশুদের সঙ্গে এমন সহজ ও মানবিক যোগাযোগ একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে। কেউ কেউ এটিকে প্রটোকলমুক্ত, স্বাভাবিক সামাজিক সম্পৃক্ততার উদাহরণ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন।
-রফিক
স্বজনপ্রীতি নয়, যাচাই করে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সরকারি সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা দলীয় প্রভাব বরদাশত করা হবে না। তিনি স্পষ্ট করে জানান, প্রকৃত দরিদ্র ও উপযুক্ত সুবিধাভোগীদের হাতে সহায়তা পৌঁছে দিতে হলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি ইউনিয়নে সুবিধাভোগী চিহ্নিত করার জন্য চেয়ারম্যান ও দুইজন সমাজসেবককে অন্তর্ভুক্ত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি যাচাই কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটি মাঠপর্যায়ে তথ্য যাচাই করে দলীয় প্রভাবমুক্ত পরিবেশে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ নিশ্চিত করবে।
শুক্রবার বরিশাল সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব নির্দেশনা দেন। সভায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সঠিক বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। মন্ত্রী বলেন, সরকারি সহায়তা যদি প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে না পৌঁছে, তবে রাষ্ট্রের সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে।
সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী গণমাধ্যম খাতের কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, তথ্য মন্ত্রণালয় যেই সময় গড়ে উঠেছিল, তখন প্রযুক্তিনির্ভর গণমাধ্যমের বিস্তার ছিল না। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও বহুমাত্রিক তথ্যপ্রবাহের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নীতিমালা আধুনিকায়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। তিনি জানান, নীতিনির্ধারক, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিসম্মত এবং জবাবদিহিতামূলক গণমাধ্যম কাঠামো গড়ে তোলা হবে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা একে অপরের পরিপূরক। পেশাগত মানদণ্ড বজায় রেখে গণমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে একটি সুসংহত জবাবদিহিতা কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।
বরিশাল আদালতপাড়ায় সাম্প্রতিক ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে বিস্তারিত জানবেন। প্রয়োজন হলে আইনমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এর আগে অনুষ্ঠানে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬১ জনের মাঝে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ-এর অনুদানের ২ কোটি ১৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ করেন তিনি। সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক, পথচারী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমন্বিতভাবে সচেতন হতে হবে। ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে মানা, অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ, চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও প্রশিক্ষণ এবং যানবাহনের নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।
পরিবহন শ্রমিক নেতাদের একাংশের অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, চাঁদাবাজি, হয়রানি এবং অঘোষিত ধর্মঘটের কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হন। এই অরাজক অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করতে হবে।
জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ এবং ফারজানা ইসলাম। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারাও সভায় অংশ নেন।
-রফিক
ইউনূস সরকারের আমলে ৬৫টি প্রকল্পে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধি
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় কমানো, অপচয় রোধ এবং দক্ষতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের বৈঠকের কার্যবিবরণী বিশ্লেষণে ভিন্ন চিত্র সামনে এসেছে।
২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেড় বছরে অন্তত ৬৫টি উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে অতিরিক্ত যোগ হয়েছে প্রায় ৭৯ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, এই সময়ে একনেকের ১৯টি বৈঠকে ৮৭টি চলমান প্রকল্প সংশোধন করা হয়। গড়ে প্রতি বৈঠকে প্রায় পাঁচটি প্রকল্পে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এর মধ্যে মাত্র সাতটি প্রকল্পে ব্যয় কমানো হয়েছে, মোট সাশ্রয় ৯৫০ কোটি টাকা। যা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর আগের ব্যয়ের তুলনায় মাত্র ২.৪৫ শতাংশ। বিপরীতে ৬৫টি প্রকল্পে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা বাড়তি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আরও ১৫টি প্রকল্পে ব্যয় অপরিবর্তিত থাকলেও সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।ঢ়এই ৬৫টি প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকা। সংশোধনের পর তা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকায়। অর্থাৎ গড়ে প্রায় ৩৫.৬৭ শতাংশ ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইউনূস সরকারের প্রথম একনেক বৈঠকেই গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ১,৩০৫ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৫৭১ কোটি টাকা করা হয়। একই বৈঠকে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর নারী ক্ষমতায়ন কর্মসূচির ব্যয় বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১,৬৩০ কোটি টাকা।
মেয়াদের শেষ দিকে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় সংশোধন করে ১ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। ২০১৬ সালে অনুমোদিত প্রকল্পটির প্রাথমিক ব্যয় ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। সংশোধনে ব্যয় বেড়েছে প্রায় ২২.৬৩ শতাংশ।
ঢাকার পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে ব্যয় ৪,৫৯৭ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৬ হাজার ১৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ বেড়েছে ১১ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা, যা প্রায় আড়াই গুণ।
সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২ এ অতিরিক্ত ৭,১৫৫ কোটি টাকা যোগ হয়েছে। মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পে বেড়েছে ৬,৬০৪ কোটি টাকা। চট্টগ্রামের পয়ঃনিষ্কাশন প্রকল্পে ১,৪১০ কোটি টাকা এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলার একটি প্রকল্পে ১,৩২৪ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের ছোট স্টেডিয়াম প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে ব্যয় ৪৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ওতবে একটি উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম রয়েছে। ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয় ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা থেকে কমিয়ে ৩২ হাজার ৭১৮ কোটি টাকায় নামানো হয়েছে। এতে সাশ্রয় হয়েছে ৭৫৪ কোটি টাকা। মূলত স্টেশন এলাকা উন্নয়ন ও কিছু জমি অধিগ্রহণ বাদ দেওয়ার মাধ্যমে এই সাশ্রয় সম্ভব হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছরে ১৩৫টি নতুন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে, যার মোট ব্যয় ২ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা। এর বড় অংশ চট্টগ্রাম জেলায় বাস্তবায়িত হবে। অন্যদিকে ২১টি জেলার জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রকল্প নেওয়া হয়নি।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশি-বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা। তাদের বিদায়ের সময় তা দাঁড়ায় ১৮ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকায়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বড় দেনার বোঝা রেখে যায় আগের সরকার।
এই প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে কঠোর ব্যয় নিয়ন্ত্রণের প্রত্যাশা ছিল বেশি। অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে গঠিত শ্বেতপত্র কমিটি আগের সরকারের সময়ে উন্নয়ন প্রকল্পে প্রায় পৌনে তিন লাখ কোটি টাকা অপচয়ের অভিযোগ তোলে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় দক্ষতা বাড়ানো এবং প্রকল্প অনুমোদনে কড়াকড়ি আরোপ ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। ছোট কিন্তু উচ্চ প্রভাবসম্পন্ন প্রকল্পে অগ্রাধিকার এবং বিদেশি সহায়তাপুষ্ট প্রকল্প দ্রুত যাচাইয়ের নীতিগত ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু বাস্তব পরিসংখ্যান বলছে, প্রকল্প সংশোধনের পুরনো সংস্কৃতি পুরোপুরি ভাঙা যায়নি। ব্যয় কমানোর অঙ্গীকারের বিপরীতে ৬৫টি প্রকল্পে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি জনগণের অর্থ ব্যবস্থাপনায় নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। এখন নজর থাকবে, বর্তমান সরকার প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত সংস্কার আনতে পারে কি না।
-রফিক
ডিএমপিতে বড় ধামাকা! এক প্রজ্ঞাপনেই বদলে গেল ঢাকার পুলিশি কমান্ড
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পরবর্তী কমিশনার হিসেবে নতুন কোনো কর্মকর্তা যোগদান না করা পর্যন্ত বর্তমান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত আইজি) মো. সরওয়ার কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন। বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অ্যাডিশনাল ডিআইজি (পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১) শামীমা ইয়াছমিন খন্দকার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, স্থায়ীভাবে কেউ ডিএমপি কমিশনারের পদে নিয়োগ না পাওয়া পর্যন্ত মো. সরওয়ারই ডিএমপির যাবতীয় প্রশাসনিক ও অপারেশনাল কার্যক্রমের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন।
এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে আকস্মিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। যদিও চুক্তির মেয়াদ অনুযায়ী আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত তাঁর দায়িত্ব পালনের কথা ছিল, তবে মেয়াদের আগেই তিনি বিদায় নিলেন। বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১৯৮৪ ব্যাচের এই জাঁদরেল কর্মকর্তা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন এবং ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার তাঁকে ভূতাপেক্ষভাবে চাকরিতে পুনর্বহাল করে ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর ডিএমপির ৩৮তম কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। দুই বছরের সেই চুক্তিভিত্তিক মেয়াদের মাঝপথেই তাঁর এই প্রস্থান পুলিশ প্রশাসনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
অন্যদিকে ডিএমপির দায়িত্ব পাওয়া মো. সরওয়ার আলমের বাহিনীতে সুনাম রয়েছে বিশেষ করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় তাঁর দক্ষতার কারণে। গত বছরের ৭ জানুয়ারি এসবি থেকে তাঁকে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল এবং পরে তিনি ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গত ১১ আগস্ট তিনি অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পদোন্নতি পান। রাজধানীতে অসহনীয় যানজট নিরসনে তাঁর কার্যকর পদক্ষেপ ও অবদান সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। নতুন কমিশনার নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত ঢাকার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার গুরুদায়িত্ব এখন এই অভিজ্ঞ কর্মকর্তার কাঁধেই বর্তালো।
/আশিক
গণভোটের ফলাফলে নাটকীয় মোড়: এক ঝটকায় কমলো হ্যাঁ ভোটের সংখ্যা
গত ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে সারা দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছিল বহুল আলোচিত গণভোট। এই ভোটে দেশের সাধারণ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ সূচক সিল মেরে সরকারের সংস্কার উদ্যোগের প্রতি তাদের সমর্থন ও বিরোধিতার রায় দেন। প্রাথমিক ফলাফল গণনার পর গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছিল যে, বিপুল ভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়েছে। তবে আজ বৃহস্পতিবার জানা গেছে, সেই ফলাফল থেকে প্রায় ১০ লাখ ‘হ্যাঁ’ ভোট বাদ দিয়ে একটি সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করেছে কমিশন।
এর আগে বুধবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত অতিরিক্ত গেজেটের মাধ্যমে এই সংশোধনী প্রকাশ করা হয়। পুনরায় প্রকাশিত গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগের গেজেটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০টি। সেখান থেকে ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০টি ‘হ্যাঁ’ ভোট বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারের পক্ষে বর্তমান রায়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৬২ লাখ ৫১ হাজার ৩০০টি। উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার সফল গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এবং সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবের বিষয়ে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম গেজেটের হিসাব অনুযায়ী ‘না’ ভোটের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬টি এবং বাতিল ভোটের সংখ্যা ছিল ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭টি। সেই হিসাবে মোট বৈধ ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬ জন। তবে সংশোধিত গেজেটে ‘না’ ভোটের সংখ্যাও ১ লাখ ১১ হাজার ৪৯৫টি কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১টিতে। সার্বিকভাবে বাতিল করা ভোটের সংখ্যা আগের চেয়ে ১২ হাজার ৫৫৯টি বেড়েছে এবং মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬টি কমেছে। নির্বাচন কমিশন এই সংশোধনীর কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা না করলেও জানিয়েছে যে, কমিশনের আদেশক্রমেই এই নতুন গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে যা জুলাই জাতীয় সনদের সাংবিধানিক বৈধতা চূড়ান্ত করবে।
/আশিক
কথা রাখলেন তারেক রহমান: ১২ লাখ কৃষকের ঋণের বোঝা শেষ!
নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান সরকার। আজ বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সংবাদ মাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান যে, শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে নিয়োজিত দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কৃষি খাতের মেরুদণ্ড শক্তিশালী করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের কাছে কৃষকদের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাওনা প্রায় ১৫৫০ কোটি টাকা এই মওকুফ সুবিধার আওতায় আসবে। এর ফলে দেশের প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক সরাসরি ঋণের দায় হতে মুক্ত হতে পারবেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও উল্লেখ করেন যে, ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি পাওয়ায় কৃষকরা এখন তাঁদের সঞ্চিত অর্থ উন্নত মানের বীজ বা আধুনিক সেচ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এই প্রক্রিয়ার ফলে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড বা ঋণমান উন্নত হবে, যা তাঁদের ভবিষ্যতে পুনরায় ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে ঋণ পেতে সহায়তা করবে এবং স্থানীয় মহাজনদের উচ্চ সুদের হাত থেকে রক্ষা করবে।
সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি ফিরবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, এর আগে ১৯৯১-৯৬ মেয়াদে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করে কৃষিতে বিপ্লব ঘটিয়েছিল; সেই ধারাবাহিকতায় এবারের এই সিদ্ধান্তও গ্রামীণ মূল্যস্ফীতি হ্রাস এবং গ্রাম থেকে নগরমুখী অভিবাসন রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
/আশিক
দেশকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করার মিশন: প্রধানমন্ত্রী
ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার দেশটাকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে চায় বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেলে রাজধানীর বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে ‘অমর একুশে বইমেলা-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। বাংলা একাডেমি আয়োজিত এবারের মেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’।
উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বইমেলা কেবল বই বেচাকেনার উৎসব নয়, এটি জাতির মেধা ও মননের প্রতীক। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই মেলা জাতিকে আরও বইপ্রেমী করে তুলবে এবং নিয়মিত পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। ১৯৭৮ সাল থেকে চালু হওয়া এই মেলা এখন মাতৃভাষার অধিকার রক্ষা ও বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক অনন্য স্মারক হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরতে গিয়ে জার্মান দার্শনিক মারকুইস সিসেরোর উক্তি ও বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণার তথ্য উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, নিয়মিত বই পড়া মস্তিষ্কের কোষে নতুন সংযোগ তৈরি করে এবং আলঝেইমার ও ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। তবে বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট আসক্তি তরুণ প্রজন্মকে বইবিমুখ করছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
সিইও ওয়ার্ল্ড ম্যাগাজিনের একটি আন্তর্জাতিক জরিপ তুলে ধরে তিনি জানান, ১০২টি দেশের মধ্যে বই পড়ায় বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭তম এবং এ দেশের মানুষ গড়ে বছরে মাত্র তিনটি বই পড়ে। এই পরিস্থিতির উত্তরণে তিনি অমর একুশে বইমেলাকে ভবিষ্যতে ‘অমর একুশে আন্তর্জাতিক বইমেলা’ হিসেবে আয়োজনের প্রস্তাব দেন, যাতে বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগসূত্র আরও দৃঢ় হয়। এছাড়া বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সারা বছর বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে বইমেলা আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
/আশিক
জনবল সংকট মেটাতে পুলিশের মেগা নিয়োগের ঘোষণা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ পুলিশের দীর্ঘদিনের জনবল সংকট কাটাতে শিগগিরই ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। আজ বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি প্রদান করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান যে কেবল কনস্টেবল নয়, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়নে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ১৮০ জন ট্রাফিক সার্জেন্টও নিয়োগ দেওয়া হবে। বর্তমানে পুলিশের প্রায় প্রতিটি পর্যায়েই জনবলের ঘাটতি রয়েছে এবং এই শূন্যতা পূরণের মাধ্যমে বাহিনীকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার পরিকল্পনা নিয়েছে বর্তমান সরকার।
এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন যে জরুরি ভিত্তিতে পুলিশের ২ হাজার ৭০০ জন কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আজ সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় বড় পরিসরে নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন যে, আপাতত ২ হাজার ৭০১ জন কনস্টেবলের পদ পুরোপুরি খালি রয়েছে এবং এই শূন্যপদগুলো জরুরি ভিত্তিতে পূরণের জন্য বিদ্যমান প্রক্রিয়ায় দ্রুত কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়ন ও জনবল বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্বচ্ছ ও কার্যকর নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে যাতে থানা ও মাঠপর্যায়ে সেবার মান নিশ্চিত করা যায়।
/আশিক
যমুনা ছাড়ার দিনক্ষণ চূড়ান্ত: এবার বিশ্বজয়ে নামছেন ইউনূস!
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন শেষে আগামীকাল ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ ছেড়ে দিচ্ছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট শপথ গ্রহণের পর থেকে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর তিনি হেয়ার রোডের এই ভবনেই বসবাস ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সরকারের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের পর থেকে তিনি যমুনাতেই অবস্থান করছিলেন। ড. ইউনূসের প্রস্থানের মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন শাসনের এই অধ্যায়টির চূড়ান্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে।
এদিকে নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন সরকার গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিরাপত্তাজনিত কারণ এবং সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার্থে রাজধানীর হেয়ার রোডের এই যমুনাকেই তাঁর সরকারি বাসভবন হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন যে, ড. ইউনূস ভবন ছাড়ার পর কিছু প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী সেখানে সপরিবারে উঠবেন।
যদিও এর আগে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে সংসদ ভবন এলাকা বিবেচায় ছিল, তবে সময়স্বল্পতার কারণে যমুনাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সরকারি মেয়াদে থাকাকালীনই ড. ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় ২০ জন উপদেষ্টা তাঁদের কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন বলে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, যমুনা ছাড়ার পর ড. ইউনূস তাঁর ‘থ্রি জিরো’ ভিশন নিয়ে বিশ্বজুড়ে কাজ করবেন এবং ইতোমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সফরের আমন্ত্রণও পেয়েছেন যার সমন্বয় করছেন এসডিজি-র সাবেক প্রধান সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- আজ ১০ রমজান: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
- বিপজ্জনক অবস্থানে বাংলাদেশ! ঘন ঘন ঝাঁকুনিতে বড় প্রলয়ের অশনিসংকেত
- শিশুর প্রশ্ন-আংকেল রোজা রাখেন? প্রধানমন্ত্রীর উত্তর-জ্বি সবগুলো রেখেছি
- স্বজনপ্রীতি নয়, যাচাই করে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ
- জেদ্দায় বৈঠক: রিয়াদ সফরে আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
- পাকিস্তান–আফগান সংঘাতে জাতিসংঘের উদ্বেগ
- ভূমিকম্পে যে দোয়া পড়তে বলেছিলেন রাসূল (সা.)
- শনিবার একাধিক এলাকায় ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ
- মাধবদীতে কিশোরী হত্যা: ইউনিয়ন নেতাসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার
- ডিএসইতে সাপ্তাহিক পতনে শীর্ষে থাকা ১০ প্রতিষ্ঠান
- ডিএসইতে সপ্তাহের বাজারে সেরা ১০ পারফরমার
- এসএমই তহবিল শিল্পে না গিয়ে ট্রেজারি বন্ডে, মুনাফায় বিদেশ সফর
- ইউনূস সরকারের আমলে ৬৫টি প্রকল্পে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধি
- রাজধানীতে তাপমাত্রার হালনাগাদ তথ্য
- আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম! জানুন নতুন মূল্যতালিকা
- পাকিস্তানের ‘অপারেশন গজব লিল হক’, আফগানিস্তানে বিমান হামলার দাবি
- কোথায় দেখবেন আজকের সব ম্যাচ?
- আজ নামাজের সময়সূচি জানুন
- আওয়ামী আমলেও এমনটা দেখিনি: ছাত্র রাজনীতির নতুন কালচার নিয়ে ক্ষুব্ধ সারজিস
- ডিএমপিতে বড় ধামাকা! এক প্রজ্ঞাপনেই বদলে গেল ঢাকার পুলিশি কমান্ড
- গণভোটের ফলাফলে নাটকীয় মোড়: এক ঝটকায় কমলো হ্যাঁ ভোটের সংখ্যা
- খুচরা বিক্রেতাদের কারসাজি শেষ: এলপিজি নিয়ে বড় ঘোষণা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
- মহাজাগতিক বিস্ময়: আকাশে দেখা গেল মানুষের মস্তিষ্কের মতো তারা
- গোসল ফরজ রেখেই কি সেহরি খাওয়া যাবে? জেনে নিন ইসলামের বিধান
- কথা রাখলেন তারেক রহমান: ১২ লাখ কৃষকের ঋণের বোঝা শেষ!
- দেশকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করার মিশন: প্রধানমন্ত্রী
- টিউলিপকে ধরতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আদেশ
- জনবল সংকট মেটাতে পুলিশের মেগা নিয়োগের ঘোষণা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- পর্দার প্রেম এবার বাস্তবে: উদয়পুরের প্রাসাদে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন ভিরোশ
- ইফতারে পানিশূন্যতা দূর করবে জাদুকরী ৭টি শরবত
- যমুনা ছাড়ার দিনক্ষণ চূড়ান্ত: এবার বিশ্বজয়ে নামছেন ইউনূস!
- নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের আইনি নোটিশ: বিপাকে মোঃ সাহাবুদ্দিন
- ঢাকাসহ দেশজুড়ে ভূমিকম্প অনুভূত
- ২৬ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- ২৬ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
- ২৬ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- যমুনায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের আবাস বরাদ্দের পূর্ণ তালিকা
- জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্তরা কত টাকা ভাতা পাবে
- ঈদে কত দিনের ছুটি পাবেন চাকরিজীবীরা
- কথায় নয়, কাজেই দক্ষতা প্রমাণ করতে চাই: নতুন গভর্নর
- ইসরায়েলি পার্লামেন্টে বিরল সম্মানে ভূষিত মোদি
- ইফতারে ভাজাপোড়া নয়, স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু চিকেন মোমো হতে পারে সেরা পছন্দ
- মহাকাশে বিরল মহোৎসব: বাংলাদেশ থেকে এক সারিতে দেখা যাবে ৬ গ্রহ!
- সরকারের মেগা প্রজেক্টে মির্জা আব্বাস
- একুশে পদক-২০২৬ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- আজকের মুদ্রার বিনিময় হার: জেনে নিন কোন দেশের মুদ্রায় কত টাকা
- গভর্নর সরিয়ে লুটপাটের পথ খুলল সরকার: নাহিদ ইসলাম
- ড. ইউনূসসহ সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগের পাহাড়
- এমপিই নিরাপদ নন, সাধারণ মানুষের কী হবে? : জামায়াত নেতা
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- অনলাইনে ও মোবাইলে যেভাবে দেখবেন জুনিয়র বৃত্তির ফলাফল
- স্বর্ণের দামে ফের রেকর্ড! ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা
- আবারও বাড়ল স্বর্ণ-রুপার দাম: নতুন দরে নাকাল সাধারণ ক্রেতারা
- বন্ধকী কূটনীতির দেশে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির স্বপ্ন
- ৫ আগস্টের সেই ৪০ মিনিট! বঙ্গভবনের ভেতর যা ঘটেছিল জানালেন রাষ্ট্রপতি
- সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণ! আজ থেকে নতুন রেট কার্যকর
- তালসরায় গাউসিয়া কমিটির মানবিক উদ্যোগ: দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
- ফ্যামিলি কার্ডের জন্য প্রস্তুত ১৩ জেলা: উদ্বোধনের তারিখ জানালেন প্রধানমন্ত্রী
- তিন স্তরের যাচাই শেষে ফ্যামিলি কার্ড: জেনে নিন আবেদনের সব নিয়ম
- সাতক্ষীরায় সংরক্ষিত নারী আসন: নেতাকর্মীদের পছন্দের শীর্ষে সেতারা নাসরিন নিশি
- জাকাত ও ফিতরা কত দেবেন? জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ
- শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় অমর একুশে পালন করল কালিগঞ্জবাসী: বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ
- ইফতারের পরই মাথাব্যথা? জেনে নিন মুক্তির ৫টি সহজ উপায়
- বাহরাইন প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির সভাপতি সম্রাট নজরুল ও সম্পাদক নোমান সিদ্দিকী
- মঈন খানের হাত ধরে নতুন রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন নিয়ে যা বললেন স্থায়ী কমিটির সদস্য








