বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত: ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ২১:৫০:৫৩
বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত: ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও এক দফা বাড়িয়ে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬) রাতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা এই দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী প্রতি ভরি অর্থাৎ ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম কিছুটা কমানো হলেও মাত্র দুই দিনের মাথায় আবার তা বাড়িয়ে দেওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বাজুসের নতুন মূল্য তালিকায় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকায়। বাজুস স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে গহনা বিক্রির সময় এই মূল্যের সঙ্গে সরকারকে আবশ্যিকভাবে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং সংগঠন কর্তৃক নির্ধারিত সর্বনিম্ন ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মান অনুযায়ী মজুরির এই হার ভিন্ন হতে পারে যা ক্রেতাদের মাথায় রাখা প্রয়োজন।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়েছিল যা ৯ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছিল। কিন্তু সেই স্বস্তি ৪৮ ঘণ্টাও স্থায়ী হয়নি। বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় তেজাবি স্বর্ণের সংকটের কারণে বাজুস ফের দাম বাড়ানোর পথে হেঁটেছে। বিয়ে বা অন্যান্য উৎসবের এই মৌসুমে স্বর্ণের এমন ঊর্ধ্বগতি মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য গহনা কেনাকে একটি চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।


আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১০ ১২:৪৮:১২
আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

মাত্র একদিন আগে বড় অঙ্কে দাম কমানোর ঘোষণা দেওয়ার পর আবারও দেশের স্বর্ণবাজারে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্যতালিকা প্রকাশ করে। সংগঠনটি জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে এবং পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্যেই স্বর্ণ বিক্রি হবে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।

বাজুসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে নতুন এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা এবং দেশীয় কাঁচামালের দামের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়েই স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই বাজুস স্বর্ণের দামে বড় ধরনের ছাড় দিয়েছিল। গত ৯ জুলাই ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরিপ্রতি দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমানো হয়েছিল। তবে বাজার পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে এবার আবারও মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

বাজুস আরও জানিয়েছে, অলঙ্কারের ঘোষিত দামের সঙ্গে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে অলঙ্কারের নকশা, কারুকাজ ও ডিজাইনভেদে মেকিং চার্জ বা মজুরি পৃথকভাবে যুক্ত হবে, যা প্রতিটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।

এছাড়া অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ বা পারচেজ-এর ক্ষেত্রে আগের নিয়মই বহাল থাকবে। অর্থাৎ নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি এবং ব্যবহৃত পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে স্বর্ণের বিনিময়মূল্য নির্ধারণ করা হবে।

-রফিক


স্বর্ণ কিনতে সুখবর, বাজুসের নতুন দামে বড় ছাড়

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১০ ০৯:৫৭:৩০
স্বর্ণ কিনতে সুখবর, বাজুসের নতুন দামে বড় ছাড়
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সব ধরনের স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাফে ৩ হাজার ৩২৫ টাকা কমানো হয়েছে, যা স্বর্ণ ক্রেতাদের জন্য সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় মূল্যহ্রাস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, সংশোধিত মূল্য আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। নতুন দামে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান ভ্যাটসহ স্বর্ণ বিক্রি করবে।

সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৯২৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা।

বাজুসের ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা এবং স্থানীয় পর্যায়ে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য কমে যাওয়ার কারণে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, বাজার পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর মাত্র কয়েকদিন আগেই ৬ জুলাই স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সেই দাম থেকে আরও ৩ হাজার ৩২৫ টাকা কমেছে, অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই দফায় উল্লেখযোগ্য মূল্যহ্রাস ঘটেছে।

বাজুসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ৮৮ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩ বার দাম বৃদ্ধি, ৪৪ বার দাম হ্রাস এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। ঘন ঘন মূল্য পরিবর্তনের এই প্রবণতা আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজার, ডলারের বিনিময় হার, কাঁচামালের মূল্য এবং স্থানীয় চাহিদা-সরবরাহ পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারিত হচ্ছে বলে বাজারসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

-রাফসান


ডলারের দরপতনের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৯ ১৮:৪১:১৫
ডলারের দরপতনের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন
ছবি : সংগৃহীত

বৈশ্বিক মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের শক্তি কিছুটা হ্রাস পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের মূল্যে পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির চাপ এবং বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সম্ভাব্য মুদ্রানীতির প্রভাব নিয়ে বড় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এখনো একধরনের বাড়তি সতর্কতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ১ মিনিটে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪ হাজার ১০৬ দশমিক ৮২ ডলারে গিয়ে পৌঁছায়। একই সময়ে আগামী আগস্ট মাসে সরবরাহ করার চুক্তিতে মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের মূল্যও সমপরিমাণ অর্থাৎ শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১১৬ দশমিক ৪০ ডলারে লেনদেন হতে দেখা গেছে।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ট্রাডু ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক নিকোস জাবোরাস জানান, মূলত ডলারের সূচক কিছুটা দুর্বল হয়ে আসায় স্বর্ণের বাজারে এই ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে আরও বলেন, যদি দীর্ঘ সময় ধরে সুদের হার উচ্চ অবস্থানে ধরে রাখা হয়, তবে সুদবিহীন সম্পদ হওয়ায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের চাহিদা ও দাম আবারও বড় ধরনের চাপের মুখে পড়তে পারে।

এদিকে বৈশ্বিক আর্থিক খাতের নামী প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক ব্যাংক এইচএসবিসি চলতি ২০২৬ সালের জন্য স্বর্ণের বার্ষিক গড় মূল্যের পূর্ববর্তী পূর্বাভাস প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮৬৪ ডলার থেকে কমিয়ে ৪ হাজার ৫৬০ ডলার নির্ধারণ করেছে। এর পাশাপাশি আগামী ২০২৭ সালের জন্য তাদের আগের পূর্বাভাসও ৫ হাজার ডলার থেকে কমিয়ে ৪ হাজার ৯২৫ ডলারে নামিয়ে আনা হয়েছে। অবশ্য ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানটি আশা প্রকাশ করেছে যে, চলতি বছরের শেষভাগে এসে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতাদের পক্ষ থেকে স্বর্ণ কেনার চাহিদা ও আগ্রহ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাবে।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের এই মূল্যবৃদ্ধির ইতিবাচক হাওয়া লেগেছে অন্যান্য দামি ধাতুর ওপরেও। এদিন আন্তর্জাতিক বাজারে রুপার দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৫৯ দশমিক ১৪ ডলারে এসে ঠেকেছে। এর পাশাপাশি প্ল্যাটিনামের বাজারমূল্য ২ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬১৮ দশমিক ২৯ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ৮ শতাংশ ঊর্ধ্বমুখী হয়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ২৪৭ দশমিক ৩৭ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বাজারের এই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও আজ স্বর্ণের নতুন মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন চার্ট অনুযায়ী, দেশের বাজারে এখন থেকে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৪৩৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে।

/আশিক


স্বর্ণ কিনতে সুখবর, আবার কমল দেশের স্বর্ণের দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৯ ১১:২৯:৫৫
স্বর্ণ কিনতে সুখবর, আবার কমল দেশের স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণের বাজারে আবারও এসেছে দামের বড় পরিবর্তন। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমে যাওয়ায় সব ধরনের ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হ্রাস করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে, ফলে ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস নতুন মূল্যতালিকা ঘোষণা করে। সংগঠনটি জানায়, সংশোধিত মূল্য একই দিন দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে এবং এই দামে আজ বৃহস্পতিবারও দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৭ টাকা। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা প্রতি ভরি।

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি স্থানীয় তেজাবি স্বর্ণের দামের ওঠানামা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে মূল্য সমন্বয় করা হয়। সর্বশেষ মূল্যহ্রাসের পেছনেও স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়াই প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।

এর আগে, মাত্র কয়েকদিন আগেই অর্থাৎ ৩ জুলাই বাজুস ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা দাম বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল। তবে বাজার পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে অল্প সময়ের ব্যবধানে আবারও মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

চলতি বছর দেশের স্বর্ণের বাজারে মূল্য পরিবর্তনের প্রবণতা ছিল বেশ অস্থির। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত মোট ৮৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩ দফা দাম বেড়েছে, ৪৩ দফা কমেছে এবং একবার ভ্যাট সংক্রান্ত সমন্বয় করা হয়েছে। অর্থাৎ বছরের শুরু থেকে আন্তর্জাতিক বাজার, ডলার বিনিময় হার, স্থানীয় তেজাবি স্বর্ণের মূল্য এবং আমদানি ব্যয়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় নিয়মিতভাবেই স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

-রাফসান


মার্কিন প্রেসিডেন্টের এক ঘোষণায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৮ ১৯:২৭:০৯
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এক ঘোষণায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের মূল্যে বড় ধরনের পতন রেকর্ড করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি সমাপ্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার পর বিশ্ববাজারে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের জেরে একদিকে যেমন স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী হয়েছে, ঠিক বিপরীতে বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভূরাজনৈতিক এই পটপরিবর্তনের ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক সুদের হার বাড়ানোর আশঙ্কা জোরদার হচ্ছে।

বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৪ হাজার ৪৯ দশমিক ৯২ ডলারে নেমে আসে, যা চলতি মাসের ২ জুলাইয়ের পর সবচেয়ে কম। একই সময়ে আগামী আগস্ট মাসে সরবরাহ করার চুক্তিতে মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের মূল্যও ২ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৯ দশমিক ৮০ ডলারে এসে ঠেকেছে।

অপরদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের যুদ্ধবিরতি শেষের ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ৬ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে। বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তেলের এই আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে নিত্যপণ্যের দাম ও মূল্যস্ফীতির চাপকে আরও উসকে দেবে। আর এমনটা হলে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো তাদের সুদের হার সংক্রান্ত নীতিমালায় কঠোর পরিবর্তন আনতে বাধ্য হতে পারে।

আর্থিক খাতের নামী প্রতিষ্ঠান ইউবিএস-এর শীর্ষ বিশ্লেষক জিওভানি স্তাউনুভো আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, তেলের দামের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঊর্ধ্বগতি নতুন করে অর্থনৈতিক বাজারে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়াল। এই পরিস্থিতির কারণে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ আগামী দিনে সুদের হার আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সাধারণত উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকলেও, সুদের হার বাড়লে সুদবিহীন এই সম্পদের ওপর উল্টো একধরনের নেতিবাচক চাপ তৈরি হয়।

অনুরূপভাবে ট্রাডু ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক নিকোস জাবোরাস মন্তব্য করেন যে বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সুদের হার বৃদ্ধির জোরালো সম্ভাবনার কারণে স্বর্ণের বাজারে এই মন্দাভাব আরও কিছুদিন স্থায়ী হতে পারে।

বৈশ্বিক এই দরপতনের প্রভাব কেবল স্বর্ণের ওপরই পড়েনি, বরং অন্যান্য দামি ধাতুর বাজারকেও প্রভাবিত করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স রুপার দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৫৮ দশমিক ৪৫ ডলারে নেমে গেছে। এর পাশাপাশি প্ল্যাটিনামের দাম ৪ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫৭৪ দশমিক ৩ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের মূল্য ৪ দশমিক ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১ হাজার ২১৪ দশমিক ৯৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ববাজারের এই ওঠানামার মধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।

/আশিক


এক ধাক্কায় কমল স্বর্ণের দাম, নতুন ভরি কত

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৮ ১০:৪৮:০০
এক ধাক্কায় কমল স্বর্ণের দাম, নতুন ভরি কত
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও মূল্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে খাঁটি বা তেজাবি স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় সব ধরনের স্বর্ণের নতুন দর নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক ধাক্কায় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা, যা বুধবারও দেশের বাজারে কার্যকর রয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে প্রকাশিত বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্য তালিকা জানানো হয়। সংগঠনটি জানিয়েছে, ওই দিন দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট থেকে সংশোধিত মূল্য কার্যকর হয়েছে এবং একই দামে আজ বুধবারও দেশের জুয়েলারি দোকানগুলোতে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা।

বাজুসের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে খাঁটি স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা, আমদানি ব্যয়, ডলারের বিনিময় হার এবং স্থানীয় কাঁচামালের মূল্য পরিবর্তনের বিষয়গুলোও মূল্য সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এর আগে গত ৩ জুলাই বাজুস এক দফা মূল্য বৃদ্ধি করেছিল। সে সময় প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে সেই বাড়তি দামের একটি বড় অংশ আবার কমিয়ে আনা হলো।

স্বর্ণবাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে দামের অস্থিরতা এবং স্থানীয় কাঁচা স্বর্ণের সরবরাহ পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে ঘন ঘন মূল্য সমন্বয় করতে হচ্ছে। ফলে ক্রেতা ও বিক্রেতা—উভয় পক্ষকেই নিয়মিত হালনাগাদ মূল্য তালিকার ওপর নজর রাখতে হচ্ছে।

চলতি বছরে স্বর্ণের দামে অস্বাভাবিক ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ৮৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩ বার দাম বৃদ্ধি, ৪৩ বার দাম হ্রাস এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।

-রফিক


টানা বাড়তির পর বড় ধাক্কা, কমল স্বর্ণের দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৭ ১০:০৪:৪৯
টানা বাড়তির পর বড় ধাক্কা, কমল স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দামে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে খাঁটি (পিওর) স্বর্ণের মূল্য কমে যাওয়ায় সব ধরনের ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দর নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে, যা স্বর্ণ ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, নতুন মূল্য সোমবার দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট থেকেই কার্যকর হয়েছে। সেই অনুযায়ী মঙ্গলবারও সারাদেশের অনুমোদিত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা খাঁটি স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাজার পরিস্থিতি, কাঁচামালের মূল্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (৩ জুলাই) বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির মূল্য ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল। সে সময় প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে সেই বাড়তি দামের একটি বড় অংশ কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হলো।

চলতি বছর স্বর্ণের বাজারে দামের ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ৮৭ বার স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩ বার দাম বৃদ্ধি, ৪৩ বার দাম হ্রাস এবং একবার ভ্যাট সংক্রান্ত সমন্বয় করা হয়েছে। এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজার, ডলারের বিনিময় হার এবং স্থানীয় কাঁচামালের মূল্যের পরিবর্তনের প্রভাব দেশের বাজারেও নিয়মিত পড়ছে।

-রফিক


গ্রাম ও শহর সবখানেই ৯ শতাংশের উপরে মূল্যস্ফীতি, খরচের চাপে সীমিত আয়ের মানুষ

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৬ ২০:০২:৩২
গ্রাম ও শহর সবখানেই ৯ শতাংশের উপরে মূল্যস্ফীতি, খরচের চাপে সীমিত আয়ের মানুষ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে গত জুন মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও টানা তিন মাস ধরে তা ৯ শতাংশের ওপরেই রয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। সংস্থাটির সর্বশেষ হালনাগাদ হিসাব অনুসারে, সদ্য বিদায়ী জুন মাসে মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে। সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জুন মাসের ভোক্তা মূল্যসূচকের এই আনুষ্ঠানিক চিত্র প্রকাশ করেছে।

বিবিএসের তথ্যানুযায়ী, এর আগের মাস অর্থাৎ মে-তে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পর থেকে গত ১৬ মাসের মধ্যে দেশের সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি। এছাড়া টানা তিন মাস ধরে এই সূচক ৯ শতাংশের ওপরে থাকায় বাজার পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের দফায় দফায় মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এই মূল্যস্ফীতিতে, যার ফলে সীমিত ও মধ্যবিত্ত আয়ের পরিবারগুলো তীব্র খরচের চাপে হিমশিম খাচ্ছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত এপ্রিল ও মে মাসে দেশের বাজারে দুই দফায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এরপর মে মাসের শেষ সপ্তাহে এসে এক ধাক্কায় বিদ্যুতের দামও বাড়ায় সরকার। এই দুটি খাতের দাম বৃদ্ধির সম্মিলিত প্রভাব বাজারে পণ্য ও সেবামূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে মূল্যস্ফীতির সামগ্রিক চাপ আরও তীব্র হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন। সাধারণত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলে তা পরিবহন খরচ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের উৎপাদন খরচ পর্যন্ত সবকিছু বাড়িয়ে দেয়, যার চূড়ান্ত মাশুল দিতে হয় সাধারণ ভোক্তাদের।

বিবিএসের খাতভিত্তিক হিসাব অনুসারে, গত জুন মাসে দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৬১ শতাংশে। বর্তমানে গ্রাম কিংবা শহর—সব অঞ্চলেই সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ৯ শতাংশের ওপরে অবস্থান করছে। এর ফলে সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

/আশিক


স্বর্ণ কিনতে বাড়তি খরচ, কার্যকর নতুন মূল্যতালিকা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৬ ০৯:৪১:১৫
স্বর্ণ কিনতে বাড়তি খরচ, কার্যকর নতুন মূল্যতালিকা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। টানা মূল্যহ্রাসের পর বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) পরপর দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুসের ঘোষিত এই মূল্য সোমবারও দেশের সব অনুমোদিত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে কার্যকর রয়েছে।

গত শুক্রবার (৩ জুলাই) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড)-এর দাম বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া মূল্যই এখনো বহাল রয়েছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে ২ জুলাই বাজুস আরেক দফা মূল্য সমন্বয় করে। তখন প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে আবারও ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়ানো হয়। ফলে দুই দফা সমন্বয়ে প্রতি ভরিতে মোট ৬ হাজার ৫৯০ টাকা মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এই মূল্য দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা ও কারুকাজের ধরন অনুযায়ী মেকিং চার্জ (মজুরি) পৃথকভাবে যোগ হতে পারে। যদিও স্বর্ণের নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা হবে না।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বৃদ্ধি এবং দেশীয় বাজারে কাঁচা স্বর্ণের দাম বাড়ার সম্মিলিত প্রভাবেই স্থানীয় বাজারে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম বাড়লেও বিয়ে, পারিবারিক অনুষ্ঠান ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের কারণে বাজারে চাহিদা পুরোপুরি কমে যায় না। তবে উচ্চমূল্যের কারণে অনেক ক্রেতা এখন কেনাকাটার আগে বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: