ভিপি পদে লড়াই করছেন ১২ জন: জকসু নির্বাচনে কার গলায় উঠবে জয়ের মালা?

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ০৯:৫৯:৪৬
ভিপি পদে লড়াই করছেন ১২ জন: জকসু নির্বাচনে কার গলায় উঠবে জয়ের মালা?
আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকেছবি: প্রথম আলো

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দুই দশক পর এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো আজ। দীর্ঘ ২১ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পূর্বনির্ধারিত তারিখ পিছিয়ে আজ নতুন করে এই মহাউৎসবের দিন ধার্য করা হয়েছিল। সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯টি কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে ১৬ হাজার ৬৬৫ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।

এবারের নির্বাচনে একজন ভোটারকে ২১টি পদের জন্য ভোট দিতে হচ্ছে। আধুনিকতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে ওএমআর ফরমে এবং গণনার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বিশেষ মেশিন। কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে বসানো হয়েছে ৬টি গণনা মেশিন এবং ফলাফল সরাসরি দেখার জন্য লাগানো হয়েছে তিনটি বড় এলইডি স্ক্রিন। নির্বাচন কমিশনার আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, ওএমআর মেশিনে অসংগতির পরিমাণ শূন্য শতাংশ এবং নির্বাচন নিয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্

জকসু নির্বাচনে কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৩৪টি পদের বিপরীতে লড়াই করছেন ১৯০ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ভিপি পদে ১২ জন এবং জিএস পদে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। লড়াই হচ্ছে মূলত চারটি প্যানেলের মধ্যে—ছাত্রদল ও ছাত্র অধিকার পরিষদের ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, বাম জোটের ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’। ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের জিএস প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা নারীদের অধিকার আদায়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রক্টর অধ্যাপক তাজাম্মুল হকের তত্ত্বাবধানে নেওয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট সদস্যদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। শিক্ষার্থীদের কেবল ১ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে এবং ভোট শেষে ২ ও ৩ নম্বর গেট দিয়ে বের হতে বলা হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর গণতান্ত্রিক এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পেরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে।


২৬ কেন্দ্রের ফলে পাশা উল্টে গেল: জকসু নির্বাচনের নাটকীয় মোড়

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ২০:২৬:০২
২৬ কেন্দ্রের ফলে পাশা উল্টে গেল: জকসু নির্বাচনের নাটকীয় মোড়
ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল (বামে) ও ভিপি প্রার্থী রাকিব। ছবি : সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ২৬টি কেন্দ্রের ফলাফল শেষে নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যায় ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ছাত্রদল ও ছাত্র অধিকার পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী এ কে এম রাকিবকে পেছনে ফেলে ৩৫১ ভোটে এগিয়ে গেছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম। প্রথম ২২ কেন্দ্রের ফলাফলে রাকিব এগিয়ে থাকলেও পরবর্তী কেন্দ্রগুলোর ভোটে ব্যবধান ঘুচিয়ে লিড নিয়েছেন রিয়াজুল। রিয়াজুল ইসলাম এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৩৬৪ ভোট পেয়েছেন, যেখানে রাকিবের সংগ্রহ ৩ হাজার ১৩ ভোট।

তবে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে শুরু থেকেই বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। ২৬ কেন্দ্রের সম্মিলিত হিসাবে জিএস পদে শিবিরের আব্দুল আলিম আরিফ ৩ হাজার ৪৮৯ ভোট পেয়ে প্রায় ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছেন; যেখানে ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ৩৭৯ ভোট। এজিএস পদেও শিবিরের মাসুদ রানা ৩ হাজার ১০৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন এবং ছাত্রদলের তানজিল পেয়েছেন ২ হাজার ৬৭৭ ভোট।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় সংসদে মোট ৬৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। যদিও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ভোট গণনা মাঝে সাড়ে তিন ঘণ্টা বন্ধ ছিল, তবে বর্তমানে তা দ্রুতগতিতে চলছে। ৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে বাকি ১৩টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করলেই পরিষ্কার হবে কে বসছেন জকসুর শীর্ষ আসনে। দীর্ঘ দুই দশক পর এই নির্বাচনকে ঘিরে পুরো জবি ক্যাম্পাসে এখন উৎসব আর উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে।


ভিপি পদে রিয়াজুল বনাম রাকিব: জকসু নির্বাচনের ২০ কেন্দ্রের ফল এক নজরে

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১৯:০৭:২২
ভিপি পদে রিয়াজুল বনাম রাকিব: জকসু নির্বাচনের ২০ কেন্দ্রের ফল এক নজরে
ছবি : সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ২০টি কেন্দ্রের ফলাফল শেষে ভিপি পদে অভাবনীয় লড়াই শুরু হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেল পর্যন্ত প্রকাশিত ২০টি কেন্দ্রের ফলাফলের সমন্বিত হিসাবে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ছাত্রদল ও ছাত্র অধিকার পরিষদ সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের এ কে এম রাকিব সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৪০৪ ভোট, আর তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ২ হাজার ৩১৬ ভোট। ভিপি পদে এই দুই প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ৮৮ ভোটের ব্যবধান পুরো নির্বাচনকে এক নাটকীয় মোড় দিয়েছে।

তবে ভিপি পদে লড়াই চললেও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে শিবিরের প্রার্থীরা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। ২০ কেন্দ্রের ফলে জিএস পদে শিবিরের আব্দুল আলিম আরিফ ২ হাজার ৪৮৭ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন, যেখানে ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ১ হাজার ১০৪ ভোট। এজিএস পদেও শিবিরের মাসুদ রানা ২ হাজার ২৩৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন এবং ছাত্রদলের আতিকুল ইসলাম তানজিল পেয়েছেন ২ হাজার ৪১ ভোট। ২০টি কেন্দ্রের মধ্যে সঙ্গীত বিভাগ কেন্দ্রটি ছিল সবথেকে আলোচিত, যেখানে ছাত্রদলের রাকিব ১২৫ ভোট পেলেও শিবিরের রিয়াজুল পেয়েছেন মাত্র ৪ ভোট এবং জিএস-এজিএস পদে শিবিরের প্রার্থীরা একটি ভোটও পাননি।

এখনো ১৯টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা বাকি রয়েছে। ২০টি কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশের পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসবের আমেজ ও টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বাকি ১৯ কেন্দ্রের ভোট গণনা দ্রুত শেষ করে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ২১ বছরের দীর্ঘ বিরতি শেষে হওয়া এই নির্বাচনকে ঘিরে পুরো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চোখ এখন কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দিকে।


৬ বিভাগের ফলাফলে ভিপি পদে মাত্র ৫৭ ভোটের ব্যবধান: টানটান উত্তেজনা জবিতে

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১১:০৩:৫৬
৬ বিভাগের ফলাফলে ভিপি পদে মাত্র ৫৭ ভোটের ব্যবধান: টানটান উত্তেজনা জবিতে
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ ২১ বছর পর অনুষ্ঠিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা শুরু হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে প্রথম দফায় ৪টি এবং পরবর্তীতে আরও ২টিসহ মোট ৬টি বিভাগের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফলে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম এগিয়ে থাকলেও, ছাত্রদল ও ছাত্র অধিকার পরিষদ সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের প্রার্থী এ কে এম রাকিবের সাথে তার ব্যবধান খুবই সামান্য।

শীর্ষ তিন পদের সর্বশেষ অবস্থান (৬ বিভাগের সম্মিলিত হিসাব)

অদম্য জবিয়ান প্যানেলের রিয়াজুল ইসলাম ৫৮৫ ভোট পেয়ে শীর্ষে রয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের এ কে এম রাকিব পেয়েছেন ৫২৮ ভোট।

এই পদে অদম্য জবিয়ান প্যানেলের আব্দুল আলীম আরিফ ৫৭৭ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২৭৭ ভোট।

মাসুদ রানা (অদম্য জবিয়ান) ৫৫৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন, যেখানে আতিকুল ইসলাম তানজিল (ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান) পেয়েছেন ৪১৬ ভোট।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৬৬ শতাংশ। ওএমআর মেশিনে ভোট গণনার সময় তথ্যের গরমিল পাওয়ায় মঙ্গলবার রাত ৯টার পর দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা গণনা বন্ধ থাকে। যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে গভীর রাতে পুনরায় গণনা শুরু হয় এবং সকালে পর্যায়ক্রমে ফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে বাকি বিভাগগুলোর ফলও দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। দুই দশকের বিরতি ভেঙে হওয়া এই নির্বাচনকে ঘিরে পুরো ক্যাম্পাসে এখন টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।


জকসু নির্বাচনের প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ভিপি-জিএস পদে কে কোথায়?

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ০৮:৫৬:৪৭
জকসু নির্বাচনের প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ভিপি-জিএস পদে কে কোথায়?
জকসু নির্বাচনের ফলাফল কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে ঘোষণা করা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ৭টার দিকে প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম ৪টি বিভাগের প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, সহসভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) — এই তিনটি শীর্ষ পদেই ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত 'অদম্য জবিয়ান ঐক্য' প্যানেলের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভিপি পদে অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম ৪২৮ ভোট পেয়ে শীর্ষস্থানে রয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত 'ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান' প্যানেলের প্রার্থী এ কে এম রাকিব পেয়েছেন ৩৯৫ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের আব্দুল আলীম আরিফ। তিনি পেয়েছেন ৪১৯ ভোট, যেখানে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২০৬ ভোট। এছাড়া সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদেও একই প্যানেলের মাসুদ রানা ৪০৮ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ওএমআর পদ্ধতিতে জকসুর এই ঐতিহাসিক ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কারিগরি কিছু ত্রুটির কারণে মঙ্গলবার রাতে গণনা সাময়িকভাবে স্থগিত থাকলেও পরবর্তীতে তা পুনরায় শুরু হয়। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বাকি বিভাগগুলোর ভোট গণনা এখনো চলমান রয়েছে এবং ফলাফল পাওয়া মাত্রই তা পর্যায়ক্রমে ঘোষণা করা হবে। ২১ বছর পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনকে ঘিরে পুরো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এখন টানটান উত্তেজনা ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।


জবিতে জকসু নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা 

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ৩০ ১১:১৬:২৫
জবিতে জকসু নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা 
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচন স্থগিত করার আকস্মিক ঘোষণায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ মিছিলে নামেন। শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কার্যালয় ও বাসভবন ঘেরাও করে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে ‘অবৈধ’ ও ‘স্বৈরাচারী’ বলে আখ্যায়িত করেন। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে ‘অবৈধ সিদ্ধান্ত, মানি না মানবো না’ এবং ‘প্রশাসনের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ স্লোগানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় জকসু নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক কিছু জটিলতার কারণ দেখিয়ে এই নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা দাবি করছেন, প্রশাসন কৌশলে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বহীন করার জন্যই এই তালবাহানা শুরু করেছে। তারা জানান, জকসু নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না এবং উপাচার্য ভবন থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করবেন না।

বিক্ষোভ চলাকালীন জবি ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পরিস্থিতি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে জকসু নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই, অথচ প্রশাসন বারবার এটি পেছানোর চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে বিক্ষোভ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। উপাচার্য ড. রেজাউল করিম শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করলেও আন্দোলনকারীরা নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ না পাওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবেন না বলে আল্টিমেটাম দিয়েছেন।


দিল্লির তাবেদারি ও ফ্যাসিবাদের ঠাঁই বাংলাদেশে হবে না: ডাকসু ভিপি

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ২৮ ১১:২৭:৩৫
দিল্লির তাবেদারি ও ফ্যাসিবাদের ঠাঁই বাংলাদেশে হবে না: ডাকসু ভিপি
ছবি : সংগৃহীত

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না এবং এই স্বাধীন বাংলাদেশে তাঁর খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে—এমনই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলে শহীদ হাদির স্মরণে নির্মিত একটি গ্রাফিতি উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ভিপি কায়েম অভিযোগ করেন যে, হামলার ১৬ দিন পার হয়ে গেলেও সরকার এখন পর্যন্ত মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

অনুষ্ঠানে আবু সাদিক কায়েম প্রশ্ন তোলেন যে, হামলার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে খুনি কীভাবে দেশের সব গোয়েন্দা সংস্থাকে ফাঁকি দিয়ে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে পালিয়ে গেল? তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচার করা না হয়, তবে আমরা ধরে নেবো এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাষ্ট্রের একটি বিশেষ অংশ জড়িত রয়েছে।’ তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, ওসমান হাদি তাঁর জীবন দিয়ে ‘জুলাই বিপ্লব’ রক্ষা করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা তিনি রক্ষা করেছেন। এখন সেই শহীদের বিচার নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের নৈতিক দায়িত্ব।

অনুষ্ঠানে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ওসমান হাদির লড়াই ছিল ইনসাফ কায়েম এবং আধিপত্যবাদ বিরোধী লড়াই। এই দীর্ঘ লড়াইকে সফল করতে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ, মাস্টারদা সূর্যসেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম এবং হল সংসদের ভিপি আজিজুল হকসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বক্তারা সম্মিলিতভাবে ঘোষণা করেন যে, বাংলাদেশে আর কোনো ‘দিল্লির তাবেদারি’ বা ফ্যাসিবাদের জায়গা হবে না। যারা বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করবে, ছাত্র সমাজ তাদের সমুচিত জবাব দেবে। শহীদ ওসমান হাদির স্মৃতি ধরে রাখতে হলের দেওয়ালে অঙ্কিত এই গ্রাফিতি আগামী দিনের বিপ্লবীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে মন্তব্য করেন হল প্রাধ্যক্ষ। সভা শেষে শিক্ষার্থীরা হাদি হত্যার দ্রুত বিচার ও দোষীদের দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেন।


তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে আজ ঢাবি ক্যাম্পাসে বিশেষ আয়োজন

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ২৩ ০৯:৫২:২২
তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে আজ ঢাবি ক্যাম্পাসে বিশেষ আয়োজন
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘ ১৮ বছরের প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফেরার দিনটি ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতির খবর পাওয়া গেছে। তার এই ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানাতে আজ মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক বর্ণাঢ্য শুভেচ্ছা ও স্বাগত মিছিলের ডাক দিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এই কর্মসূচির কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে তারেক রহমানকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের 'আলোক দিশারী' এবং 'অনুপ্রেরণার বাতিঘর' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

দলীয় সূত্র অনুযায়ী আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান বাংলাদেশে পদার্পণ করবেন। তার আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস এবং সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের নেতৃত্বে আজকের এই কর্মসূচি পালিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র বা টিএসসি এলাকা থেকে শুরু হবে। এরপর এটি পুরো ক্যাম্পাস এলাকা প্রদক্ষিণ করে নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্দীপনা ছড়িয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। ১৮ বছর পর প্রিয় নেতার প্রত্যাবর্তনে ছাত্রদলের সাধারণ কর্মীদের মধ্যে এক ধরণের আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ে তারেক রহমান যেভাবে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তৃণমূলের আশা-আকাঙ্ক্ষার আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছেন তার যথাযথ সম্মান জানাতেই এই বিশাল আয়োজন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয় যে তার এই প্রত্যাবর্তন দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁক বদল হিসেবে দেখা হচ্ছে। আজকের মিছিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও অনুষদের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এর মাধ্যমেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে বরণের আনুষ্ঠানিক কাউন্টডাউন শুরু করছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

টিএসসি থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করার সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝেও তারেক রহমানের আগমনের বার্তা পৌঁছে দেবে বলে মনে করছেন ছাত্রদল নেতারা। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর তার দেশে ফেরা নিয়ে কেবল ছাত্রদল নয় বরং বিএনপির মূল দল এবং অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনগুলোও দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আজকের এই স্বাগত মিছিলের মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তারেক রহমানের আগমনের একটি অগ্রিম আবহ তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যা আগামী ২৫ ডিসেম্বরের চূড়ান্ত অভ্যর্থনাকে আরও বেগবান করবে।


মুজিবর হল হবে ‘ওসমান হাদি’: নাম বদলের দাবিতে উত্তাল ঢাবি

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ২১ ১৮:২১:০৩
মুজিবর হল হবে ‘ওসমান হাদি’: নাম বদলের দাবিতে উত্তাল ঢাবি
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দুটি আবাসিক হলের নাম পরিবর্তনের দাবিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ চৌধুরীর কার্যালয় ঘেরাও করেছেন ডাকসু নেতা ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি হলো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বীর প্রতীক সেতারা বেগম’ করা।

দুপুর থেকেই ডাকসু এবং হল সংসদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে জমায়েত হতে থাকেন। এ সময় তারা ‘মুজিববাদ মুর্দাবাদ’ এবং ‘ফ্যাসিবাদের আস্তানা ঢাবিতে থাকবে না’ এমন সব উত্তপ্ত স্লোগানে ক্যাম্পাস প্রকম্পিত করে তোলেন। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শরিফ ওসমান হাদির অকাল প্রয়াণের পর তার নামে হলের নামকরণের বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে বিদায়ী শাসনের কোনো চিহ্ন তারা ক্যাম্পাসে আর দেখতে চান না।

প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও কর্মসূচি চলাকালে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের কঠোর ভাষায় তার বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন যে গত জুলাই মাসে সংঘটিত ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যেসব শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে গণহত্যাকে সমর্থন দিয়েছেন, তাদের প্রত্যেককে অতিদ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। জুবায়েরের মতে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় স্বৈরাচারের আইকন কোনোভাবেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি মুক্তবুদ্ধি চর্চার স্থানে বজায় রাখা সম্ভব নয়। তিনি এই পরিবর্তনকে সময়ের দাবি হিসেবে অভিহিত করেন।

উপাচার্য কার্যালয় ঘেরাওয়ের ফলে প্রশাসনিক ভবনের স্বাভাবিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়। শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল উপাচার্যের কাছে তাদের দাবিনামা পেশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। তবে ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ এই নাম পরিবর্তনের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল টিম এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।


বিজয় দিবস নিয়ে মোদির মন্তব্যে ফুঁসে উঠল ঢাবি শিক্ষার্থী

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ১৬ ১৮:৩৯:৩৩
বিজয় দিবস নিয়ে মোদির মন্তব্যে ফুঁসে উঠল ঢাবি শিক্ষার্থী
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসকে নিজেদের ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে উল্লেখ করায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী এবং এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে তার কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক মধুর ক্যান্টিনের সামনে ‘আধিপত্যবাদবিরোধী’ ব্যানারের নিচে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচির আয়োজন করেন যেখানে তারা মোদির বিতর্কিত মন্তব্যের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং কুশপুত্তলিকায় আগুন ধরিয়ে নিজেদের ঘৃণা প্রকাশ করেন। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এমন একপাক্ষিক ও বিতর্কিত মন্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে অবজ্ঞা করার পাশাপাশি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এই মহান বিজয়কে অস্বীকার করার শামিল।

সমাবেশে উপস্থিত ছাত্ররা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন যে বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিজয়ের ওপর কোনো প্রকার বহিঃশক্তির হস্তক্ষেপ বা ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা ছাত্রসমাজ কখনোই মেনে নেবে না। অবিলম্বে এই বিতর্কিত মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানানোর পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের কাছে কঠোর কূটনৈতিক বার্তা পাঠানোর জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। উল্লেখ্য যে এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নরেন্দ্র মোদি ১৬ ডিসেম্বরকে ‘ভারতের ঐতিহাসিক বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং বিস্ময়করভাবে সেই পোস্টে একবারের জন্যও বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করেননি যা মুহূর্তের মধ্যেই দেশের সাধারণ মানুষ ও ছাত্রসমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করে এবং তারই বহিঃপ্রকাশ হিসেবে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত