জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গনভোট প্রশ্নে জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার পূর্ণাঙ্গ ভাষণ
.jpg)
প্রিয় দেশবাসী, শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী, ছাত্র-ছাত্রী, নারী-পুরুষ, নবীন-প্রবীণ সবাইকে আমার সালাম জানাচ্ছি।
আসসালামু আলাইকুম।
গত বছর আগস্ট মাসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিবলে আমরা অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেছিলাম। এরপর আমরা এখন আমাদের মেয়াদে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে উপনীত হয়েছি।
আমাদের সরকারের ওপর ন্যস্ত দায়িত্ব ছিল মূলত তিনটি। হত্যাকাণ্ডের বিচার করা, একটি জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারের আয়োজন করা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
আমরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্দেশে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এই বিচারের উদ্দেশ্যে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাদের প্রথম রায় শীঘ্রই দিতে যাচ্ছে।ট্রাইব্যুনালে আরও কয়েকটি মামলার বিচার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সাধারণ ফৌজদারি আদালতগুলোতেও জুলাই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত কিছু বিচারকাজ শুরু হয়েছে। আমরা একইসাথে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গুমের মতো নৃশংস অপরাধের বিচারকাজ শুরু করেছি।
আমি আনন্দের সঙ্গে আপনাদের জানাতে চাই যে সংস্কারের ক্ষেত্রেও আমরা ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছি। অন্তর্বর্তী সরকার নিজ উদ্যোগে বা বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবের ভিত্তিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করেছে। কিছু প্রস্তাবিত সংস্কারের কাজ এখনও চলমান আছে। অধ্যাদেশের মাধ্যমে বা বিদ্যমান আইন সংশোধন করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, বিচার ব্যবস্থাপনা, আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, ডিজিটালাইজেশন সম্প্রসারণ ও দুর্নীতি প্রতিরোধে বিভিন্ন সংস্কার সম্পন্ন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সুশাসনের জন্য এসব সংস্কার বড় ভূমিকা রাখবে বলে আমরা মনে করি। আশা করি, আগামী নির্বাচিত সরকার সংসদে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এসব সংস্কার গ্রহণ করবে।
আমাদের আরেকটি গুরুদায়িত্ব হচ্ছে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান। আমি ঘোষণা করেছি যে আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচন উৎসবমুখর, অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের জন্য আমরা সব প্রস্তুতি গ্রহণ করছি।
আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আমরা সঠিকভাবে পালন করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি।
প্রিয় দেশবাসী,রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের প্রস্তাব তৈরির লক্ষ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন নিরলসভাবে গত প্রায় নয় মাস ধরে কাজ করেছে। এসময় কমিশন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা করেছে। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ধৈর্য্যসহকারে রাজনৈতিক দলগুলো কমিশন কর্তৃক উত্থাপিত বিভিন্ন সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছেন। মতের পার্থক্য থাকলেও তা কমিয়ে আনার চেষ্টা করেছেন। অনেক বিষয়েই ঐকমত্যে আসতে পেরেছেন। দেশবাসী সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে এই পুরো কার্যক্রম দেখতে পেরেছেন। এটি বাংলাদেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে তো বটেই, পৃথিবীর অনেক দেশের জন্য এক অভূতপূর্ব ঘটনা। এটি ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্যও আশাব্যঞ্জক। আমি ঐকমত্য কমিশনের সদস্যদের এবং রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃবৃন্দকে গণতান্ত্রিক চর্চার এই আসাধারণ আয়োজনকে সফল করার জন্য আবারও আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ঐকমত্য কমিশনের প্রণীত জুলাই সনদে সংবিধান বিষয়ক ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাবে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। এটি একটি ঐতিহাসিক অর্জন। কিছু প্রস্তাবে সামান্য ভিন্নমত আছে। বাকি অল্প কিছু প্রস্তাবে আপাতদৃষ্টে মনে হয় অনেক দূরত্ব আছে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে খতিয়ে দেখলে দেখা যায় যে, এসব প্রস্তাবগুলোর ক্ষেত্রেও আসলে মতভিন্নতা খুব গভীর নয়। কেউ সংস্কারটা সংবিধানে করতে চেয়েছেন, কেউ আইনের মাধ্যমে করতে চেয়েছেন। কিন্তু সংস্কারের প্রয়োজনীতা, নীতি ও লক্ষ্য নিয়ে কারো মধ্যে মতভেদ নেই। কাজেই রাজনৈতিক দলগুলোর প্রকাশ্য বক্তব্য যতখানি পরস্পরবিরোধী অবস্থান আছে বলে মনে হয়, জুলাই সনদ সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করলে ততখানি মত পার্থক্য দেখা যায় না। এটি আমাদের অনন্য অর্জন। এতে জাতি এগিয়ে যেতে সাহসী হবে।
এসব বিবেচনায় রেখে এবং রাজনৈতিক দলগুলো কর্তৃক স্বাক্ষরিত জুলাই সনদকে মূল দলিল হিসেবে ধরে নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার আজকের উপদেষ্টামণ্ডলীর সভায় জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ অনুমোদন করেছে। এটি বিরাট খবর। প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর শেষে এটি ইতোমধ্যে গেজেট নোটিফিকেশন করার পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই আদেশে আমরা গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিধান গ্রহণ করেছি। এর মধ্যে রয়েছে সনদের সংবিধান বিষয়ক সংস্কার প্রস্তাবণার ওপর গণভোট অনুষ্ঠান এবং পরবর্তী সময়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত।
আমরা সকল বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোটের আয়োজন করা হবে। অর্থাৎ জাতীয় নির্বাচনের মতো গণভোটও ফেব্রুয়ারির প্রথমার্থে একইদিনে অনুষ্ঠিত হবে। এতে সংস্কারের লক্ষ্য কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত হবে না। নির্বাচন আরও উৎসবমুখর ও সাশ্রয়ী হবে। গণভোট অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে উপযুক্ত সময়ে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে।
জুলাই সনদের আলোকে আমরা গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনীয় প্রশ্নও নির্ধারণ করেছি।আমি প্রশ্নটি এখন আপনাদের সামনে পাঠ করে শোনাচ্ছি। প্রশ্নটি হবে এরকম:“আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?”
ক) নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।
খ) আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।
গ) সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকার-সহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমত হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।
ঘ) জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।”
গণভোটের দিন এই চারটি বিষয়ের ওপর একটিমাত্র প্রশ্নে আপনি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে আপনার মতামত জানাবেন।
গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট ‘হ্যাঁ’ সূচক হলে আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে। এই প্রতিনিধিগণ একইসাথে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ তার প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ হতে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার করবে। সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন হবার পর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে। এর মেয়াদ হবে নিম্নকক্ষের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা অনুসারে সংবিধানে জুলাই জাতীয় সনদ অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এটিও আজকে অনুমোদিত আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রিয় দেশবাসী,অভ্যুত্থানের পর দায়িত্ব গ্রহণ করে অর্থনীতিকে গভীর গহ্বর থেকে উদ্ধার করা ছিল আমাদের জন্য একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ। গত ১৫ মাসে আমরা সেই চ্যালেঞ্জ উৎরাতে সক্ষম হয়েছি। রপ্তানি, বৈদেশিক বিনিয়োগ ও রিজার্ভসহ অর্থনীতির সবগুলো সূচকে দেশ ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। লুট হয়ে যাওয়া ব্যাংকিং খাত ইতোমধ্যে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, মানুষের আস্থা ফিরে এসেছে। ব্যাংকিং খাতকে আরও শক্তিশালী করতে নানামুখী পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।
অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক বিনিয়োগ হ্রাস পেলেও বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রথম বছরে বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ অর্থাৎ এফডিআই ১৯ দশমিক ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি বৈশ্বিক প্রবণতার বিপরীতে এক অনন্য অর্থনৈতিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
আগামী সপ্তাহে ডেনমার্কভিত্তিক মায়ার্স্ক গ্রুপের মালিকানাধীন এপিএম টার্মিনালস বি.ভি.-এর সঙ্গে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পে ৩০ বছরের কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে। এই চুক্তির আওতায় ইউরোপীয় এই কোম্পানি ৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। এটি এযাবৎকালে বাংলাদেশে ইউরোপের সর্বোচ্চ একক বিনিয়োগ। লালদিয়া হবে দেশের প্রথম বিশ্বমানের গ্রিন পোর্ট।
প্রিয় দেশবাসী,প্রায় দেড় যুগ ধরে আমাদের জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তাঁরা আজ আসন্ন নির্বাচনে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। আগামী ফেব্রুয়ারিতে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে অভ্যুত্থানের স্বপক্ষের রাজনৈতিক দলগুলিকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তা না হলে জাতি এক মহাবিপদের সম্মুখীন হবে। এ সম্পর্কে আমি আগেও একাধিকবার আমার আশঙ্কা প্রকাশ করেছি।ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ২০২৪-এর জুলাইয়ে মৃত্যুর মুখোমুখি শির উঁচু করে দাঁড়িয়ে দেশবাসী যে ঐক্য গড়ে তুলেছিল, আমরা জীবিতরা যেন অল্পস্বল্প ভিন্নমত ও লঘু বিবাদে জড়িয়ে তার মর্যাদা ক্ষুন্ন না করি।
১৩৩ শিশু, শত শত তরুণ-তরুণী, নারী-পুরুষের মৃত্যু, হাজার হাজার মানুষের অঙ্গহানির যে আত্মত্যাগ সেটিকে আমাদের সম্মান জানাতেই হবে।
দেশের আপামর জনগণ সামান্য যা চায় তা হচ্ছে, এই অগুনিত হতাহতের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা সবাই যেন ভিন্নমতের প্রতি সহিষ্ণুতা দেখাই। দলীয় স্বার্থ অতিক্রম করে, সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা ও জাতীয় চাওয়াকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরি। তাই আমি আশা করি আমাদের এই সিদ্ধান্ত জাতির বৃহত্তর স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলো মেনে নেবে। একটি উৎসবমুখর জাতীয় নির্বাচনের দিকে জাতি এগিয়ে যাবে। এর মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশে প্রবেশ করব।
আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছালাম।মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমাদের আশা মহান আল্লাহ পূরণ করুন।
আল্লাহ হাফেজ।সবাইকে ধন্যবাদ।
তেলের পর্যাপ্ত মজুদ আছে, আতঙ্কের কারণ নেই: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান চরম উত্তেজনা এবং বিশ্ববাজারে অস্থিরতার মধ্যেও বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এক বক্তব্যে তিনি দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতির বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন।
জ্বালানিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে সবচেয়ে বেশি মজুদ রয়েছে ডিজেল, যার পরিমাণ ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৪৪ টন। এছাড়া ১০ হাজার ৫০০ টন অকটেন এবং ১৬ হাজার টন পেট্রল মজুদ রয়েছে। তিনি আরও তথ্য দেন যে, এপ্রিল মাসেই আরও বিপুল পরিমাণ জ্বালানি দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে, যা মজুতকে আরও শক্তিশালী করবে।
বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং অবৈধ মজুদ রোধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গত ৩ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে ৩৪২টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে এখন পর্যন্ত ৪০ লাখ ৪৮ হাজার ৪৫ক লিটার অবৈধভাবে মজুত করা জ্বালানি উদ্ধার করা হয়েছে।
সাধারণ মানুষের উদ্বেগের বিষয় তেলের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে মন্ত্রী সংসদে বলেন, "গত মাসে সরকার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করে কোনো দাম বাড়ায়নি।" তবে আগামী মে মাসের জ্বালানির দাম নিয়ে বর্তমানে পর্যালোচনা চলছে বলে তিনি জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মন্ত্রিপরিষদে বিস্তারিত আলোচনা এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে যদি একান্তই প্রয়োজন হয়, তবেই কেবল দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
/আশিক
ভ্যাকসিন কিনতে খরচ ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশে করোনা মহামারি মোকাবিলায় ভ্যাকসিন কেনাতে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিনে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে করোনা মহামারি মোকাবিলায় ভ্যাকসিনসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম আমদানি ও কেনাকাটার জন্য মোট ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২ লাখ টাকার বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এর সিংহভাগ অর্থাৎ ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে সরাসরি ভ্যাকসিন ক্রয় বাবদ। বাকি অর্থ সিরিঞ্জ ক্রয়, পরিবহন ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য খাতে ব্যয় করা হয়েছে।
ভ্যাকসিন কার্যক্রমের বিস্তারিত ব্যয়ের তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সিরিঞ্জ কেনাতে খরচ হয়েছে ৩০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া ভ্যাকসিন পরিবহন বাবদ ১৯ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৩৫৪ টাকা এবং সিরিঞ্জ শিপিং ও চার্জ হিসেবে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৯৯ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮০ টাকা। সরকারের এই বিপুল বিনিয়োগের ফলেই দেশ দ্রুত করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পেরেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ভ্যাকসিন আমদানিতে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতে যদি কোনো অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন।
/আশিক
ভোর ৫টার ঝটিকা অভিযান: ধানমন্ডি থেকে যেভাবে ধরা পড়লেন শিরীন শারমিন
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। আটকের পর তাঁকে সরাসরি ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে, ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা ও বনানী থানায় দুটি পৃথক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষে এর মধ্যে একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আজ দুপুরের মধ্যেই তাঁকে আদালতে তোলা হবে বলে নিশ্চিত করেছে ডিবি সূত্র। তবে আদালতে হাজির করার পর তাঁর বিরুদ্ধে রিমান্ড চাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার এ এন এম নাসির উদ্দিন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাবেক এই স্পিকারকে বর্তমানে ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। সরকারের পতন এবং রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এটিই সাবেক কোনো স্পিকারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় আইনি পদক্ষেপ।
এদিকে, সাবেক স্পিকারকে আটকের সংবাদটি প্রচার হওয়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার মেরিট এবং তদন্তের স্বার্থে ডিবির পক্ষ থেকে আরও নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। দুপুরের পর আদালত প্রাঙ্গণে তাঁর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
/আশিক
সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে সংসদ: ডাবল শিফট অধিবেশনে ১৩৩ বিলের লড়াই
১৩৩টি অধ্যাদেশকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থায়ী আইনে রূপান্তরের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা মেটাতে আজ মঙ্গলবার থেকে জাতীয় সংসদের অধিবেশন এক অভিনব পদ্ধতিতে পরিচালিত হতে যাচ্ছে। সময়ের স্বল্পতা কাটিয়ে উঠতে এবং আইনি শূন্যতা রোধে এখন থেকে প্রতিদিন দুই বেলা বা দুই সেশনে সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত ১৩৩টি অধ্যাদেশের এই বিশাল পাহাড় সমান কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতেই এই ‘ডাবল শিফট’ অধিবেশন ডাকার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতিদিন সকাল এবং বিকেল—উভয় সময়েই সংসদ সদস্যরা আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নেবেন। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির জারি করা কোনো অধ্যাদেশ সংসদের পরবর্তী অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে আইন হিসেবে পাস না হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। এই বিশাল আইনি চাপ সামলাতে সংসদীয় কার্যক্রমের গতি কয়েক গুণ বাড়াতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইতোমধ্যে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯টি অধ্যাদেশ বিল আকারে পাস করা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল সোমবার (৬ এপ্রিল) ছিল সংসদীয় ইতিহাসের অন্যতম কর্মমুখর দিন। এদিন মাত্র এক কার্যদিবসেই সাতটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করা হয়েছে এবং তিনটি নতুন বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়। তবে গতকাল উত্থাপিত তিনটি বিলের ক্ষেত্রে বিরোধী দল থেকে কিছু পর্যবেক্ষণ ও আপত্তি আসায় সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে পাস করা সম্ভব হয়নি।
সংসদীয় রীতি ও জনগুরুত্ব বিবেচনায় এই বিলগুলো নিয়ে সংসদে আরও চুলচেরা বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ধারণা করা হচ্ছে, আজকের (মঙ্গলবার) দুই সেশনের অধিবেশনে আলোচনার মাধ্যমে এই ঝুলে থাকা বিলগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। আইনি কাঠামো শক্তিশালী করতে এবং রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় কাজগুলো সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সংসদ সদস্যরা এখন থেকে দ্বিগুণ কর্মতৎপরতায় অংশ নেবেন।
/আশিক
ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন সূচনা, ভারত সফরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে নতুন করে কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা। ক্ষমতার পরিবর্তনের পর দীর্ঘ সময় ধরে সম্পর্কের গতি শ্লথ থাকলেও এখন উভয় পক্ষই নতুন বাস্তবতায় পারস্পরিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান দুই দিনের সরকারি সফরে ভারতের রাজধানী দিল্লি যাচ্ছেন। তার সঙ্গে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। নতুন সরকার গঠনের পর এটি বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর, যা কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
কূটনৈতিক সূত্র বলছে, এই সফরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সৌজন্য সফর হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও এর ভেতরে রয়েছে বহুমাত্রিক কৌশলগত গুরুত্ব। নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন কাঠামোয় এগোবে, তার একটি প্রাথমিক রূপরেখা নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হবে এই সফরের মাধ্যমে।
নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, দিল্লিতে পৌঁছে অজিত দোভাল-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পরদিন তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন। এছাড়া সম্ভাব্যভাবে ভারতের জ্বালানি ও বাণিজ্য খাতের শীর্ষ ব্যক্তিত্বদের সঙ্গেও বৈঠকের কথা রয়েছে।
বৈঠকগুলোর আলোচ্যসূচিতে থাকবে দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলো। এর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা পুনরায় চালু, জ্বালানি সহযোগিতা বৃদ্ধি, গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন এবং সীমান্তে সহিংসতা বন্ধের বিষয় বিশেষ গুরুত্ব পাবে।
এছাড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং আইনি সহযোগিতার বিষয়গুলোও আলোচনায় আসতে পারে। বিশেষভাবে রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয়, যেমন—ভারতে অবস্থানরত পলাতক ব্যক্তিদের প্রত্যার্পণ প্রসঙ্গও আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পরিস্থিতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত এবং তার প্রভাব দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর কীভাবে পড়ছে, তা নিয়েও মতবিনিময় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নয়, বরং এটি একটি কৌশলগত পুনর্সামঞ্জস্য প্রক্রিয়ার সূচনা। অতীতের শীতল সম্পর্ক কাটিয়ে পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন এবং কার্যকর সংলাপের মাধ্যমে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রচেষ্টা এতে প্রতিফলিত হচ্ছে।
নীতিনির্ধারকদের মতে, সম্পর্কের উত্থান-পতন স্বাভাবিক হলেও যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলে সংকট গভীরতর হয়। তাই সংলাপের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে দুই দেশের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে নিম্নমুখী ছিল। সেই প্রেক্ষাপটে বর্তমান সফরকে একটি ‘রিসেট মোমেন্ট’ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
-রফিক
গভীর রাতে সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন আটক
বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী-এর আটক হওয়ার ঘটনা। রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে হেফাজতে নিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), যা রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র অনুযায়ী, সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে ধানমন্ডির ৮/এ রোডের বাসা থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযানের সময় পরিস্থিতি ছিল নিয়ন্ত্রিত, তবে ঘটনাটি দ্রুতই রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ডিবির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। কোন মামলায় বা কী অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ নীরব রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা শুধু জানিয়েছেন, তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে বিস্তারিত জানানো হবে।
উল্লেখ্য, শিরিন শারমিন চৌধুরী প্রথমবার জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে তিনি এ পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে অন্যতম দীর্ঘমেয়াদি স্পিকার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর তিনি পুনরায় স্পিকার নির্বাচিত হন, যখন ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের কিছুদিন পরই তিনি তার পদ থেকে সরে দাঁড়ান।
সূত্রঃ আমার দেশ
একনেকের প্রথম বৈঠক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ৬ প্রকল্প অনুমোদন
নতুন সরকার গঠনের পর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রথম বৈঠকটি সোমবার (৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক সভাপতি তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় মোট ১৯টি প্রকল্প আলোচ্যসূচিতে থাকলেও সময়ের স্বল্পতার কারণে ৮টি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা সম্ভব হয়। এর মধ্যে ৬টি উন্নয়ন প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে এবং বাকি দুটিকে অধিকতর পর্যালোচনার জন্য রাখা হয়েছে। আলোচ্যসূচির অবশিষ্ট প্রকল্পগুলো নিয়ে আগামী সপ্তাহের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন সভার কার্যক্রম সম্পর্কে জানান যে, গুরুত্বপূর্ণ ৮টি প্রকল্প পর্যালোচনার পর সাময়িকভাবে সভাটি স্থগিত করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা অনুষ্ঠানের দীর্ঘদিনের যে রেওয়াজ ছিল, এবার তা ভেঙে সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে এই বৈঠকটি আয়োজন করা হয়। যদিও ভেন্যু পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান কর্মব্যস্ততা এবং সচিবালয় কেন্দ্রিক দাপ্তরিক কাজ পরিচালনার সুবিধার্থেই এই স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, একনেকের এই প্রথম বৈঠকটি ঘিরে পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে ব্যাপক প্রস্তুতি ও সাজসজ্জার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল। রাস্তা সংস্কার থেকে শুরু করে নতুন গাছ লাগিয়ে পুরো এলাকাটি নতুন করে সাজানো হলেও শেষ মুহূর্তে বৈঠকের স্থান পরিবর্তন করে সচিবালয়ে নিয়ে আসা হয়। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বিকল্প সভাপতি করে নতুন এই একনেক কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সরকার গঠনের পর উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারণ এবং রাষ্ট্রীয় ব্যয় পর্যালোচনার লক্ষ্যে গঠিত এই শীর্ষ কমিটির এটিই ছিল প্রথম আনুষ্ঠানিক যাত্রা।
/আশিক
আজহারীর পর এবার শায়খ আহমাদুল্লাহ! অস্ট্রেলিয়ার ভিসা বাতিল
জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা মাওলানা ড. মিজানুর রহমান আজহারীর পর এবার বাংলাদেশের বিশিষ্ট ইসলামী ব্যক্তিত্ব শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। স্থানীয় সময় রোববার (৫ এপ্রিল ২০২৬) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সিডনিভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ’-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের সম্পর্কে শায়খ আহমাদুল্লাহর অতীতে করা কিছু মন্তব্য জনসমক্ষে আসার পর সেগুলোকে ‘জঘন্য’ ও ‘ইহুদি-বিদ্বেষী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খবরে আরও বলা হয়, শায়খ আহমাদুল্লাহ তার বক্তব্যে ইহুদিদের নীচু প্রকৃতির ও ঘৃণার যোগ্য এবং বিশ্বব্যাপী অস্থিরতার নেপথ্যে কারিগর বলে আখ্যায়িত করেছেন।
ভিসা বাতিলের এই সিদ্ধান্তটি এমন এক সময়ে কার্যকর করা হয় যখন তিনি সিডনি বিমানবন্দর দিয়ে অস্ট্রেলিয়া ত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী ম্যাট থিসলেথওয়েট এই সিদ্ধান্তের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, যারা ইহুদিবিদ্বেষী বা ইসলামোফোবিক বক্তব্য ছড়ায়, তাদের প্রতি সরকারের কোনো ধরনের সহনশীলতা নেই।
এই পদক্ষেপের ফলে শায়খ আহমাদুল্লাহর অস্ট্রেলিয়ায় পুনঃপ্রবেশের পথ বন্ধ হয়ে গেছে এবং কর্তৃপক্ষ তাকে স্থায়ীভাবে দেশটিতে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনা করছে। উল্লেখ্য, আইপিডিসির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘লিগ্যাসি অব ফেইথ’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলেন। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে তার নির্ধারিত সফরটি পুরোপুরি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
ফলে ৬ এপ্রিল ক্যানবেরার ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার, ১০ এপ্রিল অ্যাডিলেডের উডভিল টাউন হল এবং ১১ এপ্রিল পার্থে তার পূর্বনির্ধারিত সভাগুলোর কোনোটিই আর অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এর আগে তিনি মেলবোর্ন ও সিডনির কিছু কর্মসূচিতে অংশ নিলেও সফরের বাকি অংশ স্থগিত করা হয়েছে।
/আশিক
জ্বালানি সংকটে বড় স্বস্তি! চট্টগ্রাম বন্দরে এলএনজি ও তেলবাহী ৪ জাহাজ
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG), এলপিজি (LPG) এবং গ্যাস অয়েলবাহী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চারটি জাহাজ। আজ সোমবার (৬ এপ্রিল ২০২৬) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মেরিন বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই স্বস্তির তথ্য জানানো হয়েছে। বন্দর সূত্র জানায়, ভারত, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া এবং চীন থেকে এসব জ্বালানি পণ্য নিয়ে জাহাজগুলো বন্দরে নোঙর করেছে এবং বর্তমানে পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া পুরোদমে চলছে।
আগত জাহাজগুলোর মধ্যে গ্যাস চ্যালেঞ্জার (GAS CHALLENGER) ভারত থেকে এলপিজি নিয়ে গত ৩১ মার্চ পৌঁছে বর্তমানে ভাটিয়ারী এলাকায় অবস্থান করছে। মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে আসা শান গ্যাং ফা শিয়ান (SHAN GANG FA XIAN) জাহাজটি ৩ এপ্রিল ভিড়েছে এবং ৭ এপ্রিলের মধ্যে খালাস সম্পন্ন করবে। নাইজেরিয়া থেকে আসা বিশাল এলএনজি জাহাজ কুল ভয়েজার (COOL VOYAGER) ৫ এপ্রিল পৌঁছে বর্তমানে ‘FSRU’-তে অবস্থান করছে।
একই দিনে চীন থেকে এলপিজি নিয়ে আসা গ্যাস জার্নি (GAS JOURNEY) জাহাজটিও বন্দরে ভিড়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে এই পণ্যগুলো দ্রুত খালাসে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ৭ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- শেয়ারবাজারে কমেছে ১০ কোম্পানির দর
- শেয়ারবাজারে চাঙ্গা দিন, লাভের শীর্ষে ১০ কোম্পানি
- ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার ৩৯তম দিনে কী ঘটছে?
- মুক্তির দাবি ঠিক, কিন্তু অনলাইন আক্রমণ কে থামাবে?
- এবার ভারত মহাসাগরে মার্কিন উভচর যুদ্ধজাহাজে ইরানের শক্তিশালী হামলা
- তেলের পর্যাপ্ত মজুদ আছে, আতঙ্কের কারণ নেই: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী
- ইন্ডাকশন চুলায় রান্না করেও বিদ্যুৎ বিল কমানোর ৫টি জাদুকরী উপায়
- ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা ধ্বংসের দাবি নেতানিয়াহুর
- ভ্যাকসিন কিনতে খরচ ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে ইরানের থাবা, ১৫ মার্কিন সেনা আহত
- মাদ্রাসায় শিশুর নিরাপত্তা: নীরবতার বদলে জবাবদিহি দরকার
- কৌশলগতভাবে তেহরানের কাছে পরাজিত ট্রাম্প: ইরান
- আজকের টাকার রেট: ডলার ও ইউরোর সর্বশেষ বিনিময় হার জানুন
- গীতি কবিতায় বিশেষ অবদান রাখায় সম্মাননা পেলেন সিরাজিয়া পারভেজ টুটুল
- সংজ্ঞাহীন অবস্থায় মোজতবা খামেনি? ৩৯ দিন পর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
- ভোর ৫টার ঝটিকা অভিযান: ধানমন্ডি থেকে যেভাবে ধরা পড়লেন শিরীন শারমিন
- কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য: বাহরাইনে বাজছে বিপদের সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ
- সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে সংসদ: ডাবল শিফট অধিবেশনে ১৩৩ বিলের লড়াই
- মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে
- সোনার বাজারে আগুন, ভরি ছাড়াল যত
- এক রাতের মধ্যেই ইরানকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করার হুমকি ট্রাম্পের
- আজ ঢাকায় কোথায় কী কর্মসূচি, জানুন এক নজরে
- নামাজের সময়সূচি প্রকাশ, সময় মেনে ইবাদত করুন
- এক রাতে তিন বড় ম্যাচ, টিভিতে আজকের যত খেলা
- ঢাকাসহ ১৩ জেলায় ঝড়ের সতর্কবার্তা
- ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন সূচনা, ভারত সফরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ইরানের সঙ্গে গোপন সমঝোতায় এশিয়ার দেশগুলো
- গভীর রাতে সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন আটক
- চার ঘণ্টায় ইরান অচল করার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
- কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা, আহত ১৫ মার্কিন সেনা
- টঙ্গীর মিলগেট বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ও তেলের বাজার: নতুন অর্থনৈতিক সংকটের মুখে বিশ্ব
- চাঁদের ‘অন্ধকার অংশ’ দেখতে যাচ্ছে মানুষ: ৫০ বছর পর প্রথম রোমাঞ্চকর যাত্রা
- মঙ্গলবার সকালে বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- হাইফায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে লণ্ডভণ্ড ইসরায়েল
- সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, স্থায়ী সমাধান চাই: যুক্তরাষ্ট্রকে শর্ত জানাল ইরান
- তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর নতুন মোড়: ৩ জনের ডিএনএ টেস্টের নির্দেশ
- সংস্কার থেকে সরে এলে আবারও চব্বিশ হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ
- পর্দার আড়ালে কী ঘটেছিল? এপস্টেইন নথিতে জিজি হাদিদের নাম
- লালমাইতে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে ছাই ৩ বসতঘর
- নর্দমা থেকে ফ্যাসিবাদ তুলে আনার চেষ্টা রুখে দেবে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান
- সিসিটিভি ফুটেজে ফাঁস: ইসরায়েলের পারমাণবিক নকশা কি ইরানের হাতে?
- হরমুজ সংকট নিরসনে একটি শর্ত দিল ইরান
- খেলাপি ঋণের পাহাড়: সাড়ে ৫ লাখ কোটির তথ্য দিলেন আমির খসরু
- একনেকের প্রথম বৈঠক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ৬ প্রকল্প অনুমোদন
- সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশীপ ফাউন্ডেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও কৃতী শিক্ষার্থী সম্মাননা অনুষ্ঠিত
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজকের শেয়ারবাজারে কারা সবচেয়ে বেশি লোকসানে
- আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা
- সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা
- ভারতের বিপক্ষে মহাযুদ্ধ! কাল সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের মেগা ফাইনাল
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত
- ৩১ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ইরানের পক্ষে লড়বে চেচেন যোদ্ধারা! কাদিরভ বাহিনীর ‘জিহাদ’ ঘোষণা
- কালিগঞ্জে কাটুনিয়া রাজবাড়ী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াহাব চূড়ান্ত বরখাস্ত
- এক লাফে ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা: স্বর্ণের বাজারে আগুন
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- চীনের ৫ দফা প্রস্তাব! ইরান যুদ্ধ থামাতে বেইজিং-ইসলামাবাদ ঐতিহাসিক চুক্তি
- শেষ ৪ মিনিটের ঝড়ে উড়ে গেল ক্রোয়েশিয়া! ব্রাজিলের বিধ্বংসী জয়
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- মার্কেট বন্ধের নতুন সময়সূচি! আন্তর্জাতিক সংকটে দেশের বাজারে নতুন নিয়ম
- নতুন নিয়মে সন্ধ্যার পর যেসব বিপণিবিতান খোলা থাকবে
- ৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি








