দলিলে এক নাম, খতিয়ানে আরেক—মালিক কে হবেন?

জমি কেনাবেচা, উত্তরাধিকার কিংবা সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে বিরোধ বাংলাদেশে নতুন নয়। অনেক সময় জমির নিবন্ধিত দলিলে এক ব্যক্তির নাম থাকলেও সরকারি রেকর্ডে অন্য ব্যক্তির নাম পাওয়া যায়। আবার কোনো জমি দীর্ঘদিন ধরে অন্য কেউ দখলে রেখেছেন—এমন ঘটনাও রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, আইন অনুযায়ী জমিটির প্রকৃত মালিক কে?
জমির মালিকানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণত নিবন্ধিত দলিল, সরকারি রেকর্ড বা খতিয়ান এবং বৈধ দখল—এই বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোনো একটি নথিকে সব পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। মালিকানার ইতিহাস, দলিলের বৈধতা, রেকর্ডের ধারাবাহিকতা এবং দখলের আইনগত অবস্থাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়টি নির্ধারণ করা হয়।
বাংলাদেশে জমির সরকারি রেকর্ডের মধ্যে সিএস (CS), এসএ (SA), আরএস (RS), বিএস (BS) এবং বিভিন্ন এলাকায় চলমান বিডিএস (BDS) জরিপের খতিয়ান রয়েছে। জমির মালিকানা যাচাইয়ের সময় পুরোনো রেকর্ড থেকে সর্বশেষ রেকর্ড পর্যন্ত মালিকানার ধারাবাহিকতা দেখা গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ আগের মালিক কে ছিলেন, পরবর্তী সময়ে কীভাবে মালিকানা পরিবর্তিত হয়েছে এবং সেই পরিবর্তনের পেছনে বৈধ দলিল বা অন্য কোনো আইনগত ভিত্তি রয়েছে কি না—এসব বিষয়ও যাচাই করা হয়।
শুধু সর্বশেষ খতিয়ানে কোনো ব্যক্তির নাম থাকলেই সব ক্ষেত্রে মালিকানা চূড়ান্ত হয়ে যায় না। আগের খতিয়ান, নিবন্ধিত দলিল এবং মালিকানা হস্তান্তরের ধারাবাহিকতার মধ্যেও সামঞ্জস্য থাকতে হয়। তাই জমি কেনার আগে শুধু বর্তমান রেকর্ড দেখলেই যথেষ্ট নয়; মালিকানার পুরো ইতিহাস যাচাই করা প্রয়োজন।
জমি কেনা, দান বা হেবার মাধ্যমে মালিকানা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নিবন্ধিত দলিল গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। তবে দলিলের বৈধতা নির্ভর করে যিনি জমিটি হস্তান্তর করেছেন, তার ওই সম্পত্তির ওপর বৈধ মালিকানা বা হস্তান্তরের আইনগত অধিকার ছিল কি না, তার ওপর। বিক্রেতার নিজের মালিকানাই যদি প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তাহলে তার করা দলিল নিয়েও আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এ কারণে জমি কেনার আগে বিক্রেতার মালিকানার উৎস, পূর্ববর্তী দলিল, খতিয়ান, নামজারি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করা জরুরি। মালিকানার ধারাবাহিকতায় কোনো অসঙ্গতি থাকলে শুধু একটি নিবন্ধিত দলিলের ভিত্তিতে মালিকানা দাবি করা জটিল হয়ে উঠতে পারে।
জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের দখলের বিষয়টিও অনেক সময় আলোচনায় আসে। তবে কোনো ব্যক্তি ১২ বছর জমি দখলে রাখলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওই জমির মালিক হয়ে যান—এমন ধারণা সঠিক নয়। প্রতিকূল দখল বা adverse possession-এর দাবি নির্দিষ্ট আইনগত শর্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। দখল কী ধরনের ছিল, প্রকৃত মালিকের অধিকার কী ছিল এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি নিজের অধিকার রক্ষায় কোনো আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছেন কি না—এসব বিষয়ও বিবেচনায় আসতে পারে।
তাই দীর্ঘদিন কোনো জমিতে বসবাস, চাষাবাদ বা দখলে থাকাকে একাই মালিকানার চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে ধরা ঠিক নয়। এ ধরনের দাবি থাকলে সংশ্লিষ্ট নথি ও পরিস্থিতির ভিত্তিতে আইনগতভাবে বিষয়টি প্রমাণ করতে হয়।
জমির প্রকৃত মালিক নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণত একাধিক প্রমাণকে একসঙ্গে বিবেচনা করা হয়। এর মধ্যে সিএস থেকে সর্বশেষ জরিপ পর্যন্ত রেকর্ডের ধারাবাহিকতা, বৈধ ও ত্রুটিমুক্ত নিবন্ধিত দলিল, আইনসম্মত দখল, পূর্ববর্তী মালিকানা ও হস্তান্তরের ইতিহাস এবং নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন করসংক্রান্ত নথি গুরুত্বপূর্ণ।
অর্থাৎ বৈধ দলিল, ধারাবাহিক সরকারি রেকর্ড এবং আইনসম্মত দখল—এই বিষয়গুলোর সমন্বিত প্রমাণ জমির মালিকানা নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে প্রতিটি জমির মালিকানার ইতিহাস আলাদা হওয়ায় কোনো একটি সাধারণ নিয়ম সব ক্ষেত্রে একইভাবে প্রয়োগ করা যায় না।
জমি নিয়ে বিরোধ, মালিকানা নিয়ে মামলা বা নথিপত্রে অসঙ্গতি থাকলে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করে আইনজীবী বা ভূমি বিষয়ে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ জমির ধরন, রেকর্ডের ইতিহাস, দলিলের বৈধতা, দখলের প্রকৃতি এবং চলমান মামলার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আইনি অবস্থান ভিন্ন হতে পারে।
/আশিক
মির্জা ফখরুলকে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন, যা বললেন চীনের প্রেসিডেন্ট
বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সোমবার (২৪ আগস্ট) পাঠানো এক অভিনন্দনবার্তায় তিনি বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
অভিনন্দনবার্তায় শি জিনপিং বাংলাদেশ ও চীনকে ঐতিহ্যগতভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫১ বছরে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে উভয় দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ ও উদ্বেগের বিষয়গুলোতেও পরস্পরের সঙ্গে সহযোগিতা করে আসছে দুই দেশ।
চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, নিজ নিজ আধুনিকায়নের পথে বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে কাজ করেছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ ও পরীক্ষার মধ্যেও দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থিতিশীলভাবে এগিয়ে গেছে।
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের উন্নয়নকে চীন অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় উল্লেখ করে শি জিনপিং বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে কাজ করে দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে আরও এগিয়ে নেওয়া এবং কৌশলগত যোগাযোগ জোরদার করতে তিনি আগ্রহী।
তিনি আরও বলেন, চীন উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের পারস্পরিক বিনিময় ও সহযোগিতা আরও গভীর করতে চায়। এর মাধ্যমে নতুন যুগে চীন-বাংলাদেশ অভিন্ন ভবিষ্যতের অংশীদারত্ব আরও গভীর ও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
শি জিনপিং আশা করেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের এই অগ্রগতির সুফল দুই দেশের জনগণ আরও বেশি উপভোগ করতে পারবেন।
/আশিক
সবাইকে প্রস্তুত নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যেতে হবে: সিইসি
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুধু নির্বাচন কমিশনের একার বিষয় নয় বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সব বাহিনীকেও প্রস্তুত থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট সবাই প্রস্তুত হলেই বোঝা যাবে নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশন প্রস্তুত।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সিইসি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ কবে নির্ধারণ করা হবে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, এখনই নির্দিষ্ট তারিখ বলা সম্ভব নয়। নির্বাচনের সময় নির্ধারণ অনেকগুলো বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রস্তুতি চূড়ান্ত হওয়ার পর ভোটের আয়োজন করা হবে।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে কিছু আইন ও বিধি সংশোধনের কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে প্রস্তাব তৈরি করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের সঙ্গে কিছু বিষয়ে আলোচনা প্রয়োজন রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করে সিইসি বলেন, নির্বাচনে পুলিশ, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজন হবে। তাই এসব বিষয়ে সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্বাচন কমিশনই নির্ধারণ করবে জানিয়ে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করা হবে। ভোটের সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রে আবহাওয়া, বর্ষাকাল, বন্যা, পূজা ও পাবলিক পরীক্ষার মতো বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
সম্প্রতি পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি জানান, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পুলিশের প্রস্তুতি, দেশের বিভিন্ন এলাকার পরিস্থিতি এবং নির্বাচনের জন্য কত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা সম্ভব হবে—এসব বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশকে কিছু পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচন যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তার চেয়ে ভালো হবে; কোনোভাবেই খারাপ হবে না। সবার সহযোগিতা নিয়ে এই নির্বাচন সফলভাবে আয়োজন করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
/আশিক
স্কুলের খাবার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নজর, হবে পাইলট প্রকল্প
বিদ্যালয় পর্যায়ে মিড-ডে মিল কার্যক্রম পরিচালনা, খাবারের পুষ্টিমান এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিক্ষার্থীদের দেওয়া খাবার অবশ্যই পুষ্টিকর, নিরাপদ ও মানসম্মত হতে হবে এবং খাদ্যের মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের চলমান কার্যক্রম, এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে তাদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা ও ঝরে পড়া রোধে ট্রাস্টের ভূমিকা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত জানানো হয়।
এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে মেয়েদের জন্য চালু হওয়া সার্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রভাব ও অর্জন নিয়েও আলোচনা হয়। ওই কর্মসূচির ফলে মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানো, শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিবাহ নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছিল বলে বৈঠকে তুলে ধরা হয়।
এই প্রেক্ষাপটে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাই করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং এর প্রত্যাশিত সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে ছেলেদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপবৃত্তি দেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি সমান গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। মিড-ডে মিল কার্যক্রম বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয়, ব্যবস্থাপনার দক্ষতা, স্থানীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ এবং খাবারের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দুটি বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
দুটি পদ্ধতির কার্যকারিতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা ও সম্ভাব্য ফলাফল যাচাই করতে পৃথক দুটি জেলায় প্রতিটি পদ্ধতির জন্য পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এসব প্রকল্পের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে কার্যকর পদ্ধতি নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হবে।
বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
গ্যাস সরবরাহে গতি আনতে এলএনজি আমদানির নতুন অনুমোদন
আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান থেকে দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
সোমবার (২৪ আগস্ট) অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৪১তম সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপস্থাপিত এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত প্রস্তাবের বিবরণ অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার পোসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন থেকে আগামী ১৩-১৪ সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪.৬২৫ মার্কিন ডলারে এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এছাড়া যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস থেকে ২৩-২৪ সেপ্টেম্বর সময়ে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪.২৫ মার্কিন ডলার দরে আরও এক কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। সভায় এলএনজি ক্রয়ের এই প্রস্তাবসহ মোট ১৩টি উন্নয়ন ও ক্রয় প্রস্তাব উপস্থাপন ও অনুমোদন পায়।
/আশিক
ধর্ষণের পর হত্যা বেড়েছে ৮১ শতাংশ, আজও একই প্রশ্ন নারীর নিরাপত্তায়
দেশে নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার ভয়াবহতা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। গত বছর পুরো ১২ মাসে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছিলেন ৫৫ জন; অথচ চলতি বছরের প্রথম সাত মাসেই এ ধরনের মৃত্যুর সংখ্যা ৫৮ জনে পৌঁছেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে এমন তথ্য সামনে এসেছে। মাসিক গড় তুলনা করলে ধর্ষণের পর হত্যার হার আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৮১ শতাংশ বেশি। এমন উদ্বেগজনক বাস্তবতার মধ্যেই আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) পালিত হচ্ছে ইয়াসমিন হত্যা দিবস বা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস।
দিনটি বাংলাদেশের নারী অধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর অধ্যায়ের স্মারক। ১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট দিনাজপুরের কিশোরী ইয়াসমিন ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে পুলিশের একটি টহল দলের হাতে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়। তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়েছিল। পরে তার মরদেহ সড়কের পাশে পাওয়া যায়। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে দিনাজপুরে তীব্র গণআন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে এবং পুলিশের গুলিতে সাতজন নিহত হন। পরবর্তী সময়ে ২৪ আগস্ট নারী নির্যাতন প্রতিরোধের প্রতীকী দিনে পরিণত হয়।
ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডের বিচার শেষ পর্যন্ত হয়েছিল। ১৯৯৭ সালে রংপুরের বিশেষ আদালত তিন পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং ২০০৪ সালে তাদের দণ্ড কার্যকর হয়। কিন্তু তিন দশকের বেশি সময় পরও ইয়াসমিনের ঘটনা যে প্রশ্ন সামনে এনেছিল নারী ও কন্যাশিশু কতটা নিরাপদ তার সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি। বরং সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান যৌন সহিংসতার আরও উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাবে, ২০২৫ সালে দেশে অন্তত ৭৪৯টি ধর্ষণের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল। এর মধ্যে ৫৬৯টি একক এবং ১৮০টি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা। গত পাঁচ বছরে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন দুই শতাধিক নারী ও শিশু। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর এসব পরিসংখ্যান মূলত সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ও তাদের কাছে আসা ঘটনার ভিত্তিতে তৈরি হওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বিশেষ করে যেসব ঘটনা মামলা বা সংবাদমাধ্যম পর্যন্ত পৌঁছায় না।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাম্প্রতিক তথ্যও পরিস্থিতির গভীরতা নির্দেশ করছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে দেশে ২৫৮ নারী ও ৮৩ কন্যাশিশুসহ মোট ৩৪১ জন নারী ও কন্যাশিশু হত্যার শিকার হয়েছেন। তাদের উপস্থাপিত পরিসংখ্যানে ৬৩টি ঘটনা ধর্ষণ ও ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুধু বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই মহিলা পরিষদের হিসাবে ১ হাজার ৩৫ নারী ও কন্যাশিশু বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হন। ওই সময় ২৫০ জন ধর্ষণ, ৬৫ জন সংঘবদ্ধ ধর্ষণ এবং অন্তত ১৮ জন ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। একই সময়ে ৫৩ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছিল।
সাম্প্রতিক কয়েকটি নৃশংস ঘটনা এই পরিসংখ্যানের পেছনে থাকা মানবিক বিপর্যয়কেও সামনে এনেছে। মাদারীপুরের শিবচরে ২৮ বছর বয়সী এক নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে ফারুক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ওই নারীর এক বছর বয়সী শিশুসন্তানকেও আড়িয়াল খাঁ নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের ঘটনায় ধর্ষণের পর পরিচয় গোপন করা, অপরাধের আলামত নষ্ট করা কিংবা ভুক্তভোগী যাতে সাক্ষ্য দিতে না পারেন এমন উদ্দেশ্য হত্যাকাণ্ডের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মানবাধিকারকর্মীরা মনে করেন।
নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতার পেছনে একক কোনো কারণ নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম সমাজে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা, মাদকের বিস্তার এবং অপরাধের কার্যকর বিচার না হওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন। তার বক্তব্যে নৃশংসতার মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এসব ঘটনা নিয়ে কাজ করা মানবাধিকারকর্মীরাও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছেন।
‘আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট’-এর প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতাকে বড় প্রতিবন্ধক হিসেবে দেখছেন। তার মতে, নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের পাশাপাশি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে মামলা উচ্চ আদালতে যাওয়ার পর সাধারণ ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা অনেক ক্ষেত্রেই কঠিন হয়ে পড়ে।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামালও আইন থাকার পাশাপাশি তার কার্যকর প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণের প্রক্রিয়ায় পুলিশ, চিকিৎসক, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ও বিচারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত সহযোগিতা না থাকলে ভুক্তভোগীর বিচার পাওয়ার পথ কঠিন হয়ে যায়। এর সঙ্গে সামাজিকভাবে নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির অর্থনৈতিক, সামাজিক বা রাজনৈতিক প্রভাব যুক্ত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যৌন সহিংসতার মামলায় ঘটনার পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা ও দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগ দ্রুত নথিভুক্ত করা, সময়মতো মেডিক্যাল পরীক্ষা, ডিএনএসহ ফরেনসিক আলামত যথাযথভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে মামলার প্রমাণভিত্তি শক্তিশালী হয়। শিশু ভুক্তভোগীদের ক্ষেত্রে বয়সোপযোগী ও শিশুবান্ধব পরিবেশে সাক্ষ্য ও জিজ্ঞাসাবাদের ব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। শিশুদের বয়স অনুযায়ী ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, নিরাপদ ও অনিরাপদ স্পর্শ, যৌন হয়রানি শনাক্ত করা এবং বিপদের ক্ষেত্রে কোথায় সহায়তা চাইতে হবে এসব বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে ‘পারিবারিক সম্মান’ বা সামাজিক মর্যাদা রক্ষার অজুহাতে নির্যাতনের অভিযোগ গোপন করার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার তাগিদ রয়েছে।
ইয়াসমিন হত্যার ৩১ বছর পর তাই ২৪ আগস্ট কেবল একটি মর্মান্তিক ঘটনার স্মরণদিবস নয়; দিনটি রাষ্ট্র ও সমাজের সামনে জবাবদিহির প্রশ্নও তুলে ধরে। ইয়াসমিন হত্যায় দোষীদের সর্বোচ্চ সাজা কার্যকর হয়েছিল, কিন্তু নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছে কেবল কঠোর আইন বা শাস্তির বিধান যথেষ্ট নয়। অপরাধ প্রতিরোধ, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত, ফরেনসিক সক্ষমতা, সাক্ষী ও ভুক্তভোগীর সুরক্ষা, সময়োপযোগী বিচার এবং নারীর প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন সবগুলো ক্ষেত্রেই সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন।
-রফিক
বিশ্বব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ পদে সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তার নতুন দায়িত্ব
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানকে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট কনস্টিটিউয়েন্সির ‘বিকল্প নির্বাহী পরিচালক’ পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আগামী তিন বছরের জন্য তিনি চুক্তিভিত্তিক এ দায়িত্ব পালন করবেন।
রবিবার (২৩ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন।
প্রজ্ঞাপনের শর্তানুযায়ী, আবদুর রহমান খানের অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) ও তৎসংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিতের শর্তে এই নিয়োগ কার্যকর হবে। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনকালে তিনি অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি-বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কোনো ধরনের কর্ম-সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবেন না। যোগদানের দিন থেকে পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত ওয়াশিংটনে তার এই মেয়াদ কার্যকর থাকবে এবং অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
উল্লেখ্য, মো. আবদুর রহমান খান ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন। এর পূর্বে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চলতি বছরের ২৯ জুন এনবিআর চেয়ারম্যান হিসেবে তার নিয়মিত সরকারি চাকরির মেয়াদ সম্পন্ন হয়।
/আশিক
ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে বাড়ছে খরচ, যুক্ত হচ্ছে নতুন চার্জ
ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিটে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি হারে নতুন চার্জ যুক্ত করার প্রস্তাব এসেছে। বাহ্যিকভাবে এই চার্জের পরিমাণ সামান্য মনে হলেও, দীর্ঘমেয়াদে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে দেশের সার্বিক ব্যয়ের ওপর এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে।
এ বিষয়ে ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যাপার নিগম লিমিটেড (এনভিভিএন) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে ‘সেটেলমেন্ট নোডাল এজেন্সি’ (এসএনএ) চুক্তি সম্পাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চুক্তিটি স্বাক্ষরের ব্যাপারে মতামত চেয়ে গত ১৮ আগস্ট অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। দ্রুত এই চুক্তি সম্পন্ন না হলে এনভিভিএনের মাধ্যমে নির্ধারিত ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানিতে কারিগরি ও আইনি জটিলতা তৈরির ঝুঁকি রয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের চিঠির তথ্যমতে, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (সিইআরসি) আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুরুতে প্রতি ইউনিটে ০.০১ ভারতীয় রুপি চার্জ নির্ধারণের প্রস্তাব করেছিল। পরবর্তীতে পিডিবির আবেদনের প্রেক্ষিতে তা অর্ধেক কমিয়ে ০.০০৫ রুপি করা হয়। মূলত আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সময়সূচি নির্ধারণ, মিটারের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, সরবরাহ ও ব্যবহারের হিসাব সমন্বয় এবং গ্রিড পরিচালনার ব্যয় নির্বাহে এই এসএনএ ফি দাবি করা হয়েছে। নেপাল ও ভুটানের ক্ষেত্রেও একই হারে এই চার্জ প্রযোজ্য।
বর্তমানে বিভিন্ন চুক্তির আওতায় ভারত থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। এর মধ্যে এনভিভিএন ও পিটিসি ইন্ডিয়ার মাধ্যমে মোট ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াটের জন্য নতুন এসএনএ চুক্তি কার্যকর হবে। তবে আদানি পাওয়ারের ঝাড়খণ্ডের গড্ডা কেন্দ্র থেকে আমদানিকৃত ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ক্রয়চুক্তিতে ইতোমধ্যে এই ধরনের চার্জ অন্তর্ভুক্ত থাকায় সেটির জন্য আলাদা চুক্তির প্রয়োজন পড়বে না।
উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আদানি পাওয়ার, এনভিভিএন, পিটিসি ইন্ডিয়া ও সেম্বকর্প—এই চার উৎস থেকে বাংলাদেশ প্রায় ১ হাজার ৬৪১ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ আমদানি করেছে। এতে মূল বিদ্যুৎ বাবদ ১৬ হাজার ৯৯৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং হুইলিং চার্জসহ সর্বমোট ১৭ হাজার ২১১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে শুধু আদানি পাওয়ারের ৮০৩ কোটি ইউনিট বিদ্যুতের পেছনে খরচ হয়েছে ১১ হাজার ৯৩৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। দেশে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় আমদানির ওপর নির্ভরতা যেমন বাড়ছে, তেমনি নতুন এই চার্জের ফলে সামগ্রিক বিদ্যুৎ আমদানির খরচও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
/আশিক
বিপুল জনগোষ্ঠীকে মানব সম্পদে রূপান্তরের মহাপরিকল্পনা সরকারের: শিক্ষামন্ত্রী
একটি উন্নত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তরিত করার যে কর্মপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রহণ করেছেন, সরকার সেই লক্ষ্যকে অগ্রাধিকার দিয়েই কাজ করছে। এজন্য সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থায় কারিগরি শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর সোবহানবাগে আয়োজিত ‘দক্ষ ও উৎপাদনশীল বাংলাদেশের লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ জনশক্তির বিপুল চাহিদার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রবাসী শ্রমিকরা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান শক্তি। তাদেরকে যদি যথাযথ প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় গড়ে তুলে বিদেশে পাঠানো যায়, তবে দেশের অর্থনীতি আরও বেশি গতিশীল ও শক্তিশালী হবে। এই কারণে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।
এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশে আরও চারটি নতুন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। এর পাশাপাশি ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটকে একটি আধুনিক ও মানসম্মত মডেল প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং এজন্য একটি পৃথক বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।
দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে কার্যকর মানব সম্পদে পরিণত করতে টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের (টিভিইটি) গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে কারিগরি শিক্ষা অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। তাই প্রচলিত বা গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থার গণ্ডি থেকে বেরিয়ে যুগোপযোগী কর্মমুখী শিক্ষার দিকে সবাইকে অগ্রসর হতে হবে।
/আশিক
গ্যাস সংকটের জন্য সরকার দায়ী নয়, যুদ্ধের প্রভাব: রিজভী
বৈশ্বিক সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব দেশীয় গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহের ওপর পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, চলমান গ্যাস সংকটের পেছনে বৈশ্বিক অস্থিরতা ও প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে এবং গ্যাস সংকটের প্রভাবে কোথাও কোথাও শিল্প-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সাধারণ মানুষের জন্য সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম সচল রাখার চেষ্টা চলছে। যেসব অঞ্চলে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, সেখানে দ্রুত জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।
প্রশাসনের প্রতিটি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, জনগণের কাছে সরকারের পূর্ণ দায়বদ্ধতা থাকতে হবে। জনসেবা ও সামাজিক সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে একটি দায়িত্বশীল সরকার কীভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, বর্তমান প্রশাসন তা প্রমাণ করছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মো. জহির উদ্দিন স্বপনসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- দলিলে এক নাম, খতিয়ানে আরেক—মালিক কে হবেন?
- চোখের নিচে কালো দাগ কেন, কমানোর সহজ কিছু উপায়
- মির্জা ফখরুলকে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন, যা বললেন চীনের প্রেসিডেন্ট
- পেটের যে ব্যথা অবহেলা করলেই বাড়তে পারে বিপদ
- সবাইকে প্রস্তুত নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যেতে হবে: সিইসি
- দিল্লিতে রেড অ্যালার্ট জারি, ১৫টি বিমান ঘুরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ
- প্রথম ছয় মাসেই সরকারের ব্যর্থতা প্রমাণ হয়েছে: নাহিদ
- উত্তেজনার মধ্যেই সাড়ে ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের গ্যাস ক্ষেত্র পেল ইরান
- কলেরার টিকা গ্রহণের প্রক্রিয়া: জেনে নিন আবেদনের নিয়ম
- স্কুলের খাবার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নজর, হবে পাইলট প্রকল্প
- গ্যাস সরবরাহে গতি আনতে এলএনজি আমদানির নতুন অনুমোদন
- সোনা-রুপার আজকের দাম, দেখে নিন একনজরে
- তেলের দামে পতন
- আজকের নামাজের সময়সূচি, জেনে নিন একনজরে
- তিন ঘণ্টা মায়ের আকুতি, বাবার শেষ চেষ্টা তবুও মন গলেনি ছেলের
- ধর্ষণের পর হত্যা বেড়েছে ৮১ শতাংশ, আজও একই প্রশ্ন নারীর নিরাপত্তায়
- দুপুরের মধ্যেই ৮ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টি, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- মেসির পাশে আবার ডি মারিয়া? মায়ামি নিয়ে নতুন গুঞ্জন
- ‘নতুন ধাপে’ যাচ্ছে ইরান যুদ্ধ, মিত্রদের চায় যুক্তরাষ্ট্র
- ডার্ক ওয়েবে ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন
- হরমুজ দিয়ে ‘এক ফোঁটা তেলও’ যেতে দেব না: ইরান
- ট্রেডমার্ক লুক বদলে নতুন চেহারায় হাজির ম্যানচেস্টার সিটির তারকা
- দূতাবাসে হুমকির ই-মেইল: কূটনৈতিক এলাকায় সতর্কতা
- বিশ্বব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ পদে সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তার নতুন দায়িত্ব
- নতুন দায়িত্বের পর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রথম দাপ্তরিক কাজ
- সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল নিয়ে বড় অগ্রগতির খবর
- বৈদেশিক সহায়তা কাটছাঁট: বিপাকে সুন্দরবনের জলবায়ু প্রকল্প
- ব্রাজিল প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফর: ফুটবলে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত
- ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে বাড়ছে খরচ, যুক্ত হচ্ছে নতুন চার্জ
- ঢাকাসহ সারা দেশে ঝড়-বৃষ্টির আভাস দিল আবহাওয়া অফিস
- আকাশসীমা নজরদারিতে নতুন প্রযুক্তি: সক্ষমতা বৃদ্ধির তথ্য জানাল বিএনপি
- ২০২৭ সালের রমজান ও দুই ঈদের সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ
- তিন ইনিংসেই স্টার্কের শিকার: দুঃস্বপ্নের অস্ট্রেলিয়া সফর লিটনের
- চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান চূড়ান্ত লড়াই নয়, ছিল লড়াইয়ের মহড়া: শফিকুর রহমান
- বিপুল জনগোষ্ঠীকে মানব সম্পদে রূপান্তরের মহাপরিকল্পনা সরকারের: শিক্ষামন্ত্রী
- মার্কিন হামলার পর বৈশ্বিক নীতিতে বড় পরিবর্তনের হুঁশিয়ারি ইরানের
- গ্যাস সংকটের জন্য সরকার দায়ী নয়, যুদ্ধের প্রভাব: রিজভী
- পরিবার নিয়ে বঙ্গভবনে উঠলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌপ্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম
- এগিয়ে এলো জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, নতুন সূচি প্রকাশ
- গার্ড অব অনারে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- গার্ড অব অনারে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হলেন আশিক চৌধুরী
- বিনামূল্যে প্রাথমিক-জরুরি চিকিৎসার অঙ্গীকার সরকারের
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না বহু এলাকায়
- দুই দিনেই ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত
- বঙ্গোপসাগরে ২৪ নাবিক নিয়ে ডুবল জাহাজ, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২২
- আজ বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- উপকূলে লঘুচাপের শঙ্কা: আগামী ৫ দিনের আবহাওয়া নিয়ে পূর্বাভাস
- কোরআনের আদর্শ বাস্তব জীবনে বাস্তবায়নেই মুক্তি মিলবে: জামায়াত আমির
- ক্ষমতার পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়, বদলাতে হবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি: AMRA গোলটেবিলে বক্তারা
- ছয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
- নেতাদের জুয়ার মূল্য নগদে শোধ করছে মার্কিন পরিবারগুলো: ইরান
- সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে চরমোনাই পীরের ৬ দফা পরামর্শ
- দুপুরের আকাশে জ্বলজ্বল করবে তারা: বিরল সূর্যগ্রহণে রেকর্ড গড়বে লুক্সর
- সরকারি অনুদানের চেক গ্রহণ করলেন রেসডোর চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ
- ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে এবার বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী
- তারেক রহমানের কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই, দেশেই সব উৎসর্গ: রিজভী
- বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক ও জ্বালানি সরবরাহ পর্যালোচনার আশ্বাস ভারতের
- স্মার্টফোন চার্জে দেওয়ার সময় যেসব সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলবেন
- আইন পেশার উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে সরকারের বার্তা
- অনুমতি ছাড়া মিছিলের চেষ্টা: হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩ নেতা আটক
- দীর্ঘ তিন দশক পর রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের প্রস্তুতি
- বঙ্গোপসাগরে ২৪ নাবিক নিয়ে ডুবল জাহাজ, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২২
- বিআরটিসির ‘পিংক বাসে’ এবার স্টারলিংকের হাই-স্পিড স্যাটেলাইট ইন্টারনেট








