৬ মাসেই গত বছরের সমান ধর্ষণ: নারী ও শিশু নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র প্রকাশ

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে বলে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে। সংস্থাটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধর্ষণের ঘটনা গত বছরের ছয় মাসের সমান হলেও, যৌন নিপীড়ন, বাল্যবিবাহ ও যৌতুকের জন্য নির্যাতনের সংখ্যা এখনই গত বছরের চেয়ে বেশি।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত ‘বাংলাদেশে নারী ও কন্যা নির্যাতন: ২০২৪ সমীক্ষা’ প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানানো হয়। ১৪টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে এই সমীক্ষাটি তৈরি করা হয়েছে।
সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে মোট নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ছিল ২ হাজার ৯৩৭টি। ২০২৪ সালে সেই সংখ্যা দাঁড়ায় ২ হাজার ৫২৫টিতে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ১ হাজার ৫৫৫টি। যদিও সাইবার অপরাধ ও গৃহকর্মী নির্যাতনের সংখ্যা কিছুটা কমেছে, তবে অন্যান্য অপরাধের সংখ্যা বেড়েছে।
অপরাধের ধরন:
ধর্ষণ ও দলবদ্ধ ধর্ষণ: প্রথম ছয় মাসে ৩৬৪ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২২০ জন কন্যাশিশু। দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৪৮ জন। ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন ২১১ জন।
যৌন নিপীড়ন: ২২৪ জন নারী ও কন্যাশিশু যৌন নিপীড়ন ও উত্ত্যক্তকরণের শিকার হয়েছেন।
বাল্যবিবাহ ও যৌতুক: ২০ জন কন্যা বাল্যবিবাহের শিকার এবং ৬৬ জন নারী ও ২ জন কন্যা যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
অন্যান্য: গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ২৪টি এবং সাইবার অপরাধে আক্রান্ত হয়েছেন ২৯ জন।
ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তের প্রোফাইল:
সমীক্ষায় দেখা গেছে, ১৮ বছরের কম বয়সী কন্যাশিশুরাই বেশি নির্যাতনের শিকার। অন্যদিকে, অভিযুক্তদের মধ্যে ১৬ থেকে ৩০ বছর বয়সীরাই প্রধান। ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের ২৮ শতাংশই ১১ থেকে ৩০ বছর বয়সী, যার মধ্যে ২১ থেকে ২৫ বছর বয়সী মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের ব্যাপ্তি ও ভয়াবহতা বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তরা তরুণ এবং একই অপরাধী বারবার অপরাধ করছে। তিনি নারীবিদ্বেষী সংস্কৃতি দূর করতে সামাজিক আন্দোলন ও গণমাধ্যমকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।
মালেকা বানু বলেন, নারী নির্যাতনের মামলার দীর্ঘসূত্রতা কমাতে সমাজে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তিনি আরও বলেন, সমীক্ষা অনুযায়ী, শিশুরা এখন ঘরে-বাইরে কোথাও নিরাপদ নয়।
/আশিক
কড়া বার্তা অন্তর্বর্তী সরকারের
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। শনিবার (৩০ আগস্ট) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, এ ঘটনায় সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ তদন্ত করা হবে এবং জড়িত কোনো ব্যক্তি প্রভাব কিংবা পদমর্যাদা দেখিয়ে জবাবদিহিতা থেকে রেহাই পাবে না।
বিবৃতিতে নূরকে কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নেতা হিসেবেই নয়, বরং জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম অগ্রণী মুখ, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের জন্য সাহসী সংগ্রামী এবং জনগণের অধিকার আদায়ের প্রতীক হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। নূরের ওপর এই হামলাকে শুধু একজন রাজনীতিবিদের ওপর আঘাত নয়, বরং ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও জনগণের মুক্তির সংগ্রামে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মর্মভূমির ওপর আঘাত হিসেবে বিবেচনা করে অন্তর্বর্তী সরকার।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে জানানো হয়, নৃশংস এই ঘটনার তদন্ত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পন্ন করা হবে। সরকারের স্পষ্ট ঘোষণা হলো—স্বচ্ছতা, ন্যায়পরায়ণতা ও দ্রুততার সঙ্গে এর বিচার নিশ্চিত করা হবে, এবং অপরাধীদের রাজনৈতিক, সামাজিক বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় কোনোভাবেই বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারবে না।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, নূর ও তার দলের আহত সহযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে একটি বিশেষায়িত মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাদের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ এবং প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে বিদেশে পাঠানো হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতিতে নূরের অতীত রাজনৈতিক ভূমিকার কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, ২০১৮ সালে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নূর ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিলেন। একজন নির্ভীক ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি তরুণদের সংগঠিত করেছিলেন, বিভক্ত মত ও কণ্ঠকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অকুতোভয় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান চলাকালে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং হেফাজতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। এসব অভিজ্ঞতা তাকে জনগণের স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের লড়াইয়ে এক অবিচল প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বর্তমান সংকটময় সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছে। জনগণের আন্দোলনের অর্জন রক্ষা করতে, জনবিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণকে সুরক্ষিত করতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই।
অবশেষে বিবৃতিতে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে যে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচাল করার যেকোনো ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করতে সরকার এবং গণতন্ত্রপ্রেমী জনগণ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, জনগণের ইচ্ছাই সর্বোচ্চ, এবং কোনো অশুভ শক্তিকে গণতন্ত্রের পথে দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে দেওয়া হবে না।
-রফিক
নাকের হাড় ভেঙেছে নুরের, অবস্থা স্থিতিশীল: ঢামেক পরিচালক
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে। তার চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে একটি উচ্চ পর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এই তথ্য জানান।
ঢামেক পরিচালক জানান, সংঘর্ষে নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে। এছাড়াও তার চোখের ওপরে আঘাত রয়েছে এবং মাথায় সামান্য রক্তক্ষরণ হয়েছে। আহত অবস্থায় তাকে রাতে হাসপাতালে আনা হলে প্রথমে ক্যাজুয়ালটি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে দেখেন। পরে রাতেই তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, রাতেই পাঁচ বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী নুরকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, নুরের বর্তমান অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তবে ৪৮ ঘণ্টা না যাওয়া পর্যন্ত তাকে শঙ্কামুক্ত বলা যাচ্ছে না। তার মস্তিষ্কে যে রক্তক্ষরণ হয়েছে, তা ওষুধেই সেরে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নুরুল হক নুরের চিকিৎসায় গঠিত ছয় সদস্যের মেডিকেল বোর্ডে ঢামেকের পরিচালকসহ অ্যানেস্থেশিয়া, ক্যাজুয়ালটি, নাক-কান-গলা, নিউরোসার্জারি ও চক্ষু বিভাগের একজন করে চিকিৎসক রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জাপার কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণ অধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় এই সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
/আশিক
ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা আনতে কঠোর আইন: অনলাইনে মিথ্যা তথ্য দিলেই কারাদণ্ড
বাংলাদেশে দ্রুত প্রসারমান ই-কমার্স খাতকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে এবং ক্রেতাদের অধিকার সুরক্ষায় কঠোর আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নতুনভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে ‘ডিজিটাল বাণিজ্য কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ’, যেখানে অনলাইন বিক্রেতাদের প্রতারণা ও অনিয়ম ঠেকাতে কড়া শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। খসড়ায় বলা হয়েছে, অনলাইনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পণ্য বিক্রি করলে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড এবং অনাদায়ে ১০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। নির্ধারিত সময়ে পণ্য বা সেবা সরবরাহ না করলে মূল্যের কয়েক গুণ জরিমানা আরোপ করা হবে। নিষিদ্ধ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রেও বড় অঙ্কের জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২১–২২ সালে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতারণার কারণে হাজার হাজার গ্রাহক পণ্য না পেয়ে আন্দোলনে নেমেছিলেন। তখন টাকা ফেরতের দাবিতে মিছিল, সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ পর্যন্ত হয়েছিল। এসব ঘটনা বিবেচনায় নিয়েই নতুন আইন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মে মাসে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের মন্ত্রিসভায় এ খসড়ার অনুমোদন হয়েছিল। তবে সরকার পতনের পর আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। এখন অন্তর্বর্তী সরকার খসড়াটি নতুন করে সামনে এনেছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রণীত খসড়া অধ্যাদেশ ইতোমধ্যে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে তা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। এরপর যাবে ‘আইনের খসড়া পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক মতামত প্রদান কমিটি’র বৈঠকে। যদিও বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, বিষয়টি এখনো তার নজরে আসেনি, তবে তিনি খোঁজ নিচ্ছেন।
খসড়ায় বলা হয়েছে, যেকোনো ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইনে পণ্য ও সেবা কেনাবেচাকে ‘ডিজিটাল বাণিজ্য’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। নিবন্ধিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যারা নিজস্ব নামে ওয়েবসাইট, মার্কেটপ্লেস বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যমে অনলাইনে পণ্য বা সেবা বিক্রি বা প্রদর্শন করবে, তাদেরই ‘ডিজিটাল বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে গণ্য করা হবে। অনুমতি ছাড়া গিফট কার্ড, ওয়ালেট, ক্যাশ ভাউচার বা ডিজিটাল ভাউচার চালু করলে জরিমানা করা হবে। অনলাইন লটারির আয়োজন করলেও বড় অঙ্কের জরিমানা দিতে হবে। প্রতিটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স ও ডিজিটাল বিজনেস আইডেনটিটি (ডিবিআইডি) নিবন্ধন নিতে হবে। প্রতারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করলে কর্তৃপক্ষ তাদের নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে।
অধ্যাদেশ পাস হলে গঠিত হবে ডিজিটাল বাণিজ্য কর্তৃপক্ষ, যা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে। এর প্রধান দায়িত্ব হবে ডিজিটাল বাণিজ্যের প্রসার ও শৃঙ্খলা রক্ষা, বাণিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি, প্রতারণা ও অপরাধ প্রতিরোধ, অনলাইন কার্যক্রম পরিদর্শন, ভুয়া বিজ্ঞাপন ও নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি ঠেকানো এবং ভোক্তা প্রতারণা রোধে তদারকি। এই কর্তৃপক্ষের কাঠামোতে থাকবেন একজন নির্বাহী চেয়ারম্যান ও চারজন সদস্য। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বাণিজ্যমন্ত্রী বা বাণিজ্য উপদেষ্টা প্রধান করে গঠন করা হবে উপদেষ্টা পরিষদ।
অধ্যাদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, অনলাইন ব্যাংকিং, আর্থিক সেবা, মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং কার্যক্রম, অনলাইন জুয়া, লটারি, যৌন উত্তেজক দ্রব্য বা অনলাইন এসকর্ট সেবা এ আইনের আওতার বাইরে থাকবে। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) তথ্যমতে, দেশে ই-কমার্স কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯৯ সালে, তবে পূর্ণাঙ্গ যাত্রা শুরু হয় ২০০৯ সালে এবং ২০১৪ সালের পর থেকে খাতটির উল্লেখযোগ্য বিকাশ ঘটে। ২০১৮ সালে প্রণয়ন করা হয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা, যা ২০২০ সালে বিদেশি বিনিয়োগ উন্মুক্ত করে সংশোধন করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগের অধ্যাপক সুবর্ণ বড়ুয়া এ প্রসঙ্গে বলেন, ই-কমার্স খাতে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা ও অনিয়ম চললেও কার্যকর কোনো কর্তৃপক্ষ না থাকায় সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাই একটি শক্তিশালী আইন এবং কর্তৃপক্ষ গঠন এখন অত্যন্ত জরুরি, যা কার্যকর হলে অনলাইন কেনাবেচার নানা সমস্যা সমাধানে বাস্তব অগ্রগতি হবে।
সবজির পর এবার অন্য যেসব খাতে আগুন
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ক্রমেই নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। কয়েক সপ্তাহ ধরেই সবজির দাম চড়া অবস্থায় থাকলেও নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে আটা, ময়দা ও মসুর ডালের মতো মুদি পণ্যের দাম। এর পাশাপাশি মুরগি, ডিম ও পেঁয়াজের উচ্চমূল্যও ভোক্তাদের কষ্ট আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, কয়েকদিনের মধ্যেই খুচরা পর্যায়ে আলুর দামও বাড়তে পারে।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়— তিন-চার দিন আগেও কোম্পানিভেদে এক কেজি প্যাকেটজাত আটা ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। খোলা আটার দামও কেজিপ্রতি ৫ টাকা বাড়িয়ে বর্তমানে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে ময়দার দাম কোম্পানিভেদে কেজিপ্রতি ৫ টাকা বেড়ে এখন ৭০ থেকে ৭৫ টাকায় পৌঁছেছে। খোলা ময়দার দামও বেড়ে কেজিতে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা হয়েছে।
ভালো মানের মসুর ডাল যেখানে এক সপ্তাহ আগে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, বর্তমানে তা বেড়ে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায় উঠেছে। অর্থাৎ প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ১০ টাকা। বড় দানার মসুর ডালের দামও একই সময়ে ১১৫-১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১২৫-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সবজির বাজারে আগের চড়া দাম অব্যাহত রয়েছে। বেগুন এখনো কেজিপ্রতি ১০০-১২০ টাকা, করলা ৯০-১০০ টাকা, কচুর লতি ৮০-১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৭০-৮০ টাকা, কচুর মুখি ৮০-৯০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা এবং চিচিংগা-ঝিঙ্গা ৯০-১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের দাম আরও বেশি; বর্তমানে প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
পেঁয়াজের ক্ষেত্রে আমদানি বাড়লেও দাম কমেনি উল্লেখযোগ্যভাবে। খুচরায় এখনো প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮০-৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তালতলা বাজারের ব্যবসায়ী বুলু মিয়া বলেন, “ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজও দেশি পেঁয়াজের সমান দামে বিক্রি হচ্ছে। ফলে আমদানি থাকা সত্ত্বেও দামের ওপর কোনো প্রভাব পড়েনি।” কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬২ টাকা কেজিতে, যেখানে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৭২ টাকায়।
এছাড়া ডিম ও মুরগির দামও উচ্চ পর্যায়েই রয়েছে। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭০-১৮০ টাকায় এবং সোনালি মুরগি ৩২০-৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও অপরিবর্তিত আছে— প্রতি ডজন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা।
এদিকে, আলুর বাজারেও দাম বাড়ার ইঙ্গিত মিলছে। দীর্ঘদিন লোকসানে আলু বিক্রি করার অভিযোগের পর কৃষক ও ব্যবসায়ীদের দাবির ভিত্তিতে সরকার সম্প্রতি হিমাগার পর্যায়ে আলুর ন্যূনতম দাম ২২ টাকা নির্ধারণ করেছে। এর আগে দীর্ঘদিন হিমাগারে আলু ১২-১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল। এখন হিমাগারে প্রতি কেজির দাম ৭-১০ টাকা বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব খুব শিগগিরই খুচরা বাজারে পড়বে বলে মনে করছেন বিক্রেতারা।
বর্তমানে খুচরায় আলু ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হলেও আগামী দিনে তা ৩৫-৪০ টাকায় উঠতে পারে বলে ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন। কারওয়ান বাজারের আলুর আড়তদার জাহাঙ্গীর বলেন, “হিমাগারে ২২ টাকায় আলু কিনলে আমাদের পাইকারি বিক্রি করতে হবে অন্তত ২৪ টাকায়। অন্যান্য খরচ যোগ করলে খুচরায় ২৭-২৮ টাকা দাঁড়াবে। তখন স্বাভাবিকভাবেই ভোক্তার দামে এর প্রভাব পড়বে।”
গত ২৭ আগস্ট কৃষি মন্ত্রণালয়ের নীতি শাখা থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে আলুর ন্যূনতম হিমাগার মূল্য নির্ধারণ করা হলেও খুচরা বিক্রির সর্বোচ্চ মূল্য ঠিক করা হয়নি। ফলে বাজারে চাহিদা ও যোগানের ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত দাম নির্ধারিত হবে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকার যদি সরবরাহ চেইন মনিটরিংয়ে শক্ত ভূমিকা রাখে, তবে খুচরা পর্যায়ে হঠাৎ অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঠেকানো সম্ভব হতে পারে।
রাজধানীর বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, আপাতত আলুর দাম বাড়েনি। তবে সবজির স্থায়ী উচ্চমূল্য, মুদি পণ্যের ঊর্ধ্বগতি এবং আসন্ন আলুর দামের চাপ সব মিলিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের দৈনন্দিন খরচ দিন দিন বেড়েই চলেছে।
-রাফসান
আসন্ন নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনারের অভূতপূর্ব মন্তব্য
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ আখ্যা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও সাম্প্রতিক অস্থিরতা বিবেচনা করলে স্পষ্ট হয় যে এবারকার নির্বাচন অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে। বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সংকট একসঙ্গে মিলে নির্বাচনী পরিবেশকে অনিশ্চিত করে তুলেছে।
নির্বাচন কমিশনারের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা একটি বড় পরীক্ষা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণের আস্থা নিশ্চিত করাই হবে নির্বাচন কমিশনের প্রধান দায়িত্ব। তবে তিনি একইসঙ্গে স্বীকার করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক আস্থার সংকট, মাঠপর্যায়ে সহিংসতার ঝুঁকি এবং বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা এই নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তাকে কঠিন করে তুলতে পারে।
আনোয়ারুল ইসলাম সরকার মনে করেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিশ্বাসযোগ্য করতে হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয় অপরিহার্য। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকে সহনশীলতা প্রদর্শন করতে হবে এবং সহিংসতা পরিহার করে গণতান্ত্রিক চর্চাকে শক্তিশালী করতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার এবং পর্যাপ্ত আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি।
তাঁর ভাষায়, “এবারের নির্বাচন শুধু একটি রাজনৈতিক ইভেন্ট নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। তাই ঝুঁকি থাকলেও আমাদের দায়িত্ব এটি সফলভাবে সম্পন্ন করা।”
-রফিক
গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড: নতুন অধ্যাদেশের নীতিগত অনুমোদন
গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য খসড়াটি আরও আলোচনার পর আবারও বৈঠকে তোলা হবে।
বৃহস্পতিবার সকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের ৪০তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলন করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, প্রস্তাবিত অধ্যাদেশের খসড়ায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান রাখা হয়েছে:
শাস্তি: গুমকে একটি চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
গোপন আটক কেন্দ্র: গোপন আটক কেন্দ্র স্থাপন বা ব্যবহার করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
তদন্ত ও বিচার: জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুমসংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষাসংক্রান্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে এবং অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা থাকবে।
ভুক্তভোগীর অধিকার: ভুক্তভোগী, তথ্য প্রদানকারী ও সাক্ষীর অধিকার সুরক্ষার পাশাপাশি ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ ও আইনগত সহায়তার নিশ্চয়তার বিধানও অধ্যাদেশে রাখা হয়েছে।
শফিকুল আলম বলেন, “আজকে কেবল নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি নিয়ে সামনে আরও আলোচনা হবে এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নিয়ে আসা হবে।”
/আশিক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ
বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। এ কর্মপরিকল্পনায় সীমানা পুনর্নির্ধারণ, ভোটার তালিকা চূড়ান্তকরণ, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন, দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন সম্পন্নকরণসহ অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ আয়োজনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে। এর আগে আগামী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।
জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ জানান, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন ২৪টি কার্যক্রমকে আলাদা ভাগে বিভক্ত করেছে। প্রতিটি কার্যক্রমই একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ক্রমান্বয়ে বাস্তবায়িত হবে। এ কার্যক্রমগুলোর অন্যতম হলো অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, নাগরিক সমাজ ও নারী নেতৃত্বের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করে নির্বাচনকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক করার চেষ্টা করবে কমিশন।
ভোটার তালিকা প্রণয়নের বিষয়ে আখতার আহমেদ বলেন, এবার তিন ধাপে ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। যেসব নাগরিকের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তারা সবাই নতুন ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবেন। এ প্রক্রিয়ায় তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে জোর দেওয়া হবে।
ঘোষিত রোডম্যাপে সীমানা নির্ধারণের কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আসনভিত্তিক জনসংখ্যার ভারসাম্য রক্ষার জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও হালনাগাদ করা হবে। দেশীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোকেও নতুন করে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে, যাতে নির্বাচনের সুষ্ঠুতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়।
-রাফসান
সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় আটকে আছে ২০০ কোটি টাকার রাজস্ব: বিটিআরসি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রশাসনিক নির্দেশনা এখনো বহাল থাকায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আন্তর্জাতিক এসএমএস খাত থেকে বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার পতনের এক বছর পেরিয়ে গেলেও রহস্যজনক কারণে বিটিআরসি জয়ের সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেনি।
২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে (আইজিডব্লিউ) চালু হলেও আন্তর্জাতিক এসএমএস সেবা এর আওতার বাইরে রেখে মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের (এমএনও) হাতে তুলে দেওয়া হয়। অথচ লাইসেন্সিং গাইডলাইনস এবং আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সেবা নীতিমালা (আইএলডিটিএস) অনুযায়ী ইন্টারনেট ছাড়া সব আন্তর্জাতিক সেবা আইজিডব্লিউর মাধ্যমে পরিচালনা করার কথা। অভিযোগ রয়েছে, বিদেশি মোবাইল কোম্পানিগুলোর চাপের কারণে বিটিআরসি তার নিজের প্রণীত নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে পারেনি।
২০১৭ সালে বিটিআরসি আন্তর্জাতিক এসএমএস সেবা আইএলডিটিএস নীতিমালার অধীনে আনার জন্য উদ্যোগ নেয় এবং একটি খসড়া পরিকল্পনাও তৈরি করা হয়। কিন্তু ২০২০ সালের অক্টোবরে বিটিআরসি যখন আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের অনুমোদন চায়, তখন তিনি এই প্রস্তাব নাকচ করে দেন। তিনি নতুন নীতিমালা আসবে—এই অজুহাত দেখিয়ে আন্তর্জাতিক এসএমএস সেবা মোবাইল অপারেটরদের হাতেই রেখে দেওয়ার পক্ষে মত দেন। তার সেই মতামতই এখন পর্যন্ত প্রশাসনিক আদেশ হিসেবে বহাল আছে।
বর্তমানে প্রতি মাসে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে গড়ে ৩ কোটির বেশি আন্তর্জাতিক ইনকামিং এটুপি এসএমএস (অ্যাপ্লিকেশন টু পারসন) বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী, মাসে এর আয় ২৪ লাখ ডলার। তবে মোবাইল অপারেটরদের থেকে বিটিআরসি সর্বোচ্চ মাত্র ১ লাখ ৫৬ হাজার ডলার আয় করতে পারে।
নীতিমালা অনুযায়ী যদি আন্তর্জাতিক এসএমএস সেবা আইজিডব্লিউর মাধ্যমে পরিচালিত হতো, তবে বিটিআরসি শুধু আইজিডব্লিউ থেকেই ৯ লাখ ৬০ হাজার ডলার আয় করতে পারত। মোবাইল অপারেটর এবং আইসিএক্স থেকেও আসত আরও ২ লাখ ৪৫ হাজার ডলার। সব মিলিয়ে বিটিআরসির মাসিক আয় দাঁড়াত কমপক্ষে ১২ লাখ ৫ হাজার ডলার, যা বর্তমান আয়ের চেয়ে প্রায় ৮ গুণ বেশি। এই হিসাবে সরকার বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে।
বর্তমানে প্রতিটি বিদেশি মোবাইল অপারেটর তাদের বিদেশে অবস্থিত সহপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করে আন্তর্জাতিক এটুপি এসএমএস পরিচালনা করছে। এটি একদিকে যেমন আইএলডিটিএস নীতিমালার গুরুতর লঙ্ঘন, অন্যদিকে তা বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে পাচারের সুযোগ করে দিয়েছে। এছাড়াও, এ ব্যবস্থা জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া ও মানি লন্ডারিংয়ের ঝুঁকিও তৈরি করেছে।
আইজিডব্লিউ অপারেটরদের সংগঠনের (আইওএফ) প্রেসিডেন্ট আসিফ সিরাজ রব্বানী বলেন, “নীতিমালা অনুযায়ী আমরা আন্তর্জাতিক ভয়েস কলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক এসএমএস ব্যবসায় প্রবেশাধিকার পাব ধরে নিয়েই ব্যাপক বিনিয়োগ করেছিলাম। কিন্তু অনুমোদন না পাওয়ায় আমরা বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি।” তিনি বলেন, বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে এই খাতে সুযোগ না দিয়ে দেশীয় বিনিয়োগকারীদের সক্ষমতাকে কাজে লাগানো উচিত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিটিআরসির কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ইকবাল আহমেদ বলেন, “আমরা পুরো সেক্টরটাই সংস্কার করার চেষ্টা করছি। আন্তর্জাতিক এসএমএস নিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটা নির্দেশনা ছিল। আমরা সেটি নিয়ে কাজ করছি। এ মাসের শুরুর দিকেও আমি স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে বৈঠক করেছি। সবার প্রস্তাব পাওয়ার পর, যেটা ভালো হয় ও সরকারের রাজস্ব বাড়ে—সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” তবে তিনি বছরে ২০০ কোটি টাকা রাজস্ববঞ্চিত হওয়ার বিষয়টি সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন।
দিল্লির গোপন বৈঠক ফাঁস: হাসিনা ও এস আলমের ষড়যন্ত্র, নেপথ্যে ৪৫০০ কোটি টাকা
জুলাই বিপ্লবের মুখে আওয়ামী লীগের অনেক শীর্ষ নেতা ভারতসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে দেশের বাইরে বসে ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগের ধারাবাহিকতায়, সম্প্রতি দিল্লিতে শেখ হাসিনা ও এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের একটি গোপন বৈঠক হয়েছে। এই বৈঠকে তারা আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে নানা কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্র অনুযায়ী, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে আওয়ামী লীগকে পুনরায় ক্ষমতায় আনার উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনাকে ২৫০০ কোটি টাকা হস্তান্তর করেছেন এস আলম। তিনি আরও ২০০০ কোটি টাকা দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন। এই অর্থ দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার হটাতে ভয়াবহ নাশকতার ছক কষা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিভিন্ন দেশে পলাতক মুজিববাদী নেতাকর্মী, সাবেক আমলা, সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের কর্মকর্তাদের দিয়ে এই নীলনকশা প্রস্তুত করা হচ্ছে।
দিল্লি ও মক্কায় গোপন বৈঠক
গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা যায়, পবিত্র ওমরাহ পালনের দোহাই দিয়ে সাইফুল আলম মাসুদ প্রথমে মক্কায় যান। সেখানে তিনি মক্কার ফেয়ারমন্ট হোটেলে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দেশ থেকে পাচার করা অর্থের বিনিময়ে সেখানে একটি বিলাসবহুল হোটেল কেনার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গেও তিনি বৈঠক করেন।
এরপর ৪ আগস্ট এস আলম মদিনায় চলে যান এবং ‘ইলাফ আল তাকওয়া’ হোটেলে চট্টগ্রামের কিছু চিহ্নিত আওয়ামী লীগ ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলোচনা করেন। দুই দিন পর ৬ আগস্ট তিনি দুবাই হয়ে ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে পৌঁছান। দিল্লি সফরে তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ফারজানা পারভীন, ছোট ছেলে এবং ইসলামী ব্যাংকের সাবেক একজন চেয়ারম্যান। তারা দিল্লির বিখ্যাত পাঁচ তারকা হোটেল ‘দি ওবেরেই নিউ দিল্লি’তে ওঠেন।
শেখ হাসিনার সঙ্গে গোপন বৈঠক
৮ আগস্ট দুপুরে এস আলম তার সব ফোন ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস হোটেলে রেখে একটি নম্বরপ্লেটবিহীন গাড়িতে করে শেখ হাসিনার বাসভবনে যান। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পথে দুইবার গাড়ি পরিবর্তন করে তিনি Lutyens Bungalwo Zone (LBZ)-এ অবস্থিত হাসিনার বাসভবনে পৌঁছান। সেখানে তিনি দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ২৭ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন এবং শেখ হাসিনার সঙ্গে একান্তে আলাপ করেন। এই দীর্ঘ সময়ে ভারতের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
৪৫০০ কোটি টাকার চুক্তি ও ষড়যন্ত্র
এই বৈঠকে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে আবার ক্ষমতায় ফিরে আসার জন্য এস আলমের কাছে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা চান এবং এস আলম এতে সম্মতি দেন। এই অর্থ নির্দিষ্ট কিছু খাতে খরচ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যার মধ্যে রয়েছে:১. আন্তর্জাতিক লবি ও বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারকদের আওয়ামী লীগের পক্ষে আনা।
২. নভেম্বর ও ডিসেম্বরে দেশজুড়ে নাশকতা সৃষ্টি করে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিদায় নিতে বাধ্য করা।
৩. সরকারি আমলা, পুলিশ ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কিনে ফেলা।
৪. দলীয় নেতাকর্মীদের জামিনের জন্য খরচ করা।
৫. এস আলমের সুগার রিফাইনারিসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের মাধ্যমে আন্দোলন সংগঠিত করা।
এই অর্থ গ্রহণ, বিতরণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন— আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক, মোহাম্মদ আলী আরাফাত এবং সাবেক মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
সূত্র : আমার দেশ।
পাঠকের মতামত:
- ব্ল্যাকহেড্স দূর করার ঘরোয়া উপায়: মাত্র দুটি জিনিস লাগবে
- মা-মেয়েকে অজ্ঞান করতে গিয়ে ধরা, নিজ জুসেই বেহুঁশ অজ্ঞান পার্টির সদস্য
- শরিয়াহবিরোধী,আখ্যায় আফগানিস্তানে নারীদের বিউটি পার্লার বন্ধে কঠোর অবস্থান
- টি-টোয়েন্টিতে সাকিবের রেকর্ড ছুঁলেন লিটন, বাংলাদেশের সহজ জয়
- রংপুরে চাপা উত্তেজনা: জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদ মুখোমুখি
- নুরের পাশে জামায়াত: ঢাকা মেডিকেলে তাহেরের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল
- খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান অংশ নেবেন ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে
- শঙ্কামুক্ত নন: নুরকে আরও ৩৬ ঘণ্টা আইসিইউতে রাখার সিদ্ধান্ত চিকিৎসকদের
- ট্রাম্পের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে, কী বলছে হোয়াইট হাউস?
- নেদারল্যান্ডসকে ১৩৬ রানে আটকে দিল টাইগাররা
- সবার সক্রিয় সমর্থন চাই: ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কাছে তারেক রহমানের আহ্বান
- কড়া বার্তা অন্তর্বর্তী সরকারের
- সংসদ ভবনে আগুন দিল বিক্ষোভকারীরা
- এক মঞ্চে মামুনুল-চরমোনাই পীর: নির্বাচন ও জুলাই সনদ নিয়ে কঠোর বার্তা
- অ্যাপলের নতুন চমক: আইফোন ১৭ সিরিজ আসছে, কী থাকছে নতুন ফোনে?
- পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলতেই ৩২ বস্তা টাকা, এবার রেকর্ড ভাঙার আশা
- ভারত আমাদের হাত বেঁধে, মুখ ঢেকে বন্দীদের মতো করে নিয়ে যায়—এরপর সমুদ্রে ফেলে দেয়
- শিবচরে ৪ বাসের ভয়ংকর সংঘর্ষ, অচল হয়ে পড়েছে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে
- খুঁটির সঙ্গে বেঁধে বৃদ্ধকে পেটালেন বিএনপি নেতা
- নাকের হাড় ভেঙেছে নুরের, অবস্থা স্থিতিশীল: ঢামেক পরিচালক
- স্বর্ণের দামে স্বস্তি নেই: ফের বাড়ল দাম, নতুন মূল্য কার্যকর আজ থেকে
- যানজট নিরসনে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল চালু হচ্ছে আজ
- ঐতিহাসিক রায়ে ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক অবৈধ ঘোষণা
- নিজের আমলের ফল নিজেই ভোগ করবে মানুষ: হাদিসে কুদসীর শিক্ষা
- গ্ল্যামারাস রূপে হানিয়া আমির, নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা
- এশিয়া কাপের প্রস্তুতি: আজ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ
- কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে: নুরের ওপর হামলা নিয়ে সারজিস আলমের হুঁশিয়ারি
- নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে ময়মনসিংহে জাতীয় পার্টির কার্যালয় ভাঙচুর
- চিয়া বীজ কি সবার জন্য নিরাপদ? জেনে নিন কাদের জন্য এটি বিপজ্জনক
- জ্ঞান ফিরেছে নুরুল হক নুরের
- নুরের ওপর হামলা,ভারতের মদতে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা: হাসনাত
- বিএনপির সঙ্গে বরফ না গলায় ছয় দল নিয়ে এগোচ্ছে জামায়াত
- নুরের ওপর হামলার আইনি তদন্তের আহ্বান তারেক রহমানের
- আর মানবিক মূল্যবোধ উপেক্ষা নয়: ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত তুরস্কের
- আইসিইউতে নুরুল হক নুরের অবস্থা আশঙ্কাজনক
- ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা আনতে কঠোর আইন: অনলাইনে মিথ্যা তথ্য দিলেই কারাদণ্ড
- কাকরাইলে সংঘর্ষে রক্তাক্ত নুর, উত্তপ্ত রাজনীতি: এনসিপির বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা
- দিল্লিতে হাসিনা–এস আলম গোপন বৈঠকে অর্থায়ন, প্রোপাগান্ডা ও অস্থিতিশীলতার কৌশল!
- "জাতীয় নাগরিক পার্টি আসলে ইউনূসের দল, জামায়াতই দেশ চালাচ্ছে"
- মসজিদে প্রবেশের আগে যে ছোট কাজটি আনতে পারে রহমত
- কেন প্রতিদিন লেখার চর্চা আপনাকে করে তুলতে পারে আলাদা? জানুন কিভাবে
- কেন আমরা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগি- মনোবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক বিশ্লেষণ
- সবজির পর এবার অন্য যেসব খাতে আগুন
- আসন্ন নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনারের অভূতপূর্ব মন্তব্য
- নকলায় বিএনপি থেকে জামায়াতে যোগ ২৪ নেতা-কর্মীর
- নদী ভাঙন রোধে কী পরিকল্পনা জানালেন বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী
- স্বাধীনতা দিবসে সব নাগরিককে নগদ অর্থ দেবে সরকার
- নিহত গাজা সাংবাদিকের চিঠি পড়ে কেঁদে ফেললেন জাতিসংঘে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত
- গাজা উপত্যকায় রাতভর তাণ্ডব
- ডিএসই প্রকাশ করল নতুন মার্জিন ঋণযোগ্য সিকিউরিটিজ তালিকা
- মাহাথির মোহাম্মদ ও মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক রূপান্তর: নীতি, সংস্কার ও উত্তরাধিকার
- "জাতীয় নাগরিক পার্টি আসলে ইউনূসের দল, জামায়াতই দেশ চালাচ্ছে"
- অমীমাংসিত ইস্যু সরকারের বিষয়, মুসলিম বিশ্বের ঐক্য শক্তিশালী করার আহ্বান জামায়াতের
- পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নতুনভাবে ভাবতে চায় এনসিপি, ৭১-এর অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান
- ২৭ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৬ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশ শেয়ার
- জ্ঞান ফিরেছে নুরুল হক নুরের
- ২৭ আগস্টের বন্ড মার্কেট আপডেট: কিছু বন্ডে দরপতন, বেশিরভাগই স্থবির
- মুক্তিযুদ্ধের নাম কি তবে ‘৭১ ডিল’: মেহের আফরোজ শাওন
- ২৬ আগস্ট শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া বিপ্লব অসম্পূর্ণ: ডা. তাহের
- ২৫ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশ শেয়ার
- নাইজেরিয়ার বাজারে ডেরিকা: টমেটো পেস্ট থেকে মাপের এককে রূপান্তরের গল্প
- ২৪ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশ শেয়ার