ডিএসই মিউচুয়াল ফান্ডে এনএভি হালনাগাদ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৬ ১০:৪৯:৩০
ডিএসই মিউচুয়াল ফান্ডে এনএভি হালনাগাদ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত একাধিক ক্লোজ এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডের নেট অ্যাসেট ভ্যালু বা এনএভি হালনাগাদ করেছে ট্রাস্টি ও অ্যাসেট ম্যানেজাররা। ২৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে দিনশেষে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ ফান্ডই এখনো কস্ট প্রাইসের তুলনায় কম দামে লেনদেন হচ্ছে, ফলে ইউনিটপ্রতি এনএভি কস্ট প্রাইসের চেয়ে কম হলেও ফান্ডভিত্তিক মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য অঙ্কে রয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী এনসিসিবিএল এমএফ ওয়ান ফান্ডটি ইউনিটপ্রতি বর্তমান বাজারদর ভিত্তিক এনএভি দেখিয়েছে ৯ দশমিক ১৯ টাকা এবং কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ১১ দশমিক ০৮ টাকা, যার বিপরীতে মোট নেট সম্পদ দাঁড়িয়েছে বাজারদরে প্রায় ৯৯৬ দশমিক ৬৩ কোটি টাকা। অপরদিকে এলআর গ্লোবাল এমএফ ওয়ান ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৮ দশমিক ৫৫ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১০ দশমিক ৯৯ টাকা হলেও এই ফান্ডের মোট নেট সম্পদ বাজারদরে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬৫৯ দশমিক ৮০ কোটি টাকা, যা এ ক্যাটাগরির বড় ফান্ডগুলোর একটি শক্ত অবস্থানকে নির্দেশ করে।

ক্যাপিএম আইবিবিএল এমএফ, এমবিএল ফার্স্ট এমএফ, এআইবিএল ফার্স্ট আইএমএফ এবং ক্যাপিএম বিডিবিএল এমএফসহ ইসলামী এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ফান্ডের এনএভি প্রতিবেদনেও একই প্রবণতা দেখা যায়। ক্যাপিএম আইবিবিএল এমএফ ইউনিটপ্রতি বর্তমান এনএভি দেখিয়েছে ৭ দশমিক ৮১ টাকা, কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ১১ দশমিক ৩৮ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ প্রায় ৫২২ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা। এমবিএল ফার্স্ট এমএফ এর বাজারদর ভিত্তিক এনএভি ৮ দশমিক ৫৩ টাকা এবং কস্ট ভিত্তিক এনএভি ১১ দশমিক ০৯ টাকা, মোট নেট সম্পদ বাজারদরে ৮৫৩ দশমিক ২৭ কোটি টাকার বেশি।

গ্রিন ডেল্টা এমএফ এবং ডিবিএইচ ফার্স্ট এমএফ উভয় ফান্ডই আকারে বড় এবং তুলনামূলক স্থিতিশীল পোর্টফোলিও নির্দেশ করছে। গ্রিন ডেল্টা এমএফ এর ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৮ দশমিক ৭৫ টাকা ও কস্ট প্রাইসে ১১ দশমিক ১০ টাকা, মোট নেট সম্পদ বাজারদরে প্রায় ১৩১২ দশমিক ১৬ কোটি টাকা। ডিবিএইচ ফার্স্ট এমএফ এর ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৮ দশমিক ৪৭ টাকা, কস্ট প্রাইসে ১০ দশমিক ৯৫ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ বাজারদরে ১০১৬ দশমিক ৪৮ কোটি টাকারও বেশি।

শরিয়াভিত্তিক ফান্ডগুলোর মধ্যে এসইএমএল এফবিএসএল গ্রোথ ফান্ড, এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়া ফান্ড এবং এসইএমএল এলইসি এমএফ উল্লেখযোগ্য। এসইএমএল এফবিএসএল জিএফ ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৯ দশমিক ৩৭ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১১ দশমিক ২৪ টাকা, মোট নেট সম্পদ প্রায় ৬৮৩ দশমিক ৩৭ কোটি টাকা। এসইএমএল আইবিবিএল এসএফ এর বাজারদর ভিত্তিক এনএভি ৯ দশমিক ৬৭ টাকা এবং কস্ট ভিত্তিক এনএভি ১১ দশমিক ৭৩ টাকা, মোট নেট সম্পদ প্রায় ৯৬৬ দশমিক ৬৪ কোটি টাকা। এসইএমএল এলইসি এমএফ ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ৯ দশমিক ৮০ টাকা, কস্ট প্রাইসে ১১ দশমিক ৭২ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ প্রায় ৪৯০ দশমিক ১৭ কোটি টাকা।

বিভিন্ন ব্যাংক এবং ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন সংশ্লিষ্ট ফান্ড যেমন ট্রাস্ট ব্যাংক ওয়ান এমএফ, পপুলার ওয়ান এমএফ, পিএইচপি এমএফ ওয়ান, ক্যাপিটেক জিবি ফান্ড, আইএফআইসি ফার্স্ট এমএফ, এফবিএফআইএফ, এক্সইএম ফার্স্ট এমএফ, ইবিএল এনআরবিএমএফ, ভিএএমএল আরবিবিএফ, ইবিএল ফার্স্ট এমএফ এবং এবিবি ফার্স্ট এমএফ সবগুলোর ক্ষেত্রেই একই চিত্র দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ ট্রাস্ট ব্যাংক ওয়ান এমএফ ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ৬ দশমিক ৫৩ টাকা, কস্ট এনএভি ১১ দশমিক ৪৩ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ বাজারদরে প্রায় ১৯৮১ দশমিক ৪৯ কোটি টাকা। পপুলার ওয়ান এমএফ এর বাজার এনএভি ৭ দশমিক ০২ টাকা, কস্ট এনএভি ১১ দশমিক ৪১ টাকা, মোট নেট সম্পদ বাজারদরে ২১০০ দশমিক ৬৭ কোটি টাকা।

এ ছাড়া ওয়ান জনতা এমএফ, প্রাইম ভিএএমএল আইসিবিএ ফান্ড, ভিএএমএল বিডি এমএফ ওয়ান, রিলায়েন্স ওয়ান, গ্রামীণ দ্বিতীয় ফান্ডসহ অন্যান্য পুরনো ও পরিচিত ফান্ডগুলোও তুলনামূলক ভালো আকারে পোর্টফোলিও ধরে রেখেছে। ওয়ান জনতা এমএফ এর ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ৬ দশমিক ০৯ টাকা হলেও মোট নেট সম্পদ বাজারদরে ১৭৬৫ দশমিক ৩৮ কোটি টাকা। ভিএএএমএল বিডি এমএফ ওয়ান ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৮ দশমিক ৯৫ টাকা, কস্ট প্রাইসে ১০ দশমিক ০১ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ প্রায় ৯৩৪ দশমিক ১৩ কোটি টাকা। রিলায়েন্স ওয়ান ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ১০ দশমিক ৬৩ টাকা এবং গ্রামীণ দ্বিতীয় ফান্ডের ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ১৫ দশমিক ৬৭ টাকা, যা তালিকাভুক্ত ফান্ডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ এনএভিগুলোর একটি।

-রফিক


২৫ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৫ ১৪:৫২:৩১
২৫ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেশের প্রধান পুঁজিবাজারে লেনদেনের সার্বিক চিত্রে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। মোট ৩৯৩টি ইস্যুর লেনদেনের মধ্যে ১৫৪টির দাম বেড়েছে, ১৬৭টির দর কমেছে এবং ৭২টি অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে বাজারে স্পষ্ট কোনো একমুখী প্রবণতা তৈরি হয়নি।

ক্যাটাগরি ভিত্তিক বিশ্লেষণ

এ ক্যাটাগরির ২০৫টি কোম্পানির মধ্যে ১০৭টির দরপতন হয়েছে, বিপরীতে ৬৪টি বেড়েছে। এটি বড় ও মৌলভিত্তিক কোম্পানিগুলোর মধ্যেও বিক্রির চাপের ইঙ্গিত দেয়।

বি ক্যাটাগরিতে তুলনামূলক ইতিবাচক চিত্র দেখা যায়। ৭৯টির মধ্যে ৩৭টি শেয়ার মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ২৭টি কমেছে।

জেড ক্যাটাগরিতে ৫৩টি বেড়েছে এবং ৩৩টি কমেছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারেও কিছুটা কেনার আগ্রহের প্রতিফলন।

এন ক্যাটাগরিতে মাত্র একটি ইস্যু লেনদেন হয়েছে এবং সেটি অপরিবর্তিত ছিল।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৩৪টির মধ্যে ১৭টির দর কমেছে, ৩টি বেড়েছে এবং ১৪টি অপরিবর্তিত রয়েছে। করপোরেট বন্ডে ৬টির মধ্যে ৩টির দরপতন হয়েছে। সরকারি সিকিউরিটিজে ২টির উভয়ই নিম্নমুখী ছিল।

লেনদেন ও বাজার মূলধন

দিনভর মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৬৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকার বেশি। মোট ১ লাখ ৫১ হাজার ২৭৯টি ট্রেডে প্রায় ২৩ কোটি ৩৫ লাখ শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে।

বাজার মূলধন দিনশেষে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখ ১৫ হাজার ১৬৫ কোটি টাকায়। এর মধ্যে ইক্যুইটি সেগমেন্টে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৭২৭ কোটি টাকার বেশি, মিউচুয়াল ফান্ডে ২ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকার কাছাকাছি এবং ঋণ সিকিউরিটিজে ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৯৭৯ কোটি টাকারও বেশি মূল্য রয়েছে।

ব্লক মার্কেটে সক্রিয়তা

ব্লক ট্রেডে ২৯টি সিকিউরিটিজে ৫৯টি লেনদেনের মাধ্যমে মোট ১১১ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক, বিডি থাই ফুড, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, প্রাগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এমএল ডাইং এবং লাভেলো আইসক্রিম-এর শেয়ারে।

বিশেষ করে ট্রাস্ট ব্যাংকে একাধিক বড় ব্লক ট্রেড বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি নির্দেশ করে।

ক্লোজিং প্রাইস নির্ধারণ পদ্ধতি

ডিএসইতে ইস্যুগুলোর ‘অ্যাডভান্সড’, ‘ডিক্লাইন্ড’ ও ‘আনচেঞ্জড’ হিসাব ক্লোজিং প্রাইসের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়। ক্লোজিং প্রাইস নির্ধারিত হয় লেনদেনের শেষ ৩০ মিনিটের সব ট্রেডের ওজনিত গড় দামে। নির্ধারিত সময়ে লেনদেন না হলে আগের সর্বোচ্চ ২০টি ট্রেডের ওজনিত গড় মূল্যকে সমাপনী দাম হিসেবে গণ্য করা হয়। ফলে ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত শেষ লেনদেন মূল্য (এলটিপি) এবং সমাপনী মূল্য (সিপি) ভিন্ন হতে পারে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা আংশিক মুনাফা তুলে নেওয়ার পাশাপাশি নির্বাচিত কিছু শেয়ারে অবস্থান নিচ্ছেন। তারল্য কিছুটা কমলেও লেনদেনের পরিমাণ এখনো উল্লেখযোগ্য।

তবে মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ড খাতে ধারাবাহিক দরপতন বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের প্রতিফলন। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ কৌশল গ্রহণ এবং মৌলভিত্তিক বিশ্লেষণের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

-রাফসান


২৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৫ ১৪:৪৮:২২
২৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

Dhaka Stock Exchange-এ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুর ২টা ০৭ মিনিট ২৫ সেকেন্ড পর্যন্ত লেনদেনের তথ্যে শীর্ষ ১০টি শেয়ারের উল্লেখযোগ্য দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের সমাপনী মূল্য (YCP) তুলনায় এসব কোম্পানির শেয়ার নিম্নমুখী অবস্থানে রয়েছে।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে আইএলএফএসএল। শেয়ারটির দর ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ১ দশমিক ৫০ টাকায় নেমে এসেছে, যেখানে আগের সমাপনী মূল্য ছিল ১ দশমিক ৬০ টাকা। স্বল্পমূল্যের এই শেয়ারে বিক্রির চাপ বেশি ছিল বলে বাজার বিশ্লেষণে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ হারিয়ে ৪ টাকায় লেনদেন হয়েছে। একইভাবে পপুলার ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড এবং ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড-এর মতো ফান্ডভিত্তিক সিকিউরিটিজেও ৩ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত দরহ্রাস হয়েছে। এতে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে সাময়িক চাপের চিত্র ফুটে উঠেছে।

আর্থিক খাতের ফার্স্ট ফাইন্যান্স ৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ কমে ৫ টাকায় অবস্থান করছে। শিল্পখাতের আরএসআরএম স্টিল ৩ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ দর হারিয়েছে। টেক্সটাইল ও ভোক্তাপণ্য খাতের তুংহাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং এবং নূরানি ডাইং-এর শেয়ারেও সমপরিমাণ পতন দেখা গেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, ফেব্রুয়ারির শেষভাগে স্বল্পমূল্যের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটে লাভ তুলে নেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ক্লোজিং প্রাইস ভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী এই দরপতন মূলত বিক্রির চাপের ফল।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যেসব কোম্পানির মৌলভিত্তি দুর্বল বা লভ্যাংশ প্রবণতা অনিশ্চিত, সেসব শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। একইসঙ্গে তারল্য সংকোচন ও পোর্টফোলিও পুনর্বিন্যাসও দরহ্রাসে ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে বিশ্লেষকদের পরামর্শ, স্বল্পমেয়াদি পতনকে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা না করে কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন, আয়ের প্রবৃদ্ধি এবং খাতভিত্তিক সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

-রাফসান


২৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৫ ১৪:৪৪:৫৫
২৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

Dhaka Stock Exchange-এ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুর ২টা ০৭ মিনিট ২৫ সেকেন্ড পর্যন্ত লেনদেনের চিত্রে বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের সমাপনী মূল্য (YCP) তুলনায় শীর্ষ ১০টি কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি রেকর্ড হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি উত্থান হয়েছে কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ)-এর শেয়ারে। আগের দিনের ৪৬৮ দশমিক ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০৩ দশমিক ৯০ টাকায় পৌঁছেছে, যা ৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। দিনের সর্বোচ্চ দর ছিল ৫০৯ টাকা। উচ্চমূল্যের এই শেয়ারে সক্রিয় কেনাবেচা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এমএইচএসএমএল, যার দর ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেড়ে ১৯ দশমিক ৬০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ ৫ দশমিক ২৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫৩৩ দশমিক ২০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। উৎপাদন ও ভোক্তাপণ্য খাতে এ উত্থান বাজারে আস্থার প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শিল্প খাতের ন্যাশনাল টিউবস লিমিটেড ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে ৬৩ দশমিক ৯০ টাকায় পৌঁছেছে। একইভাবে প্রাইম টেক্সটাইল লিমিটেড (পিটিএল) ৪ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং ব্যাংক এশিয়া ৪ দশমিক ২৮ শতাংশ দরবৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাংকিং খাতে এই উত্থান আর্থিক খাতে নতুন প্রত্যাশার বার্তা দিচ্ছে।

এছাড়া বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস (বিবিএস) ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১০ দশমিক ৪০ টাকায় অবস্থান করছে। বিবিএস কেবলস, কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস (বিএক্স ফার্মা) যথাক্রমে ৩ থেকে ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ পর্যন্ত দরবৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ফেব্রুয়ারির শেষভাগে বাজারে স্বল্পমেয়াদি সংশোধনের পর কিছু শেয়ারে পুনরুদ্ধার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে উৎপাদন, শিল্প ও ব্যাংকিং খাতে কেনার চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্লোজিং প্রাইস ভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী এই উত্থান বাজারে আংশিক আস্থার প্রত্যাবর্তন নির্দেশ করে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, স্বল্পমেয়াদি দরবৃদ্ধিকে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। মৌলভিত্তি, আয়ের প্রবৃদ্ধি ও খাতভিত্তিক সম্ভাবনা বিবেচনায় বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়াই হবে বিচক্ষণ কৌশল।

-রাফসান


২৪ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১৫:১২:২০
২৪ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেশের প্রধান পুঁজিবাজারে সার্বিকভাবে দরপতনই প্রাধান্য পেয়েছে। দিনশেষের চিত্রে দেখা যায়, মোট ৩৯৭টি ইস্যুর লেনদেনের মধ্যে ২২১টির দাম কমেছে, বিপরীতে বেড়েছে ১১৯টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫৭টি। অর্থাৎ বাজারের অধিকাংশ শেয়ারই নিম্নমুখী প্রবণতায় দিন শেষ করেছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতার ইঙ্গিত বহন করে।

ক্যাটাগরি ভিত্তিক চিত্র

এ ক্যাটাগরির ২০৯টি কোম্পানির মধ্যে ১৩৩টির দর কমেছে এবং মাত্র ৪৫টি শেয়ার মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। এটি ব্লু-চিপ ও তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী মৌলভিত্তির শেয়ারেও বিক্রির চাপ থাকার প্রমাণ দেয়।

বি ক্যাটাগরিতে ৮০টি ইস্যুর মধ্যে ৫০টির দরপতন হয়েছে, যেখানে বেড়েছে ২১টি।

জেড ক্যাটাগরিতে তুলনামূলকভাবে কিছুটা ভারসাম্য দেখা গেলেও ১০৮টি ইস্যুর মধ্যে ৩৮টির দর কমেছে এবং ৫৩টি বেড়েছে।

এন ক্যাটাগরিতে কোনো লেনদেন হয়নি।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৩৩টির মধ্যে ৯টির দর কমেছে, ৭টি বেড়েছে এবং ১৭টি অপরিবর্তিত ছিল। করপোরেট বন্ডে ৪টির মধ্যে ১টি বেড়েছে, ১টি কমেছে এবং ২টি অপরিবর্তিত রয়েছে।

সরকারি সিকিউরিটিজে (জি-সেক) ৭টির সবকটিতেই দরপতন হয়েছে, যা স্থির আয়ের খাতেও চাপের প্রতিফলন।

লেনদেন ও বাজার মূলধন

দিনভর মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮২৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকার বেশি। মোট ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৩১টি ট্রেডের মাধ্যমে প্রায় ২৮ কোটি ৫৩ লাখ শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে।

বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ১৪ হাজার ৭১০ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে ইক্যুইটি সেগমেন্টে রয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ডে ২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকার বেশি এবং ঋণ সিকিউরিটিজে প্রায় ৩ লাখ ৫৪ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা।

ব্লক মার্কেটে সক্রিয়তা

ব্লক ট্রেডে ২৬টি সিকিউরিটিজে মোট ৯৩টি লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ২৯৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি, গ্রামীণফোন, প্রাইম ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ফাইন ফুডস, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, গিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে।

বিশেষ করে গ্রামীণফোন ও ফাইন ফুডসে বড় অঙ্কের ব্লক ট্রেড বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।

ক্লোজিং প্রাইস নির্ধারণ পদ্ধতি

ডিএসইতে ক্লোজিং প্রাইস নির্ধারিত হয় শেষ ৩০ মিনিটের সকল লেনদেনের ওজনিত গড় দামের ভিত্তিতে। নির্দিষ্ট সময়ে লেনদেন না হলে পূর্ববর্তী সর্বোচ্চ ২০টি লেনদেনের ওজনিত গড় মূল্যকে সমাপনী দাম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলে ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত শেষ লেনদেন মূল্য (এলটিপি) এবং সমাপনী মূল্য (সিপি) কখনো ভিন্ন হতে পারে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি কমাতে কিছুটা রক্ষণাত্মক অবস্থান নিয়েছেন। সামষ্টিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সুদের হার পরিস্থিতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক পোর্টফোলিও পুনর্বিন্যাস বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য থাকায় বাজারে তারল্য পুরোপুরি সংকুচিত হয়নি। দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল রিটার্ন পেতে বিনিয়োগকারীদের মৌলভিত্তি, আয় প্রবৃদ্ধি এবং খাতভিত্তিক ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


২৪ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১৫:০৮:০৬
২৪ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

Dhaka Stock Exchange-এ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) লেনদেন চলাকালে বাজারে বিক্রির চাপ স্পষ্টভাবে লক্ষ করা গেছে। দুপুর ২টা ০৮ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের সমাপনী মূল্য (ওয়াইসিপি) তুলনায় শীর্ষ ১০টি কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরপতন হয়েছে।

সর্বোচ্চ পতনের তালিকায় রয়েছে এলআর গ্লোবাল মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান (এলআরজিএলওবিএমএফ১)। শেয়ারটির দর ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ৩ টাকায় নেমেছে, যেখানে আগের দিন সমাপনী মূল্য ছিল ৩ দশমিক ২০ টাকা। একইভাবে পিএইচপি মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান (পিএইচপিএমএফ১) ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমে ২ দশমিক ৭০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। এতে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে।

শিল্প ও উৎপাদন খাতে তালিকাভুক্ত মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ ৫ দশমিক ১৫ শতাংশ দর হারিয়ে ৩১ দশমিক ৩০ টাকায় নেমেছে, যার আগের সমাপনী মূল্য ছিল ৩৩ টাকা। টেক্সটাইল খাতের মনো ফ্যাব্রিকস ৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে ২৩ দশমিক ৮০ টাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি জাহীন স্পিনিং ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ কমে ৫ দশমিক ২০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। এতে উৎপাদন ও টেক্সটাইল খাতে চাপের চিত্র ফুটে উঠেছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতেও নেতিবাচক প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে। জিবিবি পাওয়ার ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং সাইফ পাওয়ারটেক ৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ দর হারিয়েছে। অন্যদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি কোম্পানি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ কমে ১৭ দশমিক ৫০ টাকায় নেমেছে।

উচ্চমূল্যের শেয়ার কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ)-এর দরও ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ কমেছে। আগের দিনের ৪৮৮ দশমিক ৮০ টাকা থেকে কমে এটি ৪৬৮ দশমিক ৪০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। এছাড়া কেওয়াইপি প্যাকেজিং লিমিটেড (কেপিপিএল) ৩ দশমিক ৮২ শতাংশ কমে ১৫ দশমিক ১০ টাকায় অবস্থান করছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ফেব্রুয়ারির শেষভাগে স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়া এবং তারল্য পুনর্বিন্যাসের কারণে এই দরপতন হতে পারে। পাশাপাশি সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচক, সুদের হার পরিস্থিতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কৌশলগত অবস্থান পরিবর্তনও বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীদের জন্য মৌলভিত্তি, আয়ের প্রবণতা এবং খাতভিত্তিক ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। স্বল্পমেয়াদি ওঠানামা সত্ত্বেও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পরিকল্পনাই স্থিতিশীল রিটার্ন নিশ্চিত করতে পারে।

-রাফসান


২৪ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১৫:০৪:৩৯
২৪ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) নির্বাচিত কয়েকটি শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি দেখা গেছে। ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের সমাপনী দর (YCP) তুলনায় শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকায় প্রযুক্তি, শিল্প, লেদার, আইটি এবং মিউচুয়াল ফান্ড খাতের শেয়ার স্থান পেয়েছে।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে ইনটেক, যার শেয়ারদর ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেড়ে ৩৩ টাকা ২০ পয়সায় পৌঁছেছে। আগের দিন এর সমাপনী দর ছিল ৩০ টাকা ২০ পয়সা। দিনভর শেয়ারটি ৩০ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৩৩ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে লেনদেন হয়েছে, যা শক্তিশালী ক্রেতা আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সোনারগাঁও টেক্সটাইলস ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪২ টাকা ৬০ পয়সায় বন্ধ হয়েছে। একইভাবে নাহি অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট প্যানেল ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে ২৩ টাকায় উঠে এসেছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। ইবিএল ফার্স্ট এমএফ, ডিবিএইচ ফার্স্ট এমএফ, এবং এক্সিম ফার্স্ট এমএফ যথাক্রমে ৫ থেকে ৩ শতাংশের বেশি দরবৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ফান্ডভিত্তিক বিনিয়োগে নতুন আগ্রহের ইঙ্গিত মিলছে।

উৎপাদন ও ভোক্তা খাতে সমতা লেদার ৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং জিকিউ বলপেন ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষ করে জিকিউ বলপেন ৫১৫ টাকার উচ্চ দামে লেনদেন করে দিন শেষ করেছে, যা তুলনামূলক উচ্চ অস্থিরতার প্রতিফলন।

এছাড়া বিডিকম অনলাইন, এফবিএফআইএফ এবং অন্যান্য নির্বাচিত শেয়ারও ৩ থেকে প্রায় ৪ শতাংশ পর্যন্ত দরবৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক লেনদেনে মাঝারি ও স্বল্পমূল্যের শেয়ারে ক্রেতা সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রযুক্তি ও লেদার খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ নতুন করে তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ধারাবাহিক দরবৃদ্ধি বাজারে স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, স্বল্পমেয়াদি উত্থান দেখে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি, আয়-লাভের ধারাবাহিকতা এবং খাতভিত্তিক ঝুঁকি বিশ্লেষণ করা জরুরি।

-রাফসান


২৩ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১৫:২০:৪৪
২৩ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি-তে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। দিনশেষে মোট ৩৯০টি ইস্যুতে লেনদেন হয়, যার মধ্যে ৩৪৭টির দর বেড়েছে, মাত্র ২১টির দর কমেছে এবং ২২টি অপরিবর্তিত ছিল। বাজারে স্পষ্টভাবে ক্রেতা প্রাধান্য লক্ষ্য করা গেছে।

এ ক্যাটাগরিতে ২০৩টি শেয়ারের মধ্যে ১৮০টি বেড়েছে, ১৫টি কমেছে এবং ৮টি অপরিবর্তিত ছিল। বি ক্যাটাগরিতে ৮০টির মধ্যে ৭৪টি ঊর্ধ্বমুখী এবং মাত্র ৩টি পতন হয়েছে। জেড ক্যাটাগরিতেও ১০৭টি লেনদেনযোগ্য শেয়ারের মধ্যে ৯৩টি বৃদ্ধি পেয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৩৪টি ইস্যুর মধ্যে ২৫টির দর বেড়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। করপোরেট বন্ডে একটি ইস্যু লেনদেন হয়েছে এবং সেখানে দরপতন হয়েছে। সরকারি সিকিউরিটিজে তিনটি লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে একটি বৃদ্ধি এবং দুটি পতন হয়েছে।

দিনভর মোট ১ লাখ ৫৭ হাজার ২০৫টি ট্রেড সম্পন্ন হয়। প্রায় ২৪ কোটি ২০ লাখ শেয়ার হাতবদলের মাধ্যমে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৭১৮ কোটি ৫৬ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫০ টাকার বেশি। বাজার মূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখ ১৫ হাজার ৯৫০ কোটি টাকায়, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

ব্লক মার্কেটে এদিন ৩৪টি কোম্পানির ৫৭টি লেনদেন সম্পন্ন হয়। মোট প্রায় ৯৭ লাখ ৭৩ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়ে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৮৮২ কোটি ৮৭ লাখ টাকায়।

সবচেয়ে বড় ব্লক ট্রেড হয়েছে অলিম্পিক শেয়ারে, যেখানে এককভাবে ৭২০ কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ফাইন ফুডস, বিডি থাই ফুড, এমএল ডাইং, সাপোর্টল, সোনারগাঁও, ইউপিজিডিসিএলসহ একাধিক শেয়ারে উল্লেখযোগ্য ব্লক লেনদেন হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আগের দিনের সীমিত সংশোধনের পর প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে বাজারে শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন ঘটেছে। ব্যাংক, বীমা, উৎপাদন ও খাদ্য খাতে ক্রেতা আগ্রহ বৃদ্ধি সামগ্রিক সূচকে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাপক অগ্রসর শেয়ারের সংখ্যা বাজারে আস্থার প্রতিফলন। তবে বড় ব্লক লেনদেনের প্রভাব এবং স্বল্পমেয়াদি ওঠানামা বিবেচনায় বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কোম্পানির মৌলভিত্তি, আয়-লাভের প্রবণতা ও খাতভিত্তিক ঝুঁকি বিশ্লেষণ করা জরুরি।

-রাফসান


২৩ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১৫:১০:২৩
২৩ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শেষভাগে কিছু নির্বাচিত শেয়ারে দরপতন দেখা গেছে। ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের সমাপনী দর (YCP) তুলনায় শীর্ষ ১০ লুজারের তালিকায় শিল্প, ব্যাংক, বিদ্যুৎ, মিউচুয়াল ফান্ড ও বহুজাতিক কোম্পানির শেয়ার স্থান পেয়েছে।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে মেঘনা সিমেন্ট, যার শেয়ারদর ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ কমে ৩৩ টাকায় নেমে এসেছে। আগের দিন শেয়ারটির সমাপনী দর ছিল ৩৪ টাকা ৯০ পয়সা। দিনভর শেয়ারটি ৩২ টাকা থেকে ৩৫ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে লেনদেন হয়েছে, যা তুলনামূলক উচ্চ অস্থিরতার ইঙ্গিত দেয়।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা আইসিবি ইপিএমএফ১এস১ ২ শতাংশ কমে ৪ টাকা ৯০ পয়সায় বন্ধ হয়। তৃতীয় অবস্থানে জিয়াল বাংলা সুগার প্রায় ১ দশমিক ৮ শতাংশ পতন নিয়ে ১৩৫ টাকা ৭০ পয়সায় অবস্থান করে।

ব্যাংক খাতেও চাপ লক্ষ্য করা গেছে। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমেছে। একইভাবে আইসিবি আগ্রাণী ওয়ান ফান্ড ১ দশমিক ৫১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

সাপোর্টল-এও সামান্য মূল্যসংশোধন হয়েছে, দর কমেছে ১ শতাংশের কিছু বেশি। এছাড়া ফার্স্ট প্রাইম ফাইন্যান্স মিউচুয়াল ফান্ড, ক্যাপএম বিডিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড, কেপিসিএল এবং বাটা শু কোম্পানি সীমিত পরিসরে দর হারিয়েছে।

বিশেষ করে বাটা শু-এর মতো উচ্চমূল্যের শেয়ারে ০ দশমিক ৮৯ শতাংশ পতন বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আগের কয়েক দিনের আংশিক দরবৃদ্ধির পর কিছু শেয়ারে স্বাভাবিক মূল্যসংশোধন হয়েছে। সিমেন্ট ও বিদ্যুৎ খাতে সরবরাহ-চাহিদা পরিস্থিতি এবং সামগ্রিক বাজারের মিশ্র মনোভাবের প্রভাব এদিনের লেনদেনে প্রতিফলিত হয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও হালকা বিক্রির চাপ লক্ষ্য করা গেছে, যা স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের পুনর্বিন্যাস কৌশলের অংশ হতে পারে।

তবে সামগ্রিকভাবে অধিকাংশ লুজার শেয়ারের পতনের হার সীমিত থাকায় বাজারে বড় ধরনের আতঙ্ক নয়, বরং নিয়ন্ত্রিত সংশোধনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

-রাফসান


২৩ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১৫:০৫:৫৪
২৩ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শেষভাগে নির্বাচিত কয়েকটি শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি দেখা গেছে। ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের সমাপনী দরের (YCP) তুলনায় শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকায় শিল্প, খাদ্য, বীমা এবং মিউচুয়াল ফান্ড খাতের শেয়ার স্থান পেয়েছে।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে ইপিজিএল, যার শেয়ারদর ৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেড়ে ১৭ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন শেষ হয়েছে। আগের দিনের সমাপনী দর ছিল ১৫ টাকা ৮০ পয়সা। দিনভর শেয়ারটি ১৫ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ১৭ টাকা ৩০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা পিএইচপি এমএফ১ ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়ে ২ টাকা ৮০ পয়সায় বন্ধ হয়। তৃতীয় অবস্থানে বিডি থাই ফুড ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৭ টাকা ১০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। ওয়ান জানাতা এমএফ, এবিবি ফার্স্ট এমএফ এবং ইফিক ফার্স্ট এমএফ যথাক্রমে ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ, ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ দরবৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে আগের দিনের বড় পতনের পর এশিয়াটিক ল্যাব ৭ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ৬১ টাকায় উঠে আসে, যা বিনিয়োগকারীদের নতুন আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।

অন্যান্য গেইনারের মধ্যে রয়েছে লার্গো গ্লোবাল এমএফ১, এমএল ডাইং এবং ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স, যারা যথাক্রমে ৬ থেকে প্রায় ৫.৭ শতাংশ পর্যন্ত দরবৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমূল্যের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ফলে এদিনের দরবৃদ্ধি হয়েছে। পাশাপাশি আগের দিনের মূল্যসংশোধনের পর কিছু শেয়ারে পুনরুদ্ধার প্রবণতাও দেখা গেছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, স্বল্পমেয়াদি উল্লম্ফন দেখে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত না নিয়ে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির আর্থিক অবস্থা, আয়-লাভের প্রবণতা এবং খাতভিত্তিক পরিস্থিতি বিবেচনা করা প্রয়োজন।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: