উত্তরাঞ্চলে গড়ে উঠবে কৃষিনির্ভর শিল্প: বেকারত্ব দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৬ ১৭:১৪:৪০
উত্তরাঞ্চলে গড়ে উঠবে কৃষিনির্ভর শিল্প: বেকারত্ব দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

দিনাজপুরের কাহারোলে সাহাপাড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের কৃষি ও অর্থনীতি নিয়ে সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন। সোমবার (১৬ মার্চ) আয়োজিত এই বিশাল সমাবেশে তিনি উত্তরাঞ্চলকে কেন্দ্র করে কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তোলার এক নতুন রূপরেখা ঘোষণা করেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, কৃষকদের কল্যাণই হলো দেশের সার্বিক মঙ্গলের চাবিকাঠি। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, দিনাজপুর, রংপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে কৃষিজাত পণ্যভিত্তিক বড় বড় কলকারখানা স্থাপন করা হবে। এ বিষয়ে ইতিপূর্বেই বিভিন্ন বড় কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর তাদের সঙ্গে চূড়ান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো স্থানীয় বেকার যুবক ও নারীদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

তারেক রহমান আরও জানান, সরকারের অর্থনৈতিক পলিসির মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের আয় দ্বিগুণ করা। তিনি বলেন, শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার দেখানো পথে হেঁটে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে যাতে পাঁচ হাজার টাকা আয়ের মানুষের উপার্জন আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দশ হাজার টাকায় উন্নীত হয়। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অর্থনীতিতে কিছুটা চাপ থাকলেও সরকার নির্বাচনী ইশতেহার পূরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। একই সঙ্গে তিনি দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্তকারী ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে জনগণকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

/আশিক


বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুর তাগিদ, চলতি বছরের মধ্যেই প্রক্রিয়ার নির্দেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ৩০ ২০:১৩:০১
বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুর তাগিদ, চলতি বছরের মধ্যেই প্রক্রিয়ার নির্দেশ
ছবি : সংগৃহীত

বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা পুনরায় চালু, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং এসব স্থবির কারখানায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা বা বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো দ্রুত চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, আইনি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন এবং বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন ফিরিয়ে আনার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকের সভাপতি চলতি বছরের মধ্যেই এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কঠোর নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে দেশে সার্বিক বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থা ও বিভাগকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়।

উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে বড় রদবদল: পূর্বের সব নিয়োগ বাতিল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ৩০ ১৮:২২:৪৯
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে বড় রদবদল: পূর্বের সব নিয়োগ বাতিল
ছবি : সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে বড় ধরনের রদবদল এনেছে সরকার। পূর্বের সকল ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিল করে নতুন করে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

সলিসিটর অনুবিভাগের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন তারিখে জারিকৃত স্মারকমূলে ইতিপূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিল করেছেন। একই সঙ্গে 'বাংলাদেশ ল অফিসার্স অর্ডার, ১৯৭২' (P.O. No. 6 of 1972)-এর ৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে পুনর্বিন্যাসপূর্বক মোট ২৬৫ জন আইন কর্মকর্তাকে (৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল) অবিলম্বে কার্যকরের উদ্দেশ্যে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনায় গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই আইন কর্মকর্তাদের এই নতুন তালিকা চূড়ান্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

/আশিক


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ওয়ারেন্ট: লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৯ ২১:৪৩:৪৩
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ওয়ারেন্ট: লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরের ঘটনার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে। ডিবি সূত্রে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা একটি মামলার ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের সুনির্দিষ্ট গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতেই গুলশানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আইনের আওতায় নেওয়া হয়।

এর আগে বুধবার সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির হয়ে লতিফ সিদ্দিকী নিজেই আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানান। আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর মধ্যে পুলিশ গ্রেপ্তার না করলে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সশরীরে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানাবেন বলে উল্লেখ করেছিলেন। তবে বিকেলেই তাঁকে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, লতিফ সিদ্দিকী পূর্বেও ভিন্ন একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ায় জামিনে মুক্ত পান। এবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানায় নতুন করে তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করা হলো।

/আশিক


একটি দেশের সুসম্পর্ক অন্য দেশের সাথে শত্রুতা নয়: পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বার্তা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৯ ২১:৩৮:৪৬
একটি দেশের সুসম্পর্ক অন্য দেশের সাথে শত্রুতা নয়: পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বার্তা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ঢাকা ও নয়াদিল্লি পারস্পরিক স্বার্থ ও সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুনভাবে এগিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘আমরা উভয়েই একমত যে, পারস্পরিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত।’ এ সময় পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টাও উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এটি কেবল একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। তাই নির্দিষ্ট কোনো দ্বিপক্ষীয় অস্বস্তিকর বিষয় বা রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি, তবে আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যকার সব বিষয় নিয়েই টেবিলে আলোচনা হবে।

আসন্ন ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সিদ্ধান্ত হলে তা দ্রুত জানানো হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদানের এ আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এছাড়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনসহ আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সফরের আমন্ত্রণ থাকায় সব কর্মসূচি একসাথে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের আসন্ন ঢাকা সফরকে ‘অনুসন্ধানমূলক’ উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনি বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রাধিকারগুলো ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। ঢাকার কূটনীতিকে ‘জিরো-সাম গেম’ (একটি দেশের সাথে সম্পর্ক বাড়লে অন্যের সাথে অবনতি হওয়া) হিসেবে না দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করে সব দেশের সাথেই ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ।

অন্যদিকে, ভারতীয় হাইকমিশনার সাংবাদিকদের জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক অত্যন্ত ইতিবাচক হয়েছে। সাংস্কৃতিক বিনিময়, বাণিজ্য ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের ভিত্তিতে আগামী দিনে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

/আশিক


যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৯ ১৮:২১:৪০
যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ
ছবি : সংগৃহীত

দেশে পরিবেশবান্ধব, আধুনিক ও শতভাগ প্রযুক্তিনির্ভর গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার আনছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ কমাতে ইলেকট্রিক যানবাহনের (ইভি) ব্যবহার বাড়ানো, পুরনো বাস অপসারণে পরিবেশবান্ধব ‘স্ক্র্যাপ নীতি’ প্রণয়ন এবং ঢাকার অভ্যন্তরে যানজট নিরসনে টার্মিনাল পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। জাতীয় বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

সরকারের মূল লক্ষ্য হলো একটি নিরাপদ, সময়োপযোগী, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। বিশ্বমানের পরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে ইলেকট্রিক যানবাহনের প্রসারে ইতোমধ্যে কর বা শুল্ক কাঠামোতে বড় ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছে। আগে যেখানে ইভি আমদানিতে প্রায় ৬২ শতাংশ কর প্রযোজ্য ছিল, তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে যাতে উদ্যোক্তারা এই শিল্পে বিনিয়োগে উৎসাহিত হন এবং সাধারণ মানুষের পক্ষেও ইভি ক্রয় করা সহজ হয়। পাশাপাশি দেশজুড়ে প্রয়োজনীয় ইভি চার্জিং অবকাঠামো বা চার্জিং স্টেশন স্থাপনের কাজও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নগরীর ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ গণপরিবহন অপসারণে নতুন একটি কৌশলগত পরিবর্তনের কথা জানানো হয়েছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২৫ বছর বা তার বেশি পুরনো এবং চলাচলের অনুপযোগী বাসগুলোকে কেবল স্রেফ 'ডাম্পিং' করে ফেলে রাখা হবে না। বরং পরিবেশসম্মত উপায়ে ‘স্ক্র্যাপিং’ করে সেখান থেকে লোহা, ইস্পাতসহ পুনর্ব্যবহারযোগ্য কাঁচামাল পৃথক করা হবে, যা দেশের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় নতুন করে কাজে লাগানো যাবে।

রাজধানী ঢাকার চিরচেনা যানজট নিরসনে বাস টার্মিনালগুলোর পুনর্বিন্যাসকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে একই টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লা ও সিটি বাস পরিচালিত হওয়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ঢাকার অভ্যন্তরীণ বাসস্ট্যান্ডগুলোকে শুধু সিটি বাস চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট রাখা হবে এবং দূরপাল্লার বা আন্তঃজেলা বাসগুলোকে রাজধানীর প্রবেশমুখে নির্ধারিত আধুনিক টার্মিনালে স্থানান্তরিত করা হবে। এর ফলে শহরের মূল সড়কে ভারী বাসের চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ হবে।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মেট্রো রেল, মনোরেল এবং আধুনিক ইলেকট্রিক সিটি বাসকে একই নেটওয়ার্কের আওতায় এনে একটি 'একীভূত গণপরিবহন নেটওয়ার্ক' গড়ে তুলতে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে যাত্রীরা খুব সহজেই একক টিকিট ও সমন্বিত নেটওয়ার্কে এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাতায়াত করতে পারবেন। এর ফলে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর মানুষের নির্ভরতা কমবে এবং ঢাকাকে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

/আশিক


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের আশ্বাস

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৯ ১৮:১৩:০৪
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের আশ্বাস
ছবি : সংগৃহীত

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে শীর্ষ কূটনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রবেশ ক‌রেন।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় হাইকমিশনার প্রথমে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীতে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে এক পৃথক বৈঠকে মিলিত হন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়। উভয় পক্ষই অভিন্ন স্বার্থে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ ও কৌশলগত যোগাযোগ জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

এর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে ভারতীয় হাইকমিশনার ঢাকায় তাঁর কূটনৈতিক কার্যক্রম শুরু করেন। পরিচয়পত্র পেশের নির্দিষ্ট সময় পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর কোনো দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হলো।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, নতুন হাইকমিশনার দায়িত্ব পালনের পর সম্প্রতি বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় পর্যটন ভিসা দেওয়া আবারও চালু করা হয়েছে, যা দীর্ঘ দিন ধরে নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতায় আটকে ছিল। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে দুই দেশের মধ্যকার জনগণের পর্যটন, চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ আরও গতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

/আশিক


দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ বার্তা পাঠাল সরকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৮ ১৮:২৪:৩৩
দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ বার্তা পাঠাল সরকার
ছবি : সংগৃহীত

মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) কারিগরি ত্রুটির কারণে বিকল হয়ে দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এ সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার জরুরি সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি এ সহযোগিতা ও সহায়তার আহ্বান জানান। ফোনালাপে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিজ দেশের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে বাংলাদেশের গ্যাস সংকট উত্তরণে দ্রুত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

প্রতিমন্ত্রী জানান, উদ্ভূত জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোমবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে একটি বিশেষ চিঠি পাঠান প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার চিঠিটি মালয়েশিয়ায় আনোয়ার ইব্রাহিমের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। চিঠিতে বাংলাদেশের বর্তমান গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যকার বিরাট ঘাটতি কমাতে মালয়েশিয়ার সরাসরি সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

ফোনালাপের বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি তাঁর দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে বাংলাদেশকে কীভাবে দ্রুততম সময়ে সাহায্য করা যায় তা নির্ধারণ করবেন। মালয়েশিয়ার এই তাৎক্ষণিক সাড়াকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার আশ্বাস প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান সংকট নিরসনে কোনো তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখে মালয়েশিয়া জানাবে। দ্রুত কোনো পথ বের হলে তা দেশের জ্বালানি খাতের জন্য বড় স্বস্তি হবে, আর তা না হলেও কোন বিকল্প উপায়ে তারা সহযোগিতা করতে পারে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির স্থায়ী সুযোগ ও কৌশলগত পথ নিয়ে বাংলাদেশ আগে থেকেই কাজ করে আসছে। এবার কেবল সরাসরি এলএনজি সরবরাহ পাওয়ার বিষয়ই নয়, বরং তাদের প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা, পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সম্পদ ভাগাভাগির মাধ্যমে সংকট উত্তরণে মালয়েশিয়া কীভাবে সাহায্য করতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

/আশিক


সুন্দর দেশ গড়ার দায়িত্ব নতুন প্রজন্মকেই নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৭ ১৯:৫৭:২২
সুন্দর দেশ গড়ার দায়িত্ব নতুন প্রজন্মকেই নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

সুন্দর ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলতে নতুন প্রজন্মের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, একটি আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার মূল দায়িত্ব নতুন প্রজন্মকেই সামনে থেকে এগিয়ে নিতে হবে। একই সাথে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও যেন বর্তমান প্রজন্ম নতুন সাফল্যের স্বাক্ষর রাখতে পারে, সেই প্রত্যাশার কথা প্রকাশ করেন তিনি।

সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত কিশোর-কিশোরীদের বৃহৎ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৫-২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, নানা প্রতিকূলতা ও সমস্যা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সঠিক প্রশিক্ষণ ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্মকে গড়ে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে এক সুন্দর ও টেকসই বাংলাদেশ নির্মাণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি নতুনদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, তরুণ ও কিশোরদের খেলাধুলার চর্চার পাশাপাশি পড়াশোনায় সমানভাবে মনোযোগী হতে হবে। এর পাশাপাশি নতুন প্রজন্ম তাদের মেধা অনুযায়ী ভবিষ্যতে যে পেশায় নিজেদের নিয়োজিত করতে চায়, সরকার সব সময় তাদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও সহায়তা প্রদান করবে।

বক্তব্যের শেষাংশে পরিবেশ ও জাতীয় সম্পদের সুরক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে তারেক রহমান বলেন, নতুন প্রজন্মকে শৈশব থেকেই প্রকৃতির যত্ন নেওয়া শিখতে হবে এবং একই সাথে রাষ্ট্রের যাবতীয় সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিতে হবে।

/আশিক


আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত না হলে বিনিয়োগ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৭ ১৯:৩৩:১০
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত না হলে বিনিয়োগ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি না হলে নতুন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, যেকোনো ধরনের বিনিয়োগের মূল পূর্বশর্তই হলো নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ এবং এ লক্ষ্যেই সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সোমবার চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়নিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) উন্নয়নকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, একটি দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দ্রুত শিল্পায়নের মূল ভিত্তি হলো শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা। বিনিয়োগকারীরা সবসময় তাদের পুঁজি নিরাপদ ও পরিবেশ অনুকূল রয়েছে কি না তা দেখেই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন। জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সামান্য শঙ্কা বা অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশীয় উদ্যোক্তারাও নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি নিশ্চিত করেন, সিইআইজেডসহ দেশের সব ইকোনমিক জোনের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এসব শিল্পাঞ্চলে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। একই সাথে শিল্প এলাকায় কোনো ধরনের নাশকতা বা অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না বলেও তিনি কড়া সতর্ক বার্তা দেন।

চায়নিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের চেয়ারম্যান ওয়াং বেংকিয়ান, চীনা সড়ক ও সেতু করপোরেশনের (সিআরবিসি) ভাইস প্রেসিডেন্ট লি চাংগুই, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত এইচ ই ইয়াও ইয়েন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, ভূমি ও পার্বত্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: