ইহুদি জাতি: ইতিহাসের অভিশপ্ত অধ্যায়

আল্লাহর নবী হজরত ইসহাক (আ.)-এর পুত্র হজরত ইয়াকুব (আ.) ছিলেন একজন সম্মানিত নবী, যিনি “ইসরাইল” নামেও পরিচিত ছিলেন। এই “ইসরাইল” নাম থেকেই তার বংশধররা পরিচিত হয় বনি ইসরাইল নামে, যা পরবর্তীতে ইহুদি জাতিতে রূপ নেয়। ইতিহাস ও ধর্মীয় সূত্র অনুযায়ী, বনি ইসরাইল এমন এক জাতি যারা আল্লাহর নেয়ামতপ্রাপ্ত হয়েও বারবার তার অবাধ্যতা করেছে। তারা আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত নবীদের অমান্য করেছে, অনেক নবীকে হত্যা করেছে, এবং বারবার সীমালঙ্ঘন করেছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বনি ইসরাইলদের ব্যাপারে বারবার সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন এবং তাদের ওপর গজব, লাঞ্ছনা ও অপমান আরোপ করেছেন। সূরা আরাফের ১৬৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত তিনি এমন কিছু শক্তিকে তাদের ওপর চাপিয়ে দেবেন যারা তাদের উপর কঠোর শাস্তি দেবে। সূরা বাকারা, সূরা আল ইমরান ও সূরা মায়েদার বিভিন্ন আয়াতে বনি ইসরাইলদের অপরাধ, কাফের মনোভাব ও অন্যায় আচরণের জন্য শাস্তির বিবরণ দেওয়া হয়েছে।
পবিত্র কোরআনের এসব আয়াত শুধু ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, বরং বর্তমান এবং ভবিষ্যতের জন্য এক সতর্ক বার্তা। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বনি ইসরাইল বারবার ধ্বংস ও লাঞ্ছনার সম্মুখীন হয়েছে। ফেরআউন শাইশাক যখন মিসর থেকে জেরুসালেম দখল করে নেয়, তখন ইহুদিদের বিতাড়িত করা হয়। পরবর্তীতে ব্যাবিলনের রাজা বখতে নসর ইহুদিদের বন্দি করে নিয়ে যায় এবং তাদের দাসে পরিণত করে। জেরুসালেম বারবার ধ্বংসের সম্মুখীন হয়, এবং ইহুদি জাতি পরিচিত হয়ে ওঠে এক বিতাড়িত, লাঞ্ছিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত জাতি হিসেবে। ৬৬ খ্রিষ্টাব্দে রোমান সম্রাট তাইতুস জেরুসালেম আক্রমণ করে ইহুদিদের ব্যাপকহারে হত্যা করেন এবং শহরটি ধ্বংস করেন। ৭০ খ্রিষ্টাব্দে রোমান বাহিনী হাজার হাজার ইহুদিকে দাস বানিয়ে রোমে নিয়ে যায়। এভাবে তাদের উপর ধারাবাহিকভাবে একের পর এক বিপর্যয় নেমে এসেছে।
ইতিহাসের আরেক ভয়াবহ অধ্যায় ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি নেতা অ্যাডলফ হিটলারের নেতৃত্বে সংঘটিত ইহুদি গণহত্যা। আনুমানিক ৬০ লক্ষ ইহুদিকে ‘হলোকস্ট’ নামক পরিকল্পিত গণহত্যায় হত্যা করা হয়, যার একটি বড় অংশ গ্যাস চেম্বার, কনসেনট্রেশন ক্যাম্প ও নাৎসি বাহিনীর নির্যাতনে নিহত হয়। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, হিটলার ইহুদিদের ঘৃণা করতেন কারণ তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের জন্য ইহুদিদের দায়ী মনে করতেন। তবে কিছু ইতিহাসবিদ ও গবেষকের মতে, এই ঘৃণার পেছনে ছিল আরও গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। তাদের দাবি, ইহুদি নেতারা ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে হিটলারের সঙ্গে এক গোপন চুক্তি করেন। উদ্দেশ্য ছিল, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা ইহুদিদের মধ্যে এমন ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা, যাতে তারা স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ করে ফিলিস্তিনে চলে যেতে বাধ্য হয়।
এই তথাকথিত গোপন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৪,৫০,০০০ ইহুদির মধ্যে মাত্র ৭,০০০ জনকে ইসরাইল পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয় এবং অবশিষ্টদের হত্যার নীলনকশা করা হয়। গ্যাস চেম্বারে গণহত্যা মূলত একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয় যাতে বিশ্বব্যাপী ইহুদিদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এমনকি হাইফা বন্দরে ইহুদি বোঝাই এক জাহাজ পৌঁছানোর পরও যাত্রীরা জাহাজ থেকে নামতে রাজি না হওয়ায়, তাদের নেতা ডেভিড বেন গুরিওন নিজেই সেই জাহাজে বোমা মেরে সাগরে ডুবিয়ে দেন—এমন অভিযোগ রয়েছে। যদিও এসব তথ্য ঐতিহাসিকভাবে বিতর্কিত, তবে এতে বোঝা যায় ইসরাইল রাষ্ট্রের পেছনে শুধু নিপীড়ন নয়, বরং সুপরিকল্পিত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পদক্ষেপও কাজ করেছে।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ভবিষ্যতের একটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধের ইঙ্গিত পাওয়া যায় হাদিসে। নবী করিম (সা.) হাদিসে বলেছেন, কিয়ামতের পূর্বে মুসলিমরা ইহুদিদের সঙ্গে যুদ্ধ করবে। সে যুদ্ধে ইহুদিরা পাথর ও গাছের পেছনে লুকিয়ে পড়বে। তখন গাছ ও পাথর বলবে, “হে মুসলিম, হে আল্লাহর বান্দা! এ তো একজন ইহুদি, এসো তাকে হত্যা করো।” (সহিহ মুসলিম)। এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, ভবিষ্যতে এক চূড়ান্ত যুদ্ধ হবে, যা আল্লাহর গজবের একটি দৃশ্যমান বাস্তবায়ন হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে সেই যুদ্ধ কখন সংঘটিত হবে তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি।
আজকের বাস্তবতায় দেখা যায়, সেই ইহুদি জাতি যারা এক সময় ধ্বংসপ্রাপ্ত, বিতাড়িত ও গজবগ্রস্ত ছিল তারা এখন মধ্যপ্রাচ্যে একটি শক্তিশালী, অস্ত্র-সমৃদ্ধ রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠা করেছে, যা পারমাণবিক শক্তিধর এবং পশ্চিমা পরাশক্তির মিত্র। তারা ফিলিস্তিনের মুসলিম জনগণকে দীর্ঘদিন ধরে দমন, দখল ও গণহত্যার মাধ্যমে জর্জরিত করে রেখেছে। এই বাস্তবতা অনেকের মনে প্রশ্ন তোলে কোরআনের গজব কি এখনও চলছে, নাকি তার চূড়ান্ত রূপ দেখা বাকি?
মুসলমানদের জন্য এখানে শিক্ষা নেওয়ার বিষয় হলো, আল্লাহর গজব কখন, কীভাবে এবং কোন রূপে নেমে আসে, তা সবসময় মানুষের দৃষ্টিতে দৃশ্যমান হয় না। কিন্তু আল্লাহর প্রতিশ্রুতি অটল এবং চূড়ান্ত ন্যায়বিচার অনিবার্য। আমাদের করণীয় হলো ঈমানের ওপর অটল থাকা, সত্যের পক্ষে থাকা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। এই দুঃসময় আমাদের জন্য ধৈর্যের পরীক্ষা। আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে যেন তিনি আমাদের ধৈর্য দান করেন, নেতৃত্ব দান করেন এবং সহসাই বিজয় ও মুক্তির চূড়ান্ত সূর্য উদিত করেন।
৯ এপ্রিলের নামাজের সময় জানুন এক নজরে
আজ বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ এবং ২০ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি) তারিখে রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার জন্য দিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্ধারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের দৈনন্দিন ইবাদত সঠিক সময়ে আদায়ের সুবিধার্থে এই সময়সূচি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
আজ ঢাকায় ফজরের নামাজ শুরু হবে ভোর ৪টা ২৭ মিনিটে। দিনের দ্বিতীয় নামাজ জোহর অনুষ্ঠিত হবে দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে। বিকেলের আসরের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪টা ২৯ মিনিটে, যা দিনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদতের সময়।
সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে ৬টা ২২ মিনিটে। এরপর রাতের এশার নামাজ আদায় করা যাবে ৭টা ৩৭ মিনিট থেকে।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, আজ সূর্যাস্ত ঘটবে সন্ধ্যা ৬টা ১৯ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ৪২ মিনিটে, যা নামাজের সময় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আগামীকাল শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ফজরের নামাজ শুরু হবে একই সময়, অর্থাৎ ভোর ৪টা ২৭ মিনিটে। সূর্যোদয় হবে ৫টা ৪১ মিনিটে।
এছাড়া দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের জন্য নামাজের সময় কিছুটা পার্থক্য রয়েছে, যা ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে নির্ধারিত হয়। সময় সমন্বয়ের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামে ৫ মিনিট এবং সিলেটে ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনায় ৩ মিনিট, রাজশাহীতে ৭ মিনিট, রংপুরে ৮ মিনিট এবং বরিশালে ১ মিনিট যোগ করতে হবে।
ধর্মবিষয়ক বিশ্লেষকদের মতে, সঠিক সময়ে নামাজ আদায় ইসলামের মৌলিক বিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই নির্ভুল সময়সূচি জানা এবং সে অনুযায়ী ইবাদত সম্পন্ন করা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
এই সময়সূচি ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর নির্ধারিত হিসাব অনুযায়ী প্রকাশ করা হয়েছে, যা সারাদেশে ব্যাপকভাবে অনুসরণ করা হয়।
বুধবার ৮ এপ্রিল ২০২৬: জেনে নিন আপনার জেলার নামাজের সঠিক সময়
ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর নির্দেশ অনুযায়ী, ‘তোমরা ঠিক সেইভাবে নামাজ আদায় করো, যেভাবে আমাকে নামাজ আদায় করতে দেখেছ।’ (সহিহ বুখারি)। তাই সহিহ ও শুদ্ধভাবে ইবাদত সম্পন্ন করতে নামাজের সঠিক সময় জেনে নেওয়া প্রতিটি মুমিনের জন্য আবশ্যক।
আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্ধারিত সময়সূচি দেওয়া হলো
ফজর: ভোর ৪টা ২৮ মিনিট
জোহর: দুপুর ১২টা ০৫ মিনিট
আসর: বিকেল ৪টা ২৯ মিনিট
মাগরিব: সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিট
এশা: রাত ৭টা ৩৫ মিনিট
ঢাকার সময়ের সঙ্গে অন্যান্য জেলার সময় সমন্বয়
সময় বিয়োগ করতে হবে
সিলেট: ৬ মিনিট
চট্টগ্রাম: ৫ মিনিট
সময় যোগ করতে হবে
রংপুর: ৮ মিনিট
রাজশাহী: ৭ মিনিট
খুলনা: ৩ মিনিট
বরিশাল: ১ মিনিট
পবিত্র নামাজ যথাসময়ে আদায় করা ঈমানি দায়িত্ব। আল্লাহ আমাদের সবাইকে জামাতের সাথে নামাজ আদায়ের তৌফিক দান করুন।
তথ্যসূত্র : ইসলামিক ফাউন্ডেশন
নামাজের সময়সূচি প্রকাশ, সময় মেনে ইবাদত করুন
আজ মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬। বাংলা তারিখ অনুযায়ী ২৪ চৈত্র ১৪৩২ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ১৮ শাওয়াল ১৪৪৭। রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার মুসল্লিদের জন্য দিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্ধারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
দিনের শুরুতে ফজরের নামাজ আদায়ের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে। এটি দিনের প্রথম ইবাদত, যা সূর্যোদয়ের আগে সম্পন্ন করা হয় এবং ইসলামে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
মধ্যাহ্নে জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে ১২টা ৫ মিনিটে। দুপুরের পরবর্তী সময়ে আসরের নামাজের সময় নির্ধারিত হয়েছে বিকেল ৪টা ২৯ মিনিটে, যা দিনের শেষ ভাগের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত।
সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ২১ মিনিটে। এরপর রাতের ইশার নামাজ আদায়ের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটে।
আজ ঢাকায় সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ৪৪ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ১৮ মিনিটে।
৬ এপ্রিল ২০২৬: সোমবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়
ইসলামের প্রতিটি বিধান ও আমলের মাঝেই লুকিয়ে আছে গভীর যৌক্তিকতা ও সৌন্দর্য। মহান রাব্বুল আলামিন মানুষের জন্য এমন কোনো আমল নির্ধারণ করেননি, যা পালন করা অসম্ভব বা অত্যন্ত কষ্টকর। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ ও রোজা ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্যই ফরজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নতের পাশাপাশি ইসলামে কিছু নফল নামাজের বিধানও রয়েছে, যা মুমিনের আত্মিক প্রশান্তি বাড়ায়। তবে জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজটুকু আদায় করে নেওয়া প্রত্যেক মুসলমানের নৈতিক দায়িত্ব।
আজ সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বাংলা এবং ১৭ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি। রাজধানী ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি দেওয়া হলো
আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)
আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২:০৬ মিনিটে।
আসরের নামাজ শুরু হবে বিকেল ৪:৩০ মিনিটে।
মাগরিবের আজান ও নামাজের সময় সন্ধ্যা ৬:১৪ মিনিটে।
ইশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৭:৩০ মিনিটে।
আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৪:২৯ মিনিটে।
বিভাগীয় শহর অনুযায়ী সময় পরিবর্তন
ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।
যারা চট্টগ্রামের বাসিন্দা, তাদের ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।
সিলেটের ক্ষেত্রে ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।
অন্যদিকে, ঢাকার সময়ের সঙ্গে খুলনার বাসিন্দাদের ৩ মিনিট, রাজশাহীর বাসিন্দাদের ৭ মিনিট, রংপুরের বাসিন্দাদের ৮ মিনিট এবং বরিশালের বাসিন্দাদের ১ মিনিট যোগ করে নিজ নিজ এলাকার সঠিক সময় জেনে নিতে হবে।
/আশিক
আজকের নামাজের সময়, মুসল্লিদের জন্য জরুরি
রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, যা বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ২২ চৈত্র ১৪৩২ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ১৬ শাওয়াল ১৪৪৭ এই দিনে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার মুসল্লিদের জন্য নির্ধারিত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
ধর্মীয় অনুশীলনের সুবিধার্থে নির্ভুল সময় জেনে নামাজ আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিবেচনায় দিনের বিভিন্ন ওয়াক্তের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে নির্দিষ্ট সূর্যগত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে।
আজকের সময়সূচি অনুযায়ী, জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১২টা ০২ মিনিটে। বিকেলের আসরের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে। সূর্যাস্তের পরপরই মাগরিবের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যা ৬টা ১৭ মিনিটে এবং রাতের শেষ ফরজ নামাজ এশা শুরু হবে রাত ৭টা ৩২ মিনিটে।
এছাড়া আগামী সোমবারের (৬ এপ্রিল) ফজরের নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৪টা ২৯ মিনিটে, যা আগাম প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জেনে নিন আজকের নামাজের সঠিক সময়সূচি
ইসলামের প্রতিটি বিধানের মাঝেই আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও শৃঙ্খলা নিহিত রয়েছে। দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝেও সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। আজ শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি (১৫ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি) তারিখের জন্য ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি হলো
আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)
জোহর: ১২:০৬ মিনিট
আসর: ৪:২৯ মিনিট
মাগরিব: ৬:১৯ মিনিট
এশা: ৭:৩৪ মিনিট
ফজর (আগামীকাল ৫ এপ্রিল): ৪:৩০ মিনিট
বিভাগীয় শহর অনুযায়ী সময়ের পার্থক্য
সময় বিয়োগ করতে হবে
চট্টগ্রাম: -০৫ মিনিট
সিলেট: -০৬ মিনিট
সময় যোগ করতে হবে
খুলনা: +০৩ মিনিট
রাজশাহী: +০৭ মিনিট
রংপুর: +০৮ মিনিট
বরিশাল: +০১ মিনিট
/আশিক
৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি
আজ শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী ২০ চৈত্র ১৪৩২ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ১৪ শাওয়াল ১৪৪৭। এই দিনে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় নামাজের সময়সূচি মুসল্লিদের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, বিশেষ করে জুমার দিনের কারণে।
আজ জুমার নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৬ মিনিটে। জুমার দিন হওয়ায় মুসল্লিদের জন্য এটি সপ্তাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জামাত, যেখানে মসজিদগুলোতে ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
এরপর বিকাল ৪টা ২৯ মিনিটে শুরু হবে আসরের নামাজের সময়। দিনের শেষভাগে এই নামাজ আদায় করা হয়, যা ইসলামের দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সন্ধ্যা ৬টা ১৯ মিনিটে মাগরিবের সময় শুরু হবে, যা সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গেই আদায় করতে হয়। একই সময়ে আজ ঢাকায় সূর্যাস্তও সংঘটিত হবে, যা নামাজের সময় নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সূচক।
এরপর রাত ৭টা ৩৪ মিনিটে এশার নামাজের সময় শুরু হবে। দিনের শেষ ওয়াক্ত নামাজ হিসেবে এটি মুসলমানদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
আগামী দিনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জানা গেছে, শনিবার ভোরে ফজরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ৩৪ মিনিটে। ফজরের সময়সূচি নির্ধারণে ভোরের প্রথম আলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়।
এছাড়া আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ৫৪ মিনিটে, যা দিনের সূচনা নির্দেশ করে এবং নামাজের সময়সূচির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নামাজ আদায় করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই প্রতিদিনের সঠিক সময়সূচি জানা এবং তা অনুসরণ করা মুসল্লিদের জন্য অপরিহার্য।
-সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।
মুমিনের সেরা হাতিয়ার! এই এক শব্দেই ভেঙে পড়ে শয়তানের সব ষড়যন্ত্র
‘আল্লাহু আকবার’—অত্যন্ত বরকতপূর্ণ ও শক্তিশালী এই ধ্বনি মুমিনের হৃদয়ে ঈমানি শক্তির সঞ্চার করে। মহান আল্লাহর বড়ত্ব ও মহিমা ঘোষণার এই অমিয় বাণী কেবল একটি বাক্য নয়, বরং আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভের অন্যতম মাধ্যম। পবিত্র কোরআনের সুরা বনি ইসরাঈলের ১১১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে তাঁর বড়ত্ব ঘোষণা করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই ‘তাকবির’ মুমিনের অন্তরে তাকওয়া, সাহস ও প্রশান্তি জাগ্রত করে এবং যাবতীয় ভয় ও হতাশা দূর করে দেয়।
‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনির একটি বিশেষ প্রভাব হলো এটি শয়তানকে অত্যন্ত দুর্বল ও অসহায় করে তোলে। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, যখন মুয়াজ্জিন আজান দিতে শুরু করেন, তখন শয়তান সেই পবিত্র ধ্বনি সহ্য করতে না পেরে দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পালিয়ে যায়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত বুখারি শরিফের একটি হাদিসে বলা হয়েছে, আজানের শব্দ যাতে কানে না যায়, সেজন্য শয়তান বায়ু ত্যাগ করতে করতে বহুদূরে পালিয়ে যায়। আজান শেষ হলে সে আবার ফিরে আসে, কিন্তু ইকামতের সময় আবারও দূরে সরে যায়। মানুষের ইবাদতে বিঘ্ন ঘটানো এবং কুমন্ত্রণা দেওয়াই যার কাজ, আল্লাহর এই মহিমান্বিত ধ্বনির সামনে সে চূড়ান্ত লাঞ্ছনা ও পরাজয় বরণ করে।
আজানের এই ধ্বনি কেবল শয়তানকেই বিতাড়িত করে না, বরং পুরো পরিবেশকে পবিত্র করে এবং গাফেল হৃদয়কে আল্লাহর স্মরণে জাগিয়ে তোলে। যে সমাজে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত আজান ধ্বনিত হয়, সেখানে শয়তানের কুপ্রভাব তুলনামূলক অনেক কম থাকে। ‘আল্লাহু আকবার’ মুমিনকে মনে করিয়ে দেয় যে, এই মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও মহিমান্বিত সত্তা একমাত্র আল্লাহ। ফলে মানুষের অন্তর আল্লাহমুখী হয় এবং শয়তানের সব ষড়যন্ত্র ও কুমন্ত্রণা বালুর বাঁধের মতো ভেঙে পড়ে। এটি যেন মুমিনের জীবনের এমন এক আধ্যাত্মিক বর্ম, যার সামনে অন্ধকার ও অশুভ শক্তি সর্বদা পরাজিত।
/আশিক
আজকের নামাজের সময়সূচি: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আপডেট
ইসলামের প্রতিটি বিধান ও আমলের মাঝেই লুকিয়ে আছে গভীর যৌক্তিকতা এবং অনন্য সৌন্দর্য। মহান আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের জন্য এমন কোনো আমল দেননি যা পালন করা অসম্ভব বা অত্যন্ত কষ্টকর। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ ও রোজা ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্যই ফরজ ইবাদত। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নত নামাজের বাইরেও নফল ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ রয়েছে। তবে জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজটুকু আদায় করে নেওয়া প্রত্যেক মুমিনের একান্ত কর্তব্য।
আজ বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বাংলা, ১৩ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি হলো
আজকের নামাজের সময়সূচি
জোহর: ১২.০৬ মিনিট
আসর: ৪.২৯ মিনিট
মাগরিব: ৬.১৭ মিনিট
এশা: ৭.৩২ মিনিট
ফজর (৩ এপ্রিল): ৪.৩৫ মিনিট
ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। নিচের জেলাগুলোর সময়ের সাথে ঢাকার সময় যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিন
বিয়োগ করতে হবে
চট্টগ্রাম ৫ মিনিট এবং সিলেট ৬ মিনিট।
যোগ করতে হবে
খুলনা ৩ মিনিট, রাজশাহী ৭ মিনিট, রংপুর ৮ মিনিট এবং বরিশাল ১ মিনিট।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- শান্তির খোঁজে ইরানের সঙ্গে সৌদির যোগাযোগ
- হাম হলে কী করবেন? জরুরি নির্দেশনা জানুন
- শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৬টি অধ্যাদেশ বাতিল হচ্ছে
- লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় ক্ষুব্ধ ইরান, চুক্তি লঙ্ঘনের দাবি
- ইরান যুদ্ধে কৌশলগত ব্যর্থতায় ইসরাইল, প্রশ্ন নেতৃত্বে
- যুদ্ধবিরতির পর প্রথম ইরান-সৌদি কূটনৈতিক যোগাযোগ
- গণবিরোধী বিল পাসকে কেন্দ্র করে বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- ৯ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে সেরা ১০ গেইনার শেয়ার তালিকা
- শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সময়সূচি ঘোষণা
- ওসমান হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিমের ১০ বছরের সাজা
- স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো যত
- যুক্তরাষ্ট্রের চাপে যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতায় পাকিস্তান
- আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ডসহ ৩০ আসামির সাজা ঘোষণা
- চুক্তির শর্ত না মানলে ইরানে আরও শক্তিশালী হামলার সতর্কবার্তা ট্রাম্পের
- ৯ এপ্রিলের নামাজের সময় জানুন এক নজরে
- রাতে ইউরোপ মাতাবে হাইভোল্টেজ ফুটবল, জানুন আজকের খেলাধুলা সূচি
- বাজুসের নতুন ঘোষণা, স্বর্ণে রেকর্ড উত্থান
- ইরানকে অস্ত্র দিলে ৫০% শুল্ক, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
- ডলারে নয়, ইউয়ানে টোল! হরমুজ প্রণালিতে ইরান-চীনের বড় চাল
- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির ভঙ্গুরতা: হামলা, পাল্টা হুমকি ও আঞ্চলিক অস্থিরতা
- রাতভর ৮ বিভাগে কালবৈশাখীর তাণ্ডবের শঙ্কা: ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের সতর্কতা
- যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানি তেল শোধনাগারে হামলা: জ্বলছে লাভান দ্বীপ
- তারেক রহমান ও কোকোকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতির দাবি: সংসদে আলোচনার ঝড়
- আগামীকাল ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- লেবাননজুড়ে ইতিহাসের বড় হামলা চালাল ইসরায়েল
- এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র নিয়ে ঢাকা বোর্ডের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
- দেশে হামের মহামারি আতঙ্ক: আক্রান্ত ১১ হাজার ছাড়াল, বাড়ছে লাশের মিছিল
- যুদ্ধবিরতির মাঝেই কুয়েতে ইরানের ড্রোন বৃষ্টি
- হরমুজ প্রণালি মুক্ত হতেই বিশ্ব শেয়ারবাজারে উৎসব: সূচকের বিশাল উল্লম্ফন
- ১৮০ দিনে ১০ হাজার প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল ধামাকা
- ইরানকে রাজি করাল চীন? ট্রাম্পের ইঙ্গিতে বিশ্বজুড়ে নতুন তোলপাড়
- হাসনাত আবদুল্লাহর কটাক্ষের জবাব দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বিসিবি এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহর তোপ
- সংসদে ঐতিহাসিক বিল পাস: আইনি সুরক্ষা ও পূর্ণ দায়মুক্তি পেলেন জুলাই যোদ্ধারা
- ৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৮ এপ্রিল: দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৮ এপ্রিল: দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আনচেলত্তির আল্টিমেটাম ও সান্তোসের পরিকল্পনা: নেইমার কি ফিরবেন ব্রাজিলের জার্সিতে?
- হাম নাকি সাধারণ র্যাশ? চেনার উপায় ও চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ
- ইরান যুদ্ধে বিরতির জাদুকরী প্রভাব: শেয়ারবাজারে সূচকের বিশাল উল্লম্ফন
- ট্রাম্প ও খামেনি উভয়েরই ‘বিজয়’ দাবি: কার কৌশলে এল এই ঐতিহাসিক সমঝোতা?
- শিক্ষাই জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর মেগা পরিকল্পনার ঘোষণা
- হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের
- মোজতবা খামেনির সবুজ সংকেত ও ট্রাম্পের শর্ত: ইরান-মার্কিন চুক্তির নেপথ্য কাহিনী
- হঠাৎ বদলে গেল আবহাওয়া: ৩ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝড়ের দাপট
- আজ ঢাকায় কোথায় কী কর্মসূচি, জানুন এক নজরে
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নাটকীয়তা: যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে ইসরায়েলের হামলা
- সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা
- ভারতের বিপক্ষে মহাযুদ্ধ! কাল সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের মেগা ফাইনাল
- বাজুসের নতুন ঘোষণা, স্বর্ণে রেকর্ড উত্থান
- আবারও স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি ছাড়ালো যত
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- নতুন নিয়মে সন্ধ্যার পর যেসব বিপণিবিতান খোলা থাকবে
- আজকের খেলার সূচি, কোথায় কোন ম্যাচ
- ৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা
- ৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি
- আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ডসহ ৩০ আসামির সাজা ঘোষণা
- ইরানের আকাশসীমায় একের পর এক মার্কিন বিমান ধ্বংস
- আল জাজিরার লাইভ: ইরান থেকে সফলভাবে ফিরেছেন মার্কিন পাইলট
- আজকের শেয়ারবাজারে বেশি লোকসানে যেসব কোম্পানি
- বাংলাদেশ ব্যাংক–এর সাবেক গভর্নরের দুর্নীতি








