শেয়ারবাজারে নতুন প্রেক্ষাপট: সংস্কার, স্থিতিশীলতা ও আস্থা ফেরানোর প্রক্রিয়া

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ মে ১৩ ০০:৪১:৩৭
শেয়ারবাজারে নতুন প্রেক্ষাপট: সংস্কার, স্থিতিশীলতা ও আস্থা ফেরানোর প্রক্রিয়া

সত্য নিউজ: বাংলাদেশের শেয়ারবাজার দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিশ্চয়তা, দুর্বল নিয়ন্ত্রণ কাঠামো ও বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকটে ভুগলেও সাম্প্রতিক কিছু অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঘটনার সমন্বয় এই বাজারের সামনে নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্ভাব্য শুল্ক-সংক্রান্ত সমঝোতা এবং সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের শেয়ারবাজার সংস্কারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা—এই তিনটি বড় প্রেক্ষাপট মিলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদের সঞ্চার ঘটিয়েছে।

সর্বশেষ, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দীর্ঘমেয়াদি পুঁজিবাজার সংস্কারের জন্য পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখযোগ্য পাঁচ দফা নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে:

সরকারি মালিকানাধীন বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তি ত্বরান্বিত করা — যেগুলোর বাজারে আগমন পুঁজিবাজারের গভীরতা ও পরিধি বাড়াবে।

বড় এবং সম্ভাবনাময় দেশীয় কোম্পানিগুলোকে কর প্রণোদনা দিয়ে বাজারমুখী করা — যাতে তারা ব্যাংক ঋণের পরিবর্তে শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহে আগ্রহী হয়।

বিদেশি বিশেষজ্ঞের সহায়তায় তিন মাসের মধ্যে একটি কার্যকর সংস্কার বাস্তবায়ন — যা বাজার পরিচালনার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়াবে।

দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ — বিনিয়োগকারীদের আস্থার পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহে উৎসাহ প্রদান — যা পুঁজিবাজারকে দেশের অর্থনৈতিক বিকাশের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করবে।

বৈঠকে আরও প্রস্তাব করা হয়, ইউনিলিভারের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানকে শেয়ারবাজারে আনলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা বাড়বে এবং বাজার আরও বলিষ্ঠ হবে। এজন্য অতীতে কার্যকর প্রমাণিত করপোরেট করহারে তালিকাভুক্ত ও অনালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে ১০ শতাংশ পার্থক্য পুনর্বহালের প্রস্তাবটিও আলোচনায় উঠে এসেছে।

আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব: শান্তি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সম্ভাবনাবাংলাদেশের শেয়ারবাজারে চলমান ইতিবাচক ধারা কেবল অভ্যন্তরীণ উদ্যোগের ফল নয়, বরং এর পেছনে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনও ভূমিকা রাখছে। ভারত ও পাকিস্তান—দক্ষিণ এশিয়ার দুই পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র—সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি পূর্ণ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের কূটনৈতিক অগ্রগতি দক্ষিণ এশিয়ায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলবে, যার ইতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশের পুঁজিবাজারেও পড়বে।

অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: স্থিতিশীলতা ও অনিশ্চয়তা নিরসনদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিও আপাতত তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল। অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দলটির বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে। সরকারের দাবি অনুযায়ী, রাজনৈতিক সহিংসতা, দুর্নীতি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা কমে আসছে এবং বাজারে অনিশ্চয়তার জায়গায় স্থিরতা ফিরে আসছে।

বাজারে আস্থা ফেরানোর মুহূর্ত: একটি সম্ভাবনাময় সূচনাবাজার বিশ্লেষকদের মতে, যখন সরকার নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সংস্কারে আন্তরিক হয় এবং অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক পরিবেশে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজ করে, তখনই শেয়ারবাজারে আস্থা তৈরি হয়। উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠক এবং বাস্তবভিত্তিক নির্দেশনাগুলো নিঃসন্দেহে পুঁজিবাজারের দীর্ঘদিনের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

সব মিলিয়ে, সরকারের সময়োপযোগী সংস্কারমূলক পদক্ষেপ, দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তিপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবেশে স্থিতিশীলতা মিলিয়ে বাংলাদেশের শেয়ারবাজার একটি সম্ভাবনাময় মোড় ঘুরতে চলেছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি একটি নতুন আস্থার সূচনা হতে পারে, যার সফল বাস্তবায়ন বাংলাদেশের অর্থনীতির সামগ্রিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।


দুই দফায় কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি মিলবে মাত্র ২ লাখ ২ হাজার টাকায়

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২০ ১০:০১:৪৩
দুই দফায় কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি মিলবে মাত্র ২ লাখ ২ হাজার টাকায়
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে অস্বাভাবিক অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দুই দফায় মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিপ্রতি ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা, যা বাজারে একটি উল্লেখযোগ্য পতন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, নতুন এই মূল্য ইতোমধ্যেই কার্যকর হয়েছে এবং নির্ধারিত দামে স্বর্ণ বিক্রি করা হচ্ছে। একই দিনে সকালেও একবার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল, যা বাজারের দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংগঠনটির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য কমে যাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই উপাদানটি সাধারণত আন্তর্জাতিক বাজার, ডলারের বিনিময় হার এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

সর্বশেষ নির্ধারিত দামে, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৭ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা।

এর আগে একই দিনের সকালে বাজুস ভরিপ্রতি ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল। তখন ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৮ হাজার ৩১৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা।

বিশ্লেষকদের মতে, একই দিনে দুইবার মূল্য সমন্বয় করা স্বর্ণবাজারের তীব্র অস্থিরতার একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত, যা আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা, ডলার সংকট, আমদানি ব্যয় এবং স্থানীয় চাহিদা-সরবরাহের পরিবর্তনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৪৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ দফায় দাম বেড়েছে এবং ১৯ দফায় কমেছে, যা বাজারের ধারাবাহিক অস্থিরতার চিত্র তুলে ধরে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৯ বার হ্রাস পেয়েছিল।

অর্থনীতিবিদদের মতে, স্বর্ণের দামে এ ধরনের ঘন ঘন পরিবর্তন বিনিয়োগকারীদের জন্য যেমন অনিশ্চয়তা তৈরি করে, তেমনি সাধারণ ক্রেতাদের জন্যও সিদ্ধান্ত গ্রহণকে কঠিন করে তোলে। তবে দাম কমার এই প্রবণতা স্বল্পমেয়াদে ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি নিয়ে এলেও দীর্ঘমেয়াদে বাজারের স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

-রাফসান


৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও ধস: সোনার দামে বাজুসের ঐতিহাসিক রেকর্ড পতন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ১৯:০২:৫৬
৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও ধস: সোনার দামে বাজুসের ঐতিহাসিক রেকর্ড পতন
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণের বাজারে আজ এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে গেল। মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ২০২৬) বিকেলে এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ বিকেল থেকেই এই নতুন দাম সারা দেশে কার্যকর হচ্ছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। উল্লেখ্য যে, আজ সকালেই প্রথম দফায় ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমানোর ঘোষণা দিয়েছিল বাজুস, যা সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছিল। অর্থাৎ এক দিনেই দুই দফায় বড় অংকের দর পতনের ফলে সাধারণ ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায় বিক্রি হবে।

সোনার পাশাপাশি রুপার দামেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩২৪ টাকায়। বাজুস জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় তেজাবি সোনার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় এই ঐতিহাসিক মূল্য সংশোধন করা হয়েছে।

/আশিক


৬ ঘণ্টায় সোনার দামে বড় পতন, নতুন রেকর্ড

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ১৭:০৭:১১
৬ ঘণ্টায় সোনার দামে বড় পতন, নতুন রেকর্ড
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে আবারও বড় ধরনের মূল্যহ্রাসের ঘটনা ঘটেছে, যা ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন করে স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। মাত্র ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস), যা বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলেছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। সংগঠনটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই নতুন দর একই দিন বিকেল থেকেই কার্যকর হয়েছে, ফলে খুচরা বাজারেও দ্রুত এর প্রতিফলন দেখা যেতে পারে।

বাজুসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা বা পিওর গোল্ডের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, কাঁচা স্বর্ণের দামের পতন সরাসরি প্রভাব ফেলেছে অলংকারের বাজারমূল্যের ওপর, যা স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মূল্য পুনর্নির্ধারণে বাধ্য করেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজারে মূল্য ওঠানামা, ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা স্থানীয় বাজারেও প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে আমদানি নির্ভর স্বর্ণবাজারে কাঁচামালের দামের পরিবর্তন দ্রুত খুচরা মূল্যে প্রতিফলিত হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের দ্রুত মূল্য সমন্বয় স্বর্ণবাজারের অস্থিরতার একটি প্রতিফলন, যেখানে সরবরাহ ও চাহিদার পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে ক্রেতাদের জন্য এটি একটি ইতিবাচক দিক, কারণ স্বল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দামে স্বর্ণ কেনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, বাজুসের এই সিদ্ধান্ত দেশের স্বর্ণবাজারে চলমান মূল্য সংশোধনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে, যা ভবিষ্যতে বাজারের স্থিতিশীলতা ও ক্রেতাদের আস্থার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

-রাফসান


১৯ মার্চ: কোন মুদ্রায় কত টাকা? বিস্তারিত তালিকা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ১২:১৬:৫৯
১৯ মার্চ: কোন মুদ্রায় কত টাকা? বিস্তারিত তালিকা
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম দিন দিন বহুমাত্রিক ও বিস্তৃত হচ্ছে, যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের গুরুত্বও ক্রমাগত বাড়ছে। আমদানি-রপ্তানি, প্রবাসী আয় এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের মতো খাতগুলো সরাসরি নির্ভরশীল মুদ্রা বিনিময় হারের ওপর। এই প্রেক্ষাপটে প্রতিদিনের হালনাগাদ বিনিময় হার জানা ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী এবং সাধারণ নাগরিকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রাগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মানে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান ১২২.৫৮ টাকায় অবস্থান করছে, যা আমদানি ব্যয়ের ওপর চাপ বাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়। একইভাবে ইউরোর দর দাঁড়িয়েছে ১৪০.৫৮ টাকা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য ১৬২.৮০ টাকা, যা ইউরোপীয় অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যে ব্যয় বৃদ্ধি করতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক মুদ্রাগুলোর মধ্যে সৌদি রিয়াল ৩২.৯৬ টাকা, কাতারি রিয়াল ৩৩.৭৪ টাকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম ৩৩.৯৬ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। প্রবাসী আয় নির্ভর অর্থনীতির জন্য এই হারগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী এই অঞ্চলে কর্মরত।

এশিয়ার অন্যান্য অর্থনীতির ক্ষেত্রে দেখা যায়, মালয়েশিয়ান রিংগিত ৩১.৩৪ টাকা, সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫.৭৬ টাকা এবং চীনা রেন্মিন্বি ১৭.৮০ টাকায় বিনিময় হচ্ছে। জাপানি ইয়েনের মান তুলনামূলকভাবে কম, যা দাঁড়িয়েছে ০.৭৭ টাকা, এবং দক্ষিণ কোরিয়ান ওন প্রায় ০.০৮ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।

উচ্চমূল্যের মুদ্রাগুলোর মধ্যে কুয়েতি দিনার ৩৯৯.২২ টাকা, বাহারাইন দিনার ৩২৬.৬৮ টাকা এবং ওমানি রিয়াল ৩১৮.৭৬ টাকায় অবস্থান করছে, যা বৈশ্বিক মুদ্রা বাজারে তাদের শক্তিশালী অবস্থানকে নির্দেশ করে। অন্যদিকে কানাডিয়ান ডলার ৮৯.৫৭ টাকা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৬.০৮ টাকায় রয়েছে।

দক্ষিণ এশীয় প্রেক্ষাপটে ভারতীয় রুপি ১.৩২ টাকা এবং মালদ্বীপিয়ান রুফিয়া ৭.৯৪ টাকায় বিনিময় হচ্ছে। তুলনামূলকভাবে দুর্বল মুদ্রার মধ্যে তুরস্কের লিরা ২.৭৭ টাকা, দক্ষিণ আফ্রিকার র্যান্ড ৭.২৮ টাকা এবং লিবিয়ান দিনার ১৯.২২ টাকায় রয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা, জ্বালানি বাজারের ওঠানামা এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা মুদ্রা বাজারে প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে ডলারের শক্তিশালী অবস্থান উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলোর জন্য আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির চাপ তৈরি করছে। একই সঙ্গে প্রবাসী আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনাও নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের মুদ্রার স্থিতিশীলতার ওপর।

সামগ্রিকভাবে, বর্তমান বিনিময় হারগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি মিশ্র চিত্র তুলে ধরছে—যেখানে একদিকে আমদানি ব্যয় বাড়া

-রফিক


স্বর্ণ কিনবেন? এখনই সেরা সময়! নতুন দাম কার্যকর করল জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৯:৫৫:২৯
স্বর্ণ কিনবেন? এখনই সেরা সময়! নতুন দাম কার্যকর করল জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর) স্বর্ণের দাম কমার প্রেক্ষিতে এই নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকায়। গত শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে এবং বর্তমানেও এই হার বহাল রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত ১৩ মার্চও স্বর্ণের দাম একদফা কমিয়েছিল বাজুস। তখন প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা। অর্থাৎ মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। বাজুস জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচামালের দাম কমার কারণেই এই ধারাবাহিক দর পতন।

/আশিক


বিলাসবহুল ধাতু স্বর্ণ এখন আরও সস্তা: বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৮ ০৯:২৩:৪৯
বিলাসবহুল ধাতু স্বর্ণ এখন আরও সস্তা: বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও কমানো হয়েছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রতি ভরিতে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই দাম কমানোর ফলে এখন থেকে মানভেদে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে গ্রাহকদের খরচ পড়বে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। গত শনিবার (১৪ মার্চ) সংগঠনটির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন দামের তথ্য জানানো হয়। সেইদিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া এই দামেই আজ বুধবারও বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা চলবে।

নতুন করে নির্ধারিত এই মূল্য তালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি বা ১১.৬৬৪ গ্রাম ওজনের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৭ টাকা ধরা হয়েছে। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বর্তমানে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস।

সংগঠনটি তাদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে যে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, এর আগে গত শুক্রবারও স্বর্ণের দাম এক দফায় কমিয়েছিল বাজুস। সেই সময়ে ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানোর ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছিল ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকায়।

/আশিক


বাংলাদেশে কর্মক্ষম অর্ধেক তরুণই বেকার! বিশ্বব্যাংকের চাঞ্চল্যকর তথ্য

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৭ ১৭:১৯:২৩
বাংলাদেশে কর্মক্ষম অর্ধেক তরুণই বেকার! বিশ্বব্যাংকের চাঞ্চল্যকর তথ্য
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে গত এক দশকে কর্মক্ষম তরুণদের একটি বিশাল অংশ কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত রয়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট জানান, গত দশ বছরে দেশের শ্রমবাজারে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ তরুণ যুক্ত হলেও কাজ পেয়েছেন মাত্র ৮৭ লাখ। অর্থাৎ, গত এক দশকে শ্রমবাজারে আসা প্রায় অর্ধেক তরুণই কাঙ্ক্ষিত চাকরি পাননি, যার মধ্যে তরুণীরা সবচেয়ে বেশি বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন।

তিন দিনের ঢাকা সফর শেষে দেশ ত্যাগের আগে জোহানেস জাট সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের উপস্থিতিতে দেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। বিশ্বব্যাংকের বিবৃতিতে জানানো হয়, সরকার বর্তমানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনে বিশ্বব্যাংক বিশেষ করে যুব ও নারী কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সহযোগিতা জোরদার করার আশ্বাস দিয়েছে।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার এই সময়ে টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের ঝুলে থাকা সংস্কারগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন জোহানেস জাট। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাংক এমন একটি অর্থনীতি গড়তে সহায়তা করছে যেখানে প্রবৃদ্ধি সরাসরি স্থানীয় কর্মসংস্থানে রূপান্তরিত হবে। এ লক্ষ্যে সংস্থাটি ভৌত ও মানবিক অবকাঠামো, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর থেকে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে এ পর্যন্ত ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

/আশিক


১৮০ দিনের মাস্টারপ্ল্যান শেয়ার করেছি প্রধানমন্ত্রীর কাছে: আশিক চৌধুরী

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৭ ১৬:৩৯:৪৫
১৮০ দিনের মাস্টারপ্ল্যান শেয়ার করেছি প্রধানমন্ত্রীর কাছে: আশিক চৌধুরী
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি ও সরকারি সেবায় আমূল পরিবর্তন আনতে ১৮০ দিনের একটি উচ্চাভিলাষী কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা এবং আগামী ছয় মাসের লক্ষ্যমাত্রা তুলে ধরেন। আশিক চৌধুরী জানান, সরকারি সংস্থাগুলোতে জবাবদিহিমূলক সংস্কৃতি গড়ে তোলাই এই ১৮০ দিনের ‘রেজাল্ট কার্ড’-এর মূল উদ্দেশ্য।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব নিয়ে আশিক চৌধুরী বলেন, "তিনি একজন ভালো শ্রোতা এবং ফলাফলমুখী আলোচনায় বিশ্বাসী।" প্রধানমন্ত্রীর সময়ানুবর্তিতা ও অনাড়ম্বর জীবনযাপনের প্রশংসা করে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি উদ্যোগের দ্রুত ও কার্যকর ফলাফল জানতে চান। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও জ্বালানি সংকটের চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে বিডা আগামী ছয় মাসে ২৫টি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—রুগ্ণ শিল্পকারখানাগুলোকে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেলে রূপান্তর, সমরাস্ত্র শিল্প নীতিমালা প্রকাশ এবং দুর্নীতি রোধে সমুদ্র ও বিমানবন্দরে আধুনিক ব্যবস্থাপনা চালু করা।

আশিক চৌধুরী আরও জানান, বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। এই মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর জন্য একটি ‘প্রাইভেট সেক্টর অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল’ গঠন এবং ব্যবসায়িক সেবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাবিজ’-এর সম্প্রসারণ করা হবে। স্ট্যাটাসের শেষে রসিকতা করে তিনি লিখেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ‘হাত-পা না ভাঙার শর্তে’ আবারও প্যারাসুট নিয়ে ঝাঁপ দেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। ছয় মাস পর এই কর্মপরিকল্পনার সাফল্য ও ব্যর্থতা নিয়ে একটি প্রকাশ্য রিপোর্ট কার্ড পেশ করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন বিডা চেয়ারম্যান।

/আশিক


স্বর্ণের দামে আরও এক দফা ধস: গত চার দিনে কত কমল ভরিতে?

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৭ ১০:১৩:৩৫
স্বর্ণের দামে আরও এক দফা ধস: গত চার দিনে কত কমল ভরিতে?
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে দাম কমার ধারাবাহিকতায় দেশের বাজারেও আরেক দফা হ্রাস পেয়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। গত শনিবার (১৪ মার্চ) থেকে কার্যকর হওয়া এই নতুন দামেই আজ মঙ্গলবার দেশের বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা এই মূল্য সমন্বয় করেছে। এর আগে গত শুক্রবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল সংগঠনটি। বর্তমানে বাজারে ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা।

বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী হওয়ায় দেশের বাজারেও তার ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিয়ের মৌসুমে স্বর্ণের এই দাম কমার খবর ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: