আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১২:০৩:২৫
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারে এক ধরনের স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বহুল ব্যবহৃত মার্কিন ডলারের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য আজ একই অবস্থানে রয়েছে। ব্যাংক এবং খোলা বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রধান প্রধান বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।

ডলার, পাউন্ড ও ইউরোর সর্বশেষ দর আজকের মুদ্রাবিনিময় হারের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রতি মার্কিন ডলার কেনা হচ্ছে ১২২ টাকা ৩০ পয়সায় এবং তা বিক্রিও হচ্ছে ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে।

অন্যদিকে, ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রে কেনা এবং বেচার মূল্যে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। প্রতি পাউন্ড আজ কেনা হচ্ছে ১৬৩ টাকা ৮৭ পয়সায় এবং বিক্রি হচ্ছে ১৬৩ টাকা ৯৭ পয়সায়। ইউরোপের একক মুদ্রা ইউরোর ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১৪২ টাকা ৩২ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৪২ টাকা ৩৪ পয়সা।

আঞ্চলিক ও অন্যান্য মুদ্রার মান আঞ্চলিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় রুপির মান আজ স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতি রুপি কেনা এবং বেচা—উভয় ক্ষেত্রেই ১ টাকা ৩৬ পয়সা দরে লেনদেন হচ্ছে। অন্যদিকে, চীনা ইউয়ানের ক্রয়মূল্য ১৭ টাকা ৫৩ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৭ টাকা ৫৪ পয়সা। জাপানিজ ইয়েনের মান আজ ০ টাকা ৭৭ পয়সায় অবস্থান করছে।

সিঙ্গাপুর এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ক্ষেত্রেও দরের কিছুটা তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে। আজ সিঙ্গাপুর ডলার কেনা হচ্ছে ৯৪ টাকা ৯৫ পয়সায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকা ০৩ পয়সায়। অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ক্রয়মূল্য ৮১ টাকা ৭৫ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ৮১ টাকা ৮২ পয়সা।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের এলসি (LC) খোলার ক্ষেত্রে এই বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের বৈশ্বিক বাজারের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে মুদ্রার এই মান পরিবর্তিত হয়ে থাকে।


উচ্চ সুদের চাপে বিনিয়োগহীন বেসরকারি খাত, স্থবিরতা কাটছে না 

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১০:১১:০৯
উচ্চ সুদের চাপে বিনিয়োগহীন বেসরকারি খাত, স্থবিরতা কাটছে না 
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের গতি ক্রমেই শ্লথ হয়ে পড়ছে, যার নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধিতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, টানা ছয় মাস ধরে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের নিচে আটকে আছে। একদিকে ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, অন্যদিকে আমানত ও ঋণের সুদের ব্যবধান বা 'স্প্রেড' অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় নতুন বিনিয়োগে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি শিল্প সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে।

বিনিয়োগ স্থবিরতার চিত্র ও বিশেষজ্ঞ মত সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দেশে নতুন বিনিয়োগ না হলে বেসরকারি খাতে ব্যাংক ঋণের চাহিদা বাড়ে না। বর্তমান ঋণ প্রবৃদ্ধি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, নতুন শিল্প স্থাপন ও সম্প্রসারণমূলক বিনিয়োগ বর্তমানে খুবই সীমিত।

এই স্থবিরতার আরও একটি বড় সূচক হলো মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির দায় নিষ্পত্তি। চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে এই আমদানির দায় নিষ্পত্তি ১৬ শতাংশের বেশি কমেছে। ব্যাংকারদের মতে, উচ্চ সুদহার, চাহিদার দুর্বলতা এবং নীতিগত ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে উদ্যোক্তারা নতুন ঋণ নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এমনকি বড় শিল্পগ্রুপগুলোর অনেক কারখানা বন্ধ বা আংশিক সক্ষমতায় চলায় নতুন করে অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তাও কমে গেছে।

অস্বাভাবিক স্প্রেড ও ঋণের উচ্চ ব্যয় বাজারভিত্তিক সুদহার ব্যবস্থার সুযোগে ব্যাংকগুলো আমানত ও ঋণের সুদের হারের ব্যবধান বা স্প্রেড অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবরে ব্যাংকগুলো গড়ে ৬.৪০ শতাংশ সুদে আমানত নিলেও ঋণ বিতরণ করেছে ১২.১৪ শতাংশ সুদে। এতে গড় স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৫.৭৪ শতাংশ, যা কিছু ব্যাংকের ক্ষেত্রে ৮ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে এই ব্যবধান অত্যন্ত চড়া। যেখানে ভারতে স্প্রেড ৩ শতাংশের মধ্যে এবং ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোতে ১ থেকে ২ শতাংশের মধ্যে থাকে, সেখানে বাংলাদেশের এই উচ্চ স্প্রেড দেশীয় পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর সম্প্রতি এক সভায় এই স্প্রেড বেড়ে যাওয়াকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে এটি সহনশীল পর্যায়ে নামিয়ে আনার তাগিদ দিয়েছেন।

উদ্যোক্তাদের সংকট ও কর্মসংস্থান ঝুঁকি বর্তমানে দেশে ঋণের সুদহার ১৪ শতাংশের উপরে পৌঁছেছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা (এসএমই), যারা সাধারণত ১০-১১ শতাংশ মুনাফা করেন, তাদের জন্য এই উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে টিকে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগে যারা ৯ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে শিল্প স্থাপন করেছিলেন, তাদের এখন ১৪-১৫ শতাংশ হারে সুদ গুনতে হচ্ছে। এর ফলে অনেকের পক্ষেই ঋণ পরিশোধ করা কঠিন হয়ে পড়ছে এবং তারা খেলাপি হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, “বিনিয়োগ কমে যাওয়াই এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় সমস্যা। বিনিয়োগ কমলে কর্মসংস্থান কমে এবং বেকারত্ব বাড়ে।” তিনি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে অর্থনৈতিক নীতির কেন্দ্রে আনার ওপর জোর দেন।

ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও নীতিনির্ধারণী প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান মূল্যস্ফীতি মূলত সরবরাহজনিত কাঠামোগত সমস্যার কারণে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শুধু সুদের হার বাড়ানোর নীতি বিনিয়োগকে আরও দুর্বল করে দিতে পারে। নতুন সরকারের জন্য বিনিয়োগের এই স্থবিরতা কাটাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

অর্থনীতিকে সচল রাখতে হলে কৃষি, এসএমই, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য স্বল্প সুদে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিনিয়োগের স্থবিরতা কাটাতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও বিনিয়োগবান্ধব সুদহার নির্ধারণ করা এখন সময়ের দাবি


আজকের স্বর্ণের দাম: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১০:০৩:৫০
আজকের স্বর্ণের দাম: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকায় বিক্রি হবে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।

কেন বাড়ল স্বর্ণের দাম বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং স্থানীয় বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বর্ণের এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বর্ণের নতুন দামের তালিকা নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, আজ থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নিচের হারে কার্যকর হবে

২২ ক্যারেট: ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা।

২১ ক্যারেট: ২ লাখ ২১ হাজার ৪৯৯ টাকা।

১৮ ক্যারেট: ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৯০ টাকা।

সনাতন পদ্ধতি: ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৮১ টাকা।

তবে বাজুস স্পষ্ট করেছে যে, স্বর্ণের এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাকে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি প্রদান করতে হবে। গহনার নকশা ও মান অনুযায়ী মজুরির এই হার কম-বেশি হতে পারে।

রুপার দামও বেড়েছে স্বর্ণের পাশাপাশি আজ থেকে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ৪০৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা।

অন্যান্য মানের রুপার দামও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে

২১ ক্যারেট: ৫ হাজার ৭১৫ টাকা।

১৮ ক্যারেট: ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা।

সনাতন পদ্ধতি: ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা।

স্বর্ণ ও রুপার এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিলেও বাজুস বলছে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়েই এই সমন্বয় করা হয়েছে।


স্বর্ণের দামে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ: মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে সোনা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ২১:৪০:০৫
স্বর্ণের দামে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ: মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে সোনা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দাম আজ সব রেকর্ড ভেঙে এক নতুন ও অকল্পনীয় উচ্চতায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নতুন দর আগামীকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে।

স্বর্ণের নতুন দরের বিস্তারিত তালিকা (প্রতি ভরি)

২২ ক্যারেট: ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা (পূর্বের চেয়ে ৪,১৯৯ টাকা বেশি)।

২১ ক্যারেট: ২ লাখ ২১ হাজার ৪৯৯ টাকা।

১৮ ক্যারেট: ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৯০ টাকা।

সনাতন পদ্ধতির সোনা: ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৮১ টাকা।

বাজুস আরও জানিয়েছে যে, স্বর্ণের এই নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাদের আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি (মেকিং চার্জ) যুক্ত করতে হবে। গয়নার নকশা ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ আরও বেশিও হতে পারে। ফলে এক ভরি ওজনের একটি অলঙ্কার কিনতে ক্রেতাকে এখন প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার কাছাকাছি খরচ করতে হতে পারে।

রুপার দামেও নজিরবিহীন উল্লম্ফন স্বর্ণের আকাশছোঁয়া দামের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রুপার দামও। এক লাফে ভরিতে ৪০৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে রুপার দাম।

নতুন দর অনুযায়ী

২২ ক্যারেট রুপা: ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা।

২১ ক্যারেট রুপা: ৫ হাজার ৭১৫ টাকা।

১৮ ক্যারেট রুপা: ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা।

সনাতন পদ্ধতির রুপা: ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা।

বিয়ের ভরা মৌসুমে স্বর্ণ ও রুপার এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচামালের সংকটের কারণে দাম এভাবে বাড়তে বাধ্য হচ্ছে। ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক মূল্যবৃদ্ধি বাংলাদেশের অলঙ্কার শিল্পের জন্য এক বড় ধরণের ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।


রেমিট্যান্সে একের পর এক ম্যাজিক: গত বছরের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেল জানুয়ারি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ২০:২৭:৩৭
রেমিট্যান্সে একের পর এক ম্যাজিক: গত বছরের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেল জানুয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম ১১ দিনেই দেশে ১৩৩ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১২ কোটি ১৫ লাখ ডলার। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই ইতিবাচক তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল মাত্র ৭৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার প্রবাসী আয়ের প্রবাহে অভাবনীয় প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তথ্যমতে, কেবল ১১ জানুয়ারি একদিনেই প্রবাসীরা দেশে ২০ কোটি ৯০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ আয়ের অন্যতম নজির। চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত সামগ্রিক প্রবাসী আয়ের হিসাব করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে ১ হাজার ৭৬০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবৃদ্ধির হার ২১.৩ শতাংশ। এর আগে গত ডিসেম্বর মাসে দেশে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা ছিল এই অর্থবছরের সর্বোচ্চ এবং দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে সরকারের প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের বাজারভিত্তিক বিনিময় হার নিশ্চিত করায় প্রবাসীরা উৎসাহিত হচ্ছেন। রেমিট্যান্সের এই উর্ধ্বমুখী ধারা বজায় থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হবে এবং আমদানি দায় মেটানো সহজ হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, প্রবাসীদের পাঠানো এই ডলারের প্রবাহ জানুয়ারি মাস জুড়ে অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় জাদুর মতো কাজ করবে।


আজকের স্বর্ণের দাম: ১২ জানুয়ারি ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১০:১১:৩২
আজকের স্বর্ণের দাম: ১২ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

আজ সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬। বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী দেশের বাজারে স্বর্ণ এখন ইতিহাসের সবথেকে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। গত শনিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার ফলে এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা খাঁটি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার রাত থেকেই কার্যকর হওয়া এই বর্ধিত মূল্যেই আজ দেশের জুয়েলারি দোকানগুলোতে লেনদেন হচ্ছে।

নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, সবচেয়ে উন্নত মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। এছাড়া সাধারণ মানুষের পছন্দের অন্যান্য ক্যারেটের দামও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, যা আগে কয়েক হাজার টাকা কম ছিল। ১৮ ক্যারেটের ক্ষেত্রে প্রতি ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকায়।

তবে স্বর্ণের এই উচ্চমূল্যের সঙ্গে ক্রেতাদের আরও কিছু বাড়তি খরচ যোগ করতে হবে। বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। গহনার নকশা ও মানভেদে এই মজুরি আরও বাড়তে পারে। ফলে এক ভরি গহনা কিনতে ক্রেতার প্রকৃত খরচ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্বর্ণের বাজারে উত্তাপ থাকলেও কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে রুপার বাজার। গত ৮ জানুয়ারি রুপার দাম ভরিতে ৩৮৫ টাকা কমানো হয়েছিল, যা আজও বহাল রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ৩০৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৫৪৯ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা বজায় থাকলে স্বর্ণের দাম নিকট ভবিষ্যতে কমার সম্ভাবনা খুবই কম।


লুটপাট ও দুর্নীতির ভয় কাটিয়ে ব্যাংকমুখী গ্রাহক: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চাঞ্চল্যকর তথ্য

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ০৯:৫৫:৫৭
লুটপাট ও দুর্নীতির ভয় কাটিয়ে ব্যাংকমুখী গ্রাহক: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চাঞ্চল্যকর তথ্য
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবর মাসে মানুষের হাতে থাকা নগদ টাকার পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার ২৭৪ কোটি টাকা কমেছে। সেপ্টেম্বরে যেখানে সাধারণ মানুষের হাতে নগদ টাকার পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৭৪ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা, সেখানে অক্টোবরে তা নেমে এসেছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৪৯ কোটি টাকায়। একই সময়ে ছাপানো টাকা বা রিজার্ভ মানিও প্রায় ৭ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা কমেছে, যা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নজিরবিহীন লুটপাট, অনিয়ম এবং দুর্নীতির কারণে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। আস্থার সংকটে পড়ে অনেক গ্রাহকই তাঁদের আমানত তুলে বাড়িতে রাখতে শুরু করেন, যার ফলে ব্যাংকগুলো তীব্র তারল্য সংকটে পড়ে। তবে ২০২৫ সালের আগস্ট পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারমূলক পদক্ষেপের ফলে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। বিশেষ করে সেপ্টেম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে মানুষের হাতে থাকা টাকা ব্যাংকে ফিরে আসতে শুরু করেছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য একটি শক্তিশালী সংকেত।

মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান এই পরিবর্তনকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, “ঘরে পড়ে থাকা টাকা অর্থনীতির কোনো উপকারে আসে না। এই টাকা যখন ব্যাংকে ফেরে, তখন তা শিল্পায়ন ও নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।” তবে এই আস্থা ধরে রাখতে ব্যাংক খাতে অনিয়ম বন্ধ করা এবং পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার ওপর তিনি জোর দেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন যে, মানুষের ভয় এখন অনেকটাই কমেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে ব্যাংকগুলোকে সুশাসন নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে। গ্রাহকদের আস্থা নষ্ট হয় এমন কোনো কার্যক্রম গ্রহণ না করার জন্য কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যাশা, আগামী দিনগুলোতে ব্যাংকিং খাতে তারল্য পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে গতির সঞ্চার হবে।

সূত্র: কালের কণ্ঠ


রেমিট্যান্স ও ডলার বাজার: আজকের বৈদেশিক মুদ্রার দর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১১:৫২:৩৮
রেমিট্যান্স ও ডলার বাজার: আজকের বৈদেশিক মুদ্রার দর
ছবি : সংগৃহীত

আজ রোববার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬-এর মুদ্রাবাজার পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে।

আজকের বাজারে প্রতি মার্কিন ডলার কেনা হচ্ছে ১২২ টাকা ২৯ পয়সায় এবং বিক্রি করা হচ্ছে ১২২ টাকা ৩০ পয়সায়।

ইউরোপীয় দেশগুলোর মুদ্রা ইউরোর ক্ষেত্রে দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী, যেখানে প্রতিটি ইউরো কিনতে গ্রাহককে গুনতে হচ্ছে ১৪৩ টাকা ৩১ পয়সা এবং বিক্রি হচ্ছে ১৪৩ টাকা ৩৫ পয়সায়।

যুক্তরাজ্যের মুদ্রা ব্রিটিশ পাউন্ডের দর আজ বেশ চড়া; এর কেনা দাম ১৬৪ টাকা ৫৫ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৪ টাকা ৬৬ পয়সা।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের মুদ্রার ক্ষেত্রে আজ কোনো বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতিটি ভারতীয় রুপি আজ ১ টাকা ৩৬ পয়সায় কেনা ও ১ টাকা ৩৬ পয়সাতেই বিক্রি করা হচ্ছে।

অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার অন্যান্য দেশের মুদ্রার মধ্যে সিঙ্গাপুর ডলারের কেনা দাম ৯৫ টাকা ০৩ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ৯৫ টাকা ১২ পয়সা।

অস্ট্রেলিয়ান ডলারের বিনিময় হার আজ কেনা হচ্ছে ৮১ টাকা ৮৫ পয়সায় এবং বিক্রি করা হচ্ছে ৮১ টাকা ৮৭ পয়সায়। প্রবাসী আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে এই মুদ্রার দরগুলোর দিকে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীরা।

পূর্ব এশিয়ার মুদ্রাবাজারে আজ চীনা ইউয়ান কেনা হচ্ছে ১৭ টাকা ৫৪ পয়সায় এবং বিক্রি হচ্ছে ১৭ টাকা ৫৫ পয়সায়।

জাপানি ইয়েন আজ ০ টাকা ৭৮ পয়সা দরে কেনাবেচা হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, মুদ্রার এই বিনিময় হার ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ ভেদে সামান্য কমবেশি হতে পারে। রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারি প্রণোদনার হিসাবটি আলাদাভাবে যুক্ত হবে। দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে মুদ্রাবাজার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।


আজকের স্বর্ণের দাম: ১১ জানুয়ারি ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ০৯:২৭:২১
আজকের স্বর্ণের দাম: ১১ জানুয়ারি ২০২৬

স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা যেন কাটছেই না। আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে সরাসরি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়ানো হবে। এর ফলে আজ ১১ জানুয়ারি থেকে সব থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। বর্তমান এই দামটি দেশের ইতিহাসে অন্যতম সর্বোচ্চ দরের একটি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্বর্ণের দাম বাড়লেও স্বস্তির খবর হলো রুপার দাম আপাতত অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাজুসের নতুন নির্ধারিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম এখন ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া যারা সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ কিনতে চান, তাদের প্রতি ভরির জন্য ব্যয় করতে হবে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা। উল্লেখ্য যে, স্বর্ণের এই বিক্রয়মূল্যের সাথে জুয়েলার্সদের নির্ধারিত মজুরি এবং সরকারি ভ্যাট যুক্ত হবে, যা চূড়ান্ত ক্রয়ের ক্ষেত্রে দাম আরও কিছুটা বাড়িয়ে দেবে। বিশ্ববাজারে সোনার সরবরাহ এবং ডলারের বিনিময় হারের অস্থিরতা এই মূল্য বৃদ্ধির পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

অন্যদিকে রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন না আসায় কিছুটা স্বস্তিতে আছেন সাধারণ ক্রেতারা। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৯২৫ টাকাতেই স্থিতিশীল রয়েছে। একইভাবে ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৪ হাজার ৮৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৬৩৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিয়ের মৌসুম চলায় স্বর্ণের এমন উচ্চমূল্য মধ্যবিত্ত পরিবারের গয়না কেনার বাজেটে বড় ধরণের প্রভাব ফেলবে। স্বর্ণের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আগামী দিনগুলোতে বজায় থাকবে কি না, তা নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তেজাবি স্বর্ণের মজুতের ওপর।


বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত: ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ২১:৫০:৫৩
বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত: ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও এক দফা বাড়িয়ে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬) রাতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা এই দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী প্রতি ভরি অর্থাৎ ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম কিছুটা কমানো হলেও মাত্র দুই দিনের মাথায় আবার তা বাড়িয়ে দেওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বাজুসের নতুন মূল্য তালিকায় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকায়। বাজুস স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে গহনা বিক্রির সময় এই মূল্যের সঙ্গে সরকারকে আবশ্যিকভাবে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং সংগঠন কর্তৃক নির্ধারিত সর্বনিম্ন ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মান অনুযায়ী মজুরির এই হার ভিন্ন হতে পারে যা ক্রেতাদের মাথায় রাখা প্রয়োজন।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়েছিল যা ৯ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছিল। কিন্তু সেই স্বস্তি ৪৮ ঘণ্টাও স্থায়ী হয়নি। বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় তেজাবি স্বর্ণের সংকটের কারণে বাজুস ফের দাম বাড়ানোর পথে হেঁটেছে। বিয়ে বা অন্যান্য উৎসবের এই মৌসুমে স্বর্ণের এমন ঊর্ধ্বগতি মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য গহনা কেনাকে একটি চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত