জেট ইঞ্জিন ও এআই প্রযুক্তির মিশেল: ইরানের হাতে এখন রাশিয়ার সুপার ড্রোন

ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত ইরানি শাহেদ ড্রোনের প্রযুক্তিগতভাবে আরও শক্তিশালী ও উন্নত সংস্করণ এখন খোদ তেহরানে পাঠাচ্ছে রাশিয়া। মার্কিন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি (AP) এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, এই ড্রোনগুলোতে রুশ প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এমন কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে যা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য নতুন মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
আগে ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করত রাশিয়া। তবে এখন সেগুলোতে রাশিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে জেট ইঞ্জিন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর নেভিগেশন, উন্নত জ্যামার-প্রতিরোধী ব্যবস্থা এবং এমনকি স্টারলিংক ইন্টারনেট ডিভাইসও যুক্ত করা হয়েছে। ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের দাবি, এই উন্নত ড্রোনগুলো আজারবাইজান হয়ে মানবিক সহায়তার আড়ালে ট্রাকে করে ইরানে পাঠানো হচ্ছে। তবে এই চালানের সঠিক পরিমাণ বা সরবরাহের ধরন সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
রাশিয়ার এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে ওয়াশিংটন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস স্পষ্ট জানিয়েছেন, অন্য দেশ ইরানকে যতই উন্নত প্রযুক্তি দিক না কেন, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সাফল্যের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না। তবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই খবরকে পুরোপুরি ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, গত এক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাশিয়ার এই অত্যাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি ইরানের হাতে পৌঁছালে তা ওই অঞ্চলে মার্কিন ও মিত্রবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
/আশিক
কূটনীতি না কি সামরিক হামলা? ইরানের অনড় অবস্থানে দোটানায় ট্রাম্প প্রশাসন
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চললেও কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে না পেরে ধৈর্য হারিয়ে ফেলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের অনড় অবস্থান এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় হোয়াইট হাউসের অন্দরে এখন যুদ্ধের দামামা বাজছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে মধ্যপ্রাচ্য কি আবারও বড় কোনো সামরিক সংঘাতের দিকে যাচ্ছে—এ প্রশ্ন এখন বিশ্বজুড়ে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ও অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের সাম্প্রতিক প্রস্তাবগুলোকে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে ‘বোকামিপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছেন। মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে এখন দুটি মেরু তৈরি হয়েছে। পেন্টাগনের একাংশ মনে করছে, লক্ষ্যভিত্তিক সামরিক হামলার মাধ্যমেই কেবল ইরানকে নমনীয় করা সম্ভব। অন্যদিকে, কূটনীতিবিদরা চাইছেন আলোচনার শেষ সুযোগটুকু ব্যবহার করতে। তবে ট্রাম্পের চীন সফরের আগে কোনো বড় সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা কম থাকলেও উত্তেজনার পারদ কমছে না।
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহল এখন পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। ওয়াশিংটনের সন্দেহ, ইসলামাবাদ ইরানের অবস্থানকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অতিরিক্ত ইতিবাচকভাবে তুলে ধরছে এবং ট্রাম্পের কড়া বার্তাগুলো তেহরানের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছাচ্ছে না। যদিও পাকিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো সম্মিলিতভাবে ইরানকে ‘শেষ সুযোগ’ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে, কিন্তু কয়েক দশকের নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলা করা ইরান এই চাপকে কতটা গুরুত্ব দেবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।
হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান অচলাবস্থা কেবল যুদ্ধের ঝুঁকিই বাড়াচ্ছে না, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার উপক্রম করেছে। সোমবার হোয়াইট হাউসে জাতীয় নিরাপত্তা দলের বৈঠকের পর এটুকু স্পষ্ট যে, কূটনৈতিক পথ ব্যর্থ হলে ওয়াশিংটন পুনরায় সামরিক বা কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপের দিকেই হাঁটবে।
/আশিক
পুতিনের প্রস্তাব না কি পাল্টা আঘাত? ইরানের পারমাণবিক হুঁশিয়ারিতে নতুন মোড়
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিশ্ববাসীকে চরম সতর্কবার্তা দিল ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি জানিয়েছেন, ইরান পুনরায় হামলার শিকার হলে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ৯০ শতাংশে উন্নীত করা হতে পারে। উল্লেখ্য, এই মাত্রাটি একটি পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় স্তরের সমান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ইব্রাহিম রেজায়ি স্পষ্ট করেন, ইরানের ওপর ফের আক্রমণ হলে তাদের পারমাণবিক তৎপরতা আর কোনো সীমাবদ্ধতায় থাকবে না। এই চরম মাত্রার সমৃদ্ধকরণের বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে ইরানের পার্লামেন্টে পর্যালোচনার পরিকল্পনা চলছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান সামরিক ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই তেহরানের পক্ষ থেকে এমন সরাসরি হুঁশিয়ারি এল।
ইরানের এই হুমকি আঞ্চলিক নিরাপত্তার সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে। সম্প্রতি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নিয়ে সংরক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ সাড়া ফেলেছিল। তবে তেহরানের বর্তমান অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তারা আত্মরক্ষার খাতিরে যেকোনো চরম সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করবে না। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের এই পারমাণবিক কার্ড এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
/আশিক
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ফাটল ধরাচ্ছে পাকিস্তান: নেতানিয়াহু
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, পাকিস্তান থেকে পরিচালিত বিশাল ‘বট ফার্ম’ এবং ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্কে ফাটল ধরানোর চেষ্টা চলছে। রোববার (১০ মে) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের এক অনুষ্ঠানে তিনি এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনেন।
আন্তর্জাতিকভাবে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে সমালোচিত নেতানিয়াহু বলেন, বিভিন্ন দেশ পরিকল্পিতভাবে অনলাইনে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে, তবে এই অপপ্রচারে পাকিস্তান সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। তার দাবি, পাকিস্তানি অপারেটররা আমেরিকান নাগরিকদের পরিচয় ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন ধারণা তৈরি করছে যে, সাধারণ মার্কিনিরা ইসরায়েলের ওপর থেকে সমর্থন তুলে নিচ্ছে।
নেতানিয়াহু একটি উদাহরণ দিয়ে বলেন, অনেক সময় টেক্সাসের নাগরিক পরিচয় দিয়ে বার্তা পাঠানো হয় যেখানে লেখা থাকে— “আমি সব সময় ইসরায়েলকে সমর্থন করেছি, কিন্তু এখন আর পারছি না।” অথচ এসব বার্তার উৎস অনুসন্ধান করলে দেখা যায় সেগুলো পাকিস্তানের কোনো এক বেজমেন্ট থেকে পাঠানো হচ্ছে। তার মতে, এর মূল উদ্দেশ্য হলো ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মধ্যে কৃত্রিম দূরত্ব তৈরি করা।
নেতানিয়াহু এই গুরুতর অভিযোগ তুললেও এর পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো স্বাধীন বা অকাট্য তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। বিশ্লেষকদের মতে, গাজা ইস্যুতে বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান জনরোষ এবং মার্কিন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইসরায়েলবিরোধী মনোভাবকে আড়াল করতেই তিনি ‘বট ফার্ম’ তত্ত্ব সামনে নিয়ে আসছেন। পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
/আশিক
যুদ্ধবিরতি এখন লাইফ সাপোর্টে: ট্রাম্প
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এখন খাদের কিনারায়। শান্তি স্থাপনের লক্ষে তেহরানের দেওয়া পাল্টা শর্তগুলোকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতি এতটাই নাজুক যে পুরো শান্তি চুক্তিটি এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে।
শান্তি আলোচনার অংশ হিসেবে ইরান যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং মার্কিন নৌ অবরোধ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। এর পাশাপাশি তেলের বিশ্ববাজারের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালীর ওপর নিজেদের পূর্ণ সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি চেয়েছে তারা। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই দাবিগুলোকে সরাসরি ‘আবর্জনা’ বলে নাকচ করে দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থানের কারণে গত ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সাময়িক স্থিতিশীলতা এখন চরম হুমকির মুখে।
এই রাজনৈতিক অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৪ ডলার ছাড়িয়েছে। এটি গত কয়েক বছরের মধ্যে তেলের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধির রেকর্ড। এরই মধ্যে চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর, যারা অবৈধভাবে ইরানি তেল চীনে পাঠাতে সহায়তা করছে।
ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে তাদের দাবিগুলো সম্পূর্ণ ন্যায্য এবং যেকোনো সামরিক আগ্রাসনের জবাব দিতে তাদের বাহিনী প্রস্তুত। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন ইঙ্গিত দিয়েছে যে সমঝোতা না হলে তারা পুনরায় আরও কঠোর সামরিক বা অর্থনৈতিক পদক্ষেপের দিকে হাঁটবে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বের নজর এখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
সূত্র : রয়টার্স
ট্রাম্পের এক পোস্টেই তেলের বাজারে আগুন!
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক যুদ্ধ এখন বিশ্ব অর্থনীতিতে সরাসরি আঘাত হানছে। সোমবার (১১ মে) আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। তেলের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড ৪.৬৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯.৯৫ ডলারে পৌঁছেছে, যা প্রায় ১০০ ডলারের দোরগোড়ায়।
ইরানের দেওয়া শান্তি প্রস্তাবকে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার 'ট্রুথ সোশ্যাল' প্ল্যাটফর্মে 'পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য' বলে প্রত্যাখ্যান করার পরপরই এই অস্থিরতা শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক তেলের চুক্তি ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দামও ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫.৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে তেল সরবরাহ ব্যবস্থা যেকোনো সময় পুরোপুরি ভেঙে পড়তে পারে।
এদিকে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাকেই যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলোকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘একপেশে’ বলে অভিহিত করেছেন। ইরান পাকিস্তানের মাধ্যমে তাদের পাল্টা প্রস্তাব পাঠালেও ট্রাম্প তা নাকচ করে দেন। তেহরানের দাবি—অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধ বন্ধ, মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং বিদেশে জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ মুক্ত না করা পর্যন্ত স্থিতিশীলতা ফিরবে না। বাকেই জোর দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানের প্রস্তাবগুলো ছিল ‘বৈধ ও উদার’, কিন্তু ওয়াশিংটন তা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে।
তেহরান ও ওয়াশিংটনের এই অনড় অবস্থানে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে জ্বালানি খাত। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট চাহিদার ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়। এই পথে সামান্য ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কাতেই বিশ্ববাজারে দামের এই উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে, যা আগামী দিনগুলোতে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
/আশিক
ইসরায়েলের গোপন নীলনকশা ফাঁস: মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে শেখ হামাদের বিস্ফোরক তথ্য
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার নেপথ্যে ইসরায়েলের এক সুদূরপ্রসারী ‘নীলনকশা’ ফাঁস করেছেন কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রভাবশালী কূটনীতিক শেখ হামাদ বিন জাসিম আল থানি। সোমবার (১১ মে) আল জাজিরার ‘আল মুকাবালা’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে বর্তমান যুদ্ধ কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যকে নতুনভাবে সাজানোর একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ।
শেখ হামাদের মতে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ১৯৯০-এর দশক থেকেই যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়ানোর চেষ্টা করে আসছিলেন। আগের মার্কিন প্রশাসনগুলো সরাসরি যুদ্ধে দ্বিধাগ্রস্ত থাকলেও, নেতানিয়াহু শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনকে একটি ‘ভ্রম’ বা অলীক স্বপ্ন দেখাতে সক্ষম হন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝাতে পেরেছিলেন যে, এই যুদ্ধ হবে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানি সরকারের পতন ঘটবে।
সাক্ষাৎকারে শেখ হামাদ অত্যন্ত আশঙ্কার সাথে জানান, এই যুদ্ধের ডামাডোলে নেতানিয়াহু মূলত তার ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ বা বৃহত্তর ইসরায়েলের ধারণা বাস্তবায়ন করছেন। ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থীদের এই পরিকল্পনায় প্রতিবেশী আরব ভূখণ্ড দখল করে দেশের সীমানা সম্প্রসারণের চিন্তা রয়েছে। তিনি মনে করেন, এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে একটি ‘জোরপূর্বক আঞ্চলিক জোট’ তৈরির চেষ্টা চলছে, যা আগামী কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
হরমুজ প্রণালির বর্তমান সংকটকে যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক ফল হিসেবে অভিহিত করে তিনি উপসাগরীয় দেশগুলোকে একটি ‘যৌথ প্রতিরক্ষা জোট’ গঠনের আহ্বান জানান। শেখ হামাদ স্মরণ করিয়ে দেন যে, গত বছরই তিনি সামরিক হামলা এড়াতে ইরানের সাথে কূটনৈতিক সমাধানের পরামর্শ দিয়েছিলেন, কিন্তু নেতানিয়াহুর কট্টরপন্থী গোষ্ঠীর প্রভাবে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
মার্কিন প্রস্তাব অযৌক্তিক, ট্রাম্পের জবাব অগ্রহণযোগ্য: ইরান
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি আলোচনা নতুন করে অচলাবস্থার মুখে পড়েছে। সোমবার (১১ মে) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাবকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘একপেশে’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। পাল্টা জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের শর্তগুলোকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাকেই সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তারা পাকিস্তানের মাধ্যমে তাদের আনুষ্ঠানিক জবাব ওয়াশিংটনকে পাঠিয়েছেন। ইরানের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—পুরো অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধ বন্ধ করা, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহার এবং বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা।
বাকেই জোর দিয়ে বলেন, "আমরা কোনো বাড়তি সুবিধা চাইছি না। আমাদের দাবিগুলো সম্পূর্ণ বৈধ—অবরোধ প্রত্যাহার, জলদস্যুতামূলক আচরণ বন্ধ এবং জব্দ করা সম্পদ ফেরত পাওয়া।" এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করাকেও তাদের প্রস্তাবের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজের প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি ইরানের প্রস্তাবকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে লিখেছেন, "আমি ইরানের তথাকথিত প্রতিনিধিদের জবাব পড়েছি। এটি আমার পছন্দ হয়নি। এই প্রস্তাব পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য!" যদিও ট্রাম্পের প্রস্তাবে কী ছিল বা ইরানের কোন শর্তে তিনি ক্ষুব্ধ, তার বিস্তারিত কোনো পক্ষই এখনো প্রকাশ করেনি।
রোমের আমেরিকান ইউনিভার্সিটির বিশ্লেষক আন্দ্রেয়া দেসি এই পরিস্থিতিকে ‘মোটেও ইতিবাচক নয়’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, দুই পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় এই অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। যার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি নিয়ে টানাপোড়েন বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
/আশিক
গোপন ফাইল অবমুক্ত করল মার্কিন যুদ্ধ বিভাগ: এলিয়েনরা কি সত্যিই আছে?
এলিয়েন এবং ইউএফও (UFO) নিয়ে মানুষের চিরন্তন রহস্যের তৃষ্ণা মেটাতে এবার সরাসরি ময়দানে নেমেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ নির্দেশে তৈরি করা হয়েছে একটি ডেডিকেটেড ওয়েবসাইট, যেখানে অবমুক্ত করা হচ্ছে ভিনগ্রহের প্রাণী সংক্রান্ত গোপন সব নথি ও ছবি। তবে বিশাল এই তথ্যভাণ্ডারে রোমাঞ্চ থাকলেও এলিয়েনদের অস্তিত্ব নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অকাট্য প্রমাণ মেলেনি।
গত ফেব্রুয়ারিতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভিনগ্রহের প্রাণী ও ইউএফও সংক্রান্ত সব সরকারি ফাইল জনসমক্ষে আনার নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের ধারাবাহিকতায় ‘ওয়ার ডটগভ স্ল্যাশইউএফও’ (war.gov/ufo) নামে নতুন একটি পেজ চালু করেছে যুদ্ধ বিভাগ। এখানে এফবিআই, নাসা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কয়েক দশকের জমানো অসংখ্য ফাইল ও রহস্যময় ছবি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
পুরো ওয়েবসাইটটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যা সাধারণ মানুষের কৌতূহল বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফাইলগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে সেখানে অতিপ্রাকৃত কোনো দাবির পক্ষে জোরালো প্রমাণ নেই। মূলত সরকারি আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ব্যাখ্যাতীত ঘটনাগুলোকে কীভাবে নথিবদ্ধ করা হয়, এটি তারই একটি দালিলিক সংকলন। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ইরান যুদ্ধের মতো কঠিন পরিস্থিতি থেকে জনদৃষ্টি সরাতেই কি এই 'এলিয়েন কার্ড' ব্যবহার করা হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নও উঠছে।
দীর্ঘদিন ধরে ইউএপি (Unidentified Anomalous Phenomena) নিয়ে মার্কিন সরকারের গোপনীয়তা নিয়ে সন্দেহ থাকলেও ২০১৭ সালে 'এএটিআইপি' (AATIP) প্রকল্পের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক গবেষণার বিষয়টি সামনে আসে। বর্তমানে যুদ্ধ বিভাগের অধীনে ‘অল-ডোমেইন অ্যানোমালি রেজল্যুশন অফিস’ (AARO) এই গবেষণার কাজগুলো তদারকি করছে। যদিও এর আগে প্রকাশিত ভিডিওগুলোর কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি, তবুও সরকারি প্রতিবেদনে সেগুলোকে ভিনগ্রহের মহাকাশযান বলতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছিল।
নতুন এই ফাইলগুলো প্রকাশের ফলে এলিয়েন রহস্যের জট আদৌ খুলবে কি না তা নিয়ে সংশয় থাকলেও, কৌতূহলী মানুষের কাছে এটি এখন ইন্টারনেটের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য।
/আশিক
আলোচনা মানে আত্মসমর্পণ নয়, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার লড়াই: পেজেশকিয়ান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো সম্ভাব্য আলোচনাকে 'আত্মসমর্পণ' হিসেবে দেখতে নারাজ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। রোববার (১০ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, সংলাপ মানে পিছু হটা নয়, বরং এটি জাতীয় স্বার্থ রক্ষা ও জনগণের অধিকার আদায়ের একটি কৌশলগত লড়াই।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তার বার্তায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান কখনোই তার বৈধ অধিকার থেকে এক চুলও সরবে না এবং শত্রুর সামনে মাথা নত করবে না। তার মতে, আলোচনার টেবিলে বসা মানেই পরাজয় মেনে নেওয়া নয়; বরং এর মূল লক্ষ্য হলো ইরানি জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যায় মোকাবিলা করা এবং দৃঢ়ভাবে জাতীয় অধিকার নিশ্চিত করা।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক আগ্রাসন বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব পাঠিয়েছে ইরান। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যেকোনো আলোচনার একমাত্র বিষয় হতে হবে 'যুদ্ধ বন্ধ'। পারমাণবিক কর্মসূচির মতো স্পর্শকাতর ইস্যুগুলো কেবল সংঘাত থামার পরই আলোচনায় আসতে পারে।
অন্যদিকে, ইরানের এই অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইরান আবারও যুক্তরাষ্ট্রের মূল দাবিগুলো মানতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম মজুত এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ নিরসনে তেহরান কোনো সন্তোষজনক সমাধান দেয়নি। ট্রাম্পের অভিযোগ, ইরান গত পাঁচ দশক ধরে আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণের পুরনো কৌশল অনুসরণ করে আসছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- লঘুচাপের প্রভাবে সক্রিয় বর্ষা: কাল থেকে ৩ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা
- সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে লংমার্চের হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
- ইতিহাসের পাতায় নাহিদ রানা: ১৬ বছর পর দেশের মাটিতে পেসারের ফাইফার
- কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে কোনো দেশের সঙ্গে প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়া সম্ভব নয়: নাহিদ ইসলাম
- রূপপুরে ঐতিহাসিক মাইলফলক: বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে প্রথম ইউনিট
- শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা: বিশ্ববাজারে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন
- নানিয়ারচর জোন কর্তৃক স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ
- বিদায়বেলায় ফয়ছল চৌধুরী: স্কটিশ পার্লামেন্টে এক বাঙালির ইতিহাস গড়ার গল্প
- দুর্গন্ধে নাভিশ্বাস ও মরণফাঁদ গর্ত: বুড়িচংয়ের উদাহরণবাগ সড়কে চরম ভোগান্তি
- কুমিল্লা তিতাসে হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
- কাল ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- কূটনীতি না কি সামরিক হামলা? ইরানের অনড় অবস্থানে দোটানায় ট্রাম্প প্রশাসন
- সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে সতর্ক বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ধনীরা আরও ধনী, গরিবরা সংকটে: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের বলি হচ্ছে এশিয়া
- পুতিনের প্রস্তাব না কি পাল্টা আঘাত? ইরানের পারমাণবিক হুঁশিয়ারিতে নতুন মোড়
- মিরপুরে ইতিহাস: দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ!
- ১২ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১২ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১২ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- অল্প বয়সেই মাথায় টাক পড়ার ভয়? ডায়েটে রাখুন এই ৫ সুপারফুড
- চাঁদে এবার চীনের রোবট সেনা: যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিতে হিউম্যানয়েড প্রযুক্তির চমক
- ১৩ রানের আক্ষেপ ও হাতছাড়া বিশ্বরেকর্ড: শান্তর বিদায়ে চাপে বাংলাদেশ
- মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বিজয়ের মাস্টারস্ট্রোক: তামিলনাড়ু জুড়ে ৭১৭ মদের দোকান বন্ধ
- ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ফাটল ধরাচ্ছে পাকিস্তান: নেতানিয়াহু
- পুঁথিগত বিদ্যা নয়, নজর দিন উদ্ভাবনে: ঢাবিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- করোনার চেয়েও ভয়ংকর? রহস্যময় ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম সতর্কতা
- লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা: প্রাণ হারালেন সাতক্ষীরার দুই বাংলাদেশি
- যুদ্ধবিরতি এখন লাইফ সাপোর্টে: ট্রাম্প
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- রাজধানীর যেসব রুটে আজ বাড়তি জ্যাম হতে পারে
- আকাশচুম্বী দামে থমকে আছে স্বর্ণ: সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে অলঙ্কার
- মঙ্গলবার ঢাকার কোন কোন এলাকায় মার্কেট বন্ধ? বের হওয়ার আগে দেখে নিন
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- চালু হচ্ছে ই-লোন সেবা, ব্যাংকে না গিয়েই মিলবে ঋণ
- নিরাপদ বিনিয়োগে ঝুঁকছে বিশ্ব: স্বর্ণ-রূপার রেকর্ড দামে কাঁপছে বাজার
- সাজিদা হত্যা ও পিতার মৃত্যু: ওসির অপসারণ দাবিতে উত্তাল কালিগঞ্জ
- নানিয়ারচর জোন কর্তৃক বন্দুকভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
- হেক্সা জয়ের লক্ষ্যে ব্রাজিলের ৫৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা
- ট্রাম্পের এক পোস্টেই তেলের বাজারে আগুন!
- ধুঁকতে থাকা কারখানা বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা
- কাঁটাতার দিয়ে বাংলাদেশকে ভয় দেখানো যাবে না: শুভেন্দুকে কড়া জবাব ঢাকার
- নির্মিত হতে যাচ্ছে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু: সেতু মন্ত্রী
- আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দল ঘোষণা: ঘরোয়া লিগের দাপট ও নতুন মুখের চমক
- ইসরায়েলের গোপন নীলনকশা ফাঁস: মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে শেখ হামাদের বিস্ফোরক তথ্য
- বিশ্বের ২০% জ্বালানি এখন ইরানের কবজায়? হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন ‘যুদ্ধ’ শুরু
- অন্যায় আদেশে ‘না’ বলা শিখতে হবে পুলিশকে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- হামে মৃত্যুর মিছিলে শিশুদের সংখ্যাই বেশি! স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
- মার্কিন প্রস্তাব অযৌক্তিক, ট্রাম্পের জবাব অগ্রহণযোগ্য: ইরান
- কুমিল্লা শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণে বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ
- কেন বাড়ছে সোনার দাম? রেকর্ড উচ্চতায় দাঁড়িয়ে দেশের জুয়েলারি বাজার
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- তামিলনাড়ুতে ‘থালাপতি’ যুগের সূচনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- আজ শনিবারের নামাজের সময়সূচি: জোহর থেকে এশার পূর্ণাঙ্গ তালিকা
- আকাশচুম্বী দামে থমকে আছে স্বর্ণ: সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে অলঙ্কার
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড
- প্রথম সেশনে দাপুটে বোলিংয়ে পাকিস্তানের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের
- ২৭ না কি ২৮ মে? কোরবানির ঈদ নিয়ে যা জানাল বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া দপ্তর
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্ণ সময়সূচি
- আমাদের আত্মসমর্পণ করানো অসম্ভব: ইরানের প্রেসিডেন্ট
- ৬ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার








