কোনো ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলবে না: নাছির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২২ ২১:১৪:১৮
কোনো ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলবে না: নাছির
ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চিরতরে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন যে, বাংলাদেশের কোনো ক্যাম্পাসে ভবিষ্যতে কোনো লুকোচুরি বা গোপন রাজনীতি থাকতে পারবে না; রাজনীতি করতে হলে তা অবশ্যই প্রকাশ্যে করতে হবে।

বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট মোড়ে এক বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজের ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মিছিলটি নগরের পুরোনো রেলস্টেশন মাঠ থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিউমার্কেট মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। নাছির উদ্দীন সমাবেশে বলেন, ছাত্রদল অতীতে ক্যাম্পাসে জুলুমের শিকার হলেও কোনো প্রতিহিংসায় বিশ্বাস করে না। তবে সিটি কলেজের মতো হামলার পুনরাবৃত্তি হলে ছাত্রদল দেশের কোনো ক্যাম্পাসে চুপচাপ বসে থাকবে না।

শিবিরের সমালোচনা করে ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক বলেন, ছাত্রদল শিবিরের রাজনীতিকে ‘গুপ্ত’ বলার কারণে যদি তারা হামলা চালায়, তবে আগামীতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেয়ালে হাজারবার তাদের ‘গুপ্ত’ বলেই ডাকা হবে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, গ্রাফিতি বা দেয়াল লিখনে মতের ভিন্নতা থাকলে পাল্টা গ্রাফিতি আঁকা যেত, কিন্তু তা না করে সন্ত্রাসবাদ উসকে দেওয়া হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে তারা ক্যাম্পাসে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে প্রস্তুত নয়।

নাছির উদ্দীন আরও অভিযোগ করেন, হামলা চালিয়ে উল্টো ছাত্রদলের ওপর দোষ চাপানো এবং ‘ভিকটিম কার্ড’ খেলা শিবিরের একটি চরিত্রে পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, মহানগর এবং উত্তর ও দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

/আশিক


মনুষ্যত্ব এখন টাকার কাছে বিক্রি হচ্ছে: রাশেদ খাঁন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৬ ১৮:২০:২৮
মনুষ্যত্ব এখন টাকার কাছে বিক্রি হচ্ছে: রাশেদ খাঁন
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণকে কেন্দ্র করে বিরিয়ানি ও উপহারের বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের বিবেক কেনা হচ্ছে এবং মনুষ্যত্ব এখন টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতা ও ডাকসুর সাবেক ছাত্রনেতা রাশেদ খাঁন। আজ শনিবার (৬ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্ররাজনীতি ও একদল শিক্ষার্থীর আচরণ নিয়ে এই মন্তব্য করেন।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, “শিবির যেভাবে নবীনবরণে খাওয়াচ্ছে, আগামীর ডাকসু শিবিরের! ঠিক এভাবেই বলছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থী! আরও যারা বক্তব্য দিয়েছে, ঠিক একই রকম কথা। তারমানে বিরিয়ানির বিনিময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি অংশের বিবেক কেনা যাচ্ছে! সত্যিই অবাক হয়েছি।”

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও লেখেন, “আমাদের সময়ও এত থার্ডক্লাশ মনুষ্যত্ব শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখি নাই। মনুষ্যত্ব এখন টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে! ঠিক গত ডাকসু নির্বাচনেও ওয়েলফেয়ার ম্যাকানিজমের নামে টাকা বিতরণ করে ও বিরিয়ানি খাওয়ায়ে শিক্ষার্থীদের একটি অংশের বিবেক কিনেছে শিবির! এ জন্যই ডাকসুর অতীত ঐতিহ্য ও গুরুত্ব আর নাই!” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে নিজেকে লজ্জিত ও ব্যথিত দাবি করে তিনি বলেন, যতদিন না বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্র হবে, ততদিন সামান্য টাকা ও বিরিয়ানি দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিবেক কেনাবেচা বন্ধ হবে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালী অতীতের কথা স্মরণ করে এই ছাত্রনেতা লেখেন, একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় মাহমুদুর রহমান মান্না ভাইয়ের বক্তব্য শোনার জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ক্লাসরুম ছেড়ে বারান্দায় এসে দাঁড়িয়ে থাকত, আর এখন শিক্ষার্থীরা অপেক্ষা করে কোন সংগঠন নবীনবরণে সামান্য উপহার আর বিরিয়ানি খাওয়াবে।

ববি হাজ্জাজের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘কোচিং সেন্টার’ বলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি লেখেন, “আজকাল মনুষ্যত্ব চর্চার থেকে মনুষ্যত্ব বিক্রি বেশি হয়! এর হাত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে রক্ষার জন্য মনুষ্যত্বসম্পন্ন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সক্রিয় হতে হবে।” পরিশেষে, ছাত্রশিবির কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে তাদের দলীয় কোচিং সেন্টারের মতো বানানোর অপচেষ্টা এবং নষ্ট ও বিবেক কেনার রাজনীতি থেকে ঢাবিকে বাঁচাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান রাশেদ খাঁন।

/আশিক


আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে যেখানে গিয়েছিল, বিএনপি ৩ মাসেই সেখানে গেছে: আসিফ মাহমুদ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৬ ১৭:২৩:১৫
আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে যেখানে গিয়েছিল, বিএনপি ৩ মাসেই সেখানে গেছে: আসিফ মাহমুদ
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপি সরকার মাত্র তিন মাসের মাথায় এসে দেশের শাসন পরিচালনায় চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে এবং ইতোমধ্যে একটি অজনপ্রিয় সরকারে পরিণত হয়েছে বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি মন্তব্য করেছেন, “প্রশাসন পরিচালনা এবং গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ব্যর্থতাসহ সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে বিএনপি জনগণের আস্থা হারিয়েছে।

অতীতে আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে যে অবস্থায় পৌঁছেছিল, বিএনপি সরকার মাত্র তিন মাসেই সেই একই অবস্থানে পৌঁছে গেছে।” আজ শনিবার (৬ জুন) দুপুরে কুমিল্লার একটি পার্টি সেন্টারে আয়োজিত এক রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কড়া সমালোচনা করেন।

আসিফ মাহমুদ তাঁর বক্তব্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বিদ্যুৎ খাতের অব্যবস্থাপনা তুলে ধরে বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে ‘মব জাস্টিস’ বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া বন্ধের বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে দেশজুড়ে মব জাস্টিসের ঘটনা আরও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সরকারদলীয় লোকজনের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা দেখা যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে বিএনপি বরাবরই অত্যন্ত দুর্বল পারফরম্যান্স করে। সরকার শুরুতে ঘোষণা দিয়েছিল যে আগামী দুই বছর বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না, অথচ মাত্র দুই মাসের মধ্যেই বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন জ্বালানির দাম দফায় দফায় বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এর সরাসরি প্রভাবে দেশের জ্বালানিনির্ভর বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। আসিফ মাহমুদের দাবি, শেখ হাসিনা সরকারের দীর্ঘ ১৭ বছরের আমলে যে পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল, বর্তমান সরকার মাত্র তিন মাসেই সেই পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধি ঘটিয়ে সফল হয়েছে, যার চূড়ান্ত খেসারত ও ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে দেশের সাধারণ মানুষকে। উক্ত অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আসা শতাধিক নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগদান করেন এবং তাদেরকে ফুলের মালা পরিয়ে দলে বরণ করে নেন আসিফ মাহমুদ।

/আশিক


হাদি হত্যা মামলার বাদী জাবের কেন? প্রশ্ন তুললেন বোন মাসুমা হাদি

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৫ ১৭:১৬:০৭
হাদি হত্যা মামলার বাদী জাবের কেন? প্রশ্ন তুললেন বোন মাসুমা হাদি

শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী হিসেবে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন নিহতের বোন মাসুমা হাদি। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে ‘মিথ্যাচার’ ও ‘নোংরা প্রচারণা’ চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

শুক্রবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি পুরো ঘটনার পটভূমি তুলে ধরেন এবং মামলার বাদী নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

মাসুমা হাদি লিখেছেন, ভাইয়ের হত্যা মামলার বাদী প্রসঙ্গে এতদিন তিনি কোনো কথা বলতে চাননি। কারণ, পরিবারের বিরুদ্ধে আরও বড় ষড়যন্ত্র হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে গত দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মামলার বাদী হওয়া নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য ও বিতর্ক তৈরি হওয়ায় তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করার প্রয়োজন অনুভব করেছেন।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর হাসপাতালেই ছিলেন

স্ট্যাটাসে ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার দিনের ঘটনাও তুলে ধরেন মাসুমা হাদি। তিনি জানান, ভাই গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়ার পরই তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছান।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে পৌঁছানোর পর থেকে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ভাইকে ছেড়ে কোথাও যাননি। এমনকি হাসপাতালের নিচতলাতেও নামেননি।

‘আমি উপস্থিত থাকাকালে জাবেরের স্বাক্ষর নেওয়া হলো কেন?’

মাসুমা হাদি প্রশ্ন তুলে বলেন, তিনি হাসপাতালে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের লোকজন কেন আব্দুল্লাহ আল জাবেরের কাছ থেকে মামলার কাগজে স্বাক্ষর নিলেন, সেটির ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

তার দাবি, এ বিষয়ে তিনি একাধিকবার প্রশ্ন করেছেন। তাকে জানানো হয়েছিল যে, ওসমান হাদির ভাই ওমর ফারুকের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি তখন চিকিৎসা নিয়েই ব্যস্ত থাকার কথা বলেন এবং পরে আইনি বিষয় দেখার কথা উল্লেখ করেন।

মাসুমা হাদি বলেন, “ওই সময় ওমরের মানসিক অবস্থা কী ছিল, তা সবাই অনুভব করতে পারবেন। একই রিকশায় থাকা দুই ভাইয়ের একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। আরেকটি গুলি বের হলে ওমরও হয়তো একই পরিণতির শিকার হতেন।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার পর ওমরের পোশাক, হাতের ঘড়ি এমনকি শরীরেও ওসমান হাদির রক্তের দাগ লেগে ছিল।

‘কার অনুমতিতে জাবের বাদী হলেন?’

মামলার বাদী নির্ধারণের বিষয়ে মাসুমা হাদি বলেন, “জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তাহলে হয়তো কোনো প্রশ্নই থাকত না। কিন্তু ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে, সেটা যারা তাকে চিনেন সবাই জানেন।”

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, পরিবারের সঙ্গে আলোচনা না করে কিংবা তার অনুমতি ছাড়া কীভাবে জাবের মামলার বাদী হলেন, সেটি পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

ওমরকে ঘিরে সমালোচনারও জবাব

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওসমান হাদির ভাই ওমর ফারুককে ঘিরে কিছু সমালোচনারও জবাব দেন মাসুমা হাদি।

তিনি জানান, ওমর যে ঘড়ি, ব্লেজার বা মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, সেগুলো বহু বছর আগে কেনা। সাম্প্রতিক সময়ে অর্জিত কোনো বিলাসী সম্পদ নয়। এ নিয়ে ‘না জেনে নোংরামি না করার’ আহ্বান জানান তিনি।

চিকিৎসার উদ্যোগ প্রথমে নিয়েছিলেন ওমর

ওসমান হাদির চিকিৎসা নিয়েও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন মাসুমা হাদি। তার দাবি, এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চাইলেও পরিবার তখন তা গ্রহণ করেনি। প্রথম উদ্যোগটি নিয়েছিলেন ওমর ফারুক নিজেই।

মাসুমা হাদির ভাষ্যমতে, ওমর প্রথমে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠান। সেখান থেকে সাড়া না পাওয়ার পর থাইল্যান্ডে যোগাযোগ করেন এবং নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে চিকিৎসা ও যাতায়াতের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেন।

পরবর্তীতে সরকার বিষয়টি জানার পর চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং দ্বিতীয় দফায় সিঙ্গাপুরে কাগজপত্র পাঠালে সেখানকার হাসপাতাল রোগী গ্রহণে সম্মত হয়।

‘সম্মান করতে না পারলেও অসম্মান করবেন না’

দীর্ঘ পোস্টের শেষ অংশে মাসুমা হাদি বলেন, ভাইকে হারানোর শোক নিয়েই তিনি এতদিন নীরব ছিলেন। কিন্তু পরিবারের বিরুদ্ধে চলমান নানা অভিযোগ ও সমালোচনার কারণে এবার মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছেন।

তিনি বলেন, “একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকেও সম্মান করতে হবে। সম্মান করতে না পারলেও অন্তত কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কারও নেই।”

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী নির্ধারণ এবং ঘটনার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া নিয়েও নতুন প্রশ্ন সামনে এসেছে।


এমপি হতে আওয়ামী লীগের সুবিধা নেন হান্নান মাসুদ: রাশেদ খান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৪ ২১:৫৫:১৬
এমপি হতে আওয়ামী লীগের সুবিধা নেন হান্নান মাসুদ: রাশেদ খান
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক এবং নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসুদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সুবিধা নিয়ে এমপি হওয়ার গুরুতর ও বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, ক্ষমতার লোভে কারা শহীদের রক্ত মাড়িয়ে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল।

রাশেদ খান তাঁর ফেসবুক পোস্টে সুনির্দিষ্ট তারিখ ও স্থান উল্লেখ করে দাবি করেন, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মাত্র দুই দিন পর, অর্থাৎ ৭ আগস্ট থেকেই আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে গোপন বৈঠক শুরু করেন সাবেক সমন্বয়ক হান্নান মাসুদ। পোস্টে বলা হয়, ৭ আগস্ট আনুমানিক রাত সাড়ে আটটায় বেইলি রোডের একটি কেএফসি আউটলেটে হাতিয়া অঞ্চলের আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে তাঁর প্রথম বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে জাহাজমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন ও তাঁর ভাতিজা রাজুসহ বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, বেইলি রোডের পর গত ১২ ও ১৫ আগস্ট রাজধানীর বাংলামোটরের ‘ওয়াটারফল রেস্টুরেন্ট’-এ দ্বিতীয় দফায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২২ আগস্ট ‘হোটেল ফার্স’-এ আরেকটি বৈঠক হয়, যার একটি ছবিও তিনি প্রকাশ করেছেন। রাশেদ খানের বিবরণ অনুযায়ী, ওই ছবিতে উপস্থিত ছিলেন চরঈশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম আজাদ ওরফে পিচ্চি আজাদ, সোনাদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম মালয়েশিয়া, নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেরাজ উদ্দিন, তমরদ্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলাউদ্দিন বাবু এবং যুবলীগ নেতা মাহতাব উদ্দিন রতনসহ স্থানীয় একাধিক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান স্পষ্ট করে বলেন, এসব গোপন বৈঠকের মূল এজেন্ডা বা আলোচ্য বিষয়ই ছিল—কীভাবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সমর্থন ও সমঝোতা নিশ্চিত করে হান্নান মাসুদ হাতিয়ার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন। অর্থাৎ, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্ত শুকানোর আগেই তিনি নিজের আখের গোছাতে আওয়ামী লীগের সাথে এই লিয়াজোঁর বন্দোবস্ত করেছিলেন। পোস্টের শেষাংশে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে রাশেদ খান বলেন, “এবার আমাকে কন—কারা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য শহীদের রক্ত মাড়িয়ে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন শুরু করে?” এই বিস্ফোরক পোস্টের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

/আশিক


আওয়ামী লীগের ফাঁদে পা দিয়ে তাদের ফেরানোর পাঁয়তারা করছে সরকার: আসিফ মাহমুদ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৪ ২১:৫০:৪৭
আওয়ামী লীগের ফাঁদে পা দিয়ে তাদের ফেরানোর পাঁয়তারা করছে সরকার: আসিফ মাহমুদ
ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে ‘জাতীয় বাজেটে তারুণ্যের অংশীদারিত্ব: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তাঁরা সরকারের সাম্প্রতিক বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন।

সভায় আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, “সরকার প্রিপেইড মিটারের চার্জ কমানোর নামে আসলে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং এর মাধ্যমে দেশকে আরও বেশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।” দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “দেশ মারাত্মকভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির দিকে ধাবিত হচ্ছে।” এর পাশাপাশি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অনলাইন বেটিং (জুয়া) সংক্রান্ত নতুন আইন নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেন এনসিপির এই মুখপাত্র।

একই সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “জাতীয় বাজেটে যদি তরুণদের প্রকৃত অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা না যায়, তবে এই সরকারের পরিণতিও আওয়ামী লীগের মতোই হবে।” সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বলে আখ্যা দেন তিনি।

আলোচনা সভায় এনসিপি নেতারা অভিযোগ করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এক প্রকার আওয়ামী লীগের পাতা ফাঁদে পা দিচ্ছে এবং তাদের পুনর্বাসন বা ফিরিয়ে আনার পাঁয়তারা করছে। সভা শেষে সরকারের এসব নীতির প্রতিবাদে এবং বিভিন্ন দাবিতে এনসিপি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মশাল মিছিল বের করে দলটির নেতাকর্মীরা।

/আশিক


বিএনপির পক্ষ থেকে যুবদলের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৪ ১২:২১:৫২
বিএনপির পক্ষ থেকে যুবদলের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। এতে আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত ও প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটি গঠনের তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।

অনুমোদিত এই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ৩০ জন সহ-সভাপতি, ৩০ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২৩ জন সহ-সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন। এছাড়া কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মো. কামরুজ্জামান জুয়েল এবং প্রচার সম্পাদক হিসেবে আল মেহেদী তালুকদার দায়িত্ব পেয়েছেন। দপ্তরের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়াকে।

১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তালিকা তুলে ধরা হলো

সভাপতি ও সহ-সভাপতিবৃন্দ

১. সভাপতি: আবদুল মোনায়েম মুন্না

২. সিনিয়র সহ-সভাপতি: রেজাউল কবীর পল

৩. সহ-সভাপতি: জিয়াউর রহমান জিয়া

৪. সহ-সভাপতি: কামাল আনোয়ার আহাম্মদ

৫. সহ-সভাপতি: মাহফুজুর রহমান মাহফুজ

৬. সহ-সভাপতি: জাহাঙ্গীর আলম দুলাল

৭. সহ-সভাপতি: শাহ আলম চৌধুরী

৮. সহ-সভাপতি: সাইদুর রহমান

৯. সহ-সভাপতি: সাব্বির আহমেদ দিপু

১০. সহ-সভাপতি: আবদুল জব্বার খান

১১. সহ-সভাপতি: খন্দকার এনামুল হক এনাম

১২. সহ-সভাপতি: শরীফ উদ্দীন জুয়েল

১৩. সহ-সভাপতি: ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ

১৪. সহ-সভাপতি: রফিক আহমেদ ডলার

১৫. সহ-সভাপতি: সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু

১৬. সহ-সভাপতি: মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ

১৭. সহ-সভাপতি: মাহমুদুস সালেহীন

১৮. সহ-সভাপতি: আতিকুর রহমান আতিক

১৯. সহ-সভাপতি: জাকির হোসেন উজ্জল

২০. সহ-সভাপতি: এইচ এম তসলিম উদ্দিন

২১. সহ-সভাপতি: নাজমুল আলম নাজু

২২. সহ-সভাপতি: মো. আনোয়ারুল হক

২৩. সহ-সভাপতি: আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র)

২৪. সহ-সভাপতি: রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য)

২৫. সহ-সভাপতি: ফেরদৌস আহমেদ মুন্না

২৬. সহ-সভাপতি: তরিকুল ইসলাম টিটু

২৭. সহ-সভাপতি: ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম

২৮. সহ-সভাপতি: মঞ্জুরুল আজিম সুমন

২৯. সহ-সভাপতি: আজিজুর রহমান আকন্দ

৩০. সহ-সভাপতি: নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)

সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ

৩১. সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন

৩২. ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: বিল্লাল হোসেন তারেক

৩৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: ্মোহাম্মদ কামরুজ্জামান

৩৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মনিরুল ইসলাম সোহাগ

৩৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আবু আতিক আল হাসান মিন্টু

৩৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শাহ নাসির উদ্দিন রুমন

৩৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: কফিল উদ্দিন ভূইয়া

৩৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মঈনুদ্দীন রুবেল

৩৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আজহারুল ইসলাম মিলন

৪০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: এজমল হোসেন পাইলট

৪১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: ইখতিয়ার রহমান কবির

৪২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: রবিউল ইসলাম নয়ন

৪৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: সাজ্জাদুল মিরাজ

৪৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মিঞা মোহাম্মদ রাসেল

৪৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আবদুল করিম সরকার

৪৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শফিকুল ইসলাম shafik

৪৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা

৪৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আবুল মনসুর খান দীপক

৪৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: খন্দকার আল আশরাফ মামুন

৫০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আইয়ুব খান

৫১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শামসুজ্জোহা সুমন

৫২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: তারেক উজ জামান তারেক

৫৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শোয়াইব খন্দকার

৫৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আশরাফুর রহমান বাবু

৫৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আসাদুজ্জামান আসাদ

৫৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মো. আবদুল ওয়াহাব

৫৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব)

৫৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: এম তমাল আহমেদ

৫৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: সাজেদুল ইসলাম

৬০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে)

সহ-সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ

৬১. সহ-সাধারণ সম্পাদক: হাসান আল মামুন লিমন

৬২. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মাসুদ খান পারভেজ

৬৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক: এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল

৬৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ

৬৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক: গিয়াসউদ্দিন মামুন

৬৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মামুন হোসেন ভূইয়া

৬৭. সহ-সাধারণ সম্পাদক: রাহাদুল আলম khan

৬৮. সহ-সাধারণ সম্পাদক: রুহুল ইসলাম মনি

৬৯. সহ-সাধারণ সম্পাদক: জাহিদ হাসান

৭০. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আবু বকর সিদ্দিক পাভেল

৭১. সহ-সাধারণ সম্পাদক: খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন

৭২. সহ-সাধারণ সম্পাদক: সাখাওয়াত হোসেন চয়ন

৭৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মাহবুবুর রহমান পলাশ

৭৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আরিফুল হক আরিফ

৭৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক: প্রকৌ: কামরুল হাসান khan সাইফুল

৭৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মাহবুবুর রহমান

৭৭. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আলমগীর কবির সেলিম

৭৮. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ

৭৯. সহ-সাধারণ সম্পাদক: এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল

৮০. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মো. মাসুদুল হক

৮১. সহ-সাধারণ সম্পাদক: সাহাবুদ্দিন মুন্না

৮২. সহ-সাধারণ সম্পাদক: সামসুল আলম রানা

৮৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আবুল বাসার সিদ্দিকী

সাংগঠনিক ও অন্যান্য সম্পাদকীয় পদসমূহ

৮৪. সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. কামরুজ্জামান জুয়েল

৮৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: এম এ গাফফার

৮৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: আশরাফ ফারুকী হীরা

৮৭. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মিজানুর রহমান সুমন

৮৮. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: হাবিবুর রহমান হাবিব

৮৯. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: সোহেল আলম

৯০. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন

৯১. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: সাইদুর রহমান শামীম

৯২. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: রবিউল ইসলাম রবি

৯৩. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: আরিফুর রহমান সোহেল

৯৪. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মাইনুল ইসলাম

৯৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: খন্দকার রিয়াজ

৯৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. রাশেদুল ইসলাম রিপন

৯৭. প্রচার সম্পাদক: আল মেহেদী তালুকদার

৯৮. সহ-প্রচার সম্পাদক: তারেকুর রহমান

৯৯. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক: আশরাফ জালাল খান মনন

১০০. সহ-সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক: সাইদুর রহমান সোহেল

১০১. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক: আমিনুর রহমান আমিন

১০২. কোষাধ্যক্ষ: রোকনুজ্জামান রোকন

বিষয়ক ও সহ-বিষয়ক সম্পাদকবৃন্দ

১০৩. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক

১০৪. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. ইউনুস আলী রবি

১০৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ

১০৬. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল

১০৭. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. গাজী মো. মাসকুরুল আলম সৌরভ

১০৮. কৃষি বিষয়ক সম্পাদক: কৃষিবিদ সানোয়ার আলম

১০৯. সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন

১১০. শ্রম বিষয়ক সম্পাদক: পার্থ দেব মন্ডল

১১১. শিল্প বিষয়ক সম্পাদক: কারীমুল হাই নাঈম

১১২. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক: সাজিদ হাসান বাবু

১১৩. ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক: আনোয়ার হোসেন জনি

১১৪. সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক: মো. মেজবাহউদ্দিন মেজু

১১৫. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক: মাজেদুল ইসলাম রুমন

১১৬. গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: মহিন উদ্দিন রাজু

১১৭. সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: সাইদুর রহমান রয়েল

১১৮. বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: মাহমুদুল হাসান বাপ্পী

১১৯. সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: খোরশেদ আলম

১২০. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক: মোস্তাফিজুর রহমান

১২১. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক: কামরুজ্জামান নান্নু

১২২. ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক: সৈয়দ মাহমুদ

১২৩. সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক: আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার

১২৪. সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক: খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী

১২৫. সহ-জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক: মো. বেলাল হোসেন

১২৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: কে এস এম মুসাব্বির শাফী

১২৭. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: ইমরান আহমেদ প্রিন্স

১২৮. মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক: শাহজাহান রনি

১২৯. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. গালিব হাসান

১৩০. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. বেলাল হোসেন নাজিম

১৩১. সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন

১৩২. সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল

১৩৩. সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক: মো. জাহিদ হাসান

১৩৪. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা): খায়রুজ্জামান লিঙ্কন

১৩৫. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): এ আর মামুন খান

১৩৬. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ

১৩৭. মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার

১৩৮. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক: আরাফাত বিল্লাহ খান

১৩৯. পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক: হেদায়েত হোসেন ভূইয়া

১৪০. সহ-পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক: রাশেদ আল আমিন শুভ

নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ

১৪১. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): আমিনুল ইসলাম khan

১৪২. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): মাহবুব শিকদার

১৪৩. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): মহসীন বিশ্বাস

১৪৪. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): জহিরুল ইসলাম বিপ্লব

১৪৫. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু

১৪৬. সদস্য: আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ

১৪৭. সদস্য: নাজিম উদ্দিন মিঠু

১৪৮. সদস্য: মাহমুদুল করিম সজল

১৪৯. সদস্য: সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন

১৫০. সদস্য: মো. এমরান হোসেন শাহীন

১৫১. সদস্য: ফখরুল বিন খালেক।

/আশিক


ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় সবার আগে আমি বুক পেতে দেবো: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ২১:৪৪:৩৬
ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় সবার আগে আমি বুক পেতে দেবো: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় প্রয়োজনে নিজে রাজপথে নেমে সবার আগে বুক পেতে দেওয়ার তীব্র প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (৩ জুন) রাতে জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

জামায়াত আমির তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, ইসলামী ব্যাংক কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, বরং এটি দেশের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের একটি প্রতিষ্ঠান। যারা এই ব্যাংকে নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ আমানত হিসেবে রেখেছেন, প্রকৃত অর্থে এটি তাদেরই ব্যাংক। তিনি আমানতকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে বলেন, ব্যাংকের গ্রাহক ও আমানতকারীদের ওপর যদি কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনা ঘটে বা গুলি চালানো হয়, তবে তিনি নিজে সবার আগে সামনে এসে বুক পেতে দেবেন এবং নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়ে গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। এই ব্যাংকটিকে দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকারের প্রতীক হিসেবেও তিনি উল্লেখ করেন।

বক্তব্যের শেষ অংশে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের একজন চিহ্নিত দোসরকে অন্যায্যভাবে ইসলামী ব্যাংকের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকের শীর্ষ পদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি তীব্র সমালোচনা করে বলেন, একজন কুখ্যাত ঋণখেলাপির স্বামী কোনোভাবেই ইসলামী ব্যাংকের মতো একটি মর্যাদাপূর্ণ ও জনগুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হতে পারেন না।

/আশিক


ভারত খুনি রাষ্ট্র, বিএসএফ খুনি বাহিনী, বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ১৮:১৬:৩৫
ভারত খুনি রাষ্ট্র, বিএসএফ খুনি বাহিনী, বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জানতে চেয়েছেন, অপরাধ বা হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর খুনিরা কীভাবে দেশের সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে যশোরের বেনাপোল সংলগ্ন সাদিপুর সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। মূলত সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক নাটকীয়তা কিংবা বিতর্কিত ‘জজ মিয়া’ নাটকের মতো তদন্ত পদ্ধতির তীব্র বিরোধিতা করে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান। তিনি প্রশাসনকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, অতীতে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডের বিচার যেভাবে বছরের পর বছর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার যেন কোনোভাবেই সেই পথে না হাঁটে এবং স্থবির হয়ে না পড়ে।

বেনাপোল সীমান্তে স্থানীয় শত শত সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই পরিদর্শনে এনসিপির এই শীর্ষ নেতা ভারতের সীমান্ত নীতি ও দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি ভারতকে ‘খুনি রাষ্ট্র’ এবং বিএসএফকে ‘খুনি বাহিনী’ হিসেবে সম্বোধন করে দীর্ঘদিন ধরে চলা সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের আন্তর্জাতিক ও আইনি বিচার দাবি করেন। একই সাথে গত ৩১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত বেনাপোলের বিপরীত পাশে অবস্থিত ভারতের হরিদাসপুর সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ কর্তৃক জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের (অনুপ্রবেশ) চেষ্টার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার করুণ চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, কর্মসংস্থানের চরম অভাব থাকায় এই এলাকার মানুষ জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। দেশের ভৌগোলিক ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) নতুন করে ঢেলে সাজানোর দাবি উত্থাপন করেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মতে, বিজিবিকে কেবল নামমাত্র হালকা অস্ত্রে সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের আধুনিক ও ভারী সামরিক সরঞ্জাম, পেট্রোলিং যান এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসহ বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করা উচিত।

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিগত দিনের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি স্পষ্ট করেন যে, কেউ অপরাধী হলেও তাকে কোনো ধরনের বিচার ছাড়া সীমান্তে গুলি করে হত্যা করা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের চরম লঙ্ঘন। সীমান্ত হত্যার প্রতিটি ঘটনার বিচার নিশ্চিতে ভারতকে আন্তর্জাতিক আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর জন্য তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান। সবশেষে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে হলেও দেশের এক ইঞ্চি ভূখণ্ড বা সার্বভৌমত্বের ওপর কোনো আঘাত মেনে নেওয়া হবে না।

/আশিক


আওয়ামী লীগ নেতাকে পালাতে ৪ কোটির চুক্তি! এমপি মাসউদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ১১:৫৯:২৬
আওয়ামী লীগ নেতাকে পালাতে ৪ কোটির চুক্তি! এমপি মাসউদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য
ছবি : সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শীর্ষ মুখ এবং বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ও বিস্ফোরক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। আজ বুধবার (৩ জুন) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি এবং বেপরোয়া আর্থিক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিরাপদ প্রস্থান সুবিধা দেওয়া এবং হাতিয়ার স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে কোটি কোটি টাকার গোপন চুক্তি ও অর্থ আত্মসাতের বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য তিনি এই পোস্টে ফাঁস করেছেন।

বিএনপি নেতা রাশেদ খানের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে থাকা দলটির একাধিক প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে হান্নান মাসউদের একাধিক গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকের সিংহভাগই হতো রাজধানীর পল্টন এলাকার একটি নির্দিষ্ট অভিজাত হোটেলে। এমন একটি বৈঠকের উদাহরণ টেনে রাশেদ খান লেখেন, এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগের একজন সাবেক সংসদ সদস্যকে দেশত্যাগে সহযোগিতা করতে এবং নিরাপদে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার বিনিময়ে ৪ কোটি টাকার একটি বিশাল অঙ্কের সমঝোতার আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষ করে এসে হান্নান মাসউদ তাঁর বিশ্বস্ত সহযোগী আব্দুল গাফফার জিসানকে বলেন—সংশ্লিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা তাৎক্ষণিকভাবে ১ কোটি টাকা দিতে রাজি হয়েছেন, তবে চুক্তিটি যেন অন্তত ৩ কোটি টাকায় চূড়ান্ত করা যায় সেই চেষ্টা করতে হবে। সে সময় মাসউদ মন্তব্য করেছিলেন যে, ওইসব নেতাদের কাছে প্রচুর নগদ অর্থ অলস পড়ে রয়েছে এবং এই মুহূর্তে নিজেদেরও বিপুল অর্থের প্রয়োজন আছে।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, হান্নান মাসউদের এই সব অন্ধকার লেনদেন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অকাট্য ও প্রত্যক্ষ সাক্ষী হলেন হাতিয়ার স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল গাফফার জিসান। গণঅভ্যুত্থানের ক্রান্তিলগ্নে অর্থাৎ গত বছরের ২৭ জুলাইয়ের পর যখন সমন্বয়করা আত্মগোপনে ছিলেন, তখন রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আব্দুল গাফফার জিসানের সঙ্গে হান্নান মাসউদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

জিসান মূলত আন্দোলন ও পরবর্তী সময়ে সমন্বয়কদের বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট, ছবি ও ভিডিও ধারণের কাজ করতেন। শুধু তাই নয়, গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান সার্বক্ষণিকভাবে হান্নান মাসউদের দেহরক্ষী বা নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। তবে অর্জিত ক্ষমতার পর হান্নান মাসউদের রাতারাতি নৈতিক স্খলন, অর্থের প্রতি অতিরিক্ত লোভ এবং প্রশ্নবিদ্ধ আচরণগত পরিবর্তনের কারণে পরবর্তীতে জিসান নিজেই তাঁর কাছ থেকে দূরে সরে যান।

পোস্টে নোয়াখালীর হাতিয়া আসনের সাবেক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীকে নিয়েও গুরুতর রাজনৈতিক অভিযোগ তুলেছেন রাশেদ খান। তাঁর দাবি, সংসদ সদস্য হওয়ার পর আব্দুল হান্নান মাসউদ মনে করতেন হাতিয়ার রাজনীতিতে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলেন মোহাম্মদ আলী।

এই কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রভাব খাটিয়ে মোহাম্মদ আলীকে দ্রুত গ্রেফতারের পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেন হান্নান মাসউদ। ব্যক্তিগত একাধিক ঘরোয়া আলোচনায় হান্নান মাসউদ নাকি জিসানদের বলেছিলেন যে, নোয়াখালীর অন্য কোনো আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো দ্বন্দ্ব নেই, কেবল মোহাম্মদ আলীর সঙ্গেই তাঁর মূল বিরোধ।

একই সঙ্গে নোয়াখালীর আঞ্চলিক রাজনীতিতে একক সম্রাট বা প্রভাবশালী হতে হলে মোহাম্মদ আলীর মতোই বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার বিকল্প নেই—এমন উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথাও তিনি বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী আলোচনায় তুলে ধরতেন। গণঅভ্যুত্থানের এক অন্যতম শীর্ষ সমন্বয়ক ও বর্তমান তরুণ এমপির বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগের পর রাজনৈতিক অঙ্গন ও নেটদুনিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: