২৬ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১৪:৪৫:৩১
২৬ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশ কয়েকটি শেয়ারে শক্তিশালী উত্থান দেখা গেছে। বিশেষ করে ট্যানারি, বীমা ও ব্যাংক খাতের কিছু কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা তৈরি হয়। রবিবারের লেনদেনে দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে অ্যাপেক্স ট্যানারি, যার শেয়ারদর প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ৯৫ টাকা ১০ পয়সায় পৌঁছেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ারে ক্রয়চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে কমদামের শেয়ার ও সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে বিনিয়োগকারীরা নতুন করে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় পুরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেড়ে ২৭ টাকা ৯০ পয়সায় উঠে এসেছে।

লেনদেনের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্সও বড় ধরনের উত্থান করেছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়ে ২২ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। একইসঙ্গে গোল্ডেন সন, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স এবং সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি হয়েছে। এতে বীমা খাতে নতুন করে গতি ফিরছে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে ২০৫ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছেছে। একই দিনে সাউথইস্ট ব্যাংকের শেয়ারও ৭ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ব্যাংক খাতের কিছু শেয়ারে ক্রয়চাপ বাড়া বাজারে ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে অ্যাপেক্স গ্রুপের আরেক কোম্পানি অ্যাপেক্স স্পিনিংও আলোচনায় রয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ৩৫৯ টাকা ৪০ পয়সায় পৌঁছেছে। গত কয়েক কার্যদিবস ধরেই এই শেয়ারটি ধারাবাহিক উত্থানে রয়েছে। ফলে স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

-রাফসান


১০ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১০ ১৬:২৬:০৮
১০ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। দিনের লেনদেন শেষে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমে যাওয়ায় বাজারজুড়ে কিছুটা সতর্কতা ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারের তুলনায় পতনশীল কোম্পানির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

বুধবারের লেনদেন শেষে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মোট ৩৯১টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৪৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটদর বৃদ্ধি পেলেও ১৭৮টির দর কমেছে। অপরিবর্তিত ছিল ৬৪টির দাম। ফলে সার্বিকভাবে বাজারে নেতিবাচক প্রবণতাই বেশি দৃশ্যমান হয়েছে।

বিশেষ করে বাজারের প্রধান ‘এ’ ক্যাটাগরিতে বিক্রিচাপ ছিল সবচেয়ে বেশি। এই ক্যাটাগরির ১৯৬টি কোম্পানির মধ্যে ১০৪টির দর কমেছে। বিপরীতে বেড়েছে মাত্র ৭০টির। বড় মূলধনী এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে তুলনামূলক বেশি গ্রহণযোগ্য কোম্পানিগুলোর দরপতন বাজারের সামগ্রিক অবস্থানকে দুর্বল করেছে।

‘বি’ ক্যাটাগরিতেও একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে। এই ক্যাটাগরির ৭৫টি কোম্পানির মধ্যে ৩৮টির শেয়ারদর কমেছে, যেখানে বেড়েছে ৩০টির। অপরদিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরির ১২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৯টির দর বৃদ্ধি পেলেও ৩৬টির দর কমেছে এবং ৩৫টি প্রতিষ্ঠান অপরিবর্তিত অবস্থায় লেনদেন শেষ করেছে।

দিনজুড়ে মোট ২ লাখ ৮৮ হাজার ১৫২টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। এসব লেনদেনে প্রায় ৩৯ কোটি ৬ লাখ ৫৮ হাজার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। টাকার অঙ্কে যার মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২১০ কোটি ৫ লাখ টাকারও বেশি। আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমে যাওয়ায় বাজারে নতুন বিনিয়োগ প্রবাহের গতি শ্লথ হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

দরপতনের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজারমূলধনে। দিনশেষে ডিএসইর মোট বাজারমূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৯০ হাজার ৪৬৪ কোটি টাকায়। আগের দিনের তুলনায় বাজারমূলধন কমেছে প্রায় ১১ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা। বিশেষ করে ইকুইটি সিকিউরিটিজের বাজারমূলধন কমে ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৯৪১ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক কয়েকটি কার্যদিবসে দ্রুত মূল্যবৃদ্ধি হওয়া অনেক শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নেওয়ার পথে হাঁটছেন। এর ফলে বাজারে স্বাভাবিক সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংক, বীমা এবং কিছু বড় মূলধনী শেয়ারে বিক্রির চাপ বাড়ায় বাজারের সূচক ও মূলধনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

তবে সামগ্রিক বাজার দুর্বল থাকলেও মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। মোট ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২১টির দর বেড়েছে। মাত্র ২টির দর কমেছে এবং ১১টি অপরিবর্তিত ছিল। এটি ইঙ্গিত করে যে, ঝুঁকি তুলনামূলক কম হওয়ায় কিছু বিনিয়োগকারী এখন মিউচুয়াল ফান্ডের দিকে ঝুঁকছেন।

করপোরেট বন্ড খাতেও ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। চারটি করপোরেট বন্ডের মধ্যে তিনটির দর বেড়েছে এবং একটির দর অপরিবর্তিত ছিল। একইভাবে সরকারি সিকিউরিটিজ বা জি-সেক খাতেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

এদিকে ব্লক মার্কেটে দিনভর বড় অঙ্কের লেনদেন হয়েছে। মোট ৫৯টি কোম্পানির ১৩৪ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি শেয়ার ব্লক মার্কেটে হাতবদল হয়েছে। এসব লেনদেনের আর্থিক মূল্য ছিল প্রায় ৬৪২ কোটি ১১ লাখ টাকা।

ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারে। কোম্পানিটির প্রায় ১৫৩ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এছাড়া ব্র্যাক ব্যাংকের ৬৬ কোটি টাকা, ইস্টার্ন ব্যাংকের ৫০ কোটি টাকা, সোনারগাঁও টেক্সটাইলের ৪৫ কোটি টাকা এবং নর্থার্ন ইন্স্যুরেন্সের প্রায় ৩৭ কোটি টাকার শেয়ার ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয়েছে।

একই সঙ্গে বিডি থাই ফুডস, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, অ্যাসিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, অ্যাপেক্স স্পিনিং এবং গিকিউ বলপেনের মতো কোম্পানিগুলোর শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য ব্লক ট্রেড হয়েছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিকে বড় ধরনের নেতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং সাম্প্রতিক উত্থানের পর এটি একটি স্বাভাবিক বাজার সংশোধন। অনেক কোম্পানির মৌলভিত্তি এখনও শক্তিশালী রয়েছে এবং দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগের জন্য সেগুলো আকর্ষণীয় অবস্থানে আছে।

তাদের মতে, স্বল্পমেয়াদি মূল্য ওঠানামার কারণে আতঙ্কিত না হয়ে বিনিয়োগকারীদের উচিত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন, মুনাফা প্রবৃদ্ধি, লভ্যাংশ ইতিহাস এবং ব্যবসায়িক সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া। কারণ দীর্ঘমেয়াদে মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিই বিনিয়োগকারীদের জন্য সবচেয়ে বেশি মূল্য সৃষ্টি করে থাকে।

বাজারে বর্তমানে যে সংশোধনমূলক ধারা দেখা যাচ্ছে, তা কতদিন স্থায়ী হবে, সেটি অনেকাংশে নির্ভর করবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং আগামী দিনের বাজার-সংক্রান্ত নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপর। তবে বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে শুরু করলে আবারও নির্বাচিত শেয়ারগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়তে পারে।

-রাফসান


১০ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১০ ১৪:৫২:১৬
১০ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবারের লেনদেনে কয়েকটি আলোচিত কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরপতন দেখা গেছে। দিনের শেষে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বীমা খাতের একাধিক শেয়ার বিক্রিচাপের মুখে পড়ে শীর্ষ লুজারের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। বিশেষ করে বেক্সিমকো এবং ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারদরে বড় ধরনের পতন বাজারে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

দিনের সবচেয়ে বেশি দর হারানো কোম্পানি ছিল বেক্সিমকো। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর এক কার্যদিবসের ব্যবধানে ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমে ৮৯ টাকা ২০ পয়সায় নেমে আসে। লেনদেন চলাকালে শেয়ারটির সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মূল্য একই পর্যায়ে অবস্থান করায় বাজারে শক্তিশালী বিক্রিচাপের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির শেয়ারদরও প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। আগের দিনের ২৯ টাকা ৪০ পয়সা থেকে নেমে শেয়ারটির সমাপনী মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৫০ পয়সায়। ব্যাংক খাতের এই বড় প্রতিষ্ঠানের দরপতন পুরো খাতের বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও সতর্কতা তৈরি করেছে।

আর্থিক খাতের দুর্বলতা আরও স্পষ্ট হয়েছে ফেয়ারইস্ট ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (PLFSL), ফার্স্ট লিজ ফাইন্যান্স (FASFIN) এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (ILFSL)-এর শেয়ারদরে। এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ৬ থেকে প্রায় ৭ শতাংশ পর্যন্ত দর হারিয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মৌলভিত্তিক দুর্বলতা ও বিনিয়োগকারীদের সীমিত আস্থা এই দরপতনের অন্যতম কারণ হতে পারে।

বীমা খাতেও নেতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর প্রায় ৫ শতাংশ কমে ৭৩ টাকা ১০ পয়সায় নেমেছে। একইভাবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (BNICL) এবং কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য মূল্যহ্রাস দেখা গেছে। বীমা খাতের কয়েকটি শেয়ারে সাম্প্রতিক সময়ে দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এই সংশোধনের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

শিল্প খাতের জিয়াল বাংলা সুগার মিলসও (ZEALBANGLA) শীর্ষ লুজারের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ৪ শতাংশ কমে ১৪৩ টাকা ১০ পয়সায় নেমে এসেছে। লেনদেনের সময় শেয়ারটির দামে ব্যাপক ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে অনিশ্চয়তার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

-রাফসান


১০ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১০ ১৪:৪৭:০৬
১০ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

সপ্তাহের মাঝামাঝি লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশ কয়েকটি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি দেখা গেছে। বুধবার (১০ জুন) লেনদেন শেষে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাজারের শীর্ষ গেইনারের তালিকায় উঠে এসেছে বিভিন্ন খাতের কোম্পানি, যেখানে উৎপাদন, বীমা, খাদ্য ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

দিনের সবচেয়ে বেশি দরবৃদ্ধি হয়েছে বিডি থাইয়ের শেয়ারে। কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে ১৫ টাকা ১০ পয়সায় পৌঁছেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমূল্যের শেয়ারগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় এই উত্থান দেখা গেছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটদর ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়ে ৩ টাকা ৭০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। একইসঙ্গে মিউচুয়াল ফান্ড খাতের আরও কয়েকটি ইউনিটের দরবৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিয়েছে।

তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে অ্যাপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস। কোম্পানিটির শেয়ারদর একদিনে ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়ে ৩৬৪ টাকা ১০ পয়সায় উন্নীত হয়েছে। টেক্সটাইল খাতের এই কোম্পানির শেয়ারে বড় অঙ্কের লেনদেন এবং ক্রয়চাপ বৃদ্ধির প্রভাব বাজারে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ও ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড উভয়ই ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে যথাক্রমে চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচুয়াল ফান্ড-১ এর ইউনিটদরও ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

শিল্প খাতের মধ্যে আরএকে সিরামিকস উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখিয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়ে ২৭ টাকা ২০ পয়সায় পৌঁছেছে। নির্মাণ ও অবকাঠামো খাতে সম্ভাব্য চাহিদা বৃদ্ধির প্রত্যাশা এ ধরনের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়াচ্ছে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য খাতের আরডি ফুডের শেয়ারদরও ৬ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। একইসঙ্গে বীমা খাতের পিপলস ইন্স্যুরেন্স এবং বন্দর ও লজিস্টিকস খাতের সাউথ এশিয়া পোর্টস লিমিটেড (SAPORTL) শীর্ষ গেইনার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। পিপলস ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং সাউথ এশিয়া পোর্টের শেয়ারদর ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচিত শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ার ফলে বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কম মূল্যমানের শেয়ার, বীমা কোম্পানি এবং উৎপাদনমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন করে ক্রয়চাপ দেখা যাচ্ছে। ফলে বাজারে লেনদেনের গতি এবং বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ উভয়ই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

-রাফসান


৯ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৯ ১৫:০৩:২৮
৯ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবারের লেনদেনে বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন দেখা গেছে। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধির মাধ্যমে বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা ফিরে এসেছে। দিনশেষে ৩৯৭টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নিলেও এর মধ্যে ২৪৬টির দর বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ১০০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫১টির দাম।

বাজারের সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, এ ক্যাটাগরির ২০৩টি কোম্পানির মধ্যে ১৩৩টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। মাত্র ৪৭টি কোম্পানির দর কমেছে এবং ২৩টির দর অপরিবর্তিত ছিল। একইভাবে বি ক্যাটাগরিতেও শক্তিশালী উত্থান লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে ৭৫টি কোম্পানির মধ্যে ৬০টির দাম বেড়েছে।

জেড ক্যাটাগরিতেও ক্রয়চাপ তুলনামূলকভাবে ইতিবাচক ছিল। এ শ্রেণির ১১৯টি কোম্পানির মধ্যে ৫৩টির শেয়ারদর বেড়েছে, যদিও ৪০টির দর কমেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

দিনের মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৩৮৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। মোট ৩ লাখ ১২ হাজার ৩০৮টি ট্রেডের মাধ্যমে ৩৯ কোটি ১ লাখের বেশি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।

বাজার মূলধনেও ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। দিনশেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৯১ হাজার ৬০৫ কোটি টাকায়। এর মধ্যে ইক্যুইটি সিকিউরিটিজের বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার ২২০ কোটি টাকা।

এদিন ব্লক মার্কেটেও ছিল উল্লেখযোগ্য সক্রিয়তা। মোট ৬২টি কোম্পানির শেয়ারে ব্লক মার্কেটে প্রায় ৬১৭ কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। সর্বোচ্চ ব্লক লেনদেন হয়েছে এপেক্স স্পিনিংয়ের শেয়ারে, যেখানে প্রায় ১৩৫ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এছাড়া সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সে প্রায় ৯৬ কোটি টাকা, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে প্রায় ৭৬ কোটি টাকা এবং বেক্সিমকোতে প্রায় ৮০ কোটি টাকার ব্লক লেনদেন হয়েছে।

বীমা খাত দিনভর বিশেষভাবে আলোচনায় ছিল। সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, পায়োনিয়ার ইন্স্যুরেন্স ও বিভিন্ন সাধারণ বীমা কোম্পানির শেয়ারে শক্তিশালী ক্রয়চাপ দেখা গেছে। এর ফলে খাতটি বাজারের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

অন্যদিকে উৎপাদন, টেক্সটাইল ও শিল্প খাতের কয়েকটি কোম্পানিও বিনিয়োগকারীদের নজর কেড়েছে। এপেক্স স্পিনিং, সামাটা লেদার, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, সাউথ এশিয়ান পোর্ট এবং কয়েকটি মাঝারি মূলধনী কোম্পানির শেয়ারে লেনদেন ও মূল্যবৃদ্ধি বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক অস্থিরতার পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আস্থা তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে বীমা, উৎপাদন ও নির্বাচিত শিল্প খাতের শেয়ারে ধারাবাহিক আগ্রহ বাজারের সামগ্রিক পরিবেশকে শক্তিশালী করেছে। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদি মূল্যবৃদ্ধির ওপর নির্ভর না করে কোম্পানির মৌলভিত্তি, আর্থিক সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা বিবেচনা করে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

মঙ্গলবারের লেনদেন শেষে স্পষ্ট হয়েছে, বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি বিক্রেতাদের তুলনায় বেশি ছিল। ফলে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধির মাধ্যমে ডিএসই আবারও একটি ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক দিনের সাক্ষী হয়েছে।

-রাফসান


৯ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৯ ১৪:৫৯:১১
৯ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবারের লেনদেনে বেশ কয়েকটি বহুল আলোচিত কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরপতন দেখা গেছে। বিশেষ করে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও শিল্প খাতের কয়েকটি শেয়ার বিক্রির চাপে বড় ধরনের মূল্যহ্রাসের মুখে পড়ে। দিনের লেনদেন শেষে শীর্ষ লুজার তালিকার প্রথম দুটি অবস্থান দখল করে নেয় দেশের অন্যতম আলোচিত কোম্পানি বেক্সিমকো এবং ইসলামী ব্যাংক।

দিনের সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে বেক্সিমকো। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমে ৯৯ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে। আগের কার্যদিবসে শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১১০ টাকা ১০ পয়সা। একদিনে প্রায় ১১ টাকার এই পতন বাজারজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরপতনের শিকার হয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ। ব্যাংকটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৮২ শতাংশ কমে ২৯ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। আগের দিনের ৩২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে এই পতন ব্যাংক খাতে বিক্রির চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে টুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ কমে ২ টাকা ৯০ পয়সায় নেমে এসেছে। একই সময়ে আর্থিক খাতের দুটি প্রতিষ্ঠান ফারইস্ট ফাইন্যান্স এবং পিএলএফএসএল উভয়েই ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ করে মূল্য হারিয়েছে।

ফাস ফাইন্যান্সের শেয়ারও বিনিয়োগকারীদের বিক্রির চাপে পড়ে ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমে ১ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে আসে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের একাধিক কোম্পানির শেয়ারে একযোগে পতন বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতের ক্যাপিএমবিডিবিএলএমএফের ইউনিটদর ৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ কমে ১০ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে আগের দিন শীর্ষ গেইনারদের মধ্যে থাকা ক্রাউন সিমেন্ট মঙ্গলবার সংশোধনের মুখে পড়ে ৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ মূল্য হারিয়েছে।

মেঘনা কনডেন্সড মিল্কের শেয়ারদর ৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ কমে ৪১ টাকায় নেমে এসেছে। একইভাবে প্রাইম টেক্সটাইলও ৩ দশমিক ৭২ শতাংশ দর হারিয়ে শীর্ষ লুজার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক কয়েক কার্যদিবসে কিছু শেয়ারে দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ মুনাফা তুলে নেওয়ার কৌশল গ্রহণ করেছে। ফলে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারে বিক্রির চাপ বেড়ে দরপতন দেখা গেছে। বিশেষ করে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও কিছু উচ্চমূল্যের শেয়ারে এই প্রবণতা বেশি লক্ষ করা গেছে।

বিশ্লেষকদের ভাষ্য, বাজারে স্বাভাবিক উত্থান-পতনের অংশ হিসেবেই এ ধরনের সংশোধন দেখা যায়। তবে শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদি মূল্য পরিবর্তনের ওপর নির্ভর না করে কোম্পানির মৌলভিত্তি, আয় প্রবৃদ্ধি, লভ্যাংশ ইতিহাস এবং সামগ্রিক আর্থিক অবস্থান বিবেচনায় বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়াই বিনিয়োগকারীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল।

-রাফসান


৯ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৯ ১৪:৫৪:৫৫
৯ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবারের লেনদেনে বেশ কয়েকটি বীমা, টেক্সটাইল ও শিল্প খাতভুক্ত কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে। বাজারজুড়ে নির্বাচিত কিছু শেয়ারে শক্তিশালী ক্রয়চাপের কারণে শীর্ষ গেইনার তালিকায় নতুন কিছু নাম উঠে এসেছে, যা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

দিনের লেনদেন শেষে শীর্ষ গেইনারের অবস্থান দখল করে নেয় পিপলস ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ বেড়ে ৫৮ টাকা ৪০ পয়সায় পৌঁছায়। আগের কার্যদিবসে শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৫৩ টাকা ১০ পয়সা। মূল্যসীমার কাছাকাছি এই উত্থান বীমা খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেড়ে ৩৯ টাকা ১০ পয়সায় দাঁড়ায়। একই খাতের একাধিক কোম্পানির শেয়ারে একযোগে ক্রয়চাপ দেখা যাওয়ায় বীমা খাত দিনভর আলোচনায় ছিল।

তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস। শেয়ারটির মূল্য ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়ে ৩৩৬ টাকা ৭০ পয়সায় উন্নীত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে টেক্সটাইল খাতের কিছু কোম্পানির প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়তে দেখা যাচ্ছে।

চতুর্থ স্থানে থাকা সাউথ এশিয়ান পোর্ট লিমিটেড (SAPORTL) এর শেয়ারদর ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫১ টাকা ৬০ পয়সায় পৌঁছেছে। অবকাঠামো ও লজিস্টিকস-সংশ্লিষ্ট এই কোম্পানির শেয়ারে দিনের বেশিরভাগ সময়ই শক্তিশালী ক্রয়চাপ ছিল।

এদিকে এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ বেড়ে ৪৫ টাকা ৭০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে গেইনার তালিকার শীর্ষ পাঁচে বীমা খাতের তিনটি কোম্পানি জায়গা করে নেয়, যা খাতটির প্রতি বাজারের ইতিবাচক মনোভাবকে আরও স্পষ্ট করেছে।

সামাটা লেদার কমপ্লেক্সের শেয়ারদর ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ বেড়ে ১১৬ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছায়। চামড়া খাতের এই কোম্পানির শেয়ারে সাম্প্রতিক সময়ে লেনদেন ও আগ্রহ দুটোই বৃদ্ধি পেয়েছে।

তালিকার সপ্তম স্থানে থাকা তোসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার ৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেড়ে ২০ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। একইসঙ্গে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স ৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেড়ে ৬৭ টাকা ৪০ পয়সায় উন্নীত হয়ে শীর্ষ গেইনার তালিকায় অষ্টম অবস্থান দখল করে।

নিটল ইন্স্যুরেন্স এবং সিভিও পেট্রোকেমিক্যালসও দিনের ইতিবাচক প্রবণতায় উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। নিটল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়ে ৩৬ টাকা ৮০ পয়সায় এবং সিভিও পেট্রোকেমিক্যালসের শেয়ারদর ৬ দশমিক ০৬ শতাংশ বেড়ে ১৭১ টাকা ৫০ পয়সায় পৌঁছায়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্বাচিত খাতভিত্তিক শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে বীমা, টেক্সটাইল ও উৎপাদনমুখী শিল্প খাতের কিছু কোম্পানির শেয়ারে ধারাবাহিক ক্রয়চাপ বাজারে ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতে ভূমিকা রাখছে।

-রফিক


৮ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৮ ১৪:৪৯:১১
৮ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

সোমবার (৮ জুন) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্যাপক বিক্রির চাপে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। ফলে দিন শেষে বাজারজুড়ে নেতিবাচক প্রবণতাই ছিল সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

ডিএসইর বাজার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এদিন মোট ৩৯৩টি সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ১০২টির দর বেড়েছে, বিপরীতে ২৪৮টির দর কমেছে এবং ৪৩টির দর অপরিবর্তিত ছিল। অর্থাৎ লেনদেনে অংশ নেওয়া মোট শেয়ারের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই দরপতনের মুখে পড়েছে, যা বাজারে বিক্রির চাপ বৃদ্ধির স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বাজারের প্রধান ক্যাটাগরি ‘এ’ শ্রেণির কোম্পানিগুলোতেও নেতিবাচক প্রবণতা ছিল লক্ষণীয়। এ ক্যাটাগরিতে ১৯৮টি শেয়ারের মধ্যে ১২০টির দর কমেছে, বেড়েছে মাত্র ৫৯টির। একই চিত্র দেখা গেছে ‘বি’ ও ‘জেড’ ক্যাটাগরিতেও। বিশেষ করে জেড ক্যাটাগরির ১২০টি সিকিউরিটিজের মধ্যে ৭৯টির দর কমেছে, যা বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ার থেকে সরে যাওয়ার প্রবণতার ইঙ্গিত বহন করে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতও চাপের বাইরে ছিল না। এদিন ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে মাত্র ৩টির দর বেড়েছে, বিপরীতে ১৯টির দর কমেছে। ফলে এ খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তুলনামূলকভাবে দুর্বল ছিল বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

লেনদেনের দিক থেকে দিনটি মোটেও খারাপ ছিল না। ডিএসইতে মোট ২ লাখ ৭৪ হাজার ১১১টি ট্রেডের মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ৭২ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। যদিও আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে, তবুও এক হাজার কোটি টাকার ওপরে অবস্থান করায় বাজারে তারল্য এখনো সক্রিয় রয়েছে।

বাজার মূলধনের ক্ষেত্রেও সামান্য চাপ দেখা গেছে। দিন শেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৯০ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকায়। শেয়ারদরের ব্যাপক পতনের কারণে বাজার মূলধনে কিছুটা সংকোচন লক্ষ্য করা গেছে।

অন্যদিকে ব্লক মার্কেটে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। এদিন ৪৪টি কোম্পানির মোট ৫১১ কোটি ৯০ লাখ টাকার ব্লক ট্রেড সম্পন্ন হয়। ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, যার শেয়ার হাতবদল হয়েছে প্রায় ১২৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকার। এরপর রয়েছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ (৮৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা), বিএনআইসিএল (৪১ কোটি ১৯ লাখ টাকা), মেঘনা পেট্রোলিয়াম (৪০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা) এবং ইবিএল (৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা)।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক কয়েকটি সেশনে দ্রুত উত্থান হওয়া অনেক শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিয়েছেন। ফলে বাজারে স্বাভাবিক মূল্যসংশোধনের প্রবণতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি কিছু খাতে অতিরিক্ত জল্পনাকেন্দ্রিক লেনদেনের পর বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানও দরপতনের অন্যতম কারণ হতে পারে।

তারা বলছেন, বাজারে তারল্যের ঘাটতি নেই এবং ব্লক মার্কেটের শক্তিশালী উপস্থিতি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়। তবে সামগ্রিক বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে মৌলভিত্তি শক্তিশালী কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে সোমবারের লেনদেনে ডিএসইতে দরপতনের পাল্লাই ভারী ছিল। গেইনারের তুলনায় লুজারের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ায় বাজারে সতর্কতার আবহ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, আগামী কয়েকটি কার্যদিবসে সূচকের গতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাজারের পরবর্তী দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

-রাফসান


৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৮ ১৪:৪৫:৫০
৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বেশ কয়েকটি শেয়ার উল্লেখযোগ্য দরপতনের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে কৃষি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতের কিছু কোম্পানির শেয়ারে বিক্রির চাপ বাড়তে দেখা গেছে, যার প্রভাব পড়েছে দিনের শীর্ষ লুজার তালিকায়।

দিনের সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে এএফসি অ্যাগ্রো বায়োটেক (AFCAGRO)। কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ কমে ৭ টাকা ২০ পয়সায় নেমে এসেছে। সীমিত ক্রয়চাহিদা এবং বাড়তি বিক্রয়চাপের কারণে শেয়ারটি লুজার তালিকার শীর্ষে অবস্থান নিয়েছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পিএইচপি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড (PHPMF1)। ইউনিটটির দর ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ৩ টাকায় নেমে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহের প্রতিফলন এই দরপতনে দেখা গেছে বলে বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

একদিন আগেই গেইনার তালিকায় থাকা নাহি অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট প্যানেল (NAHEEACP) এদিন বড় ধরনের সংশোধনের মুখে পড়ে। শেয়ারটির মূল্য ৬ দশমিক ০৮ শতাংশ কমে ৩৮ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। টানা উত্থানের পর মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধির ফলে এই পতন হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আর্থিক খাতের দুর্বলতা আবারও স্পষ্ট হয়েছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স (FAREASTFIN) এবং উত্তরা ফাইন্যান্স (UTTARAFIN)-এর শেয়ারদরে। ফারইস্ট ফাইন্যান্স ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং উত্তরা ফাইন্যান্স ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ দর হারিয়েছে। আর্থিক খাতের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান এ খাতে চাপ তৈরি করছে।

শিল্প খাতের এসএস স্টিল (SSSTEEL) ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ দর হারিয়ে দিনের অন্যতম আলোচিত লুজারে পরিণত হয়েছে। একইসঙ্গে প্রযুক্তি খাতের ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স (DAFODILCOM)-এর শেয়ারদর ৫ দশমিক ২৭ শতাংশ কমে গেছে, যা প্রযুক্তি খাতে স্বল্পমেয়াদি মুনাফা গ্রহণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এছাড়া মিথুন নিটিং (MITHUNKNIT), মিডাস ফাইন্যান্স (MIDASFIN) এবং সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস (SILVAPHL) যথাক্রমে ৪ দশমিক ৯৭, ৪ দশমিক ৯২ এবং ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ দর হারিয়ে শীর্ষ ১০ লুজার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক কয়েকটি সেশনে যেসব শেয়ারে অস্বাভাবিক দ্রুত উত্থান হয়েছিল, সেগুলোর অনেকগুলোতেই এখন স্বাভাবিক মূল্যসংশোধন চলছে। একইসঙ্গে কিছু দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানিতে বিক্রির চাপও বাড়ছে।

-রাফসান


৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৮ ১৪:৪১:৫৯
৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে নির্বাচিত কয়েকটি শেয়ারে শক্তিশালী ক্রয়চাপ তৈরি হওয়ায় বাজারে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। বিশেষ করে শিল্প, বীমা, সিমেন্ট ও টেক্সটাইল খাতের বেশ কয়েকটি কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

দিনের সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধি হয়েছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং (ANWARGALV)-এর শেয়ারে। কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ১১৯ টাকায় পৌঁছেছে। দিনজুড়ে ক্রেতাদের শক্তিশালী উপস্থিতি এবং সীমিত বিক্রয়চাপের কারণে শেয়ারটি টপ গেইনার তালিকার শীর্ষে উঠে আসে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সামিট ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেড (SIPLC)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯৬ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক সেশনগুলোতে শেয়ারটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ধারাবাহিকভাবে বাড়তে দেখা যাচ্ছে।

বাজারের সবচেয়ে আলোচিত শেয়ারগুলোর একটি সোনারগাঁও টেক্সটাইল (SONARGAON) আবারও গেইনার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। শেয়ারটির মূল্য ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ বেড়ে ৭৮ টাকা ৯০ পয়সায় পৌঁছেছে। কয়েকটি ধারাবাহিক সেশনে শক্তিশালী উত্থানের মাধ্যমে কোম্পানিটি বাজারের অন্যতম আলোচিত শেয়ারে পরিণত হয়েছে।

বীমা খাতের প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স (PARAMOUNT) ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে এশিয়া ইন্স্যুরেন্স (ASIAINS) এবং মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স (MERCINS) যথাক্রমে ৭ দশমিক ৩০ ও ৬ দশমিক ২৭ শতাংশ দরবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এতে স্পষ্ট হয়েছে যে, বীমা খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ এখনো শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

কয়েকদিনের দরপতনের পর এপেক্স স্পিনিং (APEXSPINN) উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ বেড়ে ৩০৯ টাকা ৭০ পয়সায় উঠে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সংশোধনের পর নতুন করে ক্রেতাদের প্রবেশের ফলে এ উত্থান ঘটেছে।

সিমেন্ট খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ক্রাউন সিমেন্ট (CROWNCEMNT)-এর শেয়ারদর ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৬০ টাকা ৮০ পয়সায় পৌঁছেছে। অবকাঠামো ও নির্মাণ খাতকে ঘিরে প্রত্যাশা বৃদ্ধির কারণে সিমেন্ট কোম্পানিগুলোর প্রতি আগ্রহ বাড়ছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

টেক্সটাইল ও উৎপাদন খাতের আরও দুটি কোম্পানি ডিএসএইচ গার্মেন্টস (DSHGARME) এবং বিডি অটোকার্স (BDAUTOCA) যথাক্রমে ৬ দশমিক ২৫ ও ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ঈদ-পরবর্তী সময়ে বাজারে তারল্য বৃদ্ধি, নির্বাচিত খাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসার ফলে এ ধরনের উত্থান দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে বীমা, সিমেন্ট, শিল্প ও টেক্সটাইল খাতের শেয়ারগুলোতে উল্লেখযোগ্য ক্রয়চাপ বাজারকে ইতিবাচক অবস্থানে রাখতে সহায়তা করছে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: