ইসলাম, জীবন ও বিজ্ঞান

নামাজে রুকু ও সিজদাহ: ধর্মীয় গুরুত্ব ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুন ২৪ ০০:১৯:২২
নামাজে রুকু ও সিজদাহ: ধর্মীয় গুরুত্ব ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

নামাজ কেবল ধর্মীয় কর্তব্যই নয়, এটি একজন মুসলমানের জীবনে শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতার একটি পরিপূর্ণ পদ্ধতি। নামাজের দুইটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ—রুকু (নত হয়ে ঝুঁকে দাঁড়ানো) ও সিজদাহ (ভূমিতে ললাট ও নাক স্পর্শ করে সেজদা)—শুধু ইবাদতের অংশ নয়, আধুনিক বিজ্ঞানের আলোয় এগুলোর রয়েছে বিস্ময়কর স্বাস্থ্যগত ও মনস্তাত্ত্বিক উপকারিতা।

ইসলামী দৃষ্টিতে রুকু ও সিজদাহর তাৎপর্য

আল-কুরআনের বহু আয়াতে এবং সহীহ হাদীসসমূহে রুকু ও সিজদাহর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, "হে মুমিনগণ! তোমরা রুকু করো, সিজদাহ করো এবং তোমার রবের ইবাদত করো" (সূরা হজ: ৭৭)। প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, "সেজদার সময়ই বান্দা তার প্রভুর সর্বাধিক নিকটবর্তী হয়" (সহীহ মুসলিম)। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, রুকু একজন মুমিনের আত্মবিনয় এবং সিজদাহ আত্মসমর্পণের সর্বোচ্চ প্রকাশ।

ইমাম গাজ্জালী, ইবনে কাইয়্যিম প্রমুখ মনীষীদের মতে, সিজদাহ মানুষের অহংকার ভেঙে তাকে পরিপূর্ণ বিনয়ের শিক্ষায় দীক্ষিত করে। রুকু হল সেই মধ্যবর্তী অবস্থা যেখানে মানুষ নিজেকে নিচু করে বিনম্রভাবে আল্লাহর সামনে দাঁড়ায়, এবং সিজদাহ হল সেই পরম বিনয়ের অবস্থা, যেখানে সে নিজের ললাট ও নাক আল্লাহর সামনে মাটিতে ঠেকিয়ে দেয়। প্রাচীনকাল থেকেই ইসলামি স্কলাররা রুকু ও সিজদাহর গুরুত্ব সম্পর্কে বলতে গিয়ে উল্লেখ করেছেন যে, এই অবস্থানগুলো একজন মুমিনের অন্তরে বিনয় ও খোদার প্রতি সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণের চেতনাকে জাগ্রত করে।

শারীরিক উপকারিতা: চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে

১. পেশী ও অস্থিসন্ধির নমনীয়তা ও শক্তিশালীকরণ

রুকু ও সিজদাহ এমন দুটি ভঙ্গি যা মানুষের প্রায় সবধরনের প্রধান পেশী—ঘাড়, পিঠ, হিপ, হাঁটু ও গোড়ালির পেশীকে সক্রিয় রাখে। নিয়মিত রুকু করলে পিঠ ও মেরুদণ্ডের সোজাভাব বজায় থাকে, সিজদাহ হাঁটু ও গোড়ালির নমনীয়তা বৃদ্ধি করে এবং দেহে একধরনের স্বাভাবিক স্ট্রেচিং হয়। বিশেষ করে সিজদার সময় পেটের নিম্নাংশের পেশীগুলো সক্রিয়ভাবে সংকুচিত-প্রসারিত হয়, যা পেটের মেদ কমাতে ও কেন্দ্রীয় শরীরকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, এই ধরণের ন্যূনতম ব্যায়াম প্রতিদিন ১৭ রাকাতের মাধ্যমে ৩৪ বার করলে তা হাড়, সন্ধি ও পেশীকে সক্রিয় ও স্বাস্থ্যবান রাখে।

২. রক্ত সঞ্চালন ও হরমোনাল ভারসাম্য

সিজদার সময় মস্তিষ্ক হৃদপিণ্ডের নিচে চলে আসে, ফলে স্বাভাবিকভাবেই মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বাড়ে। এটি অক্সিজেন সরবরাহের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং নিউরোট্রান্সমিটারের কার্যকারিতা বাড়ায়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই ধরনের মাথা নিচু অবস্থান cerebral blood flow বাড়ায়, যা স্মৃতি, মনোযোগ ও বিশ্লেষণক্ষমতা উন্নত করতে কার্যকর। শুধু তাই নয়, সিজদার সময় বাড়তি রক্তপ্রবাহ চোখ ও কানসহ অন্যান্য ইন্দ্রিয়ের কার্যক্রমেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে বলে ধারণা করা হয়।

৩. স্নায়ুতন্ত্রে প্রশান্তি ও হৃদপিণ্ডে ভারসাম্য

সিজদা করার সময় শরীর parasympathetic nervous system সক্রিয় করে—যেটি শান্তি, বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের জন্য দায়ী। নামাজের এই অংশে হার্ট রেট ও রক্তচাপ কমে আসে, স্নায়ুব্যবস্থায় স্বস্তি ফিরে আসে। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব ব্যক্তিরা নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, তাদের স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল-এর মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।

৪. হজমতন্ত্র ও অন্ত্রের কার্যক্রম

সিজদার সময় পেটের উপর সামান্য চাপ পড়ে, যার ফলে হজমতন্ত্রে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে এবং অন্ত্রের গতি নিয়মিত হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, পেটের এই হালকা সংকোচন কোষ্ঠকাঠিন্য, অম্বল ও বদহজমের মতো সমস্যা দূর করতে সহায়তা করতে পারে।

মানসিক ও স্নায়ুবৈজ্ঞানিক প্রভাব

১. মনোযোগ ও একাগ্রতা বৃদ্ধি

সালাত পড়ার সময় কুরআন তিলাওয়াত, প্রার্থনা ও ধারাবাহিক দেহভঙ্গিমা মস্তিষ্ককে প্রশিক্ষিত করে মনোযোগ ধরে রাখার জন্য। বিশেষ করে সিজদাহ ও বৈঠকের সময় মনোযোগ সম্পূর্ণরূপে কেন্দ্রীভূত হয়, যা কার্যত mindfulness মেডিটেশনের মত কাজ করে।

২. উদ্বেগ ও মানসিক চাপ হ্রাস

নামাজ আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের মাধ্যম। সিজদায় একজন মানুষ তার লজ্জা, দুঃখ, কৃতজ্ঞতা ও প্রার্থনা প্রকাশ করে—যা একটি মানসিক ভারমুক্তির অভিজ্ঞতা তৈরি করে। অনেক গবেষণা বলছে, নিয়মিত নামাজ মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে কার্যকর এবং এটি উদ্বেগ, বিষণ্নতা ও অতিরিক্ত চিন্তা দূর করতে সহায়তা করে।

৩. আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মানসিক শৃঙ্খলা

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্দিষ্ট সময়ে রুকু ও সিজদার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি তার দৈনন্দিন জীবনকে একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ কাঠামোয় আনেন। এতে করে তার আচরণ, আবেগ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ভারসাম্য তৈরি হয়।

আধুনিক গবেষণায় রুকু-সিজদাহ

ইউনিভার্সিটি অব মালয়েশিয়া, কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়, এবং ইরানের ইসলামি মেডিকেল ইউনিভার্সিটির গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে সালাত একটি পূর্ণাঙ্গ বডি-মাইন্ড ব্যালেন্সিং পদ্ধতি। এতে হৃদপিণ্ড, স্নায়ু, পেশী, হরমোন ও মস্তিষ্ক একসঙ্গে সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং শরীর-মনকে একটি প্রশান্ত ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যায়।

যোগব্যায়াম ও মেডিটেশনের সঙ্গে তুলনা

সিজদাহ যোগব্যায়ামের “বালাসন” বা “চাইল্ড পোজ”-এর মতো। রুকু অনেকটা “আর্ধ উত্তানাসন”-এর মতো। কিন্তু পার্থক্য হল, নামাজে এই ভঙ্গিমাগুলো আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ ও আধ্যাত্মিক মনোযোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত, যেখানে যোগ বা মেডিটেশনে সাধারণত আত্মনির্ভরতার চর্চা হয়। এই অবস্থানগুলি মস্তিষ্কের সম্মুখপ্রান্ত (প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স) উদ্দীপিত করে এবং শরীর-মনের উপর এক ধরনের গ্রাউন্ডিং বা শান্ত প্রভাব ফেলে। ফলস্বরূপ শরীর থেকে মানসিক টক্সিন বা চাপ দূর হতে সাহায্য করে এবং অস্থিসন্ধির নমনীয়তা বৃদ্ধি, পেশীর দৃঢ়তা অর্জন, উচ্চ রক্তচাপ হ্রাসের পাশাপাশি স্ট্রেস-উদ্বেগ- মাথা ঘোরা ও ক্লান্তি কমাতেও অবদান রাখে। অর্থাৎ সালাতের শারীরিক ব্যায়ামপ্রধান দিকটি যোগব্যায়ামের মতোই দেহকে নমনীয়, দৃঢ় ও সুস্থ রাখতে পারে। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও নামাজ ও মেডিটেশনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে। নামাজে খুশু (পূর্ণ মনোযোগ ও বিনয় সহকারে প্রার্থনা) ধারণাটি mindfulness ধ্যানের অনুরূপ, যেখানে মন একাগ্র হয়ে যায় এবং বাহ্যিক চিন্তা দূরে সরে যায়। নামাজ পড়ার সময় কুরআন তিলাওয়াত ও নিরবচ্ছিন্ন ধ্যানে মগ্ন হওয়া মূলত একজন মুসল্লিকে ধ্যানস্থ অবস্থার মতোই নির্দেশনা ও প্রশান্তি দেয়।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, নামাজ আদায়ের সময় মস্তিষ্কে আলফা তরঙ্গের মাত্রা বৃদ্ধি পায় যা সচরাচর গভীর প্রশান্তি ও ধ্যানের সাথে সংশ্লিষ্ট (প্যারাসিম্পেথেটিক সক্রিয়তার ইঙ্গিত)। আসলে, যোগাসন ও মেডিটেশনের যেসব সুফল হাজার বছর ধরে পরিচিত – যেমন শারীরিক ফিটনেস, মানসিক প্রশান্তি ও আত্মিক উন্নতি – সেগুলোর অনেকটাই নামাজের মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনে সংযোজিত হয়ে যায়। একজন গবেষক তাই প্রস্তাব করেছেন, মুসলিম রোগীদের চিকিৎসায় মানসিক-শারীরিক থেরাপি হিসেবে সালাত ও যোগব্যায়ামের সমন্বয় একটি নবতর দৃষ্টিকোণ হতে পারে। তবে মুসলমানদের জন্য অতিরিক্ত কোন কৌশলের প্রয়োজন নেই – সঠিক নিয়মে নামাজ আদায়ই তাদের জন্য অন্তর্নিহিত ধ্যান ও যোগব্যায়ামের সুবিধা এনে দিতে সক্ষম। একই সঙ্গে শুদ্ধ সালাতে “স্ট্রেস হরমোন” বা উত্তেজক স্নায়ুবিক সক্রিয়তা হ্রাস পায় এবং হৃদযন্ত্রের ধকল কমে – ঠিক যেমনটি সুচিন্তিত মেডিটেশনের মাধ্যমে ঘটে থাকে। ফলে রুকু ও সিজদাহ শুধুই শরীর চর্চা নয়—এটি আত্মার প্রশান্তি ও আত্মিক শুদ্ধির পন্থা।

রুকু ও সিজদাহ নামাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ—যেখানে একদিকে লুকিয়ে আছে আত্মিক পরিশুদ্ধির উৎস, অন্যদিকে রয়েছে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের অনন্য উপকারিতা। ইসলামের প্রতিটি নির্দেশনার মধ্যে যে বিজ্ঞান লুকিয়ে রয়েছে, রুকু ও সিজদাহ তার জ্বলন্ত উদাহরণ। আধুনিক গবেষণা এই প্রাচীন ইবাদতের মধ্যে লুকিয়ে থাকা বিস্ময়কর স্বাস্থ্যসুবিধাকে বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যা করছে। তাই রুকু ও সিজদাহ কেবল ইবাদত নয়—এটি মানুষের জীবনে আত্মশুদ্ধি, স্বাস্থ্য ও মানসিক শান্তির এক অমূল্য উপায়। নামাজের প্রতিটি রুকু ও সিজদাহ যেন হয় আমাদের আত্মশুদ্ধি, স্বাস্থ্য ও সুখের চাবিকাঠি—এটি শুধু আখিরাতের নয়, ইহজাগতিক কল্যাণেরও চাবিকাঠি।

তথ্যসূত্র: উপরের তথ্যাবলী IslamWeb এর প্রবন্ধ, জার্নাল অব অল্টারনেটিভ অ্যান্ড কমপ্লিমেন্টারি মেডিসিন, ইন্ডিয়ান জার্নাল অব সাইকিয়াট্রি, জার্নাল অব পাকিস্তান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন এবং আন্তর্জাতিক যোগ ও ক্রীড়াবিজ্ঞান জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্য নেয়া হয়েছে। '


৯ এপ্রিলের নামাজের সময় জানুন এক নজরে

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৯ ০৯:১১:৪০
৯ এপ্রিলের নামাজের সময় জানুন এক নজরে
ছবি: সংগৃহীত

আজ বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ এবং ২০ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি) তারিখে রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার জন্য দিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্ধারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের দৈনন্দিন ইবাদত সঠিক সময়ে আদায়ের সুবিধার্থে এই সময়সূচি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আজ ঢাকায় ফজরের নামাজ শুরু হবে ভোর ৪টা ২৭ মিনিটে। দিনের দ্বিতীয় নামাজ জোহর অনুষ্ঠিত হবে দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে। বিকেলের আসরের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪টা ২৯ মিনিটে, যা দিনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদতের সময়।

সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে ৬টা ২২ মিনিটে। এরপর রাতের এশার নামাজ আদায় করা যাবে ৭টা ৩৭ মিনিট থেকে।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, আজ সূর্যাস্ত ঘটবে সন্ধ্যা ৬টা ১৯ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ৪২ মিনিটে, যা নামাজের সময় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আগামীকাল শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ফজরের নামাজ শুরু হবে একই সময়, অর্থাৎ ভোর ৪টা ২৭ মিনিটে। সূর্যোদয় হবে ৫টা ৪১ মিনিটে।

এছাড়া দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের জন্য নামাজের সময় কিছুটা পার্থক্য রয়েছে, যা ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে নির্ধারিত হয়। সময় সমন্বয়ের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামে ৫ মিনিট এবং সিলেটে ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনায় ৩ মিনিট, রাজশাহীতে ৭ মিনিট, রংপুরে ৮ মিনিট এবং বরিশালে ১ মিনিট যোগ করতে হবে।

ধর্মবিষয়ক বিশ্লেষকদের মতে, সঠিক সময়ে নামাজ আদায় ইসলামের মৌলিক বিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই নির্ভুল সময়সূচি জানা এবং সে অনুযায়ী ইবাদত সম্পন্ন করা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

এই সময়সূচি ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর নির্ধারিত হিসাব অনুযায়ী প্রকাশ করা হয়েছে, যা সারাদেশে ব্যাপকভাবে অনুসরণ করা হয়।


বুধবার ৮ এপ্রিল ২০২৬: জেনে নিন আপনার জেলার নামাজের সঠিক সময়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৮ ১০:২৪:২৩
বুধবার ৮ এপ্রিল ২০২৬: জেনে নিন আপনার জেলার নামাজের সঠিক সময়
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর নির্দেশ অনুযায়ী, ‘তোমরা ঠিক সেইভাবে নামাজ আদায় করো, যেভাবে আমাকে নামাজ আদায় করতে দেখেছ।’ (সহিহ বুখারি)। তাই সহিহ ও শুদ্ধভাবে ইবাদত সম্পন্ন করতে নামাজের সঠিক সময় জেনে নেওয়া প্রতিটি মুমিনের জন্য আবশ্যক।

আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্ধারিত সময়সূচি দেওয়া হলো

ফজর: ভোর ৪টা ২৮ মিনিট

জোহর: দুপুর ১২টা ০৫ মিনিট

আসর: বিকেল ৪টা ২৯ মিনিট

মাগরিব: সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিট

এশা: রাত ৭টা ৩৫ মিনিট

ঢাকার সময়ের সঙ্গে অন্যান্য জেলার সময় সমন্বয়

সময় বিয়োগ করতে হবে

সিলেট: ৬ মিনিট

চট্টগ্রাম: ৫ মিনিট

সময় যোগ করতে হবে

রংপুর: ৮ মিনিট

রাজশাহী: ৭ মিনিট

খুলনা: ৩ মিনিট

বরিশাল: ১ মিনিট

পবিত্র নামাজ যথাসময়ে আদায় করা ঈমানি দায়িত্ব। আল্লাহ আমাদের সবাইকে জামাতের সাথে নামাজ আদায়ের তৌফিক দান করুন।

তথ্যসূত্র : ইসলামিক ফাউন্ডেশন


নামাজের সময়সূচি প্রকাশ, সময় মেনে ইবাদত করুন

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ০৮:১৮:৫৪
নামাজের সময়সূচি প্রকাশ, সময় মেনে ইবাদত করুন
ছবি: সংগৃহীত

আজ মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬। বাংলা তারিখ অনুযায়ী ২৪ চৈত্র ১৪৩২ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ১৮ শাওয়াল ১৪৪৭। রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার মুসল্লিদের জন্য দিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্ধারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

দিনের শুরুতে ফজরের নামাজ আদায়ের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে। এটি দিনের প্রথম ইবাদত, যা সূর্যোদয়ের আগে সম্পন্ন করা হয় এবং ইসলামে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

মধ্যাহ্নে জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে ১২টা ৫ মিনিটে। দুপুরের পরবর্তী সময়ে আসরের নামাজের সময় নির্ধারিত হয়েছে বিকেল ৪টা ২৯ মিনিটে, যা দিনের শেষ ভাগের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত।

সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ২১ মিনিটে। এরপর রাতের ইশার নামাজ আদায়ের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটে।

আজ ঢাকায় সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ৪৪ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ১৮ মিনিটে।


৬ এপ্রিল ২০২৬: সোমবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ১০:১৮:৪০
৬ এপ্রিল ২০২৬: সোমবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের প্রতিটি বিধান ও আমলের মাঝেই লুকিয়ে আছে গভীর যৌক্তিকতা ও সৌন্দর্য। মহান রাব্বুল আলামিন মানুষের জন্য এমন কোনো আমল নির্ধারণ করেননি, যা পালন করা অসম্ভব বা অত্যন্ত কষ্টকর। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ ও রোজা ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্যই ফরজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নতের পাশাপাশি ইসলামে কিছু নফল নামাজের বিধানও রয়েছে, যা মুমিনের আত্মিক প্রশান্তি বাড়ায়। তবে জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজটুকু আদায় করে নেওয়া প্রত্যেক মুসলমানের নৈতিক দায়িত্ব।

আজ সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বাংলা এবং ১৭ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি। রাজধানী ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি দেওয়া হলো

আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)

আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২:০৬ মিনিটে।

আসরের নামাজ শুরু হবে বিকেল ৪:৩০ মিনিটে।

মাগরিবের আজান ও নামাজের সময় সন্ধ্যা ৬:১৪ মিনিটে।

ইশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৭:৩০ মিনিটে।

আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৪:২৯ মিনিটে।

বিভাগীয় শহর অনুযায়ী সময় পরিবর্তন

ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

যারা চট্টগ্রামের বাসিন্দা, তাদের ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।

সিলেটের ক্ষেত্রে ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে, ঢাকার সময়ের সঙ্গে খুলনার বাসিন্দাদের ৩ মিনিট, রাজশাহীর বাসিন্দাদের ৭ মিনিট, রংপুরের বাসিন্দাদের ৮ মিনিট এবং বরিশালের বাসিন্দাদের ১ মিনিট যোগ করে নিজ নিজ এলাকার সঠিক সময় জেনে নিতে হবে।

/আশিক


আজকের নামাজের সময়, মুসল্লিদের জন্য জরুরি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ০৮:৪৭:৫০
আজকের নামাজের সময়, মুসল্লিদের জন্য জরুরি
ছবি: সংগৃহীত

রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, যা বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ২২ চৈত্র ১৪৩২ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ১৬ শাওয়াল ১৪৪৭ এই দিনে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার মুসল্লিদের জন্য নির্ধারিত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

ধর্মীয় অনুশীলনের সুবিধার্থে নির্ভুল সময় জেনে নামাজ আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিবেচনায় দিনের বিভিন্ন ওয়াক্তের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে নির্দিষ্ট সূর্যগত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে।

আজকের সময়সূচি অনুযায়ী, জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১২টা ০২ মিনিটে। বিকেলের আসরের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে। সূর্যাস্তের পরপরই মাগরিবের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যা ৬টা ১৭ মিনিটে এবং রাতের শেষ ফরজ নামাজ এশা শুরু হবে রাত ৭টা ৩২ মিনিটে।

এছাড়া আগামী সোমবারের (৬ এপ্রিল) ফজরের নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৪টা ২৯ মিনিটে, যা আগাম প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


জেনে নিন আজকের নামাজের সঠিক সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৪ ০৯:৪৬:২৯
জেনে নিন আজকের নামাজের সঠিক সময়সূচি

ইসলামের প্রতিটি বিধানের মাঝেই আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও শৃঙ্খলা নিহিত রয়েছে। দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝেও সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। আজ শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি (১৫ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি) তারিখের জন্য ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি হলো

আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)

জোহর: ১২:০৬ মিনিট

আসর: ৪:২৯ মিনিট

মাগরিব: ৬:১৯ মিনিট

এশা: ৭:৩৪ মিনিট

ফজর (আগামীকাল ৫ এপ্রিল): ৪:৩০ মিনিট

বিভাগীয় শহর অনুযায়ী সময়ের পার্থক্য

সময় বিয়োগ করতে হবে

চট্টগ্রাম: -০৫ মিনিট

সিলেট: -০৬ মিনিট

সময় যোগ করতে হবে

খুলনা: +০৩ মিনিট

রাজশাহী: +০৭ মিনিট

রংপুর: +০৮ মিনিট

বরিশাল: +০১ মিনিট

/আশিক


৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৩ ০৯:১৪:৩৮
৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি
ছবি: সংগৃহীত

আজ শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী ২০ চৈত্র ১৪৩২ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ১৪ শাওয়াল ১৪৪৭। এই দিনে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় নামাজের সময়সূচি মুসল্লিদের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, বিশেষ করে জুমার দিনের কারণে।

আজ জুমার নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৬ মিনিটে। জুমার দিন হওয়ায় মুসল্লিদের জন্য এটি সপ্তাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জামাত, যেখানে মসজিদগুলোতে ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

এরপর বিকাল ৪টা ২৯ মিনিটে শুরু হবে আসরের নামাজের সময়। দিনের শেষভাগে এই নামাজ আদায় করা হয়, যা ইসলামের দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সন্ধ্যা ৬টা ১৯ মিনিটে মাগরিবের সময় শুরু হবে, যা সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গেই আদায় করতে হয়। একই সময়ে আজ ঢাকায় সূর্যাস্তও সংঘটিত হবে, যা নামাজের সময় নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সূচক।

এরপর রাত ৭টা ৩৪ মিনিটে এশার নামাজের সময় শুরু হবে। দিনের শেষ ওয়াক্ত নামাজ হিসেবে এটি মুসলমানদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

আগামী দিনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জানা গেছে, শনিবার ভোরে ফজরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ৩৪ মিনিটে। ফজরের সময়সূচি নির্ধারণে ভোরের প্রথম আলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়।

এছাড়া আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ৫৪ মিনিটে, যা দিনের সূচনা নির্দেশ করে এবং নামাজের সময়সূচির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নামাজ আদায় করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই প্রতিদিনের সঠিক সময়সূচি জানা এবং তা অনুসরণ করা মুসল্লিদের জন্য অপরিহার্য।

-সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।


মুমিনের সেরা হাতিয়ার! এই এক শব্দেই ভেঙে পড়ে শয়তানের সব ষড়যন্ত্র

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১২:১৮:১০
মুমিনের সেরা হাতিয়ার! এই এক শব্দেই ভেঙে পড়ে শয়তানের সব ষড়যন্ত্র
ছবি : সংগৃহীত

‘আল্লাহু আকবার’—অত্যন্ত বরকতপূর্ণ ও শক্তিশালী এই ধ্বনি মুমিনের হৃদয়ে ঈমানি শক্তির সঞ্চার করে। মহান আল্লাহর বড়ত্ব ও মহিমা ঘোষণার এই অমিয় বাণী কেবল একটি বাক্য নয়, বরং আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভের অন্যতম মাধ্যম। পবিত্র কোরআনের সুরা বনি ইসরাঈলের ১১১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে তাঁর বড়ত্ব ঘোষণা করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই ‘তাকবির’ মুমিনের অন্তরে তাকওয়া, সাহস ও প্রশান্তি জাগ্রত করে এবং যাবতীয় ভয় ও হতাশা দূর করে দেয়।

‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনির একটি বিশেষ প্রভাব হলো এটি শয়তানকে অত্যন্ত দুর্বল ও অসহায় করে তোলে। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, যখন মুয়াজ্জিন আজান দিতে শুরু করেন, তখন শয়তান সেই পবিত্র ধ্বনি সহ্য করতে না পেরে দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পালিয়ে যায়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত বুখারি শরিফের একটি হাদিসে বলা হয়েছে, আজানের শব্দ যাতে কানে না যায়, সেজন্য শয়তান বায়ু ত্যাগ করতে করতে বহুদূরে পালিয়ে যায়। আজান শেষ হলে সে আবার ফিরে আসে, কিন্তু ইকামতের সময় আবারও দূরে সরে যায়। মানুষের ইবাদতে বিঘ্ন ঘটানো এবং কুমন্ত্রণা দেওয়াই যার কাজ, আল্লাহর এই মহিমান্বিত ধ্বনির সামনে সে চূড়ান্ত লাঞ্ছনা ও পরাজয় বরণ করে।

আজানের এই ধ্বনি কেবল শয়তানকেই বিতাড়িত করে না, বরং পুরো পরিবেশকে পবিত্র করে এবং গাফেল হৃদয়কে আল্লাহর স্মরণে জাগিয়ে তোলে। যে সমাজে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত আজান ধ্বনিত হয়, সেখানে শয়তানের কুপ্রভাব তুলনামূলক অনেক কম থাকে। ‘আল্লাহু আকবার’ মুমিনকে মনে করিয়ে দেয় যে, এই মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও মহিমান্বিত সত্তা একমাত্র আল্লাহ। ফলে মানুষের অন্তর আল্লাহমুখী হয় এবং শয়তানের সব ষড়যন্ত্র ও কুমন্ত্রণা বালুর বাঁধের মতো ভেঙে পড়ে। এটি যেন মুমিনের জীবনের এমন এক আধ্যাত্মিক বর্ম, যার সামনে অন্ধকার ও অশুভ শক্তি সর্বদা পরাজিত।

/আশিক


আজকের নামাজের সময়সূচি: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আপডেট

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ০৯:২৩:৪৬
আজকের নামাজের সময়সূচি: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আপডেট

ইসলামের প্রতিটি বিধান ও আমলের মাঝেই লুকিয়ে আছে গভীর যৌক্তিকতা এবং অনন্য সৌন্দর্য। মহান আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের জন্য এমন কোনো আমল দেননি যা পালন করা অসম্ভব বা অত্যন্ত কষ্টকর। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ ও রোজা ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্যই ফরজ ইবাদত। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নত নামাজের বাইরেও নফল ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ রয়েছে। তবে জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজটুকু আদায় করে নেওয়া প্রত্যেক মুমিনের একান্ত কর্তব্য।

আজ বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বাংলা, ১৩ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি হলো

আজকের নামাজের সময়সূচি

জোহর: ১২.০৬ মিনিট

আসর: ৪.২৯ মিনিট

মাগরিব: ৬.১৭ মিনিট

এশা: ৭.৩২ মিনিট

ফজর (৩ এপ্রিল): ৪.৩৫ মিনিট

ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। নিচের জেলাগুলোর সময়ের সাথে ঢাকার সময় যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিন

বিয়োগ করতে হবে

চট্টগ্রাম ৫ মিনিট এবং সিলেট ৬ মিনিট।

যোগ করতে হবে

খুলনা ৩ মিনিট, রাজশাহী ৭ মিনিট, রংপুর ৮ মিনিট এবং বরিশাল ১ মিনিট।

/আশিক

পাঠকের মতামত:

৮ এপ্রিল: দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার

৮ এপ্রিল: দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবারের লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকায় শক্তিশালী উত্থান লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে বিভিন্ন খাতের কোম্পানিগুলো উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি... বিস্তারিত