যেখানে হাদির কবর খনন করা হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির নেতা শরিফ ওসমান হাদি–এর দাফনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি প্রাঙ্গণে তার কবর খননের কাজ প্রায় সম্পন্ন করা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, কবর খননের শেষ পর্যায়ের কাজ চলাকালে সমাধি প্রাঙ্গণের আশপাশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সেখানে ভিড় করে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। পুরো এলাকা জুড়ে একদিকে শোকের আবহ, অন্যদিকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিলক্ষিত হয়।
এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে শরিফ ওসমান হাদির দাফনের জন্য জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি প্রাঙ্গণকে নির্ধারিত স্থান হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার সমাহিতকরণের জন্য এই স্থান নির্বাচন করা হয়েছে।
এদিকে, শরিফ ওসমান হাদির দাফন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে গণমাধ্যমে একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। এতে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সাধারণ জনগণকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়িয়ে চলার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সর্বস্তরের মানুষের প্রতি এই অনুরোধ প্রযোজ্য। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসের একাধিক প্রবেশপথ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে স্বাভাবিক চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আগাম দুঃখ প্রকাশ করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে এবং দাফন কার্যক্রম শেষে ধীরে ধীরে ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক চলাচল পুনরায় চালু করা হবে।
-রাফসান
মঞ্চের পর্দার আড়াল থেকে ব্যান্ডেজ চোখে ফিরে এলেন এনসিপি সমন্বয়ক!
হবিগঞ্জে ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির সংগঠক আলিফ চৌধুরীর ওপর হামলায় একটি চোখ হারানোর ঘটনার প্রতিবাদে চোখে ব্যান্ডেজ বেঁধে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে আয়োজিত ‘শহীদ পরিবার ও আহতদের কণ্ঠে—জনতার ১ দফা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এভাবে বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যের জন্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নাম আহ্বান করা হলে তিনি কিছুক্ষণের জন্য মঞ্চের পর্দার আড়ালে যান। প্রায় এক মিনিট পর চোখে সাদা ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থায় ডায়াসে ফিরে এসে তিনি আলোচনায় অংশ নেন।
হবিগঞ্জে আয়োজিত এনসিপির কর্মসূচিতে হামলা চলাকালে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও ছাত্রশক্তি নেতা আলিফ চৌধুরী চোখে মারাত্মক আঘাত পেয়ে দৃষ্টিশক্তি হারান। উক্ত ঘটনায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে ধরে তিনি এই প্রতিকী প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
নিজের বক্তব্যে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আহত আলিফের চোখ ফিরিয়ে দেওয়া কারো পক্ষে সম্ভব নয়। হামলাকারীদের সংবেদনশীলতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির অভাবের কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে এবং ঘটনার পর আহত কর্মীর সুচিকিৎসায় কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তিনি দাবি করেন।
/আশিক
দুই বছর পর প্রকাশ্যে শেখ হাসিনা, কী বলবেন?
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতা হারিয়ে বাংলাদেশ ছাড়ার প্রায় দুই বছর পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্য একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, আগামী ৫ আগস্ট ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত একটি ভার্চ্যুয়াল আয়োজনে তিনি বক্তব্য দেবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় জনসম্মুখে অনুপস্থিত থাকার পর এই বক্তব্য বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করতে পারে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া (এফসিসি সাউথ এশিয়া) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলবে। নয়াদিল্লির মাথুরা রোডে অবস্থিত স্যার মার্ক টালি অডিটোরিয়ামে মূল আয়োজন অনুষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি ক্লাবটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মেও এটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
আয়োজকদের আমন্ত্রণপত্রের তথ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার পাশাপাশি বাংলাদেশে ফেরার সম্ভাব্য রূপরেখা নিয়েও কথা বলতে পারেন। যদিও তার বক্তব্যের পূর্ণ বিষয়বস্তু এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবুও এই সম্ভাব্য আলোচনাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন পরবর্তীতে সরকারবিরোধী গণআন্দোলনে রূপ নেয়। এরপর গত প্রায় দুই বছরে তিনি কোনো প্রকাশ্য অনুষ্ঠান, সংবাদ সম্মেলন বা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থিত হননি। ফলে এবারের ভার্চ্যুয়াল বক্তব্যকে তার ক্ষমতাচ্যুতির পর প্রথম বড় ধরনের প্রকাশ্য উপস্থিতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে শুধু শেখ হাসিনাই নন, বাংলাদেশের রাজনীতি, কূটনীতি, মানবাধিকার এবং ক্রীড়াঙ্গনের কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তিও অংশ নেবেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন শেখ হাসিনার ছেলে ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মহাসচিব মাহাম্মদ আলী সিদ্দিক।
এছাড়া জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, সাবেক কূটনীতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক আমিনুল হক পলাশ, রাজনৈতিক ও সন্ত্রাসবাদবিষয়ক বিশ্লেষক আবু ওবায়দাহ আরিন এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ইউএসএর পরিচালক শাহ মো. বখতিয়ারও অনুষ্ঠানে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রের এসব ব্যক্তির অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে আরও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
-রাফসান
ভারতের গণতান্ত্রিক উদাহরণ টেনে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য
দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এক স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে নতুন একটি গণতান্ত্রিক সম্ভাবনার যুগে প্রবেশ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে যদি সঠিক গণতান্ত্রিক চর্চা বজায় থাকে, তবে সমাজের অন্যান্য উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবেই গতি লাভ করবে। রোববার (২ আগস্ট) ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল তার বক্তব্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, একটি প্রভাবমুক্ত বিচার বিভাগ গঠিত হলে দেশের সাধারণ মানুষ সরাসরি ন্যায়বিচার পাবেন। এর পাশাপাশি প্রশাসনকে দক্ষ করে গড়ে তোলা এবং জাতীয় সংসদের বিষয়ভিত্তিক কমিটিগুলোকে কার্যকর করা সম্ভব হলে দেশের গণতন্ত্র সুদৃঢ় ভিত্তি পাবে। রাজনৈতিক মতভেদ, সমস্যা কিংবা বিরোধী দলের আন্দোলন থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বকীয়তা বজায় রাখলে বহুদলীয় শাসনব্যবস্থা টিকে থাকে।
প্রতিবেশী দেশ ভারতের রাজনৈতিক কাঠামোর কথা উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব জানান, সেখানে বহুমুখী সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যা থাকা সত্ত্বেও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং শক্তিশালী গণমাধ্যমের কারণে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো মজবুত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। এই প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির কারণেই দেশটিতে গণতান্ত্রিক ধারা ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।
আইনজীবী ও বিচারকদের ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানান। অতীতের বিভিন্ন সময়ে দেশের নাগরিকেরা এই অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী দিনে সমাজে ইনসাফ ও সঠিক বিচারব্যবস্থা কায়েম করাই অন্যতম লক্ষ্য। এই নীতিগুলো বাস্তবায়িত হলে সমাজ ও রাষ্ট্র দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
/আশিক
সাবেক সরকারের মতো একই আচরণ ধারণ করছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী: জামায়াত আমির
জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ‘জান দিব, জুলাই দিব না’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। রোববার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে চরম নির্যাতনের শিকার হয়ে বিরোধী দলে থাকা একটি পক্ষ ক্ষমতায় এসে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের মতো স্বৈরাচারী আচরণ ও পন্থাকে পুনরায় গ্রহণ করছে।
ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, বর্তমানে ভিন্নমত দমনে যেসব ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও শক্ত প্রয়োগের চর্চা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা সরাসরি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনের অবিকল রূপ। সাবেক সরকারের আমলে বিরোধীদের ওপর যে দমন-পীড়ন চলেছে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তার প্রতিফলন ঘটা দুঃখজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, বিগত সাড়ে ১৭ বছর ধরে রাজনৈতিক নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা, সাংবাদিক, সুশীল সমাজসহ সাধারণ মানুষ চরম অত্যাচার ও নিপীড়নের মধ্য দিয়ে সময় পার করেছেন। একটি রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ মুক্ত হলেও সাবেক সরকারের সেই নির্যাতনমূলক ধারা থেকে বের হওয়া সম্ভব হয়নি।
বক্তব্যের শেষ অংশে ২০২৪ সালের ১ আগস্ট তাদের দলকে নিষিদ্ধ করার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, সে সময় বিএনপি ও এলডিপিসহ গণতান্ত্রিক দলগুলো এই আদেশের প্রতিবাদ জানিয়েছিল। তবে যারা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে তাদের চরম পতন ঘটেছিল, যা কুদরতি বিচারে এক ঐতিহাসিক শিক্ষা।
/আশিক
তীব্র গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে কারওয়ান বাজারে প্রতিবাদী কর্মসূচি: কঠোর আলটিমেটাম এনসিপির
রাজধানীসহ সারা দেশে বাসাবাড়ি, শিল্পকারখানা ও সিএনজি খাতে বিদ্যমান গ্যাসের তীব্র সংকট নিরসন এবং সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির উদ্যোগের প্রতিবাদে কারওয়ান বাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ ও পেট্রোবাংলা ভবন অভিমুখে প্রতীকী মার্চ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে কারওয়ান বাজার মোড়ে সার্ক ফোয়ারার সামনে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার উদ্যোগে এই প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে খালি থালা ও পাতিল হাতে নিয়ে পেট্রোবাংলা ভবনের দিকে শোভাযাত্রা নিয়ে এগিয়ে যান।
সম্প্রতি পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জ্বালানি বিভাগে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৬৭ শতাংশ এবং সিএনজিতে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবসংক্রান্ত চিঠির ওপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন এনসিপির নেতারা।
সমাবেশে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল মনসুর বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, বাসাবাড়িতে গ্যাস না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গৃহিণীরা, ব্যাহত হচ্ছে শিল্প উৎপাদন।
জ্বালানি খাতে চরম অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে তারা বলেন, বিদ্যমান এই সংকটের সুরাহা না করে উল্টো যদি গ্যাসের দাম বাড়ানোর কোনো পাঁয়তারা করা হয়, তবে ঢাকাবাসীকে সাথে নিয়ে পেট্রোবাংলা ভবন ঘেরাও ও অবরুদ্ধ করা হবে। একই সাথে আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে দেশের সার্বিক গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সারা দেশে তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
/আশিক
অন্যায়ের অবসান ও নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: জামায়াত আমির
দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সবকিছুকে ‘ষড়যন্ত্র’ বলে উড়িয়ে দেওয়া যেমন ঠিক নয়, তেমনি ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব অস্বীকার করাও ভুল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে সিলেট নগরীর বন্দরবাজারস্থ কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদ কমপ্লেক্সে দৈনিক জালালাবাদ আয়োজিত এক সুধী সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "আমরা চাই না দেশ আবারও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত চোরাবালিতে হারিয়ে যাক। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের নজিরবিহীন আত্মত্যাগ এবং ত্যাগ স্বীকার কোনোভাবেই বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। গোটা জাতিকে এই রক্তের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে।"
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তিনি আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আমলের অন্যায়, অবিচার ও দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে যে নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা করা হয়েছিল, তা এখনো পুরোপুরি দৃশ্যমান নয়। দেশজুড়ে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অনিয়ম বন্ধে কার্যকর এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি জোর তাগিদ দেন।
গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, "সংবাদমাধ্যম হলো সমাজের অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ। একটি স্বাধীন, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমই রাষ্ট্র ও সমাজকে সচেতন রাখতে পারে এবং প্রশাসনকে জবাবদিহিতার আওতায় আনে।" গণমাধ্যমকর্মীদের সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে বস্তুনিষ্ঠ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
উক্ত সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সব সম্প্রদায়ের অবদান ছিল: নাহিদ ইসলাম
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যে বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের প্রতিশ্রুতির কথা বলা হয়েছিল, তা এখনো দলীয় আদর্শ হিসেবে ধারণ করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম।
শনিবার (১ আগস্ট) গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর ডিআরইউ মিলনায়তনে 'সম্প্রীতির জুলাই: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অবদান' শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানে দল-মত ও ধর্ম নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের মানুষ রাজপথে নেমেছিল। আন্দোলনের সূচনা থেকেই এর একটি অসাম্প্রদায়িক চরিত্র ছিল, যেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তত ৯ জন সদস্য শহীদ হন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, অতীতে ফ্যাসিস্ট সরকারগুলো নিজেদের অসাম্প্রদায়িক দাবি করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক কার্ড হিসেবে ব্যবহার করেছে। ভোটে ফায়দা লুটতে তাদের একটি নির্দিষ্ট দলের পকেটে রাখার অপচেষ্টা চালানো হতো। এর ফলে সেই রাজনৈতিক দলের নানা অপকর্মের দায়ভারও অন্যায়ভাবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর গিয়ে পড়ত। তাই সংখ্যালঘুদের কোনো নির্দিষ্ট দলের পকেটে না গিয়ে সব দলের সাথে রাজনৈতিক সম্পর্ক রাখা উচিত, যাতে কোনো দলই তাদের ব্যবহার করতে না পারে।
জুলাই-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতি জোর দিয়ে তিনি বলেন, সংকটের সময় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে সবাই যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, সেটিই জুলাইয়ের আসল শিক্ষা। শুধু গুম-খুন নয়, বিগত সময়গুলোতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জমি দখল ও হামলার সাথে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি।
জাতীয় অগ্রগতি ও সম্প্রীতি রক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার অপরিহার্য উল্লেখ করে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, বিচার বিভাগ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ হলে তার সুফল রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক পাবে। তাই দেশকে বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণ ঘটাতে এবং নতুন করে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি না করে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব প্রীতম দাশের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় প্রধান ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
/আশিক
সিলেটে গাড়িবহরে হামলা: খালেদা জিয়ার ওপর অতীত হামলার সাথে তুলনা নাহিদ ইসলামের
সিলেটের গোলাপগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি অভিযোগ করে বলেন, অতীতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে যেভাবে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা আক্রমণ চালিয়েছিল, ঠিক একই কায়দায় এখন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এনসিপির ওপর হামলা পরিচালনা করছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ‘জুলাই স্মরণে: অগ্নিঝরা জুলাই, রক্তের ঋণ ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, দেশে নতুন কোনো রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ও স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ব্যাহত করতেই বারবার এই ধরনের হামলা চালানো হচ্ছে।
এর আগে সিলেটের গোলাপগঞ্জে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দলটি। গোলাপগঞ্জে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাওয়া কেন্দ্রীয় নেতাদের বহর লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় হামলাকারীরা বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দেয়।
সংগঠনের যুগ্ম সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এ ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, এনসিপি কোনো ধরনের সংঘাত বা সহিংসতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তাই ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি থেকে বিরত থেকে তিনি আর কোনো দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলবেন না বলে মন্তব্য করেন।
হামলার ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
/আশিক
দেশ আবার পুরোনো অন্ধকার পথে ফিরে যাচ্ছে: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান
দেশ আবার পুরোনো অন্ধকার পথে ফিরে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীতে ঢাকা মহানগর জামায়াত আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল ফ্যাসিবাদমুক্ত, বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক একটি বাংলাদেশ গঠন করা। কিন্তু সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্ত বায়নের বদলে বর্তমানে সর্বক্ষেত্রে নির্লজ্জ দলীয়করণ দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে যোগ্য ও দেশপ্রেমিক মানুষদের সরিয়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা পরিষদ ও ব্যাংক-বীমাসহ সর্বত্র এখন একই চিত্র, যা নতুন এক ধরণের বৈষম্য ও কোটা ব্যবস্থার জন্ম দিচ্ছে।
গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট স্মরণ করে তিনি বলেন, ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়েছিল কোনো একটি নির্দিষ্ট দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয়, বরং পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সিস্টেমের ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য। আন্দোলন সফল হওয়ার পর জামায়াত কখনোই এর একক কৃতিত্ব দাবি করেনি, এমনকি ক্ষমতা বা নির্বাচনের জন্য তাড়াহুড়ো না করে আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে প্রাণ দেওয়া অধিকাংশ মানুষই ছিলেন সাধারণ খেটে খাওয়া প্রান্তিক নাগরিক। তাঁরা কেবল বৈষম্যহীন বাংলাদেশের প্রত্যাশায় রাজপথে নেমেছিলেন।
সরকার ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান আহ্বান জানান, জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে সঠিক পথে ফিরে আসার। একই সাথে জুলাইয়ের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে না দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং যেকোনো মূল্যে অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- মঞ্চের পর্দার আড়াল থেকে ব্যান্ডেজ চোখে ফিরে এলেন এনসিপি সমন্বয়ক!
- বয়স্ক ও বিধবা ভাতার আবেদন শুরু, যেভাবে করবেন আবেদন
- ‘মানুষ হত্যা চাই না’, ইরানের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প
- ডলারের দাম কেন বাড়ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বদলে গেল তেলের বাজার
- দুই বছর পর প্রকাশ্যে শেখ হাসিনা, কী বলবেন?
- তেলের দাম কমতেই লাফ দিল স্বর্ণের বাজার
- যেসব দেশে দিনদুপুরে নেমে আসবে রাতের অন্ধকার!
- মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির জোরালো প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
- ৪০ মিলিয়ন ইউরোয় ইতালি পাড়ি জমাচ্ছেন আর্জেন্টাইন তারকা
- এমপি লুনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ‘ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’-এর ট্রাস্টিবৃন্দ
- সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত বল্লভপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা
- কীভাবে এলো এই বিশেষ দিন: বন্ধু দিবসের অজানা কথা
- এশিয়ান গেমস ফুটবলের সূচি প্রকাশ, কোন গ্রুপে বাংলাদেশ?
- হাইকোর্টে জোড়া মামলায় জামিন পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস
- ভারতের গণতান্ত্রিক উদাহরণ টেনে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য
- হুতি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সৌদি জোটে বাংলাদেশ, জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- অপারেশন শরতের তুফান: ৮ বছর পর ট্রাইব্যুনালে উঠে এল কোন চাঞ্চল্যকর তথ্য?
- সাবেক সরকারের মতো একই আচরণ ধারণ করছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী: জামায়াত আমির
- ইরানের কঠোর অবস্থানের পর হামলা থেকে সরে এলেন ট্রাম্প
- আরব আমিরাতে জামিন পেলেন সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ
- ফের পরিবর্তন এলপিজি গ্যাসের দামে: রোববার সন্ধ্যা থেকে নতুন রেট কার্যকর
- টানা সাড়ে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- তীব্র গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে কারওয়ান বাজারে প্রতিবাদী কর্মসূচি: কঠোর আলটিমেটাম এনসিপির
- আগস্ট জুড়ে আবহাওয়া কেমন থাকবে? দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বিডব্লিউওটির বিশেষ বার্তা
- ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার রূপরেখা পেশ
- সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন ইউকে নবগঠিত (আংশিক) কমিটি ঘোষণা
- অন্যায়ের অবসান ও নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: জামায়াত আমির
- ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরে ড্রোন তাণ্ডব: আন্তর্জাতিক ষড়যন্তের দিকে আঙুল ইরানের
- ইন্ডাকশন নাকি ইনফ্রারেড চুলা: কেনার আগে জেনে নিন কাজের পার্থক্য
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সব সম্প্রদায়ের অবদান ছিল: নাহিদ ইসলাম
- যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা পাওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন, প্রভাবিত হবে বাংলাদেশও
- স্ত্রীর কবর খননকালে ২৪ বছর পর স্বামীর অক্ষত দেহ উদ্ধার
- আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের বিশ্বজয়ে আবার স্বর্ণের দামে দরপতন
- হয়ে গেল সাফের ড্র: সহজ গ্রুপে স্বাগতিক বাংলাদেশ, সহজ হলো সেমির পথ
- যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা
- যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা
- আমদানি-রপ্তানি ত্বরান্বিত করতে দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ
- আগামী ৫ দিনের আবহাওয়া কেমন থাকবে? যা জানাল অধিদপ্তর
- কুমিল্লা প্রেস ক্লাব নির্বাচন আজ, ১৬ পদে লড়ছেন ৩২ প্রার্থী
- ৩ লাখ ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে মিয়ানমার সম্মত: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
- আগস্টের ডিজেল-অকটেন-পেট্রোলের দাম নির্ধারণ
- হজযাত্রীদের বড় সুখবর: হজের বিমান টিকিটের দাম আরও কমাল সরকার
- বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুর তাগিদ, চলতি বছরের মধ্যেই প্রক্রিয়ার নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্যে প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন
- ব্রাজিলে তীব্র ঝড়ে দেয়াল ধসে নিহত সাবেক জনপ্রিয় ফুটবলার
- সিলেটে গাড়িবহরে হামলা: খালেদা জিয়ার ওপর অতীত হামলার সাথে তুলনা নাহিদ ইসলামের
- দেশ আবার পুরোনো অন্ধকার পথে ফিরে যাচ্ছে: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান
- আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- দেশের ৭ অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- বিশ্ব-ব্যবস্থা তত্ত্ব: পুঁজিবাদী বিশ্ব-অর্থনীতি, নির্ভরতা ও বাংলাদেশের অবস্থান
- কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুরে টিসিবির ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, উপকৃত ৭১৪ পরিবার
- ইউক্রেন ও হুতিদের প্রবেশে নতুন অঞ্চলে বিস্তৃত ইরান যুদ্ধ
- স্বৈরাচারের দুঃশাসনে ক্ষতবিক্ষত: ১০ নম্বর গুনাইঘর (দক্ষিণ) ইউনিয়ন বিএনপি
- মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির জোরালো প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
- গোপন ভিডিও কাণ্ডে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে গাড়িচালকের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
- ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য ফেসবুকে নতুন অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন পদ্ধতি
- সিলেটে গাড়িবহরে হামলা: খালেদা জিয়ার ওপর অতীত হামলার সাথে তুলনা নাহিদ ইসলামের
- ডলারের দাম কেন বাড়ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে
- পরিস্থিতি যেকোনো মুহূর্তে বদলাতে পারে, ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা ইসরায়েলের
- ছাত্রদলের পদ থাকাটাই এখন চাকরির প্রধান কোয়ালিফিকেশন
- বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে বাহুবল পুলিশ ফাঁড়িতে এনসিপির লিখিত অভিযোগ
- দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ বার্তা পাঠাল সরকার
- যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ
- জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক হামলা, ভূপাতিত করল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা








