আয়ের উৎস নেই, কিন্তু সম্পদের পাহাড়!

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ০৭ ০৮:৫২:২০
আয়ের উৎস নেই, কিন্তু সম্পদের পাহাড়!

প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী তারিক আহমেদ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ৬২ হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, দীর্ঘ ১৫ বছরে তিনি গোপনে গড়ে তুলেছেন এক বিশাল সম্পত্তির সাম্রাজ্য, যার সিংহভাগ জ্ঞাত আয়ের বাইরে।

২০০১ সালে সেনাবাহিনী থেকে দুর্নীতির দায়ে অপসারিত হন তারিক সিদ্দিক। সে সময় তিনি ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে। পরে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে তিনি ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পেয়ে মেজর জেনারেল হন এবংতৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা পদে নিয়োগ পান। সেই পদে থাকাকালীন সময়ে তিনি ছিলেন জনচক্ষুর অন্তরালে। সারা সময়ে তিনি কেবল একটি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন, গণমাধ্যমের কাছ থেকেও দূরে ছিলেন সবসময়।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার সময় তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আমানতের পরিমাণ ছিল মাত্র ৭ লাখ ২৩ হাজার টাকা। অবসরের সময় তার ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ ছিল ৫২ লাখ টাকার মতো। কিন্তু সর্বশেষ অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তার এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে রয়েছে হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ।

বিশেষ করে গাজীপুর এলাকায় ‘বাগান বিলাস’ ও ফাওকাল এলাকায় ডুপ্লেক্স বাড়ি, বারিধারায় সাততলা ভবন, পূর্বাচলে একাধিক প্লট, বসুন্ধরায় জমি, গুলশানে তিনটি ফ্ল্যাটসহ নানা জায়গায় বিপুল সম্পদ রয়েছে তারিক সিদ্দিক ও তার পরিবারের নামে। বারিধারা মডেল টাউনে সাড়ে তিন হাজার বর্গফুটের দুটি ফ্ল্যাট, ডিওএইচএস এলাকায় প্রায় তিন হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাটসহ ব্যাংকে এফডিআর মিলিয়ে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার নগদ সম্পদেরও সন্ধান মিলেছে।

দুদকের হিসাব বলছে, তারিক সিদ্দিক এবং তার স্ত্রী শাহিন সিদ্দিকের নামে গাজীপুরেই রয়েছে ৫২ বিঘা জমি, যার বাজারমূল্য ২৬ কোটি টাকার বেশি। কিন্তু তাদের বৈধ উপার্জন থেকে এসব জমি কেনা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতিতে গাজীপুরের এসব সম্পত্তি জব্দ করতে আদালতের অনুমোদন নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

এছাড়া নারায়ণগঞ্জেও রয়েছে ৪৮ বিঘা জমি, যার মালিকানা তারিক দম্পতির। গুলশানে সাততলা একটি ভবন, বসুন্ধরায় তিনটি প্লট, বারিধারায় চারটি ফ্ল্যাট ও এক ফ্ল্যাটের আংশিক মালিকানা ছাড়াও গাজীপুরে আরও একটি সাততলা ভবনের একাংশ তাদের মালিকানাধীন।

এদিকে, তারিক সিদ্দিক ৩ আগস্ট দেশের বাইরে পালিয়ে গেছেন বলে তথ্য রয়েছে। অথচ ৫ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে তিনি তার ভাই রফিক সিদ্দিকের স্ত্রী এবং শফিক আহমেদ সিদ্দিকের নামে থাকা একাধিক জমি বিক্রি করেন—যা আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ দলিলে স্বাক্ষরের সময় মালিকের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, অথচ তার বিদেশে থাকার কথা নিশ্চিত হয়েছে।

গাজীপুর টাঁকশাল ও কালাইয়া এলাকার জমিগুলোতেও রয়েছে অনিয়মের ছাপ। ২২ বিঘার জায়গা দেখানো হয়েছে মাত্র ৫ বিঘা। রফিক সিদ্দিকের নামে থাকা একটি বাগানবাড়িও নথিতে ছোট দেখানো হলেও বাস্তবে এর আয়তন বহু গুণ বেশি। এমনকি শেখ রেহানার নামে পরিচিত এক বাড়িও রয়েছে, যা মূলত তারিক সিদ্দিক কিনে তাকে উপহার দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও তাদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি।

দুদক জানায়, এখন পর্যন্ত পাওয়া সম্পদের পরিমাণ তারিক সিদ্দিকের প্রকৃত সম্পদের চেয়ে অনেক কম। অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে এবং নিত্যনতুন সম্পদের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন।


কুয়ালালামপুরে চিকিৎসায় বড় উন্নতি, দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মির্জা আব্বাস

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ২১:৩৭:১০
কুয়ালালামপুরে চিকিৎসায় বড় উন্নতি, দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মির্জা আব্বাস
ছবি : সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। দীর্ঘ লড়াই ও চিকিৎসার পর তিনি এখন অনেকটা শঙ্কামুক্ত এবং দ্রুত সুস্থতার পথে রয়েছেন। বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যায় বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাসের বরাত দিয়ে শায়রুল কবির জানান, মির্জা আব্বাস এখন পুরোপুরি বিপদমুক্ত। তিনি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন। বর্তমানে তার শারীরিক প্রক্রিয়া ও থেরাপি চলছে। মেডিকেল বোর্ডের সবুজ সংকেত পেলে ঈদুল আজহার আগেই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে পরিবারের। এছাড়া আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে তিনি নিজেই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে উপস্থিত হয়ে দোয়া চাইবেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের মাথায় জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রথমে সিঙ্গাপুরে এবং পরবর্তীতে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়। বর্তমানে মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।

/আশিক


পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের পর সীমান্ত সিল! বিজিবি-কে কড়া নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ১৮:০৯:১৯
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের পর সীমান্ত সিল! বিজিবি-কে কড়া নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সীমান্তে বিজিবি-কে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৬ মে) ডিসি সম্মেলনের শেষ দিনে বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বাংলাদেশে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা ‘পুশইন’ হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না, তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ডিসি সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের বেশ কিছু কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। এর মধ্যে বিগত সময়ের রাজনৈতিক ও হয়রানিমূলক মামলাগুলো আগামী এক মাসের মধ্যে তালিকাভুক্ত করে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর সঠিক তালিকা তৈরির বিষয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি। আসন্ন কোরবানির ঈদে মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে পুলিশকে ‘বডি ক্যামেরা’ ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি মহাসড়ক ও রেলপথে অপরাধ রোধে স্থানীয় প্রশাসনকে তদারকি বাড়াতে বলা হয়েছে।

মাদক ও অনলাইন জুয়াকে সামাজিক ব্যাধি হিসেবে আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অপরাধীদের দমনে নতুন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। সাইবার জগতকে নিরাপদ রাখতে এবং তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে প্রশাসনকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


তেলের পর বিদ্যুৎ! ভর্তুকি সামাল দিতে নতুন করে দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ১৮:০০:২৭
তেলের পর বিদ্যুৎ! ভর্তুকি সামাল দিতে নতুন করে দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি
ছবি : সংগৃহীত

জ্বালানি তেল ও এলপিজির পর এবার পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি সর্বোচ্চ ১.৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। জ্বালানি আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচ ও বিক্রয়মূল্যের ব্যবধান এবং ভর্তুকির চাপ সামাল দিতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) এই প্রস্তাব পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বুধবার (৬ মে) বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পাইকারি বিদ্যুতের দাম ১৭ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে এবং কারিগরি কমিটি এটি পর্যালোচনা শুরু করবে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে খুচরায় ৮.৫ শতাংশ এবং পাইকারিতে ৫ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছিল। তাতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য ৭.০৪ টাকা হয়েছিল। এখনকার প্রস্তাব অনুযায়ী ১৭ থেকে ২১ শতাংশ দাম বাড়লে প্রতি ইউনিটে ১.২০ টাকা থেকে ১.৪৮ টাকা পর্যন্ত দাম যোগ হবে।

পিডিবির কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমান দামে বিদ্যুৎ বিক্রি করলে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তাদের ঘাটতি ৫৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এই ঘাটতি এবং ভর্তুকির চাপ কমাতেই দাম বাড়ানোর এই পথে হাঁটছে সরকার।

উল্লেখ্য, বর্তমান বিএনপি সরকার দায়িত্বে আসার আগে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে সরকার এখন দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই লক্ষ্যে গত ৯ এপ্রিল একটি মন্ত্রিসভা কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। পিডিবির হিসেব মতে, ইউনিটপ্রতি ১.২০ টাকা দাম বাড়লে সরকারের ভর্তুকি ১২ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা কমবে। তবে সাধারণ মানুষ ও শিল্প মালিকদের জন্য এটি হবে এক বিশাল বোঝা।

/আশিক


একনেকে উঠছে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প, বড় সুখবর দিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ১৭:৪৩:০১
একনেকে উঠছে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প, বড় সুখবর দিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কারিগরি, সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা জরিপ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। বুধবার (৬ মে) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার এক বিশেষ সভা শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের স্টাডি রিপোর্ট, সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা জরিপ শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি খুব শিগগিরই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।’ মন্ত্রী আরও জানান, এই মেগা প্রকল্পটি উত্তরবঙ্গের প্রায় ২৪টি জেলার মানুষের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসবে। এটি কেবল সেচ সুবিধা নয়, বরং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষা, মৎস্য চাষ এবং সামগ্রিক কৃষি ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী এই প্রজেক্টকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সকাল ১০টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে পদ্মা ব্যারেজ ছাড়াও তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী জানান, তিস্তা প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি বর্তমানে চলছে এবং কারিগরি দিকগুলো আরও গভীরভাবে যাচাই করা হচ্ছে। এছাড়া শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং সারাদেশে চলমান খাল খনন কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৬ মে চাঁদপুর এবং ২৫ মে ফেনী সফরে গিয়ে নতুন খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

মন্ত্রী এ্যানি জানান, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে মে মাস পর্যন্ত এই খনন কাজ চলবে এবং পরবর্তীতে নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকে পুনরায় কাজ শুরু হবে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলের পানিসম্পদ রক্ষা ও কৃষকদের সুবিধার্থেই সরকার এই মেগা পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে চায়।

/আশিক


নির্ধারিত স্থান ছাড়া বসবে না পশুর হাট: প্রতিমন্ত্রী 

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ১২:৫০:৪৬
নির্ধারিত স্থান ছাড়া বসবে না পশুর হাট: প্রতিমন্ত্রী 
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ঢাকায় নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্য কোথাও পশুর হাট বসানো যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত জায়গার বাইরে যত্রতত্র হাট বসলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সিটি করপোরেশন কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের সভায় ঈদুল আজহা নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যানজট নিরসন এবং জানমালের নিরাপত্তায় মহাসড়ক ও রেললাইনের পাশে কোনোভাবেই পশুর হাট বসানো যাবে না।

বিশেষ করে গাবতলী হাটে পশু কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর যে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়, তা নিয়ন্ত্রণে এবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও সিটি করপোরেশনের সমন্বয়ে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইজারাদারদেরও এ বিষয়ে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যেন পরিবহন সূচিতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, পশুর হাটে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি, র‍্যাব ও সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। এছাড়া প্রতিটি হাটে ইজারাদারদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করবে। জালিয়াতি ও জালিয়াতি চক্র রোধে হাটে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন এবং জাল টাকা শনাক্তকরণ যন্ত্রসহ বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। চামড়া ব্যবস্থাপনা ও মূল্য নির্ধারণের বিষয়েও সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

/আশিক


দ্বিগুণ হতে পারে সরকারি চাকুরের বেতন, যা আছে নতুন সুপারিশে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ১১:১০:০৪
দ্বিগুণ হতে পারে সরকারি চাকুরের বেতন, যা আছে নতুন সুপারিশে
ছবি : সংগৃহীত

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি করার সুপারিশ করেছে সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন বেতন কমিশন। গত ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। কমিশনের এই সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকুরেদের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর পেছনে সরকারের ব্যয় হয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা, যা নতুন কাঠামোতে আরও ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা বাড়তে পারে।

কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারি চাকরিতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার কথা বলা হয়েছে।

অর্থাৎ বেতন বৃদ্ধির হার হতে পারে ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত। প্রস্তাবিত কাঠামোতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের বৈষম্য কমাতে অনুপাত ১:৯.৪ থেকে কমিয়ে ১:৮ নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও বেতন বৃদ্ধির এই ব্যাপক পরিবর্তনের মাঝেও বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখার পরামর্শ দিয়েছে কমিশন।

বেসামরিক কর্মচারীদের পাশাপাশি জুডিশিয়াল সার্ভিস এবং সশস্ত্র বাহিনীর জন্য পৃথক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব প্রতিবেদনের কারিগরি ও আর্থিক দিক পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই কমিটি মূলত তিন ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করবে। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সিনিয়র সচিবদের মতো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য প্রচলিত ধাপের বাইরে বিশেষ ধাপ নির্ধারণের সুপারিশও করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

/আশিক


বাংলাদেশ হবে বিশ্বের সেরা এডুকেশন হাব:  শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ১০:৪৯:২৪
বাংলাদেশ হবে বিশ্বের সেরা এডুকেশন হাব:  শিক্ষামন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও সেরা শিক্ষা হাবে পরিণত করার সব ধরনের সক্ষমতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে উচ্চশিক্ষায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রয়োজনীয় মেধা, প্রোগ্রাম এবং ইচ্ছা সবই রয়েছে; এখন শুধু প্রয়োজন সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা।

শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বল্প সময়ের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে থেকেও অভাবনীয় অবদান রেখেছিলেন। মাত্র ১৬ দিনে তিনি যে কাজ করেছিলেন, তা ১৬ বছরেও করা কঠিন। এছাড়া তিনি দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার শিক্ষা দর্শনের প্রশংসা করার পাশাপাশি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাকেন্দ্রিক গুরুত্বারোপের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তাঁর মতে, দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে শিক্ষা সবসময়ই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়েছে।

বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজগুলোকে আকৃষ্ট করার কাজ চলছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, অতীতেও বাংলাদেশ বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করত এবং সেই গৌরবোজ্জ্বল সম্ভাবনা আবারও ফিরিয়ে আনা হবে।

একইসঙ্গে বিদেশে উচ্চশিক্ষা শেষে মেধাবীদের দেশে ফিরে আসার ওপর তিনি জোর দেন। টেকসই সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্টেকহোল্ডারদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আর্থিক ও ট্রাস্টভিত্তিক ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, সরকার দ্রুত সংস্কার সম্পন্ন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

/আশিক


ইতিহাসে সেরা নির্বাচন! সেনাপ্রধানের কণ্ঠে অসামরিক প্রশাসনের জয়গান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৫ ২১:২৪:২৮
ইতিহাসে সেরা নির্বাচন! সেনাপ্রধানের কণ্ঠে অসামরিক প্রশাসনের জয়গান
ছবি : সংগৃহীত

দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনকে অন্যতম সফল ও সুশৃঙ্খল হিসেবে অভিহিত করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, সামরিক ও অসামরিক প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যেকোনো কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব, যার বাস্তব উদাহরণ এই নির্বাচন। মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের একটি অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

নির্বাচন আয়োজনে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে সেনাপ্রধান বলেন, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়ায় পুরো দেশ আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সেনাবাহিনী এই প্রক্রিয়ায় কেবল সহযোগীর ভূমিকায় থাকলেও মূল দায়িত্ব পালনে ডিসিরা যে দক্ষতা দেখিয়েছেন, তা অনন্য। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এক সময় দেশে নির্বাচন হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা ও শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সকল জল্পনা-কল্পনা ও বাধা কাটিয়ে জাতিকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে, যা দেশের জন্য একটি বিশাল মাইলফলক।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে সেনাপ্রধান বেসামরিক প্রশাসনের সাথে সেনাবাহিনীর সুসম্পর্ক ও সহযোগিতার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জেলা প্রশাসকদের আশ্বস্ত করে বলেন, দেশের যেকোনো দুর্যোগ, দুর্ঘটনা বা জরুরি পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর সহায়তা চাইলে তা তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট সেনা ফরমেশনগুলো বেসামরিক প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করতে সদা প্রস্তুত রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দুই বাহিনীর এই সমন্বয় ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, একই অধিবেশনে সেনাপ্রধানের বক্তব্যের আগে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টাও বক্তব্য প্রদান করেন। তারা সবাই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়নমূলক কাজে প্রশাসনের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এই সম্মেলনের মাধ্যমে সামরিক ও অসামরিক নেতৃত্বের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার বন্ধন আরও দৃঢ় হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

/আশিক


বাড়ি ফিরতে দুশ্চিন্তা শেষ! দেখে নিন আপনার রুটের ঈদ স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৫ ২১:১৯:৪৩
বাড়ি ফিরতে দুশ্চিন্তা শেষ! দেখে নিন আপনার রুটের ঈদ স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ঈদুল আজহায় ঘরমুখী মানুষের যাতায়াত আরামদায়ক ও যানজটমুক্ত করতে ১০ জোড়া বিশেষ বা ঈদ স্পেশাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। গত ৩০ এপ্রিল রেলওয়ের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। মূলত ঈদের সময় যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতেই প্রতিবছরের মতো এবারও এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

রেলওয়ের সূচী অনুযায়ী, চট্টগ্রাম ও চাঁদপুরের মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীদের জন্য 'চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল-১' ট্রেনটি বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে রওনা হয়ে রাত ৮টা ২০ মিনিটে চাঁদপুর পৌঁছাবে। একইভাবে 'চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল-২' বিকেল ৪টায় চাঁদপুর থেকে ছেড়ে পরদিন সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। ঢাকা থেকে দেওয়ানগঞ্জ রুটের যাত্রীদের জন্য 'তিস্তা স্পেশাল-৩' সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকা ছাড়বে এবং 'তিস্তা স্পেশাল-৪' বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে দেওয়ানগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে নামাজ পড়তে ইচ্ছুক মুসল্লিদের সুবিধার্থে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ রুটে 'শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল-৫ ও ৬' এবং ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ রুটে 'শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল-৭ ও ৮' শুধুমাত্র ঈদের দিন চলাচল করবে। অন্যদিকে, উত্তরাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য জয়দেবপুর থেকে পার্বতীপুর রুটে 'পার্বতীপুর ঈদ স্পেশাল-৯ ও ১০' ট্রেনটি বিশেষ সূচীতে পরিচালনা করা হবে। এই ট্রেনটি জয়দেবপুর থেকে সকাল ৭টায় ছেড়ে দিবাগত রাত ২টায় গন্তব্যে পৌঁছাবে।

ট্রেন চলাচলের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে যাত্রীদের আসা ও যাওয়ার সুবিধার্থে। চাঁদপুর ও তিস্তা ঈদ স্পেশাল ট্রেনগুলো আগামী ২৫ মে থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এবং ঈদের পর ৩০ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত নিয়মিত চলবে। পার্বতীপুর স্পেশাল ট্রেনটি ঈদের আগে ২৪ মে থেকে ২৬ মে পর্যন্ত এবং ঈদের পরের দিন থেকে টানা তিন দিন যাতায়াত করবে। যাত্রীদের ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রেলওয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত:

৬ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

৬ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

সপ্তাহের মাঝামাঝি লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশ কয়েকটি শেয়ারে শক্তিশালী উত্থান দেখা গেছে। বিশেষ করে সিরামিক, টেক্সটাইল, ফার্মাসিউটিক্যালস ও... বিস্তারিত