সাবেক মেয়র তাপসের ঘনিষ্ঠ সহযোগী গ্রেপ্তার

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলিবর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শেখ ফজলে নূর তাপসের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. খোরশেদ আলম (৪৮)–কে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আন্দোলন দমন অভিযানের পেছনে থাকা রাজনৈতিক যোগসূত্র আরও স্পষ্টভাবে সামনে এলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানিয়েছেন, সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর শুক্রাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে দীর্ঘদিন পলাতক থাকা খোরশেদ আলমকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা স্বীকার করেছেন।
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর ধানমন্ডি জিগাতলা এলাকায় এক শান্তিপূর্ণ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই সহিংসতায় আব্দুল্লাহ সিদ্দিক নামে এক আন্দোলনকারী নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। ঘটনার পর ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ বিভাগ।
এরই ধারাবাহিকতায়, গত ১৫ মে মামলার আরেক আসামি ও তাপসের আরেক ঘনিষ্ঠ প্রতিনিধি এস এম কামাল হায়দারকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। এই দুই গ্রেপ্তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে আন্দোলন দমনে একটি সুপরিকল্পিত ও সংগঠিত গোষ্ঠী কাজ করেছে—যার নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।
সিআইডির তদন্তে উঠে এসেছে যে খোরশেদ আলম শুধু ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না, বরং হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি আন্দোলনকারীদের ওপর সরাসরি আক্রমণের নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং হামলাকারীদের সমন্বয় করছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় খোরশেদের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ও সংশ্লিষ্টতা ঘিরে আরও বিস্তারিত অনুসন্ধান চলছে।
খোরশেদ আলম দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং মেয়র তাপসের অন্যতম বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিত। এ কারণে তার গ্রেপ্তার শুধু আইনি তদন্ত নয়, রাজনৈতিক অঙ্গনেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মামলার তদন্তের ফলাফল ঢাকার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে, বিশেষ করে যদি উচ্চ পর্যায়ের কারও সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়।
সিআইডি জানিয়েছে, খোরশেদ আলমকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করা হবে। এছাড়া, হামলার পেছনে থাকা আর্থিক ও রাজনৈতিক প্ররোচনার বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
-রফিক, নিজস্ব প্রতিবেদক
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ অসাংবিধানিক: হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
গর্ভের অনাগত সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশ করাকে অসাংবিধানিক এবং নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে এক যুগান্তকারী রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সোমবার (১১ মে) এই পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করেন। রায়ে আদালত স্পষ্ট করেছেন যে, ভ্রূণের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা কন্যাশিশু হত্যার প্রবণতা ও সামাজিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে, যা মানুষের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি।
রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় ধরে এ ধরনের অনৈতিক চর্চা বন্ধে কার্যকর মনিটরিং ও জবাবদিহিতার অভাব ছিল। শুধুমাত্র নির্দেশিকা জারি করাই যথেষ্ট নয়; বরং কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও ডিজিটাল নজরদারি ছাড়া এই চর্চা বন্ধ করা সম্ভব নয়। আদালত মনে করেন, লিঙ্গ নির্ধারণের মাধ্যমে কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে বৈষম্য ও ভ্রূণ হত্যার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদের (১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২) সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।
হাইকোর্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে আগামী ৬ মাসের মধ্যে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। এই ডাটাবেজে নিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সব রিপোর্ট সংরক্ষণ ও নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে। আদালত এই নির্দেশনাকে ‘কনটিনিউয়াস ম্যানডামাস’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন, যার অর্থ হলো এই নির্দেশনার বাস্তবায়ন আদালত নিয়মিত তদারকি করবেন।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে আইনজীবী ইশরাত হাসানের দায়ের করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই রায় এল। রায়ে আদালত ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদাহরণ টেনে বলেন যে, উন্নত সমাজ গঠনে ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ আইন দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
/আশিক
জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী গঠিত ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রথম প্রসিকিউটরের বিদায়
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন আইনজীবী সাইমুম রেজা তালুকদার। আজ সোমবার (৯ মার্চ) তিনি চিফ প্রসিকিউটর বরাবর নিজের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন জমা দেন। চিফ প্রসিকিউটর তাঁর এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন।
ব্যক্তিগত কারণ এবং নিজের আগের পেশায় ফিরে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে সাইমুম রেজা তালুকদার বলেন, মূলত শিক্ষকতা বা পূর্বের পেশাগত জীবনে ফেরার লক্ষ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং এর পেছনে অন্য কোনো বিশেষ কারণ নেই। গত রবিবার ছিল ট্রাইব্যুনালে তাঁর শেষ কর্মদিবস। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সরকার পতনের পর ৮ অক্টোবর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। নিয়োগের আগে তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাইমুম রেজা তালুকদার রামপুরা, লক্ষ্মীপুর ও ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা করেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাঁকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদায় এই পদে নিয়োগ দিয়েছিল, যার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে তিনি গত কয়েক মাস আইনি কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
এদিকে সাইমুম রেজা তালুকদারের বিদায়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমে নতুন করে আরও দুইজন প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন মর্জিনা রায়হান মদিনা ও মোহাম্মদ জহিরুল আমিন। ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম গতিশীল রাখতে মন্ত্রণালয় এই নতুন নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।
/আশিক
মির্জা আব্বাসকে ‘গডফাদার’ বলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য এবং অপরাধমূলক ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। আজ রোববার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালতে এই আবেদন জমা দেন রমনা থানা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম। বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আমিরুল ইসলাম আমির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, মির্জা আব্বাসের রাজনৈতিক সম্মান ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যেই বিবাদী একের পর এক মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে আসছেন।
মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে মির্জা আব্বাসের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এবং সেই নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে পরাজিত হন। অভিযোগ রয়েছে যে, নির্বাচনের সময় থেকেই তিনি মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অবমাননাকর ও মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন।
তবে নির্বাচনে পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে তাঁর এই অপপ্রচার ও হুমকির মাত্রা আরও বৃদ্ধি পায়। সর্বশেষ গত ৫ মার্চ ফেসবুকে এবং বেশ কিছু অনলাইন নিউজ মিডিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর একটি বক্তব্য প্রকাশিত হয় যেখানে তিনি মির্জা আব্বাসকে 'বাংলাদেশের ক্রিমিনাল র্যাংকিংয়ে নাম্বার ওয়ান গডফাদার' হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
আবেদনে বাদী দাবি করেছেন যে, মির্জা আব্বাসের মতো একজন জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ ও নিন্দনীয় বক্তব্য তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের একটি সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা। এই বক্তব্যগুলো ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল হওয়ার মাধ্যমে দেশ-বিদেশের কোটি কোটি মানুষের কাছে মির্জা আব্বাসের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অভিযুক্তের এমন আচরণ সব ধরনের শিষ্টাচার ও সভ্য সমাজের রীতিনীতি বহির্ভূত বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। মির্জা আব্বাস ও মামলার বাদী নিজে এই ঘটনায় বিস্মিত ও সংক্ষুব্ধ হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন যাতে ইচ্ছাকৃতভাবে মানহানি করার এই কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা যায়।
/আশিক
দীর্ঘ ৩ মাস পর কারামুক্তির পথে সাংবাদিক আনিস আলমগীর
সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একটি মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এদিন, আদালতে জামিন আবেদনের ওপর শুনানির করেন আইনজীবী আসলাম মিয়া। পরে তিনি আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গত ২২ জানুয়ারি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন নামঞ্জুর করেছিলেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গত বছরের ডিসেম্বর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমণ্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাবাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ১৫ ডিসেম্বর তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তোলা হয়। ওইদিন আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন করা হয়।আদালত জামিন নামঞ্জুর করে পাঁচদিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।
রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
/আশিক
টিউলিপকে ধরতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আদেশ
ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি এবং ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই নজিরবিহীন আদেশ প্রদান করেন।
এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর শুনানিতে জানান যে, টিউলিপ সিদ্দিক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই আবাসন কোম্পানি ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের কাছ থেকে অবৈধ পারিতোষিক হিসেবে একটি ফ্ল্যাট গ্রহণ করেছেন। হস্তান্তরযোগ্য নয় এমন একটি প্লটে ওই কোম্পানিকে বহুতল ভবন নির্মাণের সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে তিনি এই ঘুষ নিয়েছেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদকের আবেদনে আরও বলা হয় যে, টিউলিপ সিদ্দিক এই মামলার আইনি প্রক্রিয়া শুরুর আগেই দেশত্যাগ করেছেন এবং বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করে মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে ইন্টারপোলের ‘রেড নোটিশ’ জারি করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত বছরের ১৫ এপ্রিল টিউলিপ সিদ্দিকসহ রাজউকের সাবেক দুই আইন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে গুলশানের একটি সংরক্ষিত প্লট জালিয়াতি ও ফ্ল্যাট ঘুষ হিসেবে নেওয়ার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করে দুদক। ১৯৬৩ সালের সরকারি লিজ চুক্তি অনুযায়ী যে প্লটটি ৯৯ বছরের মধ্যে হস্তান্তর বা বিক্রি নিষিদ্ধ ছিল, সেই প্লটেই অবৈধ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে এই ব্রিটিশ এমপির বিরুদ্ধে এবার আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পথে হাঁটল আদালত।
/আশিক
১৭ বছর পর নতুন মোড়: বিডিআর মামলায় এবার আসামি শেখ হাসিনা
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত নারকীয় বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিস্ফোরক মামলায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। এবার এই মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং মির্জা আজমসহ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী একাধিক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যকে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি (স্পেশাল পিপি) বোরহান উদ্দিন গণমাধ্যমকে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্পেশাল পিপি বোরহান উদ্দিন জানান, বিস্ফোরক মামলার দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ায় ১ হাজার ২০০ সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ৩০০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ একাধিক সাক্ষীর জবানবন্দিতে উঠে এসেছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তৎকালীন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা ছিল। তিনি আরও জানান, সাক্ষীদের দেওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
২০০৯ সালের সেই অভিশপ্ত দিনে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা বিস্ফোরক মামলাটি এখনও নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। প্রায় ৮৫০ জন আসামির এই মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে আছে। উল্লেখ্য যে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই মামলার কয়েকশ আসামি ইতোমধ্যে জামিন পেয়েছেন। ১৭ বছর পর নতুন করে শীর্ষ নেতাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ফলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কুশীলবদের বিচার নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
/আশিক
২১ ফেব্রুয়ারিতে ডিএমপির সড়ক নির্দেশনা, কোন পথ এড়াবেন
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানিয়েছেন, ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আগত দর্শনার্থীদের নির্দিষ্ট কয়েকটি সড়ক ব্যবহার করতে হবে এবং নিরাপত্তা বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মানতে হবে।
শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য পলাশীর মোড়, জগন্নাথ হল ক্রসিং ও শহীদ মিনার রোড দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। অন্য কোনো পথ দিয়ে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়েল চত্বর বা চাঁনখানপুল হয়ে বের হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে জনসমাগম সুশৃঙ্খল থাকে।
নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে শহীদ মিনার এলাকায় কোনো ধরনের ধারালো অস্ত্র, দাহ্য পদার্থ বা সন্দেহজনক বস্তু বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার জানান, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও বিদেশি কূটনীতিকদের আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে সর্বসাধারণের জন্য শহীদ মিনার উন্মুক্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, দিবসটি ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নজরদারিতে থাকবেন। বিশেষায়িত ইউনিট যেমন সোয়াত, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং ডগ স্কোয়াড সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।
ডিএমপি সূত্র জানায়, সিসিটিভি ক্যামেরা ও মোবাইল নজরদারি টিমের মাধ্যমে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে, যাতে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আগত মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন থাকে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।
প্রশাসন সকলকে নির্দেশনা মেনে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
-রফিক
আদালতে দেখা হবে! গণভোটের আইনি চ্যালেঞ্জ নিয়ে শিশির মনিরের হুঙ্কার
অ্যাডভোকেট শিশির মনির 'জুলাই জাতীয় সনদ' ও গণভোট সংক্রান্ত সম্ভাব্য আইনি চ্যালেঞ্জগুলো আদালতে মোকাবিলা করার ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই দৃঢ় অবস্থানের কথা জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এই জাতীয় সনদ কিংবা গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে যদি কোনো পক্ষ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তবে তিনি তাঁর আইনজীবী বন্ধুদের সাথে নিয়ে পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সাথে তা আইনি প্রক্রিয়ায় প্রতিহত করবেন।
ফেসবুক পোস্টে অ্যাডভোকেট শিশির মনির সংশ্লিষ্টদের আশ্বস্ত করে লিখেছেন, এই বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি ও তাঁর সহযোগীরা যেকোনো আইনি পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছেন। রাজনৈতিক ও আইনি মহলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত এই 'জুলাই জাতীয় সনদ' নিয়ে যখন নানা আলোচনা ও বিতর্ক চলছে, তখন এই আইনজীবীর এমন প্রকাশ্য ঘোষণা বিষয়টিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। তাঁর এই বার্তা মূলত গণভোট ও সনদের পক্ষশক্তিকে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার একটি সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
/আশিক
টয়লেটের পেস্ট ও টিস্যু খেয়ে বেঁচে ছিল শিশুটি
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সদ্য সাবেক এমডি সাফিকুর রহমানের বাসায় ১১ বছরের শিশু গৃহকর্মীর ওপর চালানো নির্যাতনের রোমহর্ষক ও লোমহর্ষক বর্ণনা উঠে এসেছে আদালতের শুনানিতে। পিঠে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা থেকে শুরু করে চোখে মরিচের গুঁড়া দেওয়া—এমন সব অমানবিক আচরণের তথ্য শুনে খোদ বিচারকও স্তম্ভিত হয়ে পড়েন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামিদের রিমান্ড শুনানির সময় এসব তথ্য তুলে ধরেন।
রিমান্ড শুনানির একপর্যায়ে বিচারক ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দির অংশবিশেষ পড়ে শোনান। সেখানে উঠে আসে যে, শিশুটিকে খাবার না দিয়ে বাথরুমে আটকে রাখা হতো। খিদের জ্বালায় সে টয়লেটের পেস্ট ও টিস্যু খেয়ে দিন পার করেছে। প্রচণ্ড শীতের মধ্যেও তাকে কোনো গরম কাপড় দেওয়া হয়নি এবং দীর্ঘক্ষণ পানিতে থাকতে বাধ্য করায় তার পায়ে পচন ধরেছে। শিশুটির শরীরে মুখ থেকে গলা পর্যন্ত লম্বা পোড়া দাগ, কপালে লাঠির আঘাত এবং উরুতে গরম খুন্তির ছ্যাঁকার অসংখ্য চিহ্ন পাওয়া গেছে। এমনকি তার মাথার চুল ধরে টানার কারণে শিশুটি প্রচণ্ড মাথাব্যথায় ভুগছে বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুনানি শেষে আদালত বিমান বাংলাদেশের সাবেক এমডি সাফিকুর রহমান ও গৃহকর্মী রূপালী খাতুনকে ৫ দিনের রিমান্ড এবং সাফিকুরের স্ত্রী বীথিকে ৭ দিন ও অপর গৃহকর্মী সুফিয়া বেগমের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানিতে অংশ নেওয়া আইনজীবীরা বলেন, সরকারি উচ্চপর্যায়ের একজন কর্মকর্তার বাসায় এমন পাশবিক নির্যাতন দেশ ও জাতির জন্য চরম লজ্জাজনক।
আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ডের বিরোধিতা করে দাবি করেন যে, সাফিকুর রহমান অফিসে ব্যস্ত থাকতেন এবং এসব বিষয়ে অবগত ছিলেন না। তবে শিশুটির বাবা, যিনি একজন হোটেল কর্মচারী, গত ১ ফেব্রুয়ারি চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করলে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। গত ২ ফেব্রুয়ারি তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
পাঠকের মতামত:
- ১৩ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৩ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৩ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আলোচনায় ফেরার জন্য মার্কিনীদের সামনে ইরানের ৫ শর্ত: তেহরানের অনড় অবস্থান
- পশুর হাটে এবার প্রেসিডেন্ট হাজির! ট্রাম্প দেখতে মানুষের ঢল
- পাউলো দিবালার করুণ বিদায়: জাতীয় দল ও ক্লাব দুই জায়গাতেই ব্রাত্য বিশ্বকাপজয়ী তারকা
- দুপুরের মধ্যে আট অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস: ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
- হামের দুর্যোগে ৪০০ প্রাণ: দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
- পুতিনের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র: সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা
- আগে দাড়ি-টুপিকেও সন্দেহের চোখে দেখা হতো: তথ্যমন্ত্রী
- চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বে নতুন মাত্রা: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে বিপুল পরিমাণ পোলিও টিকা অনুদান
- অনলাইনেই মিলছে ঈদের শতভাগ টিকিট: আজ ২৩ মে’র টিকিট বিক্রির শুরু
- ইরানের ভেতরে সৌদির গোপন হামলা: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের নতুন মোড়
- ধৈর্য হারাচ্ছেন ট্রাম্প: ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার ছক কষছে পেন্টাগন
- স্বর্ণালঙ্কার কিনতে কত খরচ পড়বে? বুধবারের সর্বশেষ সোনার দরপত্র
- কেনাকাটায় বের হওয়ার আগে জেনে নিন: আজ রাজধানীর কোন মার্কেটগুলো বন্ধ
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- লঘুচাপের প্রভাবে সক্রিয় বর্ষা: কাল থেকে ৩ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা
- সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে লংমার্চের হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
- ইতিহাসের পাতায় নাহিদ রানা: ১৬ বছর পর দেশের মাটিতে পেসারের ফাইফার
- কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে কোনো দেশের সঙ্গে প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়া সম্ভব নয়: নাহিদ ইসলাম
- রূপপুরে ঐতিহাসিক মাইলফলক: বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে প্রথম ইউনিট
- শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা: বিশ্ববাজারে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন
- নানিয়ারচর জোন কর্তৃক স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ
- বিদায়বেলায় ফয়ছল চৌধুরী: স্কটিশ পার্লামেন্টে এক বাঙালির ইতিহাস গড়ার গল্প
- দুর্গন্ধে নাভিশ্বাস ও মরণফাঁদ গর্ত: বুড়িচংয়ের উদাহরণবাগ সড়কে চরম ভোগান্তি
- কুমিল্লা তিতাসে হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
- কাল ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- কূটনীতি না কি সামরিক হামলা? ইরানের অনড় অবস্থানে দোটানায় ট্রাম্প প্রশাসন
- সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে সতর্ক বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ধনীরা আরও ধনী, গরিবরা সংকটে: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের বলি হচ্ছে এশিয়া
- পুতিনের প্রস্তাব না কি পাল্টা আঘাত? ইরানের পারমাণবিক হুঁশিয়ারিতে নতুন মোড়
- মিরপুরে ইতিহাস: দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ!
- ১২ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১২ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১২ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- অল্প বয়সেই মাথায় টাক পড়ার ভয়? ডায়েটে রাখুন এই ৫ সুপারফুড
- চাঁদে এবার চীনের রোবট সেনা: যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিতে হিউম্যানয়েড প্রযুক্তির চমক
- ১৩ রানের আক্ষেপ ও হাতছাড়া বিশ্বরেকর্ড: শান্তর বিদায়ে চাপে বাংলাদেশ
- মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বিজয়ের মাস্টারস্ট্রোক: তামিলনাড়ু জুড়ে ৭১৭ মদের দোকান বন্ধ
- ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ফাটল ধরাচ্ছে পাকিস্তান: নেতানিয়াহু
- পুঁথিগত বিদ্যা নয়, নজর দিন উদ্ভাবনে: ঢাবিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- করোনার চেয়েও ভয়ংকর? রহস্যময় ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম সতর্কতা
- লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা: প্রাণ হারালেন সাতক্ষীরার দুই বাংলাদেশি
- যুদ্ধবিরতি এখন লাইফ সাপোর্টে: ট্রাম্প
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- রাজধানীর যেসব রুটে আজ বাড়তি জ্যাম হতে পারে
- আকাশচুম্বী দামে থমকে আছে স্বর্ণ: সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে অলঙ্কার
- মঙ্গলবার ঢাকার কোন কোন এলাকায় মার্কেট বন্ধ? বের হওয়ার আগে দেখে নিন
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- কেন বাড়ছে সোনার দাম? রেকর্ড উচ্চতায় দাঁড়িয়ে দেশের জুয়েলারি বাজার
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- তামিলনাড়ুতে ‘থালাপতি’ যুগের সূচনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়
- আজ শনিবারের নামাজের সময়সূচি: জোহর থেকে এশার পূর্ণাঙ্গ তালিকা
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- আকাশচুম্বী দামে থমকে আছে স্বর্ণ: সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে অলঙ্কার
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন
- প্রথম সেশনে দাপুটে বোলিংয়ে পাকিস্তানের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের
- ২৭ না কি ২৮ মে? কোরবানির ঈদ নিয়ে যা জানাল বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া দপ্তর
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড
- হেক্সা জয়ের লক্ষ্যে ব্রাজিলের ৫৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা
- জুমার ৫ আমল বদলে দিতে পারে পুরো সপ্তাহ
- মৃত্যুর ৭ বছর পর সামনে এল এপস্টেইনের রহস্যময় সুইসাইড নোট








