শেয়ারবাজারে Q2 ঝড়, কার লাভ কার ক্ষতি, কোন খাতে কী বার্তা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০১ ১১:০৫:২৬
শেয়ারবাজারে Q2 ঝড়, কার লাভ কার ক্ষতি, কোন খাতে কী বার্তা
ছবি: সংগৃহীত

এই দফায় বেশ কয়েকটি কোম্পানির EPS কমেছে মূলত কস্ট বৃদ্ধি, সুদের হার, ফাইন্যান্স কস্ট ও বিক্রয়মূল্য চাপ থেকে। একই সঙ্গে অনেক প্রতিষ্ঠানের NOCFPS এ বড় ওঠানামা দেখা গেছে, যা সাধারণত ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল, সরবরাহকারীকে বেশি পেমেন্ট, গ্রাহক থেকে কালেকশন কমা বা রিসিভেবল রিয়ালাইজেশন দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। NAV বেশ কিছু ক্ষেত্রে ডিভিডেন্ড পেমেন্ট, লোকসান, দায় বাড়া বা রিভ্যালুয়েশন এডজাস্টমেন্টের কারণে নড়েছে।

স্কয়ার টেক্সটাইল এসএমই লিমিটেড (স্কয়ারটেক্সট)

স্কয়ার টেক্সটাইলের কিউ২ অনঅডিটেড ঘোষণায় দেখা যাচ্ছে, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ সময়ে কনসোলিডেটেড ইপিএস নেমে এসেছে ০.১৪ টাকায়, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১.৯৩ টাকা। আবার জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৫ অর্ধবার্ষিকে কনসোলিডেটেড ইপিএস হয়েছে ১.৮৪ টাকা, যেখানে আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩.৮৩ টাকা। অপারেটিং ক্যাশফ্লোও দুর্বল হয়েছে: কনসোলিডেটেড এনওসিএফপিএস ২.১২ টাকা, আগের বছরের ৬.৫৮ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ প্রতি শেয়ার ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫ এ ৫৪.৫০ টাকা, জুন ৩০, ২০২৫ এ ছিল ৫৫.৮৬ টাকা।

কোম্পানিটি ব্যাখ্যা দিয়েছে, এই সময়ে ইপিএস কমার মূল চাপ এসেছে সুতা দামের উল্লেখযোগ্য পতন থেকে, একইসঙ্গে ফাইন্যান্স কস্ট বেড়েছে। অর্থাৎ বিক্রয়/মার্জিনে আঘাত এবং ঋণের খরচ বৃদ্ধি একসাথে মুনাফা কমিয়েছে।

ড্যাফোডিল কম্পিউটারস পিএলসি (ড্যাফোডিলকম)

ড্যাফোডিল কমের কিউ২ অনঅডিটেড অনুযায়ী, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ০.০৯ টাকা, আগের বছরের ০.১২ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.২১ টাকা, আগের বছরের ০.২৮ টাকার নিচে। সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো বিষয়, কনসোলিডেটেড এনওসিএফপিএস হয়েছে মাইনাস ১.১৩ টাকা, যেখানে আগের বছর একই সময়ে এটি ছিল পজিটিভ ০.৪৫ টাকা। ন্যাভ প্রতি শেয়ার ১৩.১১ টাকা, যা জুন শেষে ১২.৯০ টাকা থেকে কিছুটা বেড়েছে।

অতিরিক্ত ব্যাখ্যায় কোম্পানি জানিয়েছে, এনওসিএফপিএসের বড় বিচ্যুতি হয়েছে সাপ্লায়ারদের পেমেন্ট বেড়ে যাওয়ায়, সুদসহ অন্যান্য অপারেটিং পেমেন্ট বৃদ্ধি পাওয়ায়, এবং কাস্টমারদের কাছ থেকে কালেকশন কমে যাওয়ায়। অর্থাৎ আয় বিবরণীতে লাভ থাকলেও ক্যাশ সংগ্রহ ও খরচের টাইমিংয়ের কারণে ক্যাশফ্লোতে চাপ তৈরি হয়েছে।

সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড (এসএপোর্টল)

এসএপোর্টলের কিউ২ অনঅডিটেড ফলাফলে দেখা যায়, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ০.৩৭ টাকা, আগের বছরের ০.৭৩ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.৯৬ টাকা, আগের বছরের ১.৫২ টাকার নিচে। তবে অপারেটিং ক্যাশফ্লো উন্নত: কনসোলিডেটেড এনওসিএফপিএস ১.৮৮ টাকা, আগের বছরের ১.৫২ টাকার তুলনায় বেশি। ন্যাভ প্রতি শেয়ার ৩৪.৪৭ টাকা, জুন শেষে ৩৫.৬৭ টাকা থেকে কমেছে।

কোম্পানিটির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ভলিউম হ্যান্ডলিং বাড়ায় রেভিনিউ স্ট্রিম শক্ত হয়েছে, ফলে এনওসিএফপিএস বেড়েছে। পাশাপাশি কনটেইনার ট্রান্সপোর্টেশন সার্ভিসেস লিমিটেডের ক্লায়েন্ট কালেকশনও কনসোলিডেটেড ক্যাশফ্লোকে সাপোর্ট দিয়েছে। তবে আইএফআরএস ১০ অনুযায়ী গ্রুপ অ্যাকাউন্টিং প্রভাব, সাবসিডিয়ারি পর্যায়ে কম নেট প্রফিট, ফ্রেইট রেট কমা, এবং সাবসিডিয়ারি থেকে ডিভিডেন্ড ইনকাম বাদ পড়ার কারণে সামগ্রিকভাবে ইপিএস কমেছে। এছাড়া এসএপোর্টল ও সাবসিডিয়ারি উভয়ের ক্যাশ ডিভিডেন্ড পরিশোধের প্রভাবে ন্যাভেও নিম্নগতি এসেছে।

এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড (এনভয়টেক্স)

এনভয় টেক্সের কিউ২ রিপোর্ট অনুযায়ী, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ২.০৯ টাকা, আগের বছরের ২.০৭ টাকার তুলনায় সামান্য বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪.৩৫ টাকা, আগের বছরের ৩.৫৮ টাকার তুলনায় উন্নত। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে অপারেটিং ক্যাশফ্লোতে: এনওসিএফপিএস ৮.৪৪ টাকা, যেখানে আগের বছর ছিল মাত্র ০.৮৬ টাকা। ন্যাভ প্রতি শেয়ার ৫৯.৬৭ টাকা, জুন শেষে ৫৮.৩২ টাকা থেকে বেড়েছে।

এই সংখ্যাগুলো ইঙ্গিত দেয়, কোম্পানিটি শুধু আয়ের দিকেই নয়, নগদ সংগ্রহ ও অপারেশনাল ক্যাশ জেনারেশনের দিকেও উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী অবস্থানে গেছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য সাধারণত ইতিবাচক সিগন্যাল হিসেবে ধরা হয়।

জিএইচসিএল লিমিটেড (জিএইচসিএল)

জিএইচসিএলের কিউ২ ফলাফলে লোকসান চিত্র স্পষ্ট। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.৯০ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.০১ টাকার তুলনায় অনেক খারাপ। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ১.৪২ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ১.১১ টাকার তুলনায় আরও নেগেটিভ। এনওসিএফপিএস মাইনাস ০.৬৬ টাকা, আগের বছর ছিল ০.১০ টাকা। ন্যাভ ৭০.৪৭ টাকা, জুন শেষে ৭১.৮৯ টাকা থেকে কমেছে।

কোম্পানির ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, কাঁচামালের দাম, ইউটিলিটি ও উৎপাদন ওভারহেড, এবং স্বল্পমেয়াদি ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ঋণ নির্ভরতা বাড়ায় ফাইন্যান্স কস্ট বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে মার্জিনে চাপ তৈরি হয়েছে। এনওসিএফপিএস কমার পেছনে বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ট্রেড রিসিভেবল বৃদ্ধি, ক্রেডিট টার্ম দীর্ঘ হওয়া, এবং উৎপাদন ধারাবাহিক রাখতে ইনভেন্টরি জমা। ন্যাভ কমার ব্যাখ্যায় কম লাভজনিত রিটেইন্ড আর্নিংস গ্রোথ কমে যাওয়া, স্বল্পমেয়াদি দায় বৃদ্ধি, এবং নিয়মিত ডিপ্রিসিয়েশনকে দায়ী করা হয়েছে।

শাশা ডেনিম পিএলসি (শাশাডেনিম)

শাশা ডেনিমের কিউ২ অনঅডিটেড হিসেবে অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ০.২৮ টাকা, আগের বছরের ০.৮০ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.৫৯ টাকা, আগের বছরের ১.২০ টাকার নিচে। তবে অপারেটিং ক্যাশফ্লোতে দৃশ্যমান ঘুরে দাঁড়ানো হয়েছে: কনসোলিডেটেড এনওসিএফপিএস ৫.৫০ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ২.৪৮ টাকা থেকে বড় টার্নঅ্যারাউন্ড। ন্যাভ প্রায় স্থিতিশীল: ৪১.৯৩ টাকা, জুন শেষে ৪১.৮৪ টাকা।

কোম্পানি বলেছে, বিক্রয়দর কমা এবং কস্ট অব গুডস সোল্ড বেড়ে যাওয়ায় গ্রস মার্জিন চাপের মধ্যে পড়েছে, তাই ইপিএস কমেছে। তবে অ্যাসোসিয়েট কোম্পানিগুলোর ধারাবাহিক প্রফিট কন্ট্রিবিউশন নেট প্রফিটকে পুরোপুরি ভেঙে পড়তে দেয়নি। এনওসিএফপিএস পজিটিভ হওয়ার ব্যাখ্যায় দুটি ফ্যাক্টর সামনে এসেছে: আগের সময়ের বকেয়া রিসিভেবল আদায়, এবং অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট সুবিধার আওতায় কিছু আমদানি দায় কৌশলগতভাবে ডিফার করে তাৎক্ষণিক ক্যাশ অবস্থান উন্নত করা।

ফার কেমিক্যালস লিমিটেড (ফারকেম)

ফার কেমের কিউ২ ফলাফল নেতিবাচক। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস মাইনাস ১.৮৫ টাকা, আগের বছরে যেখানে ছিল ০.১৬ টাকা। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ১.৮০ টাকা, আগের বছরের ০.৩২ টাকার তুলনায় অনেক খারাপ। এনওসিএফপিএস মাইনাস ৫.৫৭ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ১.৮১ টাকার চেয়েও বেশি নেগেটিভ। ন্যাভ ৩০.৭২ টাকা, জুন শেষে ৩২.৫২ টাকা থেকে কম।

এই চিত্র দেখায়, কোম্পানির লাভজনিত সক্ষমতার পাশাপাশি অপারেটিং ক্যাশফ্লোও চাপের মধ্যে রয়েছে, যা স্বল্পমেয়াদে লিকুইডিটি ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা প্রয়োজনীয় করে তোলে।

রান ফাউন্ড্রি লিমিটেড (রানফাউন্ড্রি)

রান ফাউন্ড্রির কিউ২ প্রতিবেদনে আয় স্থিতিশীল ধারায়। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ১.০০ টাকা, আগের বছরের ১.০২ টাকার কাছাকাছি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ২.১৮ টাকা, আগের বছরের ২.১৯ টাকার প্রায় সমান। এনওসিএফপিএস ১.৫৯ টাকা, আগের বছরের ০.১৮ টাকার তুলনায় উন্নত। ন্যাভ ৩৪.৯৭ টাকা, জুন শেষে ৩৫.০৯ টাকা থেকে সামান্য কম।

মুনাফা স্থির থাকলেও ক্যাশফ্লোর এই উন্নতি সাধারণত সংগ্রহ, পেমেন্ট টাইমিং, বা ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট উন্নত হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।

এমএল ডাইং লিমিটেড (এমএলডাইং)

এমএল ডাইংয়ের কিউ২ ফলাফলে লোকসান দেখা যাচ্ছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.৪৭ টাকা, আগের বছর ছিল ০.০৭ টাকা। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ০.৪৬ টাকা, আগের বছর ০.১৩ টাকার তুলনায় খারাপ। এনওসিএফপিএস মাইনাস ০.৪১ টাকা, আগের বছর মাইনাস ০.৫৩ টাকার তুলনায় কিছুটা কম নেগেটিভ। ন্যাভ ১২.৭৮ টাকা, জুন শেষে ১৩.৩০ টাকা থেকে কমেছে।

এখানে লাভ-ক্ষতির চাপে ন্যাভ কমেছে, তবে ক্যাশফ্লো তুলনামূলক কম নেগেটিভ হওয়ায় অপারেটিং ক্যাশ ড্রেন কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হতে পারে, যদিও এটি নিশ্চিত নয়।

এডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (এসিআই)

এসিআইয়ের কিউ২ অনঅডিটেডে বড় পরিবর্তন হলো নেগেটিভ ইপিএস থেকে পজিটিভে ফেরা। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ০.৩৪ টাকা, যেখানে আগের বছর ছিল মাইনাস ৩.১৭ টাকা। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.৭৩ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ৭.৯৯ টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি। এনওসিএফপিএস মাইনাস ৫০.৫০ টাকা থাকলেও আগের বছরের মাইনাস ৬৩.৬০ টাকার তুলনায় কম নেগেটিভ। ন্যাভ ৯০.৭০ টাকা, জুন শেষে ৯১.৬৪ টাকা থেকে সামান্য কম।

কোম্পানি জানিয়েছে, অর্ধবার্ষিকে গ্রুপের রাজস্ব ১৮ শতাংশ বেড়েছে এবং একাধিক অপারেটিং সেগমেন্ট এ গ্রোথে অবদান রেখেছে। গ্রস প্রফিট বৃদ্ধির হার অপারেটিং এক্সপেন্স বৃদ্ধিকে ছাড়িয়েছে, ফলে আয়ের দিকে উন্নতি এসেছে। তবে সুদের হার বৃদ্ধির কারণে এবং ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ও কৌশলগত বিনিয়োগে অতিরিক্ত ফান্ডিং নেওয়ায় বোরোয়িং কস্ট বেড়েছে। ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল মুভমেন্টের কারণে এনওসিএফপিএস নেগেটিভ থাকলেও তুলনামূলকভাবে কিছুটা উন্নত হয়েছে।

কনফিডেন্স সিমেন্ট লিমিটেড (কনফিডসেম)

কনফিডেন্স সিমেন্টের কিউ২ ফলাফলে উন্নতি দেখা যাচ্ছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ৩.৪২ টাকা, আগের বছরের ২.৬৫ টাকার তুলনায় বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ৭.৩৮ টাকা, আগের বছরের ৬.৬২ টাকার উপরে। এনওসিএফপিএস ২.২৪ টাকা, আগের বছরের ১.২২ টাকার তুলনায় উন্নত। ন্যাভ ৯৬.০৮ টাকা, জুন শেষে ৮৮.৬৮ টাকা থেকে বেড়েছে।

কোম্পানির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অ্যাসোসিয়েট কোম্পানির পারফরম্যান্সের ইতিবাচক প্রভাব ইপিএস বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বিক্রয় কালেকশন অপারেশনাল কস্টকে ছাড়িয়ে যাওয়ায় এনওসিএফপিএসও বেড়েছে। একইসঙ্গে অ্যাসোসিয়েটের প্রফিট যোগ হওয়ায় ন্যাভ শক্ত হয়েছে।

কেডিএস অ্যালায়েড লিমিটেড (কেডিএসএলটিডি)

কেডিএস অ্যালায়েডের কিউ২ অনুযায়ী, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.৪৫ টাকা, আগের বছরের ০.৪৯ টাকার চেয়ে সামান্য কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ১.০০ টাকা, আগের বছরের ১.০৫ টাকার নিচে। এনওসিএফপিএস ০.২৫ টাকা, আগের বছরের ২.৩২ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ প্রায় অপরিবর্তিত: ২৭.৭০ টাকা, জুন শেষে ২৭.৭১ টাকা।

এখানে আয় সামান্য কমার পাশাপাশি অপারেটিং ক্যাশফ্লোও দুর্বল, যা কালেকশন, ইনভেন্টরি বা পেমেন্ট সাইকেলে চাপের ইঙ্গিত দিতে পারে।

সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (সিলভাফল)

সিলভার কিউ২ অনুযায়ী, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.২৬ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.১৯ টাকার তুলনায় বেশি লোকসান। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ০.৫২ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৪৩ টাকার চেয়ে খারাপ। এনওসিএফপিএস ০.০৭ টাকা, আগের বছরের ০.১১ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ১৪.৯৬ টাকা, জুন শেষে ১৫.৪৮ টাকা থেকে কমেছে।

কোম্পানি বলেছে, বিক্রয় ভলিউম কমে যাওয়ায় ইপিএস কমেছে। একইসঙ্গে রিসিভেবল কালেকশন ও বিক্রয় কম থাকায় এনওসিএফপিএসও দুর্বল। লোকসানের কারণে ন্যাভও নিচে নেমেছে।

কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (কপারটেক)

কপারটেকের কিউ২ অনঅডিটেডে অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.১০ টাকা, আগের বছরের ০.২১ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.১৫ টাকা, আগের বছরের ০.২৩ টাকার নিচে। এনওসিএফপিএস ১.৬৬ টাকা, আগের বছরের ১.২৩ টাকার তুলনায় বেশি। ন্যাভ ১৪.৪৬ টাকা, জুন শেষে ১৪.৩২ টাকা থেকে কিছুটা বেড়েছে।

এখানে লাভ কমলেও ক্যাশফ্লো বেড়েছে, যা অপারেশনাল কালেকশন বা ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দক্ষতা উন্নতির ইঙ্গিত হতে পারে।

আফতাব অটো লিমিটেড (আফতাবঅটো)

আফতাব অটোর কিউ২ ফলাফলে লোকসান চলমান। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস মাইনাস ০.২৬ টাকা, আগের বছর ছিল মাইনাস ০.২৫ টাকা। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ০.৮১ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৬৯ টাকার চেয়ে বেশি লোকসান। এনওসিএফপিএস ০.৮০ টাকা, আগের বছরের ১.৫৮ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ৪৬.০৬ টাকা, জুন শেষে ৪৭.৫৭ টাকা থেকে কমেছে।

এখানে আয় চাপের সাথে ক্যাশফ্লো দুর্বল হওয়ায় অপারেটিং অবস্থানও চ্যালেঞ্জড বলেই প্রতীয়মান।

কহিনুর কেমিক্যাল কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড (কহিনুর)

কহিনুরের কিউ২ রিপোর্টে ইতিবাচক ছবি। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ৪.০০ টাকা, আগের বছরের ৩.১৮ টাকার তুলনায় বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ৮.১০ টাকা, আগের বছরের ৬.২৫ টাকার চেয়ে উন্নত। এনওসিএফপিএস ১১.২৮ টাকা, যদিও আগের বছরের ১৪.৩৫ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ৬০.৮৬ টাকা, জুন শেষে ৫৯.২৪ টাকা থেকে বেড়েছে।

কোম্পানিটি জানিয়েছে, এনওসিএফপিএস কমার একটি মূল কারণ হলো আগের বছরের তুলনায় ইনভেন্টরি বৃদ্ধি। অর্থাৎ স্টক বাড়লে ক্যাশ আটকে যায়, ফলে ক্যাশফ্লো কমে যেতে পারে, যদিও মুনাফা বেড়েছে।

ফার্মা এইড লিমিটেড (ফার্মাআইড)

ফার্মা এইডের কিউ২ এ আয়ের শক্তিশালী উন্নতি। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ৭.২৮ টাকা, আগের বছরের ৫.৬৬ টাকার তুলনায় বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ১৪.০৯ টাকা, আগের বছরের ১১.৩২ টাকার উপরে। এনওসিএফপিএস ১০.১১ টাকা, আগের বছরের ৪.৯৩ টাকার তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ন্যাভ ১৪৯.৫৪ টাকা, জুন শেষে ১৩৮.৫৮ টাকা থেকে বেড়েছে।

কোম্পানি ব্যাখ্যা দিয়েছে, উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণের কারণে বিক্রয় বেড়েছে, ফলে ইপিএস উন্নত হয়েছে। কালেকশন বৃদ্ধি পাওয়ায় এনওসিএফপিএসও শক্ত হয়েছে, আর রিটেইন্ড আর্নিংস বাড়ায় ন্যাভ বৃদ্ধি পেয়েছে।

মননো ফেব্রিকস লিমিটেড (মননোফ্যাবর)

মননো ফেব্রিকসের কিউ২ এ আয় কম। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.০১ টাকা, আগের বছরের ০.০৪ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.০৪ টাকা, আগের বছরের ০.০৭ টাকার নিচে। তবে এনওসিএফপিএস ০.৬৫ টাকা, আগের বছরের ০.০৩ টাকার তুলনায় বেশি। ন্যাভ ২৫.৪১ টাকা, জুন শেষে ২৫.৩৯ টাকা থেকে সামান্য বেড়েছে।

কোম্পানির মতে, ফাইন্যান্স কস্ট বৃদ্ধিতে ইপিএস কমেছে। ক্যাশফ্লো বাড়ার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিল কমায় অপারেটিং ক্যাশে সুবিধা হয়েছে। ন্যাভ সামান্য বেড়েছে মূলত কারেন্ট অ্যাসেট বাড়ার কারণে।

বাংলাদেশ থাই ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড প্রোডাক্টস লিমিটেড (বিডিথাইফুড)

বিডিথাইফুডের কিউ২ চিত্র নেতিবাচক। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.০৬ টাকা, আগের বছর ছিল ০.০৪ টাকা (রিস্টেটেড)। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ০.৫৫ টাকা, আগের বছর ছিল ০.০৬ টাকা (রিস্টেটেড)। অ্যাডজাস্টেড এনওসিএফপিএস ০.১৭ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.২৮ টাকার তুলনায় ভালো। অ্যাডজাস্টেড ন্যাভ ১১.৮৬ টাকা, জুন শেষে ১২.৪১ টাকা থেকে কমেছে।

কোম্পানি জানিয়েছে, উৎপাদন ও বিক্রয় কমে যাওয়ায় নেট প্রফিট ও ইপিএস কমেছে। পাশাপাশি ব্যয়জনিত দায় বৃদ্ধি পাওয়ায় ন্যাভে চাপ তৈরি হয়েছে।

বাটা সু (বাংলাদেশ) লিমিটেড (বিডিথাই)

বিডিথাইয়ের কিউ২ এ লোকসান বাড়ছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.৭৯ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৬২ টাকার তুলনায় বেশি নেগেটিভ। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ১.৪৯ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৯০ টাকার চেয়ে খারাপ। এনওসিএফপিএস মাইনাস ০.৭৭ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৬৬ টাকার তুলনায় কমেছে। ন্যাভ ২৭.১৯ টাকা, জুন শেষে ২৮.৬০ টাকা থেকে কম।

এখানে আয়ের চাপের পাশাপাশি ক্যাশফ্লোও নেগেটিভ থাকায় অপারেশনাল টার্নঅ্যারাউন্ডের প্রয়োজনীয়তা বোঝা যায়।

সাইফকো স্পিনিং মিলস লিমিটেড (সাফকোস্পিনন)

সাফকো স্পিনিংয়ের কিউ২ এ লোকসান থাকলেও কিছু উন্নতির ইঙ্গিত আছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.৩১ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৫৩ টাকার তুলনায় কম নেগেটিভ। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ২.০৭ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ৫.৩০ টাকার তুলনায় উন্নত। তবে এনওসিএফপিএস মাইনাস ০.৪২ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.০৫ টাকার তুলনায় বেশি নেগেটিভ। ন্যাভ মাইনাস ৫.৩২ টাকা, জুন শেষে মাইনাস ৪.৫০ টাকা থেকে আরও কমেছে।

এখানে আয়ের ক্ষতি কিছুটা কমলেও ক্যাশফ্লো ও ন্যাভ নেগেটিভ থাকায় আর্থিক ঝুঁকির মাত্রা উচ্চ বলেই ধরা যায়।

সাইহাম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড (সাইহামটেক্স)

সাইহাম টেক্সের কিউ২ এ আয় কমেছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.১১ টাকা, আগের বছরের ০.১৩ টাকার নিচে। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.২৮ টাকা, আগের বছরের ০.৩৪ টাকার তুলনায় কম। এনওসিএফপিএস মাইনাস ৭.৩৬ টাকা, আগের বছর ছিল পজিটিভ ৬.৯৬ টাকা, অর্থাৎ বড় রিভার্সাল। ন্যাভ ৪৩.৫০ টাকা, জুন শেষে ৪৩.৭৭ টাকা থেকে সামান্য কম।

কোম্পানি বলেছে, কস্ট অব গুডস সোল্ড তুলনামূলকভাবে বেশি বেড়েছে বলে নেট প্রফিট কমেছে। এনওসিএফপিএস কমার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে কালেকশন কমে যাওয়া, এবং উৎপাদন ব্যয় ও ওভারহেড পেমেন্ট বেড়ে যাওয়া।

আইটিসি লিমিটেড (আইটিসি)

আইটিসির কিউ২ অনুযায়ী, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.৮৬ টাকা, আগের বছরের ১.১১ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ১.৭৮ টাকা, আগের বছরের ১.৯৩ টাকার নিচে। এনওসিএফপিএস ২.২৮ টাকা, আগের বছরের ৩.১৪ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ২৩.৮৩ টাকা, জুন শেষে ২৩.২৫ টাকা থেকে কিছুটা বেড়েছে।

এখানে মুনাফা ও ক্যাশফ্লো কিছুটা নরম হলেও ন্যাভ সামান্য বেড়েছে, যা ব্যালান্স শিটে সীমিত ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (সিলকোফল)

সিলকোর কিউ২ এ স্থিতিশীলতার আভাস। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.১১ টাকা, আগের বছরের ০.১০ টাকার তুলনায় সামান্য বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.২৭ টাকা, আগের বছরের ০.২৭ টাকার সমান। এনওসিএফপিএস ০.৫১ টাকা, আগের বছরের ০.৬২ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ২৩.২৯ টাকা, জুন শেষে ২৩.০২ টাকা থেকে বেড়েছে।

মননো স্পুলিং মিলস লিমিটেড (মনোস্পুল)

মনোস্পুলের কিউ২ এ ইপিএস সামান্য বেড়েছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.৭৪ টাকা, আগের বছরের ০.৭২ টাকার তুলনায় বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ১.৯৩ টাকা, আগের বছরের ১.৮৬ টাকার উপরে। এনওসিএফপিএস ২.২৪ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ১.৮৮ টাকা থেকে বড় উন্নতি। ন্যাভ ৪৬.৯৯ টাকা, জুন শেষে ৪৫.০৫ টাকা থেকে বেড়েছে।

কোম্পানি ব্যাখ্যা দিয়েছে, চলতি সময়ে কারেন্ট লাইবিলিটি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সাপ্লায়ার ও ব্যাংক বা এনবিএফআই থেকে ডিফার্ড পেমেন্ট বা ক্রেডিট সুবিধা থাকায় অপারেটিং ক্যাশফ্লো ভালো দেখাচ্ছে। অর্থাৎ ক্যাশফ্লো উন্নতি আংশিকভাবে পেমেন্ট ডিফারালের ফলও হতে পারে।

নাভানা সিএনজি লিমিটেড (নাভানাএসএনজি)

নাভানা সিএনজির কিউ২ অনুযায়ী, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ০.০১ টাকা, আগের বছরের ০.০৪ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.০২ টাকা, আগের বছরের ০.০৬ টাকার নিচে। এনওসিএফপিএস ১.৮৫ টাকা, আগের বছরের ০.০৩ টাকার তুলনায় বেশি। ন্যাভ ৩০.২৪ টাকা, জুন শেষে ৩০.৭৯ টাকা থেকে কমেছে।

রহিমা ফুড করপোরেশন লিমিটেড (রহিমাফুড)

রহিমা ফুডের কিউ২ এ লোকসান বেড়েছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.০৭ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.০৫ টাকার তুলনায় খারাপ। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ০.১৪ টাকা, আগের বছরের ০.১৬ টাকার তুলনায় নেগেটিভ। এনওসিএফপিএস ০.২৪ টাকা, আগের বছরের ১.১২ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ৯.২৯ টাকা, জুন শেষে ৯.৪৩ টাকা থেকে সামান্য কম।

এমজেএল বাংলাদেশ পিএলসি (এমজেএলবিডি)

এমজেএলবিডির কিউ২ ফলাফলে আয়ের নিম্নগতি। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ০.৮০ টাকা, আগের বছরের ৩.২৩ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ৩.৮৬ টাকা, আগের বছরের ৬.৬৬ টাকার নিচে। তবে এনওসিএফপিএস ৬.৪৪ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ৩.০২ টাকা থেকে বড় টার্নঅ্যারাউন্ড। ন্যাভ ৫২.৭২ টাকা, জুন শেষে ৫৪.০৬ টাকা থেকে কমেছে।

এখানে লাভ কমলেও ক্যাশফ্লোতে বড় ঘুরে দাঁড়ানো রয়েছে, যা রিসিভেবল আদায় বা ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল রিলিজের ফল হতে পারে।

অরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (অরিয়নফার্ম)

অরিয়ন ফার্মার কিউ২ এ লোকসান রয়েছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস মাইনাস ০.৫৬ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৪৪ টাকার তুলনায় খারাপ। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ০.৮৬ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.২০ টাকার তুলনায় বেশি নেগেটিভ। এনওসিএফপিএস ২.৬১ টাকা, আগের বছরের ৪.২৬ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ রিভ্যালুয়েশনসহ ৮৫.৭৪ টাকা, জুন শেষে ৮৬.০৯ টাকা থেকে সামান্য কম। কোম্পানি আলাদা করে জানিয়েছে, রিভ্যালুয়েশন সারপ্লাস বাদ দিলে ন্যাভ ৭৮.০০ টাকা, জুন শেষে ৭৮.৩৪ টাকা ছিল।

সাইহাম কটন মিলস লিমিটেড (সাইহামকট)

সাইহাম কটনের কিউ২ এ মুনাফা কমেছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.২০ টাকা, আগের বছরের ০.৩১ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.৪৮ টাকা, আগের বছরের ০.৫৮ টাকার নিচে। এনওসিএফপিএস ১.২২ টাকা, আগের বছরের ০.৮৬ টাকার তুলনায় বেশি। ন্যাভ ৩৮.০৮ টাকা, জুন শেষে ৩৮.২৬ টাকা থেকে সামান্য কম।

জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড (জিবিবিপাওয়ার)

জিবিবি পাওয়ারের কিউ২ এ ইপিএস সামান্য বেড়েছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.০৪ টাকা, আগের বছরের ০.০২ টাকার তুলনায় বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.০৭ টাকা, আগের বছরের ০.০৬ টাকার তুলনায় সামান্য বেশি। তবে এনওসিএফপিএস ০.০১ টাকা, আগের বছরের ০.০৯ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ২০.৩৮ টাকা, জুন শেষে ২০.২৭ টাকা থেকে সামান্য বেড়েছে।

অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (অলটেক্স)

অলটেক্সের কিউ২ এ ইপিএস পজিটিভ হলেও ছোট। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.০৩ টাকা, আগের বছরে ছিল মাইনাস ০.০৫ টাকা। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.০৪ টাকা, আগের বছরে ছিল মাইনাস ০.০৬ টাকা। এনওসিএফপিএস মাইনাস ০.০৫ টাকা, আগের বছরের ০.৩১ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ২৬.৬৪ টাকা, এবং কোম্পানি জানিয়েছে, আগের বছরের ডিসেম্বর শেষে ন্যাভ ছিল ১৯.৮৬ টাকা, অর্থাৎ বার্ষিক ভিত্তিতে বড় উন্নতি।

অতিরিক্ত ব্যাখ্যায় কোম্পানি বলেছে, টার্নওভার বাড়ানো ও সিওজিএস অনুপাত কমানোর চেষ্টা ফল দিয়েছে, তবে সাপ্লায়ার, এমপ্লয়ি ও অন্যান্য পেমেন্ট এবং ফাইন্যান্স এক্সপেন্স বাড়ায় এনওসিএফপিএস কমেছে। ন্যাভ বেড়েছে রিপোর্টিং প্রফিটের পাশাপাশি আগের বছরের ঋণ সুদ অতিরিক্ত প্রভিশন সমন্বয়ের কারণে।

স্টাইলক্র্যাফট লিমিটেড (স্টাইলক্র্যাফট)

স্টাইলক্র্যাফটের কিউ২ এ ইপিএস খুবই কম। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.০০৯ টাকা, আগের বছরের ০.০৪ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.০১৯ টাকা, আগের বছরের ০.০৭ টাকার নিচে। তবে এনওসিএফপিএস ২.৩৯ টাকা, আগের বছরের ০.৮৩ টাকার তুলনায় বেশি। ন্যাভ ৪.৬৪ টাকা, জুন শেষে ৪.৬২ টাকা থেকে সামান্য বেড়েছে।

কোম্পানি জানিয়েছে, এনওসিএফপিএস নেগেটিভ হওয়া প্রসঙ্গে তাদের ব্যাখ্যা হলো, কালেকশনের তুলনায় পেমেন্ট বেশি, এবং সেই ঘাটতি ব্যাংক ঋণ দিয়ে মেটানো হয়। (এখানে আপনার ডেটাসেটে “নেগেটিভ” ব্যাখ্যা অংশ ছিল, কিন্তু ঘোষিত এনওসিএফপিএস সংখ্যাটি পজিটিভ, তাই বিনিয়োগকারী হিসেবে এই জায়গাটি অফিসিয়াল নোট থেকে মিলিয়ে দেখা জরুরি।)

এসিএমই ল্যাবরেটরিজ পিএলসি (এসিএমইপিএল)

এসিএমইপিএলের কিউ২ এ লোকসান অব্যাহত। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.১৬ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.১৮ টাকার তুলনায় সামান্য কম নেগেটিভ। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ০.২৬ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৩০ টাকার চেয়ে কম নেগেটিভ। এনওসিএফপিএস ০.০২ টাকা, আগের বছরের ০.০১ টাকার তুলনায় সামান্য বেশি। ন্যাভ ১৬.১৫ টাকা, জুন শেষে ১৬.৪১ টাকা থেকে কমেছে।

রেনাটা পিএলসি (রেনাটা)

রেনাটার কিউ২ ফলাফল শক্তিশালী। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ৭.১১ টাকা, আগের বছরের ৫.৬৪ টাকার তুলনায় বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ১৩.৫৮ টাকা, আগের বছরের ১০.৮৩ টাকার উপরে। এনওসিএফপিএস ১২.৮৭ টাকা, আগের বছরের ৩.৬০ টাকার তুলনায় বড় উন্নতি। ন্যাভ ৩১৩.৪৮ টাকা, জুন শেষে ৩০৫.৪৯ টাকা থেকে বেড়েছে।

কোম্পানি বলেছে, অপারেটিং প্রফিট গ্রোথ এবং ক্যাপিটাল রিস্ট্রাকচারিং উদ্যোগের ফলে নেট ফাইন্যান্স কস্ট কমায় ইপিএস বেড়েছে, যদিও ট্যাক্স এক্সপেন্স বৃদ্ধি কিছুটা অফসেট করেছে। এনওসিএফপিএস উন্নতির পেছনে অপারেটিং প্রফিট বৃদ্ধির পাশাপাশি ইনভেন্টরি ও রিসিভেবল ব্যবস্থাপনায় উন্নতি, এবং ডিপ্রিসিয়েশন ও অ্যামর্টাইজেশনজনিত নন ক্যাশ অ্যাডজাস্টমেন্টকে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি (স্কয়ারফার্মা)

স্কয়ার ফার্মার কিউ২ এ ধারাবাহিক উন্নতি। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ৮.২০ টাকা, আগের বছরের ৭.৪৫ টাকার তুলনায় বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ১৬.৫৬ টাকা, আগের বছরের ১৪.৩২ টাকার উপরে। এনওসিএফপিএস ১৩.১৬ টাকা, আগের বছরের ৮.২৮ টাকার তুলনায় উন্নত। ন্যাভ ১৬২.৪১ টাকা, জুন শেষে ১৫৭.৮৮ টাকা থেকে বেড়েছে।

কোম্পানির ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, আগের বছরে সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় রেভিনিউ গ্রোথ কিছুটা থেমে ছিল। চলতি বছরে সেই ধাক্কা কাটিয়ে ব্যবসা শুধু রিকভারি করেনি, বরং রেভিনিউ পারফরম্যান্সে শক্ত আপমোমেন্টাম তৈরি হয়েছে। ফলে ইপিএস ও এনওসিএফপিএস উভয়ই স্বাস্থ্যকরভাবে বেড়েছে।

-রাফসান


১৮ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৮ ১৫:০১:৫৩
১৮ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) লেনদেনে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেলেও বাজারে কিছু ইতিবাচক বার্তা মিলেছে। বিশেষ করে বড় মূলধনের ও মৌলভিত্তিক কোম্পানিগুলোর শেয়ারে ক্রয়চাপ বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার আংশিক প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। যদিও পতনশীল কোম্পানির সংখ্যা এখনও বেশি, তবুও সামগ্রিকভাবে বাজারে স্থিতিশীলতার একটি প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে।

দিন শেষে মোট ৩৯৬টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৭৬টির শেয়ারদর বেড়েছে, ১৮৫টির দর কমেছে এবং ৩৫টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সংখ্যার বিচারে পতনশীল কোম্পানি বেশি থাকলেও বড় মূলধনের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক পারফরম্যান্স বাজারের সার্বিক চিত্রে প্রভাব ফেলেছে।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, এদিন মোট ২ লাখ ৭৩ হাজার ৩৪৩টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। মোট ৪৩ কোটি ৮৩ লাখের বেশি শেয়ার হাতবদল হয়েছে এবং আর্থিক মূল্যমান দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৯৭ কোটি ২১ লাখ টাকা। বাজারে এ পরিমাণ লেনদেন বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দিনের সবচেয়ে ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে এ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোতে। মোট ২০১টি কোম্পানির মধ্যে ১২২টির দর বেড়েছে, ৬৯টির দর কমেছে এবং ১০টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আর্থিকভাবে শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ধীরে ধীরে বাড়ছে।

অন্যদিকে বি ক্যাটাগরিতে দুর্বলতা স্পষ্ট ছিল। মোট ৭৫টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ২১টির দর বেড়েছে, বিপরীতে ৫১টির দর কমেছে। একইভাবে জেড ক্যাটাগরিতেও চাপ অব্যাহত রয়েছে। ১২০টি কোম্পানির মধ্যে ৬৫টির দর কমেছে এবং মাত্র ৩৩টির দর বেড়েছে। দুর্বল আর্থিক ভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোর প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা বাজারে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

এদিন সবচেয়ে বড় চমক ছিল মিউচুয়াল ফান্ড খাতে। মোট ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৩০টির দর বেড়েছে। মাত্র দুটি ফান্ডের দর কমেছে এবং দুটি অপরিবর্তিত রয়েছে। অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে মিউচুয়াল ফান্ডে নতুন করে আগ্রহ বাড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

দিন শেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন বেড়ে প্রায় ৬৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪০৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এর মধ্যে ইকুইটি বাজারের অবদান প্রায় ৩৫ লাখ ৪১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ডের বাজার মূলধন প্রায় ২৬ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা এবং ঋণপত্র বা ডেট সিকিউরিটিজের বাজার মূলধন প্রায় ৩৩ লাখ ৬৫ হাজার ৯৪৪ কোটি টাকা।

ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। মোট ৫২টি কোম্পানির শেয়ারে প্রায় ৫৩৪ কোটি ৯২ লাখ টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে, যেখানে প্রায় ১২৭ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এছাড়া গ্রামীণফোনে প্রায় ৫৭ কোটি টাকা, ডমিনেজ স্টিলে প্রায় ৮৪ কোটি টাকা, জিকিউ বলপেনে প্রায় ৪০ কোটি টাকা এবং ড্যাফোডিল কম্পিউটারসে প্রায় ২৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শেয়ারবাজার এখনও একটি সংবেদনশীল পর্যায়ে রয়েছে। বড় ও মৌলভিত্তিক কোম্পানিগুলো বাজারকে কিছুটা সহায়তা করলেও দুর্বল আর্থিক অবস্থার কোম্পানিগুলোর ওপর চাপ এখনও কাটেনি। তারা বিনিয়োগকারীদের দৈনিক ওঠানামার পরিবর্তে কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা, মুনাফা অর্জনের ধারাবাহিকতা, পরিচালন দক্ষতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

-রাফসান


১৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৮ ১৪:৫৮:৪১
১৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) লেনদেনের শেষভাগে কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারে বড় ধরনের দরপতন দেখা গেছে। বিশেষ করে উৎপাদন, টেক্সটাইল, খাদ্য ও শিল্প খাতের কিছু কোম্পানি উল্লেখযোগ্য চাপের মুখে পড়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

দিনের সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে শ্যামপুর সুগার মিলস (SHYAMPSUG)। কোম্পানিটির শেয়ারদর একদিনে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ কমে ১৮৬ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ১৬৭ টাকা ৯০ পয়সায় নেমে এসেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বড় মূলধনী কিছু কোম্পানিতে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এই পতনের অন্যতম কারণ হতে পারে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বেক্সিমকো (BEXIMCO)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ কমে ৫২ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৪৭ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারে ধারাবাহিক ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের বাড়তি সতর্কতার মধ্যে রেখেছে।

দরপতনের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে রিজেন্ট টেক্সটাইলস (REGENTTEX)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ কমে ৬ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে পিএলএফএসএল (PLFSL)-এর দর ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ কমেছে। আর মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক (MEGCONMILK) ৬ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং বিডি থাই ফুড (BDTHAIFOOD) ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ দর হারিয়েছে।

এ ছাড়া আজিজ পাইপস (AZIZPIPES), মেঘনা পেট্রোলিয়াম (MEGHNAPET), সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট (SAPORTL) এবং নিউলাইন ক্লোথিংস (NEWLINE)-ও উল্লেখযোগ্য দরপতনের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার কৌশল অনুসরণ করছেন। এর ফলে যেসব শেয়ারে কয়েকদিন আগে উত্থান হয়েছিল, সেগুলোতেই নতুন করে বিক্রির চাপ তৈরি হয়েছে।

-রাফসান


১৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৮ ১৪:৫২:২২
১৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) লেনদেনের শেষ ভাগে শীর্ষ দরবৃদ্ধির তালিকায় আধিপত্য বিস্তার করেছে মিউচুয়াল ফান্ড খাত। দিনের সেরা ১০ গেইনারের মধ্যে সাতটিই ছিল বিভিন্ন মিউচুয়াল ফান্ড, যা বাজারে এই খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দিনের লেনদেনে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ দর বেড়ে শীর্ষে উঠে এসেছে ১ জনতা মিউচুয়াল ফান্ড (1JANATAMF)। দিনশেষে এর শেয়ারদর ৩ টাকার পরিবর্তে ৩ টাকা ৩০ পয়সায় পৌঁছায়। একই হারে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড (TRUSTB1MF), যার সমাপনী দর দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৩০ পয়সা।

তৃতীয় স্থানে থাকা এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান (LRGLOBMF1)-এর দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। দিনশেষে ফান্ডটির দাম দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৫০ পয়সা। অন্যদিকে গ্রিন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড (GREENDELMF) ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়ে ৩ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

মিউচুয়াল ফান্ডের আধিপত্যের মধ্যেও উৎপাদন খাতের কোম্পানি এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস (APEXSPINN) উল্লেখযোগ্য প্রত্যাবর্তন করেছে। আগের দিনের তুলনায় ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৩৬১ টাকা ৪০ পয়সায় পৌঁছেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বড় মূলধনী কিছু কোম্পানির প্রতি নতুন করে আগ্রহ তৈরি হওয়ায় এ ধরনের উত্থান দেখা যাচ্ছে।

এ ছাড়া আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড (IFIC1STMF) ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ক্রাউন সিমেন্ট (CROWNCEMNT) ৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ, ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড (EBL1STMF) ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ, এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড (MBL1STMF) ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড (NCCBLMF1) ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মূল্যস্ফীতি, তারল্য সংকট এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার কারণে মিউচুয়াল ফান্ড খাত পিছিয়ে ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তুলনামূলক কম দামে থাকা কিছু ফান্ডে নতুন করে বিনিয়োগ প্রবাহ তৈরি হচ্ছে।

-রাফসান


১৭ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৭ ১৪:৫৭:৩২
১৭ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার (১৭ জুন) দিনের লেনদেন শেষে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। টানা অস্থিরতার পর বাজারে ক্রেতাদের অংশগ্রহণ কিছুটা বাড়ায় অধিক সংখ্যক কোম্পানির শেয়ারদর ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থাও কিছুটা ফিরে আসার ইঙ্গিত মিলেছে।

দিন শেষে ডিএসইতে মোট ৩৯৪টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৮২টি কোম্পানি ও সিকিউরিটিজের দর বেড়েছে, ১৫৮টির দর কমেছে এবং ৫৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল। সংখ্যার বিচারে এটি বাজারে ইতিবাচক ভারসাম্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আজকের লেনদেনের মোট আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ২১১ কোটি ২৯ লাখ টাকা। একই সময়ে মোট ২ লাখ ৮৫ হাজার ৬৬৯টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রায় ৪৩ কোটি ৬২ লাখের বেশি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক দরপতনের পর বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ আবারও মৌলভিত্তি শক্তিশালী কোম্পানির দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে ব্যাংক, প্রযুক্তি, বীমা এবং কিছু নির্বাচিত উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

এদিন ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৭৪টির দর বেড়েছে, ৯৪টির দর কমেছে এবং ৩৩টি অপরিবর্তিত ছিল। যদিও বড় মূলধনী কিছু কোম্পানিতে বিক্রির চাপ ছিল, তবুও নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারে ক্রয়চাপ বাজারকে ইতিবাচক অবস্থানে রাখতে সহায়তা করেছে।

‘বি’ ক্যাটাগরিতে তুলনামূলক ভালো পারফরম্যান্স দেখা গেছে। এই শ্রেণির ৪৪টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, ২৭টির দর কমেছে এবং মাত্র ৪টি অপরিবর্তিত ছিল।

অন্যদিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে। এ শ্রেণির ৬৪টি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে, যা বাজারে ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। মোট ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ৫টির দর বেড়েছে, ৮টির দর কমেছে এবং ২১টির দাম অপরিবর্তিত ছিল।

দিন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ ৯৮ হাজার ১৮৭ কোটি টাকার সমপরিমাণ। এর মধ্যে ইকুইটি সেগমেন্টের বাজার মূলধন প্রায় ৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।

এদিন ব্লক মার্কেটেও বড় ধরনের লেনদেন হয়েছে। মোট ৫৪টি কোম্পানির শেয়ারে প্রায় ৫৭০ কোটি টাকার ব্লক লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।

সবচেয়ে বড় ব্লক লেনদেন হয়েছে প্রাইম ব্যাংকের (PRIMEBANK) শেয়ারে। প্রতিষ্ঠানটির ১ কোটি ২ লাখের বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৩০৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

এছাড়া আমান ফিড, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ডমিনেজ, ইসলামি ইন্স্যুরেন্স, শাহজালাল ব্যাংক, এনএফএমএল এবং ড্যাফোডিল কমিউটার্সের শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য ব্লক লেনদেন হয়েছে।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লক মার্কেটে বড় অঙ্কের লেনদেন অনেক সময় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়। তবে এটিকে বাজারের দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতার একমাত্র সূচক হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না।

-রফিক


১৭ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৭ ১৪:৫২:০৮
১৭ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার (১৭ জুন) লেনদেন শেষে বড় ধরনের বিক্রির চাপের মুখে পড়ে বেশ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারের দর উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বিশেষ করে বড় মূলধনী ও আলোচিত কিছু কোম্পানির শেয়ারে ধারাবাহিক দরপতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

দিনের সবচেয়ে বেশি দরপতনের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বেক্সিমকো (BEXIMCO)। কোম্পানিটির শেয়ারের মূল্য আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৯ দশমিক ৯০ শতাংশ কমে ৫২ টাকা ৮০ পয়সায় নেমে এসেছে। দিনজুড়ে শেয়ারটি একই দামে লেনদেন হয়েছে, যা বাজারে শক্তিশালী বিক্রয়চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রিজেন্ট টেক্সটাইল (REGENTTEX)। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমে ৬ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তুলনামূলক কম মূল্যের শেয়ারগুলোতে অস্থিরতা এখনও বেশ প্রবল।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে প্রিমিয়ার লিজিং (PREMIERLEA)। আর্থিক খাতের এই কোম্পানিটির শেয়ারদর ৮ শতাংশ কমে ২ টাকা ৩০ পয়সায় নেমে এসেছে।

আর্থিক খাতের আরও তিনটি প্রতিষ্ঠান ফারইস্ট ফাইন্যান্স (FAREASTFIN), ফার্স্ট ফাইন্যান্স (FASFIN) এবং আইএলএফএসএল (ILFSL) সমানভাবে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ দর হারিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আর্থিক খাতের দীর্ঘমেয়াদি চাপ এখনও পুরোপুরি কাটেনি।

বীমা খাতের সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স (SUNLIFEINS) ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ কমে ৬৭ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে এসেছে। একই সময়ে সোনারগাঁও হোটেল (SONARGAON) ৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ দর হারিয়ে ৭৮ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

খাদ্য ও কৃষিভিত্তিক শিল্প খাতের শ্যামপুর সুগার (SHYAMPSUG) ৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে বহুল আলোচিত এপেক্স স্পিনিং (APEXSPINN) ৬ দশমিক ২১ শতাংশ দর হারিয়ে দিনের লুজার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়া, বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমানোর প্রবণতা এবং বাজারে নতুন বিনিয়োগের ধীরগতি দরপতনের অন্যতম কারণ হতে পারে।

-রফিক


১৭ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৭ ১৪:৪০:১২
১৭ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার (১৭ জুন) লেনদেনের শেষভাগে নির্বাচিত কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে। যদিও পুরো বাজারে মিশ্র প্রবণতা ছিল, তারপরও নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারে ক্রেতাদের শক্তিশালী আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।

দিনের শীর্ষ গেইনারের তালিকায় প্রথম অবস্থানে উঠে এসেছে এনএফএমএল (NFML)। কোম্পানিটির শেয়ারের দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বেড়ে ২০ টাকা ৯০ পয়সায় পৌঁছেছে। কোনো কোনো পর্যবেক্ষকের মতে, নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি আগ্রহ বৃদ্ধির প্রভাব এই উত্থানে ভূমিকা রাখতে পারে।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বিডিকম (BDCOM)। তথ্যপ্রযুক্তি খাতভুক্ত কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ বেড়ে ৩৩ টাকায় দাঁড়িয়েছে। দিনজুড়ে ৩০ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৩৩ টাকা ১০ পয়সার মধ্যে শেয়ারটির লেনদেন হয়েছে।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ (SHARPIND)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়ে ১৮ টাকা ৯০ পয়সায় পৌঁছেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মাঝারি মূলধনী কিছু কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের নতুন আগ্রহ এই উত্থানের অন্যতম কারণ হতে পারে।

চতুর্থ স্থানে থাকা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বিএসএস (BBS) ৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ার ১৪ টাকা ৮০ পয়সা থেকে বেড়ে ১৬ টাকা ১০ পয়সায় পৌঁছায়।

বীমা খাতের ইসলামি ইন্স্যুরেন্স (ISLAMIINS)ও দিনটি ভালো কাটিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ৫৮ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যা বীমা খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস (SILVAPHL) ৫ দশমিক ১৮ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। একই সময়ে প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান জেনেক্স ইনফোসিস (GENEXIL) ৫ দশমিক ০৮ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়া তালিকায় থাকা এমএইচএসএমএল (MHSML), সমরিতা হাসপাতাল (SAMORITA) এবং অগ্নি সিস্টেমস (AGNISYSL) যথাক্রমে ৪ দশমিক ৪৮, ৪ দশমিক ১৬ এবং ৪ দশমিক ১৫ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিনের দরবৃদ্ধিকে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। বরং বিনিয়োগের আগে কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন, মুনাফা প্রবণতা, লভ্যাংশ ইতিহাস, করপোরেট গভর্ন্যান্স এবং সামগ্রিক ব্যবসায়িক সক্ষমতা বিশ্লেষণ করা জরুরি।

-রফিক


১৬ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৬ ১৪:৫১:২৩
১৬ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার (১৬ জুন) লেনদেন শেষে স্পষ্টভাবে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমে যাওয়ায় পুরো বাজারজুড়েই বিক্রির চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে এ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলো সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে।

দিন শেষে মোট ৩৯৬টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে মাত্র ১০৯টির দাম বেড়েছে, বিপরীতে ২৪০টির দর কমেছে এবং ৪৭টি অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি একটি কোম্পানির মূল্যবৃদ্ধির বিপরীতে দুইটিরও বেশি কোম্পানি দর হারিয়েছে, যা বাজারে নেতিবাচক মনোভাবের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করছে।

সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতে। এই শ্রেণির ২০১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ৩৫টির দাম বেড়েছে, অথচ ১৪৩টির দর কমেছে। বাকি ২৩টি প্রতিষ্ঠান অপরিবর্তিত অবস্থায় লেনদেন শেষ করেছে।

অন্যদিকে, বি ক্যাটাগরিতে কিছুটা ভারসাম্য দেখা গেলেও সেখানে পতনের চাপ পুরোপুরি কাটেনি। ৭৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪০টির দর বেড়েছে এবং ৩২টির দর কমেছে।

জেড ক্যাটাগরিতেও পরিস্থিতি খুব একটা ইতিবাচক ছিল না। ১২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৫টির মূল্য কমেছে, ৩৪টির মূল্য বেড়েছে এবং ২১টি অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিন ডিএসইতে মোট ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৯৪টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। লেনদেনের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪১ কোটি ৬৩ লাখ শেয়ার এবং আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৯৬ কোটি ১১ লাখ টাকায়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আগের কয়েক কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণমূলক মনোভাব তৈরি হয়েছে। অনেকেই নতুন বিনিয়োগের পরিবর্তে ঝুঁকি কমানোর কৌশল অবলম্বন করছেন।

দিন শেষে বাজার মূলধনও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ডিএসইর মোট বাজার মূলধন নেমে এসেছে ৬ লাখ ৮৯ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকায়, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার বেশি কম।

এর মধ্যে ইক্যুইটি মার্কেটের বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৫১ হাজার ২১৫ কোটি টাকায়। মিউচুয়াল ফান্ড খাতের বাজার মূলধন ২ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা এবং ঋণপত্র খাতের বাজার মূলধন প্রায় ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকায় অবস্থান করছে।

ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। এদিন ৫০টি কোম্পানির মোট ১ কোটি ২৬ লাখের বেশি শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৫৮৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ডমিনেজ স্টিল (DOMINAGE)-এ। প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১৩৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এরপর রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক (BRACBANK), যেখানে প্রায় ৬৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

এ ছাড়া আইপিডিসি (IPDC), বিডি থাই (BDTHAI), প্রাইম ব্যাংক (PRIMEBANK), ড্যাফোডিল কম্পিউটার (DAFODILCOM) এবং সিটিজেন জেনারেল ইন্স্যুরেন্স (CITYGENINS)-এর ব্লক লেনদেনও উল্লেখযোগ্য ছিল।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। পাশাপাশি ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের কিছু শেয়ারে বিক্রির চাপ বাজারের ওপর অতিরিক্ত নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

তাদের মতে, স্বল্পমেয়াদি গুজব বা অতিরিক্ত জল্পনা-কল্পনার ওপর নির্ভর না করে মৌলভিত্তি, আয় প্রবৃদ্ধি, লভ্যাংশ সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সম্ভাবনা বিবেচনায় রেখে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

-রাফসান


১৬ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৬ ১৪:৪৭:৪৬
১৬ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার (১৬ জুন) লেনদেন শেষে কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরপতন দেখা গেছে। বিশেষ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বীমা এবং কিছু বহুল আলোচিত শেয়ারে বিক্রির চাপ বাড়ায় বাজারে নেতিবাচক প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

দিনের লেনদেন শেষে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে বেক্সিমকো (BEXIMCO)। কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ১০ শতাংশ কমে ৫৮ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে এসেছে। আগের কার্যদিবসে যার সমাপনী মূল্য ছিল ৬৫ টাকা ১০ পয়সা। টানা কয়েক কার্যদিবস ধরে এ শেয়ারটি বিক্রির চাপে রয়েছে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরপতন হয়েছে মিডাস ফাইন্যান্স (MIDASFIN)-এ। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ কমে ৫ টাকা ৭০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

বীমা খাতের সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স (SUNLIFEINS)-ও উল্লেখযোগ্য চাপের মুখে পড়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ কমে ৭২ টাকা ২০ পয়সায় নেমে এসেছে।

টেক্সটাইল খাতের রিজেন্ট টেক্সটাইল (REGENTTEX) ৫ দশমিক ০৬ শতাংশ দর হারিয়ে ৭ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

ব্যাংক খাতের এনআরবি ব্যাংক (NRBBANK) শেয়ার ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ কমে ৫ টাকা ৯০ পয়সায় নেমে এসেছে। একইভাবে প্রিমিয়ার ব্যাংক (PREMIERBAN) ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ দর হারিয়ে ৪ টাকা ৪০ পয়সায় অবস্থান করছে।

বীমা খাতের আরেক প্রতিষ্ঠান সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স (SONALILIFE) ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ৮৩ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

এর আগে আগের কার্যদিবসে শীর্ষ গেইনার তালিকায় থাকা সোনারগাঁও টেক্সটাইল (SONARGAON) মঙ্গলবার দরপতনের মুখে পড়ে ৪ শতাংশ হারিয়েছে। শেয়ারটির মূল্য ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে কমে ৮৪ টাকায় নেমে এসেছে।

অন্যদিকে, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল (UNIONCAP) ৩ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং রেনউইক যজ্ঞেশ্বর (RENWICKJA) ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ দর হারিয়ে শীর্ষ লুজারের তালিকায় স্থান পেয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু শেয়ারে দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির পর মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানি এবং আর্থিক খাতের কিছু প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান বাজারে চাপ তৈরি করছে।

-রাফসান


১৬ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৬ ১৪:৪৩:৫৭
১৬ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

দেশের পুঁজিবাজারে মঙ্গলবার (১৬ জুন) লেনদেন শেষে বেশ কয়েকটি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি দেখা গেছে। বিশেষ করে মিউচুয়াল ফান্ড, টেক্সটাইল, প্রকৌশল ও উৎপাদন খাতের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে ক্রয়চাপ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দিনের তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধি হয়েছে আইসিবিইপিএমএফ১এস১ (ICBEPMF1S1) ইউনিটে। ইউনিটটির দাম ১০ শতাংশ বেড়ে ৬ টাকা ৬০ পয়সায় পৌঁছেছে। আগের কার্যদিবসে এর সমাপনী মূল্য ছিল ৬ টাকা।

দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ন্যাশনাল ফিড মিলস লিমিটেড (NFML)। কোম্পানিটির শেয়ারের দাম প্রায় ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেড়ে ১৯ টাকায় পৌঁছেছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আগ্রহ তৈরি করেছে।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম (BDTHAI)। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে ২০ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। দিনের সর্বোচ্চ দরও ছিল একই পর্যায়ে, যা শক্তিশালী ক্রয়চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

একই হারে দরবৃদ্ধি হয়েছে ভিএফ স্টিল (VFSTDL)-এর শেয়ারে। কোম্পানিটির শেয়ার ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে ১৭ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে।

দিনের আলোচিত কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে ইটিএল (ETL)। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়ে ১৩ টাকা ৫০ পয়সায় পৌঁছেছে।

প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ডিএসএসএল (DSSL)-ও ইতিবাচক প্রবণতা দেখিয়েছে। এর শেয়ারদর ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ বেড়ে ১১ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য খাতের বিডি থাই ফুড (BDTHAIFOOD) বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। কোম্পানিটির শেয়ার ৭ দশমিক ২৯ শতাংশ বেড়ে ৩০ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

এদিকে টেক্সটাইল খাতের এমএল ডাইং (MLDYEING) শেয়ারদর ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়ে ১১ টাকায় পৌঁছেছে।

জীবন বীমা খাতের প্রাইম লাইফ ইন্স্যুরেন্স (PRIMELIFE) ৫ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে ৪৪ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

অন্যদিকে, এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড (AIBL1STIMF) ৫ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মিউচুয়াল ফান্ড, ক্ষুদ্র মূলধনী কোম্পানি এবং কিছু নির্বাচিত উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়তে শুরু করেছে। তবে স্বল্পমেয়াদি দরবৃদ্ধিকে স্থায়ী প্রবণতা হিসেবে দেখার আগে মৌলভিত্তি, আর্থিক সক্ষমতা এবং কোম্পানির ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক সম্ভাবনা মূল্যায়নের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: