মার্জিন ঋণে বিনিয়োগযোগ্য শেয়ারের হালনাগাদ তালিকা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১০:১৯:০৫
মার্জিন ঋণে বিনিয়োগযোগ্য শেয়ারের হালনাগাদ তালিকা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (Dhaka Stock Exchange PLC) মার্জিন ঋণের আওতায় বিনিয়োগযোগ্য শেয়ারের একটি হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে, যা পুঁজিবাজারে সক্রিয় বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ সকাল ১০টা ১৬ মিনিটে প্রকাশিত এই তালিকায় মোট ১২৬টি কোম্পানির শেয়ার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেগুলো মার্জিন ফাইন্যান্স সুবিধার জন্য প্রাথমিকভাবে যোগ্য বলে মূল্যায়িত হয়েছে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর বড় অংশই ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত, যেখানে আর্থিক ভিত্তি তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী এবং নিয়মিত লভ্যাংশ প্রদানের রেকর্ড রয়েছে। পাশাপাশি সীমিতসংখ্যক ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানিকেও এই তালিকায় রাখা হয়েছে, তবে শর্ত ছিল সর্বশেষ অর্থবছরে কমপক্ষে ৫ শতাংশ লভ্যাংশ বিতরণ করা।

এই তালিকায় ব্যাংক, বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ওষুধ, টেলিযোগাযোগ, জ্বালানি, ভোক্তা পণ্য, টেক্সটাইল ও শিল্পখাতের শীর্ষস্থানীয় বহু কোম্পানির নাম রয়েছে। ব্যাংক খাত থেকে ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো মার্জিন ফাইন্যান্সযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এসব ব্যাংকের আর্থিক সূচক ও বাজার মূলধন মার্জিন ঋণের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সহায়ক।

বিমা খাতে এই তালিকায় উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, জনপ্রিয় লাইফ ইন্স্যুরেন্স, তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সসহ অসংখ্য জীবন ও সাধারণ বিমা কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়েছে। এতে প্রতিফলিত হয়েছে বিমা খাতের বিস্তৃত অংশগ্রহণ এবং মার্জিন লেনদেনে এই খাতের গুরুত্ব।

ওষুধ শিল্প থেকেও শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, রেনাটা, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস, আইবিএন সিনা ফার্মা এবং বীকন ফার্মাসিউটিক্যালসের মতো কোম্পানিগুলো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, স্থিতিশীল আয়ের ধারা ও উচ্চ বাজার মূলধনের কারণে ওষুধ খাত মার্জিন বিনিয়োগে তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত।

টেলিযোগাযোগ ও ভোক্তা পণ্য খাতে গ্রামীণফোন, রবি আজিয়াটা, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ এবং মারিকো বাংলাদেশের মতো বহুজাতিক ও শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির উপস্থিতি এই তালিকাকে আরও শক্তিশালী করেছে। এসব কোম্পানির ফ্রি ফ্লোট মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন এবং আয়ের ধারাবাহিকতা মার্জিন ফাইন্যান্সের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।

শিল্প ও উৎপাদন খাত থেকে বিএসআরএম স্টিলস, বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস, ক্রাউন সিমেন্ট, কনফিডেন্স সিমেন্ট, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, ওয়ালটন হাই–টেক ইন্ডাস্ট্রিজ এবং রানার অটোমোবাইলসের মতো কোম্পানি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এতে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে ভারী শিল্প ও অবকাঠামো সংশ্লিষ্ট শেয়ারগুলোও মার্জিন বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ডিএসই জানিয়েছে, এই তালিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে ট্রেইলিং প্রাইস–টু–আর্নিং (P/E) রেশিও, ফ্রি ফ্লোট মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন এবং সর্বশেষ প্রকাশিত আয় প্রতিবেদনকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। যেসব কোম্পানির টানা চার প্রান্তিকের আয়ের তথ্য পাওয়া যায়নি, সেক্ষেত্রে সর্বশেষ ঘোষিত আয়কে বার্ষিকীকরণ করে P/E রেশিও নির্ধারণ করা হয়েছে।

-রফিক


ডিএসই–৩০ শেয়ারে মিশ্র সূচনা, ব্যাংক খাতে ইতিবাচক ধারা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১০:১৫:২৩
ডিএসই–৩০ শেয়ারে মিশ্র সূচনা, ব্যাংক খাতে ইতিবাচক ধারা
ছবি: সংগৃহীত

১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেন শুরুর প্রথম দেড় ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ডিএসই–৩০ সূচকভুক্ত শেয়ারগুলোর পারফরম্যান্সে মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। ব্লু–চিপ ও বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটিতে সীমিত পরিসরে দরবৃদ্ধি দেখা গেলেও কিছু শেয়ারে আবার মুনাফা গ্রহণের চাপ স্পষ্ট হয়েছে। লেনদেনের গতি তুলনামূলকভাবে ধীর থাকলেও নির্দিষ্ট কয়েকটি শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ চোখে পড়েছে।

ভোক্তা পণ্য ও বহুজাতিক কোম্পানির মধ্যে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানির শেয়ার সর্বশেষ লেনদেনে ২৫১ টাকা ৬০ পয়সায় হাতবদল হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় সামান্য ঊর্ধ্বমুখী। একই সময়ে গ্রামীণফোনের শেয়ারে হালকা দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ২৫০ টাকা ৫০ পয়সায়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, টেলিকম ও বহুজাতিক খাতে বিনিয়োগকারীরা এখন অপেক্ষাকৃত রক্ষণশীল অবস্থান নিয়েছেন।

ব্যাংক খাতে আজ সকালের লেনদেনে তুলনামূলক ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার ৬৭ টাকায় লেনদেন হয়ে আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে, একইভাবে সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক এবং পূবালী ব্যাংকের শেয়ারে সীমিত দরবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে পূবালী ব্যাংকের শেয়ারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ লেনদেন হয়েছে, যা ব্যাংক খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ওষুধ ও ফার্মাসিউটিক্যালস খাতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ারে প্রায় ১.৮ শতাংশ দরবৃদ্ধি হলেও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ারে লেনদেন সীমিত পরিসরে ঘোরাফেরা করেছে। রেনেটা ও অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেলেও লেনদেনের পরিমাণ ছিল তুলনামূলকভাবে কম।

বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারে সামান্য দরপতন দেখা গেছে, যেখানে আইডিএলসি ও লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের শেয়ারে সীমিত দরবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বাজার অস্থিরতার পর বিনিয়োগকারীরা এই খাতে ধীরে ও হিসেবি সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

জ্বালানি ও রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের শেয়ারগুলোর মধ্যে যমুনা অয়েল ও পদ্মা অয়েলের শেয়ারে হালকা দরবৃদ্ধি দেখা গেছে, যা সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানির শেয়ারে নিরাপদ বিনিয়োগ প্রবণতার প্রতিফলন বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট ও হাইডেলবার্গ গ্রুপ সংশ্লিষ্ট শেয়ারে আজ সকালের লেনদেন স্থবির ছিল।

উচ্চমূল্যের শেয়ারগুলোর মধ্যে ওয়ালটন হাই–টেক ইন্ডাস্ট্রিজ, লিন্ডে বাংলাদেশ এবং কোহিনূর কেমিক্যালসের শেয়ারে সামান্য ওঠানামা দেখা গেছে। কোহিনূরের শেয়ারে দরপতন লক্ষ্য করা গেলেও ওয়ালটনের শেয়ার তুলনামূলক স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছে।

ডিএসই–৩০ সূচকে অন্তর্ভুক্ত কিছু শেয়ারে এখনো কোনো লেনদেন হয়নি, যেমন বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস, বিএসসি পিএলসি, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট এবং ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস। এসব শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের অপেক্ষমাণ অবস্থান বাজারের সতর্ক মনোভাবকেই তুলে ধরছে।

-রফিক


তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স এর ক্রেডিট রেটিং এ চমক

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১০:০৯:২৫
তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স এর ক্রেডিট রেটিং এ চমক
ছবি: সংগৃহীত

তালিকাভুক্ত বিমা কোম্পানি তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড আর্থিক সক্ষমতা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে শক্ত অবস্থানের স্বীকৃতি পেয়েছে। দেশের অন্যতম স্বীকৃত রেটিং প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর) কোম্পানিটির দীর্ঘমেয়াদি ক্রেডিট রেটিং নির্ধারণ করেছে সর্বোচ্চ স্তর ‘এএএ (AAA)’ এবং স্বল্পমেয়াদি রেটিং দিয়েছে ‘এসটি–১ (ST-1)’। পাশাপাশি, কোম্পানিটির ভবিষ্যৎ আর্থিক দৃষ্টিভঙ্গিকে স্থিতিশীল (Stable Outlook) হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

এই রেটিং নির্ধারণের ক্ষেত্রে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এনসিআর। রেটিং সংস্থাটির মূল্যায়নে কোম্পানিটির মূলধন কাঠামো, দাবি পরিশোধ সক্ষমতা, তারল্য পরিস্থিতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো এবং সামগ্রিক পরিচালন দক্ষতাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ রেটিং কোনো কোম্পানির আর্থিক স্থিতিশীলতা ও দায় পরিশোধ সক্ষমতার সর্বোচ্চ মানদণ্ড নির্দেশ করে। একই সঙ্গে স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি–১’ রেটিং পাওয়া মানে হলো তাৎক্ষণিক দায় পরিশোধে প্রতিষ্ঠানটির ঝুঁকি অত্যন্ত কম এবং তারল্য অবস্থান শক্তিশালী।

-রফিক


ডিএসই পরিদর্শনে পাঁচ কোম্পানির কারখানা বন্ধ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১০:০৪:৩৩
ডিএসই পরিদর্শনে পাঁচ কোম্পানির কারখানা বন্ধ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (Dhaka Stock Exchange PLC) তালিকাভুক্ত একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কারখানা পরিদর্শনের মাধ্যমে তাদের বাস্তব কার্যক্রমের বর্তমান চিত্র প্রকাশ করেছে। ১৩ জানুয়ারি প্রকাশিত পৃথক নোটিশগুলোতে দেখা যায়, কয়েকটি কোম্পানির উৎপাদন কার্যক্রম আংশিক কিংবা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য উদ্বেগের নতুন ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ডিএসইর একটি পরিদর্শক দল গত বছরের ৩ ও ৪ নভেম্বর আশুলিয়া, সাভার এবং নরসিংদীর পলাশ এলাকায় অবস্থিত ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড–এর কারখানা পরিদর্শন করে। পরিদর্শনে দেখা যায়, আশুলিয়া ও সাভারের ইউনিটটি চালু থাকলেও নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত কারখানাটি বন্ধ পাওয়া যায়। উৎপাদনের এই দ্বৈত চিত্র প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক কার্যক্রম ও ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।(Dominage Steel Building Systems Limited)

একই দিনে প্রকাশিত আরেকটি নোটিশে জানানো হয়, ডিএসইর একটি দল গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেড–এর কারখানা পরিদর্শন করে এবং সেখানে কোনো ধরনের উৎপাদন কার্যক্রম চালু পাওয়া যায়নি। দেশের রপ্তানিনির্ভর ডেনিম ও তৈরি পোশাক খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ কোম্পানির কারখানা বন্ধ থাকা শিল্পখাতের সামগ্রিক চাপের প্রতিফলন বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।(Pacific Denims Limited)

এদিকে, সিমেন্ট খাতের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান আরামিট সিমেন্ট লিমিটেড–এর কারখানাও ডিএসইর পরিদর্শনে বন্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে। গত ২২ জুলাই ২০২৫ তারিখে পরিদর্শনের সময় কোম্পানিটির উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি স্থগিত ছিল। নির্মাণ খাতের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এই প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বন্ধ থাকা অবকাঠামো ও নির্মাণ সংশ্লিষ্ট বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।(Aramit Cement Limited)

একই ধারাবাহিকতায়, টেক্সটাইল ও নিটওয়্যার খাতের কোম্পানি নুরানি ডাইং অ্যান্ড সুয়েটার লিমিটেড–এর কারখানাও গত ২১ জুলাই ২০২৫ তারিখে ডিএসই পরিদর্শনে বন্ধ পাওয়া যায়। রং ও সুয়েটার উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শ্রমিক, সরবরাহকারী এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ঝুঁকির বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।(Nurani Dyeing & Sweater Limited)

স্টিল খাতের আরেকটি তালিকাভুক্ত কোম্পানি রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড–এর কারখানাও ডিএসইর পরিদর্শনে উৎপাদন বন্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে। গত ২০ জুলাই ২০২৫ তারিখে পরিদর্শনের সময় প্রতিষ্ঠানটির কোনো ধরনের উৎপাদন কার্যক্রম চালু ছিল না বলে জানানো হয়, যা ইস্পাত খাতের সামগ্রিক চাহিদা ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।(Ratanpur Steel Re-Rolling Mills Limited)

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, একাধিক তালিকাভুক্ত কোম্পানির কারখানা দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকা কেবল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক দুর্বলতার ইঙ্গিতই নয়, বরং দেশের শিল্পখাতে চলমান চাপ ও ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তারও প্রতিফলন। তারা মনে করছেন, নিয়মিত কারখানা পরিদর্শনের মাধ্যমে ডিএসই যে বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে, তা বাজারে স্বচ্ছতা ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হবে।

-রফিক


১২ জানুয়ারি ডিএসইর পূর্ণাঙ্গ শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১৫:১০:৫৩
১২ জানুয়ারি ডিএসইর পূর্ণাঙ্গ শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

১২ জানুয়ারি ২০২৬, সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষ হয়েছে স্পষ্ট নেতিবাচক প্রবণতার মধ্য দিয়ে। দিনভর লেনদেন হওয়া মোট ৩৯৩টি সিকিউরিটিজের মধ্যে দর কমেছে ১৭৫টির, বিপরীতে দর বেড়েছে ১৪০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৭৮টির। সংখ্যাগত এই চিত্রই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বাজারজুড়ে বিক্রয়চাপই দিনটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে।

এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর মধ্যেও চাপের চিত্র স্পষ্ট। এই ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ২০৭টি শেয়ারের মধ্যে দর কমেছে ৮৭টির, বেড়েছে ৭৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪৫টি। তুলনামূলক ভালো মৌলভিত্তি থাকা সত্ত্বেও এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতেও বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান বাজারের আস্থাহীনতাকে আরও দৃশ্যমান করেছে।

বি ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ৮১টি শেয়ারের মধ্যে দর বেড়েছে ৩৪টির, কমেছে ৩৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১২টি। এই ক্যাটাগরিতে দর বাড়া ও কমার সংখ্যা প্রায় সমান হলেও সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতির প্রভাব এখানেও পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে জেড ক্যাটাগরিতে পরিস্থিতি ছিল আরও দুর্বল। এই ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ১০৫টি শেয়ারের মধ্যে দর কমেছে ৫৩টির, বিপরীতে দর বেড়েছে মাত্র ৩১টির, যা ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ার থেকে বিনিয়োগকারীদের দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতাকে নির্দেশ করে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও নেতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা গেছে। লেনদেন হওয়া ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর কমেছে ৮টির, বেড়েছে ৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২০টি। নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত এই খাতে এমন চিত্র বাজারের সামগ্রিক দুর্বলতার প্রতিফলন বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

করপোরেট বন্ড ও সরকারি সিকিউরিটিজেও চাপের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। করপোরেট বন্ড খাতে লেনদেন হওয়া তিনটির মধ্যে একটি বেড়েছে, একটি কমেছে এবং একটি অপরিবর্তিত ছিল। সরকারি সিকিউরিটিজে লেনদেন হওয়া চারটির সবকটিতেই দরপতন দেখা গেছে, যা ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগ মাধ্যমেও বিক্রয়চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দিনের মোট লেনদেন পরিসংখ্যানেও বাজারের সতর্ক মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে। এদিন মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৪৪৫টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮ লাখের বেশি এবং আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৫২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই লেনদেনের পরিমাণ খুব বেশি শক্তিশালী নয় এবং এটি বিনিয়োগকারীদের অপেক্ষমাণ অবস্থানেরই ইঙ্গিত বহন করে।

বাজার মূলধনের দিক থেকেও দিনটি ছিল চাপপূর্ণ। ইকুইটি খাতে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৪ কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ডে প্রায় ২ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা এবং ঋণপত্র খাতে বাজার মূলধন ছাড়িয়েছে ৩৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। সব মিলিয়ে মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ ৯ হাজার ২২২ কোটি টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা কমেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দিনটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ব্লক মার্কেট লেনদেন। এদিন ব্লকে ২০টি কোম্পানির মোট ৫০টি লেনদেনে প্রায় ১৩৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। ব্লক লেনদেনে সবচেয়ে বেশি মূল্যমানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে FINEFOODS–এ, যেখানে প্রায় ৪১ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। এছাড়া GQBALLPEN, PRIMELIFE, CLICL এবং SAPORTL–এর মতো শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য অঙ্কের ব্লক লেনদেন লক্ষ্য করা গেছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সীমিত কিন্তু লক্ষ্যভিত্তিক অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক তারল্য সংকট, নীতিগত অনিশ্চয়তা, আর্থিক খাতের দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা এবং স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এই বাজার পরিস্থিতির পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। তারা মনে করছেন, বাজারে আস্থা ফেরাতে নীতিগত স্থিতিশীলতা ও কার্যকর সংস্কার ছাড়া বিনিয়োগকারীদের আক্রমণাত্মক অংশগ্রহণ ফিরে আসা কঠিন হবে।

-রফিক


১২ জানুয়ারি ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১৫:০১:০০
১২ জানুয়ারি ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

১২ জানুয়ারি ২০২৬, সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শেষ পর্যায়ে একাধিক শেয়ারে তীব্র দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা ও আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। দিনভর মিশ্র প্রবণতা থাকলেও শেষ দিকে বিক্রয়চাপ বেড়ে যাওয়ায় বেশ কয়েকটি শেয়ার আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য দর হারিয়ে লেনদেন শেষ করেছে। বিশেষ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতভুক্ত শেয়ারগুলোতে এই চাপ ছিল বেশি, যা সামগ্রিক বাজার মনোভাবকে নেতিবাচক দিকে ঠেলে দিয়েছে।

দিনের সবচেয়ে বড় দরপতনের শিকার হয়েছে PREMIERLEA শেয়ারটি। শেয়ারটির ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ০.৩৬ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ০.৪০ টাকা থেকে সরাসরি ১০ শতাংশ কম। দিনজুড়ে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ০.৪০ টাকা এবং সর্বনিম্ন দর নেমে আসে ০.৩৬ টাকায়, যেখানে বিক্রয়চাপই পুরো লেনদেনকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। একইভাবে PRIMEFIN শেয়ারটিও সর্বোচ্চ অনুমোদিত সীমা হারিয়েছে। শেয়ারটির ক্লোজিং দর হয়েছে ০.৮১ টাকা, যা আগের দিনের ০.৯০ টাকা থেকে ১০ শতাংশ কম, ফলে স্বল্পমূল্যের এই শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির মাত্রা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আর্থিক খাতের দুর্বল চিত্র আরও স্পষ্ট হয়েছে FAREASTFIN ও ILFSL শেয়ারের দরপতনের মাধ্যমে। FAREASTFIN শেয়ারটির ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ০.৩৭ টাকা, যা আগের দিনের ০.৪১ টাকা থেকে প্রায় ৯.৭৬ শতাংশ কম। একই হারে দর কমেছে ILFSL শেয়ারেও, যার ক্লোজিং দর ছিল ০.৩৭ টাকা এবং আগের দিনের দর ছিল ০.৪১ টাকা। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে অনিশ্চয়তাই বিনিয়োগকারীদের বিক্রিমুখী করেছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও এই নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। ICBAMCL2ND মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ৫.০০ টাকা, যা আগের দিনের ৫.৫০ টাকা থেকে প্রায় ৯.০৯ শতাংশ কম। সাধারণত তুলনামূলক নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত মিউচুয়াল ফান্ডে এমন দরপতন বাজারের সামগ্রিক দুর্বলতাকেই প্রতিফলিত করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

অন্যদিকে FASFIN শেয়ারটির দর কমে ক্লোজিং হয়েছে ০.৪২ টাকা, যা আগের দিনের ০.৪৬ টাকা থেকে প্রায় ৮.৭০ শতাংশ কম। দিনজুড়ে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ০.৪১ টাকা। একই ধারায় BIFC শেয়ারটির ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ১.১০ টাকা, যা আগের দিনের ১.২০ টাকা থেকে প্রায় ৮.৩৩ শতাংশ কম। এই দুটি শেয়ারে দিনের বেশিরভাগ সময় বিক্রয়চাপ থাকায় ক্রয়াদেশ তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে।

তুলনামূলক উচ্চ মূল্যমানের শেয়ার KBPPWBIL–ও বিক্রয়চাপ থেকে রেহাই পায়নি। শেয়ারটির ক্লোজিং দর হয়েছে ৪২.০০ টাকা, যা আগের দিনের ৪৫.৩০ টাকা থেকে প্রায় ৭.২৮ শতাংশ কম। দিনজুড়ে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ৪৫.৫০ টাকা এবং সর্বনিম্ন দর নেমে আসে ৪১.০০ টাকায়, যা বড় বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

পতনের তালিকায় আরও রয়েছে APOLOISPAT ও CAPMIBBLMF। APOLOISPAT শেয়ারটির ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ১.৭০ টাকা, যা আগের দিনের ১.৮০ টাকা থেকে প্রায় ৫.৫৬ শতাংশ কম। একইভাবে CAPMIBBLMF মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের দর কমে হয়েছে ৭.৬০ টাকা, যা আগের দিনের ৮.০০ টাকা থেকে ৫ শতাংশ কম। যদিও এই দুটি শেয়ারের দরপতনের হার তুলনামূলকভাবে কম, তবে সামগ্রিক বাজার প্রবণতার সঙ্গে এগুলোও নেতিবাচক ধারায় রয়েছে।

-রফিক


১২ জানুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধির তালিকা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১৪:৫৭:৩৫
১২ জানুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধির তালিকা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সোমবার (১২ জানুয়ারি ২০২৬) লেনদেন শেষে ক্লোজিং প্রাইস ও আগের কার্যদিবসের সমাপনী দর (YCP) বিবেচনায় শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সার্বিক বাজারে চাপ ও মিশ্র প্রবণতার মধ্যেও এই শেয়ারগুলো তুলনামূলকভাবে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে সিএলআইসিএল (CLICL)। কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের ৫৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩ টাকা ৮০ পয়সায়। দিনজুড়ে সর্বোচ্চ ৬৪ টাকা ৩০ পয়সা পর্যন্ত ওঠানামা করা শেয়ারটি প্রায় ৭ দশমিক ২৩ শতাংশ দরবৃদ্ধি অর্জন করে তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স (CRYSTALINS) শেয়ারের দর বেড়েছে প্রায় ৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ। আগের দিনের ৬১ টাকা ৬০ পয়সা থেকে শেয়ারটির সমাপনী দর দাঁড়িয়েছে ৬৫ টাকা ১০ পয়সায়। বিমা খাতের এই শেয়ারে দিনভর স্থিতিশীল ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা গেছে।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে এমএইচএসএমএল (MHSML)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ১৩ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বেড়ে ১৪ টাকা ৪০ পয়সায় পৌঁছেছে, যা প্রায় ৫ দশমিক ১১ শতাংশ বৃদ্ধিকে নির্দেশ করে। তুলনামূলক কম দরের এই শেয়ারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে থাকা সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স (CENTRALINS) এবং পুবালী ব্যাংক (PUBALIBANK) যথাক্রমে ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ ও ৪ দশমিক ২১ শতাংশ দরবৃদ্ধি দেখিয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংক খাতের শেয়ারে আজ সীমিত হলেও ইতিবাচক মনোভাব ফিরে এসেছে বলে বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা।

মিউচুয়াল ফান্ড খাত থেকে গ্রিন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড (GREENDELMF) তালিকার ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। ফান্ডটির ইউনিট দর ২ টাকা ৮০ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৯০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যা প্রায় ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি।

এ ছাড়া ইসলামী ব্যাংক (ISLAMIBANK), লাভেলো (LOVELLO), আইএফআইসি ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড-১ (IFILISLMF1) এবং নাহি অ্যাগ্রো (NAHEEACP) যথাক্রমে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ, ৩ দশমিক ০৪ শতাংশ, ৩ দশমিক ০৩ শতাংশ এবং ২ দশমিক ৮৪ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে আজকের টপ টেন গেইনার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

-রফিক


শেয়ারহোল্ডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্পট নিউজ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১২:৫৪:৪৭
শেয়ারহোল্ডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্পট নিউজ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ICICL এবং AL-HAJTEX–এই দুই তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন সাময়িকভাবে শুধু স্পট মার্কেটে সীমাবদ্ধ থাকবে। কর্পোরেট অ্যাকশন ও রেকর্ড ডেটকে কেন্দ্র করে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, ১৩ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত আইসিআইসিএলের শেয়ার কেবলমাত্র স্পট মার্কেটে লেনদেনযোগ্য হবে। একই সময়ে ব্লক ট্রানজাকশনও স্পট সেটেলমেন্ট সাইকেল অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে। এর ফলে নির্ধারিত সময়ের বাইরে স্বাভাবিক মার্কেটে শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ থাকবে না।

এছাড়া আইসিআইসিএলের ক্ষেত্রে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে নির্ধারিত এক্সট্রা-অর্ডিনারি জেনারেল মিটিং (EGM) উপলক্ষে ওই দিন শেয়ারের লেনদেন সম্পূর্ণভাবে স্থগিত থাকবে। রেকর্ড ডেটের কারণে ওই দিন কোনো ধরনের ট্রেডিং কার্যক্রম চালু থাকবে না।

অন্যদিকে, আল-হাজ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের (AL-HAJTEX) শেয়ারের ক্ষেত্রেও ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত লেনদেন কেবল স্পট মার্কেটে সীমাবদ্ধ থাকবে। এই সময়ে ব্লক ট্রানজাকশন কিউম বেনিফিটসহ স্পট সেটেলমেন্ট সাইকেলে সম্পন্ন হবে, যা শেয়ারহোল্ডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।

ডিএসই আরও জানিয়েছে, আল-হাজ টেক্সের শেয়ারের ক্ষেত্রেও ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ রেকর্ড ডেট হওয়ায় ওই দিন শেয়ার কেনাবেচা বন্ধ থাকবে। ফলে যাঁরা কর্পোরেট সুবিধা পেতে আগ্রহী, তাঁদের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্পট মার্কেট সংক্রান্ত এ ধরনের ঘোষণায় সেটেলমেন্ট সাইকেল, কিউম/এক্স বেনিফিট ও রেকর্ড ডেট–এই তিনটি বিষয় স্পষ্টভাবে বুঝে নেওয়া বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। কারণ সময়সীমা ও শর্তাবলি মেনে না চললে প্রত্যাশিত কর্পোরেট সুবিধা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

-রফিক


মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের Q2 প্রকাশ এবং সংশোধন

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১২:৪৫:৫৯
মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের Q2 প্রকাশ এবং সংশোধন
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (MIRACLEIND) তাদের ২০২৫–২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক ও অর্ধবার্ষিক (জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি একই দিনে প্রকাশিত আগের ঘোষণার কিছু অংশ সংশোধিত (Revised) হিসেবেও জানিয়েছে কোম্পানিটি, যাতে ইপিএস (EPS) ও পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ (NOCFPS) সংক্রান্ত সংখ্যা হালনাগাদ করা হয়।

কোম্পানির সর্বশেষ (সংশোধিত) তথ্যমতে, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ প্রান্তিকে ইপিএস দাঁড়িয়েছে মাইনাস ০.৬১ টাকা, যেখানে অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৪ প্রান্তিকে ইপিএস ছিল মাইনাস ০.১৮ টাকা। একই সঙ্গে জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৫ ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে মাইনাস ১.৩৮ টাকা, যা জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৪ ছয় মাসের মাইনাস ০.৯৯ টাকা থেকে আরও দুর্বল অবস্থান নির্দেশ করে।

নগদ প্রবাহের ক্ষেত্রে কোম্পানি জানিয়েছে, জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৫ সময়ে NOCFPS (প্রতি শেয়ারে পরিচালন নগদ প্রবাহ) মাইনাস ০.১৩ টাকা, আর আগের বছরের একই সময়ে এটি ছিল মাইনাস ১.৪৯ টাকা। অর্থাৎ, পরিচালন নগদ প্রবাহ এখনও ঋণাত্মক থাকলেও তুলনামূলকভাবে ঘাটতি কমেছে, যা ক্যাশফ্লো ব্যবস্থাপনায় কিছুটা উন্নতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যেতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫ তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (NAV) ৯.৯৪ টাকা, যা জুন ৩০, ২০২৫ তারিখে ১১.৩২ টাকা ছিল। NAV কমে আসা মানে কোম্পানির নিট সম্পদ ভিত্তি আগের তুলনায় সঙ্কুচিত হয়েছে, যা লোকসান ও আর্থিক চাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

লোকসানের কারণ ব্যাখ্যা করতে কোম্পানি বলেছে, পণ্যের বিক্রয়মূল্য আরও কমে যাওয়া এবং সুদ ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে তারা লোকসান থেকে পুরোপুরি বের হতে পারেনি। তবে একই সময়ে লোকসানের অংক কিছুটা কমেছে: নেট লস ২.৭২ কোটি টাকা থেকে ২.১৬ কোটি টাকায় নেমেছে। অর্থাৎ মোট ক্ষতি কমলেও আয় ও ব্যয়ের কাঠামোগত চাপ এখনও কোম্পানির ফলাফলে প্রভাব ফেলছে।

-রফিক


ডিএসইতে আজ প্রকাশিত সব মিউচুয়াল ফান্ড এনএভির বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১২:৩১:১৬
ডিএসইতে আজ প্রকাশিত সব মিউচুয়াল ফান্ড এনএভির বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সব সংশ্লিষ্ট মিউচুয়াল ফান্ডের নামসহ টাকায় নির্ধারিত এনএভি ও মোট নিট সম্পদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেন শেষে প্রকাশিত এই তথ্যে প্রতিটি ফান্ডের বাজারদরভিত্তিক এনএভি, ক্রয়মূল্যভিত্তিক এনএভি এবং মোট নিট সম্পদের পরিমাণ (টাকায়) বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

SEML FBSL Growth Fund (SEMLFBSLGF) ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৯ টাকা ৩৫ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ২৭ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে। ফান্ডটির মোট নিট সম্পদ বাজারদরে দাঁড়িয়েছে ৬৮ কোটি ১৮ লাখ ৩৫ হাজার ৯৪২ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ৮২ কোটি ২২ লাখ ২৭ হাজার ৮৯৬ টাকা।

SEML IBBL Shariah Fund (SEMLIBBLSF)–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৯ টাকা ৫৪ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ৭৫ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৯৫ কোটি ৩৬ লাখ ৫১ হাজার ২১ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬২২ টাকা।

SEML Econo Growth Fund (SEMLLECMF) ফান্ডে ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৯ টাকা ৭৪ পয়সা ও ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ৭৫ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৪৮ কোটি ৬৮ লাখ ৯৬ হাজার ৫২৬ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ৫৮ কোটি ৭৬ লাখ ২৯ হাজার ৪৪৬ টাকা।

Golden Jubilee Mutual Fund (GLDNJMF)–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৯ টাকা ৩৩ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ০৭ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৯৩ কোটি ২৮ লাখ ৪১ হাজার ৩৬ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১১০ কোটি ৬৬ লাখ ১৫ হাজার ৩৯৭ টাকা।

ICB Agrani One Mutual Fund (ICBAGRANI1)–এর এনএভি বাজারদরে ৯ টাকা ২৭ পয়সা, ক্রয়মূল্যে ১২ টাকা ২২ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৯০ কোটি ৯৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫০৮ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১১৯ কোটি ৯৮ লাখ ৩২০ টাকা।

ICB Sonali One Mutual Fund (ICBSONALI1) ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৮ টাকা ১১ পয়সা ও ক্রয়মূল্যে ১২ টাকা ৩৮ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৮১ কোটি ১১ লাখ ৬ হাজার ৫০৯ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৭৭ হাজার ৩২৩ টাকা।

IFIC Islamic Mutual Fund (IFILISLMF1)–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৬ টাকা ৭৬ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ৩২ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৬৭ কোটি ৫৭ লাখ ২ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১১৩ কোটি ২২ লাখ ৬১ হাজার ৭৪৪ টাকা।

Prime First Mutual Fund (PF1STMF)–এর এনএভি বাজারদরে ৭ টাকা ৬০ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১২ টাকা ৩৪ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৪৫ কোটি ৬০ লাখ ৫৫ হাজার ৭৫৯ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ৭৪ কোটি ২ লাখ ৪৮ হাজার ৭৪৬ টাকা।

ICB Third NRB Mutual Fund (ICB3RDNRB) ফান্ডের এনএভি বাজারদরে ৭ টাকা ৫০ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১২ টাকা ৩৫ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৭৪ কোটি ৯৬ লাখ ১৪ হাজার ৯২৩ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১২৩ কোটি ৪৯ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৭ টাকা।

Trust Bank First Mutual Fund (TRUSTB1MF)–এর ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৬ টাকা ৪৪ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ৪৭ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ১৯৫ কোটি ৬০ লাখ ৪৭ হাজার ৬৭৭ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ৩৪৮ কোটি ৩৫ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬১ টাকা।

Popular Life First Mutual Fund (POPULAR1MF)–এর এনএভি বাজারদরে ৬ টাকা ৯৫ পয়সা ও ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ৪৪ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ২০৭ কোটি ৯৭ লাখ ৯২ হাজার ৪৬৩ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ৩৪২ কোটি ১২ লাখ ৭২ হাজার ১৯১ টাকা।

PHP First Mutual Fund (PHPMF1) ফান্ডের এনএভি বাজারদরে ৬ টাকা ৭৩ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ৩৫ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১৮৯ কোটি ৭৮ লাখ ৬ হাজার ৯৩১ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ৩১৯ কোটি ৯২ লাখ ৩৫ হাজার ৮২৫ টাকা।

EXIM Bank First Mutual Fund (EXIM1STMF)–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৭ টাকা ১৬ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ৫৭ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ১০২ কোটি ৫৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫৮৪ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১৬৫ কোটি ৭৮ লাখ ৮৪ হাজার ৫৬৫ টাকা।

EBL NRB Mutual Fund (EBLNRBMF)–এর এনএভি বাজারদরে ৬ টাকা ৩৭ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ৩৪ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ১৪২ কোটি ৮৫ লাখ ২ হাজার ৭৯৯ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ২৫৪ কোটি ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪১ টাকা।

EBL First Mutual Fund (EBL1STMF)–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৬ টাকা ২৪ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ৫০ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৯০ কোটি ২৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫৪৫ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১৬৬ কোটি ৪৪ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৫ টাকা।

ABB First Mutual Fund (ABB1STMF)–এর ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৭ টাকা ০৩ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ৬৬ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ১৬৮ কোটি ১৪ লাখ ৮৪ হাজার ৫১০ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ২৭৮ কোটি ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৫৭০ টাকা।

Grameens Two Mutual Fund (GRAMEENS2) ফান্ডে বাজারদরভিত্তিক এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৭৫ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১০ টাকা ৭১ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ২৮৭ কোটি ৩৫ লাখ ৯০ হাজার ৫৬৫ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১৯৫ কোটি ৩৪ লাখ ৫১ হাজার ৪৫৪ টাকা।

Reliance One Mutual Fund (RELIANCE1)–এর এনএভি বাজারদরে ১০ টাকা ৬৮ পয়সা ও ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ৩০ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৬৪ কোটি ৬৩ লাখ ৯৬ হাজার ১৪৮ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ৬৮ কোটি ৩৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭৭০ টাকা।

NCC Bank Mutual Fund One (NCCBLMF1)–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৯ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ১০ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৯৭ কোটি ৬৭ লাখ ৯২ হাজার ১১৩ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১২০ কোটি ৪৭ লাখ ৬১ হাজার ৫০৩ টাকা।

LR Global Bangladesh Mutual Fund One (LRGLOBMF1)–এর এনএভি বাজারদরে ৮ টাকা ৩৭ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ০৩ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ২৬০ কোটি ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৬৮২ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ৩৪৩ কোটি ১৪ লাখ ৪৪ হাজার ৭৪৮ টাকা।

MBL First Mutual Fund (MBL1STMF)–এর এনএভি বাজারদরে ৮ টাকা ৩৩ পয়সা ও ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ১০ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৮৩ কোটি ৩৩ লাখ ৯৯ হাজার ৯০০ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১১১ কোটি ৪ লাখ ১৬ হাজার ৩৬৯ টাকা।

AIBL First Islamic Mutual Fund (AIBL1STIMF)–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৮ টাকা ৭৫ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ২৯ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৮৭ কোটি ৫৪ লাখ ৯৯ হাজার ৩৪২ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১১২ কোটি ৮৬ লাখ ৭৪ হাজার ২৮০ টাকা।

Green Delta Mutual Fund (GREENDELMF)–এর এনএভি বাজারদরে ৮ টাকা ৫৯ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ১৩ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১২৮ কোটি ৭৮ লাখ ৩০ হাজার ৭২১ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১৬৬ কোটি ৯৭ লাখ ১ হাজার ৯৭৪ টাকা।

DBH First Mutual Fund (DBH1STMF)–এর এনএভি বাজারদরে ৮ টাকা ২৯ পয়সা ও ক্রয়মূল্যে ১০ টাকা ৯৬ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৯৯ কোটি ৪৬ লাখ ৯৮ হাজার ৫৫৬ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১৩১ কোটি ৫৪ লাখ ২৪ হাজার ৫২৭ টাকা।

Capm IBBL Balanced Mutual Fund (CAPMIBBLMF)–এর এনএভি বাজারদরে ৭ টাকা ৭৫ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ৪১ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৫১ কোটি ৭৮ লাখ ৬৩ হাজার ৯১৩ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ৭৬ কোটি ২৪ লাখ ৮২ হাজার ১০৭ টাকা।

Capm BDBL Mutual Fund (CAPMBDBLMF)–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৮ টাকা ১৮ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১০ টাকা ৯৩ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৪০ কোটি ৯৮ লাখ ৪১ হাজার ১৪৪ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ ৬৭ হাজার ৯৪২ টাকা।

VAML RB Balanced Fund (VAMLRBBF)–এর এনএভি বাজারদরে ৮ টাকা ৪১ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১১ টাকা ৪৬ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ১৩৩ কোটি ৫৩ লাখ ১০ হাজার ৩০৯ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১৮১ কোটি ৯৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯১০ টাকা।

Capitec Grameen Balanced Fund (CAPITECGBF)–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৯ টাকা ৯৪ পয়সা ও ক্রয়মূল্যে ১০ টাকা ৯৩ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ১৫৪ কোটি ৮১ লাখ ২৬ হাজার ৪৮১ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ১৭০ কোটি ১৯ লাখ ৩৬ হাজার ৪৭২ টাকা।

First Prime Mutual Fund (1STPRIMFMF)–এর এনএভি বাজারদরে ৮ টাকা ১৭ পয়সা এবং ক্রয়মূল্যে ১৬ টাকা ৫৯ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ১৬ কোটি ৩৩ লাখ ৩৫ হাজার ৬১০ টাকা এবং ক্রয়মূল্যে ৩৩ কোটি ১৮ লাখ ৯০০ টাকা।

সামগ্রিকভাবে, প্রকাশিত এই এনএভি তথ্য থেকে স্পষ্ট যে বাজারের স্বল্পমেয়াদি চাপের কারণে অধিকাংশ মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারদরভিত্তিক এনএভি মুখমূল্যের নিচে থাকলেও ক্রয়মূল্যভিত্তিক এনএভি ও মোট নিট সম্পদের পরিমাণ এখনও তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ দৃষ্টিকোণ থেকে এসব তথ্য বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হবে বলে বাজার বিশ্লেষকদের অভিমত।

-রফিক

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত