"পেহেলগামের উত্তাপ পেরিয়ে মাঠে ফিরছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী!"

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুন ২৯ ১৫:০৩:৫৪
"পেহেলগামের উত্তাপ পেরিয়ে মাঠে ফিরছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী!"

ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান মানেই উত্তেজনার সর্বোচ্চ পর্যায়। রাজনৈতিক টানাপোড়েন কিংবা সীমান্ত উত্তেজনা—এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ক্রিকেট লড়াইয়ের পথ বারবার রুদ্ধ করে দেয়। কিন্তু আবারও যখন এশিয়া কাপের আবহ তৈরি হচ্ছে, তখনও প্রশ্ন—হবে তো সেই বহুপ্রতীক্ষিত ম্যাচ?

সম্প্রতি কাশ্মীরের পেহেলগামে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্ক নতুন করে টানাপোড়েনে পড়ে। অনেকেই ধারণা করেছিলেন, এবার হয়তো আর দেখা যাবে না দুই দলের মাঠের লড়াই। তবে ক্রিকেটভিত্তিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে—এই বছরের এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সম্ভাবনা আবারও জোরালো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরে সীমান্ত পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তিদায়ক হওয়ায় এশিয়া কাপ আয়োজন নিয়ে আশার সুরই শোনা যাচ্ছে। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে, যেখানে ছয় দলের টুর্নামেন্টের পূর্ণাঙ্গ সূচি চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হতে পারে এবারের টি–টোয়েন্টি সংস্করণের এশিয়া কাপ।

এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। যদিও প্রাথমিক সিদ্ধান্তে ২০২৪ সালের এসিসি প্রিমিয়ার কাপের রানার্সআপ ওমান ও তৃতীয় হওয়া হংকংয়ের নাম ছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তের আলোচনায় তাদের বাদ দেওয়ার ইঙ্গিতও মিলছে।

মূল আয়োজক হিসেবে ভারতের নাম থাকলেও, আগের মতোই হাইব্রিড মডেলে টুর্নামেন্ট আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেই অনুযায়ী, ম্যাচগুলোর একটি অংশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে আয়োজন করা হতে পারে।

সবচেয়ে বড় খবর হলো, এবার পুরুষদের এশিয়া কাপেও ভারত-পাকিস্তান লড়াই কার্যত নিশ্চিত। কারণ, সনি স্পোর্টস নেটওয়ার্ক এসিসির সঙ্গে ১৭ কোটি মার্কিন ডলারে সম্প্রচারের চার আসরের চুক্তি করার সময় অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রতিটি আসরে অন্তত দুটি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পেয়েছিল। এমনকি, ফাইনালে উভয় দল উঠলে তিনবার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।


আর্জেন্টিনার জয়ের পর ক্ষুব্ধ মিশর, ‘ম্যাচ পাতানো’ অভিযোগ

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৮ ১১:৩৩:১৭
আর্জেন্টিনার জয়ের পর ক্ষুব্ধ মিশর, ‘ম্যাচ পাতানো’ অভিযোগ
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর অন্যতম নাটকীয় ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে মিশর। তবে ম্যাচের ফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে রেফারিং এবং ভিএআর সিদ্ধান্ত। শেষ বাঁশি বাজার পর মিশর শিবির থেকে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ উঠে আসে। দলের ফরোয়ার্ড মোস্তফা জিকো সরাসরি দাবি করেন, ম্যাচ পরিচালনায় নিরপেক্ষতা ছিল না এবং পুরো লড়াইটি যেন আগেই আর্জেন্টিনার অনুকূলে চলে গিয়েছিল।

ম্যাচের প্রায় ৮০ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল মিশর। সেই অবস্থায় উত্তর আফ্রিকার দলটি বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আক্রমণের ধার বাড়িয়ে পরপর তিনটি গোল করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন করে আলবিসেলেস্তেরা। যোগ করা সময়ে এনজো ফার্নান্দেজের জয়সূচক গোল নিশ্চিত করে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট।

মিশরের দাবি, ম্যাচের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তাদের বিপক্ষে গেছে। প্রথমার্ধে মোস্তফা জিকোর করা একটি গোল ভিএআরের পর বাতিল করা হয়। রেফারির ব্যাখ্যায় বিল্ড-আপে ফাউলের অভিযোগ থাকলেও মিশরীয় খেলোয়াড় ও সমর্থকদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, সিদ্ধান্তটি ছিল অত্যন্ত কঠোর এবং বিতর্কিত।

আরও বড় বিতর্ক তৈরি হয় ম্যাচের শেষ দিকে। মিশরের অভিযোগ, আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের ঠিক আগে পেনাল্টি বক্সে মোহাম্মদ সালাহকে ফাউল করা হলেও রেফারি খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। সেই সিদ্ধান্ত ঘিরেই ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন বিশ্লেষণে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট ম্যাচ কর্মকর্তারা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেননি।

হারের পর আবেগাপ্লুত প্রতিক্রিয়ায় মোস্তফা জিকো ফরাসি রেফারিকে ‘জালিম’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি পবিত্র কোরআনের আয়াত ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল’ তেলাওয়াত করে বলেন, আল্লাহই সর্বোত্তম কর্মবিধায়ক। এরপর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি অভিযোগ করেন, ম্যাচ পরিচালনায় শুরু থেকেই তাদের প্রতি সুবিচার করা হয়নি।

জিকোর ভাষ্য, যদি আর্জেন্টিনা নিজেদের ফুটবল দক্ষতায় জয় পেত, তাহলে মিশরের কোনো আপত্তি থাকত না। তবে তিনি দাবি করেন, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো তাদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তার বক্তব্য, এসব সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রেখেছে।

তবে ফুটবল বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, রেফারিং নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ম্যাচের শেষ ১০-১৫ মিনিটে মিশরের রক্ষণভাগের ভাঙনই তাদের বিদায়ের প্রধান কারণ। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও সেই লিড ধরে রাখতে না পারা এবং চাপের মুহূর্তে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলা শেষ পর্যন্ত বড় মূল্য চোকাতে বাধ্য করেছে দলটিকে।

অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার ঘুরে দাঁড়ানোর নেপথ্যে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। একটি গোল তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি পুরো ম্যাচে আক্রমণের ছন্দ ধরে রেখে তিনি আবারও প্রমাণ করেছেন কেন তাকে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ম্যাচটি শেষ হওয়ার পর রেফারিং নিয়ে বিতর্ক চললেও আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল বহাল রয়েছে এবং আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে। এখন তাদের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ, আর মিশরের জন্য রয়ে গেল বিতর্ক, আক্ষেপ এবং শেষ মুহূর্তের এক হৃদয়ভাঙা বিদায়।

-রাফসান


বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনাল: কার প্রতিপক্ষ কে? দেখুন সূচি

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৮ ১১:০৯:৫৭
বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনাল: কার প্রতিপক্ষ কে? দেখুন সূচি
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানটান উত্তেজনার রাউন্ড অব ১৬ শেষ হয়েছে। নাটকীয় প্রত্যাবর্তন, টাইব্রেকারের রোমাঞ্চ এবং কয়েকটি হাইভোল্টেজ লড়াই শেষে নির্ধারিত হয়েছে টুর্নামেন্টের শেষ আট দল। এখন শিরোপার পথে আর মাত্র তিন ধাপ দূরে আটটি দল, আর সেই লক্ষ্যেই শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালের মহারণ।

শেষ দিনের দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবং ইউরোপের শক্তিশালী দল সুইজারল্যান্ড। ফলে বিশ্বকাপের শেষ আটের লাইনআপ এখন সম্পূর্ণ।

মিশরের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে দারুণ প্রত্যাবর্তন করে ৩-২ গোলের জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের এক পর্যায়ে পিছিয়ে পড়লেও শেষ দিকে দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে জয় ছিনিয়ে নেয় লিওনেল মেসির দল। অধিনায়কের নেতৃত্বে দলটির এই জয়ে সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন জেগেছে।

অন্যদিকে, সুইজারল্যান্ড ও কলম্বিয়ার ম্যাচ নির্ধারিত সময়ে সমতায় শেষ হয়। অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল ব্যবধান গড়তে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে ৪-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করে সুইসরা।

এবার কোয়ার্টার ফাইনালে সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচগুলোর একটি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি লড়াই। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সংগঠিত ফুটবলের জন্য পরিচিত সুইজারল্যান্ড কতটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারে, তা নিয়েই এখন ফুটবলবিশ্বে চলছে আলোচনা।

অন্যদিকে, কোয়ার্টার ফাইনালের উদ্বোধনী ম্যাচেই মুখোমুখি হবে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স এবং আফ্রিকার অন্যতম শক্তিশালী প্রতিনিধি মরক্কো। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মরক্কোর ধারাবাহিক উন্নতি এবং বড় দলগুলোর বিপক্ষে তাদের আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্স ম্যাচটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

স্পেনের সামনে অপেক্ষা করছে ইউরোপীয় প্রতিদ্বন্দ্বী বেলজিয়াম। দুই দলেরই আক্রমণভাগ ও মাঝমাঠ শক্তিশালী হওয়ায় ম্যাচটি কৌশলগত লড়াইয়ে রূপ নিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে। আর্লিং হালান্ডকে ঘিরে নরওয়ের আক্রমণ এবং ইংল্যান্ডের ভারসাম্যপূর্ণ দল দুইয়ের সংঘর্ষে জমজমাট একটি ম্যাচের প্রত্যাশা করছেন ফুটবলপ্রেমীরা।

বিশ্বকাপ এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে একটি ভুল কিংবা একটি মুহূর্তই বদলে দিতে পারে পুরো টুর্নামেন্টের চিত্র। তাই কোয়ার্টার ফাইনালের প্রতিটি ম্যাচই ফাইনালের মতো গুরুত্ব বহন করবে।

কোয়ার্টার ফাইনালের পূর্ণ সূচি

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই), রাত ২টা

ফ্রান্স বনাম মরক্কো — বোস্টন স্টেডিয়াম

শুক্রবার (১০ জুলাই), রাত ১টা

স্পেন বনাম বেলজিয়াম — লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়াম

শনিবার (১১ জুলাই), রাত ৩টা

নরওয়ে বনাম ইংল্যান্ড — মায়ামি স্টেডিয়াম

রোববার (১২ জুলাই), সকাল ৭টা

আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড — কানসাস স্টেডিয়াম

-রাফসান


খেলা জিতে চোখের জলে  মেসির গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৮ ১০:৩৩:৪২
খেলা জিতে চোখের জলে  মেসির গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এমন নাটকীয় প্রত্যাবর্তন ফুটবল ইতিহাসে খুব কমই দেখা যায়। ম্যাচের ৭৯ মিনিট পর্যন্ত দুই গোলে পিছিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা শেষ মুহূর্তে দুর্দান্ত ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে মিশরকে। এই অবিশ্বাস্য জয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি, যিনি একটি অ্যাসিস্ট, একটি গুরুত্বপূর্ণ গোল এবং অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়ে দলকে টেনে তুলেছেন কোয়ার্টার ফাইনালে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দিবাগত রাতে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর ম্যাচে প্রথমার্ধ থেকেই চাপে পড়ে যায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। মিশরের সংগঠিত আক্রমণ ও দ্রুতগতির ফুটবলের সামনে আর্জেন্টিনার রক্ষণ বারবার ভেঙে পড়ে। এর মধ্যেই পেনাল্টি থেকে গোল করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হন মেসি। সেই মুহূর্তে মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের মুখেই দাঁড়িয়ে আছে আলবিসেলেস্তারা।

কিন্তু বিরতির পর দৃশ্যপট বদলাতে শুরু করে। ম্যাচ যত গড়িয়েছে, ততই আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়েছে আর্জেন্টিনা। শেষ ১৩ মিনিটে যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক দলকে দেখা যায়। মেসির সৃজনশীলতা, মিডফিল্ডের নিয়ন্ত্রণ এবং ফরোয়ার্ডদের ধারালো আক্রমণে মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে তিনটি গোল করে ম্যাচের ভাগ্য পুরোপুরি পাল্টে দেয় দক্ষিণ আমেরিকার জায়ান্টরা।

প্রথমে দুর্দান্ত এক পাস থেকে সতীর্থকে দিয়ে গোল করান মেসি। এরপর নিজের চেনা বাঁ পায়ের জাদুতে সমতাসূচক গোল করে পেনাল্টি মিসের আক্ষেপও ঘুচিয়ে দেন। শেষ মুহূর্তে আসে জয়সূচক গোল, আর তাতেই বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় প্রত্যাবর্তনের সাক্ষী হয় ফুটবল বিশ্ব।

ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত মেসি বলেন, "আমি ভীষণ আনন্দিত। ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকার পর এভাবে ফিরে এসে জয় পাওয়া সত্যিই অবিশ্বাস্য অনুভূতি। এই দল কখনো হাল ছেড়ে দেয় না। শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত আমরা লড়াই চালিয়ে যাই।"

তিনি আরও বলেন, "বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচই কঠিন। এখানে ছোট-বড় কোনো দল নেই। আজ আমরা অনেক কষ্ট করেছি, কিন্তু লক্ষ্য থেকে একচুলও সরে যাইনি। এখন সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।"

বিশ্লেষকদের মতে, ম্যাচটি শুধু একটি জয় নয়; এটি আর্জেন্টিনার মানসিক দৃঢ়তা ও চ্যাম্পিয়নসুলভ চরিত্রেরও প্রতিচ্ছবি। পেনাল্টি মিসের হতাশা কাটিয়ে যেভাবে মেসি পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন, তা আবারও প্রমাণ করেছে কেন তাকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় বলা হয়।

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পিছিয়ে থেকেও জয় তুলে নেওয়ার ঘটনা সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলো আর্জেন্টিনার এই রোমাঞ্চকর প্রত্যাবর্তন। দলটির সমর্থকদের কাছে এটি শুধু একটি জয় নয়, বরং নতুন করে শিরোপা স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণা।

-রফিক


ফিলিস্তিনের কষ্ট যে বোঝে না সে মানুষই না: মিসরীয় কোচ

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৭ ২১:৫২:০৪
ফিলিস্তিনের কষ্ট যে বোঝে না সে মানুষই না: মিসরীয় কোচ
ছবি : সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মহাকাব্যিক ও ঐতিহাসিক জয়ের পর মাঠের বুকে ফিলিস্তিনের জাতীয় পতাকা ওড়ানো এবং সেই জয় নির্যাতিত ফিলিস্তিনিদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করায় মিসরের প্রধান কোচ হোসাম হাসানের বিরুদ্ধে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার (FIFA) কাছে নিষেধাজ্ঞার নালিশ জানিয়েছিল একটি পক্ষ।

ফিফার অফিশিয়াল শৃঙ্খলা বিধিমালা ভঙ্গের বিতর্কিত অভিযোগ এনে মিসরীয় এই মাস্টারমাইন্ডকে চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে সরাসরি নিষিদ্ধ করার জোর দাবি জানানো হয়। তবে মানবতার পক্ষে থাকা বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা ফিফা সেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও একপাক্ষিক অভিযোগ সাফ খারিজ করে দিয়েছে।

ব্রিটিশ প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ (The Guardian) সহ আন্তর্জাতিক শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিফা তাদের অফিশিয়াল বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, বিশ্বকাপে ফিলিস্তিনের পতাকা প্রদর্শনে কোনো ধরনের আন্তর্জাতিক নিয়ম বা শৃঙ্খলা বিধি ভঙ্গ হয়নি।

ফিফার অফিশিয়াল স্বীকৃত ২১১টি স্বাধীন সদস্য দেশের একটি হলো ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। সংস্থাটির নিজস্ব আইনি নিয়ম ও প্রবিধান অনুযায়ী, ফিফা সদস্যভুক্ত যেকোনো দেশের অফিশিয়াল জাতীয় পতাকা মাঠ, স্টেডিয়াম কিংবা গ্যালারিতে প্রদর্শন করার পূর্ণ আইনি অনুমতি রয়েছে। তাই হোসাম হাসানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ফিফা।

এদিকে ফিফার কাছে এই সংকীর্ণ অভিযোগ দায়েরের পরও ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ও মজলুম মানুষের পক্ষে নিজের মানবিক অবস্থান আরও বেশি স্পষ্ট ও জোরালো করেছেন মিসরের প্রধান কোচ। আজ রাতে শেষ ষোলোর ম্যাচে পরাশক্তি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠে নামার ঠিক আগে আয়োজিত অফিশিয়াল সংবাদ সম্মেলনে ফিলিস্তিনিদের চলমান মানবিক দুর্দশা নিয়ে এক নজিরবিহীন আবেগঘন ও সাহসী বক্তব্য দেন তিনি।

বিশ্বের দ্বিমুখী নীতির তীব্র সমালোচনা করে হোসাম হাসান বলেন, ‘ফিলিস্তিনবাসীর এই অবর্ণনীয় দুর্দশা ও নির্মম কষ্ট যদি কেউ নিজের হৃদয়ে অনুভব করতে না পারেন, তবে তিনি মানুষই নন—হোক তিনি আরব, ইউরোপীয় কিংবা আমেরিকান।’ তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, ‘আজকের এই সভ্য বিশ্বে বিভিন্ন দেশে প্রাণীর অধিকার নিয়েও মানুষ রাজপথে সোচ্চার হয়, অথচ ফিলিস্তিনে প্রতিদিন হাজারো মানুষের নির্মম মৃত্যু অনেকের কাছে অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনায় পরিণত হয়েছে।’

মিসরের ফুটবল ইতিহাসের এই সাবেক মহাতারকা বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেন, ফুটবল শুধু গোল করা কিংবা স্রেফ প্রতিযোগিতার একটি মাধ্যম নয়, এটি বিশ্বজুড়ে মানবতার শক্তিশালী বার্তা দেওয়ারও একটি অন্যতম আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম। তাঁর মতে, চলমান বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে এই মুহূর্তে সমগ্র বিশ্বের কাছে প্রধান বার্তা হওয়া উচিত—ফিলিস্তিনের সাধারণ ও নিরীহ মানুষের শান্তিতে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকার অবিলম্বে নিশ্চিত করা।

আজ রাতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর বাঁচা-মরার লড়াইয়ে শক্তিশালী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ফিফার এমন ন্যায়সংগত ও ইতিবাচক সিদ্ধান্তে বড় ধরনের স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাস ফিরে এসেছে পুরো মিসরীয় শিবিরে।

/আশিক


৭ বারের আফ্রিকা সেরা মিসরের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা: সতর্ক স্কালোনি

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৭ ২০:২৫:৩৫
৭ বারের আফ্রিকা সেরা মিসরের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা: সতর্ক স্কালোনি
ছবি : সংগৃহীত

চলতি ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় মুখোমুখি হচ্ছে টুর্নামেন্টের অন্যতম হট-ফেভারিট আর্জেন্টিনা এবং আফ্রিকান ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী পরাশক্তি মিসর। পরিসংখ্যান ও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের বিচারে মাঠের লড়াইয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা বেশ এগিয়ে থাকলেও, মিসরের গৌরবময় ফুটবল ইতিহাস ফারাওদের মোটেও ছোট করে দেখার সুযোগ দিচ্ছে না। আফ্রিকান কাপ অব নেশনসে (AFCON) মিসরের অবিশ্বাস্য সাফল্য ও রেকর্ড আলবিসেলেস্তে শিবিরের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে। এমনকি আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনিও ম্যাচটির আগে মিসরকে নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছেন।

ফুটবল ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায়, আফ্রিকান কাপ অব নেশনস টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সবচেয়ে সফলতম ও অপ্রতিরোধ্য দলটির নাম মিসর। ফুটবলের মহাদেশীয় এই শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে মরক্কো, নাইজেরিয়া কিংবা সেনেগালের মতো মহাশক্তিগুলোকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তারা সর্বোচ্চ ৭ বার (১৯৫৭, ১৯৫৯, ১৯৮৬, ১৯৯৮, ২০০৬, ২০০৮ ও ২০১০ সালে) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনন্য কীর্তি গড়েছে। এই রেকর্ড আজ পর্যন্ত মহাদেশটির আর কোনো দেশ ভাঙতে পারেনি। শুধু তা-ই নয়, ২০০৬, ২০০৮ এবং ২০১০ সালে টানা তিনবার মহাদেশীয় এই শিরোপা নিজেদের শোকেসে পুরে ফুটবল বিশ্বে এক অনন্য ও দুর্ভেদ্য রেকর্ড গড়ে ফারাওরা।

আন্তর্জাতিক ফুটবলেও আরব ও আফ্রিকান অঞ্চলের ফুটবলের পথপ্রদর্শক এই মিসর। আজ থেকে প্রায় শতবর্ষ আগে, ১৯৩৪ সালে ইতিহাসের প্রথম আফ্রিকান ও আরব দেশ হিসেবে ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করার গৌরব অর্জন করেছিল তারা। ঐতিহাসিক সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বমঞ্চের শীর্ষ ৯ নম্বরে উঠে এসেছিল ফারাওরা, যা তাদের ফুটবল ইতিহাসের সর্বোচ্চ এবং অন্যতম সেরা র‍্যাঙ্কিং অবস্থান।

মিসরের ফুটবলের এই সোনালী পথচলা সমৃদ্ধ হয়েছে যুগে যুগে আসা বেশ কয়েকজন কিংবদন্তি ফুটবলারের হাত ধরে। আধুনিক ফুটবল বিশ্বে মিসরকে এককভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম সেরা মহাতারকা মোহাম্মদ সালাহ। লিভারপুলের হয়ে ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ে রাজত্ব করার পাশাপাশি জাতীয় দলের মূল ভরসাও তিনি।

এছাড়া মিসরের সোনালী প্রজন্মের অন্যতম সেরা দুই কাণ্ডারি আহমদ হোসেন এবং কিংবদন্তি গোলরক্ষক এসাম এল হাদারিদের মতো তারকারা দেশটির ফুটবলকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। ফলে আজ রাতের মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামের নকআউট লড়াইয়ে নামার আগে মাঠের লড়াইয়ে স্কালোনির শিষ্যদের কড়া পরীক্ষার মুখেই পড়তে হবে।

/আশিক


বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নিশ্চিত ৬ পরাশক্তি, কার সামনে কোন প্রতিপক্ষ?

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৭ ২০:০২:৩৮
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নিশ্চিত ৬ পরাশক্তি, কার সামনে কোন প্রতিপক্ষ?
ছবি : সংগৃহীত

চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের মহানাটকীয়তায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে ১-০ গোলে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে স্পেন। ম্যাচের যোগ করা অতিরিক্ত সময়ে (ইনজুরি টাইম) দুর্দান্ত এক গোল করে স্পেনের এই মহাকাব্যিক জয়ের একমাত্র নায়ক বনে যান বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা তারকা মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো। এই রোমাঞ্চকর জয়ের পর আগামী ১০ জুলাই সেমিফাইনালে ওঠার মরণপণ লড়াইয়ে মাঠে নামবে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

পর্তুগালকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থাকা কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। টুর্নামেন্টের অফিশিয়াল ফিক্সচার বা ছক অনুযায়ী, কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড়িয়েছে শক্তিশালী বেলজিয়াম। সেমিফাইনালে ওঠার হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে সদ্য শেষ আট নিশ্চিত করা স্পেন ও ‘রেড ডেভিলস’ বেলজিয়াম। আগামী ১১ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের বিখ্যাত সোফাই স্টেডিয়ামে (SoFi Stadium) এই ব্লকবাস্টার ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্বকাপের এবারের আসরে এখন পর্যন্ত কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে ফেলেছে পরাশক্তিগুলো। শেষ আটের অন্য ব্লকবাস্টার ম্যাচগুলোর রোমাঞ্চকর সমীকরণ দেওয়া হলো

১. ফ্রান্স বনাম মরক্কো

নকআউট পর্বের চরম উত্তেজনাকর ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ১-০ গোল ব্যবধানে হারিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করেছে গতবারের রানার্সআপ ফ্রান্স। কোয়ার্টার ফাইনালে তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পাচ্ছে আফ্রিকান জায়ান্ট মরক্কোকে।

২. ইংল্যান্ড বনাম নরওয়ে

সেমিফাইনালে ওঠার অন্য এক হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে পরস্পরের বিপক্ষে ইউরোপীয় দ্বৈরথে মুখোমুখি হচ্ছে শক্তিশালী ইংল্যান্ড ও জায়ান্ট কিলার নরওয়ে।

৩. স্পেন বনাম বেলজিয়াম

পর্তুগালকে কাঁদিয়ে বিদায় করা স্প্যানিশ আর্মাডারা মুখোমুখি হবে ছন্দে থাকা বেলজিয়ামের।

বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি জয়ের লড়াই এখন একেবারে চূড়ান্ত ও অন্তিম পর্যায়ে। আজ রাতের বাকি থাকা ম্যাচগুলোর ফলাফল নির্ধারণের শেষেই সম্পূর্ণ নিশ্চিত হয়ে যাবে ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত শেষ আটের পূর্ণাঙ্গ ও জাঁকজমকপূর্ণ লাইনআপ।

/আশিক


বাবা হিসেবে সবকিছু আবারও করতে প্রস্তুত: ভেঙে পড়া নেইমারকে বাবার আবেগঘন চিঠি

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৭ ১৮:৪৩:০৮
বাবা হিসেবে সবকিছু আবারও করতে প্রস্তুত: ভেঙে পড়া নেইমারকে বাবার আবেগঘন চিঠি
ছবি : সংগৃহীত

চলতি ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নকআউট পর্ব থেকে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের আকস্মিক ও বেদনাদায়ক বিদায়ের পর ফুটবল বিশ্বে নেমে এসেছে স্তব্ধতা। টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার পর মাঠের বুকেই কান্না ধরে রাখতে পারেননি কোটি ভক্তের প্রিয় মহাতারকা নেইমার জুনিয়র। ম্যাচ শেষে চরম হতাশায় জাতীয় দলের হয়ে আর কখনোই মাঠে না খেলার ইঙ্গিতপূর্ণ ঘোষণাও দেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। ব্রাজিলের এই হৃদয়বিদারক বিদায় এবং নেইমারের অবসরের গুঞ্জনের ঠিক একদিন পর, ছেলেকে উদ্দেশ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অত্যন্ত আবেগঘন ও দীর্ঘ খোলা চিঠি লিখেছেন তাঁর বাবা নেইমার সিনিয়র।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে (Instagram) দেওয়া ওই দীর্ঘ পোস্টে নেইমার সিনিয়র ছেলের শৈশবের ফুটবলজীবনের শুরু থেকে বর্তমান বিশ্বসেরা অ্যাথলেট হয়ে ওঠার নানা চড়াই-উতরাই ও স্মৃতিচারণ করেন। একই সঙ্গে ভক্তদের মন ভেঙে দেওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে ছেলেকে আবারও ফুটবল মাঠে ফিরে আসার এবং খেলা চালিয়ে যাওয়ার আকুল আহ্বান জানান। বার্তার শুরুতেই তিনি লেখেন, জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন সিদ্ধান্তে তাঁদের পরিবার সবসময় খ্রিস্টান ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং ঈশ্বরের প্রতি অবিচল বিশ্বাসকে প্রাধান্য দিয়েছে। অনেক প্রতিকূলতার মাঝেও সেই বিশ্বাসই তাঁদের সঠিক পথ দেখিয়েছে।

ছেলের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের সোনালী মুহূর্তগুলো স্মরণ করে আবেগাপ্লুত বাবা লেখেন, “প্রথম গোল, প্রথম আন্তর্জাতিক সাফল্য, পেশাদার ফুটবলে অভিষেক, বিশ্বের বড় বড় ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে খেলা, একের পর এক মর্যাদাপূর্ণ শিরোপা জয়, ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সিতে ব্রাজিল জাতীয় দলে প্রতিনিধিত্ব এবং বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের ভালোবাসা—সবকিছুরই প্রত্যক্ষ সাক্ষী আমি। তবে একজন গর্বিত বাবা হিসেবে এই পুরো যাত্রায় প্রতিটা মুহূর্তে সন্তানের পাশে ছায়ার মতো থাকতে পারাটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

চিঠির একপর্যায়ে নেইমারকে মাঠে ফেরার তাগিদ দিয়ে তিনি লেখেন, “তুমি ফুটবল খেলা চালিয়ে যাও। আবারও বল পায়ে সেই চেনা শৈশব ও যৌবনের আনন্দ খুঁজে নাও, মাঠে হাসিমুখে ফিরে এসো। ঈশ্বর তোমাকে বড় আঘাত থেকে সুস্থ করে মাঠে ফেরার আরেকটি সুযোগ দিয়েছেন।” সমালোচকদের উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, “বাইরের সমালোচনা, আকাশচুম্বী প্রত্যাশা কিংবা জীবনের নানা মানসিক চাপ একা নিজের কাঁধে বহন করো না। সব সিদ্ধান্ত মানুষের হাতে থাকে না, কিছু সিদ্ধান্ত শুধুই ঈশ্বরের। একটি স্বপ্ন বা একটি বিশ্বকাপ পূরণ না হলেও তার মানে এই নয় যে জীবন থেকে সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।”

ভবিষ্যতের নতুন ভোরের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করে নেইমারের বাবা লেখেন, “সামনের দিনগুলোকে নিয়ে মোটেও ভয় পেয়ো না। আজকের দিনটাকে বাঁচো, অনুশীলন করো, খেলো, হাসো, সন্তানদের সময় দাও এবং পরিবারকে ভালোবাসো। বাকিটা ঈশ্বরের ওপর ছেড়ে দাও।” বার্তার শেষাংশে তিনি বলেন, ট্রফি, গোল কিংবা বৈশ্বিক খ্যাতির চেয়েও জীবনের বড় বিষয় হলো ঈশ্বরের পরম আশীর্বাদ। তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস, নেইমারের ফুটবল জীবনে এখনও অনেক সুন্দর ও গৌরবময় অধ্যায় লেখা বাকি আছে।

চিঠির একদম শেষাংশে নেইমারের বাবার যে কথাটি এই মুহূর্তে পুরো ফুটবল বিশ্বকে কাঁদিয়ে তুলছে, তা হলো— “মনে রেখো নেইমার, এই স্বার্থপর পৃথিবী তোমাকে ভালোবাসার অনেক আগেই ঈশ্বর তোমাকে ভালোবেসেছেন। আর একজন বাবা হিসেবে তোমার জন্য আমি সবকিছু আবারও প্রথম থেকে করতে প্রস্তুত—প্রতিটি সফর, প্রতিটি ক্যারিয়ার গড়ার ত্যাগ, প্রতিটি নির্ঘুম রাত, প্রতিটি দুশ্চিন্তা এবং প্রতিটি প্রার্থনা।”

/আশিক


২০৩০ বিশ্বকাপ কোথায়? জানুন সব ভেন্যু

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৭ ১২:২৩:২৭
২০৩০ বিশ্বকাপ কোথায়? জানুন সব ভেন্যু
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপের উত্তেজনা এখনও শেষ হয়নি। তবে এরই মধ্যে ফুটবলবিশ্বের দৃষ্টি ধীরে ধীরে ঘুরছে ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের দিকে। কারণ, এটি কেবল আরেকটি বিশ্বকাপ নয়; বরং ফিফা বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদ্‌যাপনের বিশেষ আসর। ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে। সেই ঐতিহাসিক মাইলফলকের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবারের আয়োজনকে ব্যতিক্রমী রূপ দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে তিনটি মহাদেশে এবং ছয়টি দেশে। ফুটবল ইতিহাসে এর আগে কখনও এমন বহুমহাদেশীয় আয়োজন দেখা যায়নি। ফলে ২০৩০ সালের আসরকে ইতোমধ্যেই আধুনিক বিশ্বকাপের সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় ও প্রতীকী আয়োজন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ফিফার অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো হবে টুর্নামেন্টের প্রধান আয়োজক। তবে শতবর্ষের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রথম বিশ্বকাপের স্বাগতিক উরুগুয়েকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েও উদ্বোধনী পর্বের ম্যাচ আয়োজন করবে। ফলে মোট ছয়টি দেশই স্বাগতিকের মর্যাদা পাবে এবং ফিফার নিয়ম অনুযায়ী তারা সরাসরি মূল পর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করবে।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচগুলোর অন্যতম আকর্ষণ হবে উরুগুয়ের রাজধানী মন্টেভিডিওর ঐতিহাসিক এস্তাদিও সেন্টেনারিও স্টেডিয়াম। ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালও এই মাঠেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। শতবর্ষ উদ্‌যাপনের প্রতীক হিসেবে সেই স্টেডিয়ামেই আবার বিশ্বকাপের সূচনা হওয়া ইতিহাসের সঙ্গে বর্তমানের এক অনন্য সংযোগ তৈরি করবে।

অন্য দুটি উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে আর্জেন্টিনার বুয়েনেস এইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টাল এবং প্যারাগুয়ের রাজধানী আসুনসিওনের এস্তাদিও ওসভালদো ডোমিঙ্গেজ দিব স্টেডিয়ামে। উদ্বোধনী পর্ব শেষে অংশগ্রহণকারী দলগুলো ইউরোপ ও আফ্রিকায় গিয়ে টুর্নামেন্টের মূল সূচিতে অংশ নেবে।

এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয় ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ফিফা কংগ্রেসে। যদিও বিশ্বকাপ আয়োজনের বিডিং প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০২০ সালে এবং দীর্ঘ মূল্যায়নের পর ২০২৩ সালে যৌথ প্রস্তাবটি চূড়ান্ত হয়। শুরুতে মরক্কো এককভাবে আয়োজক হতে আগ্রহী থাকলেও পরে স্পেন ও পর্তুগালের সঙ্গে যৌথভাবে আবেদন করে এবং শেষ পর্যন্ত সেই প্রস্তাবই অনুমোদিত হয়।

ফিফার প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, ২০৩০ বিশ্বকাপ শুরু হবে ৮ জুন এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২১ জুলাই। অর্থাৎ মোট ৪৪ দিনব্যাপী চলবে এই আসর, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ টুর্নামেন্ট হিসেবে বিবেচিত হবে। তিন মহাদেশজুড়ে ম্যাচ আয়োজন, দীর্ঘ বিমানযাত্রা এবং লজিস্টিক ব্যবস্থাপনার সুবিধা বিবেচনায় রেখেই সূচি সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, ছয় দেশের ১৮টি শহরের ২১টি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ আয়োজন করবে স্পেন। সম্ভাব্য ভেন্যুগুলোর মধ্যে রয়েছে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু, স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যু, সিভিতাস মেত্রোপোলিতানো, সান মামেস, লা কার্তুহা, রিয়াল অ্যারিনা, লা রোমারেদা, নু মেস্তায়া, গ্রান ক্যানারিয়া এবং আবাঙ্কা-বালাইদোস।

পর্তুগালে ম্যাচ আয়োজনের জন্য নির্ধারিত সম্ভাব্য স্টেডিয়ামগুলো হলো এস্তাদিও দা লুজ, এস্তাদিও জোসে আলভালাদে এবং এস্তাদিও দো দ্রাগাও। অন্যদিকে মরক্কোতে সম্ভাব্য ভেন্যুর তালিকায় রয়েছে কাসাব্লাঙ্কার নির্মাণাধীন হাসান-২ স্টেডিয়াম, পাশাপাশি রাবাত, মারাকেশ, আগাদির, ফেজ ও তাঞ্জিয়ার শহরের আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম।

তবে ফাইনাল ম্যাচ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানায়নি ফিফা। সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে আলোচনায় রয়েছে মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু, বার্সেলোনার স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যু এবং কাসাব্লাঙ্কার হাসান-২ স্টেডিয়াম। ফিফা জানিয়েছে, ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরই চূড়ান্ত স্টেডিয়াম তালিকা ও ফাইনালের ভেন্যু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০৩০ বিশ্বকাপ শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়; এটি হবে ফুটবলের শতবর্ষের উদ্‌যাপন, যেখানে ইতিহাস, ঐতিহ্য, আধুনিক অবকাঠামো এবং বৈশ্বিক সংহতির এক অনন্য সমন্বয় দেখা যাবে। তিন মহাদেশকে এক সুতোয় গেঁথে এই আয়োজন বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করতে যাচ্ছে।

-রফিক


আজকের ক্রীড়াসূচি: বিশ্বকাপ, উইম্বলডন ও টি-টোয়েন্টি

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৭ ১০:৩১:১৮
আজকের ক্রীড়াসূচি: বিশ্বকাপ, উইম্বলডন ও টি-টোয়েন্টি
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্ব আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আজ শেষ ষোলোর বাকি দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করতে লড়াইয়ে নামছে চারটি শক্তিশালী দল। ফুটবলপ্রেমীদের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ থাকবে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা এবং মোহামেদ সালাহর মিশরের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত দ্বৈরথে।

রাত ১০টায় শুরু হওয়া এই ম্যাচে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা নিজেদের ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামলেও আফ্রিকার অন্যতম শক্তিশালী দল মিশর বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে প্রস্তুত। একদিকে মেসির সৃজনশীলতা ও অভিজ্ঞতা, অন্যদিকে সালাহর গতি, দক্ষতা ও গোল করার সামর্থ্য—সব মিলিয়ে ম্যাচটি বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জয়ী দল নিশ্চিত করবে শেষ আটে জায়গা।

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে রাত ২টায় মুখোমুখি হবে ইউরোপের শক্তিশালী দল সুইজারল্যান্ড এবং দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিনিধিত্বকারী কলম্বিয়া। দুই দলেরই রক্ষণভাগ ও পাল্টা আক্রমণের কৌশল বেশ কার্যকর হওয়ায় ম্যাচটি হতে পারে কৌশলনির্ভর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।

ফুটবলের পাশাপাশি টেনিসপ্রেমীদের জন্যও রয়েছে ব্যস্ত দিন। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ গ্র্যান্ড স্ল্যাম উইম্বলডন টুর্নামেন্টে আজ শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াই। বিকেল ৪টা থেকে বিশ্বের শীর্ষ তারকারা কোর্টে নামবেন সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার লক্ষ্যে।

ক্রিকেট ভক্তদের জন্যও রয়েছে আন্তর্জাতিক ম্যাচের উত্তেজনা। চলমান সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও ভারত। রাত ১০টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এই ম্যাচে সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ নির্ধারণ হতে পারে।

আজকের ক্রীড়াসূচি

ফিফা বিশ্বকাপ (শেষ ষোলো)

আর্জেন্টিনা বনাম মিশর

রাত ১০:০০টা

বিটিভি, টি স্পোর্টস ও সময়

সুইজারল্যান্ড বনাম কলম্বিয়া

রাত ২:০০টা

বিটিভি, টি স্পোর্টস ও সময়

উইম্বলডন (কোয়ার্টার ফাইনাল)

বিকেল ৪:০০টা

স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১ ও ২

তৃতীয় টি-টোয়েন্টি

ইংল্যান্ড বনাম ভারত

রাত ১০:৩০ মিনিট

সনি স্পোর্টস ১

আজকের সূচিতে ফুটবল, ক্রিকেট ও টেনিস তিন জনপ্রিয় খেলার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ থাকায় ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে জমজমাট একটি দিন। বিশেষ করে মেসি ও সালাহকে একই রাতে মাঠে দেখার সুযোগ বিশ্বকাপের উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: