২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা কবে

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পবিত্র মাহে রমজানের সময়সূচির কারণে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার তারিখ উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নীতিনির্ধারক পর্যায়ের আলোচনায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এ পাবলিক পরীক্ষা দুই থেকে তিন মাস পিছিয়ে যেতে পারে। তবে পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচি এখনও নির্ধারণ করেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, প্রাথমিকভাবে চলতি বছরের এপ্রিলের শেষ ভাগ কিংবা মে মাসের শুরুতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাবনা বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। পরীক্ষার রুটিন, কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা ও আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি নিয়ে শিগগিরই একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হতে পারে, যেখানে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির রোববার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি এখনও নির্ধারিত হয়নি এবং এ সংক্রান্ত কোনো চূড়ান্ত সভাও অনুষ্ঠিত হয়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত মূলত শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আসে, বোর্ডগুলো সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সাধারণত এই সময়েই এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের সময় দেশের বহু বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি পরীক্ষা আয়োজন বাস্তবসম্মত নয়। একই সঙ্গে ফেব্রুয়ারি মাসেই শুরু হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান, যা পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণে বাড়তি জটিলতা তৈরি করেছে।
শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, নির্বাচন ও রমজানের কারণে ফেব্রুয়ারি কিংবা মার্চ মাসে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া কঠিন হবে। সে কারণেই পরীক্ষার সময়সূচি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। অতীতেও বিভিন্ন পরিস্থিতিতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার নজির রয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সাল পর্যন্ত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সাধারণত ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শুরু হয়ে মার্চ মাসের মধ্যে শেষ করা হতো। তবে ২০২১ সালে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এই ধারায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসে এবং সে বছর নভেম্বর মাসে পরীক্ষা আয়োজন করা হয়।
পরবর্তী বছরগুলোতেও সময়সূচিতে ব্যাপক ভিন্নতা দেখা গেছে। ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে, আর ২০২৩ সালে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এপ্রিলের ৩০ তারিখ থেকে। সর্বশেষ ২০২৪ সালে এসএসসি পরীক্ষা আবারও স্বাভাবিক ধারায় ফিরে ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখে শুরু হয়।
তবে শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন ও পবিত্র মাহে রমজানের কারণে এই স্বাভাবিক ধারায় আবারও ছেদ পড়তে পারে। সব দিক বিবেচনায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অন্তত দুই থেকে তিন মাস পিছিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
সূত্র: ডেইলি ক্যাম্পাস
সশরীরে নাকি ভার্চুয়াল? জ্বালানি সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন মোড়
জ্বালানি সংকটের এই কঠিন সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে এক সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সকল মহানগরের স্কুল ও কলেজগুলোতে এখন থেকে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।
সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সপ্তাহে মোট ছয় দিনই সচল থাকবে। তবে এর মধ্যে তিন দিন শিক্ষার্থীরা সরাসরি সশরীরে (অফলাইন) ক্লাসে উপস্থিত হবে এবং বাকি তিন দিন নিজ নিজ বাসা থেকে অনলাইনে ক্লাসে অংশ নেবে। এই পদ্ধতিতে শিক্ষকরা প্রতিদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে ক্লাস পরিচালনা করবেন। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ক্ষেত্রে জোড় ও বিজোড় রোল নম্বর বা দিন ভাগ করে এই অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সমন্বয় করা হবে।
জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম এবং বৈশ্বিক সংকটের কারণে পরিবহন খরচ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। যদিও শিক্ষামন্ত্রী এর আগে জানিয়েছিলেন যে, ৫৫ শতাংশ মানুষ অনলাইন ক্লাসের পক্ষে মত দিয়েছেন, তবে শিক্ষার্থীদের সামাজিকীকরণ বজায় রাখতে পুরোপুরি অনলাইনে না গিয়ে এই ‘হাইব্রিড’ বা সমন্বিত মডেলটি বেছে নেওয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।
/আশিক
কেন্দ্র তালিকা দেখে নিন: এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় আপডেট
২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। সোমবার (৩০ মার্চ) বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এসএসসি পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের এই তালিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা এবং অভিভাবকরাও বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে তাদের নির্দিষ্ট কেন্দ্র সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন। সাধারণত প্রতি বছর পরীক্ষার কয়েক মাস আগেই এই তালিকা প্রকাশ করা হয়, যাতে কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা এবং পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত সংক্রান্ত কোনো সমস্যা না হয়।
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, কেন্দ্রে আসন বিন্যাস এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে প্রতিটি কেন্দ্র সচিবকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্রে উল্লিখিত কেন্দ্র কোডের সাথে বোর্ডের প্রকাশিত এই তালিকার মিল দেখে নিতে পারবেন। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তালিকা দেখুন এখতে ক্লিক করুন এখানে…
/আশিক
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২০২৬: নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ১১ নির্দেশনা
আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর এবং সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশাল পাবলিক পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য ১১ দফার একটি বিশেষ নির্দেশনাবলী জারি করা হয়েছে।
মাউশির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি এম আব্দুল হান্নান স্বাক্ষরিত এক জরুরি আদেশে এই নির্দেশনাগুলো প্রদান করা হয়। এতে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, পরীক্ষার হলে যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা জালিয়াতি রোধে সরকারের ‘শূন্য সহনশীলতা’ বা জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে।
নতুন নির্দেশনায় প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্র ও কক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যেসব কেন্দ্রে ক্যামেরা অচল রয়েছে, সেগুলো পরীক্ষা শুরুর আগেই সচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষকে সরবরাহের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।
পরীক্ষার্থীদের নকল বা অন্য কোনো অসদুপায় অবলম্বন ঠেকাতে কেন্দ্রে প্রবেশের আগে দেহ তল্লাশি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রীদের তল্লাশির ক্ষেত্রে নারী শিক্ষকদের নিয়োজিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি পরীক্ষা কক্ষে দেয়াল ঘড়ি স্থাপন এবং পর্যাপ্ত আলো-বাতাসসহ পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে।
মাউশির আদেশে আরও জানানো হয়েছে যে, কেন্দ্র সচিব ব্যতীত অন্য কোনো শিক্ষক কিংবা পরীক্ষার্থী পরীক্ষার হলের ভেতরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। কেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সুবিধার্থে কেন্দ্রের প্রধান ফটকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা টাঙিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাউশি স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়েছে যে, এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবসহ দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
/আশিক
এপ্রিলে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা; ১০টি কড়া নির্দেশনাসহ নীতিমালা প্রকাশ
২০২৫ সালের সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা আগামী এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যদিও পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি এখনো ঘোষণা করা হয়নি, তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা ও পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি বিশেষ নির্দেশনাসহ আচরণবিধি প্রকাশ করেছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের পাঁচটি প্রধান বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
এর মধ্যে বাংলা, ইংরেজি ও গণিত মিলিয়ে ১০০ নম্বরের একটি পরীক্ষা এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় মিলিয়ে আরও ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি ১০০ নম্বরের পরীক্ষার জন্য সময় বরাদ্দ থাকবে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীরা নিয়মানুযায়ী অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবেন। বৃত্তির জন্য বিবেচিত হতে হলে একজন শিক্ষার্থীকে প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই ক্যাটাগরিতে মেধা তালিকার ভিত্তিতে ছাত্র ও ছাত্রীদের সমানুপাতিক হারে (৫০ শতাংশ করে) বৃত্তি প্রদান করা হবে। এছাড়া মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের জন্য যে ১০টি কড়া নিয়ম ও আচরণবিধি মেনে চলতে হবে
পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি বিশেষ নির্দেশনা
১. প্রবেশপত্র ও উপস্থিতি: পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই প্রবেশপত্রসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষার হলে উপস্থিত হতে হবে। প্রবেশপত্র ছাড়া কাউকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না।
২. নিষিদ্ধ বস্তু: পরীক্ষার হলে প্রবেশপত্র ছাড়া অন্য কোনো অননুমোদিত কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
৩. ওএমআর শিট পূরণ: উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার (ওএমআর) নির্ধারিত স্থানে নাম, বিষয় কোড ও রোল নম্বর ছাড়া অন্য কোনো কিছু লেখা যাবে না।
৪. পরিদর্শকের স্বাক্ষর: উত্তরপত্রে অবশ্যই ইনভিজিলেটর বা কক্ষ পরিদর্শকের স্বাক্ষর থাকতে হবে; অন্যথায় উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
৫. অপ্রাসঙ্গিক লেখা: উত্তরপত্রের ভেতর বা বাইরে পরীক্ষার্থীর নাম, ঠিকানা, রোল নম্বর বা কোনো সাংকেতিক চিহ্ন বা অপ্রয়োজনীয়/আপত্তিকর কোনো কিছু লেখা যাবে না।
৬. খসড়া কাজ: খসড়ার জন্য কোনো অতিরিক্ত কাগজ দেওয়া হবে না। প্রদত্ত উত্তরপত্রেই খসড়ার কাজ করতে হবে এবং পরে তা যথাযথভাবে কেটে দিতে হবে।
৭. নিষিদ্ধ লিখন: উত্তরপত্র ছাড়া টেবিল, স্কেল, নিজ দেহ বা অন্য কোথাও পরীক্ষার্থী কোনো কিছু লিখতে পারবে না।
৮. হল ত্যাগ: প্রশ্নপত্র বিতরণের পর অন্তত এক ঘণ্টা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা হলের বাইরে যেতে পারবে না।
৯. উত্তরপত্র জমা: পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর কর্তব্যরত ইনভিজিলেটরের কাছে উত্তরপত্র বুঝিয়ে দিয়ে তবেই পরীক্ষার হল ত্যাগ করতে হবে।
১০. কর্তৃপক্ষের নিয়ম: এ ছাড়া কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্দেশিত অন্যান্য সকল নিয়মাবলি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
পরীক্ষা চলাকালীন আচরণবিধি
পরীক্ষার হলে একে অন্যের সঙ্গে কথা বলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
প্রশ্নপত্র বা অন্য কোনো মাধ্যমে কিছু লিখে অন্য পরীক্ষার্থীর সঙ্গে বিনিময় করা যাবে না।
অন্যের উত্তরপত্র দেখে লেখা বা অন্যকে দেখানোর কাজে সহযোগিতা করা যাবে না।
উত্তরপত্র ইনভিজিলেটরের কাছে দাখিল না করে পরীক্ষার হল ত্যাগ করা যাবে না।
উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা পরিবর্তন বা কোনোভাবে বিনষ্ট করা যাবে না।
/আশিক
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনায় নতুন গাইডলাইন প্রকাশ
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার কেন্দ্র কমিটি গঠন নিয়ে নতুন এক বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। সোমবার প্রকাশিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে যে, প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা পরিচালনার জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি শক্তিশালী 'কেন্দ্র কমিটি' গঠন করতে হবে। এই কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের (মাধ্যমিক) কাছে পাঠাতে হবে।
শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলা সদরের কেন্দ্রগুলোর জন্য জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা পর্যায়ের কেন্দ্রগুলোর জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে থাকবেন জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং একজন সরকারি ও একজন বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তবে কোনো কেন্দ্রে সরকারি বিদ্যালয় না থাকলে দুইজন বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সদস্য করা যাবে। কেন্দ্রের প্রধান প্রতিষ্ঠান প্রধান পদাধিকার বলে কেন্দ্রসচিব ও কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। যদি কোনো কারণে কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠান প্রধান এই দায়িত্ব পালনে অপারগ হন, তবে চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে অন্য কোনো অভিজ্ঞ প্রধান শিক্ষককে কেন্দ্রসচিব নিয়োগ দেওয়া যাবে।
উল্লেখ্য যে, কেন্দ্র কমিটির চেয়ারম্যান স্বয়ং কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত থাকবেন। যদি কোনো অনিবার্য কারণে তিনি এই দায়িত্ব পালন করতে না পারেন, তবে তাঁর পরিবর্তে একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত ভারপ্রাপ্ত অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নির্দেশনায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তার সন্তান যদি সংশ্লিষ্ট বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, তবে তিনি কোনোভাবেই কেন্দ্রসচিব হতে পারবেন না। ৫ এপ্রিলের সময়সীমার মধ্যে এই সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বোর্ডকে অবহিত করার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
/আশিক
লটারি প্রথা চূড়ান্ত বাতিল! স্কুলে ফিরছে ভর্তি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রীর বড় ঘোষণা
দেশের স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থায় মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে ঐতিহাসিক এক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে বিতর্কিত ‘লটারি প্রথা’ চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে স্কুলে ভর্তির জন্য বর্তমানের লটারি পদ্ধতি আর কার্যকর থাকবে না। মেধার সঠিক যাচাই ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই সরকার এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দীর্ঘদিনের এই প্রথা বাতিলের ফলে স্কুলগুলোতে পুনরায় ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা যাচাই করে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে। গত কয়েক বছর ধরে লটারি পদ্ধতিতে মেধার অবমূল্যায়ন হচ্ছে—এমন দাবির প্রেক্ষিতেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই সংস্কারের পথে হাঁটল।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, এই পরিবর্তনের ফলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে। ২০২৭ সাল থেকে নতুন এই ভর্তি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত রূপরেখা খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।
/আশিক
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের বিশেষ বার্তা: আমূল বদলে যাচ্ছে ভর্তি প্রক্রিয়া
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের রদবদল ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে আজ সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিকেল ৪টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এই প্রেস ব্রিফিং থেকে স্কুল পর্যায়ে বহুল আলোচিত ‘লটারি প্রথা’ বাতিল এবং পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা ফিরিয়ে আনার চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে খবর, লটারি পদ্ধতিতে মেধার সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে না—অভিভাবক ও শিক্ষক মহলের এমন দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতেই সরকার পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। আজকের ব্রিফিংয়ে এই নতুন ভর্তি প্রক্রিয়ার রূপরেখা ও বাস্তবায়নের সময়সূচী ঘোষণা করা হতে পারে। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের তিনটি শীর্ষ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা উপাচার্য (ভিসি) পদে নতুন নিয়োগের বিষয়টিও আজ চূড়ান্তভাবে জানানো হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বার্তায় জানানো হয়েছে, শিক্ষামন্ত্রী এই সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা খাতের চলমান সংস্কার ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরবেন। উল্লেখ্য যে, আজ সকালেই শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস. এম. এ. ফায়েজ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, যা শিক্ষা অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
/আশিক
ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের লাগাম টানছে সরকার; আর চলবে না ইচ্ছেমতো টিউশন ফি!
দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে সরকারি নজরদারিতে আনতে কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কোনো নির্দিষ্ট আইন ও নীতিমালা না থাকার সুযোগ নিয়ে এসব প্রতিষ্ঠান এতদিন ইচ্ছেমতো টিউশন ফি আদায় ও কার্যক্রম পরিচালনা করলেও এবার সেই সুযোগ বন্ধ হতে যাচ্ছে। নতুন এই নীতিমালার আওতায় প্রতিটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, বর্তমানে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলেরই কোনো বৈধ নিবন্ধন নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত নীতিমালায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর শিক্ষাপঞ্জি, ছুটি এবং টিউশন ফি সরাসরি সরকার নির্ধারণ করে দেবে। প্রতিটি স্কুলে নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা বাধ্যতামূলক হবে এবং এই কমিটিই প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব ও নিরীক্ষা (অডিট) সম্পাদন করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেবে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকতে হবে এবং আন্তর্জাতিক কারিকুলাম অনুসরণ করলেও সেগুলো নিয়ন্ত্রক কাঠামোর বাইরে থাকবে না। খসড়া নীতিমালায় শিক্ষার্থী সংখ্যা ও অবকাঠামোর ওপর ভিত্তি করে স্কুলগুলোকে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’—এই তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ হলো, এসব প্রতিষ্ঠানের ৯৯ শতাংশ শিক্ষার্থী বাংলাদেশি হওয়া সত্ত্বেও তারা দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে প্রায় অন্ধকার। অনেক শিক্ষার্থী বিদেশের ইতিহাস-ভূগোল মুখস্থ করলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস বা জাতীয় সংগীত সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখে না। এছাড়া বছরের পর বছর অস্বাভাবিক হারে বেতন বৃদ্ধি এবং ভর্তি ফির নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও অনেক স্কুল পুনঃভর্তি ফি বা সেশন ফি আদায় চালিয়ে যাচ্ছে। নতুন নীতিমালায় এসব অনিয়ম বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের সংখ্যা মাত্র ১৫৯টি বলা হলেও বিভিন্ন বেসরকারি সূত্রের মতে এই সংখ্যা প্রায় সাড়ে ২৮ হাজার। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে এই বিশাল সংখ্যক প্রতিষ্ঠানকে স্বচ্ছতার আওতায় আনা হবে। পাঠ্যবইয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোও নীতিমালায় গুরুত্ব পাচ্ছে। শিক্ষা অধিদপ্তর ও শিক্ষা বোর্ড এই পুরো প্রক্রিয়া তদারকি করবে, যাতে শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত বইয়ের বোঝা কমানোর পাশাপাশি অভিভাবকদের আর্থিক হয়রানি থেকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয়।
/আশিক
পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা প্রকাশ: শিক্ষার্থীদের মানতে হবে ১০ নিয়ম
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা ও নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এই নীতিমালাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। আসন্ন এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষার হলে পালনীয় ১০টি বিশেষ নির্দেশনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নিয়মগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ না করলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বাতিলের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই প্রবেশপত্রসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে।
প্রবেশপত্র ছাড়া কোনো শিক্ষার্থীকেই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
এছাড়া পরীক্ষার হলে ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং অননুমোদিত কাগজপত্র সঙ্গে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
উত্তরপত্রের ওএমআর (OMR) শিটে নাম, বিষয় কোড ও রোল নম্বর ছাড়া অন্য কিছু লেখা যাবে না এবং উত্তরপত্রে অবশ্যই হল পরিদর্শকের (ইনভিজিলেটর) স্বাক্ষর থাকতে হবে, অন্যথায় উত্তরপত্রটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
পরীক্ষার্থীদের আচরণের বিষয়ে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, উত্তরপত্রের কোথাও নাম, ঠিকানা বা কোনো ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা যাবে না।
খসড়া কাজের জন্য আলাদা কোনো কাগজ দেওয়া হবে না; যা করার উত্তরপত্রেই করতে হবে এবং পরে তা কেটে দিতে হবে।
এছাড়া টেবিল, স্কেল বা নিজ শরীরে কিছু লেখা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর অন্তত এক ঘণ্টা পার না হওয়া পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থী হলের বাইরে যেতে পারবে না।
পরীক্ষা শেষ হলে উত্তরপত্রটি দায়িত্বরত শিক্ষকের কাছে জমা দিয়ে তবেই হল ত্যাগ করতে হবে।
পরীক্ষা চলাকালীন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আরও কিছু কড়া নিয়ম জারি করা হয়েছে। হলে একে অন্যের সঙ্গে কথা বলা, প্রশ্নপত্র বা অন্য মাধ্যমে তথ্য বিনিময় করা এবং অন্যের উত্তরপত্র দেখে লেখা বা দেখানোর কাজে সহযোগিতা করা যাবে না। কেন্দ্র থেকে সরবরাহকৃত উত্তরপত্রের কোনো পৃষ্ঠা পরিবর্তন বা নষ্ট করা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও সঠিক মান বজায় রাখতেই এই আধুনিক ও কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ৭ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- শেয়ারবাজারে কমেছে ১০ কোম্পানির দর
- শেয়ারবাজারে চাঙ্গা দিন, লাভের শীর্ষে ১০ কোম্পানি
- ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার ৩৯তম দিনে কী ঘটছে?
- মুক্তির দাবি ঠিক, কিন্তু অনলাইন আক্রমণ কে থামাবে?
- এবার ভারত মহাসাগরে মার্কিন উভচর যুদ্ধজাহাজে ইরানের শক্তিশালী হামলা
- তেলের পর্যাপ্ত মজুদ আছে, আতঙ্কের কারণ নেই: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী
- ইন্ডাকশন চুলায় রান্না করেও বিদ্যুৎ বিল কমানোর ৫টি জাদুকরী উপায়
- ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা ধ্বংসের দাবি নেতানিয়াহুর
- ভ্যাকসিন কিনতে খরচ ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে ইরানের থাবা, ১৫ মার্কিন সেনা আহত
- মাদ্রাসায় শিশুর নিরাপত্তা: নীরবতার বদলে জবাবদিহি দরকার
- কৌশলগতভাবে তেহরানের কাছে পরাজিত ট্রাম্প: ইরান
- আজকের টাকার রেট: ডলার ও ইউরোর সর্বশেষ বিনিময় হার জানুন
- গীতি কবিতায় বিশেষ অবদান রাখায় সম্মাননা পেলেন সিরাজিয়া পারভেজ টুটুল
- সংজ্ঞাহীন অবস্থায় মোজতবা খামেনি? ৩৯ দিন পর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
- ভোর ৫টার ঝটিকা অভিযান: ধানমন্ডি থেকে যেভাবে ধরা পড়লেন শিরীন শারমিন
- কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য: বাহরাইনে বাজছে বিপদের সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ
- সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে সংসদ: ডাবল শিফট অধিবেশনে ১৩৩ বিলের লড়াই
- মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে
- সোনার বাজারে আগুন, ভরি ছাড়াল যত
- এক রাতের মধ্যেই ইরানকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করার হুমকি ট্রাম্পের
- আজ ঢাকায় কোথায় কী কর্মসূচি, জানুন এক নজরে
- নামাজের সময়সূচি প্রকাশ, সময় মেনে ইবাদত করুন
- এক রাতে তিন বড় ম্যাচ, টিভিতে আজকের যত খেলা
- ঢাকাসহ ১৩ জেলায় ঝড়ের সতর্কবার্তা
- ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন সূচনা, ভারত সফরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ইরানের সঙ্গে গোপন সমঝোতায় এশিয়ার দেশগুলো
- গভীর রাতে সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন আটক
- চার ঘণ্টায় ইরান অচল করার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
- কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা, আহত ১৫ মার্কিন সেনা
- টঙ্গীর মিলগেট বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ও তেলের বাজার: নতুন অর্থনৈতিক সংকটের মুখে বিশ্ব
- চাঁদের ‘অন্ধকার অংশ’ দেখতে যাচ্ছে মানুষ: ৫০ বছর পর প্রথম রোমাঞ্চকর যাত্রা
- মঙ্গলবার সকালে বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- হাইফায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে লণ্ডভণ্ড ইসরায়েল
- সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, স্থায়ী সমাধান চাই: যুক্তরাষ্ট্রকে শর্ত জানাল ইরান
- তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর নতুন মোড়: ৩ জনের ডিএনএ টেস্টের নির্দেশ
- সংস্কার থেকে সরে এলে আবারও চব্বিশ হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ
- পর্দার আড়ালে কী ঘটেছিল? এপস্টেইন নথিতে জিজি হাদিদের নাম
- লালমাইতে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে ছাই ৩ বসতঘর
- নর্দমা থেকে ফ্যাসিবাদ তুলে আনার চেষ্টা রুখে দেবে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান
- সিসিটিভি ফুটেজে ফাঁস: ইসরায়েলের পারমাণবিক নকশা কি ইরানের হাতে?
- হরমুজ সংকট নিরসনে একটি শর্ত দিল ইরান
- খেলাপি ঋণের পাহাড়: সাড়ে ৫ লাখ কোটির তথ্য দিলেন আমির খসরু
- একনেকের প্রথম বৈঠক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ৬ প্রকল্প অনুমোদন
- সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশীপ ফাউন্ডেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও কৃতী শিক্ষার্থী সম্মাননা অনুষ্ঠিত
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজকের শেয়ারবাজারে কারা সবচেয়ে বেশি লোকসানে
- আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা
- সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা
- ভারতের বিপক্ষে মহাযুদ্ধ! কাল সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের মেগা ফাইনাল
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত
- ৩১ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ইরানের পক্ষে লড়বে চেচেন যোদ্ধারা! কাদিরভ বাহিনীর ‘জিহাদ’ ঘোষণা
- কালিগঞ্জে কাটুনিয়া রাজবাড়ী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াহাব চূড়ান্ত বরখাস্ত
- এক লাফে ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা: স্বর্ণের বাজারে আগুন
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- চীনের ৫ দফা প্রস্তাব! ইরান যুদ্ধ থামাতে বেইজিং-ইসলামাবাদ ঐতিহাসিক চুক্তি
- শেষ ৪ মিনিটের ঝড়ে উড়ে গেল ক্রোয়েশিয়া! ব্রাজিলের বিধ্বংসী জয়
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- মার্কেট বন্ধের নতুন সময়সূচি! আন্তর্জাতিক সংকটে দেশের বাজারে নতুন নিয়ম
- নতুন নিয়মে সন্ধ্যার পর যেসব বিপণিবিতান খোলা থাকবে
- ৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি








