কলকাতায় বাংলাদেশ ভিসা কেন্দ্র খোলা, আবেদন জমা পড়ছে

কলকাতার সল্টলেক এলাকার সেক্টর ফাইভে অবস্থিত বাংলাদেশ ভিসা আবেদনকেন্দ্র থেকে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা আবেদন গ্রহণ কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলমান রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পর্যটন ভিসা বন্ধের গুজব ছড়ালেও বাস্তবে সেখানে নিয়মিত ভিসা আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
গত বৃহস্পতিবার কয়েকটি ভারতীয় গণমাধ্যমে দাবি করা হয় যে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের সব বাংলাদেশ মিশন থেকে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা প্রদান পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। তবে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বাস্তব চিত্র ছিল ভিন্ন। ওইদিন সকাল থেকেই সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে অবস্থিত ভিসা আবেদনকেন্দ্রে অন্যান্য দিনের মতোই নতুন আবেদন গ্রহণ করা হয়।
ভিসা আবেদন করতে আসা একাধিক ভারতীয় নাগরিক জানান, তারা পর্যটন ভিসার জন্য আবেদন জমা দিয়েছেন এবং কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই সেগুলো গ্রহণ করেছে। আবেদনকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা কর্মীরাও জানিয়েছেন, পর্যটন ভিসাসহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা বর্তমানে চালু রয়েছে।
এ বিষয়ে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপদূতাবাস–এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা জানান, পর্যটন ভিসা বন্ধ সংক্রান্ত কোনো লিখিত নির্দেশনা বা সরকারি আদেশ এখনো তাদের হাতে পৌঁছায়নি। ফলে পূর্ববর্তী নিয়ম অনুযায়ী ভিসা আবেদন গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, কলকাতার কয়েকটি গণমাধ্যম মিশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ না করেই পর্যটন ভিসা বন্ধের সংবাদ প্রকাশ করেছে, যার ফলে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলে। শিলিগুড়িতে অবস্থিত বাংলাদেশ ভিসা আবেদনকেন্দ্রটি গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, স্থানীয় প্রশাসনিক ও লজিস্টিক কারণে সাময়িকভাবে ওই কেন্দ্রের কার্যক্রম স্থগিত থাকতে পারে, যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।
-শরিফুল
মার্কিন ডলারকে বড় ধাক্কা: ৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ শক্তিশালী অবস্থানে চীনের ইউয়ান
বিশ্বরাজনীতি ও আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে বড় ধরনের উলটপালট শুরু হয়েছে। মার্কিন ডলারের একচ্ছত্র আধিপত্যকে বড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে ডলারের বিপরীতে চীনের মুদ্রা ইউয়ানের (Yuan) মান গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের ইরান যুদ্ধ সমাপ্তির একটি সম্ভাব্য চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের লাইফলাইন খ্যাত ‘হরমুজ প্রণালী’ পুনরায় খুলে দেওয়ার জোরালো সম্ভাবনার জের ধরেই বিশ্ব অর্থনীতিতে এই নাটকীয় উত্থান ঘটেছে।
আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক তীব্র উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে ইরান যুদ্ধ শেষ করার চলমান শান্তি আলোচনা বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে বড় ধরনের স্বস্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনেছে। বিশেষ করে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে আবারও বাণিজ্যিক পণ্যবাহী ও জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ার স্পষ্ট আশাবাদ বিশ্বজুড়ে বড় বড় বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই আন্তর্জাতিক আস্থার সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে চীনা মুদ্রার ওপর, যা ডলারের বিপরীতে ইউয়ানকে শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে।
এই বিষয়ে চীনের একটি শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকের একজন কারেন্সি ট্রেডার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে বলেন, "আপাতত এই সংঘাতপূর্ণ প্রণালী জুড়ে নৌপরিবহন ও বাণিজ্যিক যাতায়াত পুরোপুরি আগের অবস্থায় রাতারাতি পুনরুদ্ধার করা হয়তো কিছুটা কঠিন হতে পারে, তবে বাণিজ্য সামান্যতম শুরু হওয়াও স্থবির হয়ে পড়া বৈশ্বিক আর্থিক বাজারের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক ও শক্তিশালী একটি সংকেত।"
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববাজারে পরিবাহিত মোট জ্বালানি তেলের একটি বিশাল অংশই মূলত এই কৌশলগত হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করে। এই অতি গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি সচল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে দীর্ঘদিনের মন্দা ও স্থবিরতা কাটার স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। আর এই সুযোগে বৈশ্বিক বাণিজ্যে চীনের প্রভাব আরও বৃদ্ধির আশঙ্কায় ডলার কিছুটা দুর্বল হয়েছে এবং ইউয়ান গত তিন বছরের সব রেকর্ড ভেঙে চূড়ায় আরোহণ করেছে।
সূত্র- আল জাজিরা
ছোট শয়তান থেকে ব্রিকসের অংশীদার: সোভিয়েত পতনের পর যেভাবে বদলে গেল ইরান-রাশিয়া অক্ষ
ইতিহাসের পাতায় প্রায় ১৯৭ বছর আগে তৎকালীন পারস্যে (বর্তমান ইরান) নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিবোয়েদভকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনাটি আজও রাশিয়া-ইরান সম্পর্কের এক জটিল মনস্তাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক ক্ষত। ১৮২৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তেহরানের রুশ দূতাবাসে হাজার হাজার উত্তেজিত জনতার হামলায় কবি, নাট্যকার ও কূটনীতিক গ্রিবোয়েদভসহ বেশ কয়েকজন রুশ কূটনীতিক নিহত হন।
নবস্বাক্ষরিত তুর্কমানচাই চুক্তি অনুযায়ী, রুশ দূতাবাসে আশ্রয় নেওয়া আর্মেনীয় পলাতকদের (রাজকোষের এক খোজা ও হারেমের দুই নারী) ইরানের শাহ ফাতহ-আলির হাতে তুলে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে পারস্যের কাছ থেকে ২ কোটি রৌপ্য রুবল (বর্তমান মূল্যে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার) আদায়ের কঠোর রুশ নীতির কারণে এই গণবিক্ষোভ ফেটে পড়েছিল। পরবর্তীতে রুশ প্রতিশোধ থেকে বাঁচতে শাহের নাতি বিখ্যাত ৮৯ ক্যারেটের হলুদাভ 'পার্সিয়ান ডায়মন্ড' সেন্ট পিটার্সবার্গে জারকে উপহার দিয়ে ক্ষমা চান, যা বর্তমানে মস্কোতে সংরক্ষিত।
উনবিংশ শতাব্দী থেকে শুরু করে স্নায়ুযুদ্ধ এবং তার পরবর্তী সময়ে রাশিয়া ও ইরানের সম্পর্ক সবসময়ই এক ভূ-রাজনৈতিক দাবার ঘুঁটি হিসেবে ওঠানামা করেছে। ১৯২০ সালে উত্তর পারস্যে সোভিয়েতদের কমিউনিস্ট রাষ্ট্র গঠনের ব্যর্থ চেষ্টা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জোসেফ স্টালিনের তেল সম্পদের একচেটিয়া অধিকার দাবি এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান কর্তৃক সোভিয়েত ইউনিয়নকে 'ছোট শয়তান' আখ্যা দেওয়ার নেতিবাচক স্মৃতি ইরানিদের মনে আজও তাজা। তবে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর থেকে এবং বিশেষ করে বর্তমান পুতিন জমানায় এই দুই দেশের সম্পর্ক এক নতুন কৌশলগত মোড় নিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া-ইরান বর্তমান সম্পর্ক কোনো আদর্শিক ভিত্তি নয়, বরং সম্পূর্ণ বাস্তব স্বার্থনির্ভর এবং যুক্তরাষ্ট্র বা পশ্চিমা চাপবিরোধী অভিন্ন অবস্থানের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞার মুখে মস্কো যেমন জাতিসংঘে ইরানের পক্ষে ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করেছে, তেমনি ইরানও রাশিয়া থেকে যুদ্ধবিমান, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রোসাটমের মাধ্যমে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে। ২০১৫ সালে সিরিয়ার বাশার আল-আসাদের পতন ঠেকাতে যৌথ হস্তক্ষেপ থেকে শুরু করে ২০২৩-২৪ সালে রাশিয়ার সমর্থনে ইরানের ব্রিকস (BRICS) জোটে অন্তর্ভুক্তি— এই কৌশলগত ঘনিষ্ঠতাকে আরও বাড়িয়েছে, যেখানে সাম্প্রতিক সময়ে চীনও যুক্ত হয়েছে।
তবে এই সম্পর্কে গভীর অবিশ্বাসও বিদ্যমান। রাশিয়া কখনোই ইরানের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেনি, যার প্রমাণ মেলে ইসরায়েলের অনুরোধে ইরানের কাছে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি দীর্ঘকাল স্থগিত রাখা। ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের পর ইরান রাশিয়াকে 'শাহেদ ড্রোন' ও গোলাবারুদ সরবরাহ করে মিত্রতার প্রমাণ দিলেও, মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর রাশিয়া কেবল নিন্দাই জানিয়েছে, সরাসরি কোনো সামরিক সহায়তায় এগিয়ে আসেনি। বিশ্লেষকদের মতে, এটি পুতিনের ভাবমূর্তির জন্য বড় ধাক্কা এবং এটি আবারও প্রমাণ করে যে, রাশিয়া-ইরান সম্পর্ক আদতে কোনো আনুষ্ঠানিক বা চিরস্থায়ী সামরিক জোট নয়, বরং ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের এক সাময়িক সমীকরণ মাত্র।
সূত্র : আল জাজিরা
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে অবস্থান বদল ট্রাম্পের: ইরানের সাথে চুক্তি নিয়ে তাড়াহুড়ো না করার নির্দেশ
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত শান্তিচুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে বলে অত্যন্ত জোরালো দাবি করার মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে নিজের অবস্থান সম্পূর্ণ পরিবর্তন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনের ক্ষেত্রে মার্কিন প্রশাসনের কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই উল্লেখ করে পুরো বিষয়টি পর্যাপ্ত সময় নিয়ে নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে আলোচনার দায়িত্বে থাকা মার্কিন শীর্ষ প্রতিনিধিদলকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আজ সোমবার (২৫ মে ২০২৬) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম 'দ্য হিন্দু'-তে প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদন থেকে ট্রাম্পের এই আকস্মিক নীতি পরিবর্তনের তথ্য জানা গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই নতুন নির্দেশনার ফলে গত তিন মাস ধরে চলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের দ্রুত অবসান ঘটার যে বিশ্বব্যাপী আশা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত কিছুটা ম্লান ও অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।
চুক্তি প্রক্রিয়া নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তাড়াহুড়ো না করার পেছনে কূটনৈতিক যুক্তি ব্যাখ্যা করেছেন। ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আলোচনায় যথেষ্ট অগ্রগতি হচ্ছে এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কও অনেক বেশি পেশাদার ও ফলপ্রসূ হয়ে উঠছে।
তবে দুই পক্ষকেই গোটা বিষয়টি পর্যাপ্ত সময় নিয়ে একদম নিখুঁত ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এখানে কোনো ধরনের ভুল বা দুর্বলতা রাখার বিন্দুমাত্র অবকাশ নেই।’ এর আগে গত শনিবারই ট্রাম্প বেশ আশাবাদী হয়ে দাবি করেছিলেন যে, ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির অধিকাংশ জটিল বিষয় চূড়ান্ত এবং এটি এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে।
কিন্তু রোববার তিনি হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার বিষয়েও আগের বক্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীত বার্তা দিয়েছেন। শনিবার সমঝোতার অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথটি খুলে দেওয়ার কথা বললেও, পরদিনই ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, ‘চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে তাতে দুই পক্ষের আনুষ্ঠানিক সই না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে ইরানি জাহাজের ওপর মার্কিন কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ সম্পূর্ণভাবে বহাল থাকবে।’
উল্লেখ্য, চলতি বছরের গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের অভ্যন্তরে একযোগে আকস্মিক বিমান হামলা চালায়। এর জবাবে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মিত্র দেশ ও মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা শত শত ড্রোন ও ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে তেহরান প্রশাসন। বর্তমানে দুই পক্ষের মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের সামগ্রিক সামরিক অস্থিরতা ও যুদ্ধাবস্থা এখনো পুরোপুরি কাটেনি।
এই মহাসংকট সমাধানের লক্ষ্যে বন্ধুরাষ্ট্র পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বেশ কয়েক দফায় আনুষ্ঠানিক ও গোপন আলোচনায় বসে। তবে সেখান থেকে এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো রাজনৈতিক সমাধান বেরিয়ে আসেনি। দুপক্ষের মধ্যে পর্দার আড়ালে মধ্যস্থতার চেষ্টা জারি থাকার মাঝেই ট্রাম্পের অবস্থান পরিবর্তনের এই নতুন নির্দেশে শান্তি প্রক্রিয়া আবারও দীর্ঘায়িত আইনি ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মুখে পড়ল।
সূত্র: দ্য হিন্দু
চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে বিশেষ শোক চিঠি পাঠালেন ড. ইউনূস
দনা জানিয়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী এবং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে পাঠানো একটি আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে তিনি নিহতদের পরিবার, স্বজন এবং এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সবার প্রতি গভীর সংহতি প্রকাশ করেন।
আজ রবিবার (২৪ মে ২০২৬) পাঠানো ওই শোকবার্তায় ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, শানসি প্রদেশের লিউশেনইউ কয়লাখনিতে গ্যাস বিস্ফোরণে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু একটি ভয়াবহ ও গভীর ট্র্যাজেডি, যা বিশ্বমানবতার হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। প্রিয়জনকে হারানোর এই অসীম বেদনা ও কষ্ট লাঘব করার মতো কোনো ভাষা বা শব্দ নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, কয়লাখনির মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অথচ চরম ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত থেকে শ্রমিকরা যে নিষ্ঠা ও অবদানের স্বাক্ষর রেখেছেন, তা বিশ্ববাসীর গভীর শ্রদ্ধা ও স্মরণের যোগ্য।
একই সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূস দুর্ঘটনাস্থলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালনকারী উদ্ধারকর্মী, চিকিৎসক এবং জরুরি সেবাদানকারী দলগুলোর সাহসিকতা ও বীরত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে তাদের নিরলস ও মানবিক প্রচেষ্টা মানবসেবার ইতিহাসে এক সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকবে। দুর্ঘটনার পরপরই চীন সরকারের দ্রুত উদ্ধার অভিযান ও পুনর্বাসন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ শোকাহত পরিবারগুলোর মনে আশার সঞ্চার করেছে উল্লেখ করে চিঠির শেষাংশে তিনি আহত খনি শ্রমিকদের দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলো যেন এই কঠিন সময় কাটিয়ে ওঠার শক্তি ও সাহস খুঁজে পায়, সেই প্রার্থনা জানান।
/আশিক
যুদ্ধ বন্ধে ঐতিহাসিক চুক্তির দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
দীর্ঘদিনের চরম সামরিক উত্তেজনার পর অবশেষে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের বরফ গলার আভাস মিলছে। চলমান যুদ্ধ ও সংঘাত চিরতরে বন্ধ করার লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তির একেবারে শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছে বিশ্বের দুই বৈরি পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
তবে বড় ধরনের এই সমঝোতা প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হতে চললেও, এর আওতা থেকে সম্পূর্ণ বাইরে রাখা হচ্ছে ইরানের বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুটি। আজ রবিবার (২৪ মে ২০২৬) ইরানের একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্র আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে এই বিশেষ ও সংক্ষেপিত তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রয়টার্সকে দেওয়া ওই বিশেষ সাক্ষাৎকারে ইরানি সূত্রটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তেহরান প্রশাসন তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি করা উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিশাল মজুত কোনো অবস্থাতেই অন্য কোনো দেশের কাছে হস্তান্তর করতে বা দেশের বাইরে পাঠাতে সম্মত হয়নি। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ইরানের সামগ্রিক পারমাণবিক কর্মসূচি বা ইউরেনিয়াম ইস্যুটি বর্তমানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সই হতে যাওয়া প্রাথমিক এই শান্তি চুক্তির কোনো অংশ বা এজেন্ডা নয়।
ইরানি ওই শীর্ষ কর্মকর্তা আলোচনার ভেতরের কৌশলগত বিষয় ব্যাখ্যা করে বলেন, পারমাণবিক শক্তি ও ইউরেনিয়ামের বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় এটিকে চূড়ান্ত বা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির জন্য ভবিষ্যতের কূটনৈতিক আলোচনার টেবিলে বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যার ফলে বর্তমান খসড়া চুক্তিতে এটি কোনো ধরনের প্রভাব ফেলছে না। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যখন যুদ্ধবিরতি কার্যকর এবং একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক রাজনৈতিক বোঝাপড়ার বিষয়ে নিবিড় ও গোপন আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই তেহরানের পক্ষ থেকে এমন অনমনীয় অবস্থান প্রকাশ করা হলো।
তেহরানের নীতি-নির্ধারক ও শীর্ষ কর্মকর্তারা বারবার পুনর্ব্যক্ত করছেন যে, বর্তমান দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মূল ফোকাস এবং প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে দুই দেশের মধ্যকার যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটানো, ইরানের ওপর থেকে মার্কিন অর্থনৈতিক অবরোধ শিথিল করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানো—কোনোভাবেই নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচিকে সংকুচিত করা নয়।
সূত্র: রয়টার্স
আলোচনার টেবিলেও শত্রুর সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করবে ইরান
ইরানের ঐতিহাসিক খোররামশাহর মুক্তি দিবস এবং জাতীয় প্রতিরোধ, আত্মত্যাগ ও বিজয় দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ কৌশলগত বার্তায় ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সর্বাধিনায়ক মার্কিন ও ইসরায়েলি অক্ষের বিরুদ্ধে নিজেদের সাম্প্রতিক সামরিক বিজয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। আজ রবিবার (২৪ মে ২০২৬) খোররামশাহর মুক্ত করার ৪৪ বছর পূর্তির এই ঐতিহাসিক দিনে সিপাহ প্রধান এই বার্তা দেন। তিনি তাঁর বার্তায় জোর দিয়ে বলেন, যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার পরিবেশেও সচেতন ইরানি জাতি তাদের জাতীয় ঐক্য ও প্রজ্ঞাকে আরও গভীর করবে। একই সঙ্গে চুক্তিভঙ্গকারী ও প্রতারক শত্রুদের প্রতিটি গতিবিধি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের সমস্ত গোপন ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেবে।
প্রকাশিত বার্তায় সিপাহ প্রধান নওরোজ ক্যালেন্ডারের ৩রা খোরদদ তারিখের ঐতিহাসিক তাৎপর্য স্মরণ করে বলেন, ৫৭৮ দিন সাদ্দাম বাহিনীর দখলে থাকার পর খোররামশাহর মুক্ত করার মধ্য দিয়ে ইরানি তরুণরা ‘আমরা পারি’ স্লোগানের বাস্তব রূপ দিয়েছিল। তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা ইমাম খোমেনি (রহ.)-এর ‘খোররামশাহরকে আল্লাহ মুক্ত করেছেন’—এই ঐতিহাসিক উক্তিটি ঐশী ইচ্ছা ও ঔপনিবেশিকতাবিরোধী জাতীয় শক্তির এক বিস্ময়কর বহিঃপ্রকাশ ছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, ৪৪ বছর আগের সেই গৌরবময় ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় ইরানি জাতি আজ আবারও একটি ‘তৃতীয় আরোপিত যুদ্ধে’র মুখোমুখি হয়েছে, যা মূলত ইসরায়েলি ও মার্কিন শত্রুদের সন্ত্রাসী আক্রমণ এবং ইরানের এক মহান নেতার শাহাদাতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল। শত্রুপক্ষ ইরানের দীর্ঘ ৪০ দিনের তীব্র প্রতিরোধ ও বিধ্বংসী পাল্টা জবাবের মুখে শেষ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি ভিক্ষা করতে বাধ্য হয়েছে। বর্তমানে তারা শহীদ নেতার রক্তের প্রতিশোধে ইরানিদের উত্তাল ও মারমুখী অবস্থানের সাক্ষী হচ্ছে।
ঐতিহাসিক খোররামশাহরের শিক্ষা, পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধের শহীদ এবং সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি (রহ.)-এর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সিপাহ প্রধান ইরানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় ৫টি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এজেন্ডা ঘোষণা করেছেন।
প্রথমত, তিনি এই সাম্প্রতিক সংঘাতকে একটি সম্মিলিত বা ‘হাইব্রিড যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ এবং সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর জবাবের কারণে শত্রুর মূল লক্ষ্য ভেস্তে গেছে।
দ্বিতীয়ত, খোররামশাহরের মূল শিক্ষাই হলো অভ্যন্তরীণ শক্তির বিকাশ এবং সক্রিয় প্রতিরোধ; যার প্রমাণ হিসেবে ইরানের পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা খাতের অভাবনীয় অগ্রগতি আজ শত্রুদের নতুন করে হিসাব কষতে বাধ্য করছে।
তৃতীয়ত, ইরানের সবচেয়ে বড় কৌশলগত শক্তি হলো দেশের জনগণের দৃঢ় উপস্থিতি, যা যে কোনো আন্তর্জাতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী ঢাল।
চতুর্থ কৌশলগত অবস্থান হিসেবে তিনি স্পষ্ট করেন, ইরানের স্থল, আকাশ, নৌ, মহাকাশ এবং সাইবার—প্রতিরক্ষার এই পাঁচটি খাতের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমানে সর্বোচ্চ যুদ্ধপ্রস্তুতি ও প্রতিরোধ ক্ষমতায় রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের নতুন আগ্রাসনের জবাব হবে অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক এবং তা আঞ্চলিকভাবে বিস্তৃত হবে।
পঞ্চমত এবং পরিশেষে তিনি উল্লেখ করেন, খোররামশাহরের এই ঐতিহাসিক বিজয় হলো মূলত ভবিষ্যতের চূড়ান্ত বিজয়ের একটি স্থায়ী আদর্শ, যা একদিন পবিত্র আল-কুদস (জেরুজালেম) মুক্তি এবং বিশ্ব ইসলামি প্রতিরোধের হাত ধরে ইসরায়েলি শাসনের সম্পূর্ণ পতনের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত রূপ নেবে। সিপাহ প্রধান ইসলামি বিপ্লবের আদর্শ ও শহীদদের রক্তের সঙ্গে পুনরায় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে পবিত্র কুরআনের আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য করো, তিনি তোমাদের সাহায্য করবেন এবং তোমাদের পা দৃঢ় রাখবেন।’
সূত্র: ফার্সনিউজ
ইসরায়েলি জেনারেলের চাঞ্চল্যকর দাবি: সংঘর্ষে জয়ী হয়েছে ইরান
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত ভূ-রাজনীতিতে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের পর এক চাঞ্চল্যকর মূল্যায়ন সামনে এনেছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (IDF) সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গিওরা আইল্যান্ড। ইসরায়েলের প্রভাবশালী টিভি চ্যানেল ১২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্টভাবে দাবি করেছেন, এই সামরিক সংঘর্ষে ইসরায়েল নয়, বরং জয়ী হয়েছে ইরান। তাঁর মতে, চলমান পরিস্থিতি ও এর ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইরান কেবল সফলই হয়নি, বরং তারা এই যুদ্ধের পরিণামে ইসরায়েলের চেয়ে বেশি সন্তুষ্ট।
মেজর জেনারেল আইল্যান্ড তাঁর বিশ্লেষণে দেখিয়েছেন, সামরিক অভিযানের তীব্রতা ও পাল্টা হামলার পরেও ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা সম্পূর্ণ অটুট ও অক্ষত রয়েছে। বিপরীতে, এই সংঘাতের ফলে ইসরায়েল বর্তমানে এক গভীর ও দীর্ঘমেয়াদী সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। তাঁর মতে, যুদ্ধের এই ফলাফলে যুক্তরাষ্ট্রও এখন একটি অত্যন্ত অস্বস্তিকর ও জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আটকা পড়েছে।
সাবেক এই জেনারেলের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ওয়াশিংটন বর্তমানে তাদের পুরনো অবস্থান থেকে সরে এসে কেবল সংঘাত বন্ধের দিকেই পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছে। আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক মিত্রদের কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনার টেবিলে চাপ সৃষ্টি করতে চাইত। কিন্তু সাম্প্রতিক সংঘাতের পর মার্কিন প্রশাসন এখন কেবল হরমুজ প্রণালিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার মতো সহজ ও নমনীয় পন্থায় ফিরে যেতে চাইছে।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের মধ্য দিয়ে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে ইরান কঠোর পাল্টা জবাব দেয় এবং সাম্প্রতিক সময়ে উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও, গিওরা আইল্যান্ডের এই মন্তব্য ইসরায়েলি নীতিনির্ধারকদের জন্য এক বড় অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
/আশিক
১ মাসে ৩ বার ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা! হোয়াইট হাউসে আত্মঘাতী হামলা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অতি-সুরক্ষিত ও সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কেন্দ্র হোয়াইট হাউসের (White House) প্রধান নিরাপত্তা চৌকির সামনে এক বন্দুকধারীর আকস্মিক আত্মঘাতী হামলা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে লাইভ গোলাগুলির ঘটনায় বিশ্ব রাজনীতিতে চরম আতঙ্ক ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল শনিবার (২৩ মে ২০২৬) সন্ধ্যায় ওয়াশিংটন ডিসির পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউতে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।
মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের (Secret Service) তাৎক্ষণিক ও বিধ্বংসী পাল্টা গুলিতে ওই হামলাকারী স্পটেই নিহত হয়েছে এবং এ সময় ক্রসফায়ারে পড়ে এক পথচারী গুরুতর আহত হয়েছেন। প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম সিবিসি নিউজ (CBC News)-এর সাম্প্রতিক এক মেগা প্রতিবেদনে এই নাটকীয় নিরাপত্তা লঙ্ঘনের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিবিসি নিউজের অফিশিয়াল নথিমতে, রক্তক্ষয়ী এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ভেতরেই ওভাল অফিসে অবস্থান করছিলেন এবং সিক্রেট সার্ভিসের কঠোর বেষ্টনীতে তিনি সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদ রয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা ৬টার কিছু পর ১৭ নম্বর স্ট্রিট ও পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউর সংযোগস্থলের একটি মেগা সিকিউরিটি চেকপোস্টের দিকে এক সন্দেহভাজন শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি ব্যাগ হাতে এগিয়ে আসে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সে তার ব্যক্তিগত ব্যাগের ভেতর অত্যন্ত সংবেদনশীল অটোমেটিক আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে এনেছিল।
চেকপোস্টের কাছাকাছি পৌঁছেই ওই ব্যক্তি আকস্মিক ব্যাগ থেকে অস্ত্র বের করে দায়িত্বরত সিক্রেট সার্ভিস অফিসারদের বুক লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালায়। সঙ্গে সঙ্গে সিক্রেট সার্ভিসের কাউন্টার-অ্যাসাল্ট টিম (CAT) পাল্টা ভারী গুলি বর্ষণ করলে হামলাকারী বুক ও মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ জর্জ ওয়াশিংটন হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই আকস্মিক মেগা হামলার পরপরই পুরো হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণ এবং নর্থ লন (North Lawn) এলাকায় যুদ্ধকালীন জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। ঘটনার সময় লনে থাকা আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের নিরাপত্তাকর্মীরা চিৎকার করে ‘গুলি চলছে, নিচু হোন’ বলে দ্রুত ব্রিফিং রুমে লকডাউন (Lockdown) করে দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (টুইটার) দেওয়া এক জরুরি বিবৃতিতে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (FBI)-এর নবনিযুক্ত পরিচালক কাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, এফবিআই-এর বিশেষ ক্রাইম সিন ইউনিট ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে সিক্রেট সার্ভিসকে ঘটনার নেপথ্যের আন্তর্জাতিক যোগসূত্র খুঁজতে মেগা ব্যাকআপ দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী মার্কওয়েন মুলিন এবং হাউস মেজোরিটি লিডার স্টিভ স্ক্যালিস এই নজিরবিহীন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী হামলা’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন।
তবে হোয়াইট হাউসের কমিউনিকেশন ডিরেক্টর স্টিভেন চিউং আজ সকালে স্পষ্ট করেছেন যে, ট্রাম্প এই হামলায় বিন্দুমাত্র বিচলিত নন এবং রাত ৮টাতেও তিনি স্বাভাবিকভাবে তাঁর দাপ্তরিক মেগা দায়িত্ব পালন করছিলেন। উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল ওয়াশিংটনের একটি হোটেলে এবং মে মাসের ৪ তারিখে হোয়াইট হাউসের বাইরে ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার পর—মাত্র এক মাসের ব্যবধানে এটি ট্রাম্পের ওপর তৃতীয় মেগা জীবননাশের হামলা, যা আমেরিকার অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা ব্যর্থতাকে বিশ্বমঞ্চে নগ্নভাবে উন্মোচিত করেছে।
/আশিক
ইরানের আঘাতে মার্কিন ড্রোন বহরে মেগা বিপর্যয়
ইরানের সাথে চলমান রক্তক্ষয়ী ও ব্যয়বহুল সামরিক সংঘাতে মার্কিন বিমানবাহিনীর অত্যন্ত সংবেদনশীল ও অত্যাধুনিক চালকবিহীন ড্রোন ‘এমকিউ-৯ রিপার’ (MQ-9 Reaper) বহরে বড় ধরণের বিপর্যয় ঘটেছে। পেন্টাগনের যুদ্ধপূর্ববর্তী মোট রিপার ড্রোন মজুদের প্রায় ২০ শতাংশ বা এক-পঞ্চমাংশই ইতিমধ্যে ধ্বংস করে দিয়েছে তেহরান। প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম ব্লুমবার্গ (Bloomberg)-এর সাম্প্রতিক এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই (Middle East Eye) আজ শনিবার (২৩ মে ২০২৬) এই মেগা সামরিক ক্ষয়ক্ষতির তথ্যটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনের অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী, ইরান এ পর্যন্ত আকাশ ও মাটিতে প্রায় ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের মোট ৩০টি সংবেদনশীল এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে বেশ কিছু ড্রোনকে উড্ডয়নরত অবস্থায় ইরানি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গুলি করে ভূপাতিত করেছে, আর বাকিগুলো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ইরানের বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়ে মাটিতেই ধ্বংস হয়েছে।
মার্কিন ‘কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিস’-এর চলতি মাসের শুরুর দিকের ডেটার (২৪টি ড্রোন) চেয়েও প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির এই সংখ্যাটি অনেক বেশি। মে মাসে রয়টার্সকে দেওয়া পেন্টাগনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার গোপন তথ্যমতে, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধের মোট মার্কিন সামরিক ব্যয় ইতিমধ্যেই রেকর্ড ২৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
হোয়াইট হাউসে বসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ‘বিধ্বস্ত’ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করলেও, একের পর এক রিপার ড্রোন এবং গত এপ্রিলের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির ঠিক আগে একটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল (F-15E Strike Eagle) ফাইটার জেট ভূপাতিত করে তেহরান প্রমাণ করেছে যে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখনো কতটা শক্তিশালী।
নিউ ইয়র্ক টাইমস (NYT)-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, ইরানি সামরিক কমান্ডাররা সম্ভবত ওই অঞ্চলে মার্কিন ফাইটার জেট ও বোমারু বিমানগুলোর নিয়মিত ওড়ার পথ বা ‘ফ্লাইট প্যাটার্ন’ (Flight Pattern) নিখুঁতভাবে ম্যাপ করতে সক্ষম হয়েছেন। এই জটিল প্যাটার্ন ম্যাপিংয়ের পেছনে ক্রেমলিনের প্রত্যক্ষ ভূ-রাজনৈতিক হাত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে; কারণ দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা চুক্তির অংশ হিসেবে রাশিয়া মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও সেনাদলের রিয়েল-টাইম স্যাটেলাইট চিত্র সরবরাহ করে ইরানকে ব্যাকআপ দিচ্ছে।
মূলত ইরান নিজস্ব প্রযুক্তির পাশাপাশি রুশ ও চীনা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি মারাত্মক মিশ্রণ (Hybrid Air Defense) ব্যবহার করছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় আকস্মিক বোমা হামলা চালালে দুই দেশের মধ্যে এই পুরোদমে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। সেই মেগা হামলার পরেই চীন ইরানকে তাদের অত্যাধুনিক সারফেস-টু-এয়ার (ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য) মিসাইল ব্যাটারি সরবরাহ করে, যা এখন মার্কিন বিমানবাহিনীর জন্য পারস্য উপসাগরে এক বড় কৌশলগত মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই।
পাঠকের মতামত:
- মার্কিন ডলারকে বড় ধাক্কা: ৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ শক্তিশালী অবস্থানে চীনের ইউয়ান
- ফ্রিজের শক্ত বরফ জমা মাংস দ্রুত গলানোর ৪টি বৈজ্ঞানিক ও নিরাপদ ঘরোয়া কৌশল
- বিজেপি সরকারের একের পর এক মেগা সিদ্ধান্ত: রেস্তোরাঁগুলোর মেনু থেকে উধাও হচ্ছে বিফ
- ছোট শয়তান থেকে ব্রিকসের অংশীদার: সোভিয়েত পতনের পর যেভাবে বদলে গেল ইরান-রাশিয়া অক্ষ
- মহিষটির চুল দারুণ! ট্রাম্পের নামে ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশটের আসল সত্য ফাঁস
- পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার লোমহর্ষক চার্জশিট দাখিল
- ছাত্রদল-যুবদল ও পুলিশের যৌথ পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- দুপুরের মধ্যে ১০ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
- আজ সোমবার রাজধানীর কোথায় কী কর্মসূচি রয়েছে? জেনে নিন দিনের শুরুতেই
- আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে সোনা-রুপার নতুন আকাশচুম্বী দাম
- ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে অবস্থান বদল ট্রাম্পের: ইরানের সাথে চুক্তি নিয়ে তাড়াহুড়ো না করার নির্দেশ
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- চাটখিলে কোরবানি হাটের মূল আকর্ষণ ৩০ মণের নোয়াখালীর বস
- কোরবানির পশুতেই দেওয়া যাবে সন্তানের আকিকা: জেনে নিন সঠিক নিয়ম
- ১০ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস; নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
- ১৬০ গান ও ১২০ কবিতার জন্মভূমি; দৌলতপুরে নজরুল-নার্গিসের স্মৃতি সংরক্ষণের দাবি
- সুবর্ণ কার্ডধারী প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য মেট্রোরেলে বড় ছাড়
- এনসিপি নেতা তানাইমের বাসার গেট ভেঙে গ্রেপ্তারের চেষ্টা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- ফ্যাসিবাদী শক্তি পালালেও দেশ এখনো পুরোপুরি ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি: জামায়াত আমির
- বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আর্জেন্টিনার কাছে ব্রাজিলের অন্যরকম হার!
- অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে আসছে সম্পূর্ণ নতুন আইন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে বিশেষ শোক চিঠি পাঠালেন ড. ইউনূস
- শিশু রামিসা হত্যা: ঘাতক সোহেল ও তার স্ত্রীর বিচার শুরুর দিন ধার্য
- শিশু রামিসা হত্যা মামলা বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি
- পাইপলাইন মেরামত: সোমবার ৯ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না বেশ কিছু এলাকায়
- যুদ্ধ বন্ধে ঐতিহাসিক চুক্তির দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
- ৯ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় মেহেরপুরে যুবকের মৃত্যুদণ্ড
- ২৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৪ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে সিলেটের বিশ্বনাথে জমে উঠেছে পশুর হাট
- তথ্যের জগৎ আর প্রথাগত নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নেই: তথ্যমন্ত্রী
- আলোচনার টেবিলেও শত্রুর সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করবে ইরান
- আগামীকাল থেকে নামছে ৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন: রেলমন্ত্রী
- মিরপুরের শিশু রামিসা হত্যায় ডিএনএ রিপোর্টে মিলল ধর্ষণের অকাট্য প্রমাণ
- আজকের টাকার রেট: জেনে নিন প্রবাসী মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার
- ইসরায়েলি জেনারেলের চাঞ্চল্যকর দাবি: সংঘর্ষে জয়ী হয়েছে ইরান
- রাজধানীতে আজ সরকারি ও রাজনৈতিক কর্মসূচির ব্যস্ততা
- দেশের চার জেলায় দুপুর ১টার মধ্যে ধেয়ে আসছে ঝড়-বৃষ্টি: আবহাওয়া অফিসের মেগা অ্যালার্ট
- তেজাবি সোনার বাজারে ধস: ৩ দিন আগের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করলো বাজুস
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ১ মাসে ৩ বার ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা! হোয়াইট হাউসে আত্মঘাতী হামলা
- কুমিল্লা সরানো হলো ১৩১ বছরের স্কুল আঙিনার কবরস্থানের সাইনবোর্ড
- রামিসা হত্যা ও ফারিয়া ধর্ষণের প্রতিবাদ: চট্টগ্রামে ফুলেশ্বরী অ্যাসোসিয়েশনের মিছিল
- নিসাব কার বেশি? জেনে নিন ঠিক যেসব নারীর ওপর কোরবানি ওয়াজিব
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের জের: ফেঁসে গেলেন ২২ এনসিপি নেতা
- তেলাপোকা’র আতঙ্কে মোদী সরকার, টুইটারের পর বন্ধ হলো সিজেপির ওয়েবসাইট
- লাশ উদ্ধারের ৫ দিনের মাথায় চূড়ান্ত অভিযোগপত্র: রামিসা হত্যায় দ্রুততম বিচারের রেকর্ড
- এটাই এনসিপির মূল বসন্ত, মামলা খেয়ে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহর রহস্যময় অভিনন্দন
- আড়াই কোটি মানুষ ও কোরবানির পশুর পরিবহন এবার মেগা চ্যালেঞ্জ: সেতুমন্ত্রী
- ১৮ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- রামিসা থেকে আবদুল্লাহ: শিশু যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে নীরবতার অবসান হোক
- ইরানে ধাক্কা খেয়ে চীনের সামনে দুর্বল আমেরিকা?
- ইরান যুদ্ধে ড্রোন ধ্বংসে ১০০ কোটি ডলারের ক্ষতি যুক্তরাষ্ট্রের
- আজ ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- দ্রুতই মাথা উঁচু করে দেশে ফিরব: আনন্দবাজারের সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা
- টয়লেটে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন ও হত্যা: পল্লবীর শিশু খুনের রোমহর্ষক জবানবন্দি
- আবারও কমলো সোনার দাম, ভরিতে বড় পতন
- ২১ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- রামিসার মা-বাবার পাশে দাঁড়াতে আজ রাতেই পল্লবীর বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- ঈদের দিনে কেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া
- আজ সূর্যাস্ত কখন? নামাজের সময় জানুন একনজরে
- ১৯ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার








