স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১৮:১৪:৫১
স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে যেন আগুন লেগেছে। মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হয়েছে মূল্যবান এই ধাতুর দাম। এবার ভরিতে এক লাফে ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এই নতুন দামের ঘোষণা দেয়, যা আজ বিকেল থেকেই কার্যকর হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অথচ আজ সকালেই একবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৭ টাকা বাড়িয়েছিল বাজুস। অর্থাৎ একদিনেই দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ল ৬ হাজার ৫৯০ টাকা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসেই এখন পর্যন্ত ৪৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৮ বারই বেড়েছে দাম। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালেও দেশের বাজারে রেকর্ড ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তবে স্বর্ণের দামের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়া স্বর্ণের এই আকাশচুম্বী দাম নিয়ে সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে।

/আশিক


জেট ইঞ্জিন ও এআই প্রযুক্তির মিশেল: ইরানের হাতে এখন রাশিয়ার সুপার ড্রোন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১৭:৫৭:১৭
জেট ইঞ্জিন ও এআই প্রযুক্তির মিশেল: ইরানের হাতে এখন রাশিয়ার সুপার ড্রোন
ছবি : সংগৃহীত

ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত ইরানি শাহেদ ড্রোনের প্রযুক্তিগতভাবে আরও শক্তিশালী ও উন্নত সংস্করণ এখন খোদ তেহরানে পাঠাচ্ছে রাশিয়া। মার্কিন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি (AP) এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, এই ড্রোনগুলোতে রুশ প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এমন কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে যা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য নতুন মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

আগে ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করত রাশিয়া। তবে এখন সেগুলোতে রাশিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে জেট ইঞ্জিন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর নেভিগেশন, উন্নত জ্যামার-প্রতিরোধী ব্যবস্থা এবং এমনকি স্টারলিংক ইন্টারনেট ডিভাইসও যুক্ত করা হয়েছে। ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের দাবি, এই উন্নত ড্রোনগুলো আজারবাইজান হয়ে মানবিক সহায়তার আড়ালে ট্রাকে করে ইরানে পাঠানো হচ্ছে। তবে এই চালানের সঠিক পরিমাণ বা সরবরাহের ধরন সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

রাশিয়ার এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে ওয়াশিংটন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস স্পষ্ট জানিয়েছেন, অন্য দেশ ইরানকে যতই উন্নত প্রযুক্তি দিক না কেন, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সাফল্যের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না। তবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই খবরকে পুরোপুরি ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, গত এক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাশিয়ার এই অত্যাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি ইরানের হাতে পৌঁছালে তা ওই অঞ্চলে মার্কিন ও মিত্রবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

/আশিক


আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: ২৮ মার্চ ২০২৬: কোন দেশের কত টাকা?

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১০:৩২:৪০
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: ২৮ মার্চ ২০২৬: কোন দেশের কত টাকা?
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক লেনদেন দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। এই বাণিজ্যিক কার্যক্রম সহজ করতে এবং প্রবাসীদের সুবিধার্থে শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। আজকের বাজার দর অনুযায়ী কুয়েতি দিনারের মান সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে এবং মার্কিন ডলারের মান ১২২ টাকা ছাড়িয়েছে।

শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) প্রধান বৈদেশিক মুদ্রাসমূহের বিনিময় হার

আজকের বাজারে প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৭১ পয়সা।

ইউরোপীয় মুদ্রা ইউরোর দাম ১৪১ টাকা ২০ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মান ১৬২ টাকা ৯৮ পয়সা।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৪ টাকা ৫২ পয়সা, কানাডিয়ান ডলার ৮৮ টাকা ২৮ পয়সা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ৩৪ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর মধ্যে সুইডিশ ক্রোনার দাম ১২ টাকা ৯৫ পয়সা।

এশীয় দেশগুলোর মধ্যে জাপানি ইয়েনের মান ৭৭ পয়সা এবং চীনা ইউয়ান রেনমিনবির দাম ১৭ টাকা ৭৫ পয়সা। প্রতিবেশী দেশ ভারতের ১ রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি ১ টাকা ৩০ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান ১ রুপির বিপরীতে ২ টাকা ৫৩ পয়সা পাওয়া যাচ্ছে। মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের বর্তমান দর ৩০ টাকা ৫৮ পয়সা।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মুদ্রার মানের ক্ষেত্রে সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৭১ পয়সা এবং কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৫৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ওমানি রিয়ালের দাম ৩১৮ টাকা ৬৭ পয়সা হলেও তালিকার শীর্ষে থাকা কুয়েতি দিনারের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ৩৯৭ টাকা ৯২ পয়সা। উল্লেখ্য যে, ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসের ওপর ভিত্তি করে এই হারের সামান্য তারতম্য হতে পারে।

(সূত্র: গুগল)


সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ০৯:৫০:৪৬
সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন হয়েছে। টানা তিন দফায় কমার পর শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে আজ থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা।

বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, আজ থেকে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকায় বিক্রি হবে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা, যা তিন দিনের ব্যবধানে ১২ হাজার টাকার বেশি কমেছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে পাকা সোনার দাম কমায় এই সমন্বয় করা হয়েছে। তবে সোনার এই মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ ভ্যাট ও ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি অতিরিক্ত যোগ হবে।

/আশিক


আজকের বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৭ ১৩:৪৬:২৪
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে, যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের পরিমাণও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমদানি-রপ্তানি, প্রবাসী আয় এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক কার্যক্রমের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে মুদ্রা বিনিময় হার অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে শুক্রবারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার নতুন করে নির্ধারিত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা ও চাহিদা-জোগানের ভারসাম্যের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বর্তমানে মার্কিন ডলার প্রতি ১২২ টাকা ৫১ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা হিসেবে বিবেচিত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা ইউরো দাঁড়িয়েছে ১৪১ টাকা ৪০ পয়সায়, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির একটি বড় অংশের প্রতিনিধিত্ব করে।

ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য আরও উঁচুতে অবস্থান করছে, যেখানে প্রতি পাউন্ডের বিনিময় হার ১৬৩ টাকা ৪৯ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৪ টাকা ৫৬ পয়সা এবং কানাডিয়ান ডলার ৮৮ টাকা ৪২ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে, যা উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সংযোগকে নির্দেশ করে।

এশীয় মুদ্রাগুলোর মধ্যে জাপানি ইয়েনের বিনিময় হার তুলনামূলকভাবে কম, যা বর্তমানে ৭৭ পয়সায় রয়েছে। অন্যদিকে চীনা ইউয়ান ১৭ টাকা ৭৩ পয়সা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ৩১ পয়সায় অবস্থান করছে, যা আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভারতীয় রুপি ১ টাকা ৩০ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান রুপি ২ টাকা ৫৩ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে, যা দক্ষিণ এশীয় বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩০ টাকা ৫৭ পয়সায় অবস্থান করছে, যা প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক।

মধ্যপ্রাচ্যের মুদ্রাগুলোর মধ্যে সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৬৫ পয়সা এবং কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৬৫ পয়সায় নির্ধারিত হয়েছে। এসব মুদ্রা বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

সবচেয়ে উচ্চমূল্যের মুদ্রাগুলোর মধ্যে কুয়েতি দিনার ৩৯৮ টাকা ৮০ পয়সা এবং ওমানি রিয়াল ৩১৮ টাকা ৬৩ পয়সায় অবস্থান করছে, যা বৈশ্বিক মুদ্রাবাজারে তাদের শক্তিশালী অবস্থানকে নির্দেশ করে।

-রাফসান


রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৭ ১০:২৯:৩৬
রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর দেশের স্বর্ণবাজারে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে মূল্যবান এই ধাতুর দামে উল্লেখযোগ্য হ্রাস এসেছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন নতুন করে স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করেছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা পর্যন্ত দাম কমানো হয়েছে। ফলে বাজারে স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর আগে একই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা, যা থেকে এই হ্রাস সরাসরি বাজারে প্রভাব ফেলেছে।

গত ২৫ মার্চ এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন এই মূল্য হ্রাসের বিষয়টি নিশ্চিত করে। সংগঠনটি জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই নতুন দরই কার্যকর থাকবে।

নতুন নির্ধারিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬০ হাজার ৯০৫ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে এই মূল্যের সঙ্গে অতিরিক্ত কিছু খরচ যুক্ত হবে, যা ক্রেতাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। সরকারি বিধান অনুযায়ী, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের ওপর ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর আরোপ করা হয়।

এর পাশাপাশি গয়না তৈরির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি দিতে হয়, যা বাজুস নির্ধারিত। তবে গয়নার নকশা, ডিজাইন এবং মানভেদে এই মজুরির পরিমাণ বাড়তে বা কমতে পারে।

-রাফসান


মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের উত্তাপ: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ১৭:৫৯:৪৪
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের উত্তাপ: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে চলমান সংঘাতের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও উর্ধ্বমুখী হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং ইরান কর্তৃক সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর তেলের বাজারে এই অস্থিরতা দেখা দেয়। এর পাশাপাশি রাশিয়া এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় জ্বালানি সংকটের শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে।

এদিন আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১.১৩ ডলার বা ১.১ শতাংশ বেড়ে ১০৩.৩৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুডের দাম ১.০৮ ডলার বা ১.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯১.৪০ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগের দিন তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি কমলেও বৃহস্পতিবার তা আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যদিও কিছু পক্ষ কূটনৈতিক সমাধানের আশা করছে, তবে ইরানের অনড় অবস্থান এবং সরবরাহ চেইনের অচলাবস্থা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।

সূত্র: সামা টিভি।


স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ১১:৪১:৩৪
স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে দরপতনের প্রভাবে দেশের বাজারে রেকর্ড হারে কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রতি ভরি স্বর্ণে ৫ হাজার ৪২৮ টাকা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই দাম আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, এখন থেকে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ৯০৫ টাকা। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে, বাজুস নির্ধারিত এই মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকারি ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত হবে। গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।

স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে কমেছে রুপার দামও। বুধবার থেকে রুপার দাম ভরিতে ৩৫০ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম এখন ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্ববাজারে অস্থিরতার মাঝে দেশের বাজারে এই দরপতন সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

/আশিক


জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় স্পট মার্কেটে বাংলাদেশ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৫ ১৮:০০:১১
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় স্পট মার্কেটে বাংলাদেশ
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে জ্বালানি খাতের অস্থিরতার মধ্যেই দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা মেটাতে স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) সচিবালয়ে অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির’ বৈঠকে এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫ অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে এই এলএনজি কেনা হচ্ছে, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, এপ্রিল মাসের শেষ দিকে এই দুই কার্গো এলএনজি দেশে এসে পৌঁছাবে। এর মধ্যে ১০ম কার্গোটি ২৪-২৫ এপ্রিল এবং ১১তম কার্গোটি ২৭-২৮ এপ্রিলের মধ্যে সরবরাহ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান ‘টোটাল এনার্জিস’ (TotalEnergies) এই গ্যাস সরবরাহ করবে। প্রতি ইউনিট (MMBtu) এলএনজির দাম পড়ছে ১৯.৭৭ মার্কিন ডলার এবং প্রতিটি কার্গোর জন্য সরকারকে গুনতে হচ্ছে ৮৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে এলএনজি বাজারেও। তবে গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় এবারের ক্রয়ে দাম কিছুটা কম পড়েছে।

গত ১১ মার্চের বৈঠকে প্রতি ইউনিট এলএনজি ২০.৭৬ থেকে ২১.৫৮ ডলারে কেনা হয়েছিল এবং তার আগের সপ্তাহে এই দর ২৮.২৮ ডলারেও উঠেছিল। সরকারের এই ধারাবাহিক এলএনজি আমদানির মূল লক্ষ্য হলো আসন্ন গ্রীষ্মে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা।

/আশিক


পেনি স্টকের দরপতনে বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা

আরিফুল ইসলাম
আরিফুল ইসলাম
ডেস্ক রিপোর্টার (শেয়ার বাজার)
অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৫ ১৬:৪৪:০৫
পেনি স্টকের দরপতনে বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ ২৫ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সূচকের ইতিবাচক উত্থান এবং লেনদেনের গতি বাড়লেও কিছু নির্দিষ্ট স্বল্প মূলধনী ও লোকসানি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে বড় ধরনের দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে। দিনের লেনদেন শেষে সমাপনী মূল্যের (Closing Price) ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ দর হারানো প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথমেই উঠে এসেছে জেনেক্সট (GENNEXT); প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার দর গতকালের তুলনায় ৯.৩০% হ্রাস পেয়ে ৩.৯ টাকায় স্থির হয়েছে। এর পরেই যৌথভাবে অবস্থান করছে অ্যাপোলো ইস্পাত (APOLOISPAT) এবং সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইল (CNATEX), যাদের উভয় প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দরই ৮.৮৯% কমেছে। এছাড়া তুং হাই, নিউ লাইন এবং ফ্যামিলি টেক্সটাইল ৭ শতাংশের বেশি দর হারিয়ে বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে। মূলত বিনিয়োগকারীরা পেনি স্টক বা লোকসানি প্রতিষ্ঠান থেকে মূলধন সরিয়ে ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারে বিনিয়োগ করায় এই সংশোধন প্রক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

দিনের শুরুতে ওপেনিং প্রাইস এবং দিনের শেষে সর্বশেষ লেনদেন হওয়া মূল্যের (LTP) বিচ্যুতির দিক থেকেও সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইল (CNATEX) সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে, যার বিচ্যুতি ছিল ১৬.৩২%। ৪.৯ টাকায় দিনের লেনদেন শুরু করলেও দিনশেষে এটি ৪.১ টাকায় নেমে আসে। এছাড়া ফ্যামিলি টেক্স ৯.৫২% এবং জেনেক্সট ৯.৩০% নেতিবাচক বিচ্যুতি প্রদর্শন করেছে। আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পিএলএফএসএল (PLFSL) এবং এফএএস ফিন্যান্স (FASFIN) যথাক্রমে ৫.৭১% ও ৫.৮৮% দর হারিয়েছে। বিমা খাতের মধ্যে প্রাইম লাইফ এবং পিএফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডও ৫ শতাংশের বেশি দর হারিয়েছে। বাজার মূলধনের দিক থেকে সূচক উর্ধ্বমুখী থাকলেও এসব ছোট শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহ বাজারের একটি 'সিলেক্টিভ মুভমেন্ট'কে নির্দেশ করছে, যেখানে বিনিয়োগকারীরা এখন অনেক বেশি সচেতন ও বিশ্লেষণধর্মী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন এবং দুর্বল শেয়ার থেকে মূলধন নিরাপদ করার চেষ্টা করছেন।

পাঠকের মতামত: