লেবাননজুড়ে ইতিহাসের বড় হামলা চালাল ইসরায়েল

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক জরুরি বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ২ মার্চ শুরু হওয়া নতুন সামরিক অভিযানের ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে তারা লেবাননজুড়ে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও সমন্বিত বিমান হামলা চালিয়েছে।
ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, মাত্র ১০ মিনিটের এক বিধ্বংসী অভিযানে একযোগে লেবাননের বিভিন্ন প্রান্তে হিজবুল্লাহর ১০০টিরও বেশি কমান্ড সেন্টার এবং সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানা হয়েছে। এই হামলায় মূলত লেবাননের রাজধানী বৈরুত, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বেকা উপত্যকা এবং দক্ষিণ লেবাননের একাধিক এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, যেসব স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে সেগুলোর বেশিরভাগই বেসামরিক জনবসতির ভেতরে সুকৌশলে স্থাপন করা হয়েছিল। তবে তারা আরও উল্লেখ করেছে যে, এই ব্যাপক অভিযানের সময় সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সামরিক সতর্কতা ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির আলোচনার মধ্যেই লেবাননে ইসরায়েলের এই বিশাল সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে নতুন করে উত্তপ্ত করে তুলল। এই হামলার পর হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন এর ফলে সীমান্ত সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
/আশিক
যুদ্ধবিরতির মাঝেই কুয়েতে ইরানের ড্রোন বৃষ্টি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কুয়েতের ওপর বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। বুধবার (৮ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে। কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল সৌদ আব্দুল আজিজ আল-ওতাইবি জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় বুধবার ভোর ৫টা থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় ইরানের পক্ষ থেকে বিপুলসংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত অন্তত ২৮টি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম হলেও বেশ কিছু ড্রোন দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। এই ঘটনাকে কুয়েত ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক ইরানি হামলার তীব্র ঢেউ’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
কুয়েতের দাবি অনুযায়ী, ইরানের এই ড্রোন হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং পানি বিশুদ্ধকরণ (ডিস্যালিনেশন) প্ল্যান্ট। ড্রোনের আঘাতে এসব স্থাপনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কুয়েত কর্তৃপক্ষ।
পাকিস্তান ও চীনের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যখন একটি সাময়িক শান্তির আশা দেখা দিয়েছিল, ঠিক সেই মুহূর্তেই কুয়েতের মতো একটি প্রতিবেশী দেশে ইরানের এই হামলা পুরো বিশ্বকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে। এর আগে বুধবার ভোরে ইসরায়েলও ইরানে হামলা চালিয়েছিল, যার ফলে দুই পক্ষের দেওয়া যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি এখন চরম হুমকির মুখে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন কুয়েতের ওপর এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। যেখানে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে আগামী শুক্রবার ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনার কথা ছিল, সেখানে ইরানের এই নতুন ফ্রন্টে আক্রমণ পুরো কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।
কুয়েতে হামলার ফলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের পক্ষ থেকে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার পথ প্রশস্ত হতে পারে। এখন দেখার বিষয়, হোয়াইট হাউস এবং তেহরান এই হামলার পর তাদের যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তে অটল থাকে কি না।
/আশিক
মোজতবা খামেনির সবুজ সংকেত ও ট্রাম্পের শর্ত: ইরান-মার্কিন চুক্তির নেপথ্য কাহিনী
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই অবশেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এক বিবৃতির মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক সমঝোতার কথা বিশ্ববাসীকে জানিয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, পাকিস্তানের বিশেষ মধ্যস্থতায় এই ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি সম্পন্ন হয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির সরাসরি অনুমোদনের পরেই এই সমঝোতা কার্যকর করা হয়েছে। ইরান এই চুক্তিকে তাদের ‘কূটনৈতিক বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছে এবং জানিয়েছে যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনা পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানান যে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার ভিত্তিতে তিনি দুই সপ্তাহের জন্য ইরানের ওপর সব ধরনের বোমাবর্ষণ ও সামরিক হামলা স্থগিত রাখতে রাজি হয়েছেন।
তবে এই বিরতির প্রধান শর্ত হিসেবে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রাখার বিষয়টি কঠোরভাবে উল্লেখ করেছেন। ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন যে, ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাবটি একটি টেকসই আলোচনার কার্যকর ভিত্তি তৈরি করেছে, যা দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করেছে।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এবং ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম 'কান' জানিয়েছে যে ইসরায়েলও এই যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সায় দিয়েছে। যদিও হোয়াইট হাউসের একটি সূত্র ইসরায়েলি গণমাধ্যমকে জানিয়েছে যে, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বাস্তব পদক্ষেপ দেখার পরেই যুদ্ধবিরতি পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে।
বর্তমানে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর কাছে চূড়ান্ত কোনো ‘যুদ্ধবিরতি’র নির্দেশ না পৌঁছালেও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই দেশের এই নমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যকে এক ভয়াবহ যুদ্ধের হাত থেকে আপাতত রক্ষা করল।
সূত্র: আল জাজিরা
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নাটকীয়তা: যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে ইসরায়েলের হামলা
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে শান্তির যে ক্ষীণ আশা জেগেছিল, তা কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও রণহুঙ্কারে রূপ নিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ইরান মেনে নেওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই দেশটিতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে এই অতর্কিত আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি টেলিভিশন 'চ্যানেল ১২'।
ইসরায়েলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরেও ইরান ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া অব্যাহত রেখেছিল। মূলত সেই হামলাকারী স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দিতে এবং আত্মরক্ষার তাগিদে এই পাল্টা আক্রমণ চালানো হয়েছে। ইসরায়েলের এই অনড় অবস্থান ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যেকার সাময়িক শান্তির প্রচেষ্টাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে।
উল্লেখ্য যে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বিশেষ মধ্যস্থতায় ট্রাম্প ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক হামলা স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এমনকি ইরানের দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাবকে আলোচনার একটি ‘উপযুক্ত ভিত্তি’ হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আগামী শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ইসলামাবাদে দুই সপ্তাহব্যাপী এই শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
কিন্তু আলোচনার টেবিলে বসার আগেই ইসরায়েলের এই সরাসরি হামলা পুরো পরিস্থিতিকে আবারও বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে করে দিয়েছে। এখন কূটনৈতিক মহলে বড় প্রশ্ন—ইসলামাবাদের আসন্ন বৈঠকে এই হামলার কী প্রভাব পড়ে এবং ট্রাম্প প্রশাসন তাঁর মিত্র ইসরায়েলকে এই সংঘাত থেকে নিবৃত্ত করতে পারে কি না। বিশ্বজুড়ে আবারও চরম অস্থিরতা ও তেলের বাজারের অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
/আশিক
হিজবুল্লাহ ও ইরানের যৌথ হামলায় কাঁপল ইসরায়েল: উত্তর থেকে দক্ষিণ জুড়ে সাইরেন
লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে ইসরায়েলের উত্তর ও দক্ষিণ সীমান্তে একযোগে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) চালানো এই আকস্মিক হামলার পরপরই দেশটির বিশাল অংশজুড়ে সতর্ক সংকেত বা সাইরেন বেজে ওঠে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এই অতর্কিত আক্রমণে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোতে জনমনে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ইসরায়েলের প্রভাবশালী গণমাধ্যম 'আরুৎজ শেভা' (Arutz Sheva) তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর পাশাপাশি ইরান থেকেও দক্ষিণ নেগেভ অঞ্চল লক্ষ্য করে একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সেই ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে মাঝ আকাশে ভূপাতিত বা ইন্টারসেপ্ট করতে সক্ষম হয়েছে।
এই মুহূর্ত পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হিজবুল্লাহ ও ইরানের এই যৌথ হামলার ফলে কোনো প্রাণহানি বা গুরুতর হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি অত্যন্ত থমথমে হওয়ায় দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগ পুরো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে বা বাঙ্কারে থাকার কঠোর পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মধ্যপ্রাচ্যের এই চলমান সংঘাত এখন ইসরায়েলের অভ্যন্তরেও বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করছে।
সূত্র: আলজাজিরা।
সৌদি আরবের জুবাইল শিল্পনগরীতে ইরানের ভয়াবহ ড্রোন ও মিসাইল হামলা
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের মাত্রা ছাড়িয়ে এবার সৌদি আরবের শিল্পনগরীতে বড় ধরনের হামলার দাবি করেছে ইরান। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা সৌদি আরবের জুবাইল শিল্পনগরীর একটি পশ্চিমা মালিকানাধীন পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা 'ইরনা'-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, গত কয়েক দিনে ইরানের অভ্যন্তরে তিনটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলার চরম প্রতিশোধ হিসেবেই এই পাল্টা আঘাত হানা হয়েছে। বিশেষ করে সোমবার (৬ এপ্রিল) ইরানের শিরাজে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কারখানায় ইসরায়েলি হামলার পর তেহরান এই কঠোর পদক্ষেপ নিল। ইসরায়েলের দাবি ছিল, শিরাজের ওই কারখানায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত নাইট্রিক অ্যাসিড উৎপাদন করা হতো।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, জুবাইল শিল্পনগরীর ওই কমপ্লেক্সটিতে হামলার পরপরই ভয়াবহ আগুন ধরে যায় এবং বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ইরানি গণমাধ্যম ফার্স, নূর এবং তাসনিম ইতিমধ্যে সেই আগুনের বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছে। জুবাইল শহরটি সৌদি আরবের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে সৌদি আরামকো এবং সাবিক-এর মতো প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পশ্চিমা জ্বালানি জায়ান্টদের বিশাল বিনিয়োগ রয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, তারা ইরানের এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে পারস্য উপসাগরের অপর প্রান্তে এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে এক নতুন এবং ভয়াবহ মোড় দিল বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
/আশিক
বেসামরিক স্থাপনায়ও হামলা! ইরানের ৯টি প্রদেশে যুদ্ধের ভয়াবহ রূপ
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) চরম হুঁশিয়ারির পরপরই ইরানজুড়ে যোগাযোগ অবকাঠামোতে শুরু হয়েছে ভয়াবহ তাণ্ডব। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত থেকে ইরানজুড়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রেলপথ, মহাসড়ক এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। আইডিএফ আগেই ইরানের সাধারণ নাগরিকদের ১২ ঘণ্টার জন্য ট্রেন এবং রেলপথ থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছিল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, গত কয়েক ঘণ্টায় দেশটির যোগাযোগ ব্যবস্থার মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে। আধা-সরকারি মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কাশান শহরে একটি গুরুত্বপূর্ণ রেল সেতুতে হামলায় অন্তত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, কারাজ শহরে একটি ব্যস্ত রেললাইনে সরাসরি বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। সেখান থেকে এক আহত ব্যক্তিকে উদ্ধারের ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
হামলার পরিধি কেবল রেলপথে সীমাবদ্ধ নেই; পশ্চিমাঞ্চলীয় কোম প্রদেশে সড়কপথের বেশ কিছু সেতু লক্ষ্য করে শক্তিশালী প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরআইবি জানিয়েছে, পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের তাবরিজ-তেহরান মহাসড়কের একটি বড় অংশ হামলার শিকার হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এছাড়া খুজেস্তান প্রদেশের আহওয়াজ শহরের অভ্যন্তরীণ হাসক সড়কেও হামলা চালিয়েছে মার্কিন-ইসরায়েলি জোট।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে তাবরিজ ও জানজান শহরের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি বর্তমানে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। ক্যারেহ চামান-মিয়ানেহ সড়কটিও উভয় দিক থেকে বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করছে, এই হামলার লক্ষ্যবস্তু শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থা নয়, বরং আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা সহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনাও ধ্বংস করা হচ্ছে, যা জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
সূত্র: সিএনএন
তেলের মূল কেন্দ্রে আঘাত! খারগ দ্বীপে বিস্ফোরণে কাঁপছে পারস্য উপসাগর
ইরানের অর্থনীতির হৃদপিণ্ড এবং প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বীপটিতে বেশ কয়েকটি বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে, তবে এর ক্ষয়ক্ষতি বা কারণ সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি তেহরান।
খারগ দ্বীপ ইরানের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশটির মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই এই কেন্দ্রটি দিয়ে পরিচালিত হয়। ফলে এখানে যেকোনো ধরনের আঘাত ইরানের জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ৩০ মার্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সরাসরি খারগ দ্বীপ ধ্বংসের হুমকি দিয়েছিলেন। সেই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলকূপ এবং খারগ দ্বীপ নিমেষেই ধ্বংস করে দিতে পারে।
মঙ্গলবার রাতের এই বিস্ফোরণ ট্রাম্পের দেওয়া আলটিমেটামের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এই বিস্ফোরণের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক দায় স্বীকার বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
সূত্র: সিএনএন
যুদ্ধে ১ কোটি ৪০ লাখ ইরানি জীবন দিতে রাজি: পেজেশকিয়ান
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারির জবাবে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, তিনি নিজে এবং ইরানের প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ নাগরিক দেশের জন্য স্বেচ্ছায় জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত রয়েছেন। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য বড় ধরনের সামরিক হামলাকে নিরুৎসাহিত করতেই পেজেশকিয়ান এই বিশাল সংখ্যার কথা উল্লেখ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পেজেশকিয়ান তাঁর পোস্টে লিখেছেন, "১ কোটি ৪০ লাখের বেশি ইরানি নাগরিক এই অভিযানে জীবন দিতে প্রস্তুতির কথা ঘোষণা করেছেন। আমি নিজেও ইরানের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলাম এবং থাকব।" উল্লেখ্য যে, ৯ কোটি জনসংখ্যার ইরানে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও দমনপীড়নের কারণে জনগণের একটি বড় অংশ ক্ষুব্ধ থাকলেও, বাহ্যিক শত্রুর মুখে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিচ্ছেন দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব।
এদিকে, সম্ভাব্য মার্কিন হামলা থেকে জাতীয় সম্পদ রক্ষা করতে এক অভিনব আহ্বান জানিয়েছে তেহরান। সরকারের পক্ষ থেকে দেশের তরুণ, খেলোয়াড়, শিল্পী ও শিক্ষার্থীদের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর চারপাশে 'মানবপ্রাচীর' গড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক ভিডিও বার্তায় সুপ্রিম কাউন্সিলের (যুব) সচিব আলী রেজা রহিমি বলেন, "বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো আমাদের জাতীয় সম্পদ। রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে এগুলো রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।"
হোয়াইট হাউসে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়ে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে কোনো চুক্তিতে না পৌঁছালে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হবে। ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া এই সময়সীমা যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৮টায় শেষ হবে, যা বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী বুধবার ভোর ৬টা। এই চরম উত্তেজনার মাঝে মধ্যপ্রাচ্য এখন এক ভয়াবহ সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।
/আশিক
আবুধাবির এআই সেন্টারকে ‘কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু’ ঘোষণা করল তেহরান
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে নির্মাণাধীন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) গবেষণা কেন্দ্র 'স্টারগেট'-এ হামলার সরাসরি হুমকি দিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ওপেনএআই (OpenAI), ওরাকল ও এনভিডিয়ার মতো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় তৈরি হওয়া এই বিশাল স্থাপনাটি এখন ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে।
তাসনিম নিউজ এজেন্সির দাবি অনুযায়ী, ইরান এই এআই কেন্দ্রটিকে একটি 'কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু' হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তেহরানের মতে, এই কেন্দ্রটি কেবল প্রযুক্তির জন্য নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে, যা ইরানের জন্য উদ্বেগের কারণ। আন্তর্জাতিক আইনের দোহাই দিয়ে ইরান জানিয়েছে যে, যেকোনো আগ্রাসন বা প্রতিকূল পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার তাদের রয়েছে এবং সেই লক্ষ্যেই 'স্টারগেট' কেন্দ্রটিকে তাদের মিসাইল সিস্টেমের নিশানার আওতায় আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, 'স্টারগেট' প্রকল্পটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত আধিপত্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান ত্রিমুখী সংঘাতের ৩৯তম দিনে এসে এই কারিগরি স্থাপনাটি এখন ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রে চলে এল। আবুধাবিতে অবস্থিত এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার হুমকি সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
তথ্যসূত্র: সিএনএন ও তাসনিম নিউজ এজেন্সি
পাঠকের মতামত:
- লেবাননজুড়ে ইতিহাসের বড় হামলা চালাল ইসরায়েল
- এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র নিয়ে ঢাকা বোর্ডের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
- দেশে হামের মহামারি আতঙ্ক: আক্রান্ত ১১ হাজার ছাড়াল, বাড়ছে লাশের মিছিল
- যুদ্ধবিরতির মাঝেই কুয়েতে ইরানের ড্রোন বৃষ্টি
- হরমুজ প্রণালি মুক্ত হতেই বিশ্ব শেয়ারবাজারে উৎসব: সূচকের বিশাল উল্লম্ফন
- ১৮০ দিনে ১০ হাজার প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল ধামাকা
- ইরানকে রাজি করাল চীন? ট্রাম্পের ইঙ্গিতে বিশ্বজুড়ে নতুন তোলপাড়
- হাসনাত আবদুল্লাহর কটাক্ষের জবাব দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বিসিবি এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহর তোপ
- সংসদে ঐতিহাসিক বিল পাস: আইনি সুরক্ষা ও পূর্ণ দায়মুক্তি পেলেন জুলাই যোদ্ধারা
- ৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৮ এপ্রিল: দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৮ এপ্রিল: দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আনচেলত্তির আল্টিমেটাম ও সান্তোসের পরিকল্পনা: নেইমার কি ফিরবেন ব্রাজিলের জার্সিতে?
- হাম নাকি সাধারণ র্যাশ? চেনার উপায় ও চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ
- ইরান যুদ্ধে বিরতির জাদুকরী প্রভাব: শেয়ারবাজারে সূচকের বিশাল উল্লম্ফন
- ট্রাম্প ও খামেনি উভয়েরই ‘বিজয়’ দাবি: কার কৌশলে এল এই ঐতিহাসিক সমঝোতা?
- শিক্ষাই জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর মেগা পরিকল্পনার ঘোষণা
- হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের
- মোজতবা খামেনির সবুজ সংকেত ও ট্রাম্পের শর্ত: ইরান-মার্কিন চুক্তির নেপথ্য কাহিনী
- হঠাৎ বদলে গেল আবহাওয়া: ৩ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝড়ের দাপট
- আজ ঢাকায় কোথায় কী কর্মসূচি, জানুন এক নজরে
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নাটকীয়তা: যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে ইসরায়েলের হামলা
- ৫৩ বার দাম পরিবর্তন: স্বর্ণের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়ল ২০২৬ সাল
- বুধবার ৮ এপ্রিল ২০২৬: জেনে নিন আপনার জেলার নামাজের সঠিক সময়
- প্রেসিডেন্ট অসুস্থ ও উন্মাদ,ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করতে নাগরিক অধিকার সংগঠনের ডাক
- ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: স্থায়ী শান্তির ডাক শাহবাজের
- ৩৮ দিনের সংঘাত শেষে: মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পথে ট্রাম্প
- ব্ল্যাক এপ্রিল: অতীতের সব রেকর্ড ছাপিয়ে ভয়াবহতম জ্বালানি সংকটে বিশ্ব
- যে কারণে বিসিবি সভাপতির চেয়ার হারালেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল
- হিজবুল্লাহ ও ইরানের যৌথ হামলায় কাঁপল ইসরায়েল: উত্তর থেকে দক্ষিণ জুড়ে সাইরেন
- চাঁদের ওপারে নতুন বিশ্ব রেকর্ড: ৪ লাখ কিলোমিটার ছাড়িয়ে ফিরছে আর্টেমিস-২
- সৌদি আরবের জুবাইল শিল্পনগরীতে ইরানের ভয়াবহ ড্রোন ও মিসাইল হামলা
- বেসামরিক স্থাপনায়ও হামলা! ইরানের ৯টি প্রদেশে যুদ্ধের ভয়াবহ রূপ
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের উত্তাপ স্বর্ণের বাজারে: বাড়ছে নিরাপদ বিনিয়োগ
- আজ রাতেই একটি আস্ত সভ্যতা বিলীন হবে, ইরানকে ট্রাম্পের চূড়ান্ত হুমকি
- রাতের মধ্যে ২০ জেলায় ঝড়ের তাণ্ডব: ৬০ কিমি বেগে বাতাস ও বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
- দেবিদ্বারে স্কুল শিক্ষকের আপত্তিকর ভিডিও ধারন ও অর্থ আদায়: নারী কারাগারে
- তেলের মূল কেন্দ্রে আঘাত! খারগ দ্বীপে বিস্ফোরণে কাঁপছে পারস্য উপসাগর
- যুদ্ধে ১ কোটি ৪০ লাখ ইরানি জীবন দিতে রাজি: পেজেশকিয়ান
- মনোনয়ন না দেওয়ায় বিএনপিকে ধন্যবাদ জানালেন রুমিন ফারহানা
- আবুধাবির এআই সেন্টারকে ‘কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু’ ঘোষণা করল তেহরান
- ক্রিকেটে বড় ধামাকা: ১১ সদস্যের কমিটির নেতৃত্বে তামিম, ভেঙে গেল বোর্ড
- হঠাৎ কাঁপল দেশ: কোথায় ছিল এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল?
- ৭ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- শেয়ারবাজারে কমেছে ১০ কোম্পানির দর
- শেয়ারবাজারে চাঙ্গা দিন, লাভের শীর্ষে ১০ কোম্পানি
- ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার ৩৯তম দিনে কী ঘটছে?
- মুক্তির দাবি ঠিক, কিন্তু অনলাইন আক্রমণ কে থামাবে?
- এবার ভারত মহাসাগরে মার্কিন উভচর যুদ্ধজাহাজে ইরানের শক্তিশালী হামলা
- সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা
- ভারতের বিপক্ষে মহাযুদ্ধ! কাল সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের মেগা ফাইনাল
- এক লাফে ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা: স্বর্ণের বাজারে আগুন
- কালিগঞ্জে কাটুনিয়া রাজবাড়ী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াহাব চূড়ান্ত বরখাস্ত
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আবারও স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি ছাড়ালো যত
- মার্কেট বন্ধের নতুন সময়সূচি! আন্তর্জাতিক সংকটে দেশের বাজারে নতুন নিয়ম
- নতুন নিয়মে সন্ধ্যার পর যেসব বিপণিবিতান খোলা থাকবে
- দেশের ৯ জেলায় কালবৈশাখীর আঘাত! ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
- আজকের খেলার সূচি, কোথায় কোন ম্যাচ
- ৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি
- আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা
- চাঁদ জয়ের মহাযাত্রা শুরু! সফলভাবে উড্ডয়ন করল নাসার আর্টেমিস ২
- ০২ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ০২ এপ্রিল ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ








