সকাল-সন্ধ্যায় আয়াতুল কুরসী পাঠের বিস্ময়কর ফজিলত

কোরআনুল কারিমে এমন কিছু আয়াত রয়েছে, যা ঈমানি বিশ্বাসের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচিত। আয়াতুল কুরসী তেমনই একটি আয়াত, যা আল্লাহ তায়ালার একত্ব, চিরঞ্জীবতা, জ্ঞান ও সার্বভৌম ক্ষমতাকে এক আয়াতেই সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরে। এই আয়াতটি সূরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত এবং ইসলামের আলোকে এটি কোরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে স্বীকৃত।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেই আয়াতুল কুরসীকে কোরআনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়াত হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সাহাবায়ে কেরামের মাধ্যমে বর্ণিত সহীহ হাদীসগুলোতে এই আয়াতের ফজিলত, নিরাপত্তা ও আত্মিক শক্তির দিকগুলো বিস্তারিতভাবে উঠে এসেছে।
ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসী: জান্নাতের প্রতিশ্রুতি
হযরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদীসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে একমাত্র বাধা হবে মৃত্যু। অর্থাৎ, মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই তার জন্য জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
এই হাদীস থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর নিয়মিত আয়াতুল কুরসী পাঠ করা মুমিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৈনিক আমল। এটি কেবল ইবাদতের অংশ নয়, বরং জান্নাত লাভের একটি সুসংবাদও বটে।
ঘুমের আগে আয়াতুল কুরসী: শয়তান থেকে অলৌকিক সুরক্ষা
সহীহ বুখারীতে বর্ণিত হযরত আবু হুরায়রা (রা.)-এর ঘটনাটি আয়াতুল কুরসীর ফজিলতের এক অনন্য প্রমাণ। রমজান মাসে সাদাকাতুল ফিতরের খাদ্য পাহারা দেওয়ার সময় তিনি তিন রাত ধরে এক রহস্যময় আগন্তুকের মুখোমুখি হন। শেষ রাতে সেই আগন্তুক তাকে জানায়, ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসী পাঠ করলে আল্লাহ তায়ালা সকাল পর্যন্ত একজন রক্ষাকর্তা নিযুক্ত করেন এবং শয়তান আর কাছে আসতে পারে না।
পরবর্তীতে রাসুলুল্লাহ (সা.) নিশ্চিত করেন যে, ওই আগন্তুক ছিল এক শয়তান, যে মিথ্যাবাদী হলেও এই বিষয়ে সত্য কথা বলেছে। এটি প্রমাণ করে, আয়াতুল কুরসীর শক্তি এমন যে শয়তানও তা অস্বীকার করতে পারেনি।
সকাল-সন্ধ্যায় আয়াতুল কুরসী: জিনের স্বীকারোক্তি
আরেকটি সহীহ বর্ণনায় দেখা যায়, হযরত উবাই ইবনে কা‘ব (রা.)-এর খাদ্য ভাণ্ডার থেকে নিয়মিত খেজুর কমে যাচ্ছিল। পাহারা দিতে গিয়ে তিনি এক জিনের মুখোমুখি হন, যে স্বীকার করে নেয়—সকাল ও সন্ধ্যায় আয়াতুল কুরসী পাঠ করলে জিন ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে মানুষ নিরাপদ থাকে।
এই ঘটনার সত্যতা রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেই নিশ্চিত করেছেন। ফলে আয়াতুল কুরসীর মাধ্যমে সকাল-সন্ধ্যায় আত্মরক্ষার বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়।
আয়াতুল কুরসীর মূল শিক্ষা: তাওহীদের পরিপূর্ণ ঘোষণা
আয়াতুল কুরসীর প্রতিটি বাক্য আল্লাহর পরিচয়কে সুসংহতভাবে তুলে ধরে। এতে বলা হয়েছে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, তাঁর ওপর কোনো তন্দ্রা বা ঘুম আসে না। আসমান ও জমিনের সবকিছু তাঁর অধীন, তাঁর অনুমতি ছাড়া কেউ সুপারিশ করতে পারে না।
এই আয়াতে আল্লাহর জ্ঞান ও ক্ষমতার এমন বিস্তৃত বর্ণনা রয়েছে, যা মানুষের ঈমানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে এবং আল্লাহর ওপর নির্ভরশীলতা বাড়িয়ে দেয়।
মুফাসসিরদের দৃষ্টিতে আয়াতুল কুরসী
ইমাম কুরতুবি (রহ.) আয়াতুল কুরসীকে আল্লাহর একত্ববাদ প্রতিষ্ঠার সবচেয়ে শক্তিশালী দলিল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তাঁর মতে, এই আয়াত আল্লাহর জীবন, জ্ঞান ও কুদরতের পূর্ণতার ঘোষণা।
ইবনে কাসীর (রহ.) বলেন, এই আয়াতে উল্লেখিত ‘কুরসি’ আসমান ও জমিনকে পরিবেষ্টন করে আছে, যা আল্লাহর অসীম ক্ষমতার প্রতীক। ইবনুল কাইয়িম (রহ.) উল্লেখ করেন, আয়াতুল কুরসী তাওহীদের সর্বাধিক সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা এবং এটি পাঠ করলে ঈমান দৃঢ় হয় ও অন্তর আল্লাহমুখী হয়।
কেন আয়াতুল কুরসী মুমিন জীবনে অপরিহার্য
আয়াতুল কুরসী কেবল একটি তিলাওয়াতযোগ্য আয়াত নয়, বরং এটি মুমিনের জন্য হেফাজতের ঢাল, আত্মিক প্রশান্তির উৎস এবং ঈমানের শক্ত ভিত্তি। নিয়মিত পাঠের মাধ্যমে শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায় এবং হৃদয়ে আল্লাহর স্মরণ জাগ্রত থাকে।
কখন ও কীভাবে আয়াতুল কুরসী পড়া উচিত
ইসলামি নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি ফরজ নামাজের পর, ঘুমানোর আগে এবং সকাল ও সন্ধ্যায় আয়াতুল কুরসী পাঠ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। সন্তানদেরও ছোটবেলা থেকেই এই আয়াত শেখানো উচিত, যাতে তারা আল্লাহর হেফাজতে বড় হতে পারে।
আয়াতুল কুরসী কোরআনের এমন একটি আয়াত, যেখানে আল্লাহর পরিচয়, ক্ষমতা ও করুণার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছে। কোরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে প্রমাণিত, এই আয়াত নিয়মিত পাঠ করলে ঈমান দৃঢ় হয়, শয়তান দূরে থাকে এবং জান্নাতের সুসংবাদ নিশ্চিত হয়।
অতএব, প্রতিটি মুমিনের কর্তব্য হলো আয়াতুল কুরসীকে দৈনন্দিন জীবনের স্থায়ী অযীফা হিসেবে গ্রহণ করা এবং উপলব্ধিসহ পাঠ করার মাধ্যমে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের চেষ্টা করা।
সূত্রঃ মাসিক আল কাউসার
মঙ্গলবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় প্রকাশ
মুসলমানদের দৈনন্দিন জীবনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তাই প্রতিদিনের নামাজের সময়সূচি জেনে রাখা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য প্রয়োজনীয়। আজ মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬ (২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২১ মহররম ১৪৪৮ হিজরি) উপলক্ষে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
আজকের সূচি অনুযায়ী, জোহরের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৭ মিনিটে। এরপর আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিটে। দিনের শেষভাগে মাগরিবের আজান হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিটে, আর এশার সময় শুরু হবে রাত ৮টা ১৯ মিনিটে।
আগামী দিনের প্রস্তুতির জন্যও ফজরের সময় উল্লেখ করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) ফজরের সময় শুরু হবে ভোর ৩টা ৫৩ মিনিটে। এছাড়া আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৭ মিনিটে।
ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, নামাজ নির্ধারিত ওয়াক্তে আদায় করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই সময়সূচি অনুযায়ী ইবাদতের প্রস্তুতি নেওয়া এবং মসজিদে জামাতে অংশ নেওয়ার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নামাজের সময় কয়েক মিনিটের পার্থক্য হতে পারে। তাই নিজ নিজ এলাকার নির্ভরযোগ্য সময়সূচি অনুসরণ করা উত্তম।
সূত্র: ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।
সহিহ হাদিসে জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হওয়ার ১২ আমল
মুমিনের জীবনের সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা হলো আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন এবং জান্নাতে প্রবেশের সৌভাগ্য লাভ করা। পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসে এমন বহু আমলের কথা এসেছে, যেগুলো একজন মুসলিমকে জান্নাতের পথে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে। কিছু আমল সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ﷺ বিশেষ সুসংবাদ দিয়েছেন যে আমলের কারণে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হবে, জান্নাতের নির্দিষ্ট দরজা দিয়ে আহ্বান করা হবে অথবা জান্নাতে বিশেষ মর্যাদা লাভের আশা করা যায়।
১. পরিপূর্ণভাবে অজু করে শাহাদাত পাঠ
সহিহ মুসলিমের বর্ণনা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু সম্পন্ন করে এরপর শাহাদাতের দোয়া পাঠ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেন। সে ইচ্ছামতো যেকোনো দরজা দিয়ে প্রবেশ করার সম্মান লাভ করবে।
২. আল্লাহর পথে আন্তরিক দান
সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে এসেছে, যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে উদারভাবে দান করেন, কিয়ামতের দিন তাদের জান্নাতের বিভিন্ন দরজা থেকে আহ্বান করা হবে। ইসলামে দান শুধু সম্পদ ব্যয়ের বিষয় নয়; এটি ঈমান, তাকওয়া ও আত্মত্যাগেরও প্রতীক।
৩. নারীদের জন্য বিশেষ সুসংবাদ
রাসূল ﷺ বলেছেন, যে নারী নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করেন, রমজানের রোজা রাখেন, নিজের পবিত্রতা রক্ষা করেন এবং স্বামীর বৈধ বিষয়ে আনুগত্য করেন, তাকে জান্নাতের যেকোনো দরজা দিয়ে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে।
৪. রমজানের রোজা
সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, জান্নাতে ‘রাইয়্যান’ নামে একটি বিশেষ দরজা রয়েছে। কিয়ামতের দিন এই দরজা দিয়ে কেবল রোজাদারদেরই প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। অন্য কেউ সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।
৫. আল্লাহর পথে সংগ্রাম
সহিহ বুখারির বর্ণনায় রাসূল ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তাঁর পথে সংগ্রামকারীদের জন্য জান্নাতে একশত উচ্চ মর্যাদার স্তর প্রস্তুত করে রেখেছেন। আলেমরা ব্যাখ্যা করেছেন, এটি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বৈধ ও শরিয়তসম্মত সংগ্রামের মর্যাদা নির্দেশ করে।
৬. ফরজ ইবাদতের প্রতি অবিচল থাকা
এক সাহাবি যখন জানতে চাইলেন তিনি যদি ফরজ সালাত আদায় করেন, রমজানের রোজা রাখেন এবং হালাল-হারাম মেনে চলেন, তাহলে কি জান্নাতে প্রবেশ করবেন? তখন রাসূল ﷺ সংক্ষেপে উত্তর দেন, "হ্যাঁ।" এটি ফরজ বিধান পালনের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
৭. আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মসজিদ নির্মাণ
সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে এসেছে, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করেন। ইসলামে এটি একটি চলমান সদকার (সাদাকায়ে জারিয়া) অন্যতম উত্তম উদাহরণ।
৮. এতিমের দায়িত্ব গ্রহণ
রাসূল ﷺ নিজের তর্জনী ও মধ্যমা আঙুল পাশাপাশি রেখে বলেছেন, জান্নাতে তিনি এবং এতিমের দায়িত্ব গ্রহণকারী ব্যক্তি এতটাই নিকটবর্তী অবস্থানে থাকবেন। এতিমদের দেখাশোনা ও লালন-পালনের গুরুত্ব ইসলামে অত্যন্ত বেশি।
৯. উত্তম চরিত্র
ইসলামের অন্যতম প্রধান শিক্ষা হলো সুন্দর চরিত্র। রাসূল ﷺ জানিয়েছেন, যিনি উত্তম চরিত্রের অধিকারী, তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তরে একটি ঘরের জামিন তিনি নিজেই।
১০. তাওহীদের ওপর জীবন শেষ করা
রাসূল ﷺ বলেছেন, যার জীবনের শেষ কথা হবে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ", সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আলেমরা ব্যাখ্যা করেছেন, এটি এমন ব্যক্তির জন্য, যিনি ঈমানের ওপর অবিচল থেকে জীবন অতিবাহিত করেন।
১১. জান্নাতের জন্য নিয়মিত দোয়া
সুনান তিরমিজির বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি তিনবার আল্লাহর কাছে জান্নাত প্রার্থনা করে, জান্নাত নিজেই আল্লাহর কাছে তার জন্য জান্নাত কামনা করে। এটি দোয়ার গুরুত্ব এবং আল্লাহর রহমতের প্রতি আশা রাখার শিক্ষা দেয়।
১২. ফজর ও আসরের সালাতের বিশেষ মর্যাদা
রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি নিয়মিত ফজর ও আসরের সালাত আদায় করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। এই দুই সালাতকে হাদিসে "বারদাইন" বা দুই শীতল সময়ের সালাত বলা হয়েছে।
ইসলামের মূল শিক্ষা কী?
আলেমদের মতে, কোনো একটি আমলকে বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং ঈমান, ইখলাস, ফরজ বিধান পালন, হারাম থেকে বেঁচে থাকা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ধারাবাহিক নেক আমলের সমন্বয়ই একজন মুমিনকে জান্নাতের পথে এগিয়ে নেয়। তাই এসব হাদিস একজন মুসলিমকে নেক আমলে উৎসাহিত করে এবং আল্লাহর রহমতের প্রতি আশাবাদী হতে শেখায়।
তথ্যসূত্র: সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম, সুনান আবু দাউদ, সুনান আত-তিরমিজি, মুসনাদ আহমাদ।
৬ জুলাইয়ের নামাজের সময় প্রকাশ, জেনে নিন এখনই
আজ সোমবার (৬ জুলাই ২০২৬)। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ২০ মহররম ১৪৪৮। প্রতিদিনের মতো আজও মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের জন্য সময়ের প্রয়োজনীয় যোগ-বিয়োগও উল্লেখ করা হয়েছে।
আজকের সময়সূচি অনুযায়ী, ফজরের নামাজ শুরু হবে ভোর ৩টা ৫০ মিনিটে। এরপর জোহরের নামাজ দুপুর ১২টা ৭ মিনিটে, আসরের নামাজ বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিটে, মাগরিবের নামাজ সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিটে এবং ইশার নামাজ রাত ৮টা ২০ মিনিটে আদায় করা হবে।
আজ সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের এই সময়ের ভিত্তিতেই নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) ফজরের নামাজের সময় ভোর ৩টা ৫০ মিনিট এবং সূর্যোদয় সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে হবে বলে জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
তবে দেশের সব অঞ্চলে একই সময় প্রযোজ্য নয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বিভাগভেদে নামাজের সময়ে সামান্য পার্থক্য দেখা যায়। চট্টগ্রামে ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট এবং সিলেটে ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনায় ৩ মিনিট, বরিশালে ১ মিনিট, রাজশাহীতে ৭ মিনিট এবং রংপুরে ৮ মিনিট যোগ করে স্থানীয় সময় অনুযায়ী নামাজ আদায় করতে হবে।
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ।
আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় জেনে নিন
আজ শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬)। বাংলা তারিখ ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি ১৮ মহররম ১৪৪৮। প্রতিদিনের ইবাদত যথাসময়ে আদায়ের সুবিধার্থে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সময় এবং দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের সময়ের পার্থক্যও জানানো হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নিজ নিজ অবস্থান অনুযায়ী নামাজ আদায় করতে পারেন।
আজকের সময়সূচি অনুযায়ী ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৯ মিনিটে। এরপর জোহরের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ৭ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে। সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিটে, আর ইশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ২০ মিনিটে।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হয়েছে সকাল ৫টা ১৫ মিনিটে। আগামীকাল রোববার (৫ জুলাই) ফজরের সময় অপরিবর্তিত থেকে ভোর ৩টা ৪৯ মিনিটে শুরু হবে এবং সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ঢাকা সময়ের সঙ্গে অন্যান্য বিভাগীয় শহরের নামাজের সময়ের কিছু পার্থক্য রয়েছে। সে অনুযায়ী চট্টগ্রামে ৫ মিনিট এবং সিলেটে ৬ মিনিট সময় বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনায় ৩ মিনিট, বরিশালে ১ মিনিট, রাজশাহীতে ৭ মিনিট এবং রংপুরে ৮ মিনিট সময় যোগ করে স্থানীয় নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে।সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ।
-রফিক
জীর্ণ ও ছেঁড়া আল-কোরআন অপসারণের শরিয়তসম্মত বিধান: অবমাননা রোধে কী করণীয়?
আল-কোরআন মহান আল্লাহ তাআলার চিরন্তন ও অলৌকিক কালাম। এর প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন এবং এর পবিত্রতা রক্ষা করা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ঈমানী দায়িত্ব। পবিত্র কোরআনের সূরা আল-ওয়াকিয়াহ-এর ৭৭ থেকে ৭৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা এই কিতাবের উচ্চ মর্যাদা ঘোষণা করে বলেছেন, এটি এক সম্মানিত কোরআন, যা সুরক্ষিত কিতাবে লিপিবদ্ধ এবং পবিত্রগণ ব্যতীত কেউ তা স্পর্শ করে না। তবে দীর্ঘদিনের ব্যবহার, বার্ধক্য কিংবা অসাবধানতার কারণে অনেক সময় কোরআনের পাতা বা পুরো কপি ছিঁড়ে কিংবা জীর্ণ হয়ে পড়ার অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অবমাননার হাত থেকে রক্ষা করতে শরিয়তসম্মত উপায়ে তা অপসারণের সুনির্দিষ্ট ও মর্যাদাপূর্ণ নির্দেশনা রয়েছে ইসলামে।
শরিয়ত বিশেষজ্ঞদের মতে, জীর্ণ কোরআনের অংশবিশেষ যেখানে-সেখানে ফেলে রাখলে তা পায়ে মাড়ানো বা ময়লা-আবর্জনার সংস্পর্শে আসার তীব্র ঝুঁকি থাকে, যা মারাত্মক গুনাহ এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে কুফরির শামিল। তাই যখন কোনো মুসহাফ বা কোরআনের অনুলিপি আর পাঠযোগ্য থাকে না, তখন তাকে সসম্মানে বিদায় দেওয়ার ফিকহী নীতিমালা রয়েছে। ইসলামী আইনবিদ তথা ফকীহগণ প্রধানত দুটি পদ্ধতিকে এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
সর্বোত্তম পদ্ধতি: মাটিতে সসম্মানে দাফন করা
হানাফী, শাফেঈ ও হাম্বলী মাযহাবের অধিকাংশ ইমামের মতে, জীর্ণ কোরআন অবমাননা থেকে বাঁচানোর সবচেয়ে নিরাপদ ও উত্তম উপায় হলো মাটিতে দাফন করা। হানাফী মাযহাবের চূড়ান্ত প্রামাণ্য গ্রন্থ ‘ফাতাওয়া শামী’ (রদ্দুল মুহতার)-এ ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) স্পষ্টভাবে লিখেছেন, কোরআন মাজীদ যখন পুরোনো হয়ে যায় এবং তা পড়ার অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে, তখন তা কোনো ময়লা বা ক্ষতিকর স্থানে ফেলার চেয়ে দাফন করা উত্তম। একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে মুসলিমের লাশের মতো করে তা সসম্মানে দাফন করতে হবে।
অনুরূপভাবে হাম্বলী মাযহাবের বিখ্যাত ফকীহ ইমাম ইবনে মুফলিহ তাঁর ‘আল-ফুরু’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহ.) জীর্ণ কোরআনের পাতা মাটিতে দাফন করাকেই সর্বোত্তম মনে করতেন। এক্ষেত্রে শরিয়তের শর্ত হলো, গর্তটি বেশ গভীর হতে হবে যেন বৃষ্টির পানিতে ওপরের মাটি সরে না যায় কিংবা কোনো হিংস্র পশু তা বের করতে না পারে। স্থান হিসেবে জনমানবহীন নির্জন জায়গা, মসজিদের আঙিনা বা কবরস্থানের মতো পবিত্র স্থান নির্বাচন করা উচিত।
বিশেষ পরিস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা
যদি কোনো কারণে দাফন করার মতো নিরাপদ স্থান খুঁজে পাওয়া না যায়, তবে অবমাননা রোধের উদ্দেশ্যে সতর্কতার সাথে পুড়িয়ে ফেলা শরিয়তে সম্পূর্ণ জায়েজ। ইসলামের ইতিহাসে এর শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে। ইসলামের তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রা.)-এর খেলাফতকালে যখন পবিত্র কোরআনের প্রামাণ্য অনুলিপি তৈরি করা হয়, তখন উপভাষা ও উচ্চারণগত বিভ্রান্তি দূর করতে তিনি সাহাবিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে (ইজমা) পূর্বের অন্যান্য অনুলিপিগুলো পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যা সহীহ বুখারীর ৪৯৮৭ নম্বর হাদিসে প্রমাণিত।
বিখ্যাত কোরআন গবেষক আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী (রহ.) তাঁর ‘আল-ইতকান ফী উলূমিল কোরআন’ গ্রন্থে লিখেছেন, হযরত উসমান (রা.) যেহেতু পুড়িয়েছিলেন, তাই অবমাননা রোধে এটি সম্পূর্ণরূপে জায়েজ এবং এতে কোনো গুনাহ নেই। শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহ.)-ও তাঁর ফতোয়াগ্রন্থে খলিফা উসমানের এই কাজকে সমর্থন করে একে কোরআনের সুরক্ষার অন্যতম উপায় বলে উল্লেখ করেছেন। তবে এক্ষেত্রে প্রধান শর্ত হলো, পাতাগুলো যেন সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং পোড়ানোর পর সেই ছাই বাতাসে উড়িয়ে না দিয়ে মাটিতে পুঁতে দিতে হবে বা বড় কোনো নদী-সমুদ্রে বিসর্জন দিতে হবে।
আধুনিক যুগের প্রযুক্তি: কাগজ কুচি ও রিসাইকেলিং
বর্তমান শিল্পোন্নত ও যান্ত্রিক যুগে আধুনিক ফতোয়া বোর্ডগুলো (যেমন সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ফতোয়া বোর্ড ‘আল-লাজনাহ আদ-দাইমাহ’) জানিয়েছে, জীর্ণ কোরআনের পাতা যদি এমন আধুনিক মেশিনে (Cross-cut Shredder) কাটা হয় যা হরফ ও শব্দকে সম্পূর্ণ মিহি বা গুঁড়ো করে ফেলে এবং কোনো একক অক্ষরের অস্তিত্ব রাখে না, তবে তা জায়েজ (ফতোয়া নং ৪১৩৮)। তবে ফিতার মতো লম্বা করে কাটা সাধারণ অফিস শ্রেডার ব্যবহার করা নিষিদ্ধ, কারণ তাতে আল্লাহর নাম বা আয়াত অক্ষত থাকার ঝুঁকি থাকে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক ইসলামী ফিকহ একাডেমি-র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাধারণ বর্জ্যের সাথে মিলিয়ে কোরআনের কেমিক্যাল রিসাইকেলিং করা হারাম হলেও, যদি কোনো বিশেষায়িত কারখানা কেবল কোরআনের কাগজ আলাদা করে, সম্পূর্ণ পবিত্র প্রক্রিয়ায় নতুন মণ্ড তৈরি করে পুনরায় কোরআন বা ধর্মীয় কিতাব ছাপে, তবে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ ও প্রশংসনীয়।
যেসব প্রচলিত পদ্ধতি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
অনেকে না বুঝে জীর্ণ কোরআনের পাতা সরাসরি নদী বা জলাশয়ে ভাসিয়ে দেন। ফকীহগণের মতে এটি অনিরাপদ পদ্ধতি। কারণ পানিতে ভাসমান হালকা পাতাগুলো স্রোতের টানে তীরে এসে আবর্জনার স্তূপে জমতে পারে বা নালায় আটকে যেতে পারে। ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) তাঁর ফতোয়ায় লিখেছেন, সরাসরি পানিতে ফেলার চেয়ে যদি কোনো ভারী পাথরের সাথে কাপড় দিয়ে শক্ত করে বেঁধে পানির গভীর তলদেশে ডুবিয়ে দেওয়া হয় যাতে তা স্থায়ীভাবে থিতু হয়, তবে তা কিছুটা গ্রহণযোগ্য; অন্যথায় মাটিতে দাফন বা পুড়িয়ে ফেলাই একমাত্র নিরাপদ পথ। এছাড়া সাধারণ ডাস্টবিনে বা গৃহস্থালির বর্জ্যের সাথে কোরআনের আয়াতযুক্ত কোনো কাগজ ফেলা সম্পূর্ণ হারাম। ইমাম নওয়াবী (রহ.) তাঁর ‘আল-তিবয়ান’ গ্রন্থে এ বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সামষ্টিক উদ্যোগের আহ্বান
কোরআনের মর্যাদা রক্ষা করা শুধু ব্যক্তির নয়, সমাজেরও সম্মিলিত দায়িত্ব। বর্তমান সামাজিক বাস্তবতায় প্রতিটি অঞ্চলের বড় বড় মসজিদ, মাদরাসা বা সরকারি উদ্যোগে ‘কোরআন কালেকশন বক্স’ বা বুথ স্থাপন করা সময়ের দাবি। সাধারণ মানুষ তাদের ঘরের ছেঁড়া পৃষ্ঠা বা পুরোনো কোরআন সেখানে জমা দিলে পরবর্তীতে ওলামাদের তত্ত্বাবধানে সমষ্টিগতভাবে তা গভীর মাটিতে দাফন বা শরিয়াহসম্মত উপায়ে নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এর ফলে অসচেতনতাবশত আল্লাহর কালামের অবমাননা ও গুনাহের হাত থেকে উম্মাহ রক্ষা পাবে।
আজ শুক্রবারের নামাজের সময়সূচি, দেখে নিন
আজ শুক্রবার (৩ জুলাই ২০২৬)। বাংলা তারিখ ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি ১৭ মহররম ১৪৪৮। মুসল্লিদের ইবাদত-বন্দেগি সঠিক সময়ে আদায়ে সহায়তার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ এই সময়সূচি অনুসরণ করে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও অন্যান্য ইবাদত যথাসময়ে আদায় করতে পারবেন।
আজ ঢাকায় ফজরের সময় ভোর ৩টা ৪৯ মিনিট, জোহরের সময় দুপুর ১২টা ০৬ মিনিট, আসরের সময় বিকেল ৪টা ৪২ মিনিট, মাগরিবের সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিট এবং ইশার সময় রাত ৮টা ২০ মিনিট। এছাড়া আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হয়েছে সকাল ৫টা ১৫ মিনিটে।
আগামীকাল শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬) ঢাকায় ফজরের সময় থাকবে ভোর ৩টা ৪৯ মিনিট এবং সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৫ মিনিটে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ঢাকার সময়সূচিকে ভিত্তি ধরে অন্যান্য বিভাগীয় শহরে নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে। সে অনুযায়ী চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনার জন্য ৩ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ৭ মিনিট, রংপুরের জন্য ৮ মিনিট এবং বরিশালের জন্য ১ মিনিট যোগ করে সংশ্লিষ্ট এলাকার নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে।
ধর্মীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, নামাজ ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের অন্যতম। তাই নির্ধারিত ওয়াক্ত অনুযায়ী নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শুক্রবারের জুমার নামাজ ইসলামে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ হওয়ায় এদিন সময়সূচি অনুসরণ করে যথাসময়ে মসজিদে উপস্থিত হওয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন নিয়মিতভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করে থাকে। ফলে মুসল্লিরা নিজ নিজ এলাকার সময়ের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগ-বিয়োগ করে সহজেই সঠিক ওয়াক্ত অনুযায়ী নামাজ আদায় করতে পারেন।
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ।
আজকের নামাজের সময়সূচি, জেনে নিন এক নজরে
আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬), ইংরেজি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ৩০ জুন, বাংলা ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি ১৪ মহররম ১৪৪৮। প্রতিদিনের মতো রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার মুসল্লিদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। নির্ধারিত সময়ে ইবাদত আদায়ের সুবিধার্থে প্রকাশিত এই সময়সূচি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৮ মিনিটে। এরপর জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৬ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে। দিনের শেষভাগে মাগরিবের নামাজ শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিটে, আর ইশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ২০ মিনিটে।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১৪ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে। আগামীকাল বুধবার (১ জুলাই) ফজরের সময়ও ভোর ৩টা ৪৮ মিনিটে শুরু হবে এবং সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১৪ মিনিটে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, রাজধানী ঢাকার সময়কে ভিত্তি ধরে দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরে নামাজের সময় কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। সে অনুযায়ী চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনার জন্য ৩ মিনিট, বরিশালের জন্য ১ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ৭ মিনিট এবং রংপুরের জন্য ৮ মিনিট যোগ করতে হবে।
ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা জানান, নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায় করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই নিজ নিজ এলাকার সময়সূচি অনুযায়ী ইবাদত পালন করাই উত্তম। বিশেষ করে ভ্রমণ বা অন্য বিভাগে অবস্থান করলে সংশ্লিষ্ট এলাকার সময়ের পার্থক্য বিবেচনায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় জানুন এক নজরে
আজ সোমবার (২৯ জুন ২০২৬), বাংলা ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি ১৩ মহররম ১৪৪৮। রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার মুসল্লিদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা। প্রতিদিনের ইবাদত যথাসময়ে আদায়ের সুবিধার্থে এই সময়সূচি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৬ মিনিটে। এরপর আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে। দিনের শেষভাগে মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৩ মিনিটে, আর এশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ২০ মিনিটে।
আগামী দিনের ইবাদতের প্রস্তুতির জন্য জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) ফজরের নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৩টা ৫০ মিনিটে। এছাড়া আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১৪ মিনিটে।
ইসলামি বিশেষজ্ঞরা জানান, নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায় করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই স্থানীয়ভাবে ঘোষিত সময়সূচি অনুসরণ করে যথাসময়ে ইবাদত সম্পন্ন করা উচিত। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নামাজের সময় কয়েক মিনিটের পার্থক্য হতে পারে। রাজধানী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মুসল্লিদের জন্য এই সময়সূচি প্রযোজ্য।
-রফিক
আজ কখন কোন নামাজ? দেখে নিন পূর্ণ সময়সূচি
নামাজ ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান ইবাদত। প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য নির্ধারিত সময়ে ফরজ নামাজ আদায় করা আবশ্যক। দৈনন্দিন ব্যস্ততার মধ্যেও ওয়াক্তমতো নামাজ আদায় করতে হলে দিনের নামাজের সময়সূচি জানা অত্যন্ত জরুরি।
আজ শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ। বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী আজ ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১০ মহররম ১৪৪৮। দিনটি যথাযথ ইবাদত, দোয়া ও আমলের মধ্য দিয়ে কাটাতে অনেক মুসল্লিই সকাল থেকে নামাজের সময়সূচি অনুসরণ করছেন।
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজ ফজরের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ভোর ৩টা ৪৬ মিনিটে। দিনের প্রথম ফরজ নামাজ হওয়ায় ফজরের সময়ের আগেই সেহরি, তাহাজ্জুদ বা ব্যক্তিগত ইবাদত শেষ করে জামাতে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া উত্তম।
আজ জোহরের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৪ মিনিটে। কর্মব্যস্ত দিনের মাঝেও এই ওয়াক্তের নামাজ আদায় করা মুসল্লিদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অফিস, ব্যবসা বা অন্যান্য দৈনন্দিন কাজের ফাঁকে সময় মিলিয়ে জোহরের নামাজ আদায় করতে পারেন মুসল্লিরা।
আসরের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে। দিনের শেষভাগে এই নামাজ আদায় করার মাধ্যমে মুসল্লিরা ইবাদতের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন এবং সন্ধ্যার আগে আত্মিক প্রশান্তি লাভের সুযোগ পান।
আজ মাগরিবের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৩ মিনিটে। সূর্যাস্তের পরপরই মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হয়, তাই এই নামাজ দেরি না করে দ্রুত আদায় করাই উত্তম। আজ সূর্যাস্তের সময় দেওয়া হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিটে।
এশার সময় শুরু হবে রাত ৮টা ২০ মিনিটে। দিনের শেষ ফরজ নামাজ হিসেবে এশা আদায়ের মাধ্যমে মুসল্লিরা দিনের ইবাদত পূর্ণ করেন। রাতের কাজ, বিশ্রাম বা ঘুমের আগে এশার নামাজ সময়মতো আদায় করা উচিত।
আজ ঢাকায় সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ১২ মিনিটে। সূর্যোদয়ের আগে ফজরের নামাজ আদায় করতে হয়। তাই যারা একা নামাজ আদায় করেন বা মসজিদে জামাতে অংশ নেন, তাদের জন্য ফজরের সময় বিশেষভাবে খেয়াল রাখা দরকার।
স্থানীয় মসজিদভেদে আজান ও জামাতের সময় কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। তাই নির্ধারিত ওয়াক্তের পাশাপাশি নিজ এলাকার মসজিদের ঘোষিত জামাতের সময় অনুসরণ করা সবচেয়ে ভালো।
পাঠকের মতামত:
- ২০৩০ বিশ্বকাপ কোথায়? জানুন সব ভেন্যু
- ঢাকাসহ ১৭ জেলায় বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস, সতর্কতা জারি
- আজ ১৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজকের ক্রীড়াসূচি: বিশ্বকাপ, উইম্বলডন ও টি-টোয়েন্টি
- মঙ্গলবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় প্রকাশ
- ‘ফিলিস্তিনের কষ্ট না বুঝলে মানুষ নন’
- ‘অন্য ভাষায় জবাব পাবেন’ ট্রাম্পকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল ইরান
- ক্রসবারে বাঁচল স্পেন, পরক্ষণেই বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড
- টানা বাড়তির পর বড় ধাক্কা, কমল স্বর্ণের দাম
- আজ বের হওয়ার আগে দেখুন কোন মার্কেট বন্ধ
- তিতাসের জরুরি বিজ্ঞপ্তি: মঙ্গলবার ১৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- নানিয়ারচর সেনা জোনের উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ
- ৩ বাহিনীর প্রধানের উপস্থিতিতে পিজিআর সদর দপ্তরে কেক কেটে ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
- ইরানের সাথে বৈষম্যের পর এবার ট্রাম্পের ক্ষমতার খেল, ২০২৬ বিশ্বকাপের সৌন্দর্য নষ্টের নেপথ্যে
- বোলাররা জেতালেও ব্যাটাররা ডোবাল, তুলনামূলক দুর্বল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হতাশাজনক পরাজয়
- গাজায় দীর্ঘ ২০ বছরের শাসনের অবসান, নিজেদের শাসন কমিটি বিলুপ্ত করল হামাস
- আমাদের সালাহ ও ২৬ জন মেসি আছে: আর্জেন্টিনার ম্যাচের আগে মিশরীয় কোচের হুংকার
- গ্রাম ও শহর সবখানেই ৯ শতাংশের উপরে মূল্যস্ফীতি, খরচের চাপে সীমিত আয়ের মানুষ
- প্রধানমন্ত্রী ১০০ টাকায় লাঞ্চ করেন, আমরা মন্ত্রীরাও তাই করি: সখীপুরে আযম খান
- ব্রাজিল বধের নায়ক হালান্ডের দানবীয় শক্তির অদ্ভুত রহস্য ফাঁস
- খামেনির জানাজার মাঠে ‘কিল ট্রাম্প’ স্লোগান, তেহরানে প্রতিশোধের আগুনে উত্তপ্ত লাখো জনতা
- গুলশান-বনানী লেকের দূষণ রোধ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ
- এক আঘাতেই খতম করার ট্রাম্পের হুমকির জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের সভ্যতা নিয়ে খোঁচা দিল ইরান
- ‘ভূতুড়ে বিলের’ সুনির্দিষ্ট কারণ ও অভিযোগ সমাধানের উপায় জানালেন বিদ্যুৎ সচিব
- অক্টোবরে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, প্রথম ধাপে ইউপি ও পৌরসভায় ভোটের সম্ভাবনা
- ৬ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ৬ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৬ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- খামেনির শোক র্যালিতে জনসমুদ্র, প্রতিশোধের লাল পতাকায় মুখর তেহরান
- সহিহ হাদিসে জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হওয়ার ১২ আমল
- ‘আমেরিকাই একমাত্র নয়, ভারতের মতো বড় বন্ধু আছে’-ভ্যান্সকে জবাব নেতানিয়াহুর
- বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশ, না মানলে বাতিল হবে লাইসেন্স
- তাপপ্রবাহে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু, এবার ঝড়-বন্যার নতুন শঙ্কা
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
- আজকের ক্রীড়া সূচি, একদিনে তিন বড় লড়াই
- হালান্ডের আঘাতে ভাঙল ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ স্বপ্ন, কান্নাভেজা বিদায় নেইমারের
- অ্যাজটেকার আগুনে ইংল্যান্ডের বেঁচে ফেরা, মেক্সিকোকে কাঁদিয়ে শেষ আটে টুখেলের দল
- প্রিয় দল হেরেছে? মন ভালো রাখার ৭ কার্যকর উপায়
- কলকাতার সেনা আবাসিকে কেন তিন বাংলাদেশি জেনারেল? নতুন তথ্য ঘিরে বাড়ছে নানা প্রশ্ন
- ডেঙ্গুর নতুন হটস্পট ১৪ জেলা, বাড়ছে বড় শঙ্কা
- আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজ রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- খামেনির জানাজায় জনস্রোত, তেহরানের বার্তা কী?
- ৬ জুলাইয়ের নামাজের সময় প্রকাশ, জেনে নিন এখনই
- স্বর্ণ কিনতে বাড়তি খরচ, কার্যকর নতুন মূল্যতালিকা
- আমির-গৌরীর বিয়ে, আলোচনায় গৌরীর সম্পদের পরিমাণ
- সোমবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না ঠেলে, পিজিআরকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
- ওপারে তীব্র যুদ্ধ ও আতঙ্কের মাঝে মিয়ানমার সীমান্তে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোরদারের ঘোষণা
- বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই কুমিল্লার উন্নয়ন হয়: গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী
- নরওয়ের বিপক্ষে নেইমার খেলবেন? জানালেন আনচেলত্তি
- ‘ইরান এখন সমঝোতায় মরিয়া’, খামেনির দাফনে ‘এক সপ্তাহ সময়’ দিলাম: ট্রাম্প
- আরাগচি-গালিবাফ হত্যাচেষ্টার খবর নাকচ ইসরায়েলের
- আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, আজ কত ভরি
- এলপিজির নতুন দর নিয়ে বড় ঘোষণা আজ
- স্বর্ণ কিনবেন? জেনে নিন আজকের নতুন মূল্য
- রোনালদোর ম্যাচসেরা পুরস্কার ঘিরে তুমুল বিতর্ক
- ‘নেতানিয়াহু জানেন, আসল বস কে’- ট্রাম্প
- খামেনির কফিন ঘিরে আবেগে ভাসছে তেহরান
- আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’: সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার শিক্ষা
- আরাগচি-গালিবাফকে ঘিরে হত্যার পরিকল্পনা ইসরায়েলের, ইরানকে আগাম সতর্ক যুক্তরাষ্ট্রের
- সপ্তাহজুড়ে শেয়ারবাজারে গতি, সূচকে শক্তিশালী উত্থান
- তাপপ্রবাহে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু, এবার ঝড়-বন্যার নতুন শঙ্কা
- ২০০৬ সালের ভিসানীতিতে বড় সংস্কার








