চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় নারী ক্রিকেটারদের পুরস্কারে বাজিমাত

ভারতের নারী ক্রিকেট দল দক্ষিণ আফ্রিকাকে পরাজিত করে ইতিহাস রচনা করেছে, জয় করে প্রথমবারের মতো নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ। এর আগে দুইবার ফাইনালে উঠলেও ট্রফি ছোঁয়া হয়নি, কিন্তু এবার ভারতীয় মেয়েরা ব্যর্থ হননি এবং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দলের কয়েকজন তারকা ক্রিকেটার যেমন হারমানপ্রীত কৌর ও স্মৃতি মন্ধান উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন। তাদের আয়ের পরিমাণ ভারতের পুরুষ দলের পুরস্কারের থেকেও বেশি। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৩ সালের পুরুষদের একদিনের বিশ্বকাপ জয়ের সময় অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়রা যা পেয়েছিল, তার চেয়ে এবার ভারতীয় মেয়েদের উপার্জন বেশি।
বিশ্বকাপ জয়ের পুরস্কার হিসেবে ভারতীয় নারী দল পেয়েছে মোট ৩৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এই অর্থ দলের খেলোয়াড় ও সহায়ক স্টাফদের মধ্যে সমানভাবে বিতরণ করা হবে। তুলনামূলকভাবে, ২০২৩ সালে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে ভারত যখন বিশ্বকাপ জিতেছিল, তখন অস্ট্রেলিয়ার দল পেয়েছিল ৩৫.৫ কোটি টাকা, যা হারমানপ্রীতদের উপার্জনের চেয়ে প্রায় ৪ কোটি কম।
এবারের চ্যাম্পিয়ন দলকে গতবারের মেয়েদের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন দলের তুলনায় ২৩৯ শতাংশ বেশি অর্থ দেওয়া হয়েছে। রানার্সআপ দলও অতীতের তুলনায় ২৭৩ শতাংশ বেশি অর্থ পেয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, গতবার চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্সআপ দল যথাক্রমে ১১ কোটি ও ৫ কোটি টাকা পেয়েছিল। এবার সেমিফাইনাল খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড পেয়েছে ৯.৩ কোটি টাকা করে, যা আগেরবারের ২.৫ কোটি টাকা থেকে অনেক বেশি।
২০২৫ সালের নারী বিশ্বকাপের মোট পুরস্কারমূল্য দাঁড়িয়েছে ১২৩ কোটি টাকা, যা ২০২১ সালের ২৯ কোটি টাকার চেয়ে চার গুণ বেশি। এবার আইসিসি পুরুষ এবং নারী ক্রিকেটারদের জন্য সমান পুরস্কারমূল্য ঘোষণা করেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, গতবারের পুরুষদের বিশ্বকাপের জন্য দেওয়া অর্থ ৮৪ কোটি টাকা, যা এবার নারী ক্রিকেটারদের থেকে কম।
গ্রুপ পর্বে অংশ নেওয়া প্রতিটি দল পেয়েছে ২ কোটি টাকা করে। পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে শেষ করা দল পেয়েছে ৫.৮ কোটি টাকা, আর সপ্তম ও অষ্টম স্থানের দল পেয়েছে ২.৩ কোটি টাকা করে। পাশাপাশি গ্রুপ পর্বের প্রতিটি জয়িত ম্যাচের জন্য ২৮ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতীয় বোর্ড রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিসহ পুরুষ দলের জন্য ১২৫ কোটি টাকা ঘোষণা করেছিল। এবার নারী দলের বিশ্বকাপ জয় উপলক্ষে বোর্ডের সচিব দেবজিৎ শইকীয়া ঘোষণা করেছেন, দলকে ৫১ কোটি টাকা প্রদান করা হবে। এখান থেকেও জয়ী দলের খেলোয়াড়রা অর্থ পাবেন, যার মধ্যে হারমানপ্রীত কৌর ও স্মৃতি মন্ধান উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত হবেন।
-রাফসান
মমতার পতন না কি বিজেপির উত্থান? পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার পালাবদলে ৫টি বড় কারণ
প্রায় দেড় দশক ধরে চলা তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনের ইতি টেনে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধরনের সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। প্রাথমিক ফলাফলের ইঙ্গিত বলছে, এক সময় বামপন্থীদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই রাজ্যে বিজেপির নিরঙ্কুশ জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল কংগ্রেসের এই পরাজয়ের পেছনে অন্যতম কারণ ছিল নির্বাচনী কৌশলে অতিরিক্তভাবে আই-প্যাকের ওপর নির্ভরতা।
অতীতে এই সংস্থার পরিকল্পনা দলকে সুবিধা দিলেও, এবার কার্যকর দিকনির্দেশনার অভাব পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে। এছাড়া মুসলিম ভোটব্যাংকে ভাঙনও বড় একটি কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগে এই ভোটের বড় অংশ তৃণমূলের দখলে থাকলেও, এবার ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট ও অন্যান্য ছোট দলের উত্থানে তা বিভক্ত হয়ে যায়, যার প্রভাব সরাসরি নির্বাচনের ফলে পড়ে। অন্যদিকে হিন্দু ভোটের একটি বড় অংশ বিজেপির দিকে ঝুঁকেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এবং দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বও বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। বিজেপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন ভাতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি গ্রামীণ ভোটারদের আকৃষ্ট করেছে। বিজেপির এই সাফল্যের পেছনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। গত কয়েক বছরে দলটি নীরবে নিজেদের সংগঠন শক্তিশালী করেছে এবং এবারের নির্বাচনে বহিরাগত নেতাদের বদলে স্থানীয় কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা গেছে।
এছাড়া ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ‘ভুয়া’ ও ‘বহিরাগত’ ভোটার বাদ পড়াও নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে নতুন সরকার গঠনের পর সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সমন্বয় এবং সীমান্তসংক্রান্ত নানা ইস্যুতে কী ধরনের অবস্থান নেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? ধারণা করা হচ্ছে, যদি শুভেন্দু অধিকারী গুরুত্বপূর্ণ আসনে জয় পান, তাহলে তিনি এই দৌড়ে এগিয়ে থাকতে পারেন। এছাড়া রাজ্য বিজেপির আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতার নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব প্রায়ই চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত নেয়। তাই চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।
/আশিক
আমিরাতের তেল স্থাপনায় ইরানের হামলা: প্রতিশোধ নিতে মরিয়া আমিরাত
যুদ্ধবিরতির রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা পেট্রোলিয়াম ইন্ডাস্ট্রিজ জোনে বড় ধরনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) এই হামলায় তেল স্থাপনায় ভয়াবহ আগুন ধরে যায় এবং তিনজন ভারতীয় নাগরিক আহত হন। আমিরাত এই ঘটনাকে 'বিশ্বাসঘাতকতা' হিসেবে আখ্যায়িত করে এর কড়া জবাব দেওয়ার অধিকার রাখে বলে হুঙ্কার দিয়েছে। এই হামলার মধ্য দিয়ে ৮ এপ্রিল ঘোষিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি চরম হুমকির মুখে পড়ল।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান থেকে আসা একঝাঁক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ফুজাইরার স্পর্শকাতর অর্থনৈতিক অঞ্চলে আঘাত হানে। যদিও তারা দাবি করেছে যে, ১২টি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ৩টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৪টি ড্রোন তারা আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে, কিন্তু কিছু ড্রোন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানলে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আহত তিন ভারতীয়কে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ইরান এই হামলার বিষয়ে সরাসরি দায় স্বীকার না করলেও তাদের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘সামরিক দুঃসাহসিকতার’ ফল হতে পারে। তাদের দাবি, তেল স্থাপনায় হামলার কোনো পূর্ব পরিকল্পনা তাদের ছিল না। এদিকে, পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযানে থাকা মার্কিন বাহিনী জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজের পথরোধ করার চেষ্টাকালে তারা ইরানের ৬টি ছোট সামরিক নৌকা ডুবিয়ে দিয়েছে।
গত ফেব্রুয়ারি থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে থাকার পর এই যুদ্ধবিরতি কিছুটা স্বস্তি দিলেও নতুন এই হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এই সংঘাতের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদী সংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
/আশিক
গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর সর্বত্র পদ্ম! দিল্লির সদর দপ্তরে মোদির বিজয়োল্লাস
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পর নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে উচ্ছ্বসিত ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার (৪ মে) আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিশাল এই জয়ের পর দলীয় কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বলেন, “গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর—সর্বত্র পদ্ম ফুটেছে। বিহার নির্বাচনের দিনই বলেছিলাম, গঙ্গা বিহার হয়ে গঙ্গাসাগরে যায়, আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হলো।”
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গের ৯৩ শতাংশ ভোটদানের হারকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এটি গণতন্ত্র এবং সংবিধানের জয়। এই জয়ের মধ্য দিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা শান্তি পেয়েছে। আজ থেকে বাংলা ভয়মুক্ত হলো এবং সেখানে পরিবর্তনের সূচনা হলো।” নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গজুড়ে বিজেপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ দেখা দিয়েছে।
এদিকে ২৯৪ আসনের বিধানসভায় বিজেপি ১৯৮টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করায় এখন সবার নজর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর দিকে। তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৮৯টি আসনে থমকে যাওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটতে যাচ্ছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন একজন ভূমিপুত্র। বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে সবচাইতে এগিয়ে আছেন নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তালিকায় আরও রয়েছেন সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ এবং স্বপন দাশগুপ্তর মতো নেতারা।
বিশ্লেষকদের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মানবিক রাজনীতি’ এবং বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প সত্ত্বেও তৃণমূলের এই ভরাডুবির মূলে রয়েছে মাঠপর্যায়ের পুঞ্জীভূত জনঅসন্তোষ। ২০১১ সাল থেকে ‘বাংলার ঘরের মেয়ে’ হিসেবে মমতার যে আবেগ কাজ করত, এবার তার বিপরীতে বিজেপির সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক গণিত কাজ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো কোনো অ-আঞ্চলিক দল হিসেবে বিজেপি সরকার গঠন করতে যাচ্ছে, যা ভারতীয় রাজনীতিতে ‘পদ্মফুলের উত্থান’ হিসেবে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।
/আশিক
হরমুজে ট্রাম্পের প্রজেক্ট ফ্রিডম: মানবিক উদ্ধার না কি যুদ্ধের উসকানি?
বিশ্বের সবচাইতে স্পর্শকাতর জলপথ হরমুজ প্রণালি এখন এক বিশাল রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার অপেক্ষায়। সোমবার (৪ মে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে এক বিশেষ অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, এটি একটি ‘মানবিক পদক্ষেপ’, যার মাধ্যমে এই অবরুদ্ধ জলপথে আটকে পড়া জাহাজ ও সাধারণ নাবিকদের নিরাপদে বের করে আনা হবে। তবে আলোচনার আড়ালে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের বিশাল সামরিক প্রস্তুতি ভিন্ন কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে দাবি করেছেন, এই অভিযানে ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের সব পক্ষেরই স্বার্থ রয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘যারা কোনো সংঘাতে জড়িত নয়, তাদের জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’ কিন্তু এই ‘মানবিক’ কাজের জন্য ১৫ হাজার সেনা সদস্য, ১০০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান এবং একঝাঁক যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করার বিষয়টি বিশ্লেষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। অনেকেই একে ‘শান্তি মিশন’-এর আড়ালে ইরানের ওপর চরম সামরিক চাপ প্রয়োগ হিসেবে দেখছেন।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়া মানেই বিশ্ব অর্থনীতির হৃদপিণ্ডে রক্তক্ষরণ। বিশ্বের ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল ও এলএনজি এই রুট দিয়ে প্রবাহিত হয়। ইতিমধ্যে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। দীর্ঘমেয়াদে এই অবরোধ ও সামরিক উত্তেজনা বজায় থাকলে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে ইরানকে সহযোগিতার কথা বললেও, একইসাথে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে কোনো বাধার সৃষ্টি হলে ‘কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে। অন্যদিকে ইরান ইতিমধ্যে এই জলপথে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে। ট্রাম্পের এই ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ কি শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে সমাধান আনবে, না কি পারস্য উপসাগরকে আগুনের কুণ্ডলীতে পরিণত করবে—তা নিয়ে এখন পুরো বিশ্ব চরম উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে সময় পার করছে।
/আশিক
পুরো হরমুজ প্রণালি এখন ইরানের কবজায়! নতুন মানচিত্র প্রকাশ ইরানের
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চলা দীর্ঘ উত্তেজনার মাঝে এবার নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করল ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনী। সোমবার প্রকাশিত এই মানচিত্রে ইরানের নিয়ন্ত্রিত এলাকার নির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই জলসীমায় তেহরানের অনুমতি ছাড়া যেকোনো বিদেশি সামরিক চলাচলকে সরাসরি ‘আগ্রাসন’ হিসেবে গণ্য করা হবে।
প্রকাশিত নতুন মানচিত্র অনুযায়ী, ইরানের নিয়ন্ত্রিত এলাকাটি পশ্চিমে কেশম দ্বীপের পশ্চিম প্রান্ত থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উম্ম আল কোয়াইন পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে, পূর্ব দিকে এই সীমানা ইরানের মাউন্ট মোবারক থেকে ফুজাইরাহ আমিরাত পর্যন্ত একটি রেখা দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ভৌগোলিক অবস্থানের মাধ্যমে ইরান কার্যত বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রধান এই করিডোরের প্রবেশ ও বের হওয়ার মুখ পুরোপুরি নিজেদের কবজায় রাখার বার্তা দিয়েছে।
ইরানের ‘খাতামুল আনাম্বিয়া (স.) কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর’-এর কমান্ডার মেজর জেনারেল আলি আবদোল্লাহি এক কঠোর বিবৃতিতে বলেছেন, “হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। যেকোনো নৌ-চলাচল অবশ্যই ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়ের মাধ্যমে হতে হবে।” তিনি বিশেষভাবে মার্কিন সেনাবাহিনীকে সতর্ক করে বলেন, কোনো আগ্রাসী শক্তি যদি এই প্রণালির কাছে আসার বা প্রবেশের চেষ্টা করে, তবে তাদের সরাসরি লক্ষ্যবস্তু বানানো হবে।
ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণার পর ইরানের এই নতুন মানচিত্র প্রকাশ এবং সরাসরি মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি পারস্য উপসাগরে এক ভয়াবহ সামরিক সংঘাতের ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি কেবল মানচিত্র নয়, বরং ওয়াশিংটনকে তেহরানের দেওয়া এক চূড়ান্ত ‘রেড লাইন’।
/আশিক
তেহরানের হাতে বিশ্ব অর্থনীতির চাবি: ৬৭ দিনে বদলে গেল ভূ-রাজনীতির মানচিত্র
আধুনিক ইতিহাসে নজিরবিহীন এক বাস্তবতার মুখোমুখি বিশ্ব। গত ৬৭ দিন ধরে হরমুজ প্রণালীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ তেহরানের হাতে থাকায় বিশ্ব জ্বালানি ব্যবস্থা এখন কার্যত পঙ্গু। পারস্য উপসাগরের এই সংকীর্ণ জলপথটি এখন আর কেবল একটি নৌপথ নয়, বরং তেহরানের হাতে থাকা বিশ্বের সবচাইতে শক্তিশালী রাজনৈতিক অস্ত্র। এই অবরোধ প্রমাণ করেছে যে, অস্ত্রের চেয়েও ভৌগোলিক অবস্থান ব্যবহার করে বিশ্ব অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
টানা দুই মাসের বেশি সময় ধরে তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি আকাশচুম্বী হয়েছে। সমুদ্রপথে বিমা খরচ এবং জাহাজ ভাড়া কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় প্রতিটি পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ খরচ বেড়েছে। তেলবাহী জাহাজের দীর্ঘ সারি আর দীর্ঘ বিকল্প পথে যাতায়াতের ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল (Supply Chain) এখন ভেঙে পড়ার উপক্রমে।
এই সংকট সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে। একদিকে নৌবহর মোতায়েন রাখার বিশাল খরচ, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি—সব মিলিয়ে ওয়াশিংটন এখন দিশেহারা। দীর্ঘদিনের মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলো এখন দেখছে যে, আমেরিকার সামরিক সুরক্ষা তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ।
এই সুযোগটিকেই কাজে লাগাচ্ছে চীন। বেইজিং এখন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কাছে নতুন ভরসা হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে, যা দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির মাধ্যমে চীনের ওপর আরও নির্ভরশীল করে তুলছে।
হরমুজের এই নিয়ন্ত্রণ বিশ্বকে এক বহুমেরু ব্যবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। উপসাগরীয় দেশগুলো এখন নিরাপত্তার জন্য কেবল পশ্চিমের দিকে না তাকিয়ে পূর্বমুখী হচ্ছে। ইরানের এই ‘অর্থনৈতিক–ভূরাজনৈতিক সংঘাত’ প্রমাণ করেছে যে, সামরিক শক্তি দিয়ে সব সময় জয়ী হওয়া যায় না। যদি এই অবরোধ আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে বিশ্ব বাণিজ্যের কাঠামো, বিনিয়োগের ধারা এবং কৌশলগত জোটগুলো চিরতরে বদলে যাবে। বিশ্ব এখন কেবল একটি নৌপথ বন্ধ হওয়া দেখছে না, দেখছে নতুন এক বিশ্বব্যবস্থার জন্ম।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি
হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!
পারস্য উপসাগরে উত্তেজনার এক নতুন ও ভয়ংকর অধ্যায় শুরু হয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সোমবার (৪ মে) হরমুজ প্রণালির জাস্ক দ্বীপের কাছে ইরানি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি’র থামার নির্দেশ উপেক্ষা করে নৌ-নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করায় জাহাজটিতে হামলা চালানো হয় এবং এর ফলে জাহাজটি পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে।
ইরানের এই দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেনি। আমেরিকার পক্ষ থেকে একে ইরানের পক্ষ থেকে ছড়ানো ‘ভুল তথ্য’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তাদের সতর্কবার্তা অমান্য করলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই হামলার খবরটি এমন সময় এলো যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার সকাল থেকেই ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ (Project Freedom) শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই প্রকল্পের আওতায় হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া প্রায় ৮৫০টি বাণিজ্যিক জাহাজকে নিরাপদে বের করে নিয়ে আসার পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই অভিযান সফল করতে ১৫ হাজার সেনা সদস্য, ১০০টির বেশি যুদ্ধবিমান এবং গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করেছে মার্কিন সেন্টকম।
হরমুজ প্রণালিতে এই উত্তেজনার খবরের সাথে সাথেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। প্রণালীটি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ হয়। ফলে এখানে যেকোনো ধরনের সামরিক সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধস নামাতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। ট্রাম্প যেখানে দাবি করছেন যে ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘ইতিবাচক’ হচ্ছে, সেখানে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি পরিস্থিতিকে আবারও যুদ্ধের কিনারে নিয়ে দাঁড় করিয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা।
দুই দশকের আধিপত্যের অবসান: বিপুল ব্যবধানে হেরে বিদায় নিচ্ছেন মমতা
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের যবনিকা ঘটল। ২০১১ সাল থেকে টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর এবার বড় ব্যবধানে পরাজিত হলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। ‘বাংলার মেয়ে’ হিসেবে যে আবেগের দেওয়াল মমতা তুলেছিলেন, দুর্নীতির অভিযোগ আর প্রশাসনিক স্থবিরতার ধাক্কায় তা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল।
নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিজেপি ১৯৮টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের ‘ম্যাজিক ফিগার’ (১৪৮) অনায়াসেই পার করে গেছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস থমকে গেছে মাত্র ৮৯টি আসনে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতির মূল শক্তি ছিল সরাসরি সাধারণ মানুষের সাথে সংযোগ। কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী বা রূপশ্রীর মতো প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি প্রতিটি ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে দেখা গেল, সাধারণ মানুষের সেই ‘মায়া’ আর কাজ করেনি।
মাটির নিচে জমে থাকা পুঞ্জীভূত ক্ষোভ, বেকারত্ব এবং মাঠপর্যায়ে তৃণমূলের দলীয় ক্যাডারদের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে মানুষ এবার নিঃশব্দ বিপ্লব ঘটিয়েছে। রাজনীতির সেই নির্মম আয়নায় আজ ধরা পড়ল যে, কেবল জনকল্যাণের ভাষা দিয়ে সবসময় ক্ষমতার মসনদ ধরে রাখা যায় না, যদি সেখানে স্বচ্ছতা ও সুশাসনের অভাব থাকে।
পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এই প্রথম ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। একে কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং বাংলার রাজনৈতিক দর্শনের এক আমূল পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বাম আমলের ৩৪ বছর আর মমতার ১৫ বছর—সব মিলিয়ে প্রায় অর্ধশতাব্দীর আঞ্চলিক ও বামপন্থী ঘরানার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে বাংলা এখন ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের পথে। ক্ষমতার এই রং বদল যতটা নিশ্চিত ছিল, তার চেয়েও বেশি চমকপ্রদ হলো মমতার মতো একজন জননেত্রীর এমন শোচনীয় পরাজয়।
/আশিক
তামিল রাজনীতিতে বিজয় বিপ্লব: ডিএমকে-কে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে টিভিকে
তামিলনাড়ুর রাজনীতির দীর্ঘদিনের মেরুকরণ ভেঙে এবার নতুন এক শক্তির উত্থান ঘটতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন থালাপতি বিজয়ের দলের প্রার্থীরা। কাভুন্দামপালায়ম কেন্দ্রের প্রার্থী কানিমোঝি সন্থোষ সোমবার পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এই নির্বাচনে বিজয়ের প্রতি মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসাই প্রধান ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করছে। তাঁর মতে, মানুষ বিজয়কে কেবল একজন নেতা হিসেবে নয়, বরং হৃদয়ের মানুষ হিসেবে গ্রহণ করেছে।
সাক্ষাৎকারে কানিমোঝি বলেন, “আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি মানুষ থালাপতির সঙ্গে মানসিকভাবে কতটা গভীরভাবে যুক্ত। এটি বিজয়ের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন হতে চলেছে।” তিনি আরও জানান যে, ভোট গণনার শুরু থেকে যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তাতে এটা স্পষ্ট যে সন্ধ্যা নাগাদ তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বিজয়ের ‘তামিলাগা ভেত্রি কাড়ঘম’ (টিভিকে) এক অভাবনীয় বিজয় উদযাপন করবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিজয়ের প্রতি তরুণ প্রজন্মের এই প্রবল আবেগ এবং কানিমোঝির মতো প্রার্থীরা যেভাবে জয়ের পথ পরিষ্কার হওয়ার দাবি করছেন, তাতে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র মতো প্রতিষ্ঠিত দলগুলোর কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ। আজকের দিনের প্রথমার্ধ শেষ হতেই বিজয়ের দলের এই অগ্রগামিতা তামিল রাজনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
পাঠকের মতামত:
- আজ দিনভর যেসব কর্মসূচিতে মুখর থাকবে রাজধানী
- শাপলা চত্বর অভিযান ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায: জামায়াত আমির
- হাম নিয়ে ইউনিসেফের আগাম সতর্কবার্তা কানে তোলেনি অন্তর্বর্তী সরকার
- মমতার পতন না কি বিজেপির উত্থান? পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার পালাবদলে ৫টি বড় কারণ
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- আমিরাতের তেল স্থাপনায় ইরানের হামলা: প্রতিশোধ নিতে মরিয়া আমিরাত
- স্বর্ণের বাজারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার প্রভাব: আন্তর্জাতিক দরে ব্যাপক পতন
- মঙ্গলবার ঢাকার যেসব এলাকা ও মার্কেট বন্ধ থাকবে
- জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ১০০টিরও বেশি আসন লুট করা হয়েছে: মমতা
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস, ৪ ঘণ্টায় ১ শতাংশের বেশি দরপতন
- আজ রাত ১২টার মধ্যে দেশের ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল শঙ্কা
- গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর সর্বত্র পদ্ম! দিল্লির সদর দপ্তরে মোদির বিজয়োল্লাস
- কুমিল্লা চান্দিনায় স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণ: আটক ৪
- মহাসড়কে চাঁদাবাজদের সরাসরি যুদ্ধের হুমকি সেতুমন্ত্রীর
- বিগত ১৬ বছর ভোটাধিকার বঞ্চিত ছিল জনগণ: হাফিজ উদ্দিন
- হরমুজে ট্রাম্পের প্রজেক্ট ফ্রিডম: মানবিক উদ্ধার না কি যুদ্ধের উসকানি?
- পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার বদলে প্রভাব পড়বে না ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে: শামা ওবায়েদ
- পুরো হরমুজ প্রণালি এখন ইরানের কবজায়! নতুন মানচিত্র প্রকাশ ইরানের
- তেহরানের হাতে বিশ্ব অর্থনীতির চাবি: ৬৭ দিনে বদলে গেল ভূ-রাজনীতির মানচিত্র
- হামে মৃত্যু ও আক্রান্তের রেকর্ড: আতঙ্কে অভিভাবকরা
- হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!
- দুই দশকের আধিপত্যের অবসান: বিপুল ব্যবধানে হেরে বিদায় নিচ্ছেন মমতা
- তামিল রাজনীতিতে বিজয় বিপ্লব: ডিএমকে-কে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে টিভিকে
- মাদক ও চাঁদাবাজদের দিন শেষ! সারাদেশে বিশেষ যৌথ অভিযানের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- ৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: ঢাকাসহ ৭ জেলায় ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডব: রাতভর বোমা হামলায় লণ্ডভণ্ড সীমান্ত
- এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় হয়েছে: শাহরিয়ার কবির
- প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: চরভদ্রাসনে খাল খনন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন
- দেবিদ্বারে হত্যা মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল গ্রেপ্তার
- তামিলনাড়ুতে কি তবে ‘বিজয়’ উৎসব? ম্যাজিক ফিগারের কাছে থালাপতি
- ছোটবেলার পরীক্ষার দিনের মতো পাশে ছিল নাহিদ: ডা. মিতু
- ভবানীপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই: শুভেন্দুর তান্ডবে কি তবে সিংহাসন হারাবেন মমতা?
- ডলার থেকে রিয়াল: জেনে নিন আজকের সর্বশেষ মুদ্রার বিনিময় হার
- বিলাসবহুল জাহাজ এখন ভাসমান মৃত্যুপুরী! প্রমোদতরীতে রহস্যময় ভাইরাসের ছোবল
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- এক্সে ছবি পোস্ট করে ট্রাম্পের রহস্যময় বার্তা: সব কার্ড আমার কাছে
- যুক্তরাষ্ট্রে স্বপ্নভঙ্গ! পিএইচডি শিক্ষার্থী লিমনের মরদেহবাহী বিমান এখন ঢাকায়
- বিশ্ব অর্থনীতি বাঁচাতে ট্রাম্পের তুরুপের তাস: প্রজেক্ট ফ্রিডম নিয়ে উত্তাল পারস্য উপসাগর
- সোমবার রাজধানীর কোথায় কোথায় মার্কেট বন্ধ
- যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের নতুন ১৪ দফা প্রস্তাব
- ফজর থেকে এশা, আজকের পূর্ণ নামাজ সূচি
- ঢাকাসহ যে ৮ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা
- চেলসি ম্যাচসহ আজ টিভিতে যত খেলা
- বিসিসিআই-এর সাথে ইগো দেখাতে গিয়ে আইসিসির সাথে যুদ্ধ বাঁধাল বিসিবি
- হাকালুকিতে কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ! সোনালী ধান এখন অথৈ পানির
- রেমিট্যান্সে বিশ্বরেকর্ড বাংলাদেশের! দেশে রেমিট্যান্স আসার সব রেকর্ড তছনছ
- ঢাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কাঁকশিয়ালী’-র নতুন কমিটি গঠন
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নাটকীয় মোড়: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়ল দাম
- সংসদের ১ম অধিবেশনের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রীর নীতিনির্ধারণী সমাপনী বক্তব্য, হুবহু পড়ুন
- বন্ধ কারখানা চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- টানা ২ বার কমার রেকর্ড! স্বর্ণের বাজারে কী ঘটছে? জানাল বাজুস
- জানুন রিজিক বৃদ্ধির শক্তিশালী আমল
- যুদ্ধবিরতিতে গোপনে অস্ত্র উদ্ধার করছে ইরান?
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস: এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দর
- শুক্রবারের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল পতন! বাজুসের নতুন ঘোষণায় সস্তা হলো সব মানের সোনা
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- সৌদি-দুবাইয়ে ভরিতে ৪০ হাজার টাকা কম! জানুন কেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রেতারা ঠকছেন
- ২৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ








