এক কেজি আলুর দামে এখন পাওয়া যায় না এক আঁটি শাকও!

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ১০ ১৮:২৬:২১
এক কেজি আলুর দামে এখন পাওয়া যায় না এক আঁটি শাকও!
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে আলুর দাম পড়ে গেছে এমন পর্যায়ে যে আধা লিটার বোতলজাত পানির দামে এখন এক কেজি আলু পাওয়া যাচ্ছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে আধা লিটারের বোতলজাত পানির দাম যেখানে ২০ টাকা, সেখানে খুচরা পর্যায়ে এক কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ টাকায়। অর্থাৎ আধা লিটার পানির দামে এক কেজি আলু এমন বাস্তবতা এখন কৃষকদের জন্য চরম হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাধারণত ‘পানির দামে বিক্রি’ বলতে অতি সস্তা দাম বোঝানো হয়, কিন্তু এখন সেটি যেন আক্ষরিক অর্থেই সত্যি হয়েছে। আলুচাষিদের অভিযোগ, এত কম দামে আলু বিক্রি করে তারা উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না। ফলে কৃষক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী, এমনকি হিমাগার মালিকরাও লোকসানের মুখে পড়েছেন।

বর্তমানে বাজারে অন্য যেসব সবজি পাওয়া যাচ্ছে, তার কোনোটির দামই আলুর মতো কম নয়। উদাহরণস্বরূপ, পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় এবং এক আঁটি শাক ১৫ থেকে ২০ টাকায়। অথচ গত বছর একই সময়ে প্রতি কেজি আলুর দাম ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে আলুর দাম তিন ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। উৎপাদন এলাকাগুলোতে খুচরা দরে প্রতি কেজি আলু ১৪ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দেশে আলুর বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৯০ লাখ টন, কিন্তু চলতি অর্থবছরে উৎপাদিত হয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ টন। অতিরিক্ত উৎপাদনই মূলত দাম কমার প্রধান কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে মুন্সিগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী, নওগাঁ ও জয়পুরহাটের কৃষকেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মুন্সিগঞ্জে এক কেজি আলু উৎপাদন ও হিমাগারে সংরক্ষণে খরচ হয়েছে ২৬ থেকে ২৮ টাকা, অথচ বিক্রি করে কৃষকের হাতে থাকছে মাত্র ৫০ থেকে ৬০ পয়সা।

মুন্সিগঞ্জের কৃষক আহসান উল্লাহ সরকার জানান, “এই মৌসুমে আলু বিক্রি করে লাখ টাকারও বেশি লোকসান গুনতে হয়েছে। আগামী মৌসুমে আলুর আবাদ কমিয়ে অন্য ফসল চাষের চিন্তা করছি।” একই অবস্থার কথা জানিয়েছেন এলাকার আরও অনেক কৃষক।

দামের পতনে হিমাগারগুলোতেও সংকট দেখা দিয়েছে। কৃষকেরা আলু তুলতে না আসায় নভেম্বরের মধ্যে সব আলু খালাস না হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের নিপ্পন কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপক রেজাউল করিম বলেন, “যারা হিমাগারে আলু রেখেছেন, তাদের অনেকে পুঁজিহীন হয়ে পড়েছেন। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে আলু না তুললে হিমাগারের মালিকরা নিজেরাই বিক্রি করে খরচ তোলার চেষ্টা করবেন, কিন্তু বাজারে এমন দাম থাকলে সেটিও কঠিন হবে।”

আলুর দাম স্থিতিশীল রাখতে গত আগস্টে কৃষি মন্ত্রণালয় হিমাগার থেকে ২২ টাকা কেজি দরে ৫০ হাজার টন আলু কেনার ঘোষণা দিয়েছিল। টিসিবির মাধ্যমে এই আলু কেনার কথা থাকলেও প্রক্রিয়াটি এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। টিসিবির মুখপাত্র শাহাদত হোসেন জানিয়েছেন, “আলু কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং তা শেষ পর্যায়ে রয়েছে।”

-রফিক


আজকের টাকার রেট: ডলার ও ইউরোর সর্বশেষ বিনিময় হার জানুন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ১১:২৯:০৪
আজকের টাকার রেট: ডলার ও ইউরোর সর্বশেষ বিনিময় হার জানুন
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বর্তমানে দেশের কোটি মানুষ প্রবাসে অবস্থান করছেন এবং তাঁদের পাঠানো কষ্টার্জিত রেমিট্যান্সের ওপর ভর করেই সচল রয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসীদের সুবিধার্থে আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) দেশের মুদ্রা বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার তুলে ধরা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার মুদ্রা বাজারে মার্কিন ডলারের কেনার দাম ১২২.৮০ টাকা এবং বিক্রির দাম ১২২.৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরো কেনার ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪১.৭২ টাকা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে ১৪১.৭৯ টাকা।

ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রে আজ কেনার দাম ১৬২.৪৮ টাকা এবং বিক্রির দাম ১৬২.৬০ টাকা।

এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার মধ্যে জাপানি ইয়েন কেনা ও বিক্রি উভয় ক্ষেত্রেই ০.৭৬ টাকা দরে লেনদেন হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ান ডলারের কেনার দাম ৮৪.৯২ টাকা এবং বিক্রির দাম ৮৪.৯৮ টাকা।

সিঙ্গাপুর ডলারের ক্ষেত্রে আজ কেনার দাম ৯৫.৫৪ টাকা এবং বিক্রির দাম ৯৫.৬৪ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

কানাডিয়ান ডলার কেনা হচ্ছে ৮৮.২৬ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৮৮.৩২ টাকায়।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের মুদ্রা রুপির ক্ষেত্রে আজ কেনার দাম ১.৩১ টাকা এবং বিক্রির দাম ১.৩২ টাকা।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা সৌদি রিয়ালের ক্ষেত্রে আজ কেনার দাম ৩২.৬২ টাকা এবং বিক্রির দাম ৩২.৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী যেকোনো সময় বৈদেশিক মুদ্রার এই বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে।

/আশিক


সোনার বাজারে আগুন, ভরি ছাড়াল যত

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ০৮:৩৯:২৪
সোনার বাজারে আগুন, ভরি ছাড়াল যত
ছবি: সংগৃহীত

দেশীয় স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে উন্নত মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা, যা আগের দামের তুলনায় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বেশি। নতুন এই মূল্য বুধবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

স্বর্ণের এই মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ বা তেজাবী সোনার দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই সমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়েই স্বর্ণের দামে ধারাবাহিক বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। এটি টানা চতুর্থ দফা মূল্যবৃদ্ধি। সর্বশেষ দুই দিনে দুই দফায় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা করে দাম বাড়ানো হয়েছে। তারও আগে মার্চের শেষ সপ্তাহে দুই ধাপে আরও ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। সব মিলিয়ে কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি ভরিতে মোট ১৩ হাজার ১২২ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজারে অস্বাভাবিক প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

বিভিন্ন ক্যারেট অনুযায়ী নতুন মূল্য কাঠামোও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা।

এই মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত আসে বাজুসের প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠক থেকে, যেখানে বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে মূল্য পুনর্বিন্যাস করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের অস্থিরতা এবং স্থানীয় চাহিদা বৃদ্ধির সম্মিলিত প্রভাবে এই প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ২২ ক্যারেট রুপার দাম আগের মতোই ৫ হাজার ৭১৫ টাকা রয়েছে। ২১ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৪৯৯ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

-রাফসান


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ও তেলের বাজার: নতুন অর্থনৈতিক সংকটের মুখে বিশ্ব

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ২১:৪৬:০৩
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ও তেলের বাজার: নতুন অর্থনৈতিক সংকটের মুখে বিশ্ব
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বখ্যাত বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগান এক জরুরি সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে চলমান অচলাবস্থা ও সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনা যদি মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত গড়ায়, তবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে তেলের দাম ১২০ থেকে ১৩০ ডলারে পৌঁছানো এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।

জেপি মরগানের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তাদের মূল ধারণা অনুযায়ী এই সংকট শেষ পর্যন্ত আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হবে। তবে সেই সমাধান আসার আগ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট এবং মজুত হ্রাসের কারণে দাম চড়া থাকবে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক বা জুন মাস পর্যন্ত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের উপরেই অবস্থান করবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বছরের শেষার্ধে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করলে এবং প্রণালিটি আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হলে দাম পুনরায় কমতে পারে।

তবে ব্যাংকটি একটি বড় ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে জানিয়েছে, তেলের এই উচ্চমূল্য কতদিন স্থায়ী হবে তার ওপর নির্ভর করছে বৈশ্বিক অর্থনীতির ভবিষ্যৎ। যদি দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম চড়া থাকে, তবে বিশ্বজুড়ে পণ্য ও সেবার চাহিদা মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত একটি বৈশ্বিক মন্দার পথ প্রশস্ত করবে।

উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ব্যাপক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। তেলের বাজারের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কেবল উন্নয়নশীল দেশগুলো নয়, বরং উন্নত বিশ্বের সামষ্টিক অর্থনীতির জন্যও বড় ধরনের ধাক্কা হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: রয়টার্স।


খেলাপি ঋণের পাহাড়: সাড়ে ৫ লাখ কোটির তথ্য দিলেন আমির খসরু

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ১৭:৩০:৫০
খেলাপি ঋণের পাহাড়: সাড়ে ৫ লাখ কোটির তথ্য দিলেন আমির খসরু
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আকাশচুম্বী হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু জানিয়েছেন, ২০২৫ সাল পর্যন্ত দেশে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৫ লাখ কোটি টাকা। সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উপস্থাপন করেন। অর্থমন্ত্রীর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে রেকর্ড ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

সংসদ অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী দেশের শীর্ষ ২০টি ঋণ খেলাপি প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকাও প্রকাশ করেছেন। এই তালিকায় দেশের বেশ কিছু প্রভাবশালী শিল্প গ্রুপের নাম উঠে এসেছে। তালিকার শীর্ষ দশে রয়েছে এস. আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস. আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড, সালাম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস. আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড এবং সোনালী ট্রেডার্স। এছাড়াও বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড (বেক্সিমকো), গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেড, চেমন ইস্পাত লিমিটেড, এস. আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড এবং ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড শীর্ষ দশে অবস্থান করছে।

তালিকায় থাকা পরবর্তী ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড, দেশবন্ধু সুগার মিলস লিমিটেড, পাওয়ারপ্যাক মুতিয়ারা কেরানীগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড, পাওয়ারপ্যাক মুতিয়ারা জামালপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড এবং প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড। এছাড়াও কর্ণফুলী ফুডস (প্রা.) লিমিটেড, মুরাদ এন্টারপ্রাইজ, সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স লিমিটেড এবং রংধনু বিল্ডার্স (প্রা.) লিমিটেড খেলাপি ঋণের এই তালিকায় স্থান পেয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, এই বিশাল অঙ্কের খেলাপি ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। খেলাপি অর্থ ফিরিয়ে আনতে এবং ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ইতোমধ্যে নানাবিধ আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বকেয়া পাওনা আদায়ে কোনো প্রকার শিথিলতা দেখানো হবে না বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

/আশিক


টানা ৪ বার বাড়ার পর অবশেষে কমল স্বর্ণের দাম!

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ১০:৪০:৪০
টানা ৪ বার বাড়ার পর অবশেষে কমল স্বর্ণের দাম!
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে টানা চার দফা বাড়ার পর অবশেষে স্বস্তির খবর নিয়ে এলো স্বর্ণের দাম। সোমবার (৬ এপ্রিল ২০২৬) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম কমানোর এই ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে।

বাজুসের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে এখন প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ হাজার ৭৪৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা করা হয়েছে। বিশ্ববাজারে দামের উঠানামার প্রেক্ষাপটে দেশের বাজারেও এই সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।

/আশিক


দৈনিক গড়ে এক হাজার কোটি! প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ২১:৪০:৫৬
দৈনিক গড়ে এক হাজার কোটি! প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি
ফাইল ছবি

চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শুরুতেই দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহে এক অভাবনীয় জোয়ার দেখা গেছে। এপ্রিলের প্রথম চার দিনেই দেশে এসেছে মোট ৩৩ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ হাজার ১৩৫ কোটি ৮০ লাখ টাকার সমান (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।

এর ফলে দেখা যাচ্ছে, দৈনিক গড়ে এক হাজার কোটি টাকারও বেশি রেমিট্যান্স দেশে প্রবেশ করছে। রোববার (৫ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইতিবাচক তথ্য জানিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের এপ্রিলের প্রথম চার দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল মাত্র ৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে বিস্ময়কর ৪২৫ দশমিক ৩০ শতাংশ। শুধু তাই নয়, চলতি অর্থবছরের সামগ্রিক চিত্রও বেশ আশাব্যঞ্জক।

গত ১ জুলাই থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৬৫৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের (২ হাজার ১৮৫ কোটি ডলার) তুলনায় ২১ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। ঈদ উৎসব ও পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে প্রবাসীরা বেশি করে টাকা পাঠানোয় রিজার্ভে এমন স্বস্তির হাওয়া লেগেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

/আশিক


সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ১০:৩৩:১৫
সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও বাড়িয়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ বুধবার (১ এপ্রিল ২০২৬) সকালে ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানোর ফলে বর্তমানে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকায়।

বাজুসের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকেই সারাদেশে এই নতুন দর কার্যকর হয়েছে। এর আগে গত ৩১ মার্চও সোনার দাম এক দফা বাড়ানো হয়েছিল, যেখানে ২২ ক্যারেট সোনার ভরি ছিল ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। অর্থাৎ মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সোনার দাম আকাশচুম্বী উচ্চতায় পৌঁছেছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট সোনা ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ৫১ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩০ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। গত ২০২৫ সালেও দেশের বাজারে রেকর্ড ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল।

সোনার পাশাপাশি রুপার দামও ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকায়। চলতি বছর রুপার দামও এখন পর্যন্ত ৩০ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৭ বারই দাম বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় চাহিদার কারণে মূল্যবান এই ধাতুগুলোর দাম প্রতিনিয়ত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।

/আশিক


সরাসরি তেল কেনার ঘোষণা! জ্বালানি নিয়ে সরকারের বিশাল চাল

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৪ ২১:৫৮:৫৮
সরাসরি তেল কেনার ঘোষণা! জ্বালানি নিয়ে সরকারের বিশাল চাল
ছবি : সংগৃহীত

দেশের জরুরি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে মোট ১৬ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল এবং ১ লাখ মেট্রিক টন গ্যাসোলিন (অকটেন) আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে উদ্ভূত বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও সম্ভাব্য সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় সরকার এই দ্রুত আমদানির পদক্ষেপ নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক (ইউএই) ডিবিএস ট্রেডিং হাউস এফজেডসিওর কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১০ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল এবং ১ লাখ মেট্রিক টন ৯৫ আনলেডেড অকটেন কেনা হবে।

এছাড়া ইউএইর আরেক কোম্পানি ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসির কাছ থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন এবং কাজাখস্তানের কাজাখ গ্যাস প্রসেসিং প্ল্যান্ট এলএলপির কাছ থেকে ৫ লাখ মেট্রিক টন হাই স্পিড ডিজেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে দেশে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতেই এই বিশাল পরিমাণ জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

/আশিক


বিনিময় হারে বড় চমক! ওমানি রিয়াল ও ব্রিটিশ পাউন্ডের নতুন দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৪ ১৩:০১:৪৫
বিনিময় হারে বড় চমক! ওমানি রিয়াল ও ব্রিটিশ পাউন্ডের নতুন দাম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে আন্তর্জাতিক লেনদেনের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সঠিক বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আজ শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী বিদেশি মুদ্রার বিনিময় হার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আমেরিকান ডলারের দর ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায় অবস্থান করছে।

অন্যদিকে ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরো ১৪২ টাকা ২৪ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬৩ টাকা ৩০ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ৬১ পয়সা এবং চীনা ইউয়ান ১৭ টাকা ৮৪ পয়সা দরে বিনিময় হচ্ছে।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের ১ রুপি সমান বাংলাদেশি টাকায় ১ টাকা ৩১ পয়সা ধার্য করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কর্মরত প্রবাসী ও ব্যবসায়ীদের জন্য রিঙ্গিত ও রিয়ালের দরেও কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।

বর্তমানে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩০ টাকা ৩৭ পয়সা এবং সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৬১ পয়সা দরে লেনদেন হচ্ছে।

ওমানি রিয়াল ৩১৮ টাকা ৩৮ পয়সা হলেও কুয়েতি দিনারের মান বরাবরের মতো সর্বোচ্চ অবস্থানে থেকে ৩৯৫ টাকা ৭৭ পয়সায় পৌঁছেছে।

অন্যান্য মুদ্রার মধ্যে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৫ টাকা ০১ পয়সা, কানাডিয়ান ডলার ৮৮ টাকা ৪৬ পয়সা এবং জাপানি ইয়েন মাত্র ৭৭ পয়সা দরে বিনিময় হচ্ছে।

বাণিজ্যিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এই বিনিময় হারগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, যা আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের সঠিক হিসাব বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

(সূত্র: গুগল)

*যে কোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

পাঠকের মতামত: