ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ সূচি, কোন বিশ্ববিদ্যালয় কবে

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২৪ ১৫:০০:৪৫
ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ সূচি, কোন বিশ্ববিদ্যালয় কবে
ছবি: সংগৃহীত

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপরই দেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে শুরু হয়েছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতিযোগিতামূলক অধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা। প্রতিবছরের মতো এবারও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সীমিত আসনের বিপরীতে কয়েকগুণ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন এই ভর্তিযুদ্ধে। ফলে ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়টিকে শিক্ষার্থীরা বলছেন ‘ভর্তি পরীক্ষার মৌসুম’।

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বড় অংশ ইতোমধ্যে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোথাও পরীক্ষা শেষ হয়েছে, কোথাও ফল প্রকাশ ও ভর্তি প্রক্রিয়া চলছে, আবার কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এখনো নির্দিষ্ট ইউনিট বা পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। একদিকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রস্তুতির চাপ, অন্যদিকে ভিন্ন ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিন্ন সূচি সব মিলিয়ে এই সময়টিকে শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হিসেবে দেখছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ঐতিহ্য ও প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা পাঁচটি ইউনিটে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর নভেম্বর ও ডিসেম্বরজুড়ে পৃথক পৃথক ইউনিটে পরীক্ষা নেয়া হয়। কলা, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও চারুকলা ইউনিটের পাশাপাশি ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধীনে আইবিএ ইউনিটেও আলাদা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি ইউনিটেই নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ও দুপুরে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে, যাতে সারাদেশ থেকে আগত পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেন।

প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো: উচ্চ মেধার কঠিন প্রতিযোগিতা

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পৃথকভাবে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করেছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবার পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ঢাকায়ও কেন্দ্র স্থাপন করেছে, যা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য যাতায়াত ও খরচের চাপ কমিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি পরীক্ষা সাধারণত গণিত ও বিজ্ঞানের ওপর অত্যন্ত কঠিন প্রশ্নে অনুষ্ঠিত হয়, ফলে প্রস্তুতির মান এখানে নির্ধারক ভূমিকা রাখে।

জাহাঙ্গীরনগর ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: ধারাবাহিক ভর্তি কার্যক্রম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিসেম্বরের শেষ ভাগ থেকে বিভিন্ন ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ইউনিটের ফল প্রকাশের পর ভর্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসজুড়ে ধাপে ধাপে বিভিন্ন ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করছে। প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, সময়সূচি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যেন শিক্ষার্থীরা একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।

রাজশাহী ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়: বহুকেন্দ্রিক পরীক্ষা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেশের একাধিক বিভাগীয় শহরে একযোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে করে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ অঞ্চলে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিসেম্বরেই পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ সম্পন্ন হয়েছে এবং জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও গুচ্ছ ব্যবস্থা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মূলত গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আওতায় শিক্ষার্থী ভর্তি করে। তবে ধর্মতত্ত্ব অনুষদের ডি ইউনিটের স্বতন্ত্র পরীক্ষার তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের তত্ত্বাবধানে মার্চ ও এপ্রিল মাসে তিন ধাপে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবারও সেকেন্ড টাইম পরীক্ষার সুযোগ ও নেগেটিভ মার্কিং বহাল রাখা হয়েছে।

মেডিক্যাল, কৃষি ও বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়

মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা একই দিনে ও একই প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। কৃষি গুচ্ছের নয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে জানুয়ারির শুরুতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব সময়সূচিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: সবচেয়ে বড় ভর্তি কাঠামো

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এবারও এমসিকিউ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা আলাদা যোগ্যতা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের বাস্তবতা ও প্রস্তুতি

শিক্ষাবিদদের মতে, একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কাছাকাছি সময়ে হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বেড়েছে। তবে একই সঙ্গে অনলাইন তথ্যপ্রাপ্তি ও কেন্দ্রীয় সূচির কারণে আগের তুলনায় তথ্য বিভ্রান্তি কিছুটা কমেছে। তারা মনে করেন,পরিকল্পিত প্রস্তুতি, পূর্ববর্তী প্রশ্ন বিশ্লেষণ এবং সময় ব্যবস্থাপনাই এই ভর্তিযুদ্ধে সফলতার প্রধান চাবিকাঠি।

-রাফসান


মাধ্যমিক শিক্ষায় এআই বিপ্লব! চীন সরকারের সহায়তায় স্কুলে স্কুল বসছে ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৩ ১২:২৪:১৪
মাধ্যমিক শিক্ষায় এআই বিপ্লব! চীন সরকারের সহায়তায় স্কুলে স্কুল বসছে ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’
ছবি : সংগৃহীত

দেশের মাধ্যমিক শিক্ষাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে একটি মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের মাধ্যমে নির্বাচিত ১৫০টি সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়ে মোট ৩০০টি অত্যাধুনিক ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ স্থাপন করা হবে।

প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) ইতিমধ্যে সফলভাবে শেষ হয়েছে। চীন সরকারের আর্থিক অনুদানে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া এই প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের কাজ আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে শুরু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল জানিয়েছেন, এই ক্লাসরুমগুলোতে বিশ্বমানের সব আধুনিক সুবিধা থাকবে। প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি বিদ্যালয়ে দুটি করে ‘ইন্টারেক্টিভ এডুকেশন প্যানেল’ (IEP) সরবরাহ করা হবে।

বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে এই ক্লাসরুমগুলোতে থাকবে স্বয়ংক্রিয় রেকর্ডিং ব্যবস্থা। অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পাঠদান ভিডিও আকারে সংরক্ষিত হবে, যা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্তের শিক্ষার্থীরা দেখার সুযোগ পাবে। এমনকি শিক্ষার্থীরা কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করেই মুহূর্তের মধ্যে ক্লাসের নোট ও কোর্সওয়্যার সংগ্রহ করতে পারবে।

প্রকল্পের অধীনে কেবল ক্লাসরুম নয়, মাউশি প্রাঙ্গণে একটি অত্যাধুনিক ক্লাউড বেইজড ডাটা সেন্টার স্থাপন করা হবে। এই ডাটা সেন্টারটি সারা দেশের স্মার্ট শিক্ষাদান কার্যক্রমকে কেন্দ্রীয়ভাবে সংযুক্ত করবে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় ১০টি আধুনিক রেকর্ডিং স্টুডিও এবং ৩০টি সরকারি শিক্ষা দপ্তরের জন্য বিশেষ মিটিং রুম স্থাপন করা হবে।

ইতিমধ্যে ডাটা সেন্টারের জায়গা নির্ধারণের বিষয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলকে (বিসিসি) পত্র দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই প্রকল্পের কাজ পূর্ণগতিতে শুরু হবে।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের প্রস্তাবিত ‘এক শ্রেণিকক্ষ, এক স্মার্ট বোর্ড এবং এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে অনাপত্তি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে বগুড়া ও চাঁদপুরের দুটি বিদ্যালয়ে এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এআই ও ক্লাউড প্রযুক্তির এই সংযোজন শিক্ষার্থীদের মুখস্থ নির্ভর শিক্ষার বদলে বিশ্লেষণধর্মী ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান আহরণে উৎসাহিত করবে। ডিজিটাল বিভাজন কমিয়ে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে এই প্রকল্প ‘আগামী বাংলাদেশ’ গড়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র : বাসস


সারাদেশে এসএসসি’র ডামাডোল! শিক্ষা বোর্ডগুলোর কড়া নজরদারিতে পরীক্ষা শুরু

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২১ ১০:৩৫:০৭
সারাদেশে এসএসসি’র ডামাডোল! শিক্ষা বোর্ডগুলোর কড়া নজরদারিতে পরীক্ষা শুরু
ছবি : সংগৃহীত

দেশজুড়ে আজ থেকে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এই মেগা পাবলিক পরীক্ষা শুরু হয়। এবারের পরীক্ষায় সারাদেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০ মে পর্যন্ত মূল পরীক্ষা চলবে এবং এরপর ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ে প্রথমে ৩০ মিনিটের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিটের সৃজনশীল বা রচনামূলক পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বাদে সব বিষয়েই এই কাঠামো অনুসরণ করা হচ্ছে এবং দুই অংশের মাঝে কোনো বিরতি নেই।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবারের পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। গত বছরের তুলনায় এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন কমেছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১৮ হাজারের বেশি, মাদ্রাসা বোর্ডে ৩ লাখের বেশি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এ বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।

/আশিক


পরীক্ষার হলে এই ২০টি কাজ করলেই বহিষ্কার! এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য কড়া হুঁশিয়ারি

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৯ ২১:১৭:২৯
পরীক্ষার হলে এই ২০টি কাজ করলেই বহিষ্কার! এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য কড়া হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন কড়াকড়ি আরোপ করেছে শিক্ষা বোর্ড। প্রশ্ন ফাঁস রোধ, ডিজিটাল জালিয়াতি বন্ধ এবং নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতে এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। ২০ ধরনের অপরাধের জন্য তিন স্তরের শাস্তির বিধানসহ পরীক্ষার আসন বিন্যাস ও সময়সূচিতেও আনা হয়েছে আমূল পরিবর্তন।

শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এবার সৃজনশীল (সিকিউ) ও বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার মাঝে কোনো বিরতি থাকবে না। ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৩০ নম্বরের এমসিকিউ-এর জন্য ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীলের জন্য ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় পাবেন শিক্ষার্থীরা।

নকল রোধে ৫-৬ ফুটের বেঞ্চে সর্বোচ্চ ২ জন এবং ৪ ফুটের বেঞ্চে মাত্র ১ জন পরীক্ষার্থী বসার নিয়ম করা হয়েছে। এছাড়া, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নিজস্ব কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে পারবে না এবং একই স্কুলের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বসার সুযোগ থাকছে না।

সবচেয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে অপরাধের শাস্তির ক্ষেত্রে। ক্যালকুলেটরে তথ্য লুকানো বা মোবাইল রাখলে ওই বছরের পরীক্ষা বাতিল হবে। উত্তরপত্র পাচার বা শিক্ষককে হুমকি দিলে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হবে।

আর যদি কেউ অন্যের হয়ে পরীক্ষা দেয় (প্রক্সি) বা শারীরিক আক্রমণ ও অস্ত্র প্রদর্শন করে, তবে তাকে সরাসরি ২ বছরের জন্য বহিষ্কারসহ নিয়মিত ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হতে হবে। ডিজিটাল জালিয়াতি রুখতে মাঠে থাকছে বিশেষ ‘ভিজিল্যান্স টিম’, যারা যেকোনো সময় কেন্দ্রে ঝটিকা অভিযান চালানোর পূর্ণ ক্ষমতা রাখে।

/আশিক


এসএসসিতে ভয়ংকর সাইলেন্ট এক্সপেল: বুঝতেই পারবে না খাতা বাতিল!

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৬ ১২:১৩:৩৫
এসএসসিতে ভয়ংকর সাইলেন্ট এক্সপেল: বুঝতেই পারবে না খাতা বাতিল!
ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এবারের পরীক্ষা পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ‘পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা-২০২৬’ প্রকাশ করেছে শিক্ষা বোর্ড, যেখানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হিসেবে যুক্ত হয়েছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা নীরবে বহিষ্কারের কঠোর বিধান। এই নতুন নিয়মের মূল লক্ষ্য হলো পরীক্ষার হলে সরাসরি নকল না করলেও যারা অন্যের উত্তর দেখে লেখে বা বারবার শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তাদের শাস্তির আওতায় আনা।

সাইলেন্ট এক্সপেল বা নীরব বহিষ্কার পদ্ধতিটি হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে কোনো পরীক্ষার্থী হলের নিয়ম ভাঙলে (যেমন: কথা বলা, এদিক-ওদিক তাকানো বা অন্যের খাতা দেখা) দায়িত্বরত পরিদর্শক তাকে তাৎক্ষণিকভাবে হল থেকে বের করে দেবেন না। ফলে পরীক্ষার্থী বুঝতেও পারবেন না যে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তবে বিধি অনুযায়ী, ওই পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ না ছিঁড়ে পরিদর্শকের প্রতিবেদনসহ সেটি আলাদা লাল কালিতে ‘রিপোর্টেড’ লিখে বোর্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে বোর্ড ওই পরীক্ষার্থীর খাতা বাতিল বলে গণ্য করবে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থী একবার নীরব বহিষ্কৃত হলে তাকে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে সে কোনো অনিয়ম না করলেও তার প্রতিটি খাতা একই পদ্ধতিতে ‘রিপোর্টেড’ হিসেবে আলাদা প্যাকেটে বোর্ডে পাঠাতে হবে। প্রতিটি খাতার সাথে কেন তাকে নীরব বহিষ্কার করা হয়েছিল, তার সুস্পষ্ট কারণ সম্বলিত প্রতিবেদন থাকতে হবে। মূলত হলের পরিবেশ শান্ত রাখতে এবং অবাধ্য পরীক্ষার্থীদের চিহ্নিত করতেই এই বিশেষ কৌশল গ্রহণ করেছে শিক্ষা বোর্ড।

/আশিক


বৃত্তি পরীক্ষা আগামীকাল: খুদে পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি ‘লাইফ সেভিং’ টিপস

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৪ ১৯:৫২:০২
বৃত্তি পরীক্ষা আগামীকাল: খুদে পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি ‘লাইফ সেভিং’ টিপস
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। শেষ সময়ের প্রস্তুতিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছে খুদে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার ভয় কাটিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

প্রথমত, শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়ো এড়াতে আজ বিকেলের মধ্যেই প্রবেশপত্র, কলম, পেনসিল ও প্রয়োজনীয় জ্যামিতি বক্স একটি স্বচ্ছ ব্যাগে গুছিয়ে রাখা উচিত।

দ্বিতীয়ত, পরীক্ষার আগের রাতে অধিক পড়াশোনার চেয়ে মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেওয়া জরুরি, তাই দ্রুত ঘুমিয়ে পড়লে পরীক্ষার হলে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।

তৃতীয়ত, যানজট কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে পরীক্ষা শুরুর অন্তত আধা ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে হবে।

চতুর্থত, ওএমআর (OMR) ফরমে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর বৃত্ত ভরাট করার সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং কোনো ভুল হলে বিচলিত না হয়ে তাৎক্ষণিক দায়িত্বরত পরিদর্শককে জানাতে হবে।

পঞ্চমত, হাতে প্রশ্ন পাওয়ার পর অন্তত ৫ মিনিট মনোযোগ দিয়ে পুরোটা পড়ে নিলে উত্তরের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সহজ হয়।

ষষ্ঠত, যেসব প্রশ্নের উত্তর সবচেয়ে ভালো জানা আছে সেগুলো আগে লিখলে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায় এবং পরবর্তী কঠিন প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া সহজ হয়।

সপ্তমত, প্রতিটি প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট সময় ভাগ করে নিতে হবে কারণ কোনো একটি কঠিন প্রশ্নে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে অন্য প্রশ্নের সুযোগ নষ্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

অষ্টমত, স্পষ্ট হাতের লেখা ও পরিচ্ছন্ন উত্তরপত্র পরীক্ষকের ইতিবাচক নজরে আসতে সাহায্য করে, তাই অপ্রয়োজনীয় কাটাকাটি বা ঘষামাজা বর্জন করা উচিত।

নবমত, কোনো প্রশ্নই পুরোপুরি ছেড়ে আসা উচিত নয় বরং পাসের জন্য ন্যূনতম নম্বর নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রশ্নের সাপেক্ষে প্রাসঙ্গিক উত্তর লিখে আসা জরুরি।

সবশেষে, পরীক্ষা শেষ হওয়ার অন্তত ১০ মিনিট আগে লেখা সম্পন্ন করে পুরো উত্তরপত্রটি পুনরায় যাচাই বা রিভিশন করে নিতে হবে যাতে রোল নম্বর ও ছোটখাটো বানান ভুলগুলো সংশোধন করে নেওয়া যায়।

/আশিক


শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সময়সূচি ঘোষণা

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৯ ১৪:২৩:০৯
শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সময়সূচি ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার, যেখানে সপ্তাহে ছয়দিন ক্লাস পরিচালনার নতুন কাঠামো ঘোষণা করা হয়েছে। এই নতুন ব্যবস্থায় অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষার সমন্বয়ে একটি হাইব্রিড মডেল চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের শেখার ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই নতুন সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

মন্ত্রী জানান, সপ্তাহের মোট ছয়দিন ক্লাস চলবে, যার মধ্যে তিনদিন শিক্ষার্থীদের সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে এবং বাকি তিনদিন অনলাইনের মাধ্যমে পাঠদান সম্পন্ন হবে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, শনিবার, সোমবার ও বুধবার সশরীরে ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইন ক্লাস পরিচালিত হবে।

এই নতুন কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, অনলাইন ক্লাস পরিচালনার সময়ও শিক্ষকরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পাঠদান করবেন। অর্থাৎ, শিক্ষকদের জন্য প্রতিষ্ঠানভিত্তিক উপস্থিতি বাধ্যতামূলক থাকছে, যদিও শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ করবে।

সরকারের এই উদ্যোগের পেছনে মূল লক্ষ্য হলো প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসার ঘটানো এবং একই সঙ্গে সরাসরি শিক্ষার কার্যকারিতা বজায় রাখা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই হাইব্রিড পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষের সামাজিক ও পারস্পরিক শেখার পরিবেশও অক্ষুণ্ণ রাখবে।

তবে নতুন এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধার সীমাবদ্ধতা, ডিভাইসের প্রাপ্যতা এবং শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত করা একটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে।

-রাফসান


এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র নিয়ে ঢাকা বোর্ডের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৮ ২০:০৫:২৮
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র নিয়ে ঢাকা বোর্ডের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের বিষয়ে বিশেষ জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক আদেশে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৭ দিন আগেই সব পরীক্ষার্থীর হাতে প্রবেশপত্র পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ইতোমধ্যে বোর্ড থেকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের (প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ) তাঁদের নিজ নিজ কেন্দ্র সচিবের কাছ থেকে দ্রুত প্রবেশপত্র সংগ্রহ করার জন্য বলা হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এই আদেশে আরও উল্লেখ করা হয় যে, বিতরণ প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের সম্ভাব্য জটিলতা তৈরি না হয়, সেজন্য পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে এক সপ্তাহ আগে শিক্ষার্থীদের হাতে প্রবেশপত্র দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ হিসেবে বিবেচনা করার জন্য দেশের সব মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে।

সঠিক সময়ে প্রবেশপত্র সংগ্রহ ও বিতরণে কোনো অবহেলা হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই বোর্ড এই ত্বরিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

/আশিক


সশরীরে নাকি ভার্চুয়াল? জ্বালানি সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন মোড়

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ৩১ ১৭:৪০:৫৬
সশরীরে নাকি ভার্চুয়াল? জ্বালানি সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন মোড়
ছবি : সংগৃহীত

জ্বালানি সংকটের এই কঠিন সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে এক সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সকল মহানগরের স্কুল ও কলেজগুলোতে এখন থেকে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।

সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সপ্তাহে মোট ছয় দিনই সচল থাকবে। তবে এর মধ্যে তিন দিন শিক্ষার্থীরা সরাসরি সশরীরে (অফলাইন) ক্লাসে উপস্থিত হবে এবং বাকি তিন দিন নিজ নিজ বাসা থেকে অনলাইনে ক্লাসে অংশ নেবে। এই পদ্ধতিতে শিক্ষকরা প্রতিদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে ক্লাস পরিচালনা করবেন। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ক্ষেত্রে জোড় ও বিজোড় রোল নম্বর বা দিন ভাগ করে এই অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সমন্বয় করা হবে।

জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম এবং বৈশ্বিক সংকটের কারণে পরিবহন খরচ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। যদিও শিক্ষামন্ত্রী এর আগে জানিয়েছিলেন যে, ৫৫ শতাংশ মানুষ অনলাইন ক্লাসের পক্ষে মত দিয়েছেন, তবে শিক্ষার্থীদের সামাজিকীকরণ বজায় রাখতে পুরোপুরি অনলাইনে না গিয়ে এই ‘হাইব্রিড’ বা সমন্বিত মডেলটি বেছে নেওয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।

/আশিক


কেন্দ্র তালিকা দেখে নিন: এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় আপডেট

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ৩০ ২২:০০:২৪
কেন্দ্র তালিকা দেখে নিন: এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় আপডেট
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। সোমবার (৩০ মার্চ) বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এসএসসি পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের এই তালিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা এবং অভিভাবকরাও বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে তাদের নির্দিষ্ট কেন্দ্র সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন। সাধারণত প্রতি বছর পরীক্ষার কয়েক মাস আগেই এই তালিকা প্রকাশ করা হয়, যাতে কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা এবং পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত সংক্রান্ত কোনো সমস্যা না হয়।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, কেন্দ্রে আসন বিন্যাস এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে প্রতিটি কেন্দ্র সচিবকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্রে উল্লিখিত কেন্দ্র কোডের সাথে বোর্ডের প্রকাশিত এই তালিকার মিল দেখে নিতে পারবেন। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তালিকা দেখুন এখতে ক্লিক করুন এখানে…

/আশিক

পাঠকের মতামত:

৪ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

৪ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

দেশের পুঁজিবাজারে সপ্তাহের শুরুতে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে একাধিক শেয়ার দামের উল্লেখযোগ্য উত্থান বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে। সোমবারের লেনদেনে... বিস্তারিত