শেয়ারবাজারে Q2 ঝড়, কার লাভ কার ক্ষতি, কোন খাতে কী বার্তা

এই দফায় বেশ কয়েকটি কোম্পানির EPS কমেছে মূলত কস্ট বৃদ্ধি, সুদের হার, ফাইন্যান্স কস্ট ও বিক্রয়মূল্য চাপ থেকে। একই সঙ্গে অনেক প্রতিষ্ঠানের NOCFPS এ বড় ওঠানামা দেখা গেছে, যা সাধারণত ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল, সরবরাহকারীকে বেশি পেমেন্ট, গ্রাহক থেকে কালেকশন কমা বা রিসিভেবল রিয়ালাইজেশন দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। NAV বেশ কিছু ক্ষেত্রে ডিভিডেন্ড পেমেন্ট, লোকসান, দায় বাড়া বা রিভ্যালুয়েশন এডজাস্টমেন্টের কারণে নড়েছে।
স্কয়ার টেক্সটাইল এসএমই লিমিটেড (স্কয়ারটেক্সট)
স্কয়ার টেক্সটাইলের কিউ২ অনঅডিটেড ঘোষণায় দেখা যাচ্ছে, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ সময়ে কনসোলিডেটেড ইপিএস নেমে এসেছে ০.১৪ টাকায়, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১.৯৩ টাকা। আবার জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৫ অর্ধবার্ষিকে কনসোলিডেটেড ইপিএস হয়েছে ১.৮৪ টাকা, যেখানে আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩.৮৩ টাকা। অপারেটিং ক্যাশফ্লোও দুর্বল হয়েছে: কনসোলিডেটেড এনওসিএফপিএস ২.১২ টাকা, আগের বছরের ৬.৫৮ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ প্রতি শেয়ার ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫ এ ৫৪.৫০ টাকা, জুন ৩০, ২০২৫ এ ছিল ৫৫.৮৬ টাকা।
কোম্পানিটি ব্যাখ্যা দিয়েছে, এই সময়ে ইপিএস কমার মূল চাপ এসেছে সুতা দামের উল্লেখযোগ্য পতন থেকে, একইসঙ্গে ফাইন্যান্স কস্ট বেড়েছে। অর্থাৎ বিক্রয়/মার্জিনে আঘাত এবং ঋণের খরচ বৃদ্ধি একসাথে মুনাফা কমিয়েছে।
ড্যাফোডিল কম্পিউটারস পিএলসি (ড্যাফোডিলকম)
ড্যাফোডিল কমের কিউ২ অনঅডিটেড অনুযায়ী, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ০.০৯ টাকা, আগের বছরের ০.১২ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.২১ টাকা, আগের বছরের ০.২৮ টাকার নিচে। সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো বিষয়, কনসোলিডেটেড এনওসিএফপিএস হয়েছে মাইনাস ১.১৩ টাকা, যেখানে আগের বছর একই সময়ে এটি ছিল পজিটিভ ০.৪৫ টাকা। ন্যাভ প্রতি শেয়ার ১৩.১১ টাকা, যা জুন শেষে ১২.৯০ টাকা থেকে কিছুটা বেড়েছে।
অতিরিক্ত ব্যাখ্যায় কোম্পানি জানিয়েছে, এনওসিএফপিএসের বড় বিচ্যুতি হয়েছে সাপ্লায়ারদের পেমেন্ট বেড়ে যাওয়ায়, সুদসহ অন্যান্য অপারেটিং পেমেন্ট বৃদ্ধি পাওয়ায়, এবং কাস্টমারদের কাছ থেকে কালেকশন কমে যাওয়ায়। অর্থাৎ আয় বিবরণীতে লাভ থাকলেও ক্যাশ সংগ্রহ ও খরচের টাইমিংয়ের কারণে ক্যাশফ্লোতে চাপ তৈরি হয়েছে।
সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড (এসএপোর্টল)
এসএপোর্টলের কিউ২ অনঅডিটেড ফলাফলে দেখা যায়, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ০.৩৭ টাকা, আগের বছরের ০.৭৩ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.৯৬ টাকা, আগের বছরের ১.৫২ টাকার নিচে। তবে অপারেটিং ক্যাশফ্লো উন্নত: কনসোলিডেটেড এনওসিএফপিএস ১.৮৮ টাকা, আগের বছরের ১.৫২ টাকার তুলনায় বেশি। ন্যাভ প্রতি শেয়ার ৩৪.৪৭ টাকা, জুন শেষে ৩৫.৬৭ টাকা থেকে কমেছে।
কোম্পানিটির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ভলিউম হ্যান্ডলিং বাড়ায় রেভিনিউ স্ট্রিম শক্ত হয়েছে, ফলে এনওসিএফপিএস বেড়েছে। পাশাপাশি কনটেইনার ট্রান্সপোর্টেশন সার্ভিসেস লিমিটেডের ক্লায়েন্ট কালেকশনও কনসোলিডেটেড ক্যাশফ্লোকে সাপোর্ট দিয়েছে। তবে আইএফআরএস ১০ অনুযায়ী গ্রুপ অ্যাকাউন্টিং প্রভাব, সাবসিডিয়ারি পর্যায়ে কম নেট প্রফিট, ফ্রেইট রেট কমা, এবং সাবসিডিয়ারি থেকে ডিভিডেন্ড ইনকাম বাদ পড়ার কারণে সামগ্রিকভাবে ইপিএস কমেছে। এছাড়া এসএপোর্টল ও সাবসিডিয়ারি উভয়ের ক্যাশ ডিভিডেন্ড পরিশোধের প্রভাবে ন্যাভেও নিম্নগতি এসেছে।
এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড (এনভয়টেক্স)
এনভয় টেক্সের কিউ২ রিপোর্ট অনুযায়ী, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ২.০৯ টাকা, আগের বছরের ২.০৭ টাকার তুলনায় সামান্য বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪.৩৫ টাকা, আগের বছরের ৩.৫৮ টাকার তুলনায় উন্নত। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে অপারেটিং ক্যাশফ্লোতে: এনওসিএফপিএস ৮.৪৪ টাকা, যেখানে আগের বছর ছিল মাত্র ০.৮৬ টাকা। ন্যাভ প্রতি শেয়ার ৫৯.৬৭ টাকা, জুন শেষে ৫৮.৩২ টাকা থেকে বেড়েছে।
এই সংখ্যাগুলো ইঙ্গিত দেয়, কোম্পানিটি শুধু আয়ের দিকেই নয়, নগদ সংগ্রহ ও অপারেশনাল ক্যাশ জেনারেশনের দিকেও উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী অবস্থানে গেছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য সাধারণত ইতিবাচক সিগন্যাল হিসেবে ধরা হয়।
জিএইচসিএল লিমিটেড (জিএইচসিএল)
জিএইচসিএলের কিউ২ ফলাফলে লোকসান চিত্র স্পষ্ট। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.৯০ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.০১ টাকার তুলনায় অনেক খারাপ। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ১.৪২ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ১.১১ টাকার তুলনায় আরও নেগেটিভ। এনওসিএফপিএস মাইনাস ০.৬৬ টাকা, আগের বছর ছিল ০.১০ টাকা। ন্যাভ ৭০.৪৭ টাকা, জুন শেষে ৭১.৮৯ টাকা থেকে কমেছে।
কোম্পানির ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, কাঁচামালের দাম, ইউটিলিটি ও উৎপাদন ওভারহেড, এবং স্বল্পমেয়াদি ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ঋণ নির্ভরতা বাড়ায় ফাইন্যান্স কস্ট বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে মার্জিনে চাপ তৈরি হয়েছে। এনওসিএফপিএস কমার পেছনে বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ট্রেড রিসিভেবল বৃদ্ধি, ক্রেডিট টার্ম দীর্ঘ হওয়া, এবং উৎপাদন ধারাবাহিক রাখতে ইনভেন্টরি জমা। ন্যাভ কমার ব্যাখ্যায় কম লাভজনিত রিটেইন্ড আর্নিংস গ্রোথ কমে যাওয়া, স্বল্পমেয়াদি দায় বৃদ্ধি, এবং নিয়মিত ডিপ্রিসিয়েশনকে দায়ী করা হয়েছে।
শাশা ডেনিম পিএলসি (শাশাডেনিম)
শাশা ডেনিমের কিউ২ অনঅডিটেড হিসেবে অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ০.২৮ টাকা, আগের বছরের ০.৮০ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.৫৯ টাকা, আগের বছরের ১.২০ টাকার নিচে। তবে অপারেটিং ক্যাশফ্লোতে দৃশ্যমান ঘুরে দাঁড়ানো হয়েছে: কনসোলিডেটেড এনওসিএফপিএস ৫.৫০ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ২.৪৮ টাকা থেকে বড় টার্নঅ্যারাউন্ড। ন্যাভ প্রায় স্থিতিশীল: ৪১.৯৩ টাকা, জুন শেষে ৪১.৮৪ টাকা।
কোম্পানি বলেছে, বিক্রয়দর কমা এবং কস্ট অব গুডস সোল্ড বেড়ে যাওয়ায় গ্রস মার্জিন চাপের মধ্যে পড়েছে, তাই ইপিএস কমেছে। তবে অ্যাসোসিয়েট কোম্পানিগুলোর ধারাবাহিক প্রফিট কন্ট্রিবিউশন নেট প্রফিটকে পুরোপুরি ভেঙে পড়তে দেয়নি। এনওসিএফপিএস পজিটিভ হওয়ার ব্যাখ্যায় দুটি ফ্যাক্টর সামনে এসেছে: আগের সময়ের বকেয়া রিসিভেবল আদায়, এবং অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট সুবিধার আওতায় কিছু আমদানি দায় কৌশলগতভাবে ডিফার করে তাৎক্ষণিক ক্যাশ অবস্থান উন্নত করা।
ফার কেমিক্যালস লিমিটেড (ফারকেম)
ফার কেমের কিউ২ ফলাফল নেতিবাচক। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস মাইনাস ১.৮৫ টাকা, আগের বছরে যেখানে ছিল ০.১৬ টাকা। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ১.৮০ টাকা, আগের বছরের ০.৩২ টাকার তুলনায় অনেক খারাপ। এনওসিএফপিএস মাইনাস ৫.৫৭ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ১.৮১ টাকার চেয়েও বেশি নেগেটিভ। ন্যাভ ৩০.৭২ টাকা, জুন শেষে ৩২.৫২ টাকা থেকে কম।
এই চিত্র দেখায়, কোম্পানির লাভজনিত সক্ষমতার পাশাপাশি অপারেটিং ক্যাশফ্লোও চাপের মধ্যে রয়েছে, যা স্বল্পমেয়াদে লিকুইডিটি ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা প্রয়োজনীয় করে তোলে।
রান ফাউন্ড্রি লিমিটেড (রানফাউন্ড্রি)
রান ফাউন্ড্রির কিউ২ প্রতিবেদনে আয় স্থিতিশীল ধারায়। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ১.০০ টাকা, আগের বছরের ১.০২ টাকার কাছাকাছি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ২.১৮ টাকা, আগের বছরের ২.১৯ টাকার প্রায় সমান। এনওসিএফপিএস ১.৫৯ টাকা, আগের বছরের ০.১৮ টাকার তুলনায় উন্নত। ন্যাভ ৩৪.৯৭ টাকা, জুন শেষে ৩৫.০৯ টাকা থেকে সামান্য কম।
মুনাফা স্থির থাকলেও ক্যাশফ্লোর এই উন্নতি সাধারণত সংগ্রহ, পেমেন্ট টাইমিং, বা ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট উন্নত হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
এমএল ডাইং লিমিটেড (এমএলডাইং)
এমএল ডাইংয়ের কিউ২ ফলাফলে লোকসান দেখা যাচ্ছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.৪৭ টাকা, আগের বছর ছিল ০.০৭ টাকা। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ০.৪৬ টাকা, আগের বছর ০.১৩ টাকার তুলনায় খারাপ। এনওসিএফপিএস মাইনাস ০.৪১ টাকা, আগের বছর মাইনাস ০.৫৩ টাকার তুলনায় কিছুটা কম নেগেটিভ। ন্যাভ ১২.৭৮ টাকা, জুন শেষে ১৩.৩০ টাকা থেকে কমেছে।
এখানে লাভ-ক্ষতির চাপে ন্যাভ কমেছে, তবে ক্যাশফ্লো তুলনামূলক কম নেগেটিভ হওয়ায় অপারেটিং ক্যাশ ড্রেন কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হতে পারে, যদিও এটি নিশ্চিত নয়।
এডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (এসিআই)
এসিআইয়ের কিউ২ অনঅডিটেডে বড় পরিবর্তন হলো নেগেটিভ ইপিএস থেকে পজিটিভে ফেরা। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ০.৩৪ টাকা, যেখানে আগের বছর ছিল মাইনাস ৩.১৭ টাকা। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.৭৩ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ৭.৯৯ টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি। এনওসিএফপিএস মাইনাস ৫০.৫০ টাকা থাকলেও আগের বছরের মাইনাস ৬৩.৬০ টাকার তুলনায় কম নেগেটিভ। ন্যাভ ৯০.৭০ টাকা, জুন শেষে ৯১.৬৪ টাকা থেকে সামান্য কম।
কোম্পানি জানিয়েছে, অর্ধবার্ষিকে গ্রুপের রাজস্ব ১৮ শতাংশ বেড়েছে এবং একাধিক অপারেটিং সেগমেন্ট এ গ্রোথে অবদান রেখেছে। গ্রস প্রফিট বৃদ্ধির হার অপারেটিং এক্সপেন্স বৃদ্ধিকে ছাড়িয়েছে, ফলে আয়ের দিকে উন্নতি এসেছে। তবে সুদের হার বৃদ্ধির কারণে এবং ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ও কৌশলগত বিনিয়োগে অতিরিক্ত ফান্ডিং নেওয়ায় বোরোয়িং কস্ট বেড়েছে। ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল মুভমেন্টের কারণে এনওসিএফপিএস নেগেটিভ থাকলেও তুলনামূলকভাবে কিছুটা উন্নত হয়েছে।
কনফিডেন্স সিমেন্ট লিমিটেড (কনফিডসেম)
কনফিডেন্স সিমেন্টের কিউ২ ফলাফলে উন্নতি দেখা যাচ্ছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ৩.৪২ টাকা, আগের বছরের ২.৬৫ টাকার তুলনায় বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ৭.৩৮ টাকা, আগের বছরের ৬.৬২ টাকার উপরে। এনওসিএফপিএস ২.২৪ টাকা, আগের বছরের ১.২২ টাকার তুলনায় উন্নত। ন্যাভ ৯৬.০৮ টাকা, জুন শেষে ৮৮.৬৮ টাকা থেকে বেড়েছে।
কোম্পানির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অ্যাসোসিয়েট কোম্পানির পারফরম্যান্সের ইতিবাচক প্রভাব ইপিএস বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। বিক্রয় কালেকশন অপারেশনাল কস্টকে ছাড়িয়ে যাওয়ায় এনওসিএফপিএসও বেড়েছে। একইসঙ্গে অ্যাসোসিয়েটের প্রফিট যোগ হওয়ায় ন্যাভ শক্ত হয়েছে।
কেডিএস অ্যালায়েড লিমিটেড (কেডিএসএলটিডি)
কেডিএস অ্যালায়েডের কিউ২ অনুযায়ী, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.৪৫ টাকা, আগের বছরের ০.৪৯ টাকার চেয়ে সামান্য কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ১.০০ টাকা, আগের বছরের ১.০৫ টাকার নিচে। এনওসিএফপিএস ০.২৫ টাকা, আগের বছরের ২.৩২ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ প্রায় অপরিবর্তিত: ২৭.৭০ টাকা, জুন শেষে ২৭.৭১ টাকা।
এখানে আয় সামান্য কমার পাশাপাশি অপারেটিং ক্যাশফ্লোও দুর্বল, যা কালেকশন, ইনভেন্টরি বা পেমেন্ট সাইকেলে চাপের ইঙ্গিত দিতে পারে।
সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (সিলভাফল)
সিলভার কিউ২ অনুযায়ী, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.২৬ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.১৯ টাকার তুলনায় বেশি লোকসান। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ০.৫২ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৪৩ টাকার চেয়ে খারাপ। এনওসিএফপিএস ০.০৭ টাকা, আগের বছরের ০.১১ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ১৪.৯৬ টাকা, জুন শেষে ১৫.৪৮ টাকা থেকে কমেছে।
কোম্পানি বলেছে, বিক্রয় ভলিউম কমে যাওয়ায় ইপিএস কমেছে। একইসঙ্গে রিসিভেবল কালেকশন ও বিক্রয় কম থাকায় এনওসিএফপিএসও দুর্বল। লোকসানের কারণে ন্যাভও নিচে নেমেছে।
কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (কপারটেক)
কপারটেকের কিউ২ অনঅডিটেডে অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.১০ টাকা, আগের বছরের ০.২১ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.১৫ টাকা, আগের বছরের ০.২৩ টাকার নিচে। এনওসিএফপিএস ১.৬৬ টাকা, আগের বছরের ১.২৩ টাকার তুলনায় বেশি। ন্যাভ ১৪.৪৬ টাকা, জুন শেষে ১৪.৩২ টাকা থেকে কিছুটা বেড়েছে।
এখানে লাভ কমলেও ক্যাশফ্লো বেড়েছে, যা অপারেশনাল কালেকশন বা ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দক্ষতা উন্নতির ইঙ্গিত হতে পারে।
আফতাব অটো লিমিটেড (আফতাবঅটো)
আফতাব অটোর কিউ২ ফলাফলে লোকসান চলমান। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস মাইনাস ০.২৬ টাকা, আগের বছর ছিল মাইনাস ০.২৫ টাকা। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ০.৮১ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৬৯ টাকার চেয়ে বেশি লোকসান। এনওসিএফপিএস ০.৮০ টাকা, আগের বছরের ১.৫৮ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ৪৬.০৬ টাকা, জুন শেষে ৪৭.৫৭ টাকা থেকে কমেছে।
এখানে আয় চাপের সাথে ক্যাশফ্লো দুর্বল হওয়ায় অপারেটিং অবস্থানও চ্যালেঞ্জড বলেই প্রতীয়মান।
কহিনুর কেমিক্যাল কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড (কহিনুর)
কহিনুরের কিউ২ রিপোর্টে ইতিবাচক ছবি। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ৪.০০ টাকা, আগের বছরের ৩.১৮ টাকার তুলনায় বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ৮.১০ টাকা, আগের বছরের ৬.২৫ টাকার চেয়ে উন্নত। এনওসিএফপিএস ১১.২৮ টাকা, যদিও আগের বছরের ১৪.৩৫ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ৬০.৮৬ টাকা, জুন শেষে ৫৯.২৪ টাকা থেকে বেড়েছে।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, এনওসিএফপিএস কমার একটি মূল কারণ হলো আগের বছরের তুলনায় ইনভেন্টরি বৃদ্ধি। অর্থাৎ স্টক বাড়লে ক্যাশ আটকে যায়, ফলে ক্যাশফ্লো কমে যেতে পারে, যদিও মুনাফা বেড়েছে।
ফার্মা এইড লিমিটেড (ফার্মাআইড)
ফার্মা এইডের কিউ২ এ আয়ের শক্তিশালী উন্নতি। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ৭.২৮ টাকা, আগের বছরের ৫.৬৬ টাকার তুলনায় বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ১৪.০৯ টাকা, আগের বছরের ১১.৩২ টাকার উপরে। এনওসিএফপিএস ১০.১১ টাকা, আগের বছরের ৪.৯৩ টাকার তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ন্যাভ ১৪৯.৫৪ টাকা, জুন শেষে ১৩৮.৫৮ টাকা থেকে বেড়েছে।
কোম্পানি ব্যাখ্যা দিয়েছে, উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণের কারণে বিক্রয় বেড়েছে, ফলে ইপিএস উন্নত হয়েছে। কালেকশন বৃদ্ধি পাওয়ায় এনওসিএফপিএসও শক্ত হয়েছে, আর রিটেইন্ড আর্নিংস বাড়ায় ন্যাভ বৃদ্ধি পেয়েছে।
মননো ফেব্রিকস লিমিটেড (মননোফ্যাবর)
মননো ফেব্রিকসের কিউ২ এ আয় কম। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.০১ টাকা, আগের বছরের ০.০৪ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.০৪ টাকা, আগের বছরের ০.০৭ টাকার নিচে। তবে এনওসিএফপিএস ০.৬৫ টাকা, আগের বছরের ০.০৩ টাকার তুলনায় বেশি। ন্যাভ ২৫.৪১ টাকা, জুন শেষে ২৫.৩৯ টাকা থেকে সামান্য বেড়েছে।
কোম্পানির মতে, ফাইন্যান্স কস্ট বৃদ্ধিতে ইপিএস কমেছে। ক্যাশফ্লো বাড়ার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিল কমায় অপারেটিং ক্যাশে সুবিধা হয়েছে। ন্যাভ সামান্য বেড়েছে মূলত কারেন্ট অ্যাসেট বাড়ার কারণে।
বাংলাদেশ থাই ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড প্রোডাক্টস লিমিটেড (বিডিথাইফুড)
বিডিথাইফুডের কিউ২ চিত্র নেতিবাচক। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.০৬ টাকা, আগের বছর ছিল ০.০৪ টাকা (রিস্টেটেড)। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ০.৫৫ টাকা, আগের বছর ছিল ০.০৬ টাকা (রিস্টেটেড)। অ্যাডজাস্টেড এনওসিএফপিএস ০.১৭ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.২৮ টাকার তুলনায় ভালো। অ্যাডজাস্টেড ন্যাভ ১১.৮৬ টাকা, জুন শেষে ১২.৪১ টাকা থেকে কমেছে।
কোম্পানি জানিয়েছে, উৎপাদন ও বিক্রয় কমে যাওয়ায় নেট প্রফিট ও ইপিএস কমেছে। পাশাপাশি ব্যয়জনিত দায় বৃদ্ধি পাওয়ায় ন্যাভে চাপ তৈরি হয়েছে।
বাটা সু (বাংলাদেশ) লিমিটেড (বিডিথাই)
বিডিথাইয়ের কিউ২ এ লোকসান বাড়ছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.৭৯ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৬২ টাকার তুলনায় বেশি নেগেটিভ। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ১.৪৯ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৯০ টাকার চেয়ে খারাপ। এনওসিএফপিএস মাইনাস ০.৭৭ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৬৬ টাকার তুলনায় কমেছে। ন্যাভ ২৭.১৯ টাকা, জুন শেষে ২৮.৬০ টাকা থেকে কম।
এখানে আয়ের চাপের পাশাপাশি ক্যাশফ্লোও নেগেটিভ থাকায় অপারেশনাল টার্নঅ্যারাউন্ডের প্রয়োজনীয়তা বোঝা যায়।
সাইফকো স্পিনিং মিলস লিমিটেড (সাফকোস্পিনন)
সাফকো স্পিনিংয়ের কিউ২ এ লোকসান থাকলেও কিছু উন্নতির ইঙ্গিত আছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.৩১ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৫৩ টাকার তুলনায় কম নেগেটিভ। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ২.০৭ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ৫.৩০ টাকার তুলনায় উন্নত। তবে এনওসিএফপিএস মাইনাস ০.৪২ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.০৫ টাকার তুলনায় বেশি নেগেটিভ। ন্যাভ মাইনাস ৫.৩২ টাকা, জুন শেষে মাইনাস ৪.৫০ টাকা থেকে আরও কমেছে।
এখানে আয়ের ক্ষতি কিছুটা কমলেও ক্যাশফ্লো ও ন্যাভ নেগেটিভ থাকায় আর্থিক ঝুঁকির মাত্রা উচ্চ বলেই ধরা যায়।
সাইহাম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড (সাইহামটেক্স)
সাইহাম টেক্সের কিউ২ এ আয় কমেছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.১১ টাকা, আগের বছরের ০.১৩ টাকার নিচে। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.২৮ টাকা, আগের বছরের ০.৩৪ টাকার তুলনায় কম। এনওসিএফপিএস মাইনাস ৭.৩৬ টাকা, আগের বছর ছিল পজিটিভ ৬.৯৬ টাকা, অর্থাৎ বড় রিভার্সাল। ন্যাভ ৪৩.৫০ টাকা, জুন শেষে ৪৩.৭৭ টাকা থেকে সামান্য কম।
কোম্পানি বলেছে, কস্ট অব গুডস সোল্ড তুলনামূলকভাবে বেশি বেড়েছে বলে নেট প্রফিট কমেছে। এনওসিএফপিএস কমার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে কালেকশন কমে যাওয়া, এবং উৎপাদন ব্যয় ও ওভারহেড পেমেন্ট বেড়ে যাওয়া।
আইটিসি লিমিটেড (আইটিসি)
আইটিসির কিউ২ অনুযায়ী, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.৮৬ টাকা, আগের বছরের ১.১১ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ১.৭৮ টাকা, আগের বছরের ১.৯৩ টাকার নিচে। এনওসিএফপিএস ২.২৮ টাকা, আগের বছরের ৩.১৪ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ২৩.৮৩ টাকা, জুন শেষে ২৩.২৫ টাকা থেকে কিছুটা বেড়েছে।
এখানে মুনাফা ও ক্যাশফ্লো কিছুটা নরম হলেও ন্যাভ সামান্য বেড়েছে, যা ব্যালান্স শিটে সীমিত ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (সিলকোফল)
সিলকোর কিউ২ এ স্থিতিশীলতার আভাস। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.১১ টাকা, আগের বছরের ০.১০ টাকার তুলনায় সামান্য বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.২৭ টাকা, আগের বছরের ০.২৭ টাকার সমান। এনওসিএফপিএস ০.৫১ টাকা, আগের বছরের ০.৬২ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ২৩.২৯ টাকা, জুন শেষে ২৩.০২ টাকা থেকে বেড়েছে।
মননো স্পুলিং মিলস লিমিটেড (মনোস্পুল)
মনোস্পুলের কিউ২ এ ইপিএস সামান্য বেড়েছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.৭৪ টাকা, আগের বছরের ০.৭২ টাকার তুলনায় বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ১.৯৩ টাকা, আগের বছরের ১.৮৬ টাকার উপরে। এনওসিএফপিএস ২.২৪ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ১.৮৮ টাকা থেকে বড় উন্নতি। ন্যাভ ৪৬.৯৯ টাকা, জুন শেষে ৪৫.০৫ টাকা থেকে বেড়েছে।
কোম্পানি ব্যাখ্যা দিয়েছে, চলতি সময়ে কারেন্ট লাইবিলিটি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সাপ্লায়ার ও ব্যাংক বা এনবিএফআই থেকে ডিফার্ড পেমেন্ট বা ক্রেডিট সুবিধা থাকায় অপারেটিং ক্যাশফ্লো ভালো দেখাচ্ছে। অর্থাৎ ক্যাশফ্লো উন্নতি আংশিকভাবে পেমেন্ট ডিফারালের ফলও হতে পারে।
নাভানা সিএনজি লিমিটেড (নাভানাএসএনজি)
নাভানা সিএনজির কিউ২ অনুযায়ী, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ০.০১ টাকা, আগের বছরের ০.০৪ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.০২ টাকা, আগের বছরের ০.০৬ টাকার নিচে। এনওসিএফপিএস ১.৮৫ টাকা, আগের বছরের ০.০৩ টাকার তুলনায় বেশি। ন্যাভ ৩০.২৪ টাকা, জুন শেষে ৩০.৭৯ টাকা থেকে কমেছে।
রহিমা ফুড করপোরেশন লিমিটেড (রহিমাফুড)
রহিমা ফুডের কিউ২ এ লোকসান বেড়েছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.০৭ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.০৫ টাকার তুলনায় খারাপ। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ০.১৪ টাকা, আগের বছরের ০.১৬ টাকার তুলনায় নেগেটিভ। এনওসিএফপিএস ০.২৪ টাকা, আগের বছরের ১.১২ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ৯.২৯ টাকা, জুন শেষে ৯.৪৩ টাকা থেকে সামান্য কম।
এমজেএল বাংলাদেশ পিএলসি (এমজেএলবিডি)
এমজেএলবিডির কিউ২ ফলাফলে আয়ের নিম্নগতি। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ০.৮০ টাকা, আগের বছরের ৩.২৩ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ৩.৮৬ টাকা, আগের বছরের ৬.৬৬ টাকার নিচে। তবে এনওসিএফপিএস ৬.৪৪ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ৩.০২ টাকা থেকে বড় টার্নঅ্যারাউন্ড। ন্যাভ ৫২.৭২ টাকা, জুন শেষে ৫৪.০৬ টাকা থেকে কমেছে।
এখানে লাভ কমলেও ক্যাশফ্লোতে বড় ঘুরে দাঁড়ানো রয়েছে, যা রিসিভেবল আদায় বা ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল রিলিজের ফল হতে পারে।
অরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (অরিয়নফার্ম)
অরিয়ন ফার্মার কিউ২ এ লোকসান রয়েছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস মাইনাস ০.৫৬ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৪৪ টাকার তুলনায় খারাপ। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ০.৮৬ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.২০ টাকার তুলনায় বেশি নেগেটিভ। এনওসিএফপিএস ২.৬১ টাকা, আগের বছরের ৪.২৬ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ রিভ্যালুয়েশনসহ ৮৫.৭৪ টাকা, জুন শেষে ৮৬.০৯ টাকা থেকে সামান্য কম। কোম্পানি আলাদা করে জানিয়েছে, রিভ্যালুয়েশন সারপ্লাস বাদ দিলে ন্যাভ ৭৮.০০ টাকা, জুন শেষে ৭৮.৩৪ টাকা ছিল।
সাইহাম কটন মিলস লিমিটেড (সাইহামকট)
সাইহাম কটনের কিউ২ এ মুনাফা কমেছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.২০ টাকা, আগের বছরের ০.৩১ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.৪৮ টাকা, আগের বছরের ০.৫৮ টাকার নিচে। এনওসিএফপিএস ১.২২ টাকা, আগের বছরের ০.৮৬ টাকার তুলনায় বেশি। ন্যাভ ৩৮.০৮ টাকা, জুন শেষে ৩৮.২৬ টাকা থেকে সামান্য কম।
জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড (জিবিবিপাওয়ার)
জিবিবি পাওয়ারের কিউ২ এ ইপিএস সামান্য বেড়েছে। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.০৪ টাকা, আগের বছরের ০.০২ টাকার তুলনায় বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.০৭ টাকা, আগের বছরের ০.০৬ টাকার তুলনায় সামান্য বেশি। তবে এনওসিএফপিএস ০.০১ টাকা, আগের বছরের ০.০৯ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ২০.৩৮ টাকা, জুন শেষে ২০.২৭ টাকা থেকে সামান্য বেড়েছে।
অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (অলটেক্স)
অলটেক্সের কিউ২ এ ইপিএস পজিটিভ হলেও ছোট। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.০৩ টাকা, আগের বছরে ছিল মাইনাস ০.০৫ টাকা। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.০৪ টাকা, আগের বছরে ছিল মাইনাস ০.০৬ টাকা। এনওসিএফপিএস মাইনাস ০.০৫ টাকা, আগের বছরের ০.৩১ টাকার তুলনায় কম। ন্যাভ ২৬.৬৪ টাকা, এবং কোম্পানি জানিয়েছে, আগের বছরের ডিসেম্বর শেষে ন্যাভ ছিল ১৯.৮৬ টাকা, অর্থাৎ বার্ষিক ভিত্তিতে বড় উন্নতি।
অতিরিক্ত ব্যাখ্যায় কোম্পানি বলেছে, টার্নওভার বাড়ানো ও সিওজিএস অনুপাত কমানোর চেষ্টা ফল দিয়েছে, তবে সাপ্লায়ার, এমপ্লয়ি ও অন্যান্য পেমেন্ট এবং ফাইন্যান্স এক্সপেন্স বাড়ায় এনওসিএফপিএস কমেছে। ন্যাভ বেড়েছে রিপোর্টিং প্রফিটের পাশাপাশি আগের বছরের ঋণ সুদ অতিরিক্ত প্রভিশন সমন্বয়ের কারণে।
স্টাইলক্র্যাফট লিমিটেড (স্টাইলক্র্যাফট)
স্টাইলক্র্যাফটের কিউ২ এ ইপিএস খুবই কম। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস ০.০০৯ টাকা, আগের বছরের ০.০৪ টাকার তুলনায় কম। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ০.০১৯ টাকা, আগের বছরের ০.০৭ টাকার নিচে। তবে এনওসিএফপিএস ২.৩৯ টাকা, আগের বছরের ০.৮৩ টাকার তুলনায় বেশি। ন্যাভ ৪.৬৪ টাকা, জুন শেষে ৪.৬২ টাকা থেকে সামান্য বেড়েছে।
কোম্পানি জানিয়েছে, এনওসিএফপিএস নেগেটিভ হওয়া প্রসঙ্গে তাদের ব্যাখ্যা হলো, কালেকশনের তুলনায় পেমেন্ট বেশি, এবং সেই ঘাটতি ব্যাংক ঋণ দিয়ে মেটানো হয়। (এখানে আপনার ডেটাসেটে “নেগেটিভ” ব্যাখ্যা অংশ ছিল, কিন্তু ঘোষিত এনওসিএফপিএস সংখ্যাটি পজিটিভ, তাই বিনিয়োগকারী হিসেবে এই জায়গাটি অফিসিয়াল নোট থেকে মিলিয়ে দেখা জরুরি।)
এসিএমই ল্যাবরেটরিজ পিএলসি (এসিএমইপিএল)
এসিএমইপিএলের কিউ২ এ লোকসান অব্যাহত। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ ইপিএস মাইনাস ০.১৬ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.১৮ টাকার তুলনায় সামান্য কম নেগেটিভ। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস মাইনাস ০.২৬ টাকা, আগের বছরের মাইনাস ০.৩০ টাকার চেয়ে কম নেগেটিভ। এনওসিএফপিএস ০.০২ টাকা, আগের বছরের ০.০১ টাকার তুলনায় সামান্য বেশি। ন্যাভ ১৬.১৫ টাকা, জুন শেষে ১৬.৪১ টাকা থেকে কমেছে।
রেনাটা পিএলসি (রেনাটা)
রেনাটার কিউ২ ফলাফল শক্তিশালী। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ৭.১১ টাকা, আগের বছরের ৫.৬৪ টাকার তুলনায় বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ১৩.৫৮ টাকা, আগের বছরের ১০.৮৩ টাকার উপরে। এনওসিএফপিএস ১২.৮৭ টাকা, আগের বছরের ৩.৬০ টাকার তুলনায় বড় উন্নতি। ন্যাভ ৩১৩.৪৮ টাকা, জুন শেষে ৩০৫.৪৯ টাকা থেকে বেড়েছে।
কোম্পানি বলেছে, অপারেটিং প্রফিট গ্রোথ এবং ক্যাপিটাল রিস্ট্রাকচারিং উদ্যোগের ফলে নেট ফাইন্যান্স কস্ট কমায় ইপিএস বেড়েছে, যদিও ট্যাক্স এক্সপেন্স বৃদ্ধি কিছুটা অফসেট করেছে। এনওসিএফপিএস উন্নতির পেছনে অপারেটিং প্রফিট বৃদ্ধির পাশাপাশি ইনভেন্টরি ও রিসিভেবল ব্যবস্থাপনায় উন্নতি, এবং ডিপ্রিসিয়েশন ও অ্যামর্টাইজেশনজনিত নন ক্যাশ অ্যাডজাস্টমেন্টকে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি (স্কয়ারফার্মা)
স্কয়ার ফার্মার কিউ২ এ ধারাবাহিক উন্নতি। অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ এ কনসোলিডেটেড ইপিএস ৮.২০ টাকা, আগের বছরের ৭.৪৫ টাকার তুলনায় বেশি। জুলাই–ডিসেম্বর অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ১৬.৫৬ টাকা, আগের বছরের ১৪.৩২ টাকার উপরে। এনওসিএফপিএস ১৩.১৬ টাকা, আগের বছরের ৮.২৮ টাকার তুলনায় উন্নত। ন্যাভ ১৬২.৪১ টাকা, জুন শেষে ১৫৭.৮৮ টাকা থেকে বেড়েছে।
কোম্পানির ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, আগের বছরে সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় রেভিনিউ গ্রোথ কিছুটা থেমে ছিল। চলতি বছরে সেই ধাক্কা কাটিয়ে ব্যবসা শুধু রিকভারি করেনি, বরং রেভিনিউ পারফরম্যান্সে শক্ত আপমোমেন্টাম তৈরি হয়েছে। ফলে ইপিএস ও এনওসিএফপিএস উভয়ই স্বাস্থ্যকরভাবে বেড়েছে।
-রাফসান
৯ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষ হয়েছে ইতিবাচক প্রবণতায়। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বাড়ায় দিনজুড়ে বাজারে ক্রেতাদের সক্রিয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। একই সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণও ছিল উল্লেখযোগ্য, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ডিএসইর বাজার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এদিন মোট ৩৯২টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ২১৪টির দর বৃদ্ধি, ১১৬টির দর হ্রাস এবং ৬২টির দর অপরিবর্তিত থাকে। অর্থাৎ দরবৃদ্ধিকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দরপতনকারীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।
‘এ’ ক্যাটাগরির ১৯৭টি কোম্পানির মধ্যে ১১১টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৬১টির কমেছে এবং ২৫টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৭৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪২টির দর বৃদ্ধি, ২৪টির দরপতন এবং ৮টির দর অপরিবর্তিত ছিল। অন্যদিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরির ১২১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬১টির দর বেড়েছে, ৩১টির কমেছে এবং ২৯টির কোনো পরিবর্তন হয়নি।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতে তুলনামূলক চাপ দেখা গেছে। এদিন লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে মাত্র ৫টির ইউনিটদর বেড়েছে, ১৬টির কমেছে এবং ১৩টির দর অপরিবর্তিত ছিল। করপোরেট বন্ডের দুটি ইস্যুর মধ্যে একটি মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং একটি অপরিবর্তিত রয়েছে। সরকারি সিকিউরিটিজ (জি-সেক) খাতে চারটি ইস্যুর মধ্যে একটি বেড়েছে, আর তিনটির দর কমেছে।
দিন শেষে ডিএসইতে মোট ৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৭৬টি লেনদেন (ট্রেড) সম্পন্ন হয়েছে। এসব লেনদেনে ৪২ কোটি ৮৩ লাখ ৪২ হাজার ৪৬০টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। মোট লেনদেনের আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৪২৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় বাজারে সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাজার মূলধনেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। দিন শেষে ডিএসইতে ইকুইটি সিকিউরিটিজের বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা। মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারমূল্য ছিল প্রায় ২ হাজার ৮৩১ কোটি টাকা এবং ঋণপত্র (ডেট সিকিউরিটিজ) খাতের বাজারমূল্য ছিল ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকার বেশি। সব মিলিয়ে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন প্রায় ৭ লাখ ৩ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
ব্লক মার্কেটেও ছিল উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম। এদিন ৪৭টি কোম্পানির মোট ১৩১টি ব্লক ট্রেডে প্রায় ৪৬৭ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে গ্রামীণফোন (GP)-এর শেয়ারে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ১৬৪.৮২ কোটি টাকা। এছাড়া এপেক্স স্পিনিং, ড্যাফোডিল কম্পিউটার, ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং, সামোরিটা হাসপাতাল, মারকেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, এমটিবি, রবি, মেঘনা পেট, ডমিনেজ স্টিল এবং ব্র্যাক ব্যাংক-এর শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য ব্লক লেনদেন হয়েছে।
খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বীমা, ব্যাংক এবং কিছু উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি ছিল। অন্যদিকে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বিক্রির চাপ অব্যাহত থাকলেও সামগ্রিক বাজারে ইতিবাচক মনোভাবের কারণে প্রধান লেনদেনের ভারসাম্য সবুজ অবস্থানে ছিল।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দরবৃদ্ধিকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হওয়া এবং লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া বাজারে আস্থার ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। তবে তারা সতর্ক করে বলেন, একদিনের বাজারচিত্রকে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতার নির্দেশক হিসেবে না দেখে কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি, মুনাফা, করপোরেট ঘোষণা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
-রাফসান
শেয়ারবাজারে বড় ধাক্কা, কোন ১০ শেয়ার সবচেয়ে দর বেশি কমল
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (FASFIN)। দিনের লেনদেনে কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ৮ শতাংশ কমে বাজারের সবচেয়ে বড় মূল্যহ্রাসের রেকর্ড গড়েছে।
ডিএসইর সমাপনী তথ্য অনুযায়ী, এফএএস ফাইন্যান্স-এর শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের ১ টাকা ৩০ পয়সা থেকে কমে ১ টাকা ২০ পয়সায় নেমে এসেছে। এতে কোম্পানিটির শেয়ারমূল্য ৭.৬৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
দরপতনের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইনটেক লিমিটেড (INTECH)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৭.৬৪ শতাংশ কমে ৩১ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ২৯ টাকায় নেমেছে। টানা বিক্রির চাপের কারণে প্রযুক্তি খাতের এই শেয়ারটি দিনের অন্যতম আলোচিত দরপতনের তালিকায় স্থান পেয়েছে।
তৃতীয় স্থানে থাকা বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (BIFC)-এর শেয়ারদর কমেছে ৪.৫৫ শতাংশ। একই সঙ্গে ভোক্তা পণ্য খাতের পরিচিত প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার বাংলাদেশ-এর শেয়ার ৩.৯৮ শতাংশ মূল্য হারিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও বিক্রির চাপ লক্ষ্য করা গেছে। এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড-১-এর ইউনিটদর ৩.৯২ শতাংশ কমে দিনের পঞ্চম সর্বোচ্চ দরপতনের তালিকায় উঠে এসেছে।
এছাড়া জেনারেশন নেক্সট, সাফকো স্পিনিং মিলস, প্রাইম ফাইন্যান্স, আইসিবি ইপিএফ মিউচুয়াল ফান্ড এবং এমএল ডাইং যথাক্রমে ৩.৩৩ শতাংশ, ৩.১৮ শতাংশ, ৩.১৩ শতাংশ, ৩.০৮ শতাংশ এবং ৩.০৮ শতাংশ দর হারিয়ে শীর্ষ ১০ দরপতনকারী কোম্পানি ও ফান্ডের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও কিছু দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারে বিক্রির চাপ বাড়ার কারণে এদিন দরপতনের তালিকায় মূলত আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোর আধিপত্য দেখা গেছে। পাশাপাশি কিছু মিউচুয়াল ফান্ড ও উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানের ইউনিট ও শেয়ারেও মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। তারা মনে করেন, একদিনের মূল্যহ্রাসকে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতার নির্দেশক হিসেবে বিবেচনা না করে কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন, করপোরেট ঘোষণা, নগদ প্রবাহ, লভ্যাংশ নীতি এবং বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
-রাফসান
ডিএসইতে বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়ল এই ১০ শেয়ার
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দর বৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষ অবস্থান দখল করেছে ডেল্টা জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড (DGIC)। দিনের লেনদেনে কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ রিটার্ন দিয়েছে।
ডিএসইর সমাপনী তথ্য অনুযায়ী, ডিজিআইসি-র শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের ৩০ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বেড়ে ৩৩ টাকা ৩০ পয়সায় পৌঁছেছে। এতে শেয়ারটির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৯.৯০ শতাংশ, যা দিনের সর্বোচ্চ উত্থান।
দর বৃদ্ধির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মেঘনা ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯.৮৮ শতাংশ বেড়ে ৩৪ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৩৭ টাকা ৮০ পয়সায় উন্নীত হয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা ইস্টার্ন কেবলস (ECABLES)-এর শেয়ারদর বেড়েছে ৯.০৮ শতাংশ, যা দিনজুড়ে শিল্প খাতের শেয়ারগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় অগ্রগতি।
এদিন বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস-এর শেয়ারেও। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৮.৭৪ শতাংশ বেড়ে ২৫০ টাকা ২০ পয়সায় পৌঁছেছে। একইভাবে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স ৮.৭২ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে উঠে এসেছে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। ক্যাপএম আইবিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড-এর ইউনিটদর ৮.৫৩ শতাংশ বেড়ে দিনের অন্যতম আলোচিত ফান্ডে পরিণত হয়েছে।
এছাড়া ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং (FEKDIL) ৮.৫২ শতাংশ, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স ৬.৯০ শতাংশ, ফার কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ ৬.৫৭ শতাংশ এবং ন্যাশনাল টিউবস ৫.৫৯ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে দিনের সেরা দশে জায়গা করে নিয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বৃহস্পতিবারের লেনদেনে বীমা খাতের শেয়ারগুলোতে সবচেয়ে বেশি ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা গেছে। একই সঙ্গে কাগজ, কেবলস এবং নির্বাচিত উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়তে দেখা গেছে। যদিও কোনো একটি দিনের দর বৃদ্ধি ভবিষ্যৎ মূল্যপ্রবণতার নিশ্চয়তা দেয় না, তবুও ধারাবাহিক লেনদেন, কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি, করপোরেট ঘোষণা এবং বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করেই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
-রাফসান
৮ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রবণতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। দিনজুড়ে অধিকাংশ খাতে বিক্রির চাপ অব্যাহত থাকায় দরপতনের তালিকায় উঠে এসেছে ১৯২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। বিপরীতে মূল্য বেড়েছে ১৪৫টির, আর অপরিবর্তিত ছিল ৫৬টির দর।
দিনের লেনদেনে মোট ৩৯৩টি সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়। এর মধ্যে দরপতনের সংখ্যা দরবৃদ্ধির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি থাকায় বাজারজুড়ে সতর্ক অবস্থান দেখা গেছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।
সবচেয়ে বেশি চাপ দেখা যায় এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতে। এ শ্রেণির ১৯৭টি কোম্পানির মধ্যে ১০৯টির দর কমেছে, বেড়েছে ৭০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৮টির। তুলনামূলকভাবে মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিতেও বিক্রির চাপ বাজারের সামগ্রিক দুর্বল মনোভাবের ইঙ্গিত দিয়েছে।
বি ক্যাটাগরিতেও নেতিবাচক প্রবণতা ছিল। মোট ৭৪টি কোম্পানির মধ্যে ৪১টির শেয়ারদর কমেছে, ৩০টির বেড়েছে এবং ৩টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
অন্যদিকে জেড ক্যাটাগরির ১২২টি কোম্পানির মধ্যে ৪৫টির দর বেড়েছে, ৪২টির কমেছে এবং ৩৫টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এই শ্রেণিতে ক্রয় ও বিক্রির চাপ তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ থাকলেও বাজারের সামগ্রিক চিত্র ইতিবাচক হয়নি।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। লেনদেন হওয়া ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১২টির ইউনিটদর কমেছে, ১১টির বেড়েছে এবং ১১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। করপোরেট বন্ড ও সরকারি সিকিউরিটিজেও সীমিত লেনদেনের মধ্যে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যায়।
দিন শেষে মোট ২ লাখ ৭৮ হাজার ৫৬৯টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। এতে প্রায় ৪০ কোটি ৩৬ লাখ ৭৫ হাজার ৮৩৬টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়। আর্থিক মূল্যমানের হিসেবে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫৬ কোটি ১১ লাখ ৭১ হাজার ৭৫৩ টাকা, যা আগের কয়েকটি কার্যদিবসের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম।
লেনদেন কমার পাশাপাশি বাজারমূলধনেও পতন হয়েছে। দিন শেষে ইক্যুইটি বাজারের মোট বাজারমূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। মিউচুয়াল ফান্ড এবং ঋণপত্রসহ ডিএসইর মোট বাজারমূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখ ২ হাজার ৩৫৯ কোটি টাকা।
এদিন ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য কিছু লেনদেন হয়েছে। মোট ৪৭টি কোম্পানির শেয়ার ব্লক মার্কেটে হাতবদল হয়েছে। ব্লক মার্কেটে মোট ১০৬টি পৃথক লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ২৯২ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা সম্পন্ন হয়।
ব্লক মার্কেটে মূল্যমানের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ড্যাফোডিল কম্পিউটারস, সিপিএলসি (SIPLC), অ্যাপেক্স স্পিনিং, ডোমিনেজ, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ব্যাংক এশিয়া এবং মালেক স্পিনিং-এর শেয়ারে। এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এদিন বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ মুনাফা তুলে নেওয়া এবং ঝুঁকি কমানোর কৌশল গ্রহণ করায় বিক্রির চাপ বেড়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণ কমে যাওয়ায় বাজারে নতুন অর্থপ্রবাহও সীমিত ছিল। তারা মনে করেন, বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি, মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির ইতিবাচক আর্থিক প্রতিবেদন এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের সক্রিয়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, স্বল্পমেয়াদি মূল্য ওঠানামা দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি, আয়, নগদ প্রবাহ, লভ্যাংশ নীতি এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগ করাই হবে বিচক্ষণ কৌশল।
-রাফসান
৮ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের শীর্ষে উঠে এসেছে ইনটেক লিমিটেড (INTECH)। দিনের লেনদেনে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ কমে ৩১ টাকা ৪০ পয়সায় নেমে আসে, যা এদিনের সর্বোচ্চ মূল্যহ্রাস।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, দিনজুড়ে শেয়ারটিতে বিক্রির চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল। ফলে আগের কার্যদিবসের ৩৪ টাকা ৮০ পয়সা থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে নতুন সমাপনী দর নির্ধারিত হয়। লেনদেনের পুরো সময়জুড়ে শেয়ারটির সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দর একই পর্যায়ে থাকায় শক্তিশালী বিক্রির প্রবণতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
দরপতনের তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট (FAREASTFIN) এবং পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস (PLFSL)। প্রতিষ্ঠান দুটির শেয়ারদরই ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ করে কমেছে। ফাইন্যান্স খাতের এসব শেয়ারে বিক্রির চাপ বাজারের সামগ্রিক দুর্বল মনোভাবের প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে অ্যাটলাস বাংলাদেশ (ATLASBANG)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৪ দশমিক ৭০ শতাংশ কমে ৮১ টাকা ১০ পয়সায় নেমে এসেছে।
বস্ত্র খাতের ফ্যামিলিটেক্স (FAMILYTEX)-এর শেয়ারও দরপতনের তালিকায় স্থান পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৪ শতাংশ কমে ২ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন শেষ হয়।
এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড খাতের ICB 3rd NRB Mutual Fund (ICB3RDNRB) ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ দর হারিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।
পর্যটন ও হোটেল খাতের সোনারগাঁও হোটেল (SONARGAON), কেবল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন কেবলস (ECABLES) এবং ভোক্তা পণ্য প্রস্তুতকারী সিঙ্গার বাংলাদেশ (SINGERBD)-এর শেয়ারও এদিন বিক্রির চাপে উল্লেখযোগ্য দর হারিয়েছে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতের EBL NRB Mutual Fund (EBLNRBMF)-ও শীর্ষ ১০ দরপতনের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।
-রাফসান
৮ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (৮ জুলাই) লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেড (SEAPEARL)। দিনের লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারদর সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বেড়ে ৪৪ টাকায় পৌঁছায়, যা এদিনের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের এ কোম্পানির শেয়ারে ক্রেতাদের শক্তিশালী আগ্রহ এবং ধারাবাহিক কেনার চাপ মূল্যবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। লেনদেন চলাকালে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ৪৪ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৩৯ দশমিক ৬০ টাকা।
দরবৃদ্ধির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে প্রযুক্তি খাতের জেনেক্স ইনফোসিস (GENEXIL)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯.৮৯ শতাংশ বেড়ে ৪০ টাকায় লেনদেন শেষ হয়। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শেয়ারগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ অব্যাহত থাকায় জেনেক্সের শেয়ারেও শক্তিশালী ক্রয়চাপ দেখা যায়।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ (SHARPIND)। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৯.৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২৫ টাকা ৮০ পয়সায় পৌঁছেছে। দিনের লেনদেনে শেয়ারটির মূল্য ২৩ টাকা ৬০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।
বস্ত্র খাতের এমএল ডাইং (MLDYEING)-এর শেয়ারও উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখিয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯.২৪ শতাংশ বেড়ে ১৩ টাকায় বন্ধ হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দরবৃদ্ধির তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে কেবিপি পাকিস্তান ওয়েলথ বিল্ডার ইসলামিক ফান্ড (KBPPWBIL)। ফান্ডটির ইউনিটদর ৯.১৬ শতাংশ বেড়ে ৪১ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছেছে।
এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড খাতের এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড (AIBL1STIMF) ৮.৫১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে।
পর্যটন খাতের আরেক আলোচিত কোম্পানি ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস (UNIQUEHRL)-এর শেয়ারও ইতিবাচক ধারা ধরে রেখেছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৭.২২ শতাংশ বেড়ে ৪৯ টাকায় লেনদেন শেষ হয়।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতের CAPMIBBL Mutual Fund, খাদ্য খাতের Apex Foods এবং উৎপাদন খাতের FEKDIL-ও শীর্ষ গেইনার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর যথাক্রমে ৬.৬১ শতাংশ, ৬.৪৫ শতাংশ এবং ৬.১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
-রাফসান
৭ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় প্রাধান্য পেয়েছে আর্থিক ও লিজিং খাতের কোম্পানিগুলো। দিনের লেনদেন শেষে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়ে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড (আইএলএফএসএল) শীর্ষ লুজারের অবস্থানে উঠে এসেছে। একইসঙ্গে ফিনিক্স ফাইন্যান্সসহ বেশ কয়েকটি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য বিক্রির চাপ দেখা গেছে।
ডিএসইর বাজার তথ্য অনুযায়ী, আইএলএফএসএলের শেয়ারদর ১০ পয়সা বা ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমে দিনের সর্বোচ্চ দরপতনের তালিকায় জায়গা করে নেয়। একই হারে মূল্য হারিয়ে ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডও যৌথভাবে শীর্ষ লুজারের অবস্থানে রয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর এদিন ৩০ পয়সা বা ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমেছে।
দরপতনের তালিকায় পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড (পিএলএফএসএল)। দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারই ১০ পয়সা বা ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ কমে বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়ে।
অন্যদিকে, মাইডাস ফাইন্যান্স লিমিটেড এদিন ৪০ পয়সা বা ৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ দর হারিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে অবস্থান করে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আর্থিক খাতের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রির চাপ বৃদ্ধির কারণেই এদিন খাতভিত্তিক দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে।
ডিএসইর শীর্ষ দশ লুজার তালিকায় আরও রয়েছে প্রিমিয়ার লিজিং, যার শেয়ারদর ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ কমেছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জেনেক্স ইনফোসিস ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ মূল্য হারিয়েছে। একই সঙ্গে জেনারেশন নেক্সট এবং তুং হাই নিটিং উভয় প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমেছে। তালিকার দশম স্থানে থাকা এম.এল. ডাইং এদিন ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ দর হারিয়েছে।
-রাফসান
৭ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ লেনদেন শেষে দর বৃদ্ধির তালিকায় আধিপত্য দেখিয়েছে মিউচুয়াল ফান্ড ও নির্বাচিত কয়েকটি শেয়ার। দিনশেষে এমবিএল ১ম মিউচুয়াল ফান্ড সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি নিয়ে গেইনার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নির্দিষ্ট কিছু ফান্ড ও কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় এদিন বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।
ডিএসইর লেনদেন তথ্য অনুযায়ী, এমবিএল ১ম মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটদর ৪০ পয়সা বা ১০ শতাংশ বেড়ে দিনের সর্বোচ্চ গেইনারের অবস্থান দখল করে। সর্বোচ্চ অনুমোদিত দৈনিক মূল্যসীমায় পৌঁছে ফান্ডটি বিনিয়োগকারীদের বিশেষ নজর কাড়ে।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে তসরিফা নিটওয়ার্স লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারদর ২ টাকা ১০ পয়সা, অর্থাৎ ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দিনের অন্যতম আলোচিত শেয়ারে পরিণত হয়। তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের এই প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে উল্লেখযোগ্য ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা যায়।
গেইনার তালিকার তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। এদিন ফান্ডটির ইউনিটদর ৩০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহের ইঙ্গিত বহন করছে।
ডিএসইর শীর্ষ দশ গেইনার তালিকায় আরও জায়গা করে নিয়েছে জিল বাংলা সুগার মিলস, যার শেয়ারদর ৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ, এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে তালিকায় রয়েছে।
অন্যদিকে, এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড-ওয়ান ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ, আইএফআইসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং গ্রীন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে শীর্ষ দশের তালিকা সম্পূর্ণ করেছে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, মঙ্গলবারের লেনদেনে মিউচুয়াল ফান্ডের শক্তিশালী উপস্থিতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন। পাশাপাশি নির্বাচিত ব্যাংক, বস্ত্র ও শিল্প খাতের কিছু শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য ক্রয়চাপ দেখা গেছে, যা বাজারে ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে।
-রাফসান
৬ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মিশ্র প্রবণতার মধ্যেও ইতিবাচক আবহ লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (৬ জুলাই) দিনের লেনদেন শেষে দরবৃদ্ধি হওয়া কোম্পানির সংখ্যা দরপতনের তুলনায় বেশি ছিল। একই সঙ্গে বাজারমূলধনও বেড়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার আংশিক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ডিএসইর প্রকাশিত বাজার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এদিন মোট ৩৯২টি সিকিউরিটিজে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৬টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, ১৫৫টির দর কমেছে এবং ৭১টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। ফলে সামগ্রিক বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি বিক্রেতাদের তুলনায় কিছুটা বেশি দেখা গেছে।
ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিশ্লেষণে দেখা যায়, ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৯৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৩টির দর বেড়েছে, ৮৫টির কমেছে এবং ২৯টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৭৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩০টির দর বৃদ্ধি, ৩৫টির দরপতন এবং ১০টির দর অপরিবর্তিত ছিল। অন্যদিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে তুলনামূলক ভালো প্রবণতা দেখা গেছে। এ শ্রেণির ১২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৩টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৩৫টির কমেছে এবং ৩২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা ছিল। মোট ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১৭টির ইউনিটদর বেড়েছে, মাত্র ৩টির কমেছে এবং ১৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল। করপোরেট বন্ডের ক্ষেত্রে ৪টির মধ্যে ২টির দাম বেড়েছে এবং ২টির কমেছে। সরকারি সিকিউরিটিজে (জি-সেক) লেনদেন হওয়া একমাত্র ইস্যুটির দর কমেছে।
দিন শেষে মোট ৩ লাখ ২৪ হাজার ৩৩০টি ট্রেডে প্রায় ৪৪ কোটি ৮৩ লাখ ১৯ হাজার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। এসব লেনদেনের আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪১৬ কোটি ৫৭ লাখ ৩৭ হাজার ৬০২ টাকা ৭০ পয়সা, যা বাজারে উল্লেখযোগ্য তারল্যের উপস্থিতি নির্দেশ করে।
এদিন ডিএসইর মোট বাজারমূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখ ১ হাজার ৮৩২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে ইকুইটি বাজারের মূলধন প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ৭০৫ কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারমূলধন প্রায় ২ হাজার ৭২০ কোটি টাকা এবং ঋণপত্রের বাজারমূলধন ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৪০৬ কোটি টাকার বেশি।
ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। মোট ৪২টি কোম্পানির শেয়ারে ১১৭টি ব্লক ট্রেড সম্পন্ন হয়। এতে প্রায় ৬৯ লাখ ৬০ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৪৪৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি মূল্যমানের লেনদেন হয়েছে MALEKSPIN-এ, যেখানে প্রায় ৭৭.২২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ENVOYTEX, যার লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৭৪.০৭ কোটি টাকা। এছাড়া MEGHNAPET (৪৩.২১ কোটি টাকা), ASIATICLAB (৪২.২৯ কোটি টাকা), FINEFOODS (২৭.৫৯ কোটি টাকা), MARICO (২৭.৩০ কোটি টাকা), DOMINAGE (২৭.৯৭ কোটি টাকা) এবং DAFODILCOM-এর মতো কোম্পানিগুলোও ব্লক মার্কেটে বড় অঙ্কের লেনদেনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দরবৃদ্ধি হওয়া কোম্পানির সংখ্যা বেশি থাকলেও সামগ্রিক বাজার এখনও মিশ্র অবস্থানে রয়েছে। তাদের ভাষ্য, বাজারে আস্থা আরও শক্তিশালী করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ, ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানিতে অর্থপ্রবাহ এবং স্থিতিশীল নীতিগত পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ব্লক মার্কেটে বড় লেনদেনও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও কাড়তে পারবে না অধিকার: সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের নতুন খসড়া
- জীবনহানি এড়াতে ট্রাম্পের নতুন কৌশল: হরমুজ প্রণালি নিয়ে কী চুক্তি হতে যাচ্ছে?
- বিদ্যুৎ বিল নিয়ে রটনা নাকি সত্য? নতুন বিজ্ঞপ্তিতে যা জানাল মন্ত্রণালয়
- মঙ্গলবার সকালে বিদ্যুৎহীন থাকছে যেসব এলাকা
- শতাধিক মানুষের মাঝে গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিনামূল্যে চশমা বিতরণ।
- সমকামিতা কি মানসিক ব্যাধি? আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতামত
- সেপ্টেম্বরের মেগা টুর্নামেন্টে বড় চমক: কাকে উড়িয়ে আনা হচ্ছে ঢাকায়?
- ভারতের পূর্ব সীমান্তে ২৫০টি চিনা হাউইটজার মোতায়েন করল পাকিস্তান
- নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে দেরি হওয়ার নেপথ্যে যেসব মূল কারণ!
- তেলের দাম কমায় বিশ্ববাজারে লাফিয়ে বাড়ল স্বর্ণের দর
- ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার গুজব উড়িয়ে দিল তেহরান: নেপথ্যে কী কারণ?
- অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করার কড়া নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- ৫ আগস্ট নতুন রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে আসছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী?
- পুরো পুলিশ টিম একসঙ্গে চা-বিশ্রামে যাওয়া নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া সতর্কতা
- মঞ্চের পর্দার আড়াল থেকে ব্যান্ডেজ চোখে ফিরে এলেন এনসিপি সমন্বয়ক!
- বয়স্ক ও বিধবা ভাতার আবেদন শুরু, যেভাবে করবেন আবেদন
- ‘মানুষ হত্যা চাই না’, ইরানের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প
- ডলারের দাম কেন বাড়ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বদলে গেল তেলের বাজার
- দুই বছর পর প্রকাশ্যে শেখ হাসিনা, কী বলবেন?
- তেলের দাম কমতেই লাফ দিল স্বর্ণের বাজার
- যেসব দেশে দিনদুপুরে নেমে আসবে রাতের অন্ধকার!
- মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির জোরালো প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
- ৪০ মিলিয়ন ইউরোয় ইতালি পাড়ি জমাচ্ছেন আর্জেন্টাইন তারকা
- এমপি লুনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ‘ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’-এর ট্রাস্টিবৃন্দ
- সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত বল্লভপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা
- কীভাবে এলো এই বিশেষ দিন: বন্ধু দিবসের অজানা কথা
- এশিয়ান গেমস ফুটবলের সূচি প্রকাশ, কোন গ্রুপে বাংলাদেশ?
- হাইকোর্টে জোড়া মামলায় জামিন পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস
- ভারতের গণতান্ত্রিক উদাহরণ টেনে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য
- হুতি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সৌদি জোটে বাংলাদেশ, জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- অপারেশন শরতের তুফান: ৮ বছর পর ট্রাইব্যুনালে উঠে এল কোন চাঞ্চল্যকর তথ্য?
- সাবেক সরকারের মতো একই আচরণ ধারণ করছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী: জামায়াত আমির
- ইরানের কঠোর অবস্থানের পর হামলা থেকে সরে এলেন ট্রাম্প
- আরব আমিরাতে জামিন পেলেন সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ
- ফের পরিবর্তন এলপিজি গ্যাসের দামে: রোববার সন্ধ্যা থেকে নতুন রেট কার্যকর
- টানা সাড়ে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- তীব্র গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে কারওয়ান বাজারে প্রতিবাদী কর্মসূচি: কঠোর আলটিমেটাম এনসিপির
- আগস্ট জুড়ে আবহাওয়া কেমন থাকবে? দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বিডব্লিউওটির বিশেষ বার্তা
- ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার রূপরেখা পেশ
- সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন ইউকে নবগঠিত (আংশিক) কমিটি ঘোষণা
- অন্যায়ের অবসান ও নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: জামায়াত আমির
- ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরে ড্রোন তাণ্ডব: আন্তর্জাতিক ষড়যন্তের দিকে আঙুল ইরানের
- ইন্ডাকশন নাকি ইনফ্রারেড চুলা: কেনার আগে জেনে নিন কাজের পার্থক্য
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সব সম্প্রদায়ের অবদান ছিল: নাহিদ ইসলাম
- যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা পাওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন, প্রভাবিত হবে বাংলাদেশও
- স্ত্রীর কবর খননকালে ২৪ বছর পর স্বামীর অক্ষত দেহ উদ্ধার
- আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের বিশ্বজয়ে আবার স্বর্ণের দামে দরপতন
- হয়ে গেল সাফের ড্র: সহজ গ্রুপে স্বাগতিক বাংলাদেশ, সহজ হলো সেমির পথ
- যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা
- বিশ্ব-ব্যবস্থা তত্ত্ব: পুঁজিবাদী বিশ্ব-অর্থনীতি, নির্ভরতা ও বাংলাদেশের অবস্থান
- মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির জোরালো প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
- ডলারের দাম কেন বাড়ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে
- গোপন ভিডিও কাণ্ডে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে গাড়িচালকের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
- সিলেটে গাড়িবহরে হামলা: খালেদা জিয়ার ওপর অতীত হামলার সাথে তুলনা নাহিদ ইসলামের
- পরিস্থিতি যেকোনো মুহূর্তে বদলাতে পারে, ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা ইসরায়েলের
- ছাত্রদলের পদ থাকাটাই এখন চাকরির প্রধান কোয়ালিফিকেশন
- বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে বাহুবল পুলিশ ফাঁড়িতে এনসিপির লিখিত অভিযোগ
- দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ বার্তা পাঠাল সরকার
- যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ
- জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক হামলা, ভূপাতিত করল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
- ‘মানুষ হত্যা চাই না’, ইরানের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প
- শ্রীমঙ্গলের পর বাহুবলে আবার বাধা: সড়কের ওপরই বসে পড়লেন এনসিপি নেতারা
- পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর
- নেতৃত্বের রদবদল: বিসিবির বোর্ড সভায় নতুন ওয়ানডে অধিনায়কের ঘোষণা








