আমার পাসপোর্ট মাটিতে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে তারা:শহিদুল আলম

ফিলিস্তিনের গাজা অভিমুখে যাওয়া নৌবহর ফ্রিডম ফ্লোটিলা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার পর মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরেছেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। শনিবার (১১ অক্টোবর) ভোর ৪টা ৫৫ মিনিটে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তাকে স্বাগত জানাতে আসা শুভাকাঙ্ক্ষীরা এ সময় ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ বলে স্লোগান দেন।
‘সবচেয়ে বড় অপমান’
বিমানবন্দরে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটকের অভিজ্ঞতা নিয়ে শহিদুল আলম বলেন, তিনি তার ওপর শারীরিক নির্যাতনের বিষয়ে কিছু বলতে চান না। তবে:
“সবচেয়ে বেশি অপমানিত বোধ করেছি যখন বাংলাদেশের পাসপোর্ট দেখে তা তারা (ইসরায়েলি বাহিনী) মাটিতে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। এটা আমাকে ভীষণভাবে আক্রান্ত করেছে। এ অপমানের বিচার আমাদের আদায় করে নিতে হবে।”
সংগ্রাম চলবে মুক্তির জন্য
কঠিন সময় পার করার কথা জানিয়ে শহিদুল আলম বলেন, “আমাদের ওপর নির্যাতন করা হয়েছে। কিন্তু গাজাবাসীর ওপর যা হয়েছে তার তুলনায় আমাদেরটা কিছুই না।” তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন:
“যতক্ষণ ফিলিস্তিন মুক্ত না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলতে হবে। গাজার মানুষ এখনও আক্রান্ত। এখনও তাদের ওপর নির্যাতন চলছে এবং সেটা যতক্ষণ পর্যন্ত শেষ না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কাজ শেষ হয়নি।”
তিনি বলেন, তার মুক্তি সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশের সরকার ও টার্কিশ এয়ারলাইন্সের সহযোগিতার কারণে। তিনি মনে করেন, আরও হাজারও ফ্লোটিলা গাজায় যাওয়া দরকার।
১১ উপজেলায় একযোগে যাত্রা শুরু! কৃষক কার্ড নিয়ে বড় ঘোষণা
আগামী ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষের দিনে দেশের কৃষি খাতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। এদিন সকালে টাঙ্গাইল সদরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বহুল প্রতীক্ষিত ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের প্রি-পাইলট কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১১ আগস্ট) তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে জানানো হয়, এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের ১১টি উপজেলায় একযোগে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের যাত্রা শুরু হবে। উপজেলাগুলো হলো—টাঙ্গাইল সদর, পঞ্চগড় সদর, পঞ্চগড়ের বোদা, বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এবং মৌলভীবাজারের জুড়ী।
এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের সরাসরি সরকারি ভর্তুকি, বীজ, সার এবং অন্যান্য কৃষি সহায়তা প্রদান সহজতর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে প্রকৃত কৃষকদের হাতে সুফল পৌঁছে দেওয়াই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। টাঙ্গাইলের মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি অন্য ১০টি উপজেলাতেও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু করা হবে।
/আশিক
সড়কে রক্তক্ষয়ী মাস! লাশের মিছিলে যোগ হলো ৫৩২ প্রাণ
দেশে গত এক মাসে সড়ক দুর্ঘটনার এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক মাসে সারাদেশে মোট ৫৭৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৩২ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ২ হাজার ২২১ জন।
নিহতদের মধ্যে ৬৬ জন নারী এবং ৯৮ জন শিশু রয়েছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে নয়টি জাতীয় দৈনিক, অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। সড়কপথের পাশাপাশি একই সময়ে রেলপথের ৪৮টি দুর্ঘটনায় ৬৭ জন এবং নৌপথের ১৪টি দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হয়েছেন।
যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়, যেখানে ২০৪ জন চালক ও আরোহী নিহত হয়েছেন। এছাড়া তিন চাকার যানবাহনে ৯৪ জন, বাসে ৪৫ জন এবং প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় ৪৬ জন মারা গেছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বেশিরভাগ দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে (২৬৪টি) এবং জাতীয় মহাসড়কে (১৭১টি)। দুর্ঘটনার ধরণ বিশ্লেষণে দেখা যায়, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২৩১টি এবং মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৬৬টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।
বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে; ১২৬টি দুর্ঘটনায় এখানে প্রাণ হারিয়েছেন ১৩৭ জন। অন্যদিকে সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২৬ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৪৬টি দুর্ঘটনায় ২৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও মানসিক অসুস্থতা এবং সড়কের বেহাল দশাকে দায়ী করা হয়েছে। দুর্ঘটনার এই ঊর্ধ্বগতি রোধে কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং চালকদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে সংস্থাটি।
/আশিক
যুদ্ধবিরতি হলেও কাটবে না জ্বালানিসংকট: ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানিসংকট থেকেই যাবে। এই উত্তাল সময়ে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে সম্মিলিত সম্পদ ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার কাঠামো নতুন করে পর্যালোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রচলিত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ধারণাগুলো বদলে যাচ্ছে, তাই প্রান্তিক ও পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া এখন সময়ের দাবি।
এছাড়াও সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি বিশেষ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের সাথে যুক্ত করতে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলোকে (এসএমই) শক্তিশালী করতে একটি ‘সুপার সোর্সিং হাব’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
ড. খলিলুর রহমান আরও জানান, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) যুগে তরুণ উদ্যোক্তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে উদ্ভাবনী সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলের ক্ষুদ্র শিল্পগুলোকে বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে যুক্ত করা গেলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধি নিশ্চিত হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়মূলক পদক্ষেপগুলো পুনর্বিবেচনার জন্য তিনি ভারত মহাসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।
/আশিক
বিল পাসের পর 'বুঝলাম না' বলা গ্রহণযোগ্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতীয় সংসদে বিল পাস হওয়ার পদ্ধতি নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের আপত্তির কড়া জবাব দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে সংসদ অধিবেশনে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, "বিল পাস হয়ে যাওয়ার পর যদি বলা হয় ‘আমি কিছু বুঝিলাম না’, তবে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান যে, সংসদীয় রীতি অনুযায়ী কোনো বিলের ওপর আপত্তি দেওয়ার নির্দিষ্ট সময় থাকে। তিনি বলেন, বিল উত্থাপনের সময় এবং সেকেন্ড রিডিং বা বিবেচনার সময়ই মূলত ভিন্নমতের সুযোগ থাকে। আইন প্রণয়নের পুরো প্রক্রিয়ায় বিরোধীদলের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মতামতের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, বিলগুলো একটি বিশেষ কমিটিতে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের উপস্থিতিতেই সর্বসম্মতিক্রমে পর্যালোচিত হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কিছু বিলে বিরোধীদল ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) দিয়েছিল এবং স্পিকার সেই আলোচনার জন্য নির্ধারিত সময়ের চেয়েও বেশি সময় দিয়েছেন। তাই কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত ও সংসদীয় প্রক্রিয়া মেনেই বিলগুলো পাস করা হয়েছে। হঠাৎ করে সব প্রক্রিয়ার শেষে এসে ‘বুঝতে পারিনি’ বলাটা সংসদীয় শিষ্টাচারের পরিপন্থী বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
/আশিক
১৬ বছরের লুটপাটে ধ্বংসের মুখে অর্থনীতি: অর্থমন্ত্রী
গত ১৬ বছরে ফ্যাসিবাদী শাসনের কবলে পড়ে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে বলে জাতীয় সংসদে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বিগত সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট এবং নীতিগত ব্যর্থতার এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী বর্তমান অর্থনীতির কাঠামোগত দুর্বলতা ও পরিসংখ্যানগত বৈপরীত্যগুলো বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেন।
অর্থমন্ত্রী তাঁর বিবৃতিতে দেখান যে, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি যেখানে ৬.৭৮ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৭.১৭ শতাংশের মধ্যে ছিল, সেখানে ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি কমে ৪.২২ শতাংশে নেমেছে এবং মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৭৩ শতাংশে।
তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তথাকথিত উন্নয়নের নামে মেগা প্রকল্পগুলোতে অতিমূল্যায়ন ও লুটপাট চালানো হয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ বিনিয়োগের সুফল থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বিশেষ করে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ১০.৬৬ শতাংশ থেকে মাত্র ৩.৫১ শতাংশে নেমে আসায় কর্মসংস্থান মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী মুদ্রাবাজার ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের নাজুক অবস্থা তুলে ধরে জানান, ২০০৫-০৬ সালে প্রতি ডলারের মান ছিল ৬৭.২ টাকা, যা বর্তমানে ১২১ টাকায় পৌঁছেছে। টাকার এই রেকর্ড অবমূল্যায়নের ফলে আমদানি ব্যয় বেড়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ ছাড়া বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ১৮.৩ শতাংশ থেকে কমে মাত্র ৬.৫ শতাংশে নেমে আসা এবং রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বছরের পর বছর ৮.২ শতাংশে স্থির থাকাকে তিনি অর্থনীতির স্থবিরতার প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, লুটপাটের মাধ্যমে লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিকে অকার্যকর করে দিয়েছে।
/আশিক
বিপাকে বাংলাদেশি জাহাজ: হরমুজ প্রণালিতে বাধা দিল ইরান
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরেও হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি পায়নি বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে অনুমতি প্রত্যাখ্যান করার পর জাহাজটিকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে পাঠানো হচ্ছে। বিএসসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে জাহাজটি হরমুজ প্রণালির প্রবেশদ্বারে পৌঁছায়। নিয়ম অনুযায়ী ইরান সরকারের কাছে অনুমতি চাওয়া হলে তারা তা নাকচ করে দেয়। বর্তমানে জাহাজটি প্রণালির কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং বিএসসি কর্তৃপক্ষ কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে পুনরায় অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। নাবিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে আপাতত জাহাজটিকে শারজা বন্দরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
জাহাজে বর্তমানে ৩১ জন নাবিক রয়েছেন এবং তারা সবাই নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছে বিএসসি কর্তৃপক্ষ। নাবিকদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে এবং বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদের দৈনিক খাবারের বরাদ্দ জনপ্রতি ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২ ফেব্রুয়ারি ভারত থেকে পণ্য নিয়ে জাহাজটি পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করেছিল। বর্তমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
/আশিক
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৬টি অধ্যাদেশ বাতিল হচ্ছে
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারানোর মুখে পড়ায় দেশের রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদে বিল আকারে উপস্থাপন না করায় মোট ১৬টি অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে যাচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী প্রশাসনের সময় জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি সরাসরি বিল হিসেবে সংসদে আনা হচ্ছে এবং আরও ১৫টি সংশোধন করে বিল আকারে উপস্থাপন করা হবে। তবে বাকি ২০টির মধ্যে চারটি সরাসরি বাতিল এবং ১৬টি এখনই সংসদে উপস্থাপন না করায় নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করলে সেগুলো সম্পূর্ণভাবে কার্যকারিতা হারাবে।
বাতিল হওয়া অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে গুম প্রতিরোধ আইন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত বিধান এবং বিচার বিভাগ-সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাঠামোগত আইন অন্তর্ভুক্ত থাকায় বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব আইন বাতিল হলে সংশ্লিষ্ট খাতে নীতিগত শূন্যতা তৈরি হতে পারে।
এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গন ছাড়াও সুশীল সমাজে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রাজধানীর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় ড. বদিউল আলম মজুমদার মন্তব্য করেন, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা না নিয়ে একই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করা জরুরি।
একই আলোচনায় সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের কঠোর সমালোচনা করেন আইনজীবী শিশির মনির। তার মতে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত বিচার বিভাগের মর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রশ্নে নেতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে এবং এটি বিচার বিভাগের ইতিহাসে একটি ‘কালো অধ্যায়’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল এ বিষয়ে সরকারের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন। তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ আইন বাতিলের পেছনের যুক্তি জনসম্মুখে তুলে ধরা উচিত, যাতে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি না থাকে। একই সঙ্গে নির্বাহী আদেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার প্রবণতারও সমালোচনা করেন তিনি।
অন্যদিকে, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এনসিপির নেত্রী সামান্তা শারমিন বলেন, এসব সিদ্ধান্তের জন্য সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আসতে হবে। একই দলের আরেক নেতা সরোয়ার তুষার গণভোটের বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে কড়া মন্তব্য করে রাজনৈতিক চাপের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
খেলাফত মজলিশের আমির মামুনুল হক অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তগুলো দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসকে প্রভাবিত করার একটি প্রচেষ্টা হতে পারে। অন্যদিকে এবি পার্টির নেতা ফুয়াদ মনে করেন, সংবিধানকে কেন্দ্র করে নতুন সংকট তৈরির ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
সার্বিকভাবে, অধ্যাদেশ বাতিলের এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। চায়ের দোকানের আড্ডা থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত এই ইস্যুতে আলোচনা-সমালোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত, এনসিপি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তির দূরত্বও বাড়ছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
-রফিক
ওসমান হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিমের ১০ বছরের সাজা
রাজধানীর বহুল আলোচিত অস্ত্র মামলায় প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে, কারণ রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক ছিলেন। এই রায়কে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সংগঠিত অপরাধ দমনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার ঢাকার ১৮তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মোহসীন এই রায় ঘোষণা করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর আদাবর থানায় দায়ের করা অস্ত্র আইনের মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এই সাজা দেওয়া হয়েছে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর দুপুরে র্যাব একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায়। সেখানে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়, যিনি পরে নিজের পরিচয় দেন ফয়সাল করিম মাসুদ হিসেবে।
পরবর্তীতে তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একটি বিদেশি পিস্তল এবং চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। অস্ত্রের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলাটি দায়ের করেন র্যাব-২ এর হাবিলদার মো. মশিউর রহমান।
অভিযোগে বলা হয়, ফয়সাল করিম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, জমি দখল এবং সহিংস কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিতেন বলে তদন্তে উঠে আসে। এসব অপরাধ সংঘটনে তিনি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলাটি তদন্ত করে আদাবর থানার উপপরিদর্শক জাহিদ হাসান গত বছরের ২৮ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, এই আসামি গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত জামিনে ছিলেন। পরবর্তীতে তার জামিন বাতিল করা হলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান, যার ফলে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
এদিকে, ফয়সাল করিম মাসুদের নাম আরেকটি আলোচিত মামলাতেও উঠে আসে। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা থেকে ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তদের একজন হিসেবে ফয়সালের নাম তদন্তে উঠে আসে।
পরবর্তীতে গোয়েন্দা পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডে ফয়সালসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তবে ওই অভিযোগপত্রে অসন্তোষ প্রকাশ করে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের আদালতে নারাজি আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে অধিকতর তদন্তের জন্য মামলাটি সিআইডির কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়।
-রফিক
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ডসহ ৩০ আসামির সাজা ঘোষণা
জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত দুইজন পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে, যা রাষ্ট্রীয় সহিংসতার অভিযোগে একটি তাৎপর্যপূর্ণ নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে মামলার বাকি ২৮ জন আসামিকে অপরাধের মাত্রা ও সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ এই রায় ঘোষণা করা হয়। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী-এর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় প্রদান করে। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
রায় ঘোষণার আগে বেলা প্রায় সোয়া ১২টার দিকে আদালত কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে রায় পাঠ শুরু হয়। বিচারিক প্যানেল পর্যায়ক্রমে মামলার ঘটনা, সাক্ষ্যপ্রমাণ, তদন্ত প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট আইনি বিশ্লেষণ তুলে ধরে রায়ের ভিত্তি ব্যাখ্যা করেন। আদালত তার পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করে যে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগসমূহ প্রমাণিত হয়েছে এবং তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও দেশের প্রচলিত আইনের আলোকে মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।
এই মামলাটি দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে, কারণ এটি জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতার বিচারিক পরিণতির একটি প্রতীকী দৃষ্টান্ত। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায় শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নয়; বরং এটি রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা, আইনের শাসন এবং নাগরিক অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।
আইন বিশ্লেষকদের অভিমত অনুযায়ী, আদালতের এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকাণ্ডে আরও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে এটি ভুক্তভোগী পরিবার ও আন্দোলনকারীদের জন্য ন্যায়বিচারের একটি প্রতীকী স্বীকৃতি হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
-রফিক
পাঠকের মতামত:
- ১১ উপজেলায় একযোগে যাত্রা শুরু! কৃষক কার্ড নিয়ে বড় ঘোষণা
- শিগগিরই খুলছে হরমুজ প্রণালি! বিশ্বকে বড় বার্তা দিলেন ট্রাম্প
- গুরুতর আহত হয়েও ইরান চালাচ্ছেন নতুন সর্বোচ্চ নেতা
- শান্তি আলোচনার মাঝে অর্থের প্যাঁচ! ৬ বিলিয়ন ডলার নিয়ে লুকোচুরি
- কফিশপ নয়, ডেটিংয়ের জন্য এখন কবরস্থানই পছন্দ জেন-জিদের!
- তেল আছে শুধু সংসদে, বাংলাদেশে নেই: জামায়াত আমির
- সাবধান! ফোনের এই অ্যাপগুলো এখনই মুছে ফেলুন, না হলে সব শেষ
- সড়কে রক্তক্ষয়ী মাস! লাশের মিছিলে যোগ হলো ৫৩২ প্রাণ
- নিউজিল্যান্ড সিরিজে পূর্ণ শক্তির টাইগার দল! অধিনায়ক মিরাজ
- বিশ্বের নজর এখন পাকিস্তানে: অবরুদ্ধ ইসলামাবাদ!
- পাকিস্তানগামী বিমানে শিশুদের ছবি! কী বোঝাতে চাইলেন গালিবাফ?
- কিডনিতে পাথর কেন হয়? খাবারের এই ভুলগুলো আজই শুধরে নিন
- ইসলামাবাদে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধি দল, শুরু হচ্ছে মূল পর্ব
- যুদ্ধবিরতি হলেও কাটবে না জ্বালানিসংকট: ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ওয়াশিংটনে মুখোমুখি হচ্ছে ইসরায়েল-লেবানন: শান্তির পথে বড় মোড়
- আজকের মুদ্রার রেট: জেনে নিন কোন দেশের কত টাকা
- যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন সমীকরণ: ইরানকে অত্যাধুনিক মিসাইল দিচ্ছে চীন!
- আজ শনিবার: রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট ও দোকান বন্ধ থাকবে
- পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়লেই মিলবে ইরানের সাথে চুক্তি: ট্রাম্প
- চাঁদ জয় করে ফিরল ‘আর্টেমিস-২’: প্রশান্ত মহাসাগরে নাসার ঐতিহাসিক অবতরণ
- লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
- আজকের নামাজের সময়সূচি, দেখে নিন সম্পূর্ণ তালিকা
- ক্রেতাদের জন্য সুখবর, কমলো স্বর্ণের দর
- আজকের লাইভ খেলা, কখন কোথায় দেখবেন
- শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ, জানুন এলাকা
- নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান
- পর্দার আড়ালে চীনের মাস্টারস্ট্রোক: রক্ষা পেল যুদ্ধবিরতি
- বিল পাসের পর 'বুঝলাম না' বলা গ্রহণযোগ্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- সৌদি লিগে ‘রোনালদো-পক্ষপাত’! রেফারিদের নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড
- ইরান না কি ইসরায়েল, কে জিতল? ইসরায়েলিদের জরিপে চাঞ্চল্যকর তথ্য
- যুদ্ধ না কি শান্তি? যেকোনো একটি বেছে নাও: ইরান
- চলতি অধিবেশনে চতুর্থবার ওয়াকআউট: বিরোধী দল ও সরকারের মধ্যে দূরত্ব তুঙ্গে
- কালো সোনার মহাকাব্য: যেভাবে ‘তেল’ হয়ে উঠল বিশ্ব শাসনের মূল চাবিকাঠি
- শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চলবে: হিজবুল্লাহ প্রধান
- ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মুখোমুখি: লেবানন ইস্যুতে আলোচনার শুরুতেই হোঁচট
- ১৬ বছরের লুটপাটে ধ্বংসের মুখে অর্থনীতি: অর্থমন্ত্রী
- ঢাকাসহ ৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: নদীবন্দরগুলোতে সতর্কতা
- বিপাকে বাংলাদেশি জাহাজ: হরমুজ প্রণালিতে বাধা দিল ইরান
- রাডার থেকে উধাও যুক্তরাষ্ট্রের ২০ কোটি ডলারের ড্রোন: নেপথ্যে কি ইরান?
- আওয়ামী প্রশ্ন: নিষিদ্ধের রাজনীতি নাকি ফ্যাসিবাদী কাঠামোর ব্যবচ্ছেদ?
- যুদ্ধবিরতির আড়ালে আগুন: লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, বাড়ছে মানবিক বিপর্যয়
- নানিয়ারচর জোন কমান্ডার কর্তৃক বিদায়ী সংবর্ধনা ও ক্রীড়া পুরুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
- দেবিদ্বারে ইমামকে মারধর ও হেনস্তা: বিচারের দাবিতে ইউএনও’কে স্মারকলিপি
- বদলে যাবে কুমিল্লা নগরীর চিত্র: ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে মেগা প্রকল্প
- কানেক্ট বাংলাদেশ ইউকে'র উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
- টানা দুই দিন ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- দুপুরের মধ্যে ৪ জেলায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবের শঙ্কা: ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- ফি আদায় বন্ধ না করলে যুদ্ধের হুমকি: ইরানের ওপর চটলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
- জ্বালানি সংকটে স্বস্তি: ৫ দিনে ৫ জাহাজ ভর্তি এলএনজি-এলপিজি আসছে দেশে
- যুদ্ধের পর আদালতে নেতানিয়াহু, শুরু দুর্নীতি বিচার
- সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা
- বাজুসের নতুন ঘোষণা, স্বর্ণে রেকর্ড উত্থান
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ডসহ ৩০ আসামির সাজা ঘোষণা
- শান্তির খোঁজে ইরানের সঙ্গে সৌদির যোগাযোগ
- আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা
- ৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজকের শেয়ারবাজারে বেশি লোকসানে যেসব কোম্পানি
- আল জাজিরার লাইভ: ইরান থেকে সফলভাবে ফিরেছেন মার্কিন পাইলট
- মাদ্রাসায় শিশুর নিরাপত্তা: নীরবতার বদলে জবাবদিহি দরকার
- শেয়ারবাজারে চাঙ্গা দিন, লাভের শীর্ষে ১০ কোম্পানি
- শেয়ারবাজারে কমেছে ১০ কোম্পানির দর
- আজকের শেয়ারবাজারে কারা সবচেয়ে বেশি লোকসানে
- সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, স্থায়ী সমাধান চাই: যুক্তরাষ্ট্রকে শর্ত জানাল ইরান
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নাটকীয়তা: যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে ইসরায়েলের হামলা








