ডিএসই মিউচুয়াল ফান্ডে এনএভি হালনাগাদ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৬ ১০:৪৯:৩০
ডিএসই মিউচুয়াল ফান্ডে এনএভি হালনাগাদ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত একাধিক ক্লোজ এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডের নেট অ্যাসেট ভ্যালু বা এনএভি হালনাগাদ করেছে ট্রাস্টি ও অ্যাসেট ম্যানেজাররা। ২৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে দিনশেষে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ ফান্ডই এখনো কস্ট প্রাইসের তুলনায় কম দামে লেনদেন হচ্ছে, ফলে ইউনিটপ্রতি এনএভি কস্ট প্রাইসের চেয়ে কম হলেও ফান্ডভিত্তিক মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য অঙ্কে রয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী এনসিসিবিএল এমএফ ওয়ান ফান্ডটি ইউনিটপ্রতি বর্তমান বাজারদর ভিত্তিক এনএভি দেখিয়েছে ৯ দশমিক ১৯ টাকা এবং কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ১১ দশমিক ০৮ টাকা, যার বিপরীতে মোট নেট সম্পদ দাঁড়িয়েছে বাজারদরে প্রায় ৯৯৬ দশমিক ৬৩ কোটি টাকা। অপরদিকে এলআর গ্লোবাল এমএফ ওয়ান ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৮ দশমিক ৫৫ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১০ দশমিক ৯৯ টাকা হলেও এই ফান্ডের মোট নেট সম্পদ বাজারদরে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬৫৯ দশমিক ৮০ কোটি টাকা, যা এ ক্যাটাগরির বড় ফান্ডগুলোর একটি শক্ত অবস্থানকে নির্দেশ করে।

ক্যাপিএম আইবিবিএল এমএফ, এমবিএল ফার্স্ট এমএফ, এআইবিএল ফার্স্ট আইএমএফ এবং ক্যাপিএম বিডিবিএল এমএফসহ ইসলামী এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ফান্ডের এনএভি প্রতিবেদনেও একই প্রবণতা দেখা যায়। ক্যাপিএম আইবিবিএল এমএফ ইউনিটপ্রতি বর্তমান এনএভি দেখিয়েছে ৭ দশমিক ৮১ টাকা, কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ১১ দশমিক ৩৮ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ প্রায় ৫২২ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা। এমবিএল ফার্স্ট এমএফ এর বাজারদর ভিত্তিক এনএভি ৮ দশমিক ৫৩ টাকা এবং কস্ট ভিত্তিক এনএভি ১১ দশমিক ০৯ টাকা, মোট নেট সম্পদ বাজারদরে ৮৫৩ দশমিক ২৭ কোটি টাকার বেশি।

গ্রিন ডেল্টা এমএফ এবং ডিবিএইচ ফার্স্ট এমএফ উভয় ফান্ডই আকারে বড় এবং তুলনামূলক স্থিতিশীল পোর্টফোলিও নির্দেশ করছে। গ্রিন ডেল্টা এমএফ এর ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৮ দশমিক ৭৫ টাকা ও কস্ট প্রাইসে ১১ দশমিক ১০ টাকা, মোট নেট সম্পদ বাজারদরে প্রায় ১৩১২ দশমিক ১৬ কোটি টাকা। ডিবিএইচ ফার্স্ট এমএফ এর ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৮ দশমিক ৪৭ টাকা, কস্ট প্রাইসে ১০ দশমিক ৯৫ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ বাজারদরে ১০১৬ দশমিক ৪৮ কোটি টাকারও বেশি।

শরিয়াভিত্তিক ফান্ডগুলোর মধ্যে এসইএমএল এফবিএসএল গ্রোথ ফান্ড, এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়া ফান্ড এবং এসইএমএল এলইসি এমএফ উল্লেখযোগ্য। এসইএমএল এফবিএসএল জিএফ ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৯ দশমিক ৩৭ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১১ দশমিক ২৪ টাকা, মোট নেট সম্পদ প্রায় ৬৮৩ দশমিক ৩৭ কোটি টাকা। এসইএমএল আইবিবিএল এসএফ এর বাজারদর ভিত্তিক এনএভি ৯ দশমিক ৬৭ টাকা এবং কস্ট ভিত্তিক এনএভি ১১ দশমিক ৭৩ টাকা, মোট নেট সম্পদ প্রায় ৯৬৬ দশমিক ৬৪ কোটি টাকা। এসইএমএল এলইসি এমএফ ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ৯ দশমিক ৮০ টাকা, কস্ট প্রাইসে ১১ দশমিক ৭২ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ প্রায় ৪৯০ দশমিক ১৭ কোটি টাকা।

বিভিন্ন ব্যাংক এবং ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন সংশ্লিষ্ট ফান্ড যেমন ট্রাস্ট ব্যাংক ওয়ান এমএফ, পপুলার ওয়ান এমএফ, পিএইচপি এমএফ ওয়ান, ক্যাপিটেক জিবি ফান্ড, আইএফআইসি ফার্স্ট এমএফ, এফবিএফআইএফ, এক্সইএম ফার্স্ট এমএফ, ইবিএল এনআরবিএমএফ, ভিএএমএল আরবিবিএফ, ইবিএল ফার্স্ট এমএফ এবং এবিবি ফার্স্ট এমএফ সবগুলোর ক্ষেত্রেই একই চিত্র দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ ট্রাস্ট ব্যাংক ওয়ান এমএফ ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ৬ দশমিক ৫৩ টাকা, কস্ট এনএভি ১১ দশমিক ৪৩ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ বাজারদরে প্রায় ১৯৮১ দশমিক ৪৯ কোটি টাকা। পপুলার ওয়ান এমএফ এর বাজার এনএভি ৭ দশমিক ০২ টাকা, কস্ট এনএভি ১১ দশমিক ৪১ টাকা, মোট নেট সম্পদ বাজারদরে ২১০০ দশমিক ৬৭ কোটি টাকা।

এ ছাড়া ওয়ান জনতা এমএফ, প্রাইম ভিএএমএল আইসিবিএ ফান্ড, ভিএএমএল বিডি এমএফ ওয়ান, রিলায়েন্স ওয়ান, গ্রামীণ দ্বিতীয় ফান্ডসহ অন্যান্য পুরনো ও পরিচিত ফান্ডগুলোও তুলনামূলক ভালো আকারে পোর্টফোলিও ধরে রেখেছে। ওয়ান জনতা এমএফ এর ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ৬ দশমিক ০৯ টাকা হলেও মোট নেট সম্পদ বাজারদরে ১৭৬৫ দশমিক ৩৮ কোটি টাকা। ভিএএএমএল বিডি এমএফ ওয়ান ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৮ দশমিক ৯৫ টাকা, কস্ট প্রাইসে ১০ দশমিক ০১ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ প্রায় ৯৩৪ দশমিক ১৩ কোটি টাকা। রিলায়েন্স ওয়ান ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ১০ দশমিক ৬৩ টাকা এবং গ্রামীণ দ্বিতীয় ফান্ডের ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ১৫ দশমিক ৬৭ টাকা, যা তালিকাভুক্ত ফান্ডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ এনএভিগুলোর একটি।

-রফিক


৯ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৯ ১৫:০৮:০৮
৯ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষ হয়েছে ইতিবাচক প্রবণতায়। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বাড়ায় দিনজুড়ে বাজারে ক্রেতাদের সক্রিয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। একই সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণও ছিল উল্লেখযোগ্য, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ডিএসইর বাজার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এদিন মোট ৩৯২টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ২১৪টির দর বৃদ্ধি, ১১৬টির দর হ্রাস এবং ৬২টির দর অপরিবর্তিত থাকে। অর্থাৎ দরবৃদ্ধিকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দরপতনকারীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।

‘এ’ ক্যাটাগরির ১৯৭টি কোম্পানির মধ্যে ১১১টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৬১টির কমেছে এবং ২৫টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৭৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪২টির দর বৃদ্ধি, ২৪টির দরপতন এবং ৮টির দর অপরিবর্তিত ছিল। অন্যদিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরির ১২১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬১টির দর বেড়েছে, ৩১টির কমেছে এবং ২৯টির কোনো পরিবর্তন হয়নি।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে তুলনামূলক চাপ দেখা গেছে। এদিন লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে মাত্র ৫টির ইউনিটদর বেড়েছে, ১৬টির কমেছে এবং ১৩টির দর অপরিবর্তিত ছিল। করপোরেট বন্ডের দুটি ইস্যুর মধ্যে একটি মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং একটি অপরিবর্তিত রয়েছে। সরকারি সিকিউরিটিজ (জি-সেক) খাতে চারটি ইস্যুর মধ্যে একটি বেড়েছে, আর তিনটির দর কমেছে।

দিন শেষে ডিএসইতে মোট ৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৭৬টি লেনদেন (ট্রেড) সম্পন্ন হয়েছে। এসব লেনদেনে ৪২ কোটি ৮৩ লাখ ৪২ হাজার ৪৬০টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। মোট লেনদেনের আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৪২৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় বাজারে সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাজার মূলধনেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। দিন শেষে ডিএসইতে ইকুইটি সিকিউরিটিজের বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা। মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারমূল্য ছিল প্রায় ২ হাজার ৮৩১ কোটি টাকা এবং ঋণপত্র (ডেট সিকিউরিটিজ) খাতের বাজারমূল্য ছিল ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকার বেশি। সব মিলিয়ে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন প্রায় ৭ লাখ ৩ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

ব্লক মার্কেটেও ছিল উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম। এদিন ৪৭টি কোম্পানির মোট ১৩১টি ব্লক ট্রেডে প্রায় ৪৬৭ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে গ্রামীণফোন (GP)-এর শেয়ারে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ১৬৪.৮২ কোটি টাকা। এছাড়া এপেক্স স্পিনিং, ড্যাফোডিল কম্পিউটার, ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং, সামোরিটা হাসপাতাল, মারকেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, এমটিবি, রবি, মেঘনা পেট, ডমিনেজ স্টিল এবং ব্র্যাক ব্যাংক-এর শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য ব্লক লেনদেন হয়েছে।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বীমা, ব্যাংক এবং কিছু উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি ছিল। অন্যদিকে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বিক্রির চাপ অব্যাহত থাকলেও সামগ্রিক বাজারে ইতিবাচক মনোভাবের কারণে প্রধান লেনদেনের ভারসাম্য সবুজ অবস্থানে ছিল।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দরবৃদ্ধিকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হওয়া এবং লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া বাজারে আস্থার ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। তবে তারা সতর্ক করে বলেন, একদিনের বাজারচিত্রকে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতার নির্দেশক হিসেবে না দেখে কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি, মুনাফা, করপোরেট ঘোষণা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

-রাফসান


শেয়ারবাজারে বড় ধাক্কা, কোন ১০ শেয়ার সবচেয়ে দর বেশি কমল

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৯ ১৫:০৪:৪২
শেয়ারবাজারে বড় ধাক্কা, কোন ১০ শেয়ার সবচেয়ে দর বেশি কমল
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (FASFIN)। দিনের লেনদেনে কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ৮ শতাংশ কমে বাজারের সবচেয়ে বড় মূল্যহ্রাসের রেকর্ড গড়েছে।

ডিএসইর সমাপনী তথ্য অনুযায়ী, এফএএস ফাইন্যান্স-এর শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের ১ টাকা ৩০ পয়সা থেকে কমে ১ টাকা ২০ পয়সায় নেমে এসেছে। এতে কোম্পানিটির শেয়ারমূল্য ৭.৬৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

দরপতনের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইনটেক লিমিটেড (INTECH)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৭.৬৪ শতাংশ কমে ৩১ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ২৯ টাকায় নেমেছে। টানা বিক্রির চাপের কারণে প্রযুক্তি খাতের এই শেয়ারটি দিনের অন্যতম আলোচিত দরপতনের তালিকায় স্থান পেয়েছে।

তৃতীয় স্থানে থাকা বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (BIFC)-এর শেয়ারদর কমেছে ৪.৫৫ শতাংশ। একই সঙ্গে ভোক্তা পণ্য খাতের পরিচিত প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার বাংলাদেশ-এর শেয়ার ৩.৯৮ শতাংশ মূল্য হারিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও বিক্রির চাপ লক্ষ্য করা গেছে। এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড-১-এর ইউনিটদর ৩.৯২ শতাংশ কমে দিনের পঞ্চম সর্বোচ্চ দরপতনের তালিকায় উঠে এসেছে।

এছাড়া জেনারেশন নেক্সট, সাফকো স্পিনিং মিলস, প্রাইম ফাইন্যান্স, আইসিবি ইপিএফ মিউচুয়াল ফান্ড এবং এমএল ডাইং যথাক্রমে ৩.৩৩ শতাংশ, ৩.১৮ শতাংশ, ৩.১৩ শতাংশ, ৩.০৮ শতাংশ এবং ৩.০৮ শতাংশ দর হারিয়ে শীর্ষ ১০ দরপতনকারী কোম্পানি ও ফান্ডের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও কিছু দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারে বিক্রির চাপ বাড়ার কারণে এদিন দরপতনের তালিকায় মূলত আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোর আধিপত্য দেখা গেছে। পাশাপাশি কিছু মিউচুয়াল ফান্ড ও উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানের ইউনিট ও শেয়ারেও মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। তারা মনে করেন, একদিনের মূল্যহ্রাসকে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতার নির্দেশক হিসেবে বিবেচনা না করে কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন, করপোরেট ঘোষণা, নগদ প্রবাহ, লভ্যাংশ নীতি এবং বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

-রাফসান


ডিএসইতে বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়ল এই ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৯ ১৪:৫৯:৫১
ডিএসইতে বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়ল এই ১০ শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দর বৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষ অবস্থান দখল করেছে ডেল্টা জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড (DGIC)। দিনের লেনদেনে কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ রিটার্ন দিয়েছে।

ডিএসইর সমাপনী তথ্য অনুযায়ী, ডিজিআইসি-র শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের ৩০ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বেড়ে ৩৩ টাকা ৩০ পয়সায় পৌঁছেছে। এতে শেয়ারটির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৯.৯০ শতাংশ, যা দিনের সর্বোচ্চ উত্থান।

দর বৃদ্ধির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মেঘনা ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯.৮৮ শতাংশ বেড়ে ৩৪ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৩৭ টাকা ৮০ পয়সায় উন্নীত হয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা ইস্টার্ন কেবলস (ECABLES)-এর শেয়ারদর বেড়েছে ৯.০৮ শতাংশ, যা দিনজুড়ে শিল্প খাতের শেয়ারগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় অগ্রগতি।

এদিন বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস-এর শেয়ারেও। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৮.৭৪ শতাংশ বেড়ে ২৫০ টাকা ২০ পয়সায় পৌঁছেছে। একইভাবে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স ৮.৭২ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে উঠে এসেছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। ক্যাপএম আইবিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড-এর ইউনিটদর ৮.৫৩ শতাংশ বেড়ে দিনের অন্যতম আলোচিত ফান্ডে পরিণত হয়েছে।

এছাড়া ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং (FEKDIL) ৮.৫২ শতাংশ, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স ৬.৯০ শতাংশ, ফার কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ ৬.৫৭ শতাংশ এবং ন্যাশনাল টিউবস ৫.৫৯ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে দিনের সেরা দশে জায়গা করে নিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বৃহস্পতিবারের লেনদেনে বীমা খাতের শেয়ারগুলোতে সবচেয়ে বেশি ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা গেছে। একই সঙ্গে কাগজ, কেবলস এবং নির্বাচিত উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়তে দেখা গেছে। যদিও কোনো একটি দিনের দর বৃদ্ধি ভবিষ্যৎ মূল্যপ্রবণতার নিশ্চয়তা দেয় না, তবুও ধারাবাহিক লেনদেন, কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি, করপোরেট ঘোষণা এবং বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করেই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

-রাফসান


৮ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৮ ১৪:৪১:৫৯
৮ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রবণতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। দিনজুড়ে অধিকাংশ খাতে বিক্রির চাপ অব্যাহত থাকায় দরপতনের তালিকায় উঠে এসেছে ১৯২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। বিপরীতে মূল্য বেড়েছে ১৪৫টির, আর অপরিবর্তিত ছিল ৫৬টির দর।

দিনের লেনদেনে মোট ৩৯৩টি সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়। এর মধ্যে দরপতনের সংখ্যা দরবৃদ্ধির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি থাকায় বাজারজুড়ে সতর্ক অবস্থান দেখা গেছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।

সবচেয়ে বেশি চাপ দেখা যায় এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতে। এ শ্রেণির ১৯৭টি কোম্পানির মধ্যে ১০৯টির দর কমেছে, বেড়েছে ৭০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৮টির। তুলনামূলকভাবে মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিতেও বিক্রির চাপ বাজারের সামগ্রিক দুর্বল মনোভাবের ইঙ্গিত দিয়েছে।

বি ক্যাটাগরিতেও নেতিবাচক প্রবণতা ছিল। মোট ৭৪টি কোম্পানির মধ্যে ৪১টির শেয়ারদর কমেছে, ৩০টির বেড়েছে এবং ৩টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্যদিকে জেড ক্যাটাগরির ১২২টি কোম্পানির মধ্যে ৪৫টির দর বেড়েছে, ৪২টির কমেছে এবং ৩৫টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এই শ্রেণিতে ক্রয় ও বিক্রির চাপ তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ থাকলেও বাজারের সামগ্রিক চিত্র ইতিবাচক হয়নি।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। লেনদেন হওয়া ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১২টির ইউনিটদর কমেছে, ১১টির বেড়েছে এবং ১১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। করপোরেট বন্ড ও সরকারি সিকিউরিটিজেও সীমিত লেনদেনের মধ্যে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যায়।

দিন শেষে মোট ২ লাখ ৭৮ হাজার ৫৬৯টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। এতে প্রায় ৪০ কোটি ৩৬ লাখ ৭৫ হাজার ৮৩৬টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়। আর্থিক মূল্যমানের হিসেবে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫৬ কোটি ১১ লাখ ৭১ হাজার ৭৫৩ টাকা, যা আগের কয়েকটি কার্যদিবসের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম।

লেনদেন কমার পাশাপাশি বাজারমূলধনেও পতন হয়েছে। দিন শেষে ইক্যুইটি বাজারের মোট বাজারমূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। মিউচুয়াল ফান্ড এবং ঋণপত্রসহ ডিএসইর মোট বাজারমূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখ ২ হাজার ৩৫৯ কোটি টাকা।

এদিন ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য কিছু লেনদেন হয়েছে। মোট ৪৭টি কোম্পানির শেয়ার ব্লক মার্কেটে হাতবদল হয়েছে। ব্লক মার্কেটে মোট ১০৬টি পৃথক লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ২৯২ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা সম্পন্ন হয়।

ব্লক মার্কেটে মূল্যমানের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ড্যাফোডিল কম্পিউটারস, সিপিএলসি (SIPLC), অ্যাপেক্স স্পিনিং, ডোমিনেজ, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ব্যাংক এশিয়া এবং মালেক স্পিনিং-এর শেয়ারে। এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এদিন বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ মুনাফা তুলে নেওয়া এবং ঝুঁকি কমানোর কৌশল গ্রহণ করায় বিক্রির চাপ বেড়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণ কমে যাওয়ায় বাজারে নতুন অর্থপ্রবাহও সীমিত ছিল। তারা মনে করেন, বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি, মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির ইতিবাচক আর্থিক প্রতিবেদন এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের সক্রিয়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, স্বল্পমেয়াদি মূল্য ওঠানামা দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি, আয়, নগদ প্রবাহ, লভ্যাংশ নীতি এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগ করাই হবে বিচক্ষণ কৌশল।

-রাফসান


৮ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৮ ১৪:৩৬:৪৮
৮ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের শীর্ষে উঠে এসেছে ইনটেক লিমিটেড (INTECH)। দিনের লেনদেনে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ কমে ৩১ টাকা ৪০ পয়সায় নেমে আসে, যা এদিনের সর্বোচ্চ মূল্যহ্রাস।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, দিনজুড়ে শেয়ারটিতে বিক্রির চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল। ফলে আগের কার্যদিবসের ৩৪ টাকা ৮০ পয়সা থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে নতুন সমাপনী দর নির্ধারিত হয়। লেনদেনের পুরো সময়জুড়ে শেয়ারটির সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দর একই পর্যায়ে থাকায় শক্তিশালী বিক্রির প্রবণতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

দরপতনের তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট (FAREASTFIN) এবং পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস (PLFSL)। প্রতিষ্ঠান দুটির শেয়ারদরই ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ করে কমেছে। ফাইন্যান্স খাতের এসব শেয়ারে বিক্রির চাপ বাজারের সামগ্রিক দুর্বল মনোভাবের প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে অ্যাটলাস বাংলাদেশ (ATLASBANG)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৪ দশমিক ৭০ শতাংশ কমে ৮১ টাকা ১০ পয়সায় নেমে এসেছে।

বস্ত্র খাতের ফ্যামিলিটেক্স (FAMILYTEX)-এর শেয়ারও দরপতনের তালিকায় স্থান পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৪ শতাংশ কমে ২ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন শেষ হয়।

এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড খাতের ICB 3rd NRB Mutual Fund (ICB3RDNRB) ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ দর হারিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।

পর্যটন ও হোটেল খাতের সোনারগাঁও হোটেল (SONARGAON), কেবল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন কেবলস (ECABLES) এবং ভোক্তা পণ্য প্রস্তুতকারী সিঙ্গার বাংলাদেশ (SINGERBD)-এর শেয়ারও এদিন বিক্রির চাপে উল্লেখযোগ্য দর হারিয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতের EBL NRB Mutual Fund (EBLNRBMF)-ও শীর্ষ ১০ দরপতনের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

-রাফসান


৮ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৮ ১৪:২৯:৫০
৮ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (৮ জুলাই) লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেড (SEAPEARL)। দিনের লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারদর সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বেড়ে ৪৪ টাকায় পৌঁছায়, যা এদিনের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের এ কোম্পানির শেয়ারে ক্রেতাদের শক্তিশালী আগ্রহ এবং ধারাবাহিক কেনার চাপ মূল্যবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। লেনদেন চলাকালে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ৪৪ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৩৯ দশমিক ৬০ টাকা।

দরবৃদ্ধির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে প্রযুক্তি খাতের জেনেক্স ইনফোসিস (GENEXIL)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯.৮৯ শতাংশ বেড়ে ৪০ টাকায় লেনদেন শেষ হয়। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শেয়ারগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ অব্যাহত থাকায় জেনেক্সের শেয়ারেও শক্তিশালী ক্রয়চাপ দেখা যায়।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ (SHARPIND)। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৯.৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২৫ টাকা ৮০ পয়সায় পৌঁছেছে। দিনের লেনদেনে শেয়ারটির মূল্য ২৩ টাকা ৬০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।

বস্ত্র খাতের এমএল ডাইং (MLDYEING)-এর শেয়ারও উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখিয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯.২৪ শতাংশ বেড়ে ১৩ টাকায় বন্ধ হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দরবৃদ্ধির তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে কেবিপি পাকিস্তান ওয়েলথ বিল্ডার ইসলামিক ফান্ড (KBPPWBIL)। ফান্ডটির ইউনিটদর ৯.১৬ শতাংশ বেড়ে ৪১ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছেছে।

এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড খাতের এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড (AIBL1STIMF) ৮.৫১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে।

পর্যটন খাতের আরেক আলোচিত কোম্পানি ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস (UNIQUEHRL)-এর শেয়ারও ইতিবাচক ধারা ধরে রেখেছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৭.২২ শতাংশ বেড়ে ৪৯ টাকায় লেনদেন শেষ হয়।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতের CAPMIBBL Mutual Fund, খাদ্য খাতের Apex Foods এবং উৎপাদন খাতের FEKDIL-ও শীর্ষ গেইনার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর যথাক্রমে ৬.৬১ শতাংশ, ৬.৪৫ শতাংশ এবং ৬.১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

-রাফসান


৭ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৭ ১৭:০৫:৫৪
৭ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় প্রাধান্য পেয়েছে আর্থিক ও লিজিং খাতের কোম্পানিগুলো। দিনের লেনদেন শেষে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়ে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড (আইএলএফএসএল) শীর্ষ লুজারের অবস্থানে উঠে এসেছে। একইসঙ্গে ফিনিক্স ফাইন্যান্সসহ বেশ কয়েকটি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য বিক্রির চাপ দেখা গেছে।

ডিএসইর বাজার তথ্য অনুযায়ী, আইএলএফএসএলের শেয়ারদর ১০ পয়সা বা ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমে দিনের সর্বোচ্চ দরপতনের তালিকায় জায়গা করে নেয়। একই হারে মূল্য হারিয়ে ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডও যৌথভাবে শীর্ষ লুজারের অবস্থানে রয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর এদিন ৩০ পয়সা বা ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমেছে।

দরপতনের তালিকায় পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড (পিএলএফএসএল)। দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারই ১০ পয়সা বা ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ কমে বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়ে।

অন্যদিকে, মাইডাস ফাইন্যান্স লিমিটেড এদিন ৪০ পয়সা বা ৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ দর হারিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে অবস্থান করে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আর্থিক খাতের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রির চাপ বৃদ্ধির কারণেই এদিন খাতভিত্তিক দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে।

ডিএসইর শীর্ষ দশ লুজার তালিকায় আরও রয়েছে প্রিমিয়ার লিজিং, যার শেয়ারদর ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ কমেছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জেনেক্স ইনফোসিস ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ মূল্য হারিয়েছে। একই সঙ্গে জেনারেশন নেক্সট এবং তুং হাই নিটিং উভয় প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমেছে। তালিকার দশম স্থানে থাকা এম.এল. ডাইং এদিন ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ দর হারিয়েছে।

-রাফসান


৭ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৭ ১৭:০০:৩৮
৭ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ লেনদেন শেষে দর বৃদ্ধির তালিকায় আধিপত্য দেখিয়েছে মিউচুয়াল ফান্ড ও নির্বাচিত কয়েকটি শেয়ার। দিনশেষে এমবিএল ১ম মিউচুয়াল ফান্ড সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি নিয়ে গেইনার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নির্দিষ্ট কিছু ফান্ড ও কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় এদিন বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

ডিএসইর লেনদেন তথ্য অনুযায়ী, এমবিএল ১ম মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটদর ৪০ পয়সা বা ১০ শতাংশ বেড়ে দিনের সর্বোচ্চ গেইনারের অবস্থান দখল করে। সর্বোচ্চ অনুমোদিত দৈনিক মূল্যসীমায় পৌঁছে ফান্ডটি বিনিয়োগকারীদের বিশেষ নজর কাড়ে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে তসরিফা নিটওয়ার্স লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারদর ২ টাকা ১০ পয়সা, অর্থাৎ ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দিনের অন্যতম আলোচিত শেয়ারে পরিণত হয়। তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের এই প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে উল্লেখযোগ্য ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা যায়।

গেইনার তালিকার তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। এদিন ফান্ডটির ইউনিটদর ৩০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহের ইঙ্গিত বহন করছে।

ডিএসইর শীর্ষ দশ গেইনার তালিকায় আরও জায়গা করে নিয়েছে জিল বাংলা সুগার মিলস, যার শেয়ারদর ৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ, এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে তালিকায় রয়েছে।

অন্যদিকে, এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড-ওয়ান ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ, আইএফআইসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং গ্রীন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে শীর্ষ দশের তালিকা সম্পূর্ণ করেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, মঙ্গলবারের লেনদেনে মিউচুয়াল ফান্ডের শক্তিশালী উপস্থিতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন। পাশাপাশি নির্বাচিত ব্যাংক, বস্ত্র ও শিল্প খাতের কিছু শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য ক্রয়চাপ দেখা গেছে, যা বাজারে ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে।

-রাফসান


৬ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৬ ১৪:৩১:৫৯
৬ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মিশ্র প্রবণতার মধ্যেও ইতিবাচক আবহ লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (৬ জুলাই) দিনের লেনদেন শেষে দরবৃদ্ধি হওয়া কোম্পানির সংখ্যা দরপতনের তুলনায় বেশি ছিল। একই সঙ্গে বাজারমূলধনও বেড়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার আংশিক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ডিএসইর প্রকাশিত বাজার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এদিন মোট ৩৯২টি সিকিউরিটিজে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৬টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, ১৫৫টির দর কমেছে এবং ৭১টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। ফলে সামগ্রিক বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি বিক্রেতাদের তুলনায় কিছুটা বেশি দেখা গেছে।

ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিশ্লেষণে দেখা যায়, ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৯৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৩টির দর বেড়েছে, ৮৫টির কমেছে এবং ২৯টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৭৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩০টির দর বৃদ্ধি, ৩৫টির দরপতন এবং ১০টির দর অপরিবর্তিত ছিল। অন্যদিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে তুলনামূলক ভালো প্রবণতা দেখা গেছে। এ শ্রেণির ১২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৩টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৩৫টির কমেছে এবং ৩২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা ছিল। মোট ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১৭টির ইউনিটদর বেড়েছে, মাত্র ৩টির কমেছে এবং ১৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল। করপোরেট বন্ডের ক্ষেত্রে ৪টির মধ্যে ২টির দাম বেড়েছে এবং ২টির কমেছে। সরকারি সিকিউরিটিজে (জি-সেক) লেনদেন হওয়া একমাত্র ইস্যুটির দর কমেছে।

দিন শেষে মোট ৩ লাখ ২৪ হাজার ৩৩০টি ট্রেডে প্রায় ৪৪ কোটি ৮৩ লাখ ১৯ হাজার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। এসব লেনদেনের আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪১৬ কোটি ৫৭ লাখ ৩৭ হাজার ৬০২ টাকা ৭০ পয়সা, যা বাজারে উল্লেখযোগ্য তারল্যের উপস্থিতি নির্দেশ করে।

এদিন ডিএসইর মোট বাজারমূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখ ১ হাজার ৮৩২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে ইকুইটি বাজারের মূলধন প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ৭০৫ কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারমূলধন প্রায় ২ হাজার ৭২০ কোটি টাকা এবং ঋণপত্রের বাজারমূলধন ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৪০৬ কোটি টাকার বেশি।

ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। মোট ৪২টি কোম্পানির শেয়ারে ১১৭টি ব্লক ট্রেড সম্পন্ন হয়। এতে প্রায় ৬৯ লাখ ৬০ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৪৪৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি মূল্যমানের লেনদেন হয়েছে MALEKSPIN-এ, যেখানে প্রায় ৭৭.২২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ENVOYTEX, যার লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৭৪.০৭ কোটি টাকা। এছাড়া MEGHNAPET (৪৩.২১ কোটি টাকা), ASIATICLAB (৪২.২৯ কোটি টাকা), FINEFOODS (২৭.৫৯ কোটি টাকা), MARICO (২৭.৩০ কোটি টাকা), DOMINAGE (২৭.৯৭ কোটি টাকা) এবং DAFODILCOM-এর মতো কোম্পানিগুলোও ব্লক মার্কেটে বড় অঙ্কের লেনদেনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দরবৃদ্ধি হওয়া কোম্পানির সংখ্যা বেশি থাকলেও সামগ্রিক বাজার এখনও মিশ্র অবস্থানে রয়েছে। তাদের ভাষ্য, বাজারে আস্থা আরও শক্তিশালী করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ, ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানিতে অর্থপ্রবাহ এবং স্থিতিশীল নীতিগত পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ব্লক মার্কেটে বড় লেনদেনও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: