রোজকার শেয়ারবাজার

মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের অনুমোদন বন্ধ: ‘মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা ২০২৫’ কার্যকর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ১৩ ১৪:৪৯:৫৬
মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের অনুমোদন বন্ধ: ‘মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা ২০২৫’ কার্যকর

বাংলাদেশে নতুন কোনো মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের অনুমোদন আর দেবে না বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বুধবার (১২ নভেম্বর) প্রকাশিত সরকারি গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় কমিশন নতুন ‘মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা, ২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার বিএসইসির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন এই বিধিমালা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে।

বিধিমালা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে নতুন কোনো মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড স্কিমের অনুমোদন দেওয়া হবে না। কেবলমাত্র বেমেয়াদি (ওপেন-এন্ড) মিউচুয়াল ফান্ডের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে বর্তমানে কার্যরত মেয়াদি ফান্ডগুলোর জন্য বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে, যাতে ইউনিটহোল্ডারদের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।

নতুন বিধিমালার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, গেজেট প্রকাশের ছয় মাসের মধ্যে কোনো স্কিমের ইউনিটপ্রতি গড় লেনদেন মূল্য যদি স্কিমটির ক্রয়মূল্য বা ঘোষিত নিট সম্পদমূল্যের (NAV) তুলনায় ২৫ শতাংশের বেশি কমে যায়, তাহলে ট্রাস্টি ইউনিটহোল্ডারদের স্বার্থে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করতে পারবে। ইজিএমে উপস্থিত ভোটদাতাদের তিন-চতুর্থাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট এবং বিএসইসির অনুমোদনের মাধ্যমে ফান্ডটি বেমেয়াদি ফান্ডে রূপান্তর করা বা অবসায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।

বিনিয়োগ কাঠামোতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। নতুন বিধিমালায় বলা হয়েছে, মিউচুয়াল ফান্ড বা এর স্কিমের অর্থ কেবল স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বোর্ডে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা যাবে। পাশাপাশি আইপিও (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব), আরপিও (পুনরায় গণপ্রস্তাব), রাইট শেয়ার এবং সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগের সুযোগ থাকবে। তবে অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড (এটিবি), এসএমই প্ল্যাটফর্ম বা মূল বোর্ড থেকে তালিকাচ্যুত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ নিষিদ্ধ থাকবে। যদি কোনো সিকিউরিটিজ পরবর্তীতে মূল বোর্ড থেকে তালিকাচ্যুত হয় বা এটিবি/এসএমই বোর্ডে স্থানান্তরিত হয়, তাহলে ছয় মাসের মধ্যে সেই বিনিয়োগ প্রত্যাহার করতে হবে।

বিধিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘এ’ ক্যাটাগরির নিচের ক্রেডিট রেটিংসম্পন্ন বন্ড, ডেট সিকিউরিটিজ এবং ইসলামী শরিয়াভিত্তিক সিকিউরিটিজে বিনিয়োগের অনুমতি থাকবে না। এর ফলে বিনিয়োগ ঝুঁকি হ্রাস এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে উঠবে বলে মনে করছেন বাজারবিশ্লেষকেরা।

বিশ্লেষকদের মতে, মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা ২০২৫ দেশের পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াবে এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সংস্কৃতি গড়ে তুলবে, যা ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।


ড. ইউনূসের গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশনে বড় জালিয়াতি: ভ্যাট সুবিধায় শুভঙ্করের ফাঁকি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৯ ১১:৩৬:৪৮
ড. ইউনূসের গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশনে বড় জালিয়াতি: ভ্যাট সুবিধায় শুভঙ্করের ফাঁকি
ছবি : সংগৃহীত

দেশের উৎপাদনমুখী শিল্পকে উৎসাহিত করতে বাজেটে বিভিন্ন খাতে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা দিয়ে আসছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে স্মার্ট ও ফিচার ফোন উৎপাদন উৎসাহিত করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মোবাইল হ্যান্ডসেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ ভ্যাট সুবিধা দেয়।

তবে এই সুবিধার আড়ালে শর্ত ভঙ্গ করে বড় ধরনের ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে অন্তর্বর্তী সরকারের সদ্য সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের (জিটিএল) বিরুদ্ধে। এনবিআর ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এই জালিয়াতির অকাট্য প্রমাণ মিলেছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সাল থেকে মোবাইল ফোনের চার্জার ও ব্যাটারির ৫০ শতাংশ নিজস্ব কারখানায় উৎপাদনের শর্তে ভ্যাট অব্যাহতি পেয়ে আসছিল গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন। কিন্তু সরেজমিন পরিদর্শনে তদন্ত কমিটি সেখানে ব্যাটারি বা চার্জার উৎপাদনের কোনো ইউনিট বা প্রমাণের অস্তিত্ব পায়নি। শর্ত অনুযায়ী নিজস্ব উৎপাদন করার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি কৌশলে বিদেশ থেকে এসব পণ্য আমদানি অব্যাহত রেখেছে।

এর আগে ২০১৯ সাল থেকে স্মার্টফোন উৎপাদনের পিসিবি, চার্জার ও ব্যাটারি তৈরির সক্ষমতা থাকার শর্তেও তারা পরিপূর্ণ কমপ্লায়েন্স না মেনেই ভ্যাট সুবিধা ভোগ করে আসছিল। এনবিআর ও বুয়েটের তদন্ত কমিটি সরাসরি কারখানা পরিদর্শন করে এই জালিয়াতি ধরলেও রহস্যজনকভাবে এখনো নিশ্চুপ রয়েছে এনবিআর কর্তৃপক্ষ।

সূত্র অনুযায়ী, ২০০৯ সালে যাত্রা শুরু করা গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন বর্তমানে জিডিএল, জিটিই এবং বেনকো—এই তিন নামে মোবাইল হ্যান্ডসেট উৎপাদন করে। এছাড়া লাভা ও ইনফিনিক্স ব্র্যান্ডের ফোনও বাজারজাত করছে তারা। নতুন ভ্যাট আইন অনুযায়ী মোবাইল উৎপাদনে ৫ থেকে ১০ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারিত থাকলেও, বিশেষ প্রজ্ঞাপনের (এসআরও) মাধ্যমে গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা নিয়ে আসছিল। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রজ্ঞাপন জারির আগে যারা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছিলেন, তাদের অবহেলার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যা এখন এনবিআরের জন্য বিব্রতকর। বিষয়টি নিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খানকে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

অন্যদিকে, গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জহুরুল হক বিপ্লব এই তদন্ত প্রতিবেদনকে ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ ও ‘অনুমাননির্ভর’ বলে দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, তদন্ত কমিটি বছরওয়ারি হিসাব না করে মাসওয়ারি হিসাব করার কারণে এই জটিলতা তৈরি হয়েছে।

তারা ইতিমধ্যে মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এনবিআরের ভ্যাট নীতি বিভাগে একটি আপিল আবেদন করেছেন। বর্তমানে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কমিশনারেটকে এসব প্রতিষ্ঠানের কমপ্লায়েন্স যাচাইয়ের জন্য চিঠি দেওয়ার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে এনবিআর।

/আশিক


৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দুইবার বাড়ল দাম: স্বর্ণের দামে বাজুসের নজিরবিহীন রেকর্ড

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৯ ০৯:৫১:৫৯
৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দুইবার বাড়ল দাম: স্বর্ণের দামে বাজুসের নজিরবিহীন রেকর্ড
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দুই দফায় দাম বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকায় ঠেকেছে। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) সকালে এবং বিকেলে পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তিতে এই রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস), যা আজ রবিবারও (২৯ মার্চ) কার্যকর রয়েছে।

গতকাল সকালে প্রথম দফায় ভরিতে ২ হাজার ১৫৭ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৭ হাজার ১২ টাকা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বিকেলে দ্বিতীয় দফায় আরও ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়ানো হয়। সব মিলিয়ে এক দিনেই স্বর্ণের দাম বেড়েছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৭ টাকায়।

এদিকে স্বর্ণের দাম আকাশচুম্বী হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস। বর্তমানে বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা। উৎসবের মৌসুমে স্বর্ণের এই নজিরবিহীন দাম ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

/আশিক


স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১৮:১৪:৫১
স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে যেন আগুন লেগেছে। মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হয়েছে মূল্যবান এই ধাতুর দাম। এবার ভরিতে এক লাফে ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এই নতুন দামের ঘোষণা দেয়, যা আজ বিকেল থেকেই কার্যকর হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অথচ আজ সকালেই একবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৭ টাকা বাড়িয়েছিল বাজুস। অর্থাৎ একদিনেই দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ল ৬ হাজার ৫৯০ টাকা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসেই এখন পর্যন্ত ৪৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৮ বারই বেড়েছে দাম। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালেও দেশের বাজারে রেকর্ড ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তবে স্বর্ণের দামের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়া স্বর্ণের এই আকাশচুম্বী দাম নিয়ে সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে।

/আশিক


জেট ইঞ্জিন ও এআই প্রযুক্তির মিশেল: ইরানের হাতে এখন রাশিয়ার সুপার ড্রোন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১৭:৫৭:১৭
জেট ইঞ্জিন ও এআই প্রযুক্তির মিশেল: ইরানের হাতে এখন রাশিয়ার সুপার ড্রোন
ছবি : সংগৃহীত

ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত ইরানি শাহেদ ড্রোনের প্রযুক্তিগতভাবে আরও শক্তিশালী ও উন্নত সংস্করণ এখন খোদ তেহরানে পাঠাচ্ছে রাশিয়া। মার্কিন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি (AP) এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, এই ড্রোনগুলোতে রুশ প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এমন কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে যা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য নতুন মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

আগে ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করত রাশিয়া। তবে এখন সেগুলোতে রাশিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে জেট ইঞ্জিন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর নেভিগেশন, উন্নত জ্যামার-প্রতিরোধী ব্যবস্থা এবং এমনকি স্টারলিংক ইন্টারনেট ডিভাইসও যুক্ত করা হয়েছে। ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের দাবি, এই উন্নত ড্রোনগুলো আজারবাইজান হয়ে মানবিক সহায়তার আড়ালে ট্রাকে করে ইরানে পাঠানো হচ্ছে। তবে এই চালানের সঠিক পরিমাণ বা সরবরাহের ধরন সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

রাশিয়ার এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে ওয়াশিংটন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস স্পষ্ট জানিয়েছেন, অন্য দেশ ইরানকে যতই উন্নত প্রযুক্তি দিক না কেন, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সাফল্যের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না। তবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই খবরকে পুরোপুরি ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, গত এক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাশিয়ার এই অত্যাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি ইরানের হাতে পৌঁছালে তা ওই অঞ্চলে মার্কিন ও মিত্রবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

/আশিক


আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: ২৮ মার্চ ২০২৬: কোন দেশের কত টাকা?

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১০:৩২:৪০
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: ২৮ মার্চ ২০২৬: কোন দেশের কত টাকা?
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক লেনদেন দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। এই বাণিজ্যিক কার্যক্রম সহজ করতে এবং প্রবাসীদের সুবিধার্থে শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। আজকের বাজার দর অনুযায়ী কুয়েতি দিনারের মান সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে এবং মার্কিন ডলারের মান ১২২ টাকা ছাড়িয়েছে।

শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) প্রধান বৈদেশিক মুদ্রাসমূহের বিনিময় হার

আজকের বাজারে প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৭১ পয়সা।

ইউরোপীয় মুদ্রা ইউরোর দাম ১৪১ টাকা ২০ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মান ১৬২ টাকা ৯৮ পয়সা।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৪ টাকা ৫২ পয়সা, কানাডিয়ান ডলার ৮৮ টাকা ২৮ পয়সা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ৩৪ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর মধ্যে সুইডিশ ক্রোনার দাম ১২ টাকা ৯৫ পয়সা।

এশীয় দেশগুলোর মধ্যে জাপানি ইয়েনের মান ৭৭ পয়সা এবং চীনা ইউয়ান রেনমিনবির দাম ১৭ টাকা ৭৫ পয়সা। প্রতিবেশী দেশ ভারতের ১ রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি ১ টাকা ৩০ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান ১ রুপির বিপরীতে ২ টাকা ৫৩ পয়সা পাওয়া যাচ্ছে। মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের বর্তমান দর ৩০ টাকা ৫৮ পয়সা।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মুদ্রার মানের ক্ষেত্রে সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৭১ পয়সা এবং কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৫৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ওমানি রিয়ালের দাম ৩১৮ টাকা ৬৭ পয়সা হলেও তালিকার শীর্ষে থাকা কুয়েতি দিনারের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ৩৯৭ টাকা ৯২ পয়সা। উল্লেখ্য যে, ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসের ওপর ভিত্তি করে এই হারের সামান্য তারতম্য হতে পারে।

(সূত্র: গুগল)


সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ০৯:৫০:৪৬
সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন হয়েছে। টানা তিন দফায় কমার পর শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে আজ থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা।

বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, আজ থেকে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকায় বিক্রি হবে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা, যা তিন দিনের ব্যবধানে ১২ হাজার টাকার বেশি কমেছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে পাকা সোনার দাম কমায় এই সমন্বয় করা হয়েছে। তবে সোনার এই মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ ভ্যাট ও ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি অতিরিক্ত যোগ হবে।

/আশিক


আজকের বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৭ ১৩:৪৬:২৪
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে, যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের পরিমাণও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমদানি-রপ্তানি, প্রবাসী আয় এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক কার্যক্রমের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে মুদ্রা বিনিময় হার অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে শুক্রবারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার নতুন করে নির্ধারিত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা ও চাহিদা-জোগানের ভারসাম্যের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বর্তমানে মার্কিন ডলার প্রতি ১২২ টাকা ৫১ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা হিসেবে বিবেচিত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা ইউরো দাঁড়িয়েছে ১৪১ টাকা ৪০ পয়সায়, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির একটি বড় অংশের প্রতিনিধিত্ব করে।

ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য আরও উঁচুতে অবস্থান করছে, যেখানে প্রতি পাউন্ডের বিনিময় হার ১৬৩ টাকা ৪৯ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৪ টাকা ৫৬ পয়সা এবং কানাডিয়ান ডলার ৮৮ টাকা ৪২ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে, যা উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সংযোগকে নির্দেশ করে।

এশীয় মুদ্রাগুলোর মধ্যে জাপানি ইয়েনের বিনিময় হার তুলনামূলকভাবে কম, যা বর্তমানে ৭৭ পয়সায় রয়েছে। অন্যদিকে চীনা ইউয়ান ১৭ টাকা ৭৩ পয়সা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ৩১ পয়সায় অবস্থান করছে, যা আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভারতীয় রুপি ১ টাকা ৩০ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান রুপি ২ টাকা ৫৩ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে, যা দক্ষিণ এশীয় বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩০ টাকা ৫৭ পয়সায় অবস্থান করছে, যা প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক।

মধ্যপ্রাচ্যের মুদ্রাগুলোর মধ্যে সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৬৫ পয়সা এবং কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৬৫ পয়সায় নির্ধারিত হয়েছে। এসব মুদ্রা বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

সবচেয়ে উচ্চমূল্যের মুদ্রাগুলোর মধ্যে কুয়েতি দিনার ৩৯৮ টাকা ৮০ পয়সা এবং ওমানি রিয়াল ৩১৮ টাকা ৬৩ পয়সায় অবস্থান করছে, যা বৈশ্বিক মুদ্রাবাজারে তাদের শক্তিশালী অবস্থানকে নির্দেশ করে।

-রাফসান


রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৭ ১০:২৯:৩৬
রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর দেশের স্বর্ণবাজারে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে মূল্যবান এই ধাতুর দামে উল্লেখযোগ্য হ্রাস এসেছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন নতুন করে স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করেছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা পর্যন্ত দাম কমানো হয়েছে। ফলে বাজারে স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর আগে একই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা, যা থেকে এই হ্রাস সরাসরি বাজারে প্রভাব ফেলেছে।

গত ২৫ মার্চ এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন এই মূল্য হ্রাসের বিষয়টি নিশ্চিত করে। সংগঠনটি জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই নতুন দরই কার্যকর থাকবে।

নতুন নির্ধারিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬০ হাজার ৯০৫ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে এই মূল্যের সঙ্গে অতিরিক্ত কিছু খরচ যুক্ত হবে, যা ক্রেতাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। সরকারি বিধান অনুযায়ী, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের ওপর ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর আরোপ করা হয়।

এর পাশাপাশি গয়না তৈরির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি দিতে হয়, যা বাজুস নির্ধারিত। তবে গয়নার নকশা, ডিজাইন এবং মানভেদে এই মজুরির পরিমাণ বাড়তে বা কমতে পারে।

-রাফসান


মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের উত্তাপ: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ১৭:৫৯:৪৪
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের উত্তাপ: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে চলমান সংঘাতের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও উর্ধ্বমুখী হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং ইরান কর্তৃক সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর তেলের বাজারে এই অস্থিরতা দেখা দেয়। এর পাশাপাশি রাশিয়া এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় জ্বালানি সংকটের শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে।

এদিন আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১.১৩ ডলার বা ১.১ শতাংশ বেড়ে ১০৩.৩৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুডের দাম ১.০৮ ডলার বা ১.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯১.৪০ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগের দিন তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি কমলেও বৃহস্পতিবার তা আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যদিও কিছু পক্ষ কূটনৈতিক সমাধানের আশা করছে, তবে ইরানের অনড় অবস্থান এবং সরবরাহ চেইনের অচলাবস্থা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।

সূত্র: সামা টিভি।

পাঠকের মতামত: