জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনে সরকারের ৮টি জরুরি নির্দেশনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। এরই মধ্যে গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করা হয়েছে। এবার এই গণভোট কীভাবে পরিচালিত হবে এবং এর নিয়মকানুন কী হবে সে বিষয়ে আটটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার ২৬ নভেম্বর আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পাবলিক রিলেশন অফিসার ডক্টর মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে গণভোট নিয়ে এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো হয়েছে। সরকারের দেওয়া ৮টি নির্দেশনায় ভোটের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
১. জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট একই কেন্দ্রে একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে।
২. সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করা ভোটার তালিকাই গণভোটের তালিকা হিসেবে গণ্য হবে।
৩. দুই ভোটের সময়সীমা একই থাকবে অর্থাৎ একই সময়ে দুটি ভোট শুরু হবে এবং শেষ হবে।
৪. জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য আলাদা দুটি ভিন্ন রঙের ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপার থাকবে যাতে ভোটাররা বিভ্রান্ত না হন।
৫. নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা দুই ভোটের দায়িত্বেই নিয়োজিত থাকবেন।
৬. গণভোটে একটি সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন থাকবে। জনগণ সম্মতি জ্ঞাপন করলে হ্যাঁ তে সিল দেবেন আর সম্মত না হলে না তে সিল দেবেন।
৭. প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে গণভোটে অংশ নিতে পারবেন।
৮. একই সময়ে দুই ভোটের গণনা চলবে এবং জাতীয় নির্বাচনের ভোট গণনাপদ্ধতির মতোই গণভোটের গণনা সম্পন্ন হবে।
গণভোটের অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে জুলাই জাতীয় সনদ বা সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ অনুসারে সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত কতিপয় প্রস্তাবের বিষয়ে জনগণের সম্মতি রয়েছে কি না তা যাচাইয়ে গণভোটের বিধান প্রণয়নকল্পে এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয় ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টে সংঘটিত ছাত্র জনতার সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশিত জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্যে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ এ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে জনগণের রায় জানাই এর মূল লক্ষ্য। এই রায় যাচাইয়ের জন্যই গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে।
সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাতের একটি গভীর অপপ্রয়াস হিসেবে অভিহিত করে এই দিনটিকে যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে শহীদ সেনা অফিসারদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে অত্যন্ত আবেগঘন কণ্ঠে উল্লেখ করেন যে ঘটনার দীর্ঘ ১৭ বছর পর শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত এই প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে তিনি কেবল একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নন, বরং একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে শহীদ পরিবারগুলোর পাশে উপস্থিত হয়েছেন। তিনি বলেন যে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন বীর শহীদকে হারানো আমাদের জাতীয় জীবনে এক গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে যার বেদনা আজও অম্লান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন যে দীর্ঘ সংগ্রামের পর আজ জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে এবং এই সরকার সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করতে বদ্ধপরিকর। তিনি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা স্মরণ করে বলেন যে ১৯৭১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, তখন তদানীন্তন ইপিআরের সদস্যরা সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেছিল।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে পিলখানার এই নির্মম ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা এখন আমাদের জাতীয় দায়িত্বে পরিণত হয়েছে এবং ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে ইতিহাসে সঠিক সম্মান না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না। এ লক্ষ্যে সেনাবাহিনী ও শহীদ পরিবারগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এই স্মৃতিকে অম্লান রাখতে বর্তমান সরকার কাজ করবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।
বক্তব্যের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেনাবাহিনীর ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন যে পিলখানার ঘটনার মাধ্যমে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর যে দুর্বলতা ফুটে উঠেছিল, তা কাটিয়ে উঠতে বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করা হবে।
একই সঙ্গে তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে তাদের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণআন্দোলন এবং ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শাহাদাতবরণকারী সকল ছাত্র-জনতার পাশাপাশি পিলখানার শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
/আশিক
বিটিভিকে জনগণের প্রচার মাধ্যমে রূপান্তরিত করা হবে: তথ্যমন্ত্রী
রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনকে (বিটিভি) একটি বিশেষ গোষ্ঠীর বদলে সাধারণ জনগণের সত্যিকারের প্রচার মাধ্যমে রূপান্তরিত করার বড় এক উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। আজ বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন যে তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিকল্পনা ও বর্তমান অগ্রগতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারকে জনগণের কাজে লাগানোর বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
তথ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো বিটিভি ও বেতারের মতো রাষ্ট্রীয় মাধ্যমগুলোকে এমনভাবে সংস্কার করা যাতে এগুলো সরাসরি মানুষের প্রয়োজন ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রচার করতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ গড়ার কাজে সরকারের অধীনস্থ সব প্রচার মাধ্যম এবং একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে কীভাবে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা সাজানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন যে সারা পৃথিবী এখন একটি তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কমিউনিকেশন সিস্টেমের মধ্যে প্রবেশ করেছে এবং বাংলাদেশকে সেই আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বর্তমান সরকার চায় বিটিভিকে শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় ঘোষণা দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে না রেখে একে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক জনগণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে। তিনি জানান যে বিটিভিকে এই নতুন রূপে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যটি এখন পর্যন্ত একটি বিমূর্ত পরিকল্পনার পর্যায়ে রয়েছে এবং একে বাস্তবে মূর্তমান করার জন্য মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় ‘হোমওয়ার্ক’ বা প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু করেছে।
তথ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে খুব শীঘ্রই একটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাবনা তৈরি করা হবে যার মাধ্যমে বিটিভির খোলনলচে বদলে ফেলে একে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত করা সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রীর সাথে দীর্ঘ সময় নিয়ে হওয়া এই বৈঠকটি দেশের তথ্য ও যোগাযোগ খাতে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন।
/আশিক
পিলখানা হত্যার প্রতিটি খুনিকে আইনের আওতায় আনা হবে: মির্জা ফখরুল
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর সাজার ব্যবস্থা করা হবে বলে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকালে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন যে ২০০৯ সালের এই কালো দিনে বিডিআরের ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ প্রায় ৭২ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল যা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং একটি কলঙ্কিত অধ্যায়। তাঁর মতে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চিরতরে ভেঙে দেওয়া এবং একযোগে এত বিপুল সংখ্যক মেধাবী সেনা কর্মকর্তাকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মনোবল গুঁড়িয়ে দেওয়ার এক গভীর দেশবিরোধী চক্রান্ত করা হয়েছিল।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ষড়যন্ত্রকারীরা চেয়েছিল আমাদের সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করতে কিন্তু এদেশের সচেতন জনগণ স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষার প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন যে বিএনপি সরকার গঠনের মাধ্যমে পুনরায় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সুযোগ পেয়েছে এবং এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পিলখানা ট্র্যাজেডির প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
তিনি বিশ্বাস করেন যে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত জাতির বুক থেকে কলঙ্কের এই বোঝা নামবে না। পরিশেষে তিনি দেশের জন্য জীবন বিসর্জন দেওয়া বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং পিলখানায় নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
/আশিক
পিলখানা হত্যার এমন বিচার হবে যা ইতিহাসে নজির হয়ে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ‘শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন যে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের জন্য নতুন করে আর কোনো তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান যে গত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যথোপযুক্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়েই একটি তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল এবং সেই কমিশনের রিপোর্ট বর্তমান সরকারের হাতে রয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন যে আজ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় যথাযথ গুরুত্বের সাথে শহীদ সেনা দিবস পালন করা হয়েছে যেখানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যারা জীবন দিয়েছেন তাদের আত্মত্যাগকে চিরভাস্বর অভিহিত করে তিনি বলেন যে পিলখানা হত্যাকাণ্ড শুধু বাংলাদেশের নয় বরং পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস একটি ঘটনা।
সালাহউদ্দিন আহমদ অভিযোগ করেন যে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল উদ্দেশ্য উদঘাটনের জন্য তৎকালীন সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও দীর্ঘ সময়েও তার ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় গঠিত জাতীয় কমিশনের রিপোর্টটি বর্তমানে সরকারের সামনে রয়েছে এবং সেখানে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান যে গত সরকার ওই রিপোর্ট বাস্তবায়নে তেমন কোনো উদ্যোগ না নিলেও বর্তমান সরকার কমিশনের দেওয়া সুপারিশগুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে।
বিশেষ করে বিচারিক প্রক্রিয়ায় থাকা মামলাগুলো দ্রুত শেষ করার পাশাপাশি অন্যান্য সুপারিশগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। শহীদ পরিবারের সদস্যদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন যে এই হত্যাকাণ্ডের এমনভাবে যথাযথ বিচার করা হবে যাতে ভবিষ্যতে আর কখনো এমন বর্বরোচিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মূলত আমাদের গর্বিত সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র ছিল এবং যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না তারাই এই ধরনের ন্যক্কারজনক কাজ করতে পারে।
/আশিক
বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে ২০০৯ সালে সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনাসদস্যদের স্মরণে রাজধানীর বনানীস্থ সামরিক কবরস্থানে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকালে পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে শহীদদের বীরত্ব ও ত্যাগের প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও সত্য উদ্ঘাটনের এই নতুন আবহে দিনটি আজ রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।
এদিন সকাল ১০টার দিকে বনানী সামরিক কবরস্থানে বীর শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদনের পরপরই পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান জ্ঞাপন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থেকে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন এবং পরে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে আয়োজিত বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
শোকাবহ এই শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি আরও উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধানরা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা যারা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন। উল্লেখ্য যে আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসের এক বিভীষিকাময় ও কলঙ্কিত দিন হিসেবে পরিচিত কারণ ২০০৯ সালের এই দিনে রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর এবং বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি সদর দপ্তরে বিদ্রোহের নামে ৫৭ জন চৌকশ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল।
ইতিহাসের সেই বর্বরোচিত ও কলঙ্কিত অধ্যায়টি দীর্ঘ সময় অবহেলিত থাকলেও ২০২৪ সালের পর থেকে বর্তমান সরকারের উদ্যোগে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে যথাযোগ্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে। আজকের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত শহীদ পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের সকল ষড়যন্ত্র উন্মোচন করার বিষয়ে পুনরায় দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
/আশিক
পিলখানা হত্যার নেপথ্যে ছিল সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন যে দেশ ও জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোই হোক আজকের জাতীয় শহীদ সেনা দিবসের মূল প্রত্যয়। আজ বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, পিলখানায় সংঘটিত নারকীয় সেনা হত্যাযজ্ঞের ১৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ২০০৯ সালের সেই কালো দিনের কথা স্মরণ করে বলেন যে ২৫ ফেব্রুয়ারি আমাদের ইতিহাসের এক কলঙ্কিত দিন যখন বিডিআর সদর দফতর পিলখানায় ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল।
তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন যে ২০০৯ সালের পর দীর্ঘ সময় এই দিনটিকে যথাযোগ্য গুরুত্ব ও মর্যাদার সাথে পালন করা হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে এই দিনটি পুনরায় রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে যা আমাদের জাতীয় সংহতির পরিচয় দেয়। আজকের এই বিশেষ দিনে প্রধানমন্ত্রী সকল শহীদের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে যেহেতু এটি একটি বিচারাধীন বিষয়, তাই এই মুহূর্তে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে তিনি দেশবাসীকে সচেতন করে বলেন যে নাগরিক হিসেবে আমাদের সবার উপলব্ধিতে থাকা জরুরি যে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী এক গভীর তৎপরতা বিদ্যমান ছিল। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী সময়ে নানা রকম মিথ্যা তথ্য এবং সুপরিকল্পিত অপতথ্য দিয়ে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল যাতে এই জঘন্য অপরাধের পেছনের প্রকৃত রহস্য আড়ালে থাকে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে সশস্ত্র বাহিনীকে একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন যে ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে আমাদের গৌরবময় সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ আমাদের সকলকে পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে। দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকারই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
/আশিক
বিজিবি না কি বিডিআর? নাম ও পরিচয় পরিবর্তনের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত
রক্তক্ষয়ী পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর আজ। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যার সেই ক্ষত আজও দগদগে। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এবারের পিলখানা দিবস পালিত হচ্ছে ভিন্ন আবহে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনের আগের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর নাম বদলে পুনরায় ‘বিডিআর’ রাখা এবং তাদের আগের ইউনিফর্ম পুনর্বহালের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমান্ত অনুবিভাগের যুগ্মসচিব রেবেকা খান জানিয়েছেন, বিডিআর নাম ফিরিয়ে আনার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। এখন কেবল ফাইল প্রসেসের অপেক্ষা। বিজিবি বা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিক চাহিদা এলেই দ্রুততম সময়ে এই পরিবর্তনের কাজ শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই দিনটিকে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের বিষয়েও তাঁর বাণীতে গুরুত্বারোপ করেছেন।
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ উদ্ঘাটনে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত ‘জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন’ তাদের রিপোর্টে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ও প্রতিবেশী একটি রাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার তথ্য দিয়েছিল। কমিশনের রিপোর্টে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসসহ বেশ কয়েকজন নেতার নাম আসলেও বর্তমান সরকার সেই রিপোর্টে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ঘোষণা দিয়েছেন, প্রকৃত সত্য বের করতে সরকার নতুন করে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করবে।
তবে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে ভিন্নমত দেখা গেছে। গত বছর এক অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান স্পষ্ট করে বলেছিলেন, এই বর্বরতা কোনো সেনাসদস্য করেনি, এটি ছিল তৎকালীন বিডিআর সদস্যদের কাজ। এর বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো সংশয় থাকা উচিত নয়। অন্যদিকে, ২০০৯ সালের সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) মইন ইউ আহমেদ সম্প্রতি জানিয়েছেন, তৎকালীন সরকার তদন্তে তাকে যথাযথ সহযোগিতা করেনি।
পিলখানার সেই দুই দিনের নৃশংসতা আজও বাঙালির হৃদয়ে বড় এক বেদনার নাম। শহীদদের স্মরণে আজ সকাল থেকেই বনানী সামরিক কবরস্থানে ও পিলখানায় শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে।
/আশিক
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের কাছে বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী
পিলখানায় সংঘটিত নারকীয় সেনা হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র বিদ্যমান ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের পর এখন মুক্ত বাংলাদেশে এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জনগণের কাছে অত্যন্ত বোধগম্য।
তারেক রহমান তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় দিনটিকে যথাযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া না হলেও, ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে এটি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “সশস্ত্র বাহিনী আমাদের সম্মান ও গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে না পারে, আজ আমাদের সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।”
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ বর্তমানে চলমান। বিচারাধীন বিষয় হওয়ায় বিস্তারিত মন্তব্য না করলেও তিনি মনে করিয়ে দেন যে, এই ঘটনার পর নানা ধরনের অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। শহীদদের মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোই হোক এই দিবসের মূল প্রত্যয়।
/আশিক
৫ আগস্টের পর নিরীহদের আসামি করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়া নেতাকর্মীদের জন্য বড় সুখবর দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, বিরোধী দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে দায়ের করা আরও ১ হাজার ২০২টি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।
৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে এবং সুবিধা হাসিলের জন্য নিরীহ মানুষকে আসামি করে যে সব ‘হয়রানিমূলক’ মামলা করা হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “কিছু সুবিধাবাদী শ্রেণি ব্যক্তিগত সুবিধা চরিতার্থ করতে নিরীহ লোকদের আসামি করেছে, যা আমাদের নজরে এসেছে। আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর; কেউ যাতে অহেতুক হয়রানির শিকার না হন, তা যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত করা হবে।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, ঢালাওভাবে সব মামলা প্রত্যাহার করা হচ্ছে না। হত্যা, মাদক, অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধের মামলাগুলো এই তালিকার বাইরে থাকবে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলোই বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এর আগে ১ হাজার ৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। মামলাগুলো প্রকৃতপক্ষেই রাজনৈতিক কি না, তা আরও সতর্কতার সাথে যাচাই করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হচ্ছে এবং আজ-কালের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- বন্ধকী কূটনীতির দেশে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির স্বপ্ন
- নেসেটে মোদিকে ‘প্রিয় বন্ধু’ বলে স্বাগত জানালেন নেতানিয়াহু
- সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
- মরুভূমির বালু হবে উর্বর জমি: চীনের বিজ্ঞানীদের নতুন আবিষ্কারে সবুজের বিপ্লব
- ১৮ বছর পর ফিরে আসা উৎসবে রক্তের দাগ: লাহোরে প্রাণ হারাল ১৭ জন
- বাহরাইন প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির সভাপতি সম্রাট নজরুল ও সম্পাদক নোমান সিদ্দিকী
- প্রশাসনে জামায়াত-এনসিপির দুর্গ চুরমার করে দিচ্ছে বিএনপি: রনি
- জুলাই বিপ্লবকে ব্যর্থ করার অপতৎপরতা চলছে: ভিপি আবু সাদিক কায়েম
- রাষ্ট্রপতির অভিশংসন ছাড়া জুলাইয়ের বিচার পূর্ণ হবে না: নাহিদ ইসলাম
- রোজায় প্রশান্তি জোগাবে স্বাস্থ্যকর খরমুজের শরবত: জেনে নিন তৈরির সহজ উপায়
- বিটিভিকে জনগণের প্রচার মাধ্যমে রূপান্তরিত করা হবে: তথ্যমন্ত্রী
- নতুন এমপিওভুক্তি কি কার্যকর হচ্ছে? যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
- সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ সম্মাননা পেলেন কনস্টেবল আসাদুজ্জামান
- অসুস্থ জামায়াত আমিরের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- আন্দোলনের মুখে বিদায় নিতে হলো আহসান এইচ মনসুরকে
- ২৫ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- ২৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
- ২৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, দেখুন বোর্ডভিত্তিক বৃত্তির চিত্র
- বাংলাদেশ ব্যাংকে নতুন গভর্নর হলেন যিনি
- ফিতরার হার নির্ধারণ : জনপ্রতি সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ যত টাকা
- পিলখানা হত্যার প্রতিটি খুনিকে আইনের আওতায় আনা হবে: মির্জা ফখরুল
- বিএনপির সংরক্ষিত আসনে দেবিদ্বারের সাহসী মুখ রেহেনা পারভীন
- দেবীদ্বারের গুনাইঘর বায়তুল আজগর সাত গম্বুজ জামে মসজিদ
- রোজায় পানিশূন্যতা বিদায় হবে নিমিষেই: সুস্থ থাকতে মেনে চলুন এই জাদুকরী নিয়ম
- ওজন কমাতে চান না কি মেদ ঝরাতে? দই ও ঘোলের গুণাগুণ জেনে নিন
- জেনে নিন আজকের বাজারে মুদ্রার বিনিময় হার
- পিলখানা হত্যার এমন বিচার হবে যা ইতিহাসে নজির হয়ে থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা! পরমাণু আলোচনার মুখে ৩শ মার্কিন যুদ্ধবিমান মোতায়েন
- পিলখানা হত্যার নেপথ্যে ছিল সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা: প্রধানমন্ত্রী
- আজ বুধবার: রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- বিয়ের মৌসুমে কপালে চিন্তার ভাঁজ: ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
- অনলাইনে ও মোবাইলে যেভাবে দেখবেন জুনিয়র বৃত্তির ফলাফল
- বিজিবি না কি বিডিআর? নাম ও পরিচয় পরিবর্তনের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত
- নৈতিকতার প্রশ্নে আপস নেই: ছাত্রশিবিরের অধিবেশনে জামায়াত আমিরের বড় বার্তা
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- আজকের ঢাকা: কোথায় কোন কর্মসূচি? যানজট এড়াতে জেনে নিন রুট ম্যাপ
- আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজ ৭ রমজান: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
- ভোটের রাজনীতিতে আসিফ মাহমুদ: ঢাকা দক্ষিণে এনসিপির বড় বাজি
- পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের কাছে বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী
- গ্যাসের গন্ধ পেলেই যা করবেন: সিলিন্ডার বিস্ফোরণ এড়াতে জরুরি টিপস
- ৫ আগস্টের পর নিরীহদের আসামি করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- জাকাত ও ফিতরা কত দেবেন? জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ
- ইউনিভার্সিটির শিক্ষক হলেন ডাকসুর আলোচিত সেই ভিপি প্রার্থী
- সাতক্ষীরায় সংরক্ষিত নারী আসন: নেতাকর্মীদের পছন্দের শীর্ষে সেতারা নাসরিন নিশি
- শতাধিক পরিবারকে নিয়ে তালসরা ইসলামি সততা সংগঠনের ইফতার বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
- অবুঝ নয় জাতি: রাষ্ট্রপতির আচরণ নিয়ে জামায়াত আমিরের কড়া সমালোচনা
- রোজায় ওজন কমাতে চান? ইফতারে কলা খাওয়ার ৫টি দারুণ কারণ
- অনলাইনে ও মোবাইলে যেভাবে দেখবেন জুনিয়র বৃত্তির ফলাফল
- স্বর্ণের দামে ফের রেকর্ড! ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা
- হু হু করে কমল সোনার দাম
- আবারও বাড়ল স্বর্ণ-রুপার দাম: নতুন দরে নাকাল সাধারণ ক্রেতারা
- ৫ আগস্টের সেই ৪০ মিনিট! বঙ্গভবনের ভেতর যা ঘটেছিল জানালেন রাষ্ট্রপতি
- সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণ! আজ থেকে নতুন রেট কার্যকর
- তিন স্তরের যাচাই শেষে ফ্যামিলি কার্ড: জেনে নিন আবেদনের সব নিয়ম
- ফ্যামিলি কার্ডের জন্য প্রস্তুত ১৩ জেলা: উদ্বোধনের তারিখ জানালেন প্রধানমন্ত্রী
- তালসরায় গাউসিয়া কমিটির মানবিক উদ্যোগ: দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দর কত? জেনে নিন বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা
- সাতক্ষীরায় সংরক্ষিত নারী আসন: নেতাকর্মীদের পছন্দের শীর্ষে সেতারা নাসরিন নিশি
- স্বাধীনতার পর প্রথম মন্ত্রী: কুমিল্লা বরুড়াবাসীর স্বপ্ন পূরণ করতে চান জাকারিয়া তাহের
- স্বর্ণের বাজারে টানা দরপতন: দুই দফায় কমল প্রায় সাড়ে ৫ হাজার টাকা
- জাকাত ও ফিতরা কত দেবেন? জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ








