১৬ সেপ্টেম্বর শেয়ারবাজারে শীর্ষ দশ গেইনার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ সেপ্টেম্বর ১৬ ১৫:৩৭:১৫
১৬ সেপ্টেম্বর শেয়ারবাজারে শীর্ষ দশ গেইনার
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার বিকেল ২টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ দশ গেইনারের তালিকা প্রকাশ পেয়েছে। ক্লোজ প্রাইস এবং ইয়েস্টারডে’স ক্লোজিং প্রাইস (YCP) বিবেচনায় এই তালিকায় উঠে এসেছে বিভিন্ন খাতের শেয়ার, যা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শীর্ষে ক্রাউন সিমেন্ট

তালিকার শীর্ষে রয়েছে ক্রাউন সিমেন্ট (CROWNCEMNT)। কোম্পানিটির শেয়ার ক্লোজ হয়েছে ৬৩ টাকা ৫০ পয়সায়, যেখানে আগের দিনের ক্লোজ প্রাইস ছিল ৫৭ টাকা ৮০ পয়সা। ফলে শেয়ারের মূল্য বেড়েছে ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ। দিনজুড়ে শেয়ারের সর্বোচ্চ দর ছিল ৬৩ টাকা ৫০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ৬০ টাকা।

দ্বিতীয় স্থানে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক

ইউসিবি (UCB) তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ব্যাংকটির শেয়ার আগের দিনের তুলনায় ৯ দশমিক ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১০ টাকা ৬০ পয়সায় ক্লোজ হয়। দিনভর শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ১০ টাকা ৬০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ৯ টাকা ৭০ পয়সা।

সোনালী পেপার ও আইএসএন লিমিটেডের অগ্রগতি

তৃতীয় স্থানে রয়েছে সোনালী পেপার (SONALIPAPR)। শেয়ারের ক্লোজিং প্রাইস দাঁড়িয়েছে ২৭৩ টাকা ৬০ পয়সা, যা আগের দিনের তুলনায় ৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেশি। শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ২৭৬ টাকা ৫০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ২৫৪ টাকা ৩০ পয়সা।চতুর্থ স্থানে রয়েছে আইএসএন লিমিটেড (ISNLTD)। শেয়ারটির মূল্য বেড়েছে ৭ শতাংশ। ক্লোজ হয়েছে ১০৮ টাকা ৫০ পয়সায়। সর্বোচ্চ দর ছিল ১১০ টাকা ৫০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ১০১ টাকা ৫০ পয়সা।

মনো ফেব্রিক্স ও মিডল্যান্ড ব্যাংক

পঞ্চম স্থানে রয়েছে মনো ফেব্রিক্স (MONNOFABR)। শেয়ারটির ক্লোজিং প্রাইস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ১০ পয়সা, যা আগের দিনের তুলনায় ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি।ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে মিডল্যান্ড ব্যাংক (MIDLANDBNK)। শেয়ারটি ক্লোজ হয়েছে ২১ টাকা ৩০ পয়সায়, যা আগের দিনের তুলনায় ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি।

মোনো স্পুল ও বিডি থাই ফুড

সপ্তম স্থানে রয়েছে মোনো স্পুল (MONOSPOOL)। শেয়ারটি ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ বেড়ে ১১৪ টাকা ৯০ পয়সায় ক্লোজ হয়।অষ্টম স্থানে রয়েছে বিডি থাই ফুড (BDTHAIFOOD)। এর শেয়ারও ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ বেড়ে ১৬ টাকা ৯০ পয়সায় ক্লোজ হয়।

বিচ হ্যাচারি ও সোনালী অ্যানশ

নবম স্থানে রয়েছে বিচ হ্যাচারি (BEACHHATCH)। শেয়ারটি ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫৬ টাকা ২০ পয়সায় ক্লোজ হয়।দশম স্থানে রয়েছে সোনালী অ্যানশ (SONALIANSH)। শেয়ারটির ক্লোজিং প্রাইস দাঁড়িয়েছে ২৩১ টাকা ১০ পয়সা, যা আগের দিনের তুলনায় ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি।

-রফিক


আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ১৫:০৫:৫৬
আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেনে একটি মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে টানা দরপতনের ধারার মধ্যে কিছুটা ভারসাম্য ফেরার ইঙ্গিত মিলেছে। দিনের শেষে মোট ৩৮৯টি কোম্পানির মধ্যে ১৪৯টির শেয়ারদর বেড়েছে, বিপরীতে ১৭২টির দর কমেছে এবং ৬৮টি অপরিবর্তিত রয়েছে। এই পরিসংখ্যান বাজারে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার সম্ভাবনা নির্দেশ করে।

এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। ২০১টি লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে ৮৭টি বেড়েছে এবং ৭৬টি কমেছে, যা বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর মধ্যে আংশিক আস্থা ফেরার ইঙ্গিত দেয়।

বি ক্যাটাগরিতে ৮১টি শেয়ারের মধ্যে ২৬টি বেড়েছে এবং ৪১টি কমেছে, যা এখনও দুর্বলতার উপস্থিতি থাকলেও কিছুটা ভারসাম্য তৈরি হয়েছে বলে বোঝা যায়। জেড ক্যাটাগরিতে ১০৭টি শেয়ারের মধ্যে ৩৬টি বেড়েছে এবং ৫৫টি কমেছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারগুলোর ক্ষেত্রে সীমিত পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ইতিবাচক প্রবণতা তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হয়েছে। ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১৩টির দর বেড়েছে এবং মাত্র ৬টির দর কমেছে। এটি এই খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা ফিরে আসার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় কমেছে। মোট লেনদেন মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪,৭০৭ কোটি টাকায়, যা বাজারে অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে মোট শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় ১৮ কোটি ৮০ লাখের বেশি।

বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ কোটি টাকার কিছু বেশি, যা সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও বড় ধরনের উত্থান এখনো দেখা যায়নি।

ব্লক ট্রানজেকশনে কিছু নির্দিষ্ট শেয়ারে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। বিশেষ করে গ্লোবাল কিউ বলপেন, ডমিনেজ স্টিল এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের শেয়ারে বড় অঙ্কের লেনদেন বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে এই মিশ্র প্রবণতা একটি ট্রানজিশনাল ফেজ নির্দেশ করে, যেখানে টানা পতনের পর বিনিয়োগকারীরা ধীরে ধীরে পুনরায় অবস্থান নিচ্ছেন। তবে স্থায়ী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নিশ্চিত করতে বাজারে তারল্য বৃদ্ধি ও আস্থার পুনর্গঠন জরুরি।

-রাফসান


আজকের শেয়ারবাজারে কারা সবচেয়ে বেশি লোকসানে

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ১৪:৫৮:৫২
আজকের শেয়ারবাজারে কারা সবচেয়ে বেশি লোকসানে
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেনে কিছু শেয়ারে উত্থান দেখা গেলেও, বাজারের একটি বড় অংশে এখনও বিক্রির চাপ অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) খাতের শেয়ারগুলোতে উল্লেখযোগ্য দরপতন বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

আজকের শীর্ষ লুজার তালিকার শীর্ষে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স, যার শেয়ারদর প্রায় ৯.৫২ শতাংশ কমে ৩.৮ টাকায় নেমে এসেছে। আর্থিক খাতের এই পতন বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা ও আস্থাহীনতার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এরপরের অবস্থানগুলোতেও একই খাতের কোম্পানির আধিপত্য দেখা গেছে। ফারইস্ট ফাইন্যান্স, ফাস ফাইন্যান্স এবং পিপিএল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস—এই তিনটি কোম্পানির শেয়ারদর প্রায় ৮.৭ শতাংশ করে কমেছে। একই প্রবণতা দেখা গেছে জিএসপি ফাইন্যান্স এবং আইএলএফএসএল-এর ক্ষেত্রেও, যেগুলোর দরপতন ৮ শতাংশের আশেপাশে অবস্থান করছে।

এনবিএফআই খাতে ধারাবাহিক এই পতন সাধারণত তারল্য সংকট, ঋণমানের ঝুঁকি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত বহন করে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে, প্রিমিয়ার লিজিং কোম্পানির শেয়ারদরও ৮ শতাংশ কমেছে, যা আর্থিক খাতের সার্বিক দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

শুধু আর্থিক খাত নয়, অন্যান্য খাতেও কিছু চাপ লক্ষ্য করা গেছে। পায়োনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ এবং জাহিন টেক্সটাইলের শেয়ারদর ৪ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। এটি নির্দেশ করে যে বাজারের দুর্বলতা নির্দিষ্ট খাতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সেশনগুলোতে যে আংশিক রিকভারি দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যেও দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারগুলোতে বিক্রির চাপ বজায় রয়েছে। বিশেষ করে আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা এখনও সতর্ক অবস্থান নিচ্ছেন।

-রাফসান


আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ১৪:৫৩:১৯
আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেনে সাম্প্রতিক ধারাবাহিক পতনের পর আংশিক ইতিবাচক প্রবণতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। দিনের লেনদেন শেষে শীর্ষ গেইনার তালিকায় থাকা কোম্পানিগুলোর উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি বাজারে স্বল্পমেয়াদি আস্থার পুনরুদ্ধারের সংকেত দিচ্ছে।

আজকের তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে বিডি অটোকার লিমিটেড, যার শেয়ারদর প্রায় ৮.৯২ শতাংশ বেড়ে ১৮৩.১ টাকায় পৌঁছেছে। অটোমোবাইল খাতের এই উত্থান বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেডের শেয়ারদর ৭.৩৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮.২ টাকায়। অবকাঠামো ও নির্মাণ সংশ্লিষ্ট খাতে এই ধরনের উত্থান অর্থনৈতিক কার্যক্রমের প্রত্যাশিত গতিশীলতার ইঙ্গিত বহন করে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাত থেকেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড প্রায় ৬.৯ শতাংশ বেড়ে ৩.১ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে, যা বিনিয়োগকারীদের আংশিক আস্থা ফেরার প্রতিফলন।

টেক্সটাইল ও শিল্প খাতের কোম্পানি অ্যাপেক্স স্পিনিং এবং লাভেলো আইসক্রিমও উল্লেখযোগ্য হারে মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের শেয়ারদর ৬ শতাংশের বেশি এবং লাভেলোর শেয়ারদর ৫.২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি ভোক্তা পণ্য ও রপ্তানিমুখী খাতে নতুন করে আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।

একই সঙ্গে ফার্মাসিউটিক্যাল ও ব্যাংকিং খাতেও কিছু ইতিবাচক সংকেত দেখা গেছে। টেকনোড্রাগ, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ এবং প্রাইম ব্যাংকের শেয়ারদর ৪ শতাংশের বেশি বেড়েছে, যা বহুমুখী খাতজুড়ে সীমিত পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই উত্থান এখনো স্থায়ী ট্রেন্ড নয়, বরং সাম্প্রতিক দরপতনের পর স্বল্পমেয়াদি কারেকশন বা প্রফিট রিকভারি হতে পারে। তবে একাধিক খাতে একযোগে মূল্যবৃদ্ধি বাজারে স্থিতিশীলতার সম্ভাবনা তৈরি করছে।

-রাফসান


 আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ১৫:৫২:১৪
 আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেনে বাজারজুড়ে তীব্র দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় নেতিবাচক সেশনের ইঙ্গিত দেয়। দিনের লেনদেন শেষে দেখা যায়, মোট লেনদেন হওয়া ৩৯০টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ২৫টির শেয়ারদর বেড়েছে, বিপরীতে ৩৫৪টির দর কমেছে এবং ১১টি অপরিবর্তিত রয়েছে। এই পরিসংখ্যান বাজারে একতরফা বিক্রির প্রবণতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর মধ্যেও একই চিত্র দেখা গেছে। ২০৩টি লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে ১৭টি বেড়েছে, বিপরীতে ১৭৮টি কমেছে। যা মূলধনী ও তুলনামূলক স্থিতিশীল কোম্পানিগুলোর ওপরও বিক্রির চাপ তৈরি হয়েছে বলে নির্দেশ করে।

বি ক্যাটাগরিতে ৮০টি শেয়ারের মধ্যে মাত্র ৪টি বেড়েছে, আর ৭৫টি কমেছে। জেড ক্যাটাগরিতে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, যেখানে ১০৭টি শেয়ারের মধ্যে ১০১টির দরপতন হয়েছে। এটি দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোর ওপর বাড়তি চাপের প্রতিফলন।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও নেতিবাচক প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে। ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে মাত্র একটি বেড়েছে, বিপরীতে ৩০টির দর কমেছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা ও স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তোলার প্রবণতা এই পতনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

লেনদেনের পরিমাণও কিছুটা কমেছে। দিনের মোট লেনদেন মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫,১১৯ কোটি টাকায়, যা আগের সেশনের তুলনায় কম সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে মোট শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় ২১ কোটি ৬০ লাখের বেশি।

বাজার মূলধন কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ কোটি টাকার কিছু বেশি, যা বাজারের সামগ্রিক মূল্যমান হ্রাসের প্রতিফলন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের ব্যাপক দরপতন সাধারণত বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা, তারল্য সংকট, প্রফিট বুকিং এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সম্মিলিত প্রভাবের ফল। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক চাপ এবং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা বাজারে বিক্রির চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।

-রাফসান


আজকের শেয়ারবাজারে বেশি লোকসানে যেসব কোম্পানি

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ১৫:৪৯:৪৮
আজকের শেয়ারবাজারে বেশি লোকসানে যেসব কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজকের লেনদেনে বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে স্বল্পমেয়াদি নেতিবাচক প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের মূল্যের তুলনায় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তালিকার বেশিরভাগ শেয়ারই প্রায় ৯ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য হারিয়েছে।

আজকের শীর্ষ লুজার তালিকায় রয়েছে নিউলাইন ক্লথিংস, যার শেয়ারদর প্রায় ৯.৮৩ শতাংশ কমে ৫.৫ টাকায় নেমে এসেছে। টেক্সটাইল খাতে এই পতন বিনিয়োগকারীদের আস্থার দুর্বলতার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ফ্যামিলি টেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর ৯.৬৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২.৮ টাকায়। একই খাতের অন্যান্য কোম্পানির মধ্যেও চাপ লক্ষণীয়, যা সামগ্রিকভাবে টেক্সটাইল সেক্টরে দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানির শেয়ারদর ৯.৪৩ শতাংশ কমেছে। আর্থিক খাতের এই দরপতন বাজারে ঝুঁকি-বিমুখ মনোভাবের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও উল্লেখযোগ্য দরপতন দেখা গেছে। ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড এবং পপুলার ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড—সবগুলোতেই প্রায় ৯ শতাংশের বেশি মূল্যহ্রাস হয়েছে। এটি মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থার সাময়িক দুর্বলতা নির্দেশ করে।

ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, নুরানি ডাইং এবং তুং হাই নিটিংয়ের মতো কোম্পানিগুলোর শেয়ারদরও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে, যা ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনী শেয়ারের ওপর বিক্রির চাপ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের সমন্বিত দরপতন সাধারণত প্রফিট বুকিং, বাজারে তারল্য সংকট কিংবা বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি কৌশল পরিবর্তনের ফল হতে পারে। বিশেষ করে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে একযোগে পতন বাজারের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থাকেও প্রতিফলিত করে।

-রাফসান


আজকের শেয়ারবাজারে এগিয়ে কোন শেয়ারগুলো

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ১৫:৩৫:১৯
আজকের শেয়ারবাজারে এগিয়ে কোন শেয়ারগুলো
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজকের লেনদেনে বেশ কিছু শেয়ারের দামে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে, যেখানে বিভিন্ন খাতের কোম্পানিগুলো গেইনার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। সমাপনী মূল্য ও আগের দিনের মূল্যের তুলনায় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাজারে আংশিক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত মিলছে।

আজকের লেনদেনে শীর্ষে উঠে এসেছে র‍্যান ফাউন্ড্রি লিমিটেড, যার শেয়ারদর প্রায় ৭.০৩ শতাংশ বেড়ে ১৫৮.৩ টাকায় পৌঁছেছে। এই উত্থান মূলত শিল্প ও প্রকৌশল খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স, যার শেয়ারদর ৫.৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর প্রতি বাজারে আগ্রহ বাড়ছে—এই প্রবণতারই একটি প্রতিফলন এটি।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা বিএনআইসিএল (বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি) প্রায় ৪.৫৫ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়ে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। একইভাবে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ এবং জনতা ইন্স্যুরেন্সও যথাক্রমে ৪.৫১ ও ৩.৮৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বীমা, ওষুধ, প্রকৌশল এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোই আজকের বাজারে এগিয়ে ছিল। কেডিএস অ্যাকসেসরিজ, অ্যাপেক্স ট্যানারি এবং অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের মতো কোম্পানিগুলোর শেয়ারেও স্থিতিশীল উত্থান লক্ষ্য করা গেছে।

এছাড়া ব্যাংকিং খাতেও কিছু ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যায়। আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারদর প্রায় ১.৯১ শতাংশ বেড়েছে, যা বাজারে ব্যাংকিং খাতের প্রতি আস্থার ইঙ্গিত দেয়।

ডোরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের শেয়ারদরও ১.৮৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের আগ্রহের প্রতিফলন তুলে ধরে।

-রাফসান


সপ্তাহজুড়ে কেমন ছিল শেয়ারবাজার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৩ ১২:২৭:৫০
সপ্তাহজুড়ে কেমন ছিল শেয়ারবাজার
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে সূচকের পতন এবং লেনদেন বৃদ্ধির একটি বৈপরীত্যপূর্ণ চিত্র পরিলক্ষিত হয়েছে। বাজারে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়লেও বড় মূলধনী শেয়ারগুলোর দরপতনের কারণে সামগ্রিক সূচকে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

সপ্তাহ শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৪৮ পয়েন্ট বা ২.৭৭ শতাংশ কমে ৫,২১৯ পয়েন্টে নেমে এসেছে। একইভাবে ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএস৩০ প্রায় ৪.১৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে এবং শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএসও ১.৮৪ শতাংশ কমেছে।

তবে এর বিপরীতে এসএমই খাতে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে। ডিএসএমইএক্স সূচক ১৪.৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে বাজারে একটি ভিন্ন প্রবণতার ইঙ্গিত দিয়েছে, যা ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনী শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ার প্রতিফলন।

লেনদেনের দিক থেকেও বাজারে ইতিবাচক গতি দেখা গেছে। সাপ্তাহিক গড় লেনদেন প্রায় ২৫.৭৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬,৬৮৩ কোটি টাকার বেশি। একই সঙ্গে মোট লেনদেন, ভলিউম এবং ট্রেড সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজারে সক্রিয়তা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

তবে বাজার মূলধন প্রায় ২.৪৮ শতাংশ কমে যাওয়ায় সামগ্রিক মূল্যায়নে একটি চাপের চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বড় মূলধনী শেয়ারের দরপতন এই পতনের প্রধান কারণ।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রকৌশল, মিউচুয়াল ফান্ড, বীমা এবং আইটি খাতে লেনদেন ও দর বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে প্রকৌশল খাতে ১৪৪ শতাংশের বেশি লেনদেন বৃদ্ধি বাজারে নতুন প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে ব্যাংকিং, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং টেলিকম খাতে উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থায় কিছুটা প্রভাব ফেলেছে। ব্যাংক খাতে লেনদেন কমেছে প্রায় ৩৭ শতাংশ এবং টেলিকম খাতে প্রায় ৪৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

সপ্তাহের সেরা লেনদেন হওয়া শেয়ারের তালিকায় এসিএমইপিএল, ওরিয়ন ইনফিউশন, ব্র্যাক ব্যাংক এবং সিটি ব্যাংকের নাম উল্লেখযোগ্যভাবে উঠে এসেছে। একই সঙ্গে ব্লক ট্রেডেও ব্যাংক ও ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের শেয়ারগুলোর প্রাধান্য দেখা গেছে।

অন্যদিকে সাপ্তাহিক সেরা দরবৃদ্ধির তালিকায় আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এইচএফএল, ড্যাফোডিল কম্পিউটার এবং রানার অটো উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। বিপরীতে ফেয়ারইস্ট ফাইন্যান্স, ফাস ফাইন্যান্স এবং পিএলএফএসএল-এর মতো শেয়ারগুলো বড় দরপতনের মুখে পড়েছে।

বাজারের সার্বিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় পিই অনুপাত দাঁড়িয়েছে ৯.৪৩, যা তুলনামূলকভাবে বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় হলেও ঝুঁকির দিকটিও বিবেচনায় রাখতে হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সামগ্রিকভাবে, বাজারে লেনদেন বৃদ্ধির পাশাপাশি সূচক পতন একটি দ্বিমুখী পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি যেমন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়, তেমনি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরে।

-রাফসান


০২ এপ্রিল ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১৫:১৮:৪০
০২ এপ্রিল ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এর লেনদেন শেষে বাজারে শক্তিশালী নেতিবাচক প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে, যেখানে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। দিনের সার্বিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোট ৩৯৪টি সিকিউরিটির মধ্যে ৩০৬টির দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে মাত্র ৬৫টির দর বেড়েছে এবং ২৩টি অপরিবর্তিত রয়েছে, যা বাজারে ব্যাপক বিক্রির চাপ নির্দেশ করে।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে ‘এ’ ক্যাটাগরির পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক। এই ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ২০৬টি কোম্পানির মধ্যে ১৬৩টির শেয়ারদর কমেছে, যা বড় মূলধনী ও মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোর ওপরও চাপের ইঙ্গিত দেয়। একইভাবে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৬০টি এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে ৮৩টি কোম্পানির দরপতন হয়েছে, যা বাজারজুড়ে নেতিবাচক প্রবণতা ছড়িয়ে পড়ার প্রমাণ।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও পতনের ধারা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। মোট ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ২৯টির দর কমেছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা ও ঝুঁকির আশঙ্কা বৃদ্ধি নির্দেশ করে। কর্পোরেট বন্ড ও সরকারি সিকিউরিটিতেও সীমিত পরিসরে দরপতন লক্ষ্য করা গেছে।

লেনদেনের পরিমাণ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট প্রায় ১ লাখ ৯৫ হাজারের বেশি ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি ৭২ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনের মোট মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬২৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকার বেশি, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা কম, ফলে বাজারে গতি হ্রাসের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

বাজার মূলধনের ক্ষেত্রেও সামান্য নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ইক্যুইটি, মিউচুয়াল ফান্ড এবং ঋণপত্র মিলিয়ে মোট বাজারমূল্য প্রায় ৬৮ লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি অবস্থান করছে, যা সাম্প্রতিক পতনের প্রভাব প্রতিফলিত করে।

অন্যদিকে ব্লক মার্কেটে তুলনামূলক কম লেনদেন হয়েছে। ৩১টি সিকিউরিটিতে প্রায় ১৪৭ কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সীমিত সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই দরপতনের পেছনে কয়েকটি কারণ কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে আগের দিনের উত্থানের পর স্বাভাবিক সংশোধন, বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং নির্দিষ্ট খাতে আস্থার ঘাটতি।

তারা আরও বলেন, স্বল্পমূল্যের শেয়ারে অতিরিক্ত জল্পনামূলক বিনিয়োগের পর হঠাৎ বিক্রির চাপ তৈরি হলে এই ধরনের ব্যাপক পতন দেখা যায়। এতে বাজারে অস্থিরতা বাড়ে এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বেশি ক্ষতির মুখে পড়েন।

সামগ্রিকভাবে, আজকের বাজারচিত্র ডিএসইতে একটি শক্তিশালী সংশোধন প্রবণতা এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা আগামী দিনের বাজার প্রবণতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

-রাফসান


০২ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১৫:১৩:৩১
০২ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ লেনদেন শেষে শীর্ষ দরপতনের তালিকায় বেশ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারদরে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে সংশোধন প্রবণতা এবং বিক্রির চাপের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স (PREMIERLEA), যার শেয়ারদর সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ কমে ২.৭ টাকায় নেমে এসেছে। এই পতন নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত বহন করে।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিজেন্ট টেক্সটাইল (REGENTTEX) প্রায় ৯.৩০ শতাংশ এবং ফার্স্ট ফাইন্যান্স (FIRSTFIN) প্রায় ৯.২৬ শতাংশ দর হারিয়েছে, যা টেক্সটাইল ও আর্থিক খাতের ওপর চাপের ইঙ্গিত দেয়।

পরবর্তী অবস্থানে ফ্যামিলি টেক্সটাইল (FAMILYTEX) ৮.৮২ শতাংশ এবং জেননেক্সট (GENNEXT) ও নুরানি ডাইং (NURANI) উভয়ই প্রায় ৮.১০ শতাংশ দর হারিয়েছে। এই ধারাবাহিক পতন স্বল্পমূল্যের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকির বিষয়টি সামনে এনে দিয়েছে।

এছাড়া এবিবি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড (ABB1STMF), অ্যাপোলো ইস্পাত (APOLOISPAT), সিএনএ টেক্সটাইল (CNATEX) এবং ফেয়ার ইস্ট ফাইন্যান্স (FAREASTFIN) তালিকার অন্যান্য অবস্থানে থেকে উল্লেখযোগ্য হারে মূল্যহ্রাস পেয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই দরপতনের পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বল্পমূল্যের শেয়ারে অতিরিক্ত জল্পনামূলক লেনদেনের পর হঠাৎ সংশোধন, আর্থিক খাতে দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতা এবং বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা।

বিশেষ করে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ধারাবাহিক উপস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এই খাতে তারল্য সংকট ও কাঠামোগত সমস্যার কারণে বিনিয়োগকারীদের আস্থা এখনও পুরোপুরি ফিরে আসেনি।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: