কুষ্টিয়ায় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, সালিশে চড়-থাপ্পড়ে ‘মীমাংসা’

কুষ্টিয়ার একটি গ্রামে শিশু ধর্ষণের ঘটনায় সামাজিক সালিশে অভিযুক্তকে চড়-থাপ্পড় দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে এলাকার সচেতন মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, গত ১১ জুন সকাল ৯টার দিকে গ্রামের এক বৃদ্ধ প্রতিবেশী শিশুটিকে ঘরে ডেকে নেয়। পরে শিশুটি খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখে পরিবারের সন্দেহ হয়। বিষয়টি জানানো হলে গ্রামের কয়েকজন মুরুব্বি এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য একত্র হয়ে সালিশ বসান।
সেখানে অভিযুক্ত বৃদ্ধকে কিছু চড়-থাপ্পড় দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরদিন শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, মেয়েটির শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে এবং তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
শিশুটির মা বলেন,
“ঘটনার সময় আমি বাসায় ছিলাম না। পরে মেয়েকে অস্বাভাবিকভাবে হাঁটতে দেখে বুঝি কিছু একটা হয়েছে। সালিশে জানালে শুধু কয়েকটা চড়-থাপ্পড় দিয়ে বলে—‘ব্যাপার শেষ’। কিন্তু মেয়ের শরীর খারাপ হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে আসি।”
সালিশে উপস্থিত ইউপি সদস্য বলেন,
“আমরা পরিবারকে বলেছিলাম মামলা করতে। তবে সালিশে কিছু লোক নিজেরা মারধর করেছে।”
একই কথা বলেন সমাজপতি রহিম মণ্ডল। তার ভাষায়,
“আমরা সামাজিকভাবে মিটমাট করার চেষ্টা করেছি। চড়-থাপ্পড় মারা হয়েছিল। তবে তাদের আইনি ব্যবস্থা নিতে নিষেধ করিনি।”
এদিকে পাটিকাবাড়ি পুলিশ ক্যাম্প থেকে জানানো হয়, শিশুটিকে হাসপাতালে গিয়ে দেখে এসেছে পুলিশ। পরিবারকে থানায় আসতে বলা হয়েছে, এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ঘোষণা: রাতেই মিটছে ১৩৩ অধ্যাদেশের ভাগ্য
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে আজ রাতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে সরকারি দলের সংসদীয় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি নিশ্চিত করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য গঠিত সংসদীয় বিশেষ কমিটির একটি বৈঠক আজ রাতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে এই বিপুল সংখ্যক অধ্যাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে।
এদিকে, সংসদীয় বিশেষ কমিটির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তথ্য দিয়েছেন কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২৪টি অধ্যাদেশের বিষয়ে এখনো সব পক্ষের মধ্যে পূর্ণ ঐকমত্য বা একমত হওয়া সম্ভব হয়নি। আজকের বিশেষ কমিটির বৈঠকে মূলত এই বিতর্কিত বা অমীমাংসিত ২৪টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে এবং একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারমূলক এসব পদক্ষেপের আইনি বৈধতা ও ধারাবাহিকতা রক্ষায় এই সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
/আশিক
ফ্যামিলি কার্ডে বড় পরিবর্তন: এখন ঘরে বসেই পাবেন সব সুবিধা?
নারীদের ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে বড় ধরনের সুখবর দিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
রবিবার (২৯ মার্চ ২০২৬) সচিবালয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, আগামী চার বছরের মধ্যে এই কার্যক্রমকে ‘ইউনিভার্সাল ফ্যামিলি কার্ডে’ রূপান্তর করা হবে। এর ফলে দেশের প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের নামে একটি করে কার্ড ইস্যু করা হবে, যা নাগরিক হিসেবে তাঁদের এক অনন্য ও সম্মানজনক স্বীকৃতি দেবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম চলছে। মন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারের নারী প্রধানের নামে এই কার্ড ইস্যু করা হয়েছে এবং প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে।
বিশ্বব্যাংকের বিভাগীয় পরিচালক জঁ পেম (Jean Pesme) সরকারের এই উদ্যোগকে সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং এই কার্যক্রমের টেকসই বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
সাক্ষাৎকালে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ সামাজিক নিরাপত্তা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। ইউনিভার্সাল ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে তা কেবল দরিদ্র পরিবার নয়, বরং সমাজের সব স্তরের নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
/আশিক
আট বছর টিকা দেয়নি কোনো সরকার; স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক তথ্য
দেশে দীর্ঘ ৮ বছর হামের (মিজেলস) টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। রোববার (২৯ মার্চ ২০২৬) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক ওষুধশিল্প মেলার উদ্বোধন শেষে তিনি জানান, দেশে হামের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার নতুন করে টিকা সংগ্রহের জন্য ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে এবং দ্রুতই দেশজুড়ে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সর্বশেষ আট বছর আগে হামের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল, এরপর আর কোনো সরকার এই কার্যক্রম পরিচালনা করেনি। বর্তমানে ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং পারচেজ কমিটির অনুমোদনও পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী শিশুদের ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ টিকা দেওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন এই স্থবিরতার কারণে চলতি বছরের শুরু থেকেই কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও রাজধানীর বস্তি এলাকাগুলোতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে বর্তমানে ধারণক্ষমতার চেয়েও বেশি হাম আক্রান্ত শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সংক্রমণ মোকাবিলায় ডিএনসিসির ওয়ার্ডগুলো প্রস্তুত করার পাশাপাশি ঢাকা মেডিকেল, শিশু হাসপাতাল ও সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর সুবিধা বাড়ানো হয়েছে।
সম্প্রতি রাজশাহী মেডিকেল কলেজে আইসিইউ সংকটে শিশুমৃত্যুর ঘটনার প্রেক্ষাপটে সরকার নতুন ভেন্টিলেটর সংগ্রহ করছে। মন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে পাঁচটি ভেন্টিলেটর পাওয়া গেছে যার চারটি রাজশাহীতে পাঠানো হচ্ছে এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আরও ১২টির বেশি ভেন্টিলেটর দ্রুতই সরবরাহ করা হবে।
/আশিক
গুম ও ফাঁসির মঞ্চ পেরিয়ে আসা সদস্যদের সংসদ বিশ্বে বিরল: ডেপুটি স্পিকার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি বৈঠকে এক আবেগঘন ও ঐতিহাসিক বক্তব্য রেখেছেন নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রবিবার (২৯ মার্চ ২০২৬) বিকেলে সংসদ ভবনের অধিবেশনে সভাপতিত্বকালে তিনি মন্তব্য করেন যে, গুম ও ফাঁসির মঞ্চ পেরিয়ে এই সংসদে আসা সদস্যদের উপস্থিতি বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। তিনি বলেন, এই সংসদ হবে জাতির দর্পণ, যেখানে জেল-জুলুম ও দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে আসা প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের গণতন্ত্রের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে।
বক্তব্যের শুরুতে ডেপুটি স্পিকার সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীসহ সকল সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাঁর নির্বাচনী এলাকা নেত্রকোনা-১ আসনের জনগণের কথা স্মরণ করেন। তিনি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের পাশাপাশি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং 'মাদার অব ডেমোক্রেসি' খ্যাত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বৈরাচারবিরোধী ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরেন। কায়সার কামাল উল্লেখ করেন, ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই সংসদে অনেক সদস্য এসেছেন কারাগার ও নির্যাতনের পথ পাড়ি দিয়ে, যা এই সংসদকে এক অনন্য মর্যাদা দিয়েছে।
চব্বিশের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানকে গণতন্ত্রের নতুন দ্বার হিসেবে অভিহিত করে তিনি শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম আকরাম ও মুগ্ধসহ সকল বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে জনগণের শক্তিই গণতন্ত্রের প্রকৃত ভিত্তি। দীর্ঘ ১৩ দিনের বিরতি শেষে শুরু হওয়া এই অধিবেশনে তিনি ফ্যাসিবাদের পতন পরবর্তী সংসদীয় গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং যারা আন্দোলনে আহত হয়ে কষ্টকর জীবনযাপন করছেন তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
/আশিক
পে স্কেলসহ ১০ দফা দাবি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামো পুনর্গঠনের দাবিতে নতুন করে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। এ লক্ষ্যে ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলকে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনা, নীতি বাস্তবায়ন এবং জনসেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা সত্ত্বেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবিগুলো দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, পদোন্নতি বঞ্চনা এবং ব্লক পোস্ট সমস্যার কারণে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও অনিশ্চয়তা ক্রমেই বাড়ছে। এতে প্রশাসনিক কার্যকারিতাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সংগঠনটির দাবি অনুযায়ী, গত ১১ বছরে অন্তত দুটি পে স্কেল কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত একটি নতুন পে স্কেলও বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে বিশেষ করে নিম্ন বেতনভুক্ত কর্মচারীরা আর্থিক সংকটে পড়েছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন।
এই প্রেক্ষাপটে সংগঠনটি প্রশাসনের দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও কর্মোদ্যম বৃদ্ধির জন্য ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেছে, যা নিম্নরূপ
উত্থাপিত ১০ দফা দাবি
১. অবিলম্বে নবম পে স্কেল ঘোষণা ও বাস্তবায়ন
২. সার্ভিস বেনিফিটসহ টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল
৩. ব্লক পোস্ট সমস্যা সমাধান করে পদোন্নতির পথ উন্মুক্ত করা
৪. কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের স্বাস্থ্য ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
৫. কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও মানসিক কল্যাণ বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ
৬. প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে অযাচিত পোস্টিং ও পদোন্নতির বাধা দূর করা
৭. কার্যকর ও দ্রুত সমন্বিত অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা চালু করা
৮. কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নাগরিকদের খাদ্য নিরাপত্তা ও জীবনমান নিশ্চিত করা
৯. প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কর্মসূচি জোরদার করে মানবসম্পদ উন্নয়ন
১০. স্থানান্তর ও পোস্টিং নীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
সংগঠনটি মনে করছে, এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন করা হলে সরকারি প্রশাসনের দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং কর্মচারীদের মনোবলও পুনরুদ্ধার হবে।
-রফিক
নয়াপল্টনে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর: তারেক রহমানকে ঘিরে উৎসবের আমেজ
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছালে সেখানে এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নয়াপল্টন এলাকায় হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা।
এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ৭টার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে গাড়ির ভেতর থেকেই হাত নেড়ে উপস্থিত নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। তাঁর আগমনে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে এলাকা মুখরিত করে তোলেন। নেতাকর্মীদের হাতে ছিল রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন এবং প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই ঝটিকা সফরকে কেন্দ্র করে পুরানা পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুল পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সড়কের ডিভাইডারের ওপর দাঁড়িয়েও অনেককে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
নেতাকর্মীদের এই বিশাল জমায়েতের কারণে নয়াপল্টন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং যানবাহন চলাচল কার্যত এক লাইনে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। নতুন সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমের ব্যস্ততার মাঝেও নিজ দলীয় কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনে কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
/আশিক
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও বাংলাদেশে বাড়ছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বোরো মৌসুমে কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও দেশে দাম স্থিতিশীল রাখার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) রাতে সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, সরকার বিশাল অঙ্কের ভর্তুকি দিয়ে হলেও কৃষকদের স্বার্থে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলেও বাংলাদেশে সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার কারণে তেমন কিছু ঘটেনি। বিদ্যুৎ ও সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রেখে কৃষি উৎপাদন সচল রাখাই এখন বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক বাজারের ঊর্ধ্বগতির মাঝেও দেশে তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা সরকারের একটি বড় সাফল্য বলে তিনি দাবি করেন।
বৈঠকে ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এ লক্ষে গঠিত বিশেষ কমিটি আগামীকাল রবিবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে পরবর্তী বৈঠকে বসবে এবং আগামী ২ এপ্রিল চূড়ান্ত রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
এছাড়া সরকারের প্রথম ৪০ দিনের কর্মকাণ্ডের ওপর আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি জনগণকে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন। যেকোনো রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ সংসদীয় পদ্ধতিতে মোকাবিলা করে সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরার কৌশলও বাতলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
/আশিক
শিক্ষাবিদ দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক: জাতি হারাল এক নক্ষত্রকে
জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিনের (বীর বিক্রম) সহধর্মিণী এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর শোকবার্তায় বলেন, দিলারা হাফিজ কেবল একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবী। তাঁর মৃত্যুতে জাতি একজন সজ্জন ও অভিজ্ঞ শিক্ষাবিদকে হারাল, যা দেশের শিক্ষা অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি। মরহুমা তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনে ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক হিসেবেও শিক্ষা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দিলারা হাফিজ শনিবার সিঙ্গাপুর স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৯ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। এর আগে তিনি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ঈদুল ফিতরের দিন দুপুরে তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছিল। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
/আশিক
নকল হলে ব্যবস্থা শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও: এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি
আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে নকল এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) এক বিশেষ সভায় তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা নকলের প্রমাণ পাওয়া গেলে শুধু সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীই নয়, বরং কেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ পরীক্ষা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।
শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, এবার থেকে পরীক্ষার খাতায় কোনো ধরনের ‘গ্রেস মার্ক’ বা অলিখিত অনুকম্পা দেখানোর সুযোগ থাকবে না। ছাত্রছাত্রীরা তাদের মেধা ও লেখার ভিত্তিতেই প্রকৃত নম্বর পাবে। অযোগ্যদের দয়া-দাক্ষিণ্য দেখিয়ে পার করে দেওয়ার সংস্কৃতি চিরতরে বন্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমরা আর কোনো ‘অটোপাস’ বা মেধার অবমূল্যায়ন দেখতে চাই না। দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রকৃত মেধার লড়াই নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
পরীক্ষা চলাকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সরাসরি ‘লাইভ মনিটরিং’ করা হবে।
পর্যায়ক্রমে দেশের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে মন্ত্রণালয়ের। এছাড়া যেকোনো কেন্দ্রের পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে আগের মতো ‘হেলিকপ্টার মিশন’ সক্রিয় থাকবে। প্রয়োজনে শিক্ষামন্ত্রী নিজে অথবা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ টিম হেলিকপ্টার যোগে দেশের যেকোনো প্রান্তে ঝটিকা সফরে পৌঁছে যাবেন।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, বিশেষ করে চরাঞ্চল, উপকূলীয় এলাকা এবং দুর্গম পাহাড়ঘেরা কেন্দ্রগুলোর ওপর গোয়েন্দা নজরদারি কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। প্রশ্নপত্র মুদ্রণ থেকে শুরু করে বিতরণের প্রতিটি ধাপে ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে যাতে কোনোভাবেই প্রশ্ন ফাঁসের গুজব বা ডিজিটাল জালিয়াতি না ঘটতে পারে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপরও বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের অধীনে আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে এক নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার জাল বিছিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ইরানী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে ইসরায়েলে রাসায়নিক বিপর্যয়: আতঙ্কে ঘরে বন্দি লাখো মানুষ
- রেমিট্যান্সে সর্বকালের সব রেকর্ড ভঙ্গ
- কুয়েতে সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানল ইরান, বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির কবলে প্রতিরক্ষা বিভাগ
- নিয়ম সবসময় শাসকের অনুসারী: হাসনাত আবদুল্লাহ
- অস্ট্রেলিয়ার বুকে বাংলা হান্ড্রেড লিগ সিডনিতে প্রথমবারের মতো খেলোয়াড় নিলাম
- চিরদিনই তুমি যে আমার খ্যাত নায়ক রাহুলের অকাল প্রয়াণ
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ঘোষণা: রাতেই মিটছে ১৩৩ অধ্যাদেশের ভাগ্য
- মিরপুর চিড়িয়াখানায় শিক্ষার্থীদের হাতে আটক আলোচিত ফাহিম চৌধুরী
- সংসদ কি তার প্রেক্ষাপট ভুলে যাচ্ছে? অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের কড়া সমালোচনা
- মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার ব্লু-প্রিন্ট তৈরিতে ইরানকে ১০০ শতাংশ সাহায্য রাশিয়ার
- ইরান ও হিজবুল্লাহর যৌথ হামলায় কাঁপছে ইসরায়েল, ১০০ শহরে বাজছে সতর্কসংকেত
- মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় হাজার হাজার মার্কিন মেরিন সেনা,বাড়ছে আঞ্চলিক সংঘাতের শঙ্কা
- ফ্যামিলি কার্ডে বড় পরিবর্তন: এখন ঘরে বসেই পাবেন সব সুবিধা?
- আট বছর টিকা দেয়নি কোনো সরকার; স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক তথ্য
- সংসদে ইনসাফ থাকলে দেশজুড়ে ন্যায়বিচার সম্ভব: ডা. শফিকুর রহমান
- গুম ও ফাঁসির মঞ্চ পেরিয়ে আসা সদস্যদের সংসদ বিশ্বে বিরল: ডেপুটি স্পিকার
- ২৯ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২৯ মার্চ ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ২৯ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- পে স্কেলসহ ১০ দফা দাবি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন
- ত্বকের জাদুকরী পানীয় গোলাপজল: রূপচর্চায় এর ৩টি অজানা ব্যবহার
- যেসব লক্ষণে বুঝবেন শরীরে কমছে টেস্টোস্টেরন: অবহেলা করলেই মহাবিপদ!
- এবার রণক্ষেত্র থেকে আলোচনার টেবিলে ইরান: তবে জুড়ে দিল এক কঠিন শর্ত
- ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের মুখে বিশ্ব! লোহিত সাগরে ইরানের নতুন মাস্টারপ্ল্যান
- ইরানের ইতিহাসে ভয়াবহতম দিন: এক রাতেই তছনছ রাজধানী তেহরান
- ড. ইউনূসের গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশনে বড় জালিয়াতি: ভ্যাট সুবিধায় শুভঙ্করের ফাঁকি
- ইসরায়েলে হুথিদের মিসাইল রেইন: ২৪ ঘণ্টায় দ্বিতীয় দফায় কাঁপল তেল আবিব
- সৌদি যুবরাজ এখন আমার পেছনে ঘুরছেন: ট্রাম্প
- আরব আমিরাত ও বাহরাইনে ইরানের মিসাইল হামলা: তছনছ মার্কিন স্বার্থের দুই কারখানা
- আজ রোববার: ঢাকার কোন কোন মার্কেট বন্ধ? কেনাকাটার আগে দেখে নিন
- ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দুইবার বাড়ল দাম: স্বর্ণের দামে বাজুসের নজিরবিহীন রেকর্ড
- ঢাকায় বাড়ছে তাপমাত্রা: আজ কেমন থাকবে রাজধানীর আবহাওয়া?
- আমেরিকার রাজপথে লাখো মানুষের গর্জন: কাঁপছে হোয়াইট হাউস
- আজ ২৯ মার্চ ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি
- ওয়াশিংটন পোস্টের বিস্ফোরক তথ্য: ইরানে শুরু হচ্ছে যুদ্ধের নতুন ধাপ
- যুদ্ধের মাঝে বড় ধামাকা: রহস্যময় উপহারে সুর নরম করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
- নাসার হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল বিরল দৃশ্য: অবাক পৃথিবীর বাঘা বাঘা বিজ্ঞানীরা
- বিপদে ইরানের পাশে রাশিয়া: জরুরি সহায়তা নিয়ে তেহরানে রুশ বিমান
- সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে তিন গুণ বেশি: তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে হিমশিম প্রশাসন
- নয়াপল্টনে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর: তারেক রহমানকে ঘিরে উৎসবের আমেজ
- আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও বাংলাদেশে বাড়ছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ভারতকে রুখে দিয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ: মালেতে লাল-সবুজের গর্জন
- ইরান যুদ্ধে হুতিদের অংশগ্রহণে বিপাকে ইসরায়েল
- ঢাকাসহ ১৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্কতা জারি
- স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব
- জেট ইঞ্জিন ও এআই প্রযুক্তির মিশেল: ইরানের হাতে এখন রাশিয়ার সুপার ড্রোন
- শিক্ষাবিদ দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক: জাতি হারাল এক নক্ষত্রকে
- অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমেদের সহধর্মিনী ও ভাষা সৈনিক আমেনা আহমেদ আর নেই
- খারগ দ্বীপে হামলা করলে কেউ জীবিত ফিরবে না: ইরানের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি
- সৌদি ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় আহত ২৯ মার্কিন সেনা, কুয়েতে ড্রোন আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত রাডার
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস: গত বছরের রেকর্ড ভাঙছে ২০২৬-এর স্বর্ণের বাজার
- স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
- ট্রাম্পের যুদ্ধ স্থগিতের ঘোষণায় সোনার বাজারে ধস: ১০ শতাংশ কমল দাম
- তেজাবি স্বর্ণের বাজারে ধস: ঈদের কেনাকাটায় স্বস্তি নিয়ে এল নতুন দাম
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- পদ্মার গভীরে শনাক্ত ডুবে যাওয়া বাস: উদ্ধারে লড়ছে ‘হামজা’ ও ডুবুরি দল
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব
- শাওয়ালের ৬ রোজা: ফজিলত ও করণীয় জানুন
- ইসরায়েলের আকাশ এখন ইরানের নিয়ন্ত্রণে? যুদ্ধবিরতিতে ৬ কঠিন শর্ত তেহরানের
- পদ্মার অতলে বাস ট্র্যাজেডি: ২৩ প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো উদ্ধার অভিযান
- লেনদেন ছাড়াল ৬শ কোটি টাকা: উত্থানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
- ঈদ পরবর্তী বাজারে সোনার বড় ধস: ভরিতে বড় ছাড় দিয়ে সোনার দাম পুনর্নির্ধারণ
- রিয়াদের ৭০ শতাংশ জ্বালানি মজুদের ওপর আঘাত: যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ কি ইরানের হাতে?
- বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে রাশিয়ার কড়া হুঁশিয়ারি








