জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির দোয়া ও রাজনৈতিক বার্তা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১৪:৫২:০২
জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির দোয়া ও রাজনৈতিক বার্তা
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য অর্থনৈতিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক গণতন্ত্রের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে টেকসই রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

বুধবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জিয়া পরিষদ আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর রুহের মাগফেরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া যে গণতান্ত্রিক চেতনা ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন, সেই দায়িত্ব এখন তারেক রহমান–এর হাতে ন্যস্ত। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী দিনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও শৃঙ্খলা ও ঐক্যের মধ্যে থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব ও ত্যাগের কারণেই দেশের মানুষ এক সময় স্বৈরশাসনের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছিল। অথচ আজ যারা বিএনপির রাজনীতির বিরোধিতা করছে, অতীতে তারাই স্বৈরাচারী শক্তির সঙ্গে আপস করে রাজনীতি করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিএনপি বিশ্বাস করে, রাষ্ট্রের সম্পদ ও সুযোগ যদি কেবল একটি গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে, তবে গণতন্ত্র অর্থহীন হয়ে পড়ে। এ কারণেই অর্থনৈতিক গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দলের ইশতেহার প্রণয়ন করা হবে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবকে কেন্দ্র করেই।

তিনি বলেন, এই ৩১ দফা সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাসের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা।

সভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সবাই একমত পোষণ করেন যে, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই আগামী দিনের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।

-রফিক


চাঁদাবাজবিরোধী আন্দোলন এখন সময়ের দাবি : ডা. শফিক

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ২২:১০:৫২
চাঁদাবাজবিরোধী আন্দোলন এখন সময়ের দাবি : ডা. শফিক
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় এক লেগুনা চালককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদাবাজবিরোধী আরেকটি বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। দেশের মানুষকে এই অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান আক্ষেপ করে লেখেন, দেশে চাঁদার সংস্কৃতিকে এমনভাবে ‘জাতীয়করণ’ করা হয়েছে যে, এখন মনে হচ্ছে চাঁদা না দেওয়াই বড় অপরাধ। তিনি অভিযোগ করেন যে, নেতৃত্বের জায়গা থেকে যখন পরোক্ষভাবে চাঁদাবাজির বৈধতা দেওয়া হয়, তখন এই খুনের দায় সংশ্লিষ্ট সকলের ওপরেই বর্তাবে। নিরীহ মানুষের জীবন এভাবে রাজপথে ঝরে পড়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। এই অশুভ শক্তির হাত থেকে জনগণের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করতে সম্মিলিতভাবে লড়াই করার শপথ ব্যক্ত করেন তিনি।

বিরোধী দলীয় নেতার এই কঠোর বার্তাটি এমন এক সময়ে এল যখন দেশের পরিবহণ সেক্টরে চাঁদাবাজি নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। ডা. শফিকুর রহমানের মতে, যারা দেশকে ভালোবাসেন, তাদের সবাইকে আজ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। "আমরা লড়ে যাব ইনশাআল্লাহ"—এই বার্তার মাধ্যমে তিনি রাজপথে কঠোর আন্দোলনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। যাত্রাবাড়ীর এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সাধারণ জনগণের মাঝে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, জামায়াত আমিরের এই ডাক তাতে নতুন করে ঘি ঢেলে দিয়েছে।

/আশিক


হাসনাত-পাটওয়ারীদের পথেই জামায়াত আমির: ইনকিলাব স্ট্যাটাসে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১০:১৮:৫৫
হাসনাত-পাটওয়ারীদের পথেই জামায়াত আমির: ইনকিলাব স্ট্যাটাসে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের দুই বাক্যের একটি সংক্ষিপ্ত ফেসবুক স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই স্ট্যাটাসটি দেন। আমিরে জামায়াত সেখানে লিখেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আগামীর বাংলাদেশ ইনসাফের বাংলাদেশ। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।’ তার এই পোস্টটি মূলত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর দেওয়া একটি বক্তব্যের পরোক্ষ প্রতিবাদ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিবেদনটি লেখার সময় পর্যন্ত ডা. শফিকুর রহমানের ওই স্ট্যাটাসটিতে পৌনে দুই লাখেরও বেশি রিয়্যাক্ট পড়েছে এবং এটি শেয়ার হয়েছে আড়াই হাজারের বেশি বার। একই সময়ের মধ্যে প্রায় ২২ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী পোস্টটিতে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য করেছেন। এর আগে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এক বক্তব্যে বলেছিলেন, “বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয়, তাহলে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ চলবে না। ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘ইনকিলাব মঞ্চ’- এগুলোর বাংলার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। যারা আমাদের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, এগুলো তাদের ভাষা।” মন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজনৈতিক ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

মন্ত্রীর এই বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ। কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ লিখে পোস্ট করেছেন। তাদের এই পাল্টা স্ট্যাটাস প্রকাশের পরপরই তা নেটদুনিয়ায় দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। সমর্থক ও সমালোচক উভয় পক্ষের মধ্যে এসব পোস্ট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে, যা দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভাষাগত ও আদর্শিক বিতর্কের নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

/আশিক


জান দেবো কিন্তু জুলাই দেবো না: ব্যারিস্টার আরমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ১৯:১৮:৩০
জান দেবো কিন্তু জুলাই দেবো না: ব্যারিস্টার আরমান
ছবি : সংগৃহীত

জান দেবেন কিন্তু জুলাই দেবেন না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি ও মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১৪ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম ওরফে ব্যারিস্টার আরমান। এছাড়াও তিনি সাফ জানিয়েছেন যে, শহীদ ওসমান হাদী ও শহীদ আবু সাঈদের হত্যার বিচার এই বাংলার মাটিতেই নিশ্চিত করা হবে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে তার পিতা জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার আরমান নিজের অতীত স্মৃতিচারণ করে বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তি আমার পিতাকে ফাঁসি দেওয়ার কয়েকদিন পূর্বে আমাকে গুম করে। দীর্ঘ সময় আমি গুমের শিকার ছিলাম, ফলে আমি জানতেও পারিনি আমার পিতার শেষ পর্যন্ত কী হলো। আমার পরিবারও জানতে পারেনি সেই কঠিন সময়ে আমার ভাগ্যে কী ঘটেছিল। আমি ধরে নিয়েছিলাম আমার মৃত্যু নিশ্চিত, কিন্তু আল্লাহ তাআলা তার অপার করুণায় আমাকে দ্বিতীয় জীবন দান করেছেন। তিনি আরও বলেন, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যে কয়দিন আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রাখেন, আমার সাথে যে জুলুম হয়েছে সেই একই জুলুম যাতে বাংলার মাটিতে আর কারো সাথে না হয় সেজন্য আমি নিজেকে আমৃত্যু নিয়োজিত করবো।

নিজের সংসদীয় দায়িত্ব পালন প্রসঙ্গে আরমান বলেন, আল্লাহ তায়ালার করুণায় এবং মানুষের বিশাল সমর্থন নিয়ে জাতীয় সংসদে জনগণের অধিকার নিয়ে কথা বলার জন্য যে পবিত্র দায়িত্ব আমার ওপর অর্পণ করা হয়েছে, সেই দায়িত্ব যেন ঠিকমতো পালন করতে পারি সেজন্য সবার কাছে আমি দোয়াপ্রার্থী। আমি আজ আমার পিতা শহীদ মীর কাসেম আলীর কবর জিয়ারত করতে এসেছি। আমার পিতার যে আদর্শ ছিল, সেই ইসলামী আদর্শ নিয়ে যেন আমি আজীবন চলতে পারি, সেই কঠিন শপথ নেওয়ার জন্যই আজকে আমি এখানে এসেছিলাম।

ব্যারিস্টার আরমান অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন, আমরা মানুষের সাংবিধানিক অধিকারের জন্য লড়াই করবো এবং প্রয়োজনে আমরা জান দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি। আমরা জান দেবো কিন্তু জুলাইয়ের চেতনাকে কোনোভাবেই বিকিয়ে দেবো না ইনশাআল্লাহ। শহীদ ওসমান হাদী ভাইয়ের বিচার এই মাটিতে হতে হবে এবং আবু সাঈদের বিচারও এই মাটিতেই হতে হবে। এ সময় অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদুর রহমান, মানিকগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কামরুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা জামাতের আমীর মো: ফজলুল হক সহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ১১:২৩:২০
সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

২১ ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ভাষা দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানান তিনি। বিবৃতিতে জামায়াত আমির বলেন, “২১ ফেব্রুয়ারি আমাদের গৌরবময় ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস’। ১৯৫২ সালে এ দেশের ছাত্র-যুবসমাজ বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবিতে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক আন্দোলন গড়ে তোলে।

আন্দোলন দমনে তৎকালীন রাষ্ট্রীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মিছিলকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ অনেকেই শাহাদাতবরণ করেন। বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তাদের এই আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। আমি মহান আল্লাহর কাছে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।” তিনি বলেন, ‘২১ ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃত। এটি ভাষাশহীদদের প্রতি বৈশ্বিক সম্মান ও স্বীকৃতির প্রতীক। বাংলা ভাষাকে যথাযথ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবনের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে সম্প্রসারণ ও সুরক্ষিত রাখতে সচেষ্ট হতে হবে। তবেই ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশবাসী এমন এক সময়ে ভাষা দিবস পালন করতে যাচ্ছে, যখন বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে পতিত ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে এসব চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে।’ বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, ‘দেশের মানুষের প্রত্যাশা—নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার, ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে। জনগণ যেন জানমাল ও ইজ্জত-আব্রুর নিরাপত্তা বজায় রেখে নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারে, সে পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।’

তিনি আরো বলেন, “২১ ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজনের মাধ্যমে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্য আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সব শাখা ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

/আশিক


যশোরে তালা ভেঙে আওয়ামী লীগ অফিসে ছবি টাঙালো ছাত্রলীগ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ১০:৪৭:১৬
যশোরে তালা ভেঙে আওয়ামী লীগ অফিসে ছবি টাঙালো ছাত্রলীগ
আ.লীগ কার্যালয় খুলে টানানো ছবি। ছবি : সংগৃহীত

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি টাঙানো হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত দুই মিনিট ১৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যার পর তারাবির নামাজের সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের দরজার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন ৩০ থেকে ৩৫ জন।

এরপর তারা কার্যালয়ের দেয়ালে শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি টাঙিয়ে দেন। ওই সময় ‘জয় বাংলা‘ স্লোগান দিতে শোনা যায়। এরপর ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশে হাসবে’, ‘বিপুল ভাই ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ স্লোগান দিতে দিতে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন তারা।

স্থানীয়রা জানান, আওয়ামী লীগ অফিসে তালা ভেঙে ঢুকে পড়া যুবকরা বাঘারপাড়া ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। তারা জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বিপুল ফারাজীর অনুসারী। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা বিতাড়িত হওয়ার পর থেকে বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ছিল।

এ বিষয়ে বাঘারপাড়া থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

/আশিক


১৭ বছর পর ক্ষমতায় এসে এমন আচরণ কাম্য নয়: রুমিন ফারহানা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ১০:০২:০৩
১৭ বছর পর ক্ষমতায় এসে এমন আচরণ কাম্য নয়: রুমিন ফারহানা
ছবি : সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ফুল দেওয়ার সময় চরম হট্টগোলের সম্মুখীন হন। পরে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছেন নবনির্বাচিত এই এমপি।

সংবাদমাধ্যমকে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বিএনপির কিছু লোক আমার নেতাকর্মীদের ওপর রীতিমতো হামলা করেছে। আমাকে একপাশে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়।’ নিজের দলের কর্মীদের এমন আচরণে তিনি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপিকে বলব, ১৭ বছর পর তারা ক্ষমতায় এসেছে। লোকাল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে। বিএনপির নতুন সরকার এসেছে। আশা করি, তারা দল ও সরকার হিসেবে এসব উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মীদের ব্যাপারে তড়িৎ ব্যবস্থা নেবে।’ এই ঘটনার মধ্য দিয়ে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

/আশিক


ঢাকায় ১০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান ইশরাকের

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২০ ১৪:০০:৩৮
ঢাকায় ১০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান ইশরাকের
ছবি: সংগৃহীত

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং ইশরাক হোসেন, যিনি বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে একটি ধাপভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি ঢাকা-৬ আসনকেন্দ্রিক জনদুর্ভোগ কমানো, আইনশৃঙ্খলা জোরদার এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে তাৎক্ষণিক ও মধ্যমেয়াদি পদক্ষেপের রূপরেখা তুলে ধরেন।

প্রথম ১০ দিনের তাৎক্ষণিক উদ্যোগ

রমজানে গ্যাস সংকট নিরসনে তিতাস গ্যাসের প্রকৌশলীদের সরাসরি মাঠপর্যায়ে কাজের নির্দেশ দেওয়া হবে। বাসাবাড়িতে সংযোগজনিত সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। গ্যাস সরবরাহের চাপ বৃদ্ধি নিয়ে উচ্চপর্যায়ে বৈঠকও হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা-ওসি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় সভা আয়োজন করে প্রতিরোধমূলক টহল জোরদার করা হবে। ছিনতাই, চুরি ও সড়ক অপরাধে জিরো টলারেন্স নীতির কথা জানানো হয়েছে।

মাদকবিরোধী অবস্থান আরও কঠোর করার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, মাদক স্পট বন্ধ, রুট নিষ্ক্রিয়করণ এবং চক্রের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনা হবে। বিদেশে অবস্থানরতদের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে গোপন নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং ডিএসসিসি ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান চালানো হবে। মজুতদারি ও অস্বাভাবিক মুনাফার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

যানজট নিরসনে ঢাকা মহানগর পুলিশ–এর ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হবে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, অবৈধ পার্কিং অপসারণ এবং ফুটপাত দখলমুক্তের উদ্যোগ থাকবে।

ঈদের আগে ও পরবর্তী পর্যায়ের কর্মসূচি

ঈদকে সামনে রেখে ওয়ার্ডভিত্তিক সড়ক পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া হবে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, খোলা নর্দমা স্ল্যাব দিয়ে ঢেকে দেওয়া এবং আন্ডারগ্রাউন্ড ড্রেন ক্যামেরা দিয়ে পরীক্ষা করে ব্লক অপসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত তদারকি, নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা নিশ্চিত এবং সড়ক পরিষ্কার কার্যক্রম জোরদার করা হবে। ধুলাপ্রবণ এলাকায় পানি ছিটানো গবেষণাভিত্তিক সমীক্ষার মাধ্যমে পরিচালনার কথাও বলা হয়েছে।

পানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক পর্যালোচনা করে যেখানে প্রয়োজন সেখানে নতুন সংযোগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি স্ট্রিট লাইট মেরামত ও নতুন আলোকসজ্জা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে থানা পুলিশ, ট্রাফিক বিভাগ, ভোক্তা অধিকার সংস্থা, ডিএসসিসি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রকৌশল বিভাগ, ঢাকা ওয়াসা এবং তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সব সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


"আই হ্যাভ এ প্ল্যান" বাস্তবায়ন শুরু 

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২০ ১০:০৮:১৭
"আই হ্যাভ এ প্ল্যান" বাস্তবায়ন শুরু 
ছবি: সংগৃহীত

সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রথম পর্যায়ে পাইলট আকারে কার্যক্রম শুরু করে ধাপে ধাপে দেশের প্রায় ৫ কোটি পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীদের জানান, কর্মসূচিটি হবে সর্বজনীন এবং এতে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা বা মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ থাকবে না। বাস্তবায়ন কাঠামো চূড়ান্ত করতে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী–এর নেতৃত্বে একটি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে, যা তিন দিনের মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন দেবে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, ফ্যামিলি কার্ড দ্রুত বিতরণ শুরু হবে এবং ঈদের আগেই অন্তত পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম চালু করা হবে। কার্ড সরাসরি পরিবারের নারীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। বর্তমানে চালু থাকা ভাতা কর্মসূচিগুলো বহাল থাকবে, তবে ফ্যামিলি কার্ডে প্রদত্ত অর্থ আগের যেকোনো ভাতার তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। আগামী ছয় মাসের মধ্যে অন্তত ৫০ শতাংশ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী আমিন উর রশীদ বলেন, প্রথম ধাপে হতদরিদ্র নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং তাদের হাতে মাসিক ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা পৌঁছাতে পারে। কোন ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে—এ বিষয়ে তিনি জানান, কিছু নির্ধারিত অঞ্চল দিয়ে শুরু করা হবে; পরে ধাপে ধাপে বিস্তৃত করা হবে।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এটি ছিল ক্ষমতাসীন দলের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব পরিবারকে এর আওতায় আনা হবে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, প্রাথমিকভাবে অতি দরিদ্র পরিবার দিয়ে শুরু করে পরে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন তদারকিতে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাগণ, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ একাধিক সচিব। কমিটি ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন দেবে।

কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, সুবিধাভোগী নির্বাচনের মানদণ্ড নির্ধারণ, ডিজিটাল ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম প্রণয়ন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউসহোল্ড ডেটাবেসের সমন্বয়ে ডেটাবেস তৈরির সুপারিশ করবে কমিটি। প্রথম পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

একই বৈঠকে জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হয়। পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানান, ১৮০ দিনের মধ্যে খাল খনন কর্মসূচির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দৃশ্যমান হবে। পানিসম্পদ, স্থানীয় সরকার, কৃষি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এই চার মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।

সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সামাজিক সুরক্ষা জালের সম্প্রসারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে, বিশেষত মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে। তবে সফল বাস্তবায়নের জন্য স্বচ্ছ ডেটাবেস, নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা হবে এমনটাই সরকারের অঙ্গীকার।

-রফিক


এতিমদের মধ্য থেকেই কেউ একদিন প্রধানমন্ত্রী হবে: শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ২২:০৪:০১
এতিমদের মধ্য থেকেই কেউ একদিন প্রধানমন্ত্রী হবে: শফিকুর রহমান
ছবি : সংগৃহীত

ভবিষ্যতে এতিমদের মধ্য থেকে কেউ যাতে প্রধানমন্ত্রী হতে পারে, দেশে এমন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে কাজ করার কথা জানিয়েছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুরে ‘ইয়াতিমদের সম্মানে’ আয়োজিত ইফতার মাহফিলে বক্তব্যকালে এমনটা জানান তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একদিন দেশে এতিমদের কেউ হয়তো প্রধানমন্ত্রী হবে৷ জামায়াত সে ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে কাজ করছে। এ সময় সবাইকে দলীয় রাজনৈতিক সংকীর্ণতা ও হিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমরা দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে ন্যায় এবং সত্যের পথে, সুবিচার কায়েমের পথে, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনের পথে, মানবিক সমাজ গঠনের পথে আপনাদের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে চাই। এই সহযোগিতা নেয়া আপনাদের দায়িত্ব। কিন্তু এর বিপরীত কিছু হলে, আমরা ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে থাকব, আমরা কোনো আপস করব না।

/আশিক

পাঠকের মতামত: