উপকূলীয় জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

আবহাওয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ০৪ ১৬:৩৫:১৪
উপকূলীয় জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
ছবিঃ সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি লঘুচাপের প্রভাবে দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোর ওপর দিয়ে রাতের মধ্যেই ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর ও ঝড়ের সতর্কতা

আবহাওয়া অধিদপ্তর তাদের সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, দেশের চারটি জেলার ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব/পূর্ব দিক থেকে অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই জেলাগুলো হলো— নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও কুমিল্লা। এই সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। একইসঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কাও রয়েছে।

ঝড়ের আশঙ্কার কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা

সমুদ্র উপকূলের জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বর্তমানে পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তার তৎসংলগ্ন মিয়ানমার উপকূলের কাছে একটি লঘুচাপ বিরাজ করছে। এই লঘুচাপটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে মিয়ানমার-বাংলাদেশ উপকূল বরাবর অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রভাবে উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে।

এই অবস্থার কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকার ওপর দিয়ে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ সময় বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


১৩ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে সংকেত

আবহাওয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৯ ০৯:৩৭:০২
১৩ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে সংকেত
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও ঝড়ো আবহাওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (১৯ জুন) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত দেশের অন্তত ১৩ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দেশের উত্তরাঞ্চল, মধ্যাঞ্চল, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং উপকূলীয় বেশ কয়েকটি অঞ্চলে অস্থির আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত আর্দ্র বায়ুর প্রভাবে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

যেসব জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি রয়েছে, সেগুলো হলো—রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট। এসব অঞ্চলে মাঝারি থেকে তীব্র বেগের দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বর্ষা মৌসুম সক্রিয় হয়ে ওঠায় দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘের সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রবল বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত এবং দমকা হাওয়া দেখা দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

এদিকে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার জন্য দেওয়া ছয় ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজধানীর আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। দিনের বিভিন্ন সময়ে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

রাজধানীতে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। একই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও বৃষ্টিপাতের কারণে কিছুটা স্বস্তি অনুভূত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৫ শতাংশ, যা অত্যন্ত উচ্চমাত্রার বলে বিবেচিত হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী, আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১২ মিনিটে।

সারাদেশের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানো এবং বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

শুধু সাধারণ বৃষ্টিপাত নয়, দেশের কয়েকটি অঞ্চলে মাঝারি থেকে অতিভারি বর্ষণও হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা এবং পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদরা বিশেষ করে নদীপথে চলাচলকারী নৌযান, মাছ ধরার ট্রলার এবং ছোট নৌকাগুলোকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন। বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গায় অবস্থান না করা, গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়া এবং অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

-রফিক


রাত ১টার মধ্যে দেশের ৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

আবহাওয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৭ ১৯:৫৬:২৭
রাত ১টার মধ্যে দেশের ৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ৮টি জেলার ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সাথে এসব এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টিরও শঙ্কা রয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) বিকেল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া বার্তায় বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই সময়ে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের অপর এক বার্তায় সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এদিকে বৃষ্টির পূর্বাভাসের মধ্যেও মানিকগঞ্জ, নীলফামারী ও রাজশাহী জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। এই সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

/আশিক


কেমন থাকবে আজ রাজধানীর আবহাওয়া

আবহাওয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৭ ১০:২৪:০৯
কেমন থাকবে আজ রাজধানীর আবহাওয়া
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বুধবার বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে দিনের বেশিরভাগ সময় ভ্যাপসা গরম অব্যাহত থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত রাজধানীর আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মাঝেমধ্যে সম্পূর্ণ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এই সময়ের মধ্যে কোথাও কোথাও বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। তবে বাতাসের এই প্রবাহ সাময়িক স্বস্তি দিলেও আর্দ্রতার মাত্রা বেশি থাকায় গরমের অনুভূতি কমবে না।

আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্ষা মৌসুমে রাজধানীতে এমন আবহাওয়া স্বাভাবিক হলেও উচ্চমাত্রার আর্দ্রতা মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় বাড়তি অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে খোলা জায়গায় কাজ করা মানুষ, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দীর্ঘ সময় বাইরে থাকা নাগরিকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৯ শতাংশ, যা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে এই বৃষ্টিপাতের পরও তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষাকালে স্বল্প সময়ের বৃষ্টিপাত তাপমাত্রা সাময়িকভাবে কমাতে পারে, কিন্তু উচ্চ আর্দ্রতার কারণে মানুষের শরীরে গরমের অনুভূতি আরও বেশি তীব্র হয়ে ওঠে।

এদিকে নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে অল্প সময়ের ভারী বৃষ্টিও যানজট ও জনভোগান্তির কারণ হতে পারে। ফলে অফিসগামী মানুষকে বের হওয়ার আগে আবহাওয়ার সর্বশেষ আপডেট দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, এই ধরনের আবহাওয়ায় পর্যাপ্ত পানি পান করা, প্রয়োজন ছাড়া দীর্ঘ সময় রোদে না থাকা এবং বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ বা উঁচু স্থানে অবস্থান না করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

এছাড়া মোটরসাইকেল আরোহী, রিকশাচালক এবং পথচারীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রপাতের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আপাতত রাজধানীতে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে দিনের বিভিন্ন সময়ে মেঘের ঘনত্ব বৃদ্ধি পেলে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতও হতে পারে।

-রাফসান


ঢাকাসহ ১৫ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কবার্তা

আবহাওয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৬ ০৮:১৪:০০
ঢাকাসহ ১৫ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কবার্তা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যেই আবহাওয়ার আকস্মিক পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের অন্তত ১৫টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর পাশাপাশি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতেরও প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য প্রকাশিত বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই বিরূপ আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এ সময় বায়ুমণ্ডলে অস্থিতিশীলতা বাড়ার কারণে বজ্রপাতের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে খোলা মাঠ, নদী, জলাশয় এবং উঁচু স্থানে অবস্থানকারীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নদীপথে চলাচলকারী নৌযান, মাছ ধরার ট্রলার এবং ছোট আকারের জলযানগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার সময় অপ্রয়োজনীয় নৌযাত্রা এড়িয়ে চলার পরামর্শও দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষা মৌসুমে বঙ্গোপসাগর ও দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সৃষ্ট নিম্নচাপজনিত বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে এ ধরনের আকস্মিক ঝড়ো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ফলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।

রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে অফিসগামী মানুষকে অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। যানবাহন চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন, জলাবদ্ধতা এবং বজ্রপাতজনিত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে মাঠে থাকা ধান, শাকসবজি এবং অন্যান্য ফসলের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী বাসিন্দাদের আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রতি নজর রাখতে বলা হয়েছে। যদিও এটি পূর্ণমাত্রার কোনো ঘূর্ণিঝড় সতর্কতা নয়, তবুও দমকা হাওয়ার কারণে ছোট নৌযানগুলো ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে পরবর্তী সময়ে নতুন সতর্কবার্তা প্রকাশ করা হবে। তাই নাগরিকদের সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ এবং যাচাইকৃত তথ্যের ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

-রফিক


৩ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত

আবহাওয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৫ ০৮:০৯:১৭
৩ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত
ছবি: সংগৃহীত

দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৈরী আবহাওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য প্রকাশিত বিশেষ আবহাওয়া বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে সাময়িকভাবে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর সঙ্গে বজ্রসহ মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতও হতে পারে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে দেশের ওপর সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। একই সঙ্গে বায়ুমণ্ডলের অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের কয়েকটি এলাকায় স্বল্প সময়ের মধ্যে আকস্মিক আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে সকাল পর্যন্ত বজ্রপাতের ঝুঁকি থাকায় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নদীপথে চলাচলকারী ছোট নৌযান, মাছ ধরার ট্রলার এবং অন্যান্য জলযানকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। প্রয়োজন ছাড়া নদীর মাঝপথে অবস্থান না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষা মৌসুমে এ ধরনের আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা এখন অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের ধরনেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।

তারা বলছেন, আগের তুলনায় এখন অল্প সময়ের ব্যবধানে তীব্র বৃষ্টি, দমকা হাওয়া এবং বজ্রপাতের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নগর ও গ্রামীণ উভয় অঞ্চলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, উঁচু গাছ, বৈদ্যুতিক খুঁটি, জলাশয় এবং ধাতব বস্তু থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে কৃষকদের ফসল ও কৃষি সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। আবহাওয়ার আরও অবনতি হলে নতুন সতর্কবার্তা প্রকাশ করা হবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আগাম সতর্কতা মানা গেলে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। তাই স্থানীয় প্রশাসন এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরি।

এদিকে, নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, নগর এলাকায় জলাবদ্ধতা, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং অপরিকল্পিত অবকাঠামো আকস্মিক বৃষ্টির সময় ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি প্রস্তুতিও প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু দুর্যোগের সময় নয়, বরং পুরো বর্ষা মৌসুমজুড়েই নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি। কারণ কয়েক ঘণ্টার ঝড়ো আবহাওয়াও অনেক সময় বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

যেসব অঞ্চলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে

রংপুর অঞ্চল

ময়মনসিংহ অঞ্চল

সিলেট অঞ্চল

সম্ভাব্য আবহাওয়া পরিস্থিতি

ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া

বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা

নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ

আবহাওয়া অধিদপ্তর সাধারণ মানুষকে নিয়মিত আবহাওয়া বুলেটিন অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।

-রাফসান


৭ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কবার্তা

আবহাওয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১১ ০৮:৫১:২০
৭ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কবার্তা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা বাড়তে থাকায় আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে নতুন পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার মধ্যে দেশের সাতটি জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য জারি করা বিশেষ আবহাওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হতে পারে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং মৌসুমি বায়ুর অগ্রগতির ফলে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বজ্রগর্ভ মেঘের সৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাবে স্থানীয়ভাবে ঝড়, বজ্রপাত এবং মাঝারি মাত্রার বৃষ্টিপাতের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর পুনঃ সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নদীপথে চলাচলকারী ছোট নৌযান ও মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এদিকে বুধবার রাতের নিয়মিত আবহাওয়া বুলেটিনে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ইতোমধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে। আবহাওয়াবিদদের ধারণা, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে মৌসুমি বায়ু দেশের অবশিষ্ট অঞ্চলগুলোতেও সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।

মৌসুমি বায়ুর এই অগ্রগতির ফলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকাতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, দেশের কয়েকটি স্থানে মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকার কাছাকাছি অঞ্চলে স্বল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

আবহাওয়া বিশ্লেষকদের মতে, জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে সাধারণত বর্ষা আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে। এবারও সেই স্বাভাবিক প্রবণতারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। এর ফলে আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে মেঘলা আবহাওয়া এবং বৃষ্টিপাতের কারণে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, উঁচু গাছের নিচে অবস্থান এবং নদী বা জলাশয়ে অবস্থান না করার পরামর্শ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ঝড়ো হাওয়ার সময় অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

-রফিক


আগামী কয়েকদিন কেমন থাকবে আবহাওয়া? নতুন তথ্য দিল অধিদপ্তর

আবহাওয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১০ ২১:৫৫:১০
আগামী কয়েকদিন কেমন থাকবে আবহাওয়া? নতুন তথ্য দিল অধিদপ্তর
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী কয়েকদিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে দেশের কয়েকটি এলাকায় মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ইতোমধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও মৌসুমি বায়ুর বিস্তার ঘটতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানো এবং বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির পাশাপাশি মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে।

এ সময় দেশের দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) থেকে রোববার পর্যন্ত আবহাওয়ার ধরণ প্রায় একই থাকতে পারে। এ সময়ে রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। কোথাও কোথাও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেলেও সামগ্রিকভাবে আবহাওয়া আর্দ্র এবং বৃষ্টিপ্রবণ থাকবে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, মৌসুমি বায়ু দেশের আরও বিস্তৃত এলাকায় সক্রিয় হয়ে উঠলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার সময় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া খোলা স্থানে অবস্থান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। /আশিক


৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, সতর্ক ১২ জেলা

আবহাওয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১০ ০৯:১৪:২৪
৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, সতর্ক ১২ জেলা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও ঝড়ো আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির সর্বশেষ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বুধবার দুপুরের মধ্যে দেশের অন্তত ১২টি জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর পুনঃ সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ খোন্দকার হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হতে পারে। এ সময় আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোসহ মাঝারি মাত্রার বজ্রবৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে নৌযান চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পাঁচ দিনের সিনপটিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ইতোমধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং রংপুর বিভাগ পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে দেশের অবশিষ্ট এলাকাগুলোতেও মৌসুমি বায়ু সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। ফলে সারাদেশে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দিনব্যাপী আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে।

পাশাপাশি দেশের কিছু স্থানে মাঝারি থেকে ভারী এবং কোথাও কোথাও অতিভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে নিচু এলাকা ও নগরাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমি বায়ু আরও সক্রিয় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়বে এবং এর প্রভাবে চলমান গরমের তীব্রতা কিছুটা কমে আসবে। অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃষ্টির কারণে দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে, যা সাম্প্রতিক তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনবে।

সামগ্রিকভাবে আবহাওয়ার পরিস্থিতি বিবেচনায় নাগরিকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, উঁচু গাছ বা বৈদ্যুতিক খুঁটির আশপাশে অবস্থান না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে মৎস্যজীবী, নৌযান চালক এবং উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের আবহাওয়ার সর্বশেষ তথ্য নিয়মিত অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

-রফিক


রাত ১০টার মধ্যে বরিশালসহ ১০ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

আবহাওয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৯ ২১:৩৪:০৯
রাত ১০টার মধ্যে বরিশালসহ ১০ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
ছবি : সংগৃহীত

আজ রাতে দেশের দক্ষিণাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে তীব্র কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন ২০২৬) রাত ১০টার মধ্যে বরিশালসহ দেশের মোট ১০টি জেলায় তীব্র ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত পৃথক দুটি জরুরি আবহাওয়া পূর্বাভাসে দেশের সাধারণ নাগরিকদের এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া বিশেষ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে—আজ ৯ জুন রাত ১০টার মধ্যে দেশের ১০টি জেলা যথাক্রমে বরিশাল, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, বাগেরহাট, নড়াইল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, ভোলা এবং পটুয়াখালী জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে তীব্র গতিতে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এসব জেলার বিভিন্ন স্থানে ধূলিঝড়, আকস্মিক বজ্রপাত, ভারী বজ্রবৃষ্টি বা সাধারণ বৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক সময়ে বজ্রপাতে প্রাণহানির হার বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জনসাধারণের প্রতি বিশেষ অনুরোধ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, আকাশে মেঘের গর্জন বা বজ্রপাতের শব্দ শোনা মাত্রই কেউ যেন খোলা আকাশের নিচে বা মাঠ-ঘাটে অবস্থান না করেন। বজ্রপাতের শব্দ শুনলেই দ্রুত ঘরের বাইরে অবস্থান করা থেকে বিরত থাকতে এবং সবাইকে নিরাপদ পাকা আশ্রয়স্থলে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: