ডিএসইতে বড় দরপতন, ৪১ কোম্পানি শুধু লাভে

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর ২০২৫) সকালের লেনদেনে বাজার নিম্নমুখী প্রবণতায় দিনে এগোচ্ছে। দুপুর ১২টা ১২ মিনিটে সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী প্রধান সূচক ডিএসইএক্স (DSEX) ৪৮৮৮.৪২ পয়েন্টে নেমে এসেছে, যা আগের দিনের তুলনায় ৩৯.০৭ পয়েন্ট বা ০.৭৯ শতাংশ কম। বাজারে বিক্রয়চাপ বাড়ায় সূচকে চাপ স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
শরিয়াহ ভিত্তিক ডিএসইএস (DSES) সূচকেও চাপ দেখা গেছে। এই সূচক ৯.৭৫ পয়েন্ট বা ০.৯৪ শতাংশ কমে ১০২৪.৬৩ পয়েন্টে নেমে এসেছে। একইভাবে ব্লু-চিপ শেয়ারসমূহ নিয়ে গঠিত ডিএস৩০ (DS30) সূচকও দুর্বল আচরণ করেছে, যা ৯.৩৬ পয়েন্ট বা ০.৪৯ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১৮৮৮.৯৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
বাজারে লেনদেনও তুলনামূলক মন্থর। সকাল ১২টা পর্যন্ত ডিএসইতে মোট ৬২০৮৯ ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে। মোট ৩৭.৮ মিলিয়ন শেয়ার লেনদেন হয়েছে যার আর্থিক মূল্য ১৭৬৫.৮৪৭ মিলিয়ন টাকা।
লেনদেনকৃত কোম্পানিগুলোর মধ্যে অগ্রগতি প্রদর্শন করেছে মাত্র ৪১টি, বিপরীতে ২৮৯টি কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে এবং ৫০টি কোম্পানির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতিদিনের মতোই বাজারে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক মনোভাব স্পষ্ট।
ডিএসই কর্তৃক প্রকাশিত গত ৩০ দিনের সূচকের গ্রাফ বলছে, সপ্তাহজুড়েই বাজারে ওঠানামা থাকলেও আজকের সেশনটি তুলনামূলকভাবে নিম্নমুখী। বাজারে তারল্য সংকট, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উদ্বেগ সূচকের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
-রাফসান
ডিএসইতে ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান বোর্ডে বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের গতি ছিল মাঝারি মাত্রার। দিনভর বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছয় হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়, যা সাম্প্রতিক বাজার প্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আজ প্রধান বোর্ডে মোট ১ লাখ ৮১ হাজার ২৫৬টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। এসব লেনদেনে হাতবদল হয়েছে প্রায় ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ৮৩ হাজার ৮৪৮টি শেয়ার ও ইউনিট। দিনশেষে এই লেনদেনের আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ হাজার ৫৬ কোটি ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আজকের এই টার্নওভার দেখায় যে বিনিয়োগকারীরা পুরোপুরি বাজার থেকে সরে যাননি, তবে তারা আগের তুলনায় কিছুটা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। একদিকে কিছু শেয়ারে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে, অন্যদিকে মৌলভিত্তি শক্তিশালী কোম্পানিগুলোতে সীমিত পরিসরে বিনিয়োগ অব্যাহত ছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বিনিয়োগকারীদের আচরণে যে দ্বিধা ও সংযম দেখা যাচ্ছে, আজকের লেনদেন পরিসংখ্যান তারই প্রতিফলন। তবে তারা এটিকে নেতিবাচক সংকেত না ধরে স্বাভাবিক বাজার গতিবিধির অংশ হিসেবেই দেখছেন।
সব মিলিয়ে, ২১ জানুয়ারির লেনদেন চিত্র ইঙ্গিত দেয় যে ডিএসইতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ এখনো টিকে আছে, যদিও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তারা আগের তুলনায় বেশি হিসাবি ও সতর্ক হয়ে উঠছেন।
সুত্র: ডিএসই
দিনশেষে ডিএসইর বাজার বিশ্লেষণ, কে বাড়ল কে কমল
বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শেষে শেয়ারবাজারে স্পষ্টভাবে বিক্রয়চাপের প্রাধান্য লক্ষ্য করা গেছে। দিনভর লেনদেনে অংশ নেওয়া মোট ৩৮৯টি ইস্যুর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৬টির, বিপরীতে দর কমেছে ১৯২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬১টি ইস্যুর। এই চিত্র বাজারে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান এবং স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতাকে নির্দেশ করে।
বাজারের প্রধান সূচকভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরি শেয়ারগুলোর অবস্থানও ছিল দুর্বল। এই ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ২০৭টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ৬৩টির দর বেড়েছে, বিপরীতে ১১৩টির দর কমেছে এবং ৩১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এতে বোঝা যায়, মৌলভিত্তি শক্তিশালী কোম্পানিতেও আজ বিক্রির চাপ বিরাজ করেছে।
‘বি’ ক্যাটাগরি শেয়ারে তুলনামূলকভাবে কিছুটা ভারসাম্য দেখা গেলেও এখানেও নেতিবাচক প্রবণতা স্পষ্ট। এই ক্যাটাগরির ৭৮টি ইস্যুর মধ্যে ৩২টির দর বেড়েছে, ৩৬টির দর কমেছে এবং ১০টি ইস্যুতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। অন্যদিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ১০৪টি ইস্যুর মধ্যে ৪৩টির দর কমেছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতে আজ সবচেয়ে বেশি চাপ লক্ষ্য করা গেছে। মোট ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে মাত্র ২টির দর বেড়েছে, বিপরীতে ১৯টির দর কমেছে এবং ১৩টি ইউনিটের দর অপরিবর্তিত ছিল। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এনএভি ঘিরে বিনিয়োগকারীদের অনিশ্চয়তা এবং স্বল্পমেয়াদি রিটার্ন বাস্তবায়নের প্রবণতাই এই দরপতনের প্রধান কারণ।
লেনদেনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, আজ ডিএসইতে মোট ১ লাখ ৮১ হাজার ২৫৬টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। এসব লেনদেনে মোট ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ৮৩ হাজার ৮৪৮টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়, যার বাজারমূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৬০৫ কোটি ৬ লাখ টাকা। আগের দিনের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ মাঝারি থাকলেও বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে কিছুটা শীতলতা লক্ষ্য করা গেছে।
দিনশেষে বাজার মূলধনের চিত্রেও স্থিতিশীলতা দেখা গেছে। ইক্যুইটি খাতে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৩ লাখ ৫২ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ২ হাজার ২৭৯ কোটি টাকা, এবং ঋণপত্র ও সরকারি সিকিউরিটিজসহ মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৯ লাখ ১৫ হাজার ৩৫ কোটি টাকা।
এদিকে, ব্লক মার্কেটে আজ তুলনামূলকভাবে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। মোট ৩৩টি কোম্পানির শেয়ার ব্লক লেনদেনে অংশ নেয়, যেখানে ৭৩টি লেনদেনে প্রায় ৫৩ লাখ ৬৯ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়। এসব লেনদেনের মোট মূল্য ছিল প্রায় ২২০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। ব্লক লেনদেনে সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সিএলআইসিএল, জামুনা ব্যাংক, লাভেলো, এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি)–এর শেয়ারে উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ দেখা গেছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সামগ্রিকভাবে আজকের দরপতন বড় কোনো নেতিবাচক সংকেত নয়। বরং এটি সাম্প্রতিক উত্থানের পর একটি স্বাভাবিক বাজার সংশোধনের অংশ। তবে তারা বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কোম্পানির মৌলভিত্তি, আর্থিক প্রতিবেদন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
সুত্র: ডিএসই
লেনদেন শেষে শীর্ষ ১০ দরপতনকারী কারা
বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শেষ পর্যায়ে একাধিক শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দামে উল্লেখযোগ্য দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। আগের কার্যদিবসের সমাপনী মূল্য বিবেচনায় শীর্ষ ১০ দরপতনকারী তালিকায় প্রধানত মিউচুয়াল ফান্ড, শিল্প ও আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোর উপস্থিতি স্পষ্ট ছিল। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমেয়াদি মুনাফা গ্রহণ এবং বিক্রয়চাপ বৃদ্ধির কারণেই এসব সিকিউরিটিতে দর কমেছে।
দিনের সর্বোচ্চ দরপতনকারী হিসেবে উঠে এসেছে আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ড। ফান্ডটির ইউনিট মূল্য ৭ দশমিক ২৭ শতাংশ কমে দিনশেষে ৫ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে, যেখানে আগের কার্যদিবসে ইউনিটটির মূল্য ছিল ৫ টাকা ৫০ পয়সা। মিউচুয়াল ফান্ড খাতে সাম্প্রতিক চাপের প্রতিফলন হিসেবেই এই পতন দেখা যাচ্ছে।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে তাল্লু স্পিনিং লিমিটেড। বস্ত্র খাতের এই কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমে ৭ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। দিনের লেনদেনে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ৭ টাকা ৭০ পয়সা, যা বিনিয়োগকারীদের বিক্রয়চাপের ইঙ্গিত দেয়।
তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে রিলায়েন্স ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ড। ফান্ডটির ইউনিট মূল্য ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ কমে ১৫ টাকা ২০ পয়সায় নেমে এসেছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ফান্ডভিত্তিক বিনিয়োগে স্বল্পমেয়াদি অনিশ্চয়তার কারণেই এই দরপতন ঘটেছে।
চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ফার্স্ট জানাতা মিউচুয়াল ফান্ড এবং ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড। উভয় ফান্ডের ইউনিট মূল্যই ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ কমে ২ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এই দুটি ফান্ডেই দিনের বেশির ভাগ সময় বিক্রয়চাপ লক্ষ্য করা গেছে।
একই হারে দরপতনের তালিকায় ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে পিএইচপি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড এবং সপ্তম অবস্থানে ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। উভয় ফান্ডের ইউনিট মূল্য আগের দিনের তুলনায় ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ কমে ২ টাকা ৩০ পয়সায় নেমে আসে।
অষ্টম অবস্থানে উঠে এসেছে খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। শিল্প খাতের এই কোম্পানিটির শেয়ারদর ৪ দশমিক ০৯ শতাংশ কমে ৪৯ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে। দিনের সর্বোচ্চ দর ছিল ৫১ টাকা ২০ পয়সা, যা থেকে উল্লেখযোগ্য পতন ঘটে।
নবম ও দশম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড এবং আইএফআইসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। দুটি ফান্ডের ইউনিট মূল্যই ৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ কমে ২ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
সার্বিকভাবে আজকের দরপতনের তালিকায় মিউচুয়াল ফান্ডের আধিক্য বাজারে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাময়িক এই পতন স্বাভাবিক সংশোধনের অংশ হতে পারে। তবে বিনিয়োগকারীদের প্রতি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ফান্ড ও কোম্পানির মৌলভিত্তি, এনএভি ও দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
সুত্র: ডিএসই
বুধবারের লেনদেনে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শেষ পর্যায়ে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে একাধিক শেয়ারের দামে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে। আগের কার্যদিবসের সমাপনী মূল্য বিবেচনায় শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারের তালিকায় তথ্যপ্রযুক্তি, জীবনবীমা, খাদ্য ও শিল্প খাতের কোম্পানিগুলোর প্রাধান্য স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।
দিনের শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী কোম্পানি হিসেবে উঠে এসেছে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ১০ শতাংশ বেড়ে দিনশেষে ৪৫ টাকা ১০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যা ছিল দিনের সর্বোচ্চ দামও। আগের কার্যদিবসে শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৪১ টাকা। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা এবং স্বল্পমেয়াদি চাহিদা বৃদ্ধির কারণেই শেয়ারটিতে এই উত্থান ঘটেছে।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৭৯ টাকা ৫০ পয়সায় পৌঁছায়। দিনের লেনদেনে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১৬৪ টাকা এবং সর্বোচ্চ দর স্পর্শ করে ১৭৯ টাকা ৫০ পয়সা। জীবনবীমা খাতে বিনিয়োগকারীদের ধারাবাহিক আগ্রহ এই দরবৃদ্ধির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
শীর্ষ তালিকার তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে সিটি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ৭ দশমিক ২১ শতাংশ এবং দিনশেষে দাম দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকা ৯০ পয়সায়। আগের কার্যদিবসে শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৫৬ টাকা ৮০ পয়সা। বীমা খাতে আস্থার প্রতিফলন হিসেবেই এই ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে।
চতুর্থ অবস্থানে থাকা রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড–এর শেয়ারদর প্রায় ৬ শতাংশ বেড়ে ৮৮ টাকা ৫০ পয়সায় পৌঁছায়। লেনদেন চলাকালে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ৮৯ টাকা ৮০ পয়সা, যা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।
খাদ্য খাতের প্রতিনিধিত্বকারী রহিমা ফুড করপোরেশন লিমিটেড শীর্ষ ১০ তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ বেড়ে ১৪৪ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পে স্থিতিশীল চাহিদা ও বাজার আস্থাই এই দরবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শিল্প খাতের কোম্পানি টস্রিফা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ষষ্ঠ অবস্থানে উঠে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৯ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে। একই সঙ্গে সপ্তম স্থানে থাকা প্রগতি ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড–এর শেয়ারদর বেড়েছে ৫ দশমিক ২৭ শতাংশ।
অষ্টম অবস্থানে রয়েছে চামড়া খাতের কোম্পানি এপেক্স ট্যানারি লিমিটেড। শেয়ারটির দর প্রায় ৫ শতাংশ বেড়ে ৭১ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। দিনভিত্তিক লেনদেনে শেয়ারটিতে স্থিতিশীল ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা গেছে।
নবম স্থানে উঠে এসেছে প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়ে ৩৭ টাকা ৪০ পয়সায় পৌঁছায়। বীমা খাতে সামগ্রিক ইতিবাচক প্রবণতার সঙ্গে এই দরবৃদ্ধি সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকেরা।
শীর্ষ ১০ তালিকার শেষ স্থানে রয়েছে গ্রামীণস–২ মিউচুয়াল ফান্ড। ফান্ডটির ইউনিট মূল্য ৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১১ টাকা ৭০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ার ইঙ্গিত বহন করে।
সামগ্রিকভাবে আজকের লেনদেনে দেখা গেছে, বীমা ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, স্বল্পমেয়াদি মুনাফা প্রত্যাশা এবং খাতভিত্তিক ইতিবাচক প্রত্যাশার কারণে এসব শেয়ারে দরবৃদ্ধি ঘটেছে। তবে তারা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে বলেছেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কোম্পানির মৌলভিত্তি ও আর্থিক সক্ষমতা বিশ্লেষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সুত্র: ডিএসই
একদিনে ৫ কোম্পানির বোর্ড সভা, বাজারে সতর্ক নজর
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ১০টি কোম্পানি তাদের বোর্ড সভার সময়সূচি ঘোষণা করেছে। একাধিক কোম্পানি জানিয়েছে, ২০১৫ সালের ডিএসই (লিস্টিং) রেগুলেশনসের ১৬(১) ধারার আলোকে নির্ধারিত বোর্ড সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (Q2) অনঅডিটেড আর্থিক প্রতিবেদনসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পর্যালোচনা করা হবে। প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী ২৪ জানুয়ারি থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে এসব সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
কোন ধারায় সভার ঘোষণা, কেন গুরুত্বপূর্ণ
ডিএসই লিস্টিং রেগুলেশনস ২০১৫ এর ১৬(১) ধারার অধীনে কোম্পানিগুলো বাজারকে আগে থেকেই অবহিত করে যে, নির্দিষ্ট তারিখে বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে আর্থিক প্রতিবেদন বিবেচনায় আসবে। বিনিয়োগকারীদের জন্য এই ঘোষণা সাধারণত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ অনঅডিটেড কিউ২ প্রতিবেদন প্রকাশের আগে বোর্ড সভার ঘোষণাই বাজারকে ইঙ্গিত দেয় যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ প্রান্তিক পারফরম্যান্স শিগগিরই সামনে আসতে যাচ্ছে।
অনঅডিটেড আর্থিক প্রতিবেদন বাজারে মূল্য সংবেদনশীল (price sensitive) হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, কারণ এতে কোম্পানির বিক্রি, মুনাফা, ব্যয়, ঋণ পরিস্থিতি কিংবা ক্যাশফ্লো সংক্রান্ত দিকগুলো প্রতিফলিত হয়। ফলে বোর্ড সভার তারিখ ঘিরে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে।
সভার সময়সূচি, কোন কোম্পানির বোর্ড কবে বসছে
প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে আগে বোর্ড সভা ডাকেছে ইস্টার্ন কেবলস (ECABLES)। কোম্পানিটি জানিয়েছে, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ সকাল ১০টায় তাদের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে কিউ২ অনঅডিটেড আর্থিক প্রতিবেদন বিবেচনায় থাকবে।
এরপর ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একাধিক কোম্পানির বোর্ড সভা নির্ধারিত রয়েছে, যা একই দিনে বাজারে একাধিক কিউ২ প্রতিবেদনের ঘোষণা আসার সম্ভাবনা তৈরি করছে। এই দিনটি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ নজরদারির বিষয় হতে পারে।
২৬ জানুয়ারির সভাগুলো হচ্ছে:
IBNSINA বিকাল ২টা ৪৫ মিনিটে, DELTASPINN বিকাল ৩টায়, NTLTUBES বিকাল ৩টায়, CVOPRL বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে এবং NPOLYMER বিকাল ৫টায় বোর্ড সভা করবে।
২৭ জানুয়ারি ২০২৬ রাতে বোর্ড সভা ডাকেছে SAMORITA। তাদের সভা অনুষ্ঠিত হবে রাত ৭টায়, যেখানে একইভাবে কিউ২ অনঅডিটেড আর্থিক প্রতিবেদন বিবেচনায় থাকবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।
২৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখেও কয়েকটি কোম্পানি বোর্ড সভার সময়সূচি দিয়েছে। RENWICKJA ওই দিন দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে সভা করবে। DOREENPWR বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে বোর্ড বসাবে। LRBDL বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে সভা করবে। একাধিক সভা একই দিনে থাকায় বাজারে তথ্যপ্রবাহ ঘন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
একাধিক সভা একই দিনে, বাজারে কী প্রভাব পড়তে পারে
একই দিনে একাধিক কোম্পানির বোর্ড সভা হলে বাজারে সাধারণত দুটি ধারা দেখা যায়। প্রথমত, বিনিয়োগকারীরা প্রান্তিক ফলের সম্ভাব্য দিক অনুমান করে স্বল্পমেয়াদি অবস্থান নিতে পারেন। দ্বিতীয়ত, ফল প্রকাশের পর প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তব ফলাফলের ব্যবধান থাকলে দ্রুত দামের সমন্বয় ঘটে। তাই বোর্ড সভার দিন এবং পরবর্তী কয়েকটি কার্যদিবস তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচিত হয়।
বিশেষত, বিদ্যুৎ, উৎপাদন, টেক্সটাইল, কনজ্যুমার, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের কোম্পানিগুলো একই তালিকায় থাকায় সেক্টরভিত্তিক তুলনামূলক বিশ্লেষণের সুযোগও তৈরি হবে।
বোর্ড সভার ঘোষণা মানেই যে ফল ভালো হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। বিনিয়োগকারীদের জন্য বাস্তব করণীয় হলো সংশ্লিষ্ট কোম্পানির আগের প্রান্তিকের প্রবৃদ্ধি, আয় ও মুনাফার ধারাবাহিকতা, পরিচালন ব্যয়, আর্থিক ব্যয় এবং ঋণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা। পাশাপাশি কোম্পানির ঘোষিত কিউ২ প্রতিবেদন প্রকাশের পর ইপিএস, নেট প্রফিট মার্জিন, অপারেটিং ক্যাশফ্লো এবং ডেট টু ইকুইটি অনুপাতের মতো সূচকগুলো দেখলে সিদ্ধান্ত তুলনামূলকভাবে তথ্যভিত্তিক হবে।
বাজারে গুজব বা অযাচিত অনুমানের ভিত্তিতে ট্রেডিং ঝুঁকি বাড়ায়। ফলে প্রতিবেদনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসা পর্যন্ত সতর্কতা বজায় রাখা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার দিকটি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে, ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ১০ কোম্পানির আসন্ন বোর্ড সভা কিউ২ অনঅডিটেড আর্থিক প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ টানছে। ২৪ থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে সভাগুলো সম্পন্ন হলে পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে অনঅডিটেড আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ও খাতভিত্তিক বাজারদৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করতে পারে।
সুত্র: ডিএসই
ডিএসই মিউচুয়াল ফান্ড বাজারচিত্র, কোথায় কত এনএভি
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত একাধিক মিউচুয়াল ফান্ড ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের লেনদেন সমাপ্তির (ক্লোজিং) ভিত্তিতে ইউনিটপ্রতি দৈনিক নিট সম্পদমূল্য (NAV) ঘোষণা করেছে। প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, অধিকাংশ ফান্ডের মার্কেট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ফেস ভ্যালু ১০ টাকার নিচে, অর্থাৎ ডিসকাউন্ট জোনে রয়েছে। তবে GRAMEENS2 এবং RELIANCE1 ফান্ডের মার্কেট এনএভি ফেস ভ্যালুর ওপরে অবস্থান করছে, যা তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী মূল্যায়নের ইঙ্গিত দেয়।
আজকের হাইলাইটস, কোথায় কার অবস্থান
২০ জানুয়ারির ক্লোজিং অনুযায়ী সর্বোচ্চ মার্কেট এনএভি এসেছে GRAMEENS2 ফান্ডে, ইউনিটপ্রতি ১৬.২০ টাকা, যা ফেস ভ্যালুর তুলনায় প্রায় ৬২ শতাংশ প্রিমিয়াম নির্দেশ করে। অন্যদিকে সর্বনিম্ন মার্কেট এনএভি দেখা গেছে 1JANATAMF ফান্ডে, ইউনিটপ্রতি ৬.১৭ টাকা, যা ফেস ভ্যালুর তুলনায় প্রায় ৩৮.৩০ শতাংশ ডিসকাউন্ট।
মার্কেট এনএভি হিসেবে শীর্ষ তালিকায় রয়েছে GRAMEENS2 (১৬.২০ টাকা), RELIANCE1 (১০.৯৩ টাকা), ICBAGRANI1 (৯.৫৬ টাকা), GLDNJMF (৯.৫৪ টাকা) এবং ICBAMCL2ND (৮.৫২ টাকা)। নিচের দিকে রয়েছে 1JANATAMF (৬.১৭ টাকা), EBL1STMF (৬.৪৯ টাকা), EBLNRBMF (৬.৫৮ টাকা), PHPMF1 (৬.৯৯ টাকা) এবং IFILISLMF1 (৭.০২ টাকা)।
মার্কেট এনএভি বনাম কস্ট এনএভি, বিনিয়োগকারীর জন্য বার্তা
প্রায় সব ফান্ডে দেখা যাচ্ছে কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ১১ থেকে ১২ টাকার আশপাশে, অর্থাৎ ফান্ডের ঐতিহাসিক ক্রয়মূল্য বা বইমূল্য তুলনামূলকভাবে বেশি। কিন্তু মার্কেট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি অনেক ক্ষেত্রে ৬ থেকে ৮ টাকার মধ্যে অবস্থান করছে। সাধারণভাবে এটি বোঝায় যে, বাজারদরে ফান্ডের পোর্টফোলিওর বর্তমান মূল্য কস্ট বেসিসের চেয়ে কম বা বাজারে ফান্ড ইউনিটের মূল্যায়ন চাপের মধ্যে থাকতে পারে।
তবে একটি ব্যতিক্রম চোখে পড়ছে। GRAMEENS2 ফান্ডে মার্কেট এনএভি ১৬.২০ টাকা, যেখানে কস্ট এনএভি ১০.৭১ টাকা। এটি ইঙ্গিত করে যে, ফান্ডের বাজারমূল্যায়ন কস্ট বেসিসকে উল্লেখযোগ্যভাবে ছাড়িয়ে গেছে, অর্থাৎ বাজারে ফান্ডটির অন্তর্নিহিত সম্পদের মূল্যবৃদ্ধি বা মূল্যায়ন তুলনামূলক উঁচুতে অবস্থান করছে।
মোট নিট সম্পদ, কোন ফান্ড কত বড়
মোট নিট সম্পদের হিসাবে বাজারমূল্যে সবচেয়ে বড় ফান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে FBFIF, যার মোট নিট সম্পদ বাজারদরে প্রায় ৫৫৯.৯৮ কোটি টাকা। এরপর উল্লেখযোগ্যভাবে রয়েছে GRAMEENS2 (২৯৫.৪৫ কোটি টাকা) এবং POPULAR1MF (২১৬.৩৫ কোটি টাকা)। বড় নিট সম্পদের অর্থ সাধারণত বৃহৎ পোর্টফোলিও স্কেল, তবে বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে নিট সম্পদের পাশাপাশি ইউনিটের বাজারদর, ডিসকাউন্ট-প্রিমিয়াম, তারল্য এবং ডিভিডেন্ড পারফরম্যান্সও বিবেচ্য।
ফান্ডভিত্তিক এনএভি, সংক্ষেপে পূর্ণ তথ্য (২০ জানুয়ারির ক্লোজিং)
GRAMEENS2
মার্কেট এনএভি ১৬.২০ টাকা, কস্ট এনএভি ১০.৭১ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ২৯৫.৪৫ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১৯৫.৩৮ কোটি টাকা।
RELIANCE1
মার্কেট এনএভি ১০.৯৩ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৩০ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৬৬.১২ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৬৮.৩৫ কোটি টাকা।
ICBAGRANI1
মার্কেট এনএভি ৯.৫৬ টাকা, কস্ট এনএভি ১২.২৩ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৯৩.৮৬ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১২০.০৮ কোটি টাকা।
GLDNJMF
মার্কেট এনএভি ৯.৫৪ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.০৭ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৯৫.৪০ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১১০.৬৬ কোটি টাকা।
ICBAMCL2ND
মার্কেট এনএভি ৮.৫২ টাকা, কস্ট এনএভি ১২.৮৮ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৪২.৫৮ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৬৪.৪২ কোটি টাকা।
1STPRIMFMF
মার্কেট এনএভি ৮.৩৫ টাকা, কস্ট এনএভি ১৫.৯০ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১৬.৬৯ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৩১.৭৯ কোটি টাকা।
ICBSONALI1
মার্কেট এনএভি ৮.৩৯ টাকা, কস্ট এনএভি ১২.১২ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৮৩.৮৮ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১২১.১৯ কোটি টাকা।
PF1STMF
মার্কেট এনএভি ৭.৮৭ টাকা, কস্ট এনএভি ১২.০২ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৪৭.২৪ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৭২.১৪ কোটি টাকা।
PRIME1ICBA
মার্কেট এনএভি ৭.৭৭ টাকা, কস্ট এনএভি ১২.৫৩ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৭৭.৭০ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১২৫.২৭ কোটি টাকা।
ICB3RDNRBমার্কেট এনএভি ৭.৭০ টাকা, কস্ট এনএভি ১২.০৫ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৭৭.০৫ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১২০.৫২ কোটি টাকা।
IFIC1STMF
মার্কেট এনএভি ৭.৬২ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৬৮ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১৩৮.৮৮ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ২১২.৮০ কোটি টাকা।
ICBEPMF1S1
মার্কেট এনএভি ৭.৫৮ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৯০ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৫৬.৮৫ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৮৯.২২ কোটি টাকা।
EXIM1STMF
মার্কেট এনএভি ৭.৪৮ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৫৮ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১০৭.১৯ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১৬৫.৮৩ কোটি টাকা।
ABB1STMF
মার্কেট এনএভি ৭.৩২ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৬৬ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১৭৪.৯৯ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ২৭৮.৮৯ কোটি টাকা।
POPULAR1MF
মার্কেট এনএভি ৭.২৩ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৪৪ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ২১৬.৩৫ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৩৪২.২৫ কোটি টাকা।
FBFIF
মার্কেট এনএভি ৭.২১ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৪০ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৫৫৯.৯৮ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৮৮৫.০৬ কোটি টাকা।
IFILISLMF1
মার্কেট এনএভি ৭.০২ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.২৪ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৭০.২৩ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১১২.৪০ কোটি টাকা।
PHPMF1
মার্কেট এনএভি ৬.৯৯ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৩৫ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১৯৭.১১ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৩২০.০২ কোটি টাকা।
EBLNRBMF
মার্কেট এনএভি ৬.৫৮ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৩৪ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১৪৭.৬৭ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ২৫৪.৩১ কোটি টাকা।
EBL1STMF
মার্কেট এনএভি ৬.৪৯ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৫০ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৯৩.৯০ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১৬৬.৫০ কোটি টাকা।
1JANATAMF
মার্কেট এনএভি ৬.১৭ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৪৬ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১৭৮.৭৫ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৩৩২.১৬ কোটি টাকা।
বিনিয়োগকারীর করণীয়, কী দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন
ডেইলি এনএভি একা সিদ্ধান্তের ভিত্তি নয়। বিনিয়োগকারীদের জন্য বাস্তব করণীয় হলো ফান্ডটির ট্রেডিং প্রাইস এনএভির তুলনায় কতটা ডিসকাউন্ট বা প্রিমিয়ামে আছে তা দেখা, ইউনিটের তারল্য কেমন তা যাচাই করা, এবং দীর্ঘমেয়াদে ডিভিডেন্ড ট্র্যাক রেকর্ড ও পোর্টফোলিও মান বিবেচনা করা। একই সঙ্গে ঝুঁকি গ্রহণক্ষমতা অনুযায়ী পোর্টফোলিও বৈচিত্র্য বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
সুত্র: ডিএসই
ডিএসই মূল বোর্ডে আজকের লেনদেনের পূর্ণ চিত্র
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল বোর্ডে মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের পরিসংখ্যান বাজারে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের স্পষ্ট প্রতিফলন দেখিয়েছে। দিনজুড়ে সূচকে ওঠানামার মধ্যেও লেনদেনের পরিমাণ ও আর্থিক মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ডিএসই সূত্র জানায়, এদিন মূল বোর্ডে মোট ১,৯০,৭৪৩টি ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও আগ্রহ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। সক্রিয় ট্রেডিংয়ের ফলে বাজারে তারল্য প্রবাহ বজায় ছিল।
দিনের লেনদেনে মোট ২০৪,১৬৭,১৮২টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। বিভিন্ন খাতভিত্তিক শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ থাকায় লেনদেনের ভলিউম তুলনামূলকভাবে উঁচু অবস্থানে ছিল।
আর্থিক হিসাবে, ডিএসইর মূল বোর্ডে মোট লেনদেনের মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় Tk ৬,৬৯৮.৫৫৫ মিলিয়ন, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে একটি শক্তিশালী লেনদেন দিন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, এই লেনদেন প্রবাহ বাজারে স্বল্পমেয়াদি স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
-রাফসান
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে আজকের বাজারচিত্র বিশ্লেষণ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের লেনদেনে বাজারে মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। দিনজুড়ে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ সক্রিয় থাকলেও দরবৃদ্ধি ও দরপতনের মধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ চিত্র বজায় ছিল। এদিন ডিএসইতে মোট ৩৮৮টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়, যা বাজারে আগ্রহ ও তারল্য প্রবাহের ইতিবাচক ইঙ্গিত দেয়।
সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে এদিন ২১০টি শেয়ারের দর বেড়েছে, বিপরীতে ১০৯টি শেয়ারের দর কমেছে এবং ৬৯টি সিকিউরিটিজের দর অপরিবর্তিত ছিল। এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, বাজারে ইতিবাচক গতি থাকলেও মুনাফা তুলে নেওয়ার চাপ পুরোপুরি কাটেনি।
এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতে তুলনামূলক ভালো পারফরম্যান্স দেখা গেছে। এই শ্রেণিতে ১৩১টি শেয়ারের দর বৃদ্ধি পায়, ৪৪টির দর হ্রাস পায় এবং ২৯টির দর অপরিবর্তিত থাকে। মোট ২০৪টি এ ক্যাটাগরির শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়। শক্তিশালী মৌলভিত্তি ও স্থিতিশীল আর্থিক অবস্থানের কারণে এই খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা তুলনামূলক বেশি ছিল বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
বি ক্যাটাগরিতে লেনদেনে কিছুটা চাপ লক্ষ্য করা গেছে। এদিন এই শ্রেণিতে ৩৩টি শেয়ারের দর বেড়েছে, ২৯টির দর কমেছে এবং ১৭টি শেয়ারের দর অপরিবর্তিত ছিল। মোট ৭৯টি বি ক্যাটাগরির শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়। বিনিয়োগকারীরা এখানে তুলনামূলকভাবে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।
জেড ক্যাটাগরিতে দরবৃদ্ধি ও দরপতন প্রায় সমানতালে চলেছে। এই শ্রেণিতে ৪৬টি শেয়ারের দর বেড়েছে, ৩৬টির দর কমেছে এবং ২৩টি শেয়ারের দর অপরিবর্তিত ছিল। মোট ১০৫টি জেড ক্যাটাগরির শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়, যা ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারে স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের প্রতিফলন।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতে তুলনামূলক ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। এদিন ১৫টি মিউচুয়াল ফান্ডের দর বৃদ্ধি পায়, ৬টির দর হ্রাস পায় এবং ১৩টির দর অপরিবর্তিত থাকে। মোট ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেনে অংশ নেয়। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের ধীরে ধীরে এই খাতে আগ্রহ বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
লেনদেন পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এদিন ডিএসইতে মোট ১,৯০,৭৪৩টি ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে। মোট শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০৩,৩৬২,৫২৮টি। আর্থিক মূল্যে মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় Tk ৬,৬৯৮.৫৫ কোটি, যা আগের কয়েক দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে।
বাজার মূলধনের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। ইকুইটি খাতে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে Tk ৩৩,৫৪,৮১২.১০ কোটি। মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বাজার মূলধন ছিল Tk ২৩,১৪৭.৭৫ কোটি এবং ঋণপত্র খাতে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে Tk ৩৫,৪০৪,৬৭২.৭১ কোটি। সব মিলিয়ে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় Tk ৬৯,১৮,৪২৭.১২ কোটি।
এদিন ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য তৎপরতা দেখা যায়। ব্লক মার্কেটে ২১টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়। মোট ৫৪টি ব্লক ট্রেডে ৬২,৯২,৬৮৪টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়, যার আর্থিক মূল্য দাঁড়ায় প্রায় Tk ৩২৩.৫০ কোটি। ওরিয়ন ইনফিউশন, গ্রামীণফোন, ফাইন ফুডস, লাভেলো, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সসহ একাধিক কোম্পানির শেয়ারে বড় অঙ্কের ব্লক লেনদেন বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির পর বাজারে স্বাভাবিক সংশোধন দেখা যাচ্ছে। তবে তারল্য, লেনদেনের পরিমাণ এবং অংশগ্রহণের দিক থেকে বাজার এখনো শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তারা মনে করছেন, স্বল্পমেয়াদে কিছু ওঠানামা থাকলেও মৌলভিত্তি শক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ অব্যাহত থাকবে।
-রাফসান
শেয়ারবাজারে দরপতনের চাপ, শীর্ষ দশ লোকসানি শেয়ার প্রকাশ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের লেনদেনে দরপতনের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে বিক্রির চাপ বাড়তে থাকায় বেশ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মূল্য হারিয়েছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ক্ষুদ্র মূলধনী শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট ছিল।
দিনের লেনদেনে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে এপেক্স ট্যানারি লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার আগের দিনের ৭১ টাকা ৯০ পয়সা থেকে কমে ৬৮ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে। এতে দর কমেছে প্রায় ৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। ট্যানারি খাতে সাম্প্রতিক অনিশ্চয়তা এবং স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের বিক্রির চাপ এই পতনের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড। শেয়ারটির দর আগের দিনের ৩ টাকা ৮০ পয়সা থেকে কমে দাঁড়ায় ৩ টাকা ৬০ পয়সায়। দরপতনের হার ছিল প্রায় ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। টেক্সটাইল খাতে কাঁচামালের মূল্য, রপ্তানি আদেশ এবং আর্থিক অবস্থান নিয়ে বিনিয়োগকারীদের শঙ্কা এই দরহ্রাসে ভূমিকা রেখেছে।
বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রোডস লিমিটেডের শেয়ারও আজ দরপতনের তালিকায় উল্লেখযোগ্য অবস্থান নেয়। শেয়ারটির দর ১৭ টাকা ৯০ পয়সা থেকে কমে ১৭ টাকায় নেমে আসে। এতে প্রায় ৫ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ দরহ্রাস ঘটে। শিল্পখাত সংশ্লিষ্ট এই কোম্পানিতে স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট ছিল।
নুরানী ডাইং অ্যান্ড সুইটার লিমিটেডের শেয়ার দিনের লেনদেনে ২ টাকা ১০ পয়সা থেকে কমে ২ টাকায় দাঁড়ায়। দর কমেছে প্রায় ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ। একইভাবে সিএনএ টেক্সটাইল লিমিটেডের শেয়ার ২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে কমে ২ টাকা ২০ পয়সায় নেমে আসে, যার দরপতনের হার প্রায় ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতেও চাপ লক্ষ্য করা গেছে। আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের শেয়ার ২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে কমে ২ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়ায়। ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ডের ইউনিট দর ২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে কমে ২ টাকা ৪০ পয়সায় নেমে আসে। এই খাতে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান দরপতনের অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
মিডাস ফাইন্যান্স লিমিটেডের শেয়ার আজ ৫ টাকা ১০ পয়সা থেকে কমে ৪ টাকা ৯০ পয়সায় দাঁড়ায়। দর কমেছে প্রায় ৩ দশমিক ৯২ শতাংশ। একই দিনে হা-মীম টেক্সটাইল লিমিটেডের শেয়ার ১৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে কমে ১৬ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে। অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালস লিমিটেডের শেয়ারও ৫ টাকা ৭০ পয়সা থেকে কমে ৫ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।
সামগ্রিকভাবে আজকের লেনদেনে শেয়ারবাজারে সংশোধনমূলক চাপ স্পষ্ট ছিল। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং খাতভিত্তিক অনিশ্চয়তা এই দরপতনের প্রধান কারণ। তারা মনে করছেন, স্বল্পমেয়াদে বাজারে ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে এবং বিনিয়োগকারীদের মৌলভিত্তি বিশ্লেষণ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রতি আরও মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- স্মার্টফোনেই দেশের ভাগ্য নির্ধারণ? শুরু হলো প্রবাসীদের ঐতিহাসিক পোস্টাল ভোট
- সোনা ও রুপার বাজারে ফের রেকর্ড; কাল থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন দর
- বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত বিদ্রোহীদের তালিকা প্রকাশ; তালিকায় শীর্ষ নেতারাও
- ডাইনোসর রাজার দীর্ঘ যৌবন; টি-রেক্স কেন অজেয় ছিল তার নতুন রহস্য উন্মোচন
- পেট ফাঁপা ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি? ডায়েটে রাখুন বিশেষ প্রোটিন
- নিমের ছোঁয়ায় উজ্জ্বল ত্বক; ঘরোয়া উপায়েই মিলবে দাগহীন লাবণ্য
- হাঁস চোরকে জেলেও ভরেছি, প্রতীক চোরকেও ছাড়ব না: রুমিন ফারহানা
- নির্ধারিত সময়ের ৩ সপ্তাহ আগেই জমা পড়ল নবম পে স্কেল রিপোর্ট
- পুলিশের পোশাকেই খুনের নেশা ঘাতক
- বিসিবিকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম আইসিসির: বিশ্বকাপে কি অনিশ্চিত বাংলাদেশ?
- বিএনপিতে বড় চমক: আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী
- আওয়ামী লীগ কর্মীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারের: ফয়জুল করীম
- ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার: নতুন পে স্কেলে কার বেতন কত বাড়ছে?
- ৩০০ আসনেই ভোট ১২ ফেব্রুয়ারি; আজ মধ্যরাত থেকেই ঘুরবে ব্যালট ছাপার চাকা
- বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ আজ: আইসিসি সভায় নতুন মোড়
- বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ আজ: আইসিসি সভায় নতুন মোড়
- ডিএসইতে ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন
- দিনশেষে ডিএসইর বাজার বিশ্লেষণ, কে বাড়ল কে কমল
- লেনদেন শেষে শীর্ষ ১০ দরপতনকারী কারা
- বুধবারের লেনদেনে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- নির্বাচনি প্রচারে ত্যাগী নেতাদের সফরসঙ্গী করবেন তারেক রহমান
- কোরআনে বর্ণিত মৃত্যুর পর মানুষের ৯টি আফসোস
- কোন আসনে কে, ইসলামী আন্দোলনের পূর্ণ তালিকা
- প্রতীক পেলেই প্রচারের অনুমতি, কী বলছে ইসি
- নতুন পে স্কেল ২০২৬, আজ চূড়ান্ত সুপারিশ, সর্বশেষ যা জানা গেল
- ‘ডেডলাইন’ ট্যুরে জাপান জয় করল ব্ল্যাকপিংক: টোকিওতে ইতিহাস গড়লেন চার কন্যা
- জামায়াতের পলিসি সামিট ২০২৬, বড় অর্থনৈতিক ঘোষণা
- একদিনে ৫ কোম্পানির বোর্ড সভা, বাজারে সতর্ক নজর
- সাভারে ৬ খুনের নেপথ্যে ভয়ংকর সম্রাট: বেরিয়ে আসছে রোমহর্ষক সব তথ্য
- ডিএসই মিউচুয়াল ফান্ড বাজারচিত্র, কোথায় কত এনএভি
- বিপিএল মাতাতে ঢাকায় উইলিয়ামসন
- নীরব ঘাতক উচ্চ রক্তচাপ: জানুন ঝুঁকি ও সমাধান
- বাংলাদেশের সমর্থনে আইসিসিকে পিসিবির চিঠি: নতুন মোড় ক্রিকেটের দ্বন্দ্বে
- শালীনতা ও নেয়ামতের চর্চা: ইসলামের বাস্তবমুখী জীবন দর্শনের রূপরেখা
- দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা গ্যাস বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- আজ ৫ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- ২১ জানুয়ারি ২০২৬: মার্কিন ডলার থেকে রুপি, জানুন আজকের বিনিময় হার
- ভুল থেকেই কি আসে সাফল্য? ব্যর্থতাকে শক্তিতে রূপান্তরের ১২ উপায়
- দুনিয়ার সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম: ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় উত্তাল বিশ্ববাজার
- ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করি: তারেক রহমান
- দুই বিশ্বনেতার ব্যক্তিগত মেসেজ প্রকাশ করলেন ট্রাম্প
- ধানের শীষের ঘরে বিদ্রোহীদের হানা; প্রতীক বরাদ্দের দিনেই কি বদলে যাচ্ছে সমীকরণ?
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- নামাজের সময়সূচি: ২১ জানুয়ারি ২০২৬
- আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- রাজধানীতে আজ কোথায় কী? বের হওয়ার আগে দেখে নিন কর্মসূচির
- প্রতীক বরাদ্দে চূড়ান্ত লড়াইয়ের আমেজ; কাল থেকেই শুরু নির্বাচনী প্রচার
- ভালুকায় পৌর বিএনপির ১নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদারে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত
- ছুটি বাড়ল মাদ্রাসায়, কমল স্কুলে: ২০২৬ সালের শিক্ষাপঞ্জিতে বড় পরিবর্তন
- গ্যাস সংকটে ত্রাতা ইলেকট্রিক চুলা; ইনডাকশন না ইনফ্রারেড, কোনটি সেরা?
- ঢাকায় ব্যারিস্টার নাজির আহমদ এর দুটি গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠিত
- দুনিয়ার সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম: ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় উত্তাল বিশ্ববাজার
- ইতিহাসের সর্বোচ্চ শিখরে স্বর্ণের দাম: মঙ্গলবার থেকেই কার্যকর হচ্ছে নতুন মূল্য
- বাহরাইনের মানামায় বিএনপির নতুন পথচলা: ঘটা করে ঘোষণা হলো নতুন কমিটি
- আজকের স্বর্ণের দাম: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
- আজ থেকে টানা ৩ দিন বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ডিএসই পরিদর্শন/ডোমিনেজ চালু, অন্য চার কোম্পানির কারখানা বন্ধ
- নতুন পে স্কেল ২০২৬, আজ চূড়ান্ত সুপারিশ, সর্বশেষ যা জানা গেল
- সরকারি বন্ড বাজারে স্থগিতাদেশ ও ডিলিস্টিং একসঙ্গে
- বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় ডিএসইর আইনি সতর্কতা
- বিনিয়োগকারী অভিযোগে ডিজিটাল সমাধান জোরদার ডিএসইর
- শহীদদের ভুলে যাওয়ার সুযোগ রাষ্ট্রের নেই: গুম–খুনের শিকার পরিবারদের পাশে দাঁড়িয়ে তারেক রহমানের অঙ্গীকার
- ৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের এনএভি প্রকাশ, কোথায় সুযোগ
- কুমিল্লা ৪ এই সমস্যা সমাধানের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দরকার - নেতাকর্মীদের দৃঢ় বিশ্বাস
- রেকর্ড ডেট শেষে সরকারি বন্ড ও দুই কোম্পানীর লেনদেন শুরু








