বহুমুখী চ্যালেঞ্জ এর মুখে বাংলাদেশের অর্থনীতি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুন ২৮ ০৮:৪১:৪৬
বহুমুখী চ্যালেঞ্জ এর মুখে বাংলাদেশের অর্থনীতি

বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে আগামী দিনগুলোতে ভিন্নমাত্রার বহুমুখী চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)। বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক টানাপড়েন, রপ্তানি বাজারে নতুন বাধা, জ্বালানি নিরাপত্তার ঘাটতি এবং অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত দুর্বলতা মিলিয়ে দেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির গতি হ্রাস পাচ্ছে।

এই মূল্যায়নটি করা হয়েছে আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের ঋণচুক্তির চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তি ছাড়ের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে। এতে দেশের আর্থিক ঝুঁকি ও সম্ভাবনার খতিয়ান তুলে ধরার পাশাপাশি কাঙ্ক্ষিত সংস্কারগুলোর সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্বমঞ্চের সংকট: রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা

আইএমএফ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হলে পোশাক খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তৈরি পোশাক রপ্তানিই বাংলাদেশের বৈদেশিক আয়ের প্রায় ৮৬ শতাংশের উৎস। আর এর অর্ধেকের বেশি, প্রায় ৫৪ শতাংশ রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্রে। এই শুল্কব্যবস্থা কার্যকর হলে রপ্তানি আয় হ্রাস, কর্মসংস্থান সংকট এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি হবে।

অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা, বিশেষত ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা ও লেবানন-সিরিয়ার জ্বালাময় পরিস্থিতি বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক কর্মী নিয়োজিত। রাজনৈতিক সঙ্কট ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে এই অঞ্চল থেকে রেমিট্যান্সে ধস নামার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ছায়া এখনো বিদ্যমান

বিশ্বজুড়ে সরবরাহব্যবস্থার ব্যাঘাত, খাদ্য ও জ্বালানি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, এবং রপ্তানি বাজারের অনিশ্চয়তা সব মিলিয়ে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের অভিঘাত থেকে বাংলাদেশ এখনো পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেনি। আইএমএফ সতর্ক করেছে, এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তা বৈদেশিক বাণিজ্যে নতুন করে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা: রাজস্ব ঘাটতি ও বিনিয়োগে স্থবিরতা

দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোগত দুর্বলতা বিশেষ করে ব্যাংক খাতের ঋণ বিতরণে সীমাবদ্ধতা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা ব্যবসায়িক আস্থা ও বিনিয়োগ পরিবেশকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

সরকারের রাজস্ব আয় প্রত্যাশার তুলনায় কম হওয়ায় উন্নয়ন ব্যয়ও সংকুচিত হচ্ছে। এর ফলে সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন ধীরগতির এবং অর্থনৈতিক চক্রে কাঙ্ক্ষিত গতি আসছে না। বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ হ্রাস পাওয়ায় কর্মসংস্থান সৃষ্টিও ব্যাহত হচ্ছে।

বৈদেশিক লেনদেন ও ডলার চাপে দীর্ঘমেয়াদি শঙ্কা

আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছে, চলতি অর্থবছরে বৈদেশিক লেনদেনের ঘাটতি কিছুটা কমে জিডিপির ৩.৫ শতাংশে নামতে পারে। তবে আগামী বছরগুলোতে এই ঘাটতি ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, আমদানি ক্ষমতা ও মুদ্রানীতির স্থিতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই পরিস্থিতি ডলার বাজারে পুনরায় অস্থিরতা তৈরি করতে পারে, যার ফলাফল হবে মূল্যস্ফীতি, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে চাপ।

আইএমএফের সংস্কার নির্দেশনা: সময় নির্ধারিত পরিকল্পনাআইএমএফ সরকারকে একগুচ্ছ কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে:

জ্বালানি নিরাপত্তা পরিকল্পনা:

আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে তিন বছর মেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। এ খাতে ভর্তুকি ধাপে ধাপে শূন্যে নামিয়ে আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে বাজেট ভারসাম্য বজায় থাকে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা:

ডিসেম্বরের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও মুদ্রানীতি প্রণয়নে পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। এককভাবে বিনিময় হার নির্ধারণের ক্ষমতা বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে থাকতে হবে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ ছাড়াই।

জুনের মধ্যেই সরকারের অন্তত ৫০% আর্থিক লেনদেন অনলাইনে স্থানান্তর করতে হবে। ই-রিটার্ন, করদাতা সেবা ও কর আদায়ের ডিজিটাল পদ্ধতি নিশ্চিত করতে এনবিআরকে বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে।

আগামী বছরের মার্চের মধ্যে সব ধরনের অযৌক্তিক কর ছাড় বাতিল করতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঋণকে বেসরকারি খাতের মতো শ্রেণিবিন্যাস করতে হবে। এতে দায়-দেনার বাস্তবচিত্র স্পষ্ট হবে এবং আর্থিক খাতের স্বচ্ছতা বাড়বে।

আইএমএফ একক রপ্তানি খাতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বহুমুখীকরণের ওপর জোর দিয়েছে। তৈরি পোশাকের বাইরে চামড়া, ওষুধ, আইসিটি এবং কৃষিপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে দেশে কৃষিপণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর সুপারিশও করা হয়েছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে এক বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখে। বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং কাঠামোগত দুর্বলতা মিলে এক কঠিন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আছে দেশটি। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত, সুসমন্বিত ও সময়োপযোগী সংস্কার ছাড়া বিকল্প নেই।

-ইসরাত, নিজস্ব প্রতিবেদক


টাকার বিপরীতে ডলারের দাপট: এক নজরে আজকের মুদ্রার রেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১২:০৪:১৪
টাকার বিপরীতে ডলারের দাপট: এক নজরে আজকের মুদ্রার রেট
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক লেনদেনের প্রভাবে আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে বাংলাদেশি টাকার মানের নিয়মিত পরিবর্তন ঘটছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন ডলারসহ বিশ্বের প্রধান সব মুদ্রার বিপরীতে টাকার নতুন বিনিময় হার নির্ধারিত হয়েছে। আজকের বাজারে প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকা ১২২ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিশালী মুদ্রা কুয়েতি দিনারের মান এখন প্রায় ৪০০ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। প্রবাসী আয় এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সুবিধার্থে আজকের প্রধান মুদ্রাগুলোর বিনিময় হার নিচে তুলে ধরা হলো।

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা (বিনিময় হার)
ইউএস ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা
ইউরো ১৪৪ টাকা ১০ পয়সা
ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬৪ টাকা ৯২ পয়সা
কুয়েতি দিনার ৩৯৬ টাকা ৫১ পয়সা
ওমানি রিয়াল ৩১৬ টাকা ৪৫ পয়সা
সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৪১ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা ২৫ পয়সা
সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকা ৫৮ পয়সা
ভারতীয় রুপি ১ টাকা ৩৪ পয়সা
চীনা ইউয়ান ১৭ টাকা ৭৩ পয়সা
জাপানি ইয়েন ৭৮ পয়সা

এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৬ টাকা ৬৩ পয়সা, কানাডিয়ান ডলার ৮৯ টাকা ৪১ পয়সা এবং কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৫৩ পয়সা দরে লেনদেন হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, বৈদেশিক মুদ্রার এই হার যেকোনো সময় আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতে পরিবর্তিত হতে পারে। লেনদেনের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ রেট যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণ! আজ থেকে নতুন রেট কার্যকর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১১:২৫:৫৯
সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণ! আজ থেকে নতুন রেট কার্যকর
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে স্বর্ণের বাজার। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এই নতুন দামের ঘোষণা দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আজ সকাল ১০টা থেকেই সারাদেশে এই নতুন কার্যকর হয়েছে। মূলত স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজুস।

নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ কিনতে এখন গুণতে হবে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে, এই মূল্যের সাথে আবশ্যিকভাবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। ফলে গহনা হাতে পেতে হলে কার্যকর দাম ভরিপ্রতি আরও কিছুটা বাড়বে।

স্বর্ণের দাম এভাবে বাড়তে থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে বিয়ের মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ এই দাম বাড়ার ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য স্বর্ণ কেনা এখন এক প্রকার দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্যের ওঠানামা এবং দেশের বাজারে কাঁচামালের সংকটের কারণেই বারবার এই দাম সমন্বয় করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জুয়েলার্স মালিকরা। স্বর্ণের দামের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের বিনিয়োগ ও উৎসবের অর্থনীতিতে বড় ধরণের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

/আশিক


আজকের টাকার রেট কত? দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১১:০৩:০০
আজকের টাকার রেট কত? দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং দেশের প্রায় কোটি মানুষ প্রবাসে কর্মরত আছেন। বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা এই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের পাঠানো কষ্টার্জিত অর্থেই সচল রয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসীদের লেনদেন এবং ব্যবসায়ীদের আমদান-রপ্তানি সুবিধার কথা বিবেচনা করে প্রতিদিনের মতো আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুসারে, আজ দেশের মুদ্রা বাজারে প্রতি মার্কিন ডলার কেনার দাম ধরা হচ্ছে ১২২ টাকা ৩০ পয়সা এবং বিক্রির দামও ১২২ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ আজ ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর ক্ষেত্রে আজ মুদ্রা বাজারে কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে। ইউরো কেনার ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪৪ টাকা ০৬ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে এর দাম ধরা হয়েছে ১৪৪ টাকা ১০ পয়সা (বাংলাদেশ ব্যাংক অনুযায়ী শুরুতে ১৪৫ টাকা ১০ পয়সা উল্লেখ থাকলেও তালিকায় ১৪৪ টাকা ১০ পয়সা দেওয়া হয়েছে)।

অন্যদিকে ব্রিটিশ পাউন্ডের বিনিময় হার আজ বেশ শক্তিশালী; যা কেনার দাম ১৬৪ টাকা ৮৮ পয়সা এবং বিক্রির দাম ১৬৪ টাকা ৯২ পয়সা।

এছাড়া এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মুদ্রার মধ্যে জাপানি ইয়েন কেনা ও বেচা উভয় ক্ষেত্রেই ০.৮০ টাকা দরে স্থির রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ান ডলার আজ ৮৬ টাকা ৬২ পয়সা দরে কেনা এবং ৮৬ টাকা ৬৩ পয়সা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সিঙ্গাপুর ডলারের বিনিময় হার আজ কেনার ক্ষেত্রে ৯৬ টাকা ৪৯ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে ৯৬ টাকা ৫৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কানাডিয়ান ডলার আজ কেনা হচ্ছে ৮৯ টাকা ৩৬ পয়সা দরে এবং বিক্রি হচ্ছে ৮৯ টাকা ৪১ পয়সা দরে।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের মুদ্রা রুপির বিনিময় হার আজ কেনার ক্ষেত্রে ১ টাকা ৩৪ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে ১ টাকা ৩৫ পয়সা।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার আজ কেনার ক্ষেত্রে ৩২ টাকা ৫৮ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে ৩২ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, আন্তর্জাতিক বাজার ও ব্যাংক ভেদে এই মুদ্রার বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে।

/আশিক


লেবুর বাজারে স্বস্তির হাওয়া: হালিপ্রতি দাম কমল প্রায় অর্ধেক

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১০:৫৮:৫৬
লেবুর বাজারে স্বস্তির হাওয়া: হালিপ্রতি দাম কমল প্রায় অর্ধেক
ছবি : সংগৃহীত

রোজা শুরুর আগে থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকা লেবুর দাম অবশেষে রাজধানী ঢাকার বাজারে কমতে শুরু করেছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে খুচরা পর্যায়ে প্রতি হালি মাঝারি আকারের লেবু ৬০ থেকে ৭০ টাকায় কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। অথচ মাত্র দুই দিন আগেই এই একই মানের লেবুর দর ১০০ টাকার উপরে ছিল। আকারে ছোট লেবুর হালি বর্তমানে কেনাবেচা হচ্ছে ৪০ টাকায়। কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এলাকাভেদে ছোট লেবুর হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে। মূলত সরবরাহ সংকট ও ক্রেতাদের মাত্রাতিরিক্ত চাহিদার কারণে মাঝে অস্বাভাবিক হারে দাম বেড়েছিল বলে জানান ব্যবসায়ীরা। এখন দর বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে সরবরাহ যেমন বেড়েছে, তেমনি মানুষের অস্বাভাবিক চাহিদাও কিছুটা কমেছে, যার ফলে দাম নিম্নমুখী হতে শুরু করেছে।

গত এক সপ্তাহ রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ইফতারের তেষ্টা মেটাতে লেবুর শরবতের চাহিদাকে কেন্দ্র করে লেবুর দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। রোজা শুরুর কয়েক দিন আগেই অনেক ক্রেতা এক থেকে দুই ডজন বা তার বেশি লেবু কিনে মজুত করেছিলেন। তবে এই পরিস্থিতির জন্য আড়তদার ও ফড়িয়াদের কৃত্রিম সংকট তৈরিকে দায়ী করেছেন সাধারণ ক্রেতারা।

লেবুর বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারিও ঢাকার বাজারে মাঝারি প্রতি হালি লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকায় কেনাবেচা হয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে দাম বাড়তে বাড়তে রোজা শুরুর আগের দিন অর্থাৎ গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বাজার রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তখন মাঝারি আকারের প্রতি হালি লেবু ১১০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়, যা প্রতি পিসের হিসেবে দাঁড়ায় ২৮ থেকে ৩০ টাকা। প্রায় এক সপ্তাহ এই চড়া দাম স্থির ছিল।

কারওয়ান বাজারে দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে লেবুর পাইকারি ব্যবসা করা জাহাঙ্গীর আলম সমকালকে জানান, রোজায় ভালো দাম পাওয়ার আশায় চাষিরা আগে থেকেই গাছ থেকে লেবু সংগ্রহ বন্ধ রেখেছিলেন, যা সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছিল। নাখালপাড়া এলাকার খুচরা ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান জানান, পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় তাদেরও বেশি দরে বিক্রি করতে হয়েছে।

তবে আলম মিয়া নামের আরেক ব্যবসায়ী ভিন্ন মত পোষণ করে বলেন, যারা গত এক সপ্তাহে কয়েক ডজন লেবু কিনেছেন, তাদের হাতে এখনও লেবু আছে, তাই নতুন করে চাহিদা কমেছে। তিনি মনে করেন, কেবল ব্যবসায়ীদের দোষ না দিয়ে ক্রেতাদেরও সচেতন হওয়া উচিত; কারণ তারা যখন একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ পণ্য কেনেন, তখন অসাধু ব্যবসায়ীরা সেই সুযোগটি নেওয়ার চেষ্টা করে।

গতকাল শনিবারের বাজারে লেবুর পর্যাপ্ত সরবরাহ দেখা গেছে এবং মাঝারি আকারের লেবুর হালি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা গত তিন-চার দিনের তুলনায় প্রায় অর্ধেক। ছোট আকারের লেবুর হালি বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়, যা মূলত দুই সপ্তাহ আগের দামের কাছাকাছি ফিরে এসেছে।

লেবুর এই দামের ওঠা-নামা নিয়ে কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান সমকালকে জানান, দাম বাড়বে বা সংকট তৈরি হবে—এমন আতঙ্ক থেকেই ভোক্তারা যখন বেশি পণ্য কেনেন, তখন বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়। তিনি ভোক্তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কেনাকাটা করার পরামর্শ দেন, যাতে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকে এবং অযথা মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ কমে যায়।

/আশিক


আবারও বাড়ল স্বর্ণ-রুপার দাম: নতুন দরে নাকাল সাধারণ ক্রেতারা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ০৯:৫২:১৪
আবারও বাড়ল স্বর্ণ-রুপার দাম: নতুন দরে নাকাল সাধারণ ক্রেতারা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে মূল্যবান ধাতুর বাজার। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) থেকে সারা দেশে নতুন এই দামে বিক্রি হচ্ছে অলঙ্কার তৈরির প্রধান এই দুই ধাতু। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম, যা ওইদিন সকাল সোয়া ১০টা থেকেই কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে এখন থেকে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। যা দেশের ইতিহাসের অন্যতম সর্বোচ্চ দাম। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। স্বর্ণের এই মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে, তবে গহনার ডিজাইনভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে। এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারিও স্বর্ণের দাম একই পরিমাণ বাড়িয়েছিল বাজুস। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশে ৩১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৯ দফাই দাম বাড়ানো হয়েছে।

স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রুপার দামও। শনিবার দেওয়া নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, রুপার দাম ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৮২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম ১৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১১ বারই দাম বেড়েছে। গত ২০২৫ সালেও স্বর্ণ ও রুপার দামের এমন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল, যেখানে স্বর্ণের দাম ৬৪ বার এবং রুপার দাম ১০ বার বাড়ানো হয়েছিল। আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় চাহিদার কারণে মূল্যবান এই ধাতুগুলোর দাম ক্রমাগত সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

/আশিক


টানা পতনের পর স্বর্ণে বড় উত্থান, দাম আকাশচুম্বী

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ১৩:৪৭:১৬
টানা পতনের পর স্বর্ণে বড় উত্থান, দাম আকাশচুম্বী
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিক প্রভাব এবার স্পষ্টভাবে পড়েছে দেশের স্বর্ণ ও রুপার বাজারে। টানা দুই দফা মূল্যহ্রাসের পর এবার হঠাৎ করেই প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এর ফলে প্রথমবারের মতো উন্নত মানের স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকার সীমা অতিক্রম করল, যা বাজারে নতুন রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন সংক্ষেপে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংশোধিত মূল্যতালিকা প্রকাশ করে। সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে সারাদেশে এই নতুন দর কার্যকর হয়েছে বলে জানানো হয়।

নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি বা ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা খাঁটি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সমন্বয় করা হয়েছে।

স্বর্ণের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রুপার দামও বেড়েছে। প্রতি ভরিতে ৩৫০ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেট রুপার নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা, যা একই সময় থেকে কার্যকর হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন। এর পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে সরবরাহ সংকট ও আমদানি ব্যয়ের চাপও দামের ঊর্ধ্বগতিতে ভূমিকা রাখছে।

বর্তমানে বিয়ের মৌসুম চলমান থাকায় গহনার চাহিদা তুলনামূলক বেশি। এমন প্রেক্ষাপটে দাম বৃদ্ধি সাধারণ ক্রেতা, বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হলে সামনে আরও সমন্বয়ের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

-রফিক


আজকের টাকার রেট কত? দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ১০:৫৩:৫৭
আজকের টাকার রেট কত? দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হচ্ছে। দেশের কোটি মানুষ আছেন প্রবাসে। বিশ্বে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থে সচল রয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে আজকের (২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) মুদ্রার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, দেশের মুদ্রা বাজারে ডলার কেনার দাম ধরা হচ্ছে ১২২.৩০ টাকা। বিক্রির দাম ১২২.৩০ টাকা। গড় বিনিময় হার ১২২.৩০ টাকা।

ইউরো কেনার ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪৪ টাকা ৯৬ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪৫ টাকা ০১ পয়সা। মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে। (১৯ ফেব্রুয়ারি সমন্বয়কৃত দাম অনুসারে)*

আজকের বাজার দর অনুযায়ী, ইউএস ডলার কেনা হচ্ছে ১২২.৩০ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ১২২.৩০ টাকায়।

পাউন্ড কেনার রেট ১৬৫.৯২ টাকা এবং বিক্রির রেট ১৬৫.৯৮ টাকা।

ইউরো কেনা হচ্ছে ১৪৪.৯৬ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ১৪৫.০১ টাকায়।

জাপানি ইয়েন কেনা ও বিক্রি উভয়ই হচ্ছে ০.৮০ টাকায়।

অস্ট্রেলিয়ান ডলার কেনা হচ্ছে ৮৬.৬৩ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৮৬.৬৮ টাকায়।

সিঙ্গাপুর ডলার কেনা হচ্ছে ৯৬.৮৯ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৯৬.৮৮ টাকায়।

কানাডিয়ান ডলার কেনা হচ্ছে ৮৯.৬৮ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৮৯.৬৯ টাকায়।

ইন্ডিয়ান রুপি কেনা ও বিক্রি উভয়ই হচ্ছে ১.৩৫ টাকায় এবং সৌদি রিয়েল কেনা হচ্ছে ৩২.৬১ টাকায় ও বিক্রি হচ্ছে ৩২.৫০ টাকায়।

/আশিক


আজকের বাজারে স্বর্ণের দর কত? জেনে নিন বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ০৯:১৭:৪৯
আজকের বাজারে স্বর্ণের দর কত? জেনে নিন বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে। ওইদিন ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে নতুন দামে ২২ ক্যারেট সোনার মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা। নতুন এই দাম ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকেই সারা দেশে কার্যকর হয়েছে। আজ শনিবারও (২১ ফেব্রুয়ারি) দেশের বাজারে একই দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম কমায় স্বর্ণের দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, এখন থেকে ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৭৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭১ হাজার ১১১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, স্বর্ণের এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির হারে ভিন্নতা হতে পারে। এদিকে, স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

/আশিক


আবারও স্বর্ণের বাজারে  বড় উত্থান

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২০ ১৬:৫২:৫৮
আবারও স্বর্ণের বাজারে  বড় উত্থান
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণে ঝুঁকছেন বলে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা Reuters জানিয়েছে।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার বিকাল ৩টা ৪১ মিনিটে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ৩২ দশমিক ৪৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারস ১ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৫২ দশমিক ৭০ ডলারে লেনদেন হয়েছে। ফিউচারস বাজারে তুলনামূলক বেশি উত্থান বিনিয়োগকারীদের আগাম প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বৈশ্বিক আর্থিক বাজারের অস্থিরতা বিনিয়োগকারীদের ‘সেফ হ্যাভেন’ সম্পদে বিনিয়োগে উৎসাহিত করছে। ঐতিহাসিকভাবে সংকটকালীন সময়ে স্বর্ণের চাহিদা বৃদ্ধি পায়, যা মূল্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

বিনিয়োগ ব্যাংক Goldman Sachs জানিয়েছে, তাদের মৌলিক পূর্বাভাস অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ ক্রয় কার্যক্রম পুনরায় জোরদার হলে এবং যুক্তরাষ্ট্রে সম্ভাব্য সুদহার হ্রাসের পরিবেশে বিনিয়োগকারীরা বিকল্প সম্পদে ঝুঁকলে চলতি বছরে স্বর্ণের দাম ধীরে ধীরে আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে সুদহার কমার প্রত্যাশা ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি করলে স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ বাড়ে।

বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক অস্থিরতার পাশাপাশি বৈশ্বিক মুদ্রানীতি, ডলার সূচকের গতিপ্রকৃতি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা স্বর্ণবাজারে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে। বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে স্বর্ণের দামে আরও ঊর্ধ্বগতি দেখা যেতে পারে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: