মালয়েশিয়ায় ড. ইউনূসকে লাল গালিচা ও গার্ড অব অনারে সংবর্ধনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ১১ ২১:১৯:১৬
মালয়েশিয়ায় ড. ইউনূসকে লাল গালিচা ও গার্ড অব অনারে সংবর্ধনা
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে লালগালিচা সংবর্ধনা

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তিন দিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে পৌঁছেছেন। সোমবার (১১ আগস্ট) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে তিনি মালয়েশিয়ার রাজধানীতে পা রাখেন। এর আগে দুপুর ২টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের বাণিজ্যিক ফ্লাইটে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।

বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে স্বাগত জানান দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুতিওন ইসমাইল। সেখানে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

তিন দিনের এই সফরে ড. ইউনূস মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন। সফরের মূল আলোচনায় থাকবে বাণিজ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ উন্নয়নসহ একাধিক খাতের উন্নয়ন এবং সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা।

বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, গভীর সমুদ্রের সঠিক ব্যবহার, কৃষি ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোতে। মালয়েশিয়া ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হবে।

এছাড়া এই সফরে ড. ইউনূসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সফরে তার সঙ্গে থাকবেন পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, বৈঠকে খাজানা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সহযোগিতা এবং গভীর সমুদ্র থেকে মাছ আহরণের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের বিষয়গুলো আলোচনায় থাকবে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা প্রায় দুই লাখ ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার, যেখানে আমরা মাত্র ৪০-৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত মাছ আহরণ করি। এই সুযোগ কাজে লাগানোর দিকে প্রধান উপদেষ্টা গুরুত্ব দিচ্ছেন।”

এছাড়া প্রোটন হোল্ডিংসের সঙ্গে ইলেকট্রিক যানবাহন উৎপাদন এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানি এক্সিয়াটার প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে বৈঠকও এই সফরের অংশ। শফিকুল আলম বলেন, “প্রোটন হোল্ডিংস ইলেকট্রিক যান নিয়ে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। বাংলাদেশেও ইভি ম্যানুফ্যাকচারিং করা যায় কিনা এবং কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হবে।”

/আশিক


সবার অনার্স-মাস্টার্স করার প্রয়োজন নেই, চাই কারিগরি দক্ষতা: মাহদী আমিন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ২১:৪৪:১৬
সবার অনার্স-মাস্টার্স করার প্রয়োজন নেই, চাই কারিগরি দক্ষতা: মাহদী আমিন
ছবি : সংগৃহীত

গত ১৮ বছরের অচলায়তন ভেঙে বর্তমান সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নতুন সংস্কৃতি গড়তে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার মাত্র তিন মাসেই নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত গতিতে শুরু হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হলো তরুণ ও নারী জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। দেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে কর্মসংস্থানের দূরত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সবার অনার্স-মাস্টার্স করার প্রয়োজন নেই। আমরা এমন একটি হোলিস্টিক ইকোসিস্টেম গড়তে চাই যেখানে দক্ষতা ও কারিগরি যোগ্যতাই হবে শিক্ষার মূল ভিত্তি। ভোকেশনাল শিক্ষার মাধ্যমে আমরা ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমি কোলাবরেশন তৈরি করতে চাই।”

সরকারের তিন মাস পূর্তিতে কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে মুখপাত্র জানান, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী এবং কৃষি ঋণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতিগুলো ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এগুলো সফল হলে পর্যায়ক্রমে সারাদেশের মানুষ এর সুফল পাবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মানুষের যৌক্তিক সমালোচনা করার অধিকার থাকবে এবং সরকার আদর্শিক ভিন্নতাকে ধারণ করেই জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণে এনজিওগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করে মাহদী আমিন বলেন, সরকার একা বিচ্ছিন্নভাবে (আইসোলেশনে) কোনো পলিসি বাস্তবায়ন করতে চায় না। এনজিওগুলোকে সরকারের 'ইমপ্লিমেন্টেশন পার্টনার' হিসেবে শক্তিশালী করা হবে। বিশেষ করে পরিবেশ সংরক্ষণে দক্ষ জনবল তৈরিতে এনজিওগুলোর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় দেশে স্বচ্ছতা ও বাকস্বাধীনতার অভাব ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মানুষের বিশাল প্রত্যাশার বোঝা আমাদের কাঁধে। আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে আইনের শাসন এবং জবাবদিহিতা থাকবে প্রধান স্তম্ভ।”

সূত্র: বাসস


১০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে শিশু স্বর্গ: বিশেষ শিশুদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ২১:৩১:৪৫
১০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে শিশু স্বর্গ: বিশেষ শিশুদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার
ছবি : সংগৃহীত

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষা এবং তাঁদের জন্য রাষ্ট্রীয় সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সভায় তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো এবং সেবা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর নির্দেশনায় ভবন নির্মাণ নীতিমালায় বড় পরিবর্তনের কথা বলেন। এখন থেকে হাসপাতাল, রেস্টুরেন্ট এবং সব সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের যাতায়াতের উপযোগী অবকাঠামো ও টয়লেট সুবিধা রাখা বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে কক্ষের দরজাগুলো এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা কোনো বাধা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারেন।

নারীদের জন্য পরিকল্পিত ইলেকট্রিক বাসগুলোতেও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ সুবিধা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি, সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। খেলাধুলার ক্ষেত্রে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রতিযোগিতায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে তাঁদের সক্ষমতাকে মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি করা হবে।

সভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্প। প্রাথমিকভাবে দেশের ১০টি জেলার ১০টি উপজেলায় এই প্রকল্প চালু করা হবে, যার মাধ্যমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুনর্বাসন সেবা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া, দেশের প্রতিটি প্রতিবন্ধী স্কুলের কার্যক্রম সঠিকভাবে চলছে কি না, তা নিবিড়ভাবে তদারকির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সভায় স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, তথ্য, সমাজকল্যাণ, পরিকল্পনা এবং গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবন্ধীদের পক্ষে বিশেষজ্ঞ মতামত তুলে ধরেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা আবদুস সাত্তার দুলাল।

/আশিক


পদ্মা ব্যারেজ আমাদের স্বার্থ, ভারতের সঙ্গে আলোচনার কিছু নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ১৮:১৪:১৪
পদ্মা ব্যারেজ আমাদের স্বার্থ, ভারতের সঙ্গে আলোচনার কিছু নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই দেশের স্বার্থে নিজস্ব অর্থায়নে 'পদ্মা ব্যারেজ' প্রকল্প বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে একনেক সভায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্প অনুমোদনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

পানিসম্পদমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেন, “পদ্মা ব্যারেজ আমাদের একান্তই নিজস্ব স্বার্থের ব্যাপার। এটি নির্মাণে ভারতের সঙ্গে আলোচনার কিছু নেই। তবে গঙ্গা নদীর পানির হিস্যা নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়া বর্তমানে সচল আছে।” তিনি আরও যোগ করেন, ফারাক্কা ব্যারেজের কারণে বাংলাদেশ যে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, রাজবাড়ীতে এই ব্যারেজ নির্মাণের মাধ্যমে পানি মজুদ করে সেই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী জানান, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের মোট আয়তনের এক-তৃতীয়াংশ এলাকা অর্থাৎ ২৪টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে ৫ বছর মেয়াদী এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৪ কোটি টাকা। প্রতি বছর গড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা করে এই প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হবে।

এ্যানি বলেন, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী খাল খননের মাধ্যমে পানি আনা হবে এবং পানি মজুদের কারিগরি দিকটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গঙ্গা চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কারিগরি দল নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে তিনি এটিও পরিষ্কার করেন যে, ভারতের সঙ্গে অভিন্ন ৫৪টি নদীর পানির হিস্যার বিষয়টি এই প্রকল্পের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়।

/আশিক


লুটপাটের অর্থনীতি ঠিক করতে লাগবে ২ বছর: তথ্যমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ১৮:০৫:০০
লুটপাটের অর্থনীতি ঠিক করতে লাগবে ২ বছর: তথ্যমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বিশাল বোঝা এবং লুটপাটের কারণে ধ্বংসপ্রায় অর্থনীতিকে পুনরায় স্বাবলম্বী করতে কমপক্ষে আরও দুই বছর সময়ের প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এই সংকটময় সময়ে দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির স্বার্থে জাতীয় পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

বুধবার (১৩ মে) সকালে রাজধানীর উত্তরা কমিউনিটি সেন্টারে মাসব্যাপী ইসলামী প্রতিযোগিতা ‘আলোকিত মাহে রমাদান’-এর চূড়ান্ত বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

তথ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের একটি ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে বিগত সরকারের লুটপাট করা ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা পেয়েছি। আমাদের প্রতিবছর ৫ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে হবে। বর্তমানে দেশের রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্সের তুলনায় আমদানিতে অনেক বেশি ব্যয় করতে হচ্ছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, এই বিশাল ঘাটতি ও ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতিকে ঘুরিয়ে দাঁড় করানো এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। আসমান থেকে টাকা আসবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কঠোর পরিশ্রম ও স্থিতিশীল পরিবেশের মাধ্যমেই এই অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করতে হবে এবং এর জন্য ন্যূনতম দুই বছর সময়ের প্রয়োজন।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, যারা ভোটারবিহীনভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিল, তারা জনগণের মধ্যে বিভাজন ও ধর্মীয় বিভেদ তৈরি করে ফায়দা লুটতে চেয়েছিল। অতীতে এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল যে, মাদরাসা ছাত্র পরিচয় দেওয়া বা ধর্মীয় পোশাক পরাকেও সন্দেহের চোখে দেখা হতো। বর্তমান সরকার সেই ভয়ের সংস্কৃতি দূর করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিত করেছে বলে তিনি দাবি করেন।

আলেম-ওলামাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনারা সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হতে পারেন। আগামী দুই বছর আমরা যদি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে না পারি, তবে এই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার বাধাগ্রস্ত হবে।” তিনি আরও বলেন, দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করতে অতীতে পরিকল্পিতভাবে নাটক সাজিয়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছিল। কোনো অপশক্তি যেন এই ঐক্য বিনষ্ট করতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় সংসদে আমরা বিরোধী দলের সঙ্গে গঠনমূলক তর্ক-বিতর্ক করছি, এটি অব্যাহত থাকবে।” তবে সংসদের সেই বিতর্ককে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে কেউ যাতে রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেদিকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব আল্লামা মুফতি আব্দুল মালেক এবং উত্তরা ১২ নং সেক্টর বাইতুন নূর জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী।

/আশিক


একনেকে ৩৬ হাজার কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ১৭:৫২:০৮
একনেকে ৩৬ হাজার কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সরকারের নিজস্ব অর্থায়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মোট ব্যয়ের মধ্যে ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি ৯৩ লাখ টাকাই সরকারি তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে।

অনুমোদিত ৯টি প্রকল্পের মধ্যে তিনটি সম্পূর্ণ নতুন, পাঁচটি সংশোধিত এবং একটি মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প। এ ছাড়া ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত আরও দুটি প্রকল্পের বিষয়েও সভায় অবহিত করা হয়েছে। সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি এবং অবকাঠামো খাতের উন্নয়নে এসব প্রকল্প বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন ও গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন নির্মাণ। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে জেলা শহরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলোকে ৩০ শয্যায় উন্নীত করার প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে হাই-টেক সিটি-২ এর অবকাঠামো নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা খাতে সাভার সেনানিবাসে ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড এবং পদ্মা ব্যারেজের (১ম পর্যায়) মতো বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পগুলোও এই তালিকায় রয়েছে।

একনেক সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিদ্যুৎ, কৃষি, শিল্প, স্বাস্থ্য ও আইন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীগণ উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রকল্পগুলোর কারিগরি ও অর্থনৈতিক দিক পর্যালোচনা করেন।

/আশিক


সচিবালয় থেকে কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারদর চূড়ান্ত করল মন্ত্রণালয়

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ১৭:৩৩:৩৮
সচিবালয় থেকে কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারদর চূড়ান্ত করল মন্ত্রণালয়
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সারাদেশে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চামড়ার নতুন এই দর ঘোষণা করেন। চামড়ার সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে এবং মৌসুমি ব্যবসায়ীদের আর্থিক স্বার্থ রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, এ বছর রাজধানী ঢাকায় গরুর কাঁচা চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ঢাকার বাইরে এই দাম কিছুটা কমিয়ে প্রতি বর্গফুট ৫৭ থেকে ৬২ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে, ছাগলের চামড়ার ক্ষেত্রে সারাদেশেই অভিন্ন দর রাখা হয়েছে; যার মধ্যে খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বকরির চামড়া ২২ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কোরবানির পশুর চামড়া যেন লবণের অভাবে নষ্ট না হয়, সে জন্য এবার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, সারাদেশে সরকারি অর্থায়নে বিনামূল্যে লবণ পৌঁছে দেওয়া হবে। এই লবণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ১৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় লবণ কেনা সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) মাধ্যমে এই লবণ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হবে।

চামড়ার বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং সরকার নির্ধারিত দামে কেনাবেচা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের কড়া নজরদারি থাকবে বলে জানানো হয়েছে। পশুর চামড়া ছাড়ানোর পর দ্রুত লবণ লাগানোর জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

/আশিক


হামের দুর্যোগে ৪০০ প্রাণ: দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ১২:১৭:৩৫
হামের দুর্যোগে ৪০০ প্রাণ: দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

দেশে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে তুলনা করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই জাতীয় সংকটের পেছনে যাদের গাফিলতি রয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হামের সংক্রমণে ইতিমধ্যে ৪০০-এর বেশি শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে, যা দেশজুড়ে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, হামের এই পরিস্থিতি অনেকটা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো হলেও সরকার এটি কাটিয়ে উঠতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে কেন এবং কাদের অবহেলায় সময়মতো টিকাদান ব্যাহত হলো এবং পরিস্থিতি মহামারির দিকে গেল, তা খতিয়ে দেখা হবে। দায়ীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের অধিকাংশ জেলায় টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি শিশুদেরও দ্রুত টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। এছাড়া শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে আগামী জুনের মধ্যে দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

এদিন সচিবালয়ে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সরকারের ইপিআই (EPI) কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে এই অনুদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে চিকিৎসকরা বলছেন, যে রোগটি প্রায় নির্মূল হয়ে গিয়েছিল, তা পুনরায় মহামারি আকার ধারণ করার প্রধান কারণ হলো সময়মতো টিকার অভাব। যদিও সরকার এখন ৯৮ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনার দাবি করছে, তবুও মৃত্যুর হার বাড়তে থাকায় টিকাদান প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

/আশিক


আগে দাড়ি-টুপিকেও সন্দেহের চোখে দেখা হতো: তথ্যমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ১১:৩৭:০৩
আগে দাড়ি-টুপিকেও সন্দেহের চোখে দেখা হতো: তথ্যমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

একসময় দাড়ি ও টুপিকেও সন্দেহের নজরে দেখা হতো বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বুধবার (১৩ মে) রাজধানীর উত্তরায় ‘আলোকিত মাহে রমাদান’ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে দেশে এখন ধর্মীয় চর্চা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে মানুষের অংশগ্রহণ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। এখন আর আগের মতো ভীতিকর পরিবেশ নেই, বরং রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জহির উদ্দিন স্বপন জানান, আগের সরকারের রেখে যাওয়া প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বিশাল বোঝা বর্তমান সরকারকে বহন করতে হচ্ছে। এই ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুরোপুরি স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, এই ক্রান্তিকালে রাজনৈতিক বিভাজন বজায় থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

/আশিক


চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বে নতুন মাত্রা: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে বিপুল পরিমাণ পোলিও টিকা অনুদান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ১১:৩৩:২৮
চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বে নতুন মাত্রা: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে বিপুল পরিমাণ পোলিও টিকা অনুদান
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের টিকাদান কর্মসূচিকে (ইপিআই) আরও শক্তিশালী করতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন। সরকারের পোলিও নির্মূল কার্যক্রমকে গতিশীল করতে প্রতিষ্ঠানটি অনুদান হিসেবে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুমোদিত পোলিও ভ্যাকসিন হস্তান্তর করেছে।

বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভ্যাকসিন গ্রহণ করা হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ (৭৬ হাজার ভায়াল) 'সাবিন স্ট্রেইন' পোলিও ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন।

সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে (ইপিআই) এই অনুদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। হস্তান্তরিত এই 'ভ্যারো সেল ইনঅ্যাক্টিভেটেড' (sIPV) ভ্যাকসিনগুলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক প্রাক-যোগ্যতা অর্জনকারী (Pre-Qualified), যা অত্যন্ত মানসম্পন্ন ও নিরাপদ।

ভ্যাকসিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এই অনুদান বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: