আজ থেকেই যেসব গ্রাহকসেবা বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৩ ১২:১৮:৪৩
আজ থেকেই যেসব গ্রাহকসেবা বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের
ছবি: সংগৃহীত

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক তার সব অফিসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি, প্রাইজবন্ড বিক্রি ও পরিশোধ, ছেঁড়া–ফাটা নোট বিনিময়, অটোমেটেড চালান গ্রহণসহ সকল ধরণের সরাসরি গ্রাহকসেবা বন্ধ করে দিচ্ছে। রোববার (২৩ নভেম্বর) থেকে মতিঝিলসহ দেশের নয়টি অফিসেই সেবাবন্ধের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যেন নির্বিঘ্নে গ্রাহক লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট সেবা দিতে পারে, সে জন্য মনিটরিং আরও জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, কেপিআইভুক্ত (Key Point Installation) প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিরাপত্তার গুরুত্ব বিবেচনাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সরাসরি সাধারণ জনগণকে কাউন্টার সেবা দেয় না এই আন্তর্জাতিক প্র্যাকটিস অনুসরণ করেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত এসেছে। ব্যাংক সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা, প্রবেশাধিকার এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ লেনদেন থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দূরে রাখতে এই পরিবর্তন দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় ছিল।

প্রথমে সিদ্ধান্ত ছিল ৩০ নভেম্বরকে লক্ষ্য রেখে মতিঝিল অফিসে সেবা বন্ধ করা হবে এবং পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে অন্যান্য অফিসে। তবে সর্বশেষ মূল্যায়নের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সময় এগিয়ে এনে সব অফিসে একই দিন থেকে সরাসরি গ্রাহকসেবা বন্ধের ঘোষণা দেয়।

এর ফলে এতদিন যেসব অফিস থেকে সঞ্চয়পত্র ও প্রাইজবন্ড কার্যক্রম, ক্ষতিগ্রস্ত নোট বিনিময় এবং বৈদেশিক লেনদেন-সংক্রান্ত চালান কার্যক্রম পরিচালিত হতো যেমন মতিঝিল, সদরঘাট, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, রংপুর, বগুড়া, রাজশাহী ও সিলেট সেসব শাখায় সাধারণ গ্রাহকদের প্রবেশাধিকার কার্যত বাতিল হয়ে যাচ্ছে। এখন থেকে এসব কার্যক্রম শুধুমাত্র বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক নিশ্চিত করেছে যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে যেন কোনো ধরনের ভোগান্তি বা জট সৃষ্টি না হয়, সেজন্য কার্যক্রম তদারকিতে বিশেষ স্কোয়াড ও মনিটরিং টিম কাজ করবে। নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক কাঠামোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন মূলত মুদ্রানীতি, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং ব্যাংকিং সেক্টরের নজরদারিতে অধিক মনোযোগ দেবে এমনটাই জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্র বা প্রাইজবন্ড সংশ্লিষ্ট সকল লেনদেন এখন কেবল অনুমোদিত বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে এবং ছেঁড়া-ফাটা নোট বিনিময়সহ নগদ মুদ্রা সংক্রান্ত সেবা সম্পূর্ণভাবে তাদের ওপর ন্যস্ত হচ্ছে।


স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো যত

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৯ ১৩:১৮:৪২
স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো যত
ছবি: সংগৃহীত

টানা দুই দফা মূল্যবৃদ্ধির পর দেশের স্বর্ণবাজারে বড় ধরনের সংশোধন দেখা গেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ ঘোষণায় জানিয়েছে, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে, যা বাজারে ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির বার্তা হিসেবে এসেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে বাজুস এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমানো হয়েছে। এই সমন্বয়ের ফলে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা, যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে সকাল ১০টা থেকে।

বাজুসের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের দামে পতন ঘটেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে সমগ্র স্বর্ণমূল্যে। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা, ডলারের বিনিময় হার এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২০ টাকা। একইভাবে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২ হাজার ৮৪৮ টাকায়। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরিতে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩৮৬ টাকা।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মাত্র একদিন আগেই স্বর্ণের দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা গিয়েছিল, যেখানে ভরিতে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। সেই প্রেক্ষাপটে এই নতুন মূল্যহ্রাস বাজারে একটি দ্রুত সংশোধন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাজুস আরও জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নির্ধারিত মূল্যই কার্যকর থাকবে। পাশাপাশি ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করে তা যথাযথভাবে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশনা বহাল রয়েছে।

-রাফসান


বাজুসের নতুন ঘোষণা, স্বর্ণে রেকর্ড উত্থান

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৯ ০৮:৫১:৪৭
বাজুসের নতুন ঘোষণা, স্বর্ণে রেকর্ড উত্থান
ছবি: সংগৃহীত

দেশীয় স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য উল্লম্ফন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন করে দাম সমন্বয়ের ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছে, প্রতি ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা।

বুধবার সকালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন নির্ধারিত দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী দিনগুলোতেও এই হারেই স্বর্ণ বিক্রি হবে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, এত অল্প সময়ের মধ্যে এমন বড় বৃদ্ধি ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

নতুন মূল্য কাঠামো অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৯২০ টাকা। পাশাপাশি ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৫১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকায়।

এর আগে সর্বশেষ গত ৬ এপ্রিল বাজুস স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল, যেখানে প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা হ্রাস পেয়ে ২২ ক্যারেটের দাম দাঁড়িয়েছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৯ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে আবারও বড় অঙ্কের বৃদ্ধি বাজারে অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বাজুসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর ইতোমধ্যে ৫৩ বার স্বর্ণের দাম পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩১ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২২ বার কমানো হয়েছে। অন্যদিকে ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয়ের ঘটনা ঘটে, যার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মূল্য ঊর্ধ্বমুখী ছিল।

-রফিক


হরমুজ প্রণালি মুক্ত হতেই বিশ্ব শেয়ারবাজারে উৎসব: সূচকের বিশাল উল্লম্ফন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৮ ১৮:০০:০৯
হরমুজ প্রণালি মুক্ত হতেই বিশ্ব শেয়ারবাজারে উৎসব: সূচকের বিশাল উল্লম্ফন
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের ঐতিহাসিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার খবরে বিশ্ব অর্থনীতিতে এক বিশাল পরিবর্তনের ঢেউ লেগেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হওয়া ভয়াবহ উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আসায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া বার্তায় এই সমঝোতার কথা নিশ্চিত করার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি প্রায় ১৩ শতাংশ কমে ৯৪.৮০ ডলারে নেমে এসেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তেলের দাম ১৫ শতাংশের বেশি কমে ৯৫.৭৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। যদিও এই দাম যুদ্ধপূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে কিছুটা বেশি, তবুও তেলের এই আকস্মিক দরপতনকে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি বিশাল স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জ্বালানি তেলের এই নিম্নমুখী প্রবণতার জেরে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে বিশ্বের প্রধান শেয়ারবাজারগুলো। ইউরোপের বাজার খোলার পরপরই লন্ডনের এফটিএসই ১০০ সূচক ২.৫৩ শতাংশ বেড়েছে এবং ফ্রান্স ও জার্মানির বাজারে ৫ শতাংশ পর্যন্ত বড় ধরনের উল্লম্ফন লক্ষ্য করা গেছে। এর আগে এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলেও তেজি ভাব দেখা দেয়, যেখানে জাপানের নিক্কেই ২২৫ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক যথাক্রমে ৫ ও ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দেওয়া কঠোর আল্টিমেটাম এবং একই সঙ্গে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির ওপর জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির চাপের কারণেই এই সমঝোতা সম্ভব হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন মূলত বোমা হামলা স্থগিত রেখে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ ও নিরাপদভাবে খুলে দেওয়ার শর্তে এই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

ইরানের পক্ষ থেকেও এই চুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, ইরানের ওপর হামলা বন্ধ থাকলে তারা যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে এবং প্রণালি দিয়ে জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আটকা পড়া শত শত তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলের পথ প্রশস্ত হয়েছে, যা বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর এশীয় দেশগুলোর জন্য বড় সুখবর।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামোর যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা মেরামতে ২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় হতে পারে এবং পূর্ণ উৎপাদন ফিরে পেতে কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে। আপাতত দুই সপ্তাহের এই সাময়িক বিরতি স্থায়ী শান্তিতে রূপ নেবে কি না, তা নিয়ে এখন পুরো বিশ্বের নজর আগামী ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদের শান্তি আলোচনার দিকে।

সূত্র: বিবিসি


৫৩ বার দাম পরিবর্তন: স্বর্ণের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়ল ২০২৬ সাল

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৮ ১১:০২:৫৯
৫৩ বার দাম পরিবর্তন: স্বর্ণের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়ল ২০২৬ সাল
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে এক বিশাল উল্লম্ফন ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন করে মূল্য নির্ধারণ করায় প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এক লাফে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বেড়েছে। এর ফলে ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো দেশে স্বর্ণের ভরি আড়াই লাখ টাকার গণ্ডি ছাড়িয়ে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকায় দাঁড়িয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে এবং নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন এই রেকর্ড মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বর্ণের নতুন দাম একনজরে (প্রতি ভরি)

২২ ক্যারেট: ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা

২১ ক্যারেট: ২ লাখ ৪০ হাজার ৯২০ টাকা

১৮ ক্যারেট: ২ লাখ ৬ হাজার ৫১১ টাকা

সনাতন পদ্ধতি: ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা

এর আগে গত ৬ এপ্রিল সর্বশেষ স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল, তখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৯ টাকা। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে এই বড় অঙ্কের দাম বৃদ্ধি ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

রুপার দামও আকাশচুম্বী

স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রুপার দামও। প্রতি ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

২২ ক্যারেট রুপা: ৫ হাজার ৮৯০ টাকা

২১ ক্যারেট রুপা: ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা

১৮ ক্যারেট রুপা: ৪ হাজার ৭৮২ টাকা

সনাতন পদ্ধতি: ৩ হাজার ৬১৬ টাকা

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এই চার মাসেই স্বর্ণের দাম মোট ৫৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩১ বার দাম বেড়েছে এবং ২২ বার কমেছে। অন্যদিকে, গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম রেকর্ড ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। রুপার ক্ষেত্রেও চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৩২ বার দামের পরিবর্তন আনা হয়েছে।

স্বর্ণের এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধি নিয়ে জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ববাজারে অস্থিরতা এবং স্থানীয় সংকটের কারণেই মূলত এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

/আশিক


ব্ল্যাক এপ্রিল: অতীতের সব রেকর্ড ছাপিয়ে ভয়াবহতম জ্বালানি সংকটে বিশ্ব

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ২১:৫৪:০৫
ব্ল্যাক এপ্রিল: অতীতের সব রেকর্ড ছাপিয়ে ভয়াবহতম জ্বালানি সংকটে বিশ্ব
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA) প্রধান ফাতিহ বিরোলের দেওয়া এক হুঁশিয়ারি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তাঁর মতে, ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রকে কেন্দ্র করে চলমান এই সংকট অতীতের ১৯৭৩ ও ১৯৭৯ সালের তেলের ধাক্কা এবং ২০২২ সালের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের সম্মিলিত প্রভাবের চেয়েও ভয়াবহ। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ফরাসি সংবাদমাধ্যম 'ল্য ফিগারো'কে (Le Figaro) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ফাতিহ বিরোল সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের যে ‘ধমনী’ কাটা পড়েছে, তা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিঘ্ন। তিনি এই পরিস্থিতিকে "ব্ল্যাক এপ্রিল" বা ‘কালো এপ্রিল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিরোলের মতে, বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়ে যায়, যা এখন সম্পূর্ণ অনিশ্চিত। এর ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, কারণ জ্বালানির দাম বাড়লে খাদ্যপণ্যের দামও হু হু করে বাড়বে। ইউরোপ, জাপান এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশগুলোও এই অর্থনৈতিক স্থবিরতার হাত থেকে রেহাই পাবে না।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া চূড়ান্ত সময়সীমা বুধবার ভোর ৬টায় (বাংলাদেশ সময়) শেষ হচ্ছে। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার চুক্তি না হলে তিনি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালাবেন। ট্রাম্পের এই 'সভ্যতার মৃত্যু' সংক্রান্ত হুঁশিয়ারির পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম লাফিয়ে বাড়ছে।

মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ০.৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১০.৬০ ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক লাইট ক্রুড (WTI)-এর দাম ২.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১১৫.১৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যদি আজ রাতের মধ্যে কোনো কূটনৈতিক সমাধান না আসে, তবে তেলের দাম যেকোনো রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের উত্তাপ স্বর্ণের বাজারে: বাড়ছে নিরাপদ বিনিয়োগ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ২০:১৫:৫৯
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের উত্তাপ স্বর্ণের বাজারে: বাড়ছে নিরাপদ বিনিয়োগ
ছবি : সংগৃহীত

বৈশ্বিক বাজারে মঙ্গলবার স্বর্ণের দামে সামান্য ঊর্ধ্বগতি দেখা দিলেও ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং তেলের উচ্চমূল্যের কারণে সেই গতি কিছুটা সীমিত হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্পট স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪,৬৫৫.৮৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। যদিও দিনের শুরুতে দাম প্রায় ১ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছিল, তবে পরবর্তী সময়ে তা কিছুটা কমে আসে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার শূন্য দশমিক ১ শতাংশ কমে ৪,৬৮০.৫০ ডলারে নেমেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান চরম উত্তেজনা ও যুদ্ধের অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের দিকে আকৃষ্ট করছে। তবে বিশ্ববাজারে ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম স্বর্ণের মূল্যের ওপর পাল্টা চাপ তৈরি করছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আগামী কয়েক ঘণ্টায় কোন দিকে মোড় নেয়, তার ওপরই নির্ভর করছে স্বর্ণবাজারের পরবর্তী গতিপথ।

/আশিক


আজকের টাকার রেট: ডলার ও ইউরোর সর্বশেষ বিনিময় হার জানুন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ১১:২৯:০৪
আজকের টাকার রেট: ডলার ও ইউরোর সর্বশেষ বিনিময় হার জানুন
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বর্তমানে দেশের কোটি মানুষ প্রবাসে অবস্থান করছেন এবং তাঁদের পাঠানো কষ্টার্জিত রেমিট্যান্সের ওপর ভর করেই সচল রয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসীদের সুবিধার্থে আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) দেশের মুদ্রা বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার তুলে ধরা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার মুদ্রা বাজারে মার্কিন ডলারের কেনার দাম ১২২.৮০ টাকা এবং বিক্রির দাম ১২২.৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরো কেনার ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪১.৭২ টাকা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে ১৪১.৭৯ টাকা।

ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রে আজ কেনার দাম ১৬২.৪৮ টাকা এবং বিক্রির দাম ১৬২.৬০ টাকা।

এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার মধ্যে জাপানি ইয়েন কেনা ও বিক্রি উভয় ক্ষেত্রেই ০.৭৬ টাকা দরে লেনদেন হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ান ডলারের কেনার দাম ৮৪.৯২ টাকা এবং বিক্রির দাম ৮৪.৯৮ টাকা।

সিঙ্গাপুর ডলারের ক্ষেত্রে আজ কেনার দাম ৯৫.৫৪ টাকা এবং বিক্রির দাম ৯৫.৬৪ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

কানাডিয়ান ডলার কেনা হচ্ছে ৮৮.২৬ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৮৮.৩২ টাকায়।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের মুদ্রা রুপির ক্ষেত্রে আজ কেনার দাম ১.৩১ টাকা এবং বিক্রির দাম ১.৩২ টাকা।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা সৌদি রিয়ালের ক্ষেত্রে আজ কেনার দাম ৩২.৬২ টাকা এবং বিক্রির দাম ৩২.৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী যেকোনো সময় বৈদেশিক মুদ্রার এই বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে।

/আশিক


সোনার বাজারে আগুন, ভরি ছাড়াল যত

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ০৮:৩৯:২৪
সোনার বাজারে আগুন, ভরি ছাড়াল যত
ছবি: সংগৃহীত

দেশীয় স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে উন্নত মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা, যা আগের দামের তুলনায় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বেশি। নতুন এই মূল্য বুধবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

স্বর্ণের এই মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ বা তেজাবী সোনার দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই সমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়েই স্বর্ণের দামে ধারাবাহিক বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। এটি টানা চতুর্থ দফা মূল্যবৃদ্ধি। সর্বশেষ দুই দিনে দুই দফায় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা করে দাম বাড়ানো হয়েছে। তারও আগে মার্চের শেষ সপ্তাহে দুই ধাপে আরও ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। সব মিলিয়ে কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি ভরিতে মোট ১৩ হাজার ১২২ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজারে অস্বাভাবিক প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

বিভিন্ন ক্যারেট অনুযায়ী নতুন মূল্য কাঠামোও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা।

এই মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত আসে বাজুসের প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠক থেকে, যেখানে বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে মূল্য পুনর্বিন্যাস করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের অস্থিরতা এবং স্থানীয় চাহিদা বৃদ্ধির সম্মিলিত প্রভাবে এই প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ২২ ক্যারেট রুপার দাম আগের মতোই ৫ হাজার ৭১৫ টাকা রয়েছে। ২১ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৪৯৯ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

-রাফসান


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ও তেলের বাজার: নতুন অর্থনৈতিক সংকটের মুখে বিশ্ব

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ২১:৪৬:০৩
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ও তেলের বাজার: নতুন অর্থনৈতিক সংকটের মুখে বিশ্ব
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বখ্যাত বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগান এক জরুরি সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে চলমান অচলাবস্থা ও সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনা যদি মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত গড়ায়, তবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে তেলের দাম ১২০ থেকে ১৩০ ডলারে পৌঁছানো এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।

জেপি মরগানের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তাদের মূল ধারণা অনুযায়ী এই সংকট শেষ পর্যন্ত আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হবে। তবে সেই সমাধান আসার আগ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট এবং মজুত হ্রাসের কারণে দাম চড়া থাকবে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক বা জুন মাস পর্যন্ত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের উপরেই অবস্থান করবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বছরের শেষার্ধে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করলে এবং প্রণালিটি আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হলে দাম পুনরায় কমতে পারে।

তবে ব্যাংকটি একটি বড় ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে জানিয়েছে, তেলের এই উচ্চমূল্য কতদিন স্থায়ী হবে তার ওপর নির্ভর করছে বৈশ্বিক অর্থনীতির ভবিষ্যৎ। যদি দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম চড়া থাকে, তবে বিশ্বজুড়ে পণ্য ও সেবার চাহিদা মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত একটি বৈশ্বিক মন্দার পথ প্রশস্ত করবে।

উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ব্যাপক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। তেলের বাজারের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কেবল উন্নয়নশীল দেশগুলো নয়, বরং উন্নত বিশ্বের সামষ্টিক অর্থনীতির জন্যও বড় ধরনের ধাক্কা হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: রয়টার্স।

পাঠকের মতামত:

৮ এপ্রিল: দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার

৮ এপ্রিল: দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবারের লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকায় শক্তিশালী উত্থান লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে বিভিন্ন খাতের কোম্পানিগুলো উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি... বিস্তারিত