ক্রিকেটারকে অপমান মানেই দেশকে অপমান: মির্জা ফখরুল

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১৪:৩৭:৫৯
ক্রিকেটারকে অপমান মানেই দেশকে অপমান: মির্জা ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন, দেশের একজন ক্রিকেটারকে অপমান করা মানে শুধু ব্যক্তিগত অসম্মান নয়, বরং পুরো জাতির মর্যাদায় আঘাত হানা। সোমবার ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বক্তব্য দেন।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ বা ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ থেকে বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার **মোস্তাফিজুর রহমান**কে দল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান বিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ক্রিকেটের সঙ্গে দেশের সম্মান অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। খেলোয়াড়দের প্রতি অসম্মান দেখানো হলে তার প্রতিফলন আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের ভাবমূর্তিতেও পড়ে।

তিনি জানান, ক্রিকেট বোর্ডের সার্বিক অবস্থান ও সিদ্ধান্তের সঙ্গে তিনি নীতিগতভাবে একমত। তবে এ ধরনের ছোটখাটো জটিলতা আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করা সম্ভব ছিল বলে মত দেন। তাঁর মতে, ক্রীড়াঙ্গনের ইস্যুতে সংযম ও কূটনৈতিক বুদ্ধিমত্তা প্রয়োজন।

প্রসঙ্গত, ভারত সরকারের অনুমোদনের পর আইপিএলের নিলামে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেই নিলাম থেকেই প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। তবে ভারতের কট্টরপন্থী গোষ্ঠীর চাপের মুখে এবং বিসিসিআইয়ের নির্দেশনায় পরবর্তীতে তাকে দল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

এই ঘটনার পর ভারত সফরে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সংস্থাটি বিষয়টি **আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল**কে অবহিত করে এবং নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে। বিকল্প হিসেবে সহ-আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ আয়োজনের অনুরোধ জানানো হলেও এ বিষয়ে এখনো আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।

-রাফসান


নির্বাচন ও ক্রিকেট নিয়ে বড় বার্তা দিলেন বিএনপি মহাসচিব

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১১:৫৮:৩৬
নির্বাচন ও ক্রিকেট নিয়ে বড় বার্তা দিলেন বিএনপি মহাসচিব
ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : কালবেলা

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে এক সভায় দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন যে এখন পর্যন্ত দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে না পারাকে তিনি সরকারের বড় ধরণের ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং বিএনপি এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন বলে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের জানান।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন যে এখন পর্যন্ত নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি ভালো আছে। তবে নির্বাচনের প্রকৃত পরিবেশ এবং সরকারের সদিচ্ছা বোঝা যাবে যখন দলগুলো পুরোদমে প্রচারণা শুরু করবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে ভোটের সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে যাতে মানুষ নির্ভয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। নির্বাচনি মাঠে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব বলে তিনি মনে করিয়ে দেন।

ক্রিকেট এবং ভারতের সাথে সম্পর্কের বিষয়েও মির্জা ফখরুল বেশ ইতিবাচক ও জাতীয়তাবাদী অবস্থান তুলে ধরেন। ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ক্রিকেট বিশ্বকাপ নিয়ে তিনি বলেন যে ক্রিকেটের সাথে দেশের সম্মান জড়িত এবং একে কোনোভাবেই রাজনীতির সাথে মিশিয়ে ছোট করা ঠিক নয়। ক্রিকেট বোর্ড যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার সাথে বিএনপি একমত পোষণ করে এবং জাতীয় স্বার্থে ছোট ছোট বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়। এছাড়া তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিএনপির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন যে ভারতের সাথে পারস্পরিক সুসম্পর্ক এবং আলোচনার মাধ্যমেই অভিন্ন নদী সমস্যার সমাধান করা হবে। সভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ দলের অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


জনগণের প্রত্যক্ষ পরামর্শে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে বিএনপি:তারেক রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১০:১৬:৩৬
জনগণের প্রত্যক্ষ পরামর্শে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে বিএনপি:তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অভাবনীয় পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে এখন থেকে দলের প্রতিটি কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যতে রাষ্ট্র পরিচালনার সব পরিকল্পনা সাধারণ মানুষের পরামর্শের ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হবে। এই মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য তিনি ম্যাচ মাই পলিসি নামের একটি অত্যাধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন। বিএনপি সূত্র জানিয়েছে যে দেশের প্রতিটি নাগরিক এখন থেকে একটি কিউআর কোড স্ক্যান করার মাধ্যমে সরাসরি তাঁদের মতামত ও পরামর্শ তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য নজির স্থাপন করতে যাচ্ছে যেখানে সাধারণ মানুষ সরাসরি পলিসি নির্ধারণে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এই উদ্যোগের বিষয়ে জানান যে জনগণের আশা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোই তাঁদের মূল লক্ষ্য। রাজনৈতিক অংশগ্রহণের এই ডিজিটাল পদ্ধতিটি মূলত জেন-জি বা তরুণ প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাপটিতে একটি বিশেষ অপশন রাখা হয়েছে যার মাধ্যমে যে কেউ লিখিতভাবে তাঁদের মতামত প্রদান করতে পারবেন। বিএনপি মনে করে এই প্রযুক্তিনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রের এক নতুন যুগের সূচনা করবে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ম্যাচ মাই পলিসি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব সহজেই যে কেউ দলটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সাথে নিজের মতামত যাচাই করে নিতে পারবেন।

নির্বাচনি প্রচারণার বিষয়েও বিএনপি তাদের চূড়ান্ত পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের দিন শেষ হওয়ার পর ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামবেন তারেক রহমান। তিনি আধ্যাত্মিক রাজধানী সিলেট থেকে তাঁর এই নির্বাচনি যাত্রা শুরু করবেন। হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষ করে তিনি পথসভা ও জনসভার মাধ্যমে সাধারণ জনগণের কাছে ভোট প্রার্থনা করবেন। সিলেট থেকে সড়কপথে ঢাকা ফেরার সময় তিনি মৌলভীবাজার এবং শ্রীমঙ্গলে বড় ধরণের নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন। ইতিমধেই তারেক রহমানের এই সফরকে কেন্দ্র করে সারা দেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে তিনি জনগণের সাথে সরাসরি সংযোগ তৈরির যে ঘোষণা দিয়েছেন তা রাজনৈতিক মহলে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।


জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাঁচাতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করুন: চরমোনাই পীর

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১৯:১৮:২২
জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাঁচাতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করুন: চরমোনাই পীর
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম আজ এক বিবৃতিতে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে তাঁর দলের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেন, আজ আমরা যে স্বাধীনভাবে দেশ গড়ার সুযোগ পাচ্ছি, তার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও লড়াই করা তরুণ শিক্ষার্থীদের। আওয়ামী ফ্যাসিবাদ রাজপথ থেকে বিতাড়িত হলেও রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেতর থেকে এখনও ফ্যাসিবাদী আইন, রীতি ও সংস্কৃতি পুরোপুরি নির্মূল হয়নি। আর এই ফ্যাসিবাদের স্থায়ী বিলোপ নিশ্চিত করতেই ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়ন করা হয়েছে, যার আইনি ভিত্তি দেবে এই গণভোট।

জুলাই বিপ্লবের মহৎ উদ্দেশ্যগুলো বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া প্রতিটি সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে, গণভোট ও সংসদ নির্বাচন আলাদা সময়ে আয়োজন করার দাবি ছিল তাঁদের। কিন্তু দুটি ভোট একসাথে হওয়ায় ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে আলোচনা এখন রাজনীতির মাঠে আড়ালে চলে যাচ্ছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক।

নির্বাচন উৎসবমুখর করতে হলে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। পীর সাহেব মনে করেন, এখনও দেশের জননিরাপত্তা নিয়ে মানুষের মনে উদ্বেগ রয়ে গেছে, যা নিরসনে সরকারকে কঠোর হতে হবে।

রেজাউল করীম দেশের সব রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেবল ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং জুলাই সনদের পক্ষে জনমত গঠনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করুন। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, বর্তমানের এই নির্বাচনসহ সবকিছুই জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও জুলাই সনদের বরাতে বৈধ হয়েছে। তাই এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ধারাকে অব্যাহত রাখতে ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত করা অপরিহার্য। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নই পারবে একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ উপহার দিতে।


ঝালকাঠিতে শতাধিক হিন্দু নাগরিকের জামায়াতে যোগদান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১৫:০৫:৫৪
ঝালকাঠিতে শতাধিক হিন্দু নাগরিকের জামায়াতে যোগদান
ছবি: সংগৃহীত

ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নে স্থানীয় রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য এক ঘটনা ঘটেছে। ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সুজিত ঘরামীর নেতৃত্বে শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী নাগরিক আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–তে যোগদান করেছেন।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে ঝালকাঠি জেলা বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন–এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে নতুন সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। অনুষ্ঠানে ফুল ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাদের বরণ করে নেওয়া হয়, যা স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

নবাগত সদস্যদের স্বাগত জানান ঝালকাঠি জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি সদর–নলছিটি আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শেখ নেয়ামুল করিমসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের একাধিক নেতা-কর্মী।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সম্পৃক্ততা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে।

জেলা আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের এই যোগদান প্রমাণ করে যে জামায়াতে ইসলামী কেবল একটি আদর্শিক দলই নয়, বরং সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। ন্যায়বিচার, সততা ও সুশাসনের রাজনীতির প্রতি মানুষের আস্থা ক্রমেই বাড়ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

জামায়াতে যোগদানকারী কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নের বাসিন্দা সুজিত ঘরামী বলেন, দলটির সংগঠনিক শৃঙ্খলা, সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম এবং আদর্শভিত্তিক রাজনীতি তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি জানান, দেশের সামগ্রিক কল্যাণ ও শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই তিনি ও তার সঙ্গে থাকা অন্যরা জামায়াতে যুক্ত হয়েছেন।

-রাফসান


বাগেরহাটে এনসিপির শীর্ষ ১২ নেতার একযোগে পদত্যাগ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১৪:৪৯:৪৯
বাগেরহাটে এনসিপির শীর্ষ ১২ নেতার একযোগে পদত্যাগ
ছবি: সংগৃহীত

বাগেরহাটে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গুরুতর সাংগঠনিক সংকটে পড়েছে। দলটির সদর উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃত্বসহ মোট ১২ জন নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন। রবিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাব–এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এনসিপির বাগেরহাট সদর উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী মো. আলী হোসেন। তিনি জানান, দলটির প্রতিষ্ঠাকালীন আদর্শ, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও বর্তমান বাস্তব রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যে মৌলিক অসামঞ্জস্য তৈরি হওয়ায় তারা সম্মিলিতভাবে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন সদর উপজেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী কাজী মাহফুজুর রহমান, উপজেলা সদস্য আশিকুর রহমান (সুমন), শেখ রাসেল, শেখ মিজানুর রহমান, মো. হাসান শেখ, মো. শহিদুল ইসলাম, শেখ জাহিদুল ইসলাম, শেখ নাবিল হোসেন, মো. জনি, মুনিয়া আক্তার জেনি এবং মো. রাতুল আহসান।

সংবাদ সম্মেলনে মো. আলী হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এবং “নতুন বাংলাদেশ” গঠনের যে প্রত্যয় নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি আত্মপ্রকাশ করেছিল, সময়ের ব্যবধানে সেই রাজনৈতিক দর্শন থেকে দলটি সরে এসেছে। ফলে দলীয় অবস্থান ও ব্যক্তিগত রাজনৈতিক বিশ্বাসের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণে এনসিপির কৌশল ও দৃষ্টিভঙ্গি তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে উঠেছে। এই আদর্শগত দ্বন্দ্ব থেকেই তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এ বিষয়ে এখনো এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে বাগেরহাটের রাজনৈতিক অঙ্গনে এ পদত্যাগ ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

-রাফসান


পরিবর্তনের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১০:০৩:৩৯
পরিবর্তনের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দেশবাসীকে একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র উপহার দিতে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বিশেষ পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, গণভোট মানেই হলো জনগণের সরাসরি মতামত এবং এটি একটি জনগণ নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অন্যতম মাধ্যম। তাঁর মতে, ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদান করা মানেই হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত ও নিরাপদ বাংলাদেশ নিশ্চিত করা। ডা. শফিকুর রহমান মনে করেন যে, আজকের এই ভোটই হতে পারে সত্য ও ন্যায়ের বিজয়ের প্রধান হাতিয়ার।

জামায়াত আমির তাঁর বক্তব্যে ‘জুলাই সনদ’-এর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের মাধ্যমেই এই সনদের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করা সম্ভব এবং এটি পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার সমান। ডা. শফিকুর রহমানের মতে, যারা একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখেন, তাঁদের জন্য এই গণভোট এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তিনি দেশের মানুষকে মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, জাতি এখন ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে এবং এই ভোটের মাধ্যমেই অন্যায়, জুলুম ও স্বৈরাচারের চিরস্থায়ী অবসান ঘটিয়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

দল-মত নির্বিশেষে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে এই প্রক্রিয়ায় শরিক হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন যে, একটি একক ভোটও ন্যায়ের পথে বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে। ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে ইনসাফপূর্ণ সমাজ গড়ার লক্ষে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জামায়াত আমিরের এই আহ্বান আসন্ন গণভোটে জনমত গঠনে একটি বড় ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে এবং জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে রূপ দেওয়ার পথ প্রশস্ত করবে।


জিয়া ও খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান: জি এম কাদের

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১৯:২১:০৬
জিয়া ও খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান: জি এম কাদের
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি ২০২৬) রাতে দলের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের পর দলটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এই শূন্য পদ পূরণ করা হয়েছে। তারেক রহমানের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণকে স্বাগত জানিয়ে আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে তারেক রহমান তাঁর মেধা, যোগ্যতা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতায় অনন্য ভূমিকা রাখবেন।

জি এম কাদের তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেছেন যে তারেক রহমান এমন এক সময়ে দলের শীর্ষ পদের দায়িত্ব নিলেন যখন দেশ এক গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই অনিশ্চয়তার সময়ে জাতীয় ঐক্য এবং সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখা অপরিহার্য। তিনি মনে করেন তারেক রহমান তাঁর মরহুম পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সদ্যপ্রয়াত মাতা বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করবেন। বিশেষ করে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির এই নতুন নেতৃত্ব দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং এরপর দলীয় চেয়ারম্যান হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ার ঘটনাটি বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে এক নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর থেকেই তারেক রহমানকে ঘিরে রাজপথে জনস্রোত তৈরি হয়েছে। এই বাস্তবতায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের অভিনন্দন বার্তাটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং ভবিষ্যতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দলগুলোর মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য বা রাজনৈতিক শিষ্টাচারের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে জি এম কাদের তাঁর বার্তায় দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক রাজনীতির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।


এক গুলশানেই তিন শক্তি! তারেক রহমানের সাথে কূটনীতিকদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১৮:৫৭:৫৩
এক গুলশানেই তিন শক্তি! তারেক রহমানের সাথে কূটনীতিকদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
ছবি : সংগৃহীত

শনিবার সন্ধ্যাবেলা ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে তারেক রহমানের এই বৈঠকটি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভারতের প্রতিনিধির এই সফর এমন এক সময়ে ঘটল যখন দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নানা মেরুকরণ চলছে। প্রায় এক ঘণ্টা স্থায়ী এই বৈঠকে আসন্ন নির্বাচন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রণয় ভার্মার এই সৌজন্য সাক্ষাৎ মূলত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বড় দলগুলোর সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ বজায় রাখার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে শনিবার বিকেলেই তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ড. ইভারস আইজাবস। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠক শেষে বিকেল ৪টার একটু আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল কার্যালয় থেকে বের হয়ে যায়। এই বৈঠকে মূলত নির্বাচনের পরিবেশ, ভোট পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা এবং একটি অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বিএনপির অবস্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের প্রধানের এই সফর প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে এবারের নির্বাচন কতটা গুরুত্ব বহন করছে।

কূটনৈতিক এই ব্যস্ততা শুরু হয়েছে গত শুক্রবার থেকেই। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। প্রায় ৩০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে চলা সেই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক এবং চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। পর পর তিন শক্তি—ইউরোপীয় ইউনিয়ন, পাকিস্তান এবং ভারতের প্রতিনিধির সঙ্গে তারেক রহমানের এই বৈঠকগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, নির্বাচনের আগে বিএনপির সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এক ধরণের রাজনৈতিক সমঝোতা বা অবস্থান পরিষ্কার করার প্রক্রিয়া চলছে। ২০২৬ সালের এই নির্বাচন ঘিরে বিদেশি শক্তির এমন সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন কোনো মোড় নিয়ে আসে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।


ঢাকা-৯ আসনে বড় চমক! যে প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চান তাসনিম

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১৭:২২:৪৪
ঢাকা-৯ আসনে বড় চমক! যে প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চান তাসনিম
ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশনের আপিল মঞ্জুর হওয়ার পর ডা. তাসনিম জারা নির্বাচনি লড়াইয়ে ফেরার সংবাদটি দেশজুড়ে তাঁর সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। গত ৩ জানুয়ারি ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বিভিন্ন ত্রুটির অভিযোগে তাঁর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেছিলেন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন তিনি। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় আপিল নম্বর ১ থেকে ৭০-এর শুনানি চলাকালে নির্বাচন কমিশন তাঁর যুক্তি গ্রহণ করে এবং প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেয়। দীর্ঘ এক সপ্তাহের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ডা. জারা পুনরায় নির্বাচনি মাঠে নামার আইনি অধিকার ফিরে পেলেন।

নির্বাচন ভবনে উপস্থিত সাংবাদিকদের ডা. তাসনিম জারা জানান যে মনোনয়ন বাতিলের পরের দিনগুলো তাঁর জন্য একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা ছিল। এই কঠিন সময়ে দেশ ও বিদেশের বহু মানুষ তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং দোয়া করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে তিনি নির্বাচনি মাঠে নিজের শক্ত অবস্থান জানান দিতে চান। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন যে তাঁর পছন্দের প্রতীক ‘ফুটবল’ বরাদ্দের জন্য তিনি কমিশনের কাছে আবেদন করবেন। এ সময় তিনি নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

"নির্বাচন কমিশনে করা আপিল মঞ্জুর হয়েছে এবং আমার মনোনয়ন আবারও গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া আমাকে এই লড়াইয়ে ফেরার শক্তি দিয়েছে। আমি ফুটবল প্রতীক নিয়ে মাঠে নামতে চাই।" — ডা. তাসনিম জারা

বর্তমানে নির্বাচন ভবনের বেজমেন্টে অঞ্চলভিত্তিক ১০টি বুথ স্থাপন করে প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি চলছে। শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী প্রতিদিন নির্দিষ্ট আপিল নম্বরের ওপর শুনানি হবে। শুনানির ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন ভবনের মনিটরে প্রদর্শন করা হচ্ছে এবং রায়ের পিডিএফ কপি সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের ই-মেইলে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে ১০ থেকে ১২ জানুয়ারির শুনানির রায়গুলো আগামী ১২ জানুয়ারি এবং পরবর্তী ধাপের রায়গুলো নির্ধারিত সময়ে বিতরণ করা হবে। আগারগাঁওয়ের অভ্যর্থনা ডেস্ক থেকেও প্রার্থীরা সরাসরি রায়ের অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত