জ্বলছে কাতার: ইরানি হামলায় বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি কেন্দ্রে ভয়াবহ আগুন

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৯:৩৬:৫৪
জ্বলছে কাতার: ইরানি হামলায় বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি কেন্দ্রে ভয়াবহ আগুন
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের গুরুত্বপূর্ণ রাস লাফফান (Ras Laffan) শিল্পাঞ্চলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ২০২৬) বাংলাদেশ সময় সকাল পৌনে ৭টার দিকে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক জরুরি বিবৃতির মাধ্যমে এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এই এলএনজি (LNG) হাব লক্ষ্য করে চালানো ইরানি হামলায় ওই অঞ্চলের গ্যাস অবকাঠামোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হামলার পরপরই রাস লাফফান শিল্পাঞ্চলে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়, যা নেভাতে কয়েক ঘণ্টা ধরে লড়াই করতে হয়েছে জরুরি পরিষেবা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের। কাতার এনার্জি (QatarEnergy) জানিয়েছে, এই হামলায় স্থাপনাগুলোর 'মারাত্মক ক্ষতি' হলেও সৌভাগ্যবশত কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি এবং সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী নিরাপদ রয়েছেন।

এর আগে গতকাল বুধবারও কাতার জানিয়েছিল যে লস রাফফানের গ্যাস অবকাঠামোতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, কিন্তু এর কয়েক ঘণ্টা পরেই ইরান পুনরায় হামলা চালালে নতুন করে আগুনের সূত্রপাত হয়।

সূত্র: আল-জাজিরা


ইসরায়েলের গভীরে নজিরবিহীন হামলা: পাল্টাঘাতে ইরানের বার্তা, যুদ্ধের নতুন বাস্তবতা

আশিকুর রহমান
আশিকুর রহমান
স্টাফ রিপোর্টার (আন্তর্জাতিক)
বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৫:১৬:৩২
ইসরায়েলের গভীরে নজিরবিহীন হামলা: পাল্টাঘাতে ইরানের বার্তা, যুদ্ধের নতুন বাস্তবতা

ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রতিক ধারাবাহিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে, যেখানে ঘটনাগুলোকে কেবল বিচ্ছিন্ন আক্রমণ হিসেবে নয়, বরং বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে পাল্টাঘাতের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজধানী তেল আবিবসহ মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণ, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত এবং অবিস্ফোরিত অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে যুদ্ধ এখন গভীরতর পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। তেল আবিব অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, দমকল ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট একযোগে কাজ করছে, যা হামলার তীব্রতা ও বিস্তৃতির প্রতিফলন।

এই প্রেক্ষাপটে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, ইরানের সাম্প্রতিক আক্রমণগুলোকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে বরং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে বোঝা প্রয়োজন। সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনাবলিতে দেখা গেছে, ইসরায়েল ও তার মিত্রদের হামলায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হয়েছে, এমনকি উচ্চপর্যায়ের নেতাদেরও হত্যা করা হয়েছে । এই বাস্তবতায় ইরানের পাল্টা আঘাতকে অনেকেই প্রতিরোধমূলক প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছেন।

দক্ষিণ ইসরায়েল এবং নেগেভ অঞ্চলে হামলা পৌঁছানোকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ এই অঞ্চলগুলো আগে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের গভীরতায় আঘাত হানা ইরানের সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি তার কৌশলগত বার্তারও প্রতিফলন, যা প্রতিপক্ষকে দেখাতে চায় যে যুদ্ধের ভৌগোলিক সীমা আর আগের মতো সীমাবদ্ধ নেই।

হতাহতের ঘটনাও পরিস্থিতির গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করেছে। মধ্য ইসরায়েলের মোশাভ আদানিম এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে এক বিদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন, অন্যদিকে পশ্চিম তীরের হেবরন অঞ্চলে ধ্বংসাবশেষ পড়ে ফিলিস্তিনি নারীদের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এই বাস্তবতা দেখায়, যুদ্ধ এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে বেসামরিক জনগোষ্ঠীই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছে।

এদিকে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার ঘটনায় আঞ্চলিক দেশগুলোও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ইরাকসহ কয়েকটি দেশ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলাকে অযৌক্তিক উত্তেজনা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে সংঘাত কেবল দুই পক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং বৃহত্তর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেও হুমকির মুখে ফেলছে ।

আন্তর্জাতিক পর্যায়েও উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন অভিজ্ঞ নেতা ও বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এই যুদ্ধকে সামরিক সমাধানের মাধ্যমে শেষ করা সম্ভব নয়। বরং এটি দীর্ঘমেয়াদে আরও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে, যেমন অতীতের মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতগুলোতে দেখা গেছে। একই সঙ্গে তারা জোর দিচ্ছেন যে, যুদ্ধের সূচনা এবং তার বিস্তারকে বোঝার জন্য বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

সার্বিকভাবে দেখা যাচ্ছে, ইরান কেবল প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে নেই, বরং কৌশলগতভাবে এমন এক অবস্থান নিয়েছে যেখানে সীমিত কিন্তু ধারাবাহিক আঘাতের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের নিরাপত্তা ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে। অনেক বিশ্লেষকের মতে, এটি একটি হিসাবকৃত প্রতিরোধ কৌশল, যেখানে প্রতিটি আঘাত শুধু সামরিক নয়, বরং রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক বার্তাও বহন করে। এই বাস্তবতায় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ক্রমশ এক দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল ক্ষমতার লড়াইয়ে পরিণত হচ্ছে, যেখানে শক্তির পাশাপাশি স্থায়িত্ব ও কৌশলই হয়ে উঠছে নির্ধারক উপাদান।


আবার হামলা হলেই আরবের জ্বালানি খাত হবে ধ্বংস: ইরান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৪:৫৫:৩৯
আবার হামলা হলেই আরবের জ্বালানি খাত হবে ধ্বংস: ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জ্বালানি অবকাঠামোকে কেন্দ্র করে কঠোর হুঁশিয়ারি জারি করেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। সংস্থাটি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, ইরানের জ্বালানি খাতে পুনরায় হামলা হলে উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর তেল ও গ্যাস স্থাপনাগুলোকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হবে এবং সেই হামলা থামবে না যতক্ষণ না এসব অবকাঠামো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করেছে, তাদের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে প্রতিপক্ষ ‘গুরুতর ভুল’ করেছে এবং এর প্রতিক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করেছে, ভবিষ্যতে আরও বড় ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

এই উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে ইসরায়েলের হামলায়, যেখানে ইরানের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র সাউথ পার্সকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এই ঘটনার পরপরই আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয় এবং ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৬ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১০ ডলারে পৌঁছায়।

আইআরজিসি ইতোমধ্যে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনার নাম উল্লেখ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের সামরেফ রিফাইনারি ও জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হোসন গ্যাসক্ষেত্র এবং কাতারের মেসাইয়িদ ও রাস লাফান শিল্পাঞ্চল।

এদিকে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি সাউথ পার্সে ইসরায়েলের হামলাকে ‘বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে।

সংঘাতের বিস্তার হিসেবে ইরান ইতোমধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও কুয়েতে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি তেহরান ইরাকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে, যা ইরাকের মোট জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করে থাকে। এতে ইরাকের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে মিত্র দেশগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র একা এই দায়িত্ব বহন করবে না এবং মিত্রদের এখনই সক্রিয় হয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ খোলা রাখতে ভূমিকা রাখতে হবে।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের ভেতরে হাজার হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। একই সময়ে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

-রফিক


ইরানের হামলায় কাঁপলো চার মুসলিম দেশ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৪:৪২:০৫
ইরানের হামলায় কাঁপলো চার মুসলিম দেশ
ছবি: সংগৃহীত

গ্যাসক্ষেত্রে সাম্প্রতিক হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ইরান। সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে। এই হামলার পর চার দেশেই জরুরি সতর্ক সংকেত জারি করা হয় এবং বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজতে শোনা যায়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদের দিকে ধেয়ে আসা চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে প্রতিহত করেছে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই ধ্বংস করা হলেও সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ শহরের বিভিন্ন স্থানে পড়ে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এছাড়া সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস স্থাপনাকে লক্ষ্য করে আসা একটি ড্রোনও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়েছে। ফলে সেটিও নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারেনি।

অন্যদিকে কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাস লাফান শিল্পাঞ্চলে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ইরানের হামলার পরপরই এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে, তবে পরে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তত ১৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। সংঘাত শুরুর পর থেকে মোট ৪২১টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার তথ্যও তারা দিয়েছে। একই সময়ে ৯৪ বার সতর্ক সংকেত বাজানো হয়েছে, যা পরিস্থিতির তীব্রতাকে নির্দেশ করে।

বাহরাইনেও হামলার আশঙ্কায় সাইরেন বাজানো হয় এবং দেশটির নাগরিক ও প্রবাসীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষ সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস স্থাপনার আশপাশের এলাকা খালি করার আহ্বান জানায়। এসব স্থাপনাকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের হামলার পর এই উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারি দেয়।

এদিকে কাতার সরকার এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত করা শুধু একটি দেশের জন্য নয়, বরং পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।

-রফিক


ইরানি হামলার পর ইসরায়েলের বিমানবন্দরে তিন উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত 

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৪:৩৭:৫৪
ইরানি হামলার পর ইসরায়েলের বিমানবন্দরে তিন উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত 
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার বেনগুরিয়ন বিমানবন্দরে পড়ে তিনটি বেসামরিক উড়োজাহাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে একটি উড়োজাহাজে আগুন ধরে যায়, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

ইসরায়েলের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বুধবার এক বিবৃতিতে জানায়, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারেনি। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলো আকাশেই ধ্বংস করে দেয়। তবে ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়ে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে থাকা উড়োজাহাজগুলোতে আঘাত হানে এবং এতে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়।

কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত উড়োজাহাজগুলো কোন এয়ারলাইনের, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকেই বেনগুরিয়ন বিমানবন্দরে নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে। যদিও ইসরায়েলি এয়ারলাইনগুলো বিদেশে আটকে থাকা নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সীমিত আকারে কিছু বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে এই বিমানবন্দরটি কেবল বেসামরিক নয়, সামরিক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীও এই স্থাপনাটি ব্যবহার করছে বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক হামলায় ব্যবহৃত ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বড় অংশ ছিল ক্লাস্টার মিউনিশন। এ ধরনের অস্ত্র মাঝ আকাশে বিস্ফোরিত হয়ে বহু ছোট বোমা বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে দেয়, যার ফলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ না করলেও ধ্বংসাবশেষ বা ছিটকে পড়া অংশ বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কারণ হতে পারে।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েল প্রকাশিত কিছু ছবিতে দেখা গেছে, একটি উড়োজাহাজে ধ্বংসাবশেষের আঘাতে আগুন ধরে যায় এবং অন্য দুটি উড়োজাহাজও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইসরায়েলি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের এক মুখপাত্র নিশ্চিত করে বলেছেন, প্রতিহত করা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতেই এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ঘটনাটি সাম্প্রতিক উত্তেজনার একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।

-রফিক


ঈদ কি তবে শুক্রবার? সৌদি আরবের চাঁদ দেখা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটল!

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৮ ২২:০৪:৪৮
ঈদ কি তবে শুক্রবার? সৌদি আরবের চাঁদ দেখা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটল!
ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবে আজ বুধবার (১৮ মার্চ) পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে দেশটিতে এবারের রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চ শুক্রবার দেশটিতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। আজ বুধবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আরবি বর্ষপঞ্জিকা অনুযায়ী, রমজান মাসের সমাপ্তির পর শাওয়াল মাসের প্রথম দিনেই বিশ্বব্যাপী মুসলিম উম্মাহ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করে। আজ বুধবার সৌদিতে ২৯ রমজান ছিল, কিন্তু আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় বা বৈজ্ঞানিক কারণে চাঁদ দেখা না যাওয়ায় শুক্রবারকেই ঈদের দিন হিসেবে ধার্য করা হয়েছে। সৌদি আরবের এই ঘোষণার পরপরই কাতার, কুয়েত এবং আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোতেও শুক্রবার ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

/আশিক


ইসরায়েলে ইরানি মিসাইলের তাণ্ডব; লারিজানি হত্যার বদলায় জ্বলছে তেল আবিব

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৮ ১৯:৪৩:১৫
ইসরায়েলে ইরানি মিসাইলের তাণ্ডব; লারিজানি হত্যার বদলায় জ্বলছে তেল আবিব
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানিকে হত্যার দাঁতভাঙা জবাব দিতে ইসরায়েলজুড়ে নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে তেহরান। বুধবার (১৮ মার্চ) রাতভর চালানো এই হামলায় ইরান প্রথমবারের মতো শক্তিশালী 'ক্লাস্টার ওয়ারহেড' যুক্ত মিসাইল ব্যবহার করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) এই বিধ্বংসী অভিযানে তেল আবিবসহ ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলীয় শহরগুলোতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, বৃষ্টির মতো ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একাধিক বহুতল ভবন ধসে পড়েছে এবং অনেক এলাকা এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর ইসরায়েলে একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব হলেও দেশটির প্রাণকেন্দ্র রামাত গানে একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হেনেছে। বিকট বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠা এই শহরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মাটির সাথে মিশে গেছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (১৬ মার্চ) ইসরায়েলি বিমান হামলায় আলী লারিজানিসহ ইরানের বাসিজ বাহিনীর প্রধান এবং আরও বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হওয়ার পর থেকেই তেহরান এই ‘কঠিন প্রতিশোধের’ হুমকি দিয়ে আসছিল। বুধবারের এই পাল্টাপাল্টি রক্তক্ষয়ী হামলা মধ্যপ্রাচ্যকে এক ভয়াবহ পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে।

/আশিক


পুতিনের গোপন চাল; মার্কিন রাডার ধ্বংস করতে ইরানকে সাহায্য করছে মস্কো!

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৮ ১৯:০০:৫২
পুতিনের গোপন চাল; মার্কিন রাডার ধ্বংস করতে ইরানকে সাহায্য করছে মস্কো!
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানকে সামরিকভাবে শক্তিশালী করতে রাশিয়া স্যাটেলাইট চিত্র (Satellite Imagery) এবং উন্নত ড্রোন প্রযুক্তি সরবরাহ করছে বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল (WSJ)। বুধবার (১৮ মার্চ) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রাশিয়া তার নিজস্ব সামরিক উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত রিয়েল-টাইম গোয়েন্দা তথ্য সরাসরি তেহরানের কাছে হস্তান্তর করছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর অবস্থান শনাক্ত করতে ইরানকে সহায়তা করছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, রাশিয়া কেবল তথ্যই দিচ্ছে না, বরং ইরানের বিখ্যাত 'শাহেদ' ড্রোনের আধুনিকায়নেও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে। বিশেষ করে ড্রোনের যোগাযোগ ব্যবস্থা, নেভিগেশন এবং নির্ভুল লক্ষ্যভেদের সক্ষমতা বাড়াতে মস্কো বিভিন্ন সরঞ্জাম ও ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছে। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, রাশিয়ার এই গোপন সহায়তার কারণেই সাম্প্রতিক সময়ে জর্ডানে মোতায়েন মার্কিন 'থাড' (THAAD) রাডার ব্যবস্থা এবং বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় নিখুঁত হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে ইরান। যদিও ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই প্রতিবেদনকে "ফেক নিউজ" বলে উড়িয়ে দিয়েছেন, তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘায়িত করা রাশিয়ার সামরিক ও অর্থনৈতিক কৌশলেরই একটি অংশ।

/আশিক


সৌদিতে আজ কি দেখা যাবে ঈদের চাঁদ? সর্বশেষ যা জানা যাচ্ছে

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৮ ১৮:৫৩:১৮
সৌদিতে আজ কি দেখা যাবে ঈদের চাঁদ? সর্বশেষ যা জানা যাচ্ছে
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণে আজ বুধবার (১৮ মার্চ) সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। আজ এসব দেশে ২৯ রমজান হওয়ায় মুসলিম উম্মাহর নজর এখন পশ্চিমাকাশে। তবে গালফ নিউজের এক প্রতিবেদন এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গাণিতিক বিশ্লেষণ বলছে, আজ বিশ্বের কোথাও খালি চোখে শাওয়ালের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, চাঁদ আজ সূর্যাস্তের আগেই অস্ত যাবে, যা খালি চোখে দেখা অসম্ভব করে তুলবে।

অন্যদিকে তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, ইরান এবং ওমানসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার হবে ২৯ রমজান। ফলে এসব দেশে চাঁদ দেখা হবে বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের পর। বিশেষজ্ঞদের মতে, পূর্বাঞ্চলীয় দেশগুলোতে বুধবার চাঁদ দেখা একেবারেই অসম্ভব এবং মধ্যাঞ্চলেও তা অত্যন্ত কঠিন হবে। তাই প্রচলিত চাঁদ দেখা পদ্ধতি এবং আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের সমন্বয়ে অধিকাংশ দেশে ঈদুল ফিতর আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) বা শনিবার উদযাপিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চূড়ান্ত ঘোষণা মূলত আজ ও কালকের চাঁদ দেখার ওপরই নির্ভর করছে।

/আশিক


ওয়াশিংটনের সাথে সব বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করল মালয়েশিয়া

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৮ ১৭:২৯:২৩
ওয়াশিংটনের সাথে সব বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করল মালয়েশিয়া
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল ঘোষণা করেছে মালয়েশিয়া। দেশটির বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী দাতুক সেরি জোহারি আব্দুল ঘানি জানিয়েছেন, মালয়েশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ‘অ্যাগরিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড’ বা পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিটি এখন থেকে সম্পূর্ণ অকার্যকর ও শূন্য বলে গণ্য হবে। গত ২০ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট পারস্পরিক শুল্ক নীতি বাতিল করার প্রেক্ষিতে মালয়েশিয়া এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, মালয়েশিয়া থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ১৯ শতাংশ নির্ধারিত ছিল এবং কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এর বিনিময়ে মালয়েশিয়া মার্কিন পণ্যের জন্য বাজার উন্মুক্ত ও নীতিগত ছাড় দিয়েছিল। মন্ত্রী জোহারি স্পষ্ট করেছেন যে, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো শুল্ক আরোপ করতে চায়, তবে তা অবশ্যই নির্দিষ্ট কারণের ওপর ভিত্তি করে হতে হবে; ঢালাওভাবে কোনো শুল্ক মেনে নেওয়া হবে না। বর্তমানে মার্কিন সরকার ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্ট ব্যবহার করে ১৫০ দিনের জন্য ১০ শতাংশ অস্থায়ী শুল্ক আরোপ করছে, যা নিয়ে মালয়েশিয়া সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

মালয়েশিয়ার এই পদক্ষেপ বিশ্ব বাণিজ্যে একটি বড় সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশটির বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক্স, পাম তেল এবং রাবার খাতের প্রায় ২৩৩ বিলিয়ন রিঙ্গিত মূল্যের রপ্তানি এখন ঝুঁকির মুখে। শুধু মালয়েশিয়া নয়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, ভারত ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোও মার্কিন শুল্কের বিপরীতে বড় ধরনের ছাড় দিয়ে চুক্তি করেছিল, যা আদালতের রায়ে এখন গুরুত্ব হারিয়েছে। মন্ত্রী জোহারি মালয়েশিয়ার রপ্তানিকারকদের আন্তর্জাতিক শ্রম ও পরিবেশ সংক্রান্ত মানদণ্ড কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন যাতে ভবিষ্যতে বাণিজ্যে আর কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: