ডিজেল নিয়ে বন্দরে দ্বিতীয় জাহাজ: কাটছে কি জ্বালানি সংকটের মেঘ?

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১১ ১০:৩৪:৩২
ডিজেল নিয়ে বন্দরে দ্বিতীয় জাহাজ: কাটছে কি জ্বালানি সংকটের মেঘ?
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া জ্বালানি সংকটের আশঙ্কার মাঝেই স্বস্তির খবর দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে ‘লিয়ান হুয়ান হু’ নামক আরও একটি বিশাল ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় এসে পৌঁছেছে। গত ১১ দিনের ব্যবধানে এটি দেশে আসা দ্বিতীয় ডিজেলবাহী জাহাজ। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ট্যাংকারটি বন্দরে পৌঁছানোর পরপরই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে জ্বালানি খালাস প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এর আগে গত সোমবারও ‘শিউ চি’ নামের একটি জাহাজ ২৭ হাজার ২০৪ মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে বন্দরে এসেছিল।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে আরও তিনটি ডিজেলবাহী ট্যাংকার পর্যায়ক্রমে বন্দরে ভিড়বে। এর মধ্যে আগামী ১২ মার্চ ৩০ হাজার ৪৮৪ মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে আসবে ‘এসপিটি থেমিস’। এছাড়া ১৩ মার্চ ‘র‍্যাফেলস সামুরাই’ এবং ১৫ মার্চ ‘চাং হাং হং তু’ নামক আরও দুটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এশিয়ায় বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানিকৃত এই পাঁচটি জাহাজ মিলিয়ে দেশে মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৫ মেট্রিক টন পরিশোধিত ডিজেল যুক্ত হচ্ছে, যা দেশের বর্তমান মজুত পরিস্থিতিকে অনেক বেশি শক্তিশালী করবে।

বিপিসির বাণিজ্যিক ও অপারেশন বিভাগের কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ জানিয়েছেন, বর্তমানের সাশ্রয়ী সরবরাহ ব্যবস্থা (দৈনিক ৯ হাজার মেট্রিক টন) বজায় থাকলে এই নতুন চালানে আসা ডিজেল দিয়ে অন্তত ১৬ দিনের বাড়তি চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আরও ১৬ থেকে ১৭ দিনের প্রয়োজন মেটানো যাবে। ফলে নতুন আসা এই বিশাল চালানের পর সব মিলিয়ে দেশের প্রায় এক মাসের ডিজেল চাহিদা পূরণ নিয়ে আর কোনো শঙ্কা থাকবে না। যুদ্ধকালীন এই জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুততার সাথে জ্বালানি খালাস নিশ্চিত করতে বন্দর ও বিপিসি সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সরবরাহ ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন থাকায় বাজারে যে কৃত্রিম সংকট বা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা দ্রুত প্রশমিত হবে বলে আশা করছে বিপিসি কর্তৃপক্ষ। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা মোকাবিলায় সরকারের এই আগাম আমদানির সিদ্ধান্ত দেশের পরিবহন ও উৎপাদন খাতকে সচল রাখতে বড় ভূমিকা পালন করবে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাকি জাহাজগুলো সময়মতো পৌঁছালে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

/আশিক


টাকার মান কি বাড়ল না কমল? দেখে নিন আজকের সর্বশেষ মুদ্রার রেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ১৩:০৫:৪৯
টাকার মান কি বাড়ল না কমল? দেখে নিন আজকের সর্বশেষ মুদ্রার রেট
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রবাসী আয়ের পরিধি প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

এই অর্থনৈতিক লেনদেন সচল রাখতে মুদ্রার বিনিময় হার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আজ শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার নতুন বিনিময় হার নির্ধারিত হয়েছে।

লেনদেনের সুবিধার জন্য প্রবাসীদের এবং ব্যবসায়ীদের এই আপডেট জেনে রাখা জরুরি।

আজকের বাজার দর অনুযায়ী, এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা পাওয়া যাচ্ছে।

ইউরোপীয় মুদ্রা ইউরোর দাম দাঁড়িয়েছে ১৪২ টাকা ২৪ পয়সায় এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মান আজ ১৬৩ টাকা ৩০ পয়সা।

প্রবাসী ভাইদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কুয়েতি দিনারের দাম আজ ৩৯৫ টাকা ৭৭ পয়সা এবং সৌদি রিয়ালের মান ৩২ টাকা ৬১ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে।

মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত আজ ৩০ টাকা ৩৮ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

এছাড়া সিঙ্গাপুরি ডলারের বিনিময় হার আজ ৯৫ টাকা ৬১ পয়সা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৫ টাকা ০১ পয়সা।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান আজ ১ টাকা ৩১ পয়সা।

মুদ্রার এই বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে, তাই বড় লেনদেনের আগে ব্যাংকের সর্বশেষ রেট যাচাই করে নেওয়া ভালো।

(সূত্র: গুগল)

*যে কোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।


স্বর্ণের দামে বড় ধস! এক ধাক্কায় অনেকটা কমল স্বর্ণ ও রুপার দাম 

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ১১:২৮:১৩
স্বর্ণের দামে বড় ধস! এক ধাক্কায় অনেকটা কমল স্বর্ণ ও রুপার দাম 
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় দরপতনের খবর দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্থানীয় বাজারেও এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১০টা থেকেই সারা দেশে এই নতুন দাম কার্যকর করা হয়েছে।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও সাধারণ ক্রেতাদের নাগালে আনতে উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি রুপার দাম ৩৫০ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫,৭১৫ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে গত কয়েক দিন স্বর্ণের দাম যে উচ্চপর্যায়ে ছিল, তা কিছুটা থিতু হওয়ায় দেশের বাজারেও এই সমন্বয় করা সম্ভব হয়েছে।

এর ফলে বিয়ের মৌসুমের এই সময়ে সাধারণ ক্রেতা ও গয়না ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

/আশিক


দক্ষিণ এশিয়া ও আসিয়ান অঞ্চলে জ্বালানি তেলের দাম: বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়?

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৪ ১৭:২৬:১৪
দক্ষিণ এশিয়া ও আসিয়ান অঞ্চলে জ্বালানি তেলের দাম: বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়?

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব এখন বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি, ডলার সংকট, পরিবহন ব্যয় এবং বীমা খরচ বেড়ে যাওয়ায় দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকে জ্বালানি মূল্য সমন্বয় করতে হচ্ছে। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশ-ও অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা, ডিজেল ১১৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সার্ক ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ এখন মাঝামাঝি অবস্থানে থাকলেও কিছু দেশে জ্বালানি মূল্য আরও বেশি, আবার কিছু দেশে সরকারি ভর্তুকির কারণে অনেক কম।

সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভারত ও নেপাল-এ কর কাঠামো ও অভ্যন্তরীণ শুল্ক বেশি হওয়ায় জ্বালানির দাম তুলনামূলকভাবে উচ্চ। ভারতে অকটেনের দাম বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা, পেট্রোল ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা এবং ডিজেল ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে রয়েছে। তবে ভারতের কেরোসিন এখনো ভর্তুকিপ্রাপ্ত হওয়ায় এর দাম বাংলাদেশের তুলনায় কম, প্রায় ৯২ থেকে ৯৫ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। অন্যদিকে নেপালে জ্বালানির দাম পুরো অঞ্চলের মধ্যে অন্যতম বেশি। সেখানে অকটেনের দাম ১৮৫ থেকে ১৯৫ টাকা, পেট্রোল ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা, ডিজেল ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকার মধ্যে রয়েছে।

শ্রীলঙ্কা-তেও অর্থনৈতিক সংকটের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এখনো পুরোপুরি কাটেনি। ফলে সেখানে অকটেনের দাম ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা, পেট্রোল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা এবং ডিজেল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকার মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তান তুলনামূলকভাবে বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে। সেখানে অকটেনের দাম ১৩৫ থেকে ১৩৮ টাকা, পেট্রোল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা, ডিজেল ১১৫ থেকে ১২০ টাকা এবং কেরোসিন ১২০ থেকে ১২৫ টাকার মধ্যে রয়েছে। অর্থাৎ ডিজেলের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বাজারমূল্য বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।

আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর চিত্র আরও বৈচিত্র্যময়। যেসব দেশের নিজস্ব তেলক্ষেত্র ও শোধনাগার রয়েছে, তারা এখনো তুলনামূলকভাবে কম দামে জ্বালানি সরবরাহ করতে পারছে। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ মালয়েশিয়া। দেশটিতে সরকারি ভর্তুকির কারণে অকটেনের দাম মাত্র ৮২ টাকা, পেট্রোল ৬৫ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৭৪ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ, যা পুরো এশিয়ার মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন। ইন্দোনেশিয়া-তেও সরকারি নিয়ন্ত্রণের কারণে জ্বালানির দাম তুলনামূলকভাবে সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। সেখানে অকটেনের দাম প্রায় ১১৮ টাকা, পেট্রোল ১০৫ টাকা এবং ডিজেল ১১২ টাকা।

অন্যদিকে ভিয়েতনাম-এ জ্বালানি মূল্য বাংলাদেশের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে অকটেনের দাম প্রায় ১৩৮ টাকা, পেট্রোল ১২৮ টাকা এবং ডিজেল ১১৮ টাকার মধ্যে রয়েছে। তবে থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর-এর মতো আমদানিনির্ভর এবং উচ্চ কর কাঠামোর দেশগুলোতে জ্বালানির মূল্য অনেক বেশি। থাইল্যান্ডে অকটেনের দাম প্রায় ১৯৫ টাকা, পেট্রোল ১৮৫ টাকা এবং ডিজেল ১৪৮ টাকা। আর সিঙ্গাপুরে অকটেনের দাম ৩১০ টাকা, পেট্রোল ২৮০ টাকা এবং ডিজেল ২৪৫ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা পুরো অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের একটি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই তুলনামূলক চিত্র থেকে স্পষ্ট হয় যে বাংলাদেশের জ্বালানি বাজার এখন এক জটিল বাস্তবতার মুখোমুখি। একদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর উচ্চ নির্ভরতা, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ ভর্তুকি সীমিত হয়ে আসায় ভবিষ্যতে জ্বালানির দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্যবৃদ্ধি পরিবহন, কৃষি, শিল্প এবং নিত্যপণ্যের বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা এখন শুধু অর্থনৈতিক বিষয় নয়; বরং এটি বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগত পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।


রেকর্ড পতন স্বর্ণের দামে, বাজুসের নতুন ঘোষণা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৪ ১০:৩২:০২
রেকর্ড পতন স্বর্ণের দামে, বাজুসের নতুন ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দামের বড় সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দর নিম্নমুখী হওয়া এবং স্থানীয় পর্যায়ে তেজাবি বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের মূল্য কমে যাওয়ায় দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

বাজুস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে। সংশোধিত দামে এখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায়, যা আগের দামের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের দাম রাখা হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায়।

শুধু স্বর্ণ নয়, রুপার বাজারেও দাম কমিয়েছে বাজুস। প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট রুপার দাম ৩৫০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৪২৪ টাকায় এবং ১৮ ক্যারেট রুপার নতুন মূল্য ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা। সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৪৯৯ টাকায়।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণের দামে ওঠানামা এবং ডলারের বিনিময় হারের পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি দেশের বাজারেও পড়ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা কমে আসায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের ওপর চাপ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। এর ফলেই বিশ্ববাজারে দর কিছুটা নেমে এসেছে।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৫৬ বার স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ২৪ বার কমানো হয়েছে। একই সময়ে রুপার দামও ৩৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যা দেশের মূল্যবান ধাতুর বাজারে অস্বাভাবিক অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

গত ১৫ এপ্রিল স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তবে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও দাম কমানোর ঘোষণায় সাধারণ ক্রেতা ও স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সামনে বিয়ে ও উৎসব মৌসুমকে কেন্দ্র করে বাজারে স্বর্ণের চাহিদা বাড়লেও দাম কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়তে পারে।

-রাফসান


ডলারের দাপটে কোণঠাসা স্বর্ণ! বিশ্ববাজারে কেন কমছে দামী এই ধাতুর দাম?

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৩ ১৭:৪৬:০৭
ডলারের দাপটে কোণঠাসা স্বর্ণ! বিশ্ববাজারে কেন কমছে দামী এই ধাতুর দাম?
ছবি : সংগৃহীত

বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। শক্তিশালী মার্কিন ডলারের অবস্থান এবং জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের এই দরপতনের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা স্বর্ণের বাজারকে আরও নিম্নমুখী করে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৬৯৯.৮৫ ডলারে নেমে এসেছে। পাশাপাশি জুন ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারের দামও সমপরিমাণ অর্থাৎ ০.৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪,৭১৬.২০ ডলারে। বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের কাছাকাছি থাকায় মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বেড়েছে। এর ফলে সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে—এমন ধারণা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে জোরালো হচ্ছে।

স্বাভাবিকভাবেই সুদের হার বেশি থাকলে স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমে যায়। এছাড়া শক্তিশালী ডলারের কারণে বিশ্বের অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কেনা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার পরবর্তী অগ্রগতির ওপরই নির্ভর করছে আগামী দিনগুলোতে স্বর্ণের বাজার কোন দিকে মোড় নেবে।

সূত্র: খবর রয়টার্স


রেকর্ড দামের পর অবশেষে স্বস্তি: সোনার ভরিতে বড় ছাড় দিল বাজুস

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৩ ১০:৩৩:১২
রেকর্ড দামের পর অবশেষে স্বস্তি: সোনার ভরিতে বড় ছাড় দিল বাজুস
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে সোনার আকাশচুম্বী দামের মধ্যে কিছুটা স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১০টা থেকেই এই নতুন দাম কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাজুসের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম কমার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, এখন থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনা কিনতে খরচ পড়বে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা।

এর আগে সোনার দাম আড়াই লাখ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়ে রেকর্ড তৈরি করেছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রেক্ষাপটে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।

/আশিক


সোনার সাথে রুপার দামেও আগুন! আজ থেকে কার্যকর নতুন দর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২২ ১০:২৪:১০
সোনার সাথে রুপার দামেও আগুন! আজ থেকে কার্যকর নতুন দর
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) থেকে সারা দেশে মূল্যবান এই দুই ধাতু সবশেষ নির্ধারিত নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা এবং রুপার দাম ৩৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন এই দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে রেকর্ড ৫৫ বার স্বর্ণের দাম এবং ৩৪ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হলো।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৬৫ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৭৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা ও স্থানীয় চাহিদার কারণে দামের এই উর্ধ্বগতি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

/আশিক


ডলার শক্তিশালী হওয়ায় বিপাকে স্বর্ণের বাজার! বাড়ছে দুশ্চিন্তা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২১ ২১:৫১:২৪
ডলার শক্তিশালী হওয়ায় বিপাকে স্বর্ণের বাজার! বাড়ছে দুশ্চিন্তা
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের একচেটিয়া আধিপত্য এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের দরপতনের মুখে পড়েছে স্বর্ণ। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ড বা প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রায় ০.৯ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৪,৭৭৭.৭৭ ডলারে নেমে এসেছে। গত কয়েক মাসের মধ্যে স্বর্ণের দামে এমন নিম্নমুখী প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মূলত মার্কিন ডলারের মান শক্তিশালী হওয়ায় অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারী ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কেনা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। এর পাশাপাশি মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ফেডারেল রিজার্ভ’-এর সম্ভাব্য উচ্চ সুদের হারের পূর্বাভাস বিনিয়োগকারীদের স্বর্ণের মতো মুনাফাবিহীন সম্পদ থেকে বিমুখ করে তুলছে। বিনিয়োগকারীরা এখন স্বর্ণের চেয়ে ডলার বা বন্ডে বিনিয়োগ করাকেই বেশি নিরাপদ মনে করছেন।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, এই মুহূর্তে বিনিয়োগকারীদের পুরো নজর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার দিকে। অনলাইন ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম ‘ওএএনডিএ’-র জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক জাইন ভাওদা মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির উত্তেজনা যদি প্রশমিত হয়, তবে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা আরও কমবে এবং দাম বড় ব্যবধানে পড়ে যেতে পারে। তার পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিকট ভবিষ্যতে প্রতি আউন্স স্বর্ণ ৪,৭৫০ থেকে ৪,৮৫০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।

স্বর্ণের ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক বাজারে রুপা ও প্লাটিনামের দামও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। স্পট সিলভারের দাম ১.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৮.৮১ ডলারে এবং প্লাটিনামের দাম ০.৭ শতাংশ কমে ২,০৭৪.৩০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে বিরল ধাতু প্যালাডিয়ামের দাম বিশ্ববাজারে সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

অন্যদিকে, ইরান ও ইসরায়েল সংকটের পারদ কিছুটা নামতে শুরু করায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামও নিম্নমুখী হতে শুরু করেছে। শান্তি আলোচনার খবরে তেলের বাজার থেকে অস্থিরতা কাটতে থাকায় বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

সূত্র: রয়টার্স


সব রেকর্ড চুরমার: স্বর্ণের দাম বাড়াল বাজুস, আজকের রেট জেনে নিন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২১ ১০:২৬:৩৭
সব রেকর্ড চুরমার: স্বর্ণের দাম বাড়াল বাজুস, আজকের রেট জেনে নিন
ছবি : সংগৃহীত

বৈশ্বিক উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের স্বর্ণের বাজারে। সব রেকর্ড ভেঙে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি করায় বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা।

গত ১৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া এই ঐতিহাসিক দামেই আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) দেশের বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা চলছে। বাজুসের তথ্যমতে, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকায় দেশীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।

আজকের স্বর্ণের বাজার দর (২২ ক্যারেট)

প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম): ২,৫০,১৯৩ টাকা।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত ৯ এপ্রিল স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। কিন্তু এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: